Tag: Babita Sarkar

Babita Sarkar

  • SSC scam: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ বহাল! প্রকাশ করতে হবে উত্তরপত্র বলল ডিভিশন বেঞ্চ

    SSC scam: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ বহাল! প্রকাশ করতে হবে উত্তরপত্র বলল ডিভিশন বেঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তার নির্দেশই বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ। ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে সমস্ত ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল রাখল বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। 

    ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ

    হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র প্রকাশ করতে হবে। তবে, উত্তরপত্র প্রকাশ করলেও তার উপর ভিত্তি করে কারও চাকরি এখনই বাতিল করা যাবে না বলেও জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। এখনই কোনও চাকরি বাতিল করা যাবে না, ওএমআর শিটে কারচুপি থাকা শিক্ষকদের চাকরি বাতিল, সুপ্রিম কোর্টের এসএলপি-র ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। ‘সরকারি চাকরিতে এমন কারচুপির তথ্য জেনে চুপ করে থাকতে পারে না সাংবিধানিক আদালত’, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চের। 

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ

    গত ৭ জুলাই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে ৫,৫০০ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল, তাঁরা-সহ ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের উত্তরপত্র প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। উত্তরপত্রের পাশাপাশি নাম, বাবার নাম, ঠিকানা, স্কুলের নাম-সহ ৯০৭ জনের তালিকা প্রকাশ করতে হবে, যাঁদের বিকৃত উত্তরপত্র উদ্ধার করেছিল সিবিআই। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ২০১৬ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষার বিস্তারিত মেধাতালিকার প্রকাশের আবেদন করে মামলা করেন ওই বিচারপতিরই নির্দেশে চাকরি হারানো ববিতা। তাঁর দাবি, ২০১৬ সালের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৫,৫০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ৯০৭টি বিকৃত উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) উদ্ধার করে সিবিআই। তার মধ্যে ১৩৮ জন ছিলেন ওয়েটিং লিস্টে।

    আরও পড়ুন: ‘‘২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাও’’! মহা মিছিলের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা সুকান্তর

    ববিতার আবেদন, একাদশ-দ্বাদশের বিস্তারিত তথ্য-সহ প্যানেল প্রকাশ পেলে কারা, কী ভাবে, কোথায় চাকরি পেয়েছেন তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। যদি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম ২০ জনের মধ্যে দুর্নীতির কারণে কেউ চাকরি পেয়ে থাকেন, তবে ববিতার আবার শিক্ষিকা হওয়ার সুযোগ আসবে। তাই প্যানেল প্রকাশ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ২০১৬ সালে নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরি পাওয়া ৫,৫০০ জনের উত্তরপত্র প্রকাশের নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল কমিশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ওএমআর শিট প্রকাশ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করুক এসএসসি! নির্দেশ হাইকোর্টের

    SSC Scam: ওএমআর শিট প্রকাশ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করুক এসএসসি! নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাদশ-দ্বাদশের ওএমআর শিট প্রকাশ (OMR Sheet) নিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) অবস্থান জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট। আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার এই নিয়ে অবস্থান জানাতে এসএসসি-কে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguli)। চাকরি ফেরত পেতে ফের হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন ববিতা সরকার। এবার একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির (SSC Scam) বিস্তারিত মেধাতালিকা প্রকাশ চেয়ে মামলা করেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এ বিষয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বক্তব্য জানতে চেয়েছেন। শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

    ববিতার আবেদন

    ববিতার হয়ে এই মামলা লড়ছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। তাঁর বক্তব্য, ২০১৬ সালের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৫ হাজার ৫০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ৯০৭টি বিকৃত উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) উদ্ধার করে সিবিআই। তার মধ্যে ১৩৮ জন ছিলেন ওয়েটিং লিস্টে। ববিতা সরকারের আবেদন, একাদশ-দ্বাদশের বিস্তারিত তথ্য-সহ প্যানেল প্রকাশ পেলে কারা, কীভাবে, কোথায় চাকরি পেয়েছেন তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। যদি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম ২০ জনের মধ্যে কারও নিয়োগে কোনও গোলমাল থাকে, কেউ যদি দুর্নীতির (SSC Scam) কারণে চাকরি পেয়ে থাকেন, তবে তাঁর পদ বাতিলের সম্ভাবনা থাকবে। সেক্ষেত্রে আবারও ববিতা চাকরি পেতে পারেন বলে আশাবাদী। তাই প্যানেল প্রকাশ করা হোক বলে আর্জি তাঁর।

