Tag: bagda

bagda

  • Bagda: নাইনএমএম পিস্তল হাতে তৃণমূল কর্মী? ছবি ফাঁস করে গ্রেফতারের দাবি বিজেপির

    Bagda: নাইনএমএম পিস্তল হাতে তৃণমূল কর্মী? ছবি ফাঁস করে গ্রেফতারের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাইনএমএম পিস্তল হাতে এক যুবকের ছবি আনল বিজেপি। বাগদায় (Bagda) উপনির্বাচনের দিনে কার্যত এই তৃণমূল (TMC) নেতা বন্দুক হাতে নিয়ে দাপিয়ে বেরিয়েছেন। যদিও এই মারাত্মক অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ এখনও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ইতিমধ্যে সামজিক মাধ্যমে এই ছবি ব্যাপক ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

    কেন পুলিশ গ্রেফতার করেনি (Bagda)?

    গত বুধবার ১০ জুলাই, বাগদা (Bagda) উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ পর্ব ছিল। এই দিনে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যের কথা সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়ে উঠেছিল। বিজেপি বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেছেন, “পিস্তল হাতে এই ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী। এই উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা হয়েছিল। ১৮৬, ১৮৭, ১৮৮ এবং মালিপোঁতা পঞ্চায়েতে হামলা হয়েছে। এই লোকটি পিস্তল নিয়ে দাপিয়ে বেরিয়েছে। আমরা কোন রাজ্যে বসবাস করছি? পুলিশকে তথ্য দিয়ে অভিযোগ করলেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়নি।” আবার বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা বলেছেন, “তৃণমূল নেতারা আইনের কথা বলে দুষ্কৃতীদের উস্কানি দিচ্ছেন। দোষীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে শাসক দল।”

    সরকারি রিভলভার কীভাবে বাইর পৌঁছচ্ছে?

    অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্তা অরিন্দম আচার্য এই বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, “এই পিস্তল (Bagda) কারা বিক্রি করছে, আর কারাই বা বাইরে সরবরাহ করেছে, তা নম্বর দেখেই খুব সহজেই চিহ্নিত করা যায়। এই সব বিষয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত না হলে আগামীদিনে আরও ভয়ঙ্কর অবস্থা নেবে। সরকারি রিভলভার কীভাবে বাইরে পৌঁছচ্ছে?”

    আরও পড়ুনঃ সিকিম যাওয়ার পথে বন্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    নির্বাচন একেবারে শান্তিপূর্ণ হয়েছে

    তৃণমূলের জেলা (Bagda) সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেছেন, “এই নির্বাচন একেবারে শান্তিপূর্ণ হয়েছে। মানুষ উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন। আমরা বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়ী হব বলে, বিজেপি কুৎসা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বিজেপি সমাজ বিরোধীদের আশ্রয় দিয়ে থাকে। দুই একজন সমাজ বিরোধীদের ছবি প্রকাশ করে কার্যত নিজেদের মুখ ঢাকতে চেষ্টা করছে। কিন্তু এই ভাবে কাজ হবে না। মানুষ আমাদের পাশে রয়েছেন।” আবার তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “ভোটের দিনে এমন ঘটনা ঘটলে কেন্দ্রীয় বাহিনী কী করছিল? নির্বাচন কমিশনই কোথায় ছিল? দেবদাসবাবু কেন বাহিনীকে ডেকে ধরিয়ে দিলেন না।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bagda: বাগদায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, সরকারি গাড়িতে ঘুরে বিতর্কে তৃণমূল প্রার্থী

    Bagda: বাগদায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, সরকারি গাড়িতে ঘুরে বিতর্কে তৃণমূল প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাগদা বিধানসভা উপ-নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরকারি গাড়িতে করে বুথে বুথে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাসের গাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁকে হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে এদিন দিনভর সরগরম ছিল বাগদা (Bagda) বিধানসভা এলাকা।

    বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর! (Bagda)

