Tag: Azadi Ka Amrit Mahotsav

Azadi Ka Amrit Mahotsav

  • Independence Day 2023: ভারতের সঙ্গে আরও ৫টি দেশ স্বাধীনতা দিবস পালন করে ১৫ অগাস্ট

    Independence Day 2023: ভারতের সঙ্গে আরও ৫টি দেশ স্বাধীনতা দিবস পালন করে ১৫ অগাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ অগাস্ট ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ স্বাধীনতা (Independence Day 2023) লাভ করে। এই স্বাধীনতা হল ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কলোনি সাম্রাজ্য থেকে মুক্তির স্বাধীনতা। উল্লেখ্য আরও ৫টি দেশের একই স্বাধীনতা দিবস ১৫ অগাস্ট। একই দিনে পরাধীনতা থেকে মুক্তি লাভ করে স্বাধীনতা লাভ করেছিল নর্থ কোরিয়া, সাউথ কোরিয়া, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো, বাহারিন এবং লিচেনস্টেইন। ভারতবর্ষের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষের সময়কে ভারত সরকার অমৃত মহোৎসব হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

    ভারত কীভাবে স্বাধীন হয়েছিল (Independence Day 2023)?

    ভারতবর্ষ ব্রিটিশদের ২০০ বছরের পরাধীনতা থেকে মুক্তি পেতে, অনেক স্বাধীনতা (Independence Day 2023) সংগ্রামীদের নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছিল। ব্রিটিশদের সঙ্গে হয়েছে সশস্ত্র লড়াই। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার ভারত স্বাধীনের একটি বিল ১৯৪৭ সালের ৪ জুলাই ব্রিটিশ হাউসে পেশ করে। ওই বছরেই ১৪ অগাস্ট ভারতবর্ষকে ভারত এবং পাকিস্তান বিভাজনের মধ্যে দিয়ে ব্রিটিশরা ভারতীয়দের দেশের শাসন ভার দিয়ে প্রত্যাগমন করে। ১৫ই অগাস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা হয়। এরপর দিল্লির লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

    পাঁচটি দেশের স্বাধীনতা দিবস ১৫ অগাস্ট

    সাউথ কোরিয়া এবং নর্থ কোরিয়া প্রথমে এক সঙ্গেই অখণ্ড ছিল। এই দেশ ভারতের মতো পরাধীন ছিল। অ্যামেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে ছিল। পরে জাপান দখল করেছিল। এরপর ১৫ অগাস্ট, ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে স্বাধীনতা লাভ করে কোরিয়া। কিন্তু তারও ৩ বছর পর ১৯৪৮ সালে কোরিয়া যথা ক্রমে সাউথ এবং নর্থ কোরিয়াতে ভাগ হয়ে যায়। বাহারিন দেশ ১৯৭১ সালের ১৫ অগাস্ট ব্রিটিশ কলোনি থেকে মুক্তি লাভ করে। কঙ্গো ১৯৬০ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা লাভ করে। এই দিনই কঙ্গোর জাতীয় দিবস হিসাবে পালন করে তাঁদের স্বাধীনতা দিবসকে। উল্লেখ্য কঙ্গো ফ্রান্স সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। লিচেনস্টেইন একটা সময় জার্মানের অধীনে ছিল। এই দেশটি হল ইউরোপের অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যবর্তী একটি ছোট্ট দেশ। ১৮৬৬ সাল পর্যন্ত জার্মান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। তাঁদেরও স্বাধীনতা (Independence Day 2023) দিবস ১৫ অগাস্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে স্কুলের পাঠ্যসূচি সম্পর্কে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। স্কুলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী। একথা জানিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তবে কেন এমন দাবি করলেন তিনি, এই নিয়ে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে।