    আরও পড়ুুন: ‘শুভেন্দুর চার অভিযোগে পদক্ষেপ নয় কেন?’ কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    ফের আদালতের পথে

    এর আগে ববিতা সরকারের চাকরি বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই চাকরি দেওয়া হয় অনামিকা রায়কে। প্রথমে মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী এই পদে চাকরি পেয়েছিলেন। মেখলিগঞ্জের তৃণমূল নেতা পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে চাকরি থেকে সরিয়ে সেই পদে চাকরি পেয়েছিলেন ববিতা সরকার। ববিতার এই চাকরি প্রাপ্তি নিয়ে গোটা রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এনিয়ে স্বস্তি পেয়েছিলেন ববিতা নিজেও। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। দেখা গিয়েছিল ববিতার চাকরিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে নানা ত্রুটি থেকে গিয়েছে। এরপর গত মে মাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় রায় দিয়েছিলেন এই চাকরি ববিতার হতে পারে না। এরপর চাকরি যায় ববিতার। আবারও চাকরি ফিরে পেতে সেই আদালতেরই দ্বারস্থ শিলিগুড়ির মেয়ে ববিতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টের নির্দেশে এবার চাকরি হারালেন ববিতা সরকার! তাঁর জায়গায় নিয়োগ পেলেন কে?

    Calcutta High Court: হাইকোর্টের নির্দেশে এবার চাকরি হারালেন ববিতা সরকার! তাঁর জায়গায় নিয়োগ পেলেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এবার চাকরি হারালেন ববিতা সরকার। মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে ববিতার চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ববিতার আবেদনে চাকরি গিয়েছিল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর। ববিতার অ্যাকাডেমিক স্কোর কমের অভিযোগ তুলে মামলা করেছিলেন আর এক চাকরি প্রার্থী অনামিকা রায়। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয় ববিতার। তাঁর জায়গায় চাকরি পেলেন অনামিকা রায়। এদিন, চাকরি চলে যাওয়ায় আদালতেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় ববিতাকে।

    খুশি অনামিকা

    চাকরি পাওয়ায় খুশি অনামিকা। তিনি জানান, চাকরি পাওয়ার বিষয়ে প্রথম থেকেই আশাবাদী ছিলেন। বলেন, ‘‘আমি কখনও আশাহত হইনি। আমি জানতাম, চাকরিটা আমি পাবই। চাকরির মেধাতালিকায় আমার নাম এবং ববিতার নাম পর পর ছিল। আমি ২১ নম্বরে ছিলাম। ববিতা ছিল ২০-তে। অঙ্কিতা আসার পর আমাদের র‌্যাঙ্ক পিছিয়ে যায়। অঙ্কিতার চাকরি বাতিলের পর তা মেধাতালিকা অনুযায়ী পায় ববিতা। কিন্তু আমি পরে দেখি, ববিতার নম্বর আসলে আমার চেয়ে কম। ও ২ নম্বর কম পেয়েছিল। তাই চাকরিটা আমারই পাওয়ার কথা। তার পর আমি আদালতে যাই।’’ 

    তিন সপ্তাহের মধ্যে অনামিকার চাকরি

    স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে যে তথ্য আদালতে জমা দেওয়া হয়েছিল এবং বাকি সব তথ্য খতিয়ে দেখে ববিতা সরকারের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মামলাকারী অনামিকা রায়কে চাকরি দেওয়ার জন্য। আদালতের মন্তব্য, অনামিকাকে আর বেশিদিন ভোগানো উচিত নয়। তিন সপ্তাহের মধ্যে অনামিকাকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বাড়ি থেকে ২০ কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    ববিতার কান্না 