    জানা গিয়েছে, বাগদা (Bagda) গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১৮৮ নম্বর বুথে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাস। সঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। বিজেপি প্রার্থী বুথের সামনে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরে তৃণমূল কর্মীরা “জয় বাংলা” স্লোগান দেন। একইসঙ্গে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় সাংবাদ মাধ্যমের গাড়িও। পাশপাশি, দেয়ালদহ ৮২ নম্বর বুথে উপ-নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ জ্যাম করার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পরই বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাস সেখানে যান। বিজেপি প্রার্থীকে দেখে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থী বলেন, বুথ জ্যাম করে রেখেছিল তৃণমূলের লোকজন। আমি ঘটনাস্থলে যেতে ওরা আমাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এসব করে কোনও লাভ নেই। মানুষ আমাদের সঙ্গেই রয়েছে।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    সরকারি গাড়িতে তৃণমূল প্রার্থী!

    জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকে তৃণমূল প্রার্থী (Bagda) মধুপর্ণা ঠাকুর তাঁর মায়ের সঙ্গে ঘুরছেন। মমতা বালা ঠাকুর ঘুরছেন তাঁর সাংসদ গাড়ি নিয়ে। গাড়িতে লেখা রয়েছে গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া। এমপি। এই ধরনের লেখা একটা গাড়িতে কীভাবে তৃণমূল প্রার্থী ঘুরতে পারেন, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। যদিও মমতা বালা ঠাকুর বলেন, এই গাড়ির নম্বর দিয়েই আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে উপ-নির্বাচনে (By-Election) পাস তুলেছি। তখন তো কমিশনের কেউ আপত্তি করেনি। আমার মেয়ে কনিষ্ঠতম একজন প্রার্থী। সেই জায়গায় মেয়েকে ‘গাইড’ করতেই পারি। তাঁকে পাশে নিয়ে গাড়িতে বেরিয়েছি। আমার মেয়ে তো এই গাড়িতে থাকতেই পারে। গাড়ি তো বুথের ভিতর ঢুকছে না। কিংবা গাড়িতে বুথে গিয়েও ভোট দিচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কী সম্পর্ক থাকে?

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, “মায়ের গাড়িতে কি সন্তান ঘুরতে পারে না, এটা কি অপরাধ? বিজেপি জানে যে ওরা হেরে বসে রয়েছে। তাই এখন কাঠিবাজি করছে। নাটক করছে। প্রার্থীকে পিছনে করার ষড়যন্ত্র। মানুষ কি সরকারি দেখে ভোট (By-Election) দেবে, তৃণমূলের চিহ্ন দেখে ভোটে দেবে। যদিও বিজেপি প্রার্থী চিকিৎসক বিনয় বিশ্বাস বল, “নিশ্চয়ই এটা অন্যায়। জনতার মধ্যে প্রভাব ফেলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Verdict: ফের শিরোনামে ‘সৎ রঞ্জন’, আদালতের রায়ে ‘আঁধার’ নামল মামাভাগিনা গ্রামে

    SSC Recruitment Verdict: ফের শিরোনামে ‘সৎ রঞ্জন’, আদালতের রায়ে ‘আঁধার’ নামল মামাভাগিনা গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার এসএসসি মামলার রায় (SSC Recruitment Verdict) দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে চাকরিহারা প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক। আর সেই সূত্র ধরে আরও একবার নাম উঠল ‘সৎ রঞ্জন’ ওরফে চন্দন মণ্ডলের। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত চলাকালীন শিরোনামে ছিলেন চন্দন মণ্ডল। উল্লেখ্য তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাস ভিডিয়ো বার্তায় ‘সৎ রঞ্জন’ নামে এক ব্যক্তির কথা জানান। মূল অভিযোগ হল, তিনি নাকি টাকার বিনিময়ে বহু চাকরি দিয়েছেন। পরে গ্রেফতার হন চন্দন মণ্ডল।

    বাগদার মামাভাগিনা গ্রামে আধার (SSC Recruitment Verdict)