    জানা গিয়েছে, খুব কম বয়স থেকেই শিশুরা যাতে দেশের সেনা জওয়ান, তাঁদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে তার জন্যই এই পদক্ষেপ। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের “বীর গাথা” (Veer Gatha) প্রজেক্টে বক্তব্য রাখার সময়েই এই বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “দেশের প্রতি সন্তানদের যাতে খুব কম বয়সেই দায়িত্ববোধ এসে যায় সেই দিকে ভেবেই শিক্ষা মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষামন্ত্রক এই আলোচনা করছে। শিশুদের পাঠ্যক্রমে ভারতের সেনা জওয়ানদের বীরত্ব ও গত ৭৫ বছরে ভারতের বীর গাথার কাহিনি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বীর গাঁথা প্রজেক্টটি ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (‘Azadi Ka Amrit Mahotsav’)-এর একটি অংশ হিসাবে চালু করা প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল দেশের সেনা বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করা ও তাদের অনুপ্রাণিত করা। গত বছর অর্থাৎ ২০২১-এর অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আয়োজন করা হয়েছিল ‘বীর গাথা প্রতিযোগিতা’-র। যেখানে দেশের মোট ৪,৭৮৮ টি স্কুল থেকে প্রায় ৮.০৪ লক্ষ পড়ুয়া উৎসাহিত ছিল তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প, বিভিন্ন প্রবন্ধ, কবিতা, ছবি আঁকা এবং মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এদের মধ্যে ২৫ জন পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে ও তাদের “সুপার ২৫” হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। যে সকল পড়ুয়া এই প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছে তাদের “সুপার সেনা”-র তকমা দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে শিক্ষামন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যে, দেশের সেনাদের সম্মানে এই প্রতিযোগিতার নাম পরিবর্তন করে ‘সেনা সুপার ২৫’ করা উচিত। এই অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ‘বীরগাথা’ প্রতিযোগিতার ২৫ জনকে বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত করেন।

     

  • Independence Day 2022: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে ভারতের সংগ্রামী যোদ্ধাদের সেরা কিছু উক্তি একনজরে দেখে নিন

    Independence Day 2022: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে ভারতের সংগ্রামী যোদ্ধাদের সেরা কিছু উক্তি একনজরে দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জুড়ে পালিত হচ্ছে ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। দেশের সব প্রান্তে তেরঙা পতাকা উড়িয়ে এই বিশেষ দিনটি আড়ম্বরের সাথে পালন করে সাধারণ মানুষ। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে চলছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে নানা অনুষ্ঠানের। তারই একটি হল আজাদি কা অমৃত মহোৎসব (Azadi Ka Amrit Mahotsav)। এই অনুষ্ঠান পালন করতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

    অনেক সংগ্রাম, রক্তক্ষয় ও অশ্রুজলের মধ্যে দিয়ে প্রায় দুশো বছরের পর পরাধীনতার হাত থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি। বহু ভারতীয়ের দীর্ঘ এবং কঠিন সংগ্রামের পর ১৯৪৭ সালের ১৫ ই অগাস্ট আমাদের দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ব্রিটিশদের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। সেই বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদান কখনও ভোলার নয়। স্বাধীনতা দিবসের মত এই বিশেষ দিনে এমনই কিছু বীরের উক্তি মনে করা যাক একনজরে।

    “নির্দয় সমালোচনা এবং স্বাধীন চিন্তা, বিপ্লবী চিন্তার দুটি প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য।” – ভগৎ সিং

    “চোখের বদলে চোখ সমগ্র বিশ্বকে অন্ধ করে দেবে।” – মহাত্মা গান্ধী

    “পুঁজিবাদী সমাজের শক্তিগুলিকে যদি নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তাহলে ধনীরা আরও ধনী এবং দরিদ্ররা আরও দারিদ্রতার স্বীকার হবে।” – জওহরলাল নেহরু

    “কোনো সম্প্রদায়ের অগ্রগতি আমি সেই সম্প্রদায়ের নারীর অগ্রগতির নিরিখে পরিমাপ করি।” – ভীম রাও আম্বেদকর