    এই নির্দেশ শোনার পর কাঁদতে কাঁদতে ববিতা বলেন, ‘‘আমি ভুলটা জানতাম না। আমার চাকরি চলে যাচ্ছে। কিন্তু টাকাটা ফেরত দেওয়ার জন্য একটু সময় দেওয়া হোক। এখন আমি ১১ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে পারব। আমি একটা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনেছি। বাকি টাকা ফেরত দিতে আমার একটু সময় লাগবে। তিন মাস সময় দেওয়া হোক।’’ ববিতাকে ধমক দিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আপনি আদালতকে যে ভাবে ভুল তথ্য দিয়ে পরিচালনা করেছেন, চাইলে আমি কড়া পদক্ষেপ করতে পারতাম। এই ক’দিনে আপনি যা বেতন পেয়েছেন তা ফেরত নেওয়া হচ্ছে না। এটুকু সান্ত্বনা নিয়ে হাইকোর্ট থেকে যান। পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুন। যা হয়েছে তা আপনার ভুলের জন্য।’’

    আরও পড়ুন: তিন বছরের হেলথ প্রফেশনাল! মমতার সিদ্ধান্তে বন্ধ হতে পারে কেন্দ্রের বরাদ্দ?

    আগামী ৬ জুনের মধ্যে ববিতাকে ১৫ লক্ষ টাকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী বুধবারের মধ্যে তাঁকে ১১ লক্ষ টাকা দিতে হবে। তবে এত দিনে চাকরির জন্য যে বেতন পেয়েছেন ববিতা, সেই টাকা তাঁকে ফেরত দিতে হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Babita Sarkar: এসএসসি-র ভুলে চাকরি? নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ খোদ ববিতা

    Babita Sarkar: এসএসসি-র ভুলে চাকরি? নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ খোদ ববিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রশ্নের মুখে স্কুল সার্ভিস কমিশন (School Service Commission)। নম্বর ভুল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এসএসসি-র বিরুদ্ধে। মেধা তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই ববিতা সরকারের (Babita Sarkar) চাকরি ঘিরে বাঁধল নতুন বিতর্ক। কমিশনের ভুলে ২ নম্বর তিনি বেশি পেয়েছেন বলে দাবি। এসএসসি-র নম্বর বিভ্রাটের জন্যই তাঁর চাকরি হয়েছে, এমন অভিযোগেই মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। ববিতার নম্বর-বিভ্রাট প্রকাশ্যে আসতেই, চাকরির দাবি তুলেছেন, মেধাতালিকায় পরবর্তী নাম থাকা, অনামিকা রায়। আবার তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে আদালতের দ্বারস্থ হলেন খোদ ববিতা সরকার। নম্বর সত্যি কম পেলে তাঁর চাকরি চলে যেতে পারে, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই, তাঁর লড়াই অন্যায়ের বিরুদ্ধে।”

    ঠিক কী ঘটেছে?

    স্কুল সার্ভিস কমিশন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে রাজ্যের মুখ হয়ে উঠেছিলেন ববিতা সরকার। তাঁর দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতেই এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের ওপর থেকে পর্দা সরে। কিছু দিন আগেই দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি গেছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার। আর সেই চাকরি দেওয়া হয়েছিল ববিতা সরকারকে (Babita Sarkar)। কিন্তু এবারে সেই ববিতার চাকরি পাওয়া নিয়েই ফের বিতর্ক তৈরি হল। ফের একবার প্রশ্নের মুখে এসএসসির ভূমিকা। ভুলবশত তাঁকে অতিরিক্ত ২ নম্বর দিয়েছে এসএসসি, দাবি ববিতা সরকারের।

    আরও পড়ুন: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    এসএসসি-র কাছে জমা দেওয়া ববিতার আবেদনপত্রে দেখা যাচ্ছে, স্নাতক স্তরে ৮০০ নম্বরের মধ্যে ৪৪০ নম্বর পেয়েছেন ববিতা। অর্থাৎ, শতকরা হিসাবে ৫৫ শতাংশ। স্নাতকস্তরের প্রাপ্ত নম্বরের শতকরা হিসাব ৬০ শতাংশ বা তার বেশি উল্লেখ করা হয়েছে আবেদনপত্রে। যে কারণে ববিতার ‘অ্যাকাডেমিক স্কোর’ গণনায় ভুল হয়েছে। নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের দাবি, এই অভিযোগ যদি সত্যি হয়, সে ক্ষেত্রে ববিতার ‘অ্যাকাডেমিক স্কোর’ ৩৩-এর বদলে কমে ৩১ হবে। এতে র‌্যাঙ্কিংয়েও অনেকটাই পিছিয়ে পড়বেন ববিতা। আর এই নিয়ে প্রশ্ন উঠলেই এসএসসির তরফে ব্যাখ্যা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন ববিতা।