    জানা গিয়েছে সোমবার আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশের পরে যে ২৬ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন তাঁদের মধ্যে আছেন উত্তর ২৪ পরগনার চন্দনের গ্রামের আশপাশের এলাকার অনেকে। হাইকোর্টের রায়ের পরে মঙ্গলবার ভরা দুপুরেও যেন ‘আঁধার’ নেমে এসেছে বাগদার মামাভাগিনা গ্রামে। চাকরি যাওয়া কারও ফোন বন্ধ, তো কেউ আবার বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে নিরুদ্দেশ হয়েছেন।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    তবে কেবল মামাভাগিনা নয়, আশপাশের চড়ুইগাছি কুরুলিয়া, রামনগর-সহ গোটা বাগদা ব্লকের প্রচুর ছেলেমেয়ের চাকরি (SSC Recruitment Verdict) চলে গিয়েছে বলে গ্রামেরবাসিন্দারা জানিয়েছেন। চন্দনের প্রতিবেশী, স্থানীয় একটি সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান হারান বিশ্বাস এ প্রসঙ্গে বলছিলেন, ‘‘যাঁদের চাকরি গিয়েছে, তাঁদের বেশ কয়েক জন অবৈধ ভাবে চন্দনকে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন বলেই মনে হচ্ছে ।’’ সেই সঙ্গে আরও বলেন, “গ্রামের অনেকেই টাকা দিয়ে চাকরি পেলেও সকলে অবৈধভাবে নিযুক্ত হননি। কেউ কেউ নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছেন।”

    অনেকে ঋণ নিয়ে বাড়ি করেছেন

    এদিন হাইকোর্টের রায়ের (SSC Recruitment Verdict) পরে এলাকার পরিবেশ সম্পূর্ণ পাল্টে গিয়েছে। আরও গ্রামবাসীরা বলেন, “যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁরা সোমবারের পর থেকে আর বাড়ির বাইরে বের হননি। তেমনই এক যুবকের বাড়ি গিয়ে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেই জানালেন, কোনও স্কুলে চাকরি করেন না তিনি। মাঠেঘাটে কাজ করেন। গ্রামের এক মহিলার মতে আদালতের এমন সিদ্ধান্তে বাগদার (Bagda) প্রচুর যুবক-যুবতী পথে বসলেন। কারও বিয়ে হয়েছে। কারও সন্তান হয়েছে। কেউ কেউ আবার ঋণ নিয়ে বাড়ি করছেন। তাঁদের এ বার কী হবে!”

    আরও পড়ুনঃউস্কানিমূলক মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়ককে শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন

    লাইন পড়ত চন্দনের বাড়িতে

    মামাভাগিনা (Mamabhagina) গ্রামে চাকরি যাওয়া এক যুবকের আত্মীয় এদিন বলেন, ‘‘কয়েক বছর আগে এখানে যখন চাকরি বিক্রি হচ্ছিল, তখন চন্দন মণ্ডলকে টাকা দিয়ে ছেলের চাকরি হয়েছিল।’’ এ দিন পুরনো স্মৃতি উস্কে বাসিন্দারা জানান, কয়েক বছর আগে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজনের দীর্ঘ লাইন পড়ত চন্দনের বাড়িতে। উদ্দেশ্য একটাই, চন্দন মণ্ডলের সাহায্য নিয়ে একটা সরকারি চাকরি (SSC Recruitment Verdict) জোটানো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম লিয়াকত মণ্ডল। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার হরিহরপুরে। বেশ কয়েকবছর আগে বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। মেয়ে এখন বাংলাদেশের নাগরিক। অসুস্থতার কারণে লিয়কত সাহেবের মৃত্যু হয়। বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় মৃত বাবাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন সীমান্তের ওপারে থাকা মেয়ে। সাদা কাপড়ে মোড়া বাবার দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। বিএসএফের মানবিক মুখ দেখলেন সকলে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (BSF)