    “অন্যায় ও অন্যায়ের সাথে আপস করাটাই যে সবচেয়ে বড় অপরাধ, একথা ভুললে চলবে না। এই চিরন্তন সত্যি মনে রাখবে: কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হবেই।” – সুভাষ চন্দ্র বসু

    “শত্রুর গুলির সম্মুখীন আমরাই হব, স্বাধীন ছিলাম, স্বাধীনই থাকবো” – চন্দ্র শেখর আজাদ

    “আমাদের হৃদয় ত্যাগের আবেগে পূর্ণ, খুনীদের বাহুতে কতটা জোড়, সেটাই দেখার বিষয়” – রামপ্রসাদ বিশমিল

    “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার এবং আমি সেটা অর্জন করবই” – বাল গঙ্গাধর তিলক

    “আমরা গভীর আন্তরিকতা, বক্তৃতায় আরও সাহস এবং কর্মে আন্তরিকতা চাই।” – সরোজিনী নাইডু

    “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির,
        জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর
        আপন প্রাঙ্গণতলে দিবসশর্বরী
        বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি,
        যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমুখ হতে
        উচ্ছ্বসিয়া উঠে, যেথা নির্বারিত স্রোতে
        দেশে দেশে দিশে দিশে কর্মধারা ধায়
        অজস্র সহস্রবিধ চরিতার্থতায়,
        যেথা তুচ্ছ আচারের মরুবালুরাশি
        বিচারের স্রোতঃপথ ফেলে নাই গ্রাসি,
        পৌরুষেরে করে নি শতধা, নিত্য যেথা
        তুমি সর্ব কর্ম চিন্তা আনন্দের নেতা,
        নিজ হস্তে নির্দয় আঘাত করি, পিতঃ;
        ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত॥” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

  • Bengaluru Idgah Maidan: স্বাধীনতা দিবসে ইতিহাস, ইদগাহ ময়দানে উড়ল তেরঙা  

    Bengaluru Idgah Maidan: স্বাধীনতা দিবসে ইতিহাস, ইদগাহ ময়দানে উড়ল তেরঙা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হল স্বাধীনতার (Independence) পঁচাত্তর বছর পূর্তি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ডাকে পালিত হয়েছে হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচিও। স্বাধীনতা দিবসে সর্বত্রই উত্তোলন করা হয়েছে জাতীয় পতাকা (National Flag)। ছোট জনপদেও পালিত হয়েছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব (Azadi Ka Amrit Mahotsav)। স্বাধীনতার ৭৬ তম বর্ষে সৃষ্টি হল আরও একটি ইতিহাসের। সেটি হল, এই প্রথম জাতীয় পতাকা উড়ল কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর ইদগাহ ময়দানে (Idgah Maidan)। স্বাধীনতার পর এই প্রথম এখানেও স্বাড়ম্বরে পালিত হল স্বাধীনতা দিবস।

    স্বাধীনতা দিবসে দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা উড়লেও, এতদিন এই পতাকা ওড়ানো হত না বেঙ্গালুরুর এই ইদগাহ ময়দানে। কারণ এই ময়দানের দখলদারি নিয়ে বিতর্ক থাকায় এতদিন এখানে জাতীয় পতাকা ওড়ানো হত না। ছামারাজপতের এই ইদগাহ ময়দানের মালিকানা কার, তা নিয়ে ছিল বিতর্ক। তাই স্বাধীনতা দিবসে অতি ছোট মহল্লায় জাতীয় পতাকা উড়লেও, এই ময়দানে উড়ত না। এতদিন এ নিয়ে কেউ কোনও উচ্চবাচ্য না করলেও, সম্প্রতি স্থানীয় কয়েকটি গোষ্ঠী ঘোষণা করে, স্বাধীনতা দিবসে এই ইদগাহ ময়দানে উড়বে জাতীয় পতাকা। মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। ঠিক হয়, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন রাজস্ব দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পর্যায়ের কোনও আধিকারিক। সেই মতো স্বাধীনতা দিসবের আগেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় গোটা তল্লাট। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে মোতায়েন করা হয় র‌্যাফ, সিটি আর্মড রিজার্ভ এবং কর্নাটক স্টেট রিজার্ভ পুলিশ। তার পরেই ওড়ে তেরঙা পতাকা।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও প্রাসঙ্গিক শ্রী অরবিন্দর জীবনদর্শন! আজ তাঁর ১৫০তম জন্মজয়ন্তী