    অন্যদিকে মেধাতালিকায় পরবর্তী নাম থাকা অনামিকা বলেন, “যদি অ্যাকাডেমিকে ২ নম্বর কমে যায়, তা হলে র‌্যাঙ্কও পিছিয়ে যাবে। মেরিট লিস্টে অন্তত ১৪ জনের পিছনে চলে যাওয়ার কথা। সে ক্ষেত্রে চাকরিটা তাঁর (ববিতা) কোনও ভাবেই প্রাপ্য নয়। এই ভাবে দেখলে পরবর্তী প্রার্থী হিসাবে এই চাকরিটা আমারই পাওয়ার কথা। আমি চাই, চাকরিটা আমায় দেওয়া হোক।”

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ ববিতা

    ববিতা (Babita Sarkar) অ্যাকাডেমিক স্কোরে ২ নম্বর বেশি পাওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেন, “আমি এতদিন বুঝতে পারিনি কমিশন ২ নম্বর বেশি দিয়েছে ভুল করে। আপনারা জানেন আমরা নম্বরই জানতাম না। র‌্যাঙ্ক- এর লিস্ট দেওয়া হয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি যাতে বিচারপতির নজরে আনা হয়, তার জন্য বলেছি আমাদের আইনজীবীকে। আমার লড়াইটা এসএসসি কমিশনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে। অতীতেও লড়েছি, আগামী দিনেও লড়ব। কোর্ট যা নির্দেশ দেবে, সেই অনুযায়ীই সব হবে।” পরশু অর্থাৎ আগামী বুধবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে।

     

  • Babita Sarkar: ববিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে গেলেন অনামিকা

    Babita Sarkar: ববিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে গেলেন অনামিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সামনে আনার পিছনে যার অগ্রণী ভূমিকা ছিল, এবার তাঁর চাকরি নিয়েই উঠল প্রশ্ন। ববিতা সরকারকে (Babita Sarkar) চাকরি থেকে বরখাস্ত করার দাবি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ অনামিকা রায় নামের এক চাকরিপ্রার্থী। প্রসঙ্গত, ববিতার করা মামলার ভিত্তিতেই বাতিল হয় একের পর এক ভুয়ো শিক্ষকের চাকরি। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার জায়গায় চাকরিও পান ববিতা। কিন্তু এখন এই ববিতার চাকরি নিয়েই উঠল প্রশ্ন। অনামিকার দাবি, ববিতার থেকে তাঁর বেশি নম্বর রয়েছে। 
     
    মামলাকারীর অভিযোগ, ববিতা সরকারের থেকে তাঁর নম্বর ও যোগ্যতা বেশি থাকা সত্ত্বেও তিনি চাকরি পাননি। ববিতা (Babita Sarkar) অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছেন বলে এর আগেই দাবি করেন অনামিকা। এবার এই মামলা উঠল হাইকোর্টে। 

    মঙ্গলবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ববিতার চাকরি খারিজের আবেদন জানান শিলিগুড়ির বাসিন্দা অনামিকা রায়। মামলাটি গৃহীত হয় হাইকোর্টে। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে। 

    কী অভিযোগ? 

    সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রথম সারির আন্দোলনকারী ববিতার চাকরির ‘বৈধতা’ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, এস‌এসসি অ্যাকাডেমিক স্কোরে ববিতাকে (Babita Sarkar) ২ নম্বর বেশি দিয়েছে। তাই বেশ কয়েকজন যোগ্য চাকরিপ্রার্থীকে টপকে তিনি নিয়োগপত্র পেয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মেধা তালিকা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ববিতা সরকারের মোট প্রাপ্ত নম্বর ৭৭। যার মধ্যে অ্যাকাডেমিক স্কোর ৩৩। কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই আবেদনপত্রে দেখা যাচ্ছে, স্নাতক স্তরে, ৮০০-র মধ্যে ৪৪০ নম্বর পেয়েছেন তিনি। অর্থাৎ ৫৫ শতাংশ। কিন্তু, ফর্মে লেখা তিনি ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছেন। আর তার ভিত্তিতেই ববিতাকে অ্যাকাডেমিক স্কোরে ২ নম্বর বেশি দিয়েছে কমিশন। ববিতার অ্যাকাডেমিক স্কোর যেখানে ৩১ হওয়ার কথা, সেখানে তিনি পেয়েছেন ৩৩। আর এরপরেই তাঁর চাকরি বাতিলের দাবি ওঠে।

