Tag: Bacteria Infection

Bacteria Infection

  • Nutrition: আগের রাতের রান্না মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করে খান? পুষ্টিগুণ থাকছে কি? 

    Nutrition: আগের রাতের রান্না মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করে খান? পুষ্টিগুণ থাকছে কি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাতের খাবার বাড়তি হলে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা, কিংবা অফিসের তাড়াহুড়ো এড়াতে রাতেই রান্না করে রাখা, এমন অভ্যাস এখন অনেকের। তাড়াতাড়ি মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করলেই হয়ে গেল। চটজলদি মিটে গেল রান্নার ঝামেলা। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে কমবেশি অনেকেই এভাবে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এমন অভ্যাসে নিজের বাড়তি বিপদ তৈরি হচ্ছে। অজান্তেই একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই সতর্কতা (Nutrition) জরুরি।‌ নিয়মিত এই বাসি খাওয়ার অভ্যাস বদল করতে না পারলেই বিপদ বাড়বে।

    কোন বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Nutrition)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাসি খাবার নিয়মিত খেলে হজমের সমস্যার ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। তাই যাঁরা নিয়মিত বাসি খাবার খান, তাঁদের হজমের গোলমাল বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আগের দিনের রান্না করা খাবার, পরের দিন‌ ফের গরম করে খেলে অধিকাংশ সময়েই একেবারেই পুষ্টিগুণ থাকে না। এর ফলে তা কোনও কাজেই লাগে না।‌ বিশেষত বেশ কিছু খাবার বারবার গরম করলে শরীরে মারাত্মক খারাপ প্রভাব ফেলে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাসি আলুর তরকারি খেলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ, আলু রান্না করার পরে দীর্ঘ সময় রাখলে তাতে ক্লোস্ট্রিডিয়ম বোটুলিনম নামে একরকম ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। এর জেরে মাথার যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এছাড়াও পালং শাক বারবার গরম করে খাওয়া বিপজ্জনক (Nutrition) বলেই মনে করছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট থাকে। রান্নার পরে বারবার তাকে গরম করলে কার্সিনোজেনিক নাইট্রোসিমাইন্সে পরিণত হয়ে যায়। এর জেরে শরীরে একাধিক এলার্জি হতে পারে।

    কোন খাবারে একেবারেই না (Nutrition)

    চিংড়ি কিংবা কাঁকড়ার মতো সামুদ্রিক খাবার বাসি না খাওয়ার পরামর্শ‌ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, যে কোনও সামুদ্রিক মাছের পদে দ্রুত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই এই পদগুলো রান্না করে গরম গরম খাওয়া যেতে পারে।‌ কিন্তু একাধিক বার ফুটিয়ে খেলে তাতে অন্ত্র এবং পাকস্থলীতে যে কোনও রকমের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যে কোনও রকমের ভাজা জাতীয় পদ একেবারেই বাসি খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, তেলেভাজা বাসি খেলে‌ কিংবা পুনরায় ভেজে খেলে এতে নানা রকম রাসায়নিক ক্রিয়া হয়। যার প্রভাব রক্ত সঞ্চালনে পড়ে। পাশপাশি হজমের গোলমাল (Nutrition) দেখা দিতে পারে। এছাড়া, মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করলে অনেক সময়েই খাবারের পুষ্টিগুণ কমে যায় এমনটাও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Typhoid Fever: বর্ষায় বিপদ বাড়াচ্ছে টাইফয়েড! কী ধরনের জটিলতা হচ্ছে?

    Typhoid Fever: বর্ষায় বিপদ বাড়াচ্ছে টাইফয়েড! কী ধরনের জটিলতা হচ্ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের দাপট রয়েছে। তার সঙ্গে জোট বেঁধেছে ইনফ্লুয়েঞ্জা। তাতেই শেষ নয়। এই বর্ষায় ঝড়ো ব্যাটিং করছে টাইফয়েড! তাই বাড়ছে উদ্বেগ!

    টাইফয়েড কেন বাড়ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, চলতি মরশুমে দাপট বাড়াচ্ছে টাইফয়েড। বর্ষায় জলবাহিত নানা সমস্যার মধ্যে একটা বড় বিপদ এই টাইফয়েড। অপরিশ্রুত জল থেকেই টাইফয়েডের জীবাণু রোগীর শরীরে বাসা বাঁধে। বর্ষায় একাধিক জায়গায় জমা জল, নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জেরেই জলবাহিত রোগের দাপট বাড়ছে। তাই এই বর্ষায় টাইফয়েডে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

    কীভাবে রোগ চিহ্নিত হয়? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, টাইফয়েড হলে দেহের তাপমাত্রা মারাত্মক বেড়ে যায়। ১০৩-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা হয়ে যায়। লাগাতার জ্বর, সর্দি-কাশির পাশপাশি ভয়ানক পেটের সমস্যা দেখা দেয়। মলত্যাগে অসুবিধা হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। এমনকী মলত্যাগের সময় রক্তপাতের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। পেটে যন্ত্রণা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। পাশপাশি, হাত-পায়ের জোর কমে। ভীষণ ক্লান্ত বোধ হয়। 
    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জ্বর সাত দিনেও না কমলে তখন চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করে টাইফয়েড কিনা তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কারণ, প্রথম থেকে চিকিৎসা শুরু না করলে টাইফয়েড মারাত্মক বিপদ তৈরি করে। সাধারণ, সময় মতো টাইফয়েডের চিকিৎসা শুরু না হলে ৭০ শতাংশ রোগী মারা যান। কারণ, এই রোগ মানুষের অন্ত্রের উপরে সরাসরি প্রভাব ফেলে। ফলে, একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরি হতে থাকে। লিভার, পাকস্থলী কাজ করা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু সময় মতো চিকিৎসা শুরু হলে ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। তাই দ্রুত চিকিৎসা শুরু জরুরি।

    টাইফয়েড রুখতে কী করবেন? 

    টাইফয়েডে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ ও অন্যান্য উপকরণেই একমাত্র রোগ মুক্তি সম্ভব। কিন্তু টাইফয়েড এড়াতে একাধিক ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় কয়েকটি ঘরোয়া বিষয় নজরে রাখলেই টাইফয়েডের মতো মারাত্মক রোগের আক্রমণ এড়ানো সহজ হবে। 
    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, রসুন খুব উপকারী। রসুনে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা রোগ মোকাবিলায় সাহায্য করে। পাশপাশি, শরীরে কোনও ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসের দাপট বাড়াতে দেয় না। তাই বর্ষায় নিয়মিত রসুন ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে খেলে টাইফয়েডের মতো রোগের মোকাবিলা সহজ হবে। 
    তাছাড়া, প্রত্যেক দিন গোলমরিচ এবং তুলসি পাতা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরম জলে তুলসি পাতা এবং গোলমরিচ একসঙ্গে ফুটিয়ে রাখতে হবে। সেই জল প্রত্যেক দিন সকালে খেলে টাইফয়েডের মতো রোগের দাপট এড়ানো সহজ হবে। কারণ, এই দুই ঘরোয়া উপাদান যে কোনও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাড়তি শক্তি জোগায়। 
    এছাড়া, ভিনিগারে ভেজানো আপেল শরীরের জন্য উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিনিগারে ভেজানো আপেল রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। 
    তবে, সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হবে জলে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পানীয় জল পরিশ্রুত কিনা সেদিকে নজরদারি সবচেয়ে জরুরি। তবেই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share