    কেন এতদিন এই ময়দানে উত্তোলন করা হত না জাতীয় পতাকা? জানা গিয়েছে, কর্নাটক স্টেট ওয়াকফ বোর্ড ১৯৬৫ সালের একটি গেজেট নোটিফিকেশন দেখিয়ে দাবি করে, জমিটি ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি। যদিও ১৯৭৪ সালের সিটি সার্ভে রেকর্ড এবং অন্যান্য সিভিক রেকর্ড অনুযায়ী দেখা যায়, জমিটি একটি খেলার মাঠ। সম্প্রতি কর্নাটক স্টেট ওয়াকফ বোর্ডের দাবি খারিজ করে দেয় সিটি সিভিক বডি বৃহৎ  বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে (Brihat Bengaluru Mahanagara Palike)। তারা জানিয়ে দেয়, জমিটি কর্নাটক সরকারের রাজস্ব দফতরের। তার পরেই অবসান হয় কয়েক দশক ধরে চলা বিতর্কের। পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস।

    আরও পড়ুন :ভারত নিজের অধিকারেই বিশ্বে সম্মানিত, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন

  • National Flag: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    National Flag: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পূর্তি। পালিত হবে ছিয়াত্তরতম স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতার (Independence Day) পঁচাত্তর বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে চলছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে নানা অনুষ্ঠানের। তারই একটি হল আজাদি কা অমৃত মহোৎসব (Azadi Ka Amrit Mahotsav)। এই অনুষ্ঠান পালন করতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি মন কী বাত অনুষ্ঠানে এনিয়ে ঘোষণাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পালন করতে বলেন হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচিও। এই কর্মসূচি রূপায়ণ করতে জাতীয় পতাকা (National Flag) উত্তোলনে নিয়ে আসা হয়েছে বেশ কিছু বদল।

    অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেই সংশোধন করা হয়েছে ভারতীয় পতাকা বিধি ২০২২। ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া ২০২২ এর দ্বিতীয় ভাগের ২.২ অনুচ্ছেদের ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী জাতীয় পতাকা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের বাড়িতে যে কোনও সময়ই তোলা যেতে পারে। রাতের বেলায়ও। তবে এই পতাকার আকার বড় হতে হবে। ছেঁড়া পতাকা কখনওই উত্তোলন করা যাবে না। আগে নিয়ম ছিল, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্তই কেবল জাতীয় পতাকা তোলা যাবে। পলিয়েস্টারের তৈরি কিংবা মেশিনে তৈরি পতাকা উত্তোলনের অনুমতি ছিল না। এখন হাতে বা মেশিনে তৈরি সব ধরনের পতাকাই তোলা যাবে।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে ভিড় এড়িয়ে চলুন, সতর্ক করল কেন্দ্র

    জেনে নিন জাতীয় পতাকা তোলার সময় কী করবেন, আর কী করবেন না। হাতে কাটা, বোনা, মেশিনে তৈরি করা তুলো, সিল্ক বা খাদির পতাকা উত্তোলন করা যাবে। কোনও অবস্থায়ই জাতীয় পতাকা মাটিতে রাখা যাবে না। পতাকায় কোনও অক্ষর লেখা যাবে না। জাতীয় পতাকার রংয়ের পোশাক কখনওই পরা উচিত নয়। বাণিজ্যিকভাবে এই পতাকা ব্যবহার করা যাবে না। বিকৃত পতাকা উত্তোলন করা যাবে না। জাতীয় পতাকার সঙ্গে অন্য কোনও পতাকা থাকলে, জাতীয় পতাকার স্থান হবে সবার ওপরে। যে দণ্ডে জাতীয় পতাকা থাকবে, সেখানে অন্য কোনও পতাকা রাখা যাবে না। পতাকার গেরুয়া রং সব সময় ওপরে থাকবে। ছেঁড়া কিংবা বিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করা যাবে না। কোনও ব্যক্তির মৃতদেহের সঙ্গে কফিনে কিংবা চিতায় জাতীয় পতাকা দেওয়া যাবে না। পতাকার সঠিক অনুপাত হল ৩.২। জাতীয় পতাকার যেন অর্ধেক উত্তোলন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পতাকার শীর্ষে কোনও কিছুই রাখা যাবে না। এমনকী ফুলের মালাও।