    আরও পড়ুন: টাকা নিয়ে রসিদ দিতেন না মানিক, বিস্ফোরক দাবি একদা ঘনিষ্ঠ তাপসের

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষিকা হিসেবে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন ববিতা (Babita Sarkar)। হাইকোর্টের নির্দেশে, প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর ৪৩ মাসের উপার্জিত বেতন, প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা পান তিনি। তাঁর এই ২ নম্বর কমে গেলে চাকরিও চলে যেতে পারে। এই বিষয়ে ববিতাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “নিশ্চই, তাতে কোনও অসুবিধে নেই। আমার লড়াই অন্যায়ের বিরুদ্ধে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতার বদলে নিয়োগ হওয়া ববিতার চাকরি নিয়েও সংশয়

    SSC Scam: পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতার বদলে নিয়োগ হওয়া ববিতার চাকরি নিয়েও সংশয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার ভিড়ে তাঁর মামলা খতিয়ে দেখতে দেখতেই সামনে আসে নিয়োগ কেলেঙ্কারির ‘প্যান্ডোরা বক্স’। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) নির্দেশে মন্ত্রীকন্যার চাকরি বাতিলের পর সেই পদেই শিক্ষিকা হিসেবে নিযুক্ত হন ববিতা সরকার।  এবার তাঁর আবেদনের বৈধতা নিয়েই বিস্তর প্রশ্ন উঠে গেল। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের একটি স্কুলে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষিকা পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন ববিতা সরকার। অভিযোগ, স্কুল সার্ভিস কমিশনের (‌এসএসসি) কাছে আবেদনের সময়ই নিজের স্নাতকস্তরের নম্বর বাড়িয়ে দেখিয়েছেন ববিতা সরকার। ফলে বাড়তি নম্বরের সুবিধায় র‌্যাঙ্কিংয়ে অনেকটা এগিয়ে গিয়ে চাকরি পেয়েছেন ববিতা।

     নম্বরের গরমিল

    নিয়ম অনুযায়ী মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক সহ সমস্ত এডুকেশনাল কোয়ালিফিকেশনের উপর কিছু নম্বর ধার্য করা আছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী ববিতার এডুকেশনাল স্কোর দাঁড়ায় ৩১। কিন্তু, কমিশনের তরফে ববিতাকে সেই খাতে ৩৩ নম্বর দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিষয়টি সত্যি হলে ববিতার মোট স্কোর থেকে কমে যাবে দুই নম্বর। ফলে প্যানেলের র‌্যাঙ্ক বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা। সেক্ষেত্রে মেখলিগঞ্জ ইন্দিরা গার্লস স্কুলে (Mekhliganj Indira Girls High School) ববিতার প্রার্থীপদ ও মেখলিগঞ্জের ওই স্কুলে চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়।

    আরও পড়ুন: টেট দুর্নীতিতে উঠে এল ‘ঘোষবাবু’-র নাম, কে তিনি? হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, ‘এই অভিযোগের কথা শুনেছি। অনেক ক্ষেত্রেই আবেদনে ভুলভ্রান্তি ধরা পড়েছে। তবে এই ঘটনাটি নিয়ে আমরা নিজে থেকে কোনও পদক্ষেপ নেব না। আদালত বললে বা লিখিত অভিযোগ হলেই আমরা তাঁর তথ্যাদি ফের মিলিয়ে দেখব।’এ প্রসঙ্গে ববিতা সরকারের স্কুল অর্থাৎ মেখলিগঞ্জ ইন্দিরা গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জনা রায় বসুনিয়া বলেন,”বিষয়টি শুনেছি। এর বেশি কিছু জানি না। পর্ষদের তরফে আমার কাছে কোনও নির্দেশ এখনও আসেনি।” ববিতার নম্বর প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলা শিক্ষা দপ্তরের DI সমর চন্দ্র মন্ডল বলেন, ”বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব। পর্ষদ বা কমিশন যেভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবে কাজ হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share