    আরও পড়ুন : খুনের ভার পড়েছিল নূপুর শর্মাকে! উত্তর প্রদেশ পুলিশের জালে জঙ্গি

     

  • RSS: বদলে গেল আরএসএসের ট্যুইটারের ডিপির ছবি, গেরুয়ার বদলে সেখানেও তেরঙা

    RSS: বদলে গেল আরএসএসের ট্যুইটারের ডিপির ছবি, গেরুয়ার বদলে সেখানেও তেরঙা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে গেল আরএসএসের (RSS) অফিশিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের ডিপি (DP)। এতদিন সেখানে সংঘের গেরুয়া পতাকা ছিল। এখন সেখানেই উড়ছে তিরঙ্গা (Tricolor)। বদলেছে আরএসএসের সংঘচালক মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) ডিপির ছবিও। এর পাশাপাশি শনিবার আরএসএসের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে ডাক দেওয়া হয় আজাদি কা অমৃত মহোৎসবে (Azadi ka Amrit Mahotsav)  অংশ নেওয়ার। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে দেশবাসী যাতে ঘরে ঘরে জাতীয় পতাকা তোলেন, তাও বলা হয়েছে।

    আরএসএস  কেন সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা ব্যবহার করছে না? প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধীরা। তখনই তার জবাবও দিয়েছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। তিনি বলেছিলেন, এই ধরনের ঘটনার রাজনীতিকরণ করা ঠিক নয়। আরএসএস ইতিমধ্যেই ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ও ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ কর্মসূচি সমর্থন করেছে।

    আরও পড়ুন :”রাজনীতিকরণ অনভিপ্রেত”, সোশ্যাল হ্যান্ডলে তিরঙ্গা ডিপি ইস্যুতে কটাক্ষের জবাব আরএসএস-এর

    প্রসঙ্গত, গত মাসে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দেশবাসীকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর অধীনে ১৩ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত আমরা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালন করব। আপনারাও সকলে এই কর্মসূচির অংশ হোন। এবং নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। ২ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা ব্যবহারের অনুরোধও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে শুক্রবার ডিপির ছবি বদলেছে আরএসএসও। শুক্রবার আরএসএসের প্রচার বিভাগের সহ তত্ত্ববধায়ক নরেন্দর ঠাকুর (Narender Thakur) বলেন, সংঘও তার প্রতিটি অফিসে স্বাধীনতা দিবস পালন করছে। উত্তোলন করছে জাতীয় পতাকাও। তিনি বলেন, আরএসএস কর্মীদেরও সক্রিয়ভাবে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি প্রচার করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : কৃষিকে পেশা হিসেবে নিক পরবর্তী প্রজন্ম, মত আরএসএস সরকার্যবাহের

    এর আগে আম্বেকরও জানিয়েছিলেন, অমৃত মহোৎসব নিয়ে কেন্দ্রের প্রতিটি কর্মসূচি আমরা সমর্থন করেছি। দেশবাসী এবং স্বয়ংসেবকদের কাছেও আজাদি কা অমৃত মহোৎসব মর্যাদার সঙ্গে পালনের আবেদন জানানো হয়েছে আরএসএসের তরফে।

     

  • RSS: “রাজনীতিকরণ অনভিপ্রেত”, সোশ্যাল হ্যান্ডলে তিরঙ্গা ডিপি ইস্যুতে কটাক্ষের জবাব আরএসএস-এর

    RSS: “রাজনীতিকরণ অনভিপ্রেত”, সোশ্যাল হ্যান্ডলে তিরঙ্গা ডিপি ইস্যুতে কটাক্ষের জবাব আরএসএস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS) কেন সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা (Tricolor) ব্যবহার করছে না? এদিন এ প্রশ্নের জবাব দিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। তিনি বলেছেন, এই ধরনের ঘটনার রাজনীতিকরণ করা ঠিক নয়। তিনি জানান, আরএসএস ইতিমধ্যেই ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ও ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (Azadi ka Amrit Mahotsav) কর্মসূচিকে সমর্থন করেছে। তিনি জানান, সরকারের এই কর্মসূচি সমর্থন করতে জুলাই মাসেই দেশবাসী এবং স্বয়ংসেবকদের বলেছিল সংঘ।

    রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) দেশবাসীকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানান। ৭৫ বছরের স্বাধীনতা দিবসকে ঐতিহাসিকও আখ্যা দেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানের প্রথম দিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর অধীনে আগামী ১৩ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত আমরা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালন করব। আপনারাও সকলে এই কর্মসূচির অংশ হোন। এবং নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। ২ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা (Tricolor) ব্যবহারের অনুরোধও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন, মন কি বাতে অনুরোধ মোদির

    তবে আরএসএসের সোশ্যাল মিডিয়ার ডিপিতে কেন তিরঙ্গা ব্যবহার হয়নি, তা নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। এদিন তারই জবাব দেন আম্বেকর। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে রাজনীতিকরণ করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, এটা একটা পদ্ধতি। আমরাও ভাবছি কীভাবে এটা উদযাপন করব। অমৃত মহোৎসব নিয়ে কেন্দ্রের প্রতিটি কর্মসূচিকে আমরা সমর্থন করেছি। দেশবাসী এবং স্বয়ংসেবকদের কাছেও ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ মর্যাদার সঙ্গে পালনের আবেদন জানানো হয়েছে আরএসএসের তরফে। এজন্য চলছে প্রস্তুতিও। আম্বেকর বলেন, এই হল সংঘের অবস্থান। এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, এরকম কোনও কঠিন প্রশ্ন করাই উচিত নয়। যেসব রাজনৈতিক দল এজাতীয় প্রশ্ন তুলছে, তারাই দেশভাগের জন্য দায়ী।

    আরও পড়ুন : কৃষিকে পেশা হিসেবে নিক পরবর্তী প্রজন্ম, মত আরএসএস সরকার্যবাহের

  • Har Ghar Tiranga: প্রোফাইলে তেরঙ্গা! নিজে ছবি বদল করে সকলকে এই কর্মসূচিতে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    Har Ghar Tiranga: প্রোফাইলে তেরঙ্গা! নিজে ছবি বদল করে সকলকে এই কর্মসূচিতে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে সকলকে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ছবি হিসেবে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। আজ ২ আগস্ট থেকেই এই অভিযান শুরু করার আর্জি জানান তিনি। নিজের প্রোফাইলের ছবি বদলে তার সূচনাও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “২ অগস্ট পিঙ্গালি বেঙ্কাইয়াজির জন্মদিন। তিনিই আমাদের জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেছিলেন। তাঁর প্রতি আমি আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাই।” সকলেই যেন এই কাজে এগিয়ে আসেন, আহ্বান মোদির।

    স্বাধীনতার ৭৫ তম বার্ষিকীতে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ এর অংশ হিসেবে এবছর বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি গণ আন্দোলনে পরিণত হচ্ছে। আসুন আমরা আমাদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাই।’ গত রবিবার তাঁর ‘মন কি বাত’ রেডিও সম্প্রচারে মোদি জনগণকে ২ থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে জাতীয় পতাকার ছবি রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই মতোই এদিন নিজের প্রোফাইল পিকচার বদলান মোদি। 

    I pay homage to the great Pingali Venkayya on his birth anniversary. Our nation will forever be indebted to him for his efforts of giving us the Tricolour, which we are very proud of. Taking strength and inspiration from the Tricolour, may we keep working for national progress.

     প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “আজাদি কি অমৃত মহোৎসব অনুষ্ঠানের আওতায় একটি বিশেষ আন্দোলন হচ্ছে– হর ঘর তিরঙ্গা। এই বিষয়ে আমার একটি পরামর্শ রয়েছে। প্রত্যেকের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে তিরঙ্গা লাগানো হোক। এই আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা তোলা হোক।” প্রধানমন্ত্রীর মতোই প্রোফাইল পিকচারে তেরঙ্গা ব্যবহার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় প্রেসিডেন্ট জে পি নাড্ডা।

    আরও পড়ুন: নতুন আইএসআইএস মডিউলের খোঁজ, ছয় রাজ্যে তল্লাশি চালাল এনআইএ

  • Har Ghar Tiranga: তিন দিন ধরে ২০ কোটি বাড়িতে উড়বে জাতীয় পতাকা ! কেন্দ্রের নয়া প্রচার ‘হর ঘর তেরঙ্গা’

    Har Ghar Tiranga: তিন দিন ধরে ২০ কোটি বাড়িতে উড়বে জাতীয় পতাকা ! কেন্দ্রের নয়া প্রচার ‘হর ঘর তেরঙ্গা’

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: শুরু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের (central government) ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) অভিযান। আগামী মাসে তিনদিনের জন্য সারা দেশে ২০ কোটিরও বেশি বাড়িতে তেরঙ্গা উত্তোলন করা হবে। আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের (Azadi Ka Amrit Mahotsav) অঙ্গ হিসাবে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Union Home Minister Amit Shah ) এই প্রচার কর্মসূচির ব্যাপারে পর্যালোচনা করেছেন। বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পদাধিকারীদের সঙ্গে তিনি এ নিয়ে আলোচনা করেন। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে ১৩ অগস্ট থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত তিরঙ্গা পতাকা ওড়ানো হবে। বিভিন্ন সংগঠনও এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিও এর অন্তর্ভুক্ত। এমনটাই বলা হয়েছে বিবৃতিতে।

    বিবৃতি অনুযায়ী, এদিন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ ভারত মাতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করার প্রচারে অংশ নেবেন। এটি মানুষের মধ্যে দেশপ্রেমের একটি নতুন বোধ জাগিয়ে তুলবে। বিবৃতি অনুসারে অমিত শাহ বলেন, ২২ শে জুলাই থেকে সমস্ত রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটের হোমপেজে জাতীয় পতাকা থাকবে। এছাড়া নাগরিকদের প্রতি তাঁর আর্জি সবাই যেন তাঁদের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ট্যুইটার এবং অন্যান্য সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলিতে তেরঙ্গা প্রদর্শন করেন। এমনকি তেরঙ্গার সঙ্গে একটি সেলফি তুলে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করার কথাও বলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: আপনার আধার কার্ড দিয়ে অন্য কেউ সিম তোলেনি তো? আজই জেনে নিন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অন্যভাবে আজাদি কি অমৃত মহোৎসবকে পালন করতে চাইছেন। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ প্রতিটি নাগরিকের জন্য গর্বের বিষয়। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ প্রচার দেশপ্রেমের চেতনাকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাবে, বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দাবি। মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ‘প্রভাত ফেরি’। তাই রাজনৈতিক দল, সরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও এবং সমবায়গুলিকে নিজেদের অঞ্চলে প্রভাত ফেরির আয়োজন করতে বলা হয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যখন শিশু, বৃদ্ধ, যুবক এবং কিশোররা একসঙ্গে ভারত মাতার গান গাইবে এবং তেরঙ্গা হাতে নিয়ে ‘প্রভাত ফেরি’ তে অংশ নেবে, তখন ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিজে থেকেই সফল হয়ে যাবে।

     

  • India Vs World XI Cricket Match: বিরাট-রোহিতদের সামনে বাবর-ওয়ার্নাররা! ভারত বনাম বিশ্ব একাদশ ম্যাচ চাইছে কেন্দ্র

    India Vs World XI Cricket Match: বিরাট-রোহিতদের সামনে বাবর-ওয়ার্নাররা! ভারত বনাম বিশ্ব একাদশ ম্যাচ চাইছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে বছরভর ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (Azadi ka Amrit Mahotsav) পালন করছে কেন্দ্র। সেই পরিকল্পনারই অংশ হিসাবে আগামী ২২ আগস্ট ভারত বনাম বিশ্ব একাদশের ম্যাচ চাইছে সংস্কৃতি মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই বিসিসিআইকে (BCCI) এই ধরনের ম্যাচ আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

    বোর্ডের তরফে জানা গিয়েছে, গোটা বিষয়টি এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। আয়োজন এবং যাতায়াতই মূল সমস্যা। বোর্ডের এক সূত্রের খবর, “ভারত সরকারের থেকে এ রকম প্রস্তাব আমরা পেয়েছি। ভারত একাদশ তৈরি করা যাবে। কিন্তু বিশ্ব একাদশের ক্ষেত্রে অন্তত ১৩-১৪ ক্রিকেটারকে তৈরি রাখতে হবে এবং তাঁদের পাওয়া যাবে কি না, সেটা দেখতে হবে।” সেই সময়ে ইংল্যান্ডে ঘরোয়া ক্রিকেট (English County)চলবে। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগও (CPL)শুরু হয়ে যাচ্ছে। সব ক্রিকেটারকে পাওয়া যাবে কি না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। দেশ ছাড়লেও ক্রিকেটাররা ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ব্যস্ত থাকতে পারেন। সেদিকেই লক্ষ্য রাখতে হবে। ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে কিনা সেটাও একটা ব্যাপার। বোর্ড সূত্রের খবর, আগামী ২২ থেকে ২৬ জুলাই আইসিসির (ICC) বার্ষিক কনফারেন্স আছে। বোর্ড কর্তারা সেই কনফারেন্সে থাকবেন। সেখানেই অন্যান্য বোর্ডের আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলবেন। বিদেশি ক্রিকেটারদের পেলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে বিসিসিআই। দেশের স্বাধীনতা উদযাপনের জন্য দেশীয় ক্রিকেটার সর্বদাই খেলতে প্রস্তুত বলে বোর্ড সূত্রে খবর। এমনিতেই ভারতের বিরুদ্ধে জিম্বাবোয়ের সিরিজ শেষ হচ্ছে ২০ অগস্ট। সেই সিরিজের ক্রিকেটারদের হয়তো পাওয়া যাবে না। তবে আশার কথা, ওই সিরিজে ভারতের প্রথম সারির ক্রিকেটাররা কেউই হয়তো খেলবেন না। সে ক্ষেত্রে কোহলি-রোহিতদের পাওয়া যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: আইএসএসএফ শুটিং বিশ্বকাপে স্বর্ণপদক পেয়ে জয়ী ভারতের অর্জুন বাবুতা

    ভারত বনাম বিশ্ব একাদশ বা এশিয়া একাদশ ম্যাচ সচরাচর হয় না। তবে এই ধরনের ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের উদ্দীপনা থাকে প্রচুর। তাই স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে ভারত বনাম বিশ্ব একাদশের ম্যাচ চাইছে কেন্দ্র।  কেন্দ্রের তরফে বিসিসিআইকে এই ম্যাচ আয়োজনের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে, কোথায় খেলা হবে এবং কোন ফরম্যাটে খেলা হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। প্রাথমিকভাবে খবর, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দিল্লির ফিরোজ শা কোটলা মাঠে খেলার সম্ভাবনা বেশি। 

LinkedIn
Share