    বাবার মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে থাকা মেয়ের কাছে পৌঁছেছিল। কিন্তু, পাসপোর্ট জটে আটকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে আসতে পারেননি বাংলাদেশের বাসিন্দা মেয়ে। আর দ্রুত পাসপোর্ট ভিসা তৈরি করে তাঁর পক্ষে আসা সম্ভব ছিল না। বিজিবি- বিএসএফের (BSF) কাছে তাঁর কাতর আবেদন ছিল, যেন একবার বাবাকে শেষ দেখা দেখতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কারণ, বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ে আসতে চেয়েছিলেন পৈতৃক ভিটেতে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বাবার মৃতদেহ শেষবার দেখার। লিয়াকত সাহেবের পরিবারের লোকজন হরিহরপুর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যকে বিষয়টি জানান। পঞ্চায়েত সদস্য মধুপুর ক্যাম্পের বিএসএফ কর্তাদের অনুরোধ করেন, লিয়াকত সাহেবের মেয়েকে যাতে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে দেওয়া হয়। এরপরই বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবি-র মাধ্যমে মেয়েকে দু’দেশের জিরো পয়েন্টে আনার কথা বলা হয়। এরপরই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে লিয়াকতের মৃতদেহ আনা হয়। ওপার থেকে মেয়েও আসেন। শেষমেশ বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় জিরো পয়েন্টে লিয়াকত সাহেবের দেহ আনা হয়। বাবাকে শেষ দেখার পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধাও জানান মেয়ে।

    বিএসএফ নিয়ে কী বললেন বাংলাদেশের বধূ?

    লিয়াকত সাহেবের মেয়ে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মন ছটফট করছিল। কিন্তু, দুদেশের আইনি জটে সীমান্ত পেড়িয়ে আসা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু, বিএসএফ (BSF) উদ্যোগী হওয়ায় বাবার সঙ্গে শেষ দেখা করতে পারলাম। বিএসএফের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fly: মাছির উপদ্রবে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা! একাধিক শিশু অসুস্থ, কোথায় জানেন?

    Fly: মাছির উপদ্রবে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা! একাধিক শিশু অসুস্থ, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ লোকালয়ে হাতি ঢুকে তান্ডব চালাচ্ছে এমন নয়। বাঘের হামলার ঘটনাও ঘটেনি। সামান্য মাছির (Fly) দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা থানার সারাহাটি গ্রামের বাসিন্দারা। অনেকে পেটের অসুখে ভুগছেন। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ, একাধিক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অনেকে আতঙ্কে এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবে গ্রামবাসীরা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। স্থানীয় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ না করায় তাঁরা বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। কবে, এই মাছির (Fly) উপদ্রব থেকে মুক্তি মিলবে সেই অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা? Fly

    পঞ্চায়েতের থেকে কোনও অনুমতি না নিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা গ্রামেই জৈব সারের কারখানা তৈরি করেন। আর কারখানা চালু হওয়ার পর থেকেই গ্রামে এই সমস্যা দেখা দেয়। অসীমা মণ্ডল নামে এক বাসিন্দা বলেন, আমি অসুস্থ। চিকিত্সা চলছে। এখন মাছির (Fly) উপদ্রবে বাড়িতে রান্না করা দায় হয়ে গিয়েছে। ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করতে পারছি না। মঞ্জু খাঁ বলেন, সারের কারখানার জেরে গ্রামে দুর্গন্ধে টিকতে পারছি না। গ্রামের অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমার তিনমাসের সন্তানকে মামার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। অনেকেই বাড়িতে থাকতে পারছেন না। মাছির (Fly) আতঙ্কে আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গ্রামের প্রতিটি ঘরে মাছি (Fly) দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কেউ খেতে পর্যন্ত পারছেন না। আমাদের দাবি, পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। না হলে এই মাছির আতঙ্কে এলাকায় আর কেউ থাকতে চাইবেন না।

    কী বললেন জৈব সার কারখানার মালিক? Fly

    মাসখানেক ধরে সারের কারখানা চালু করা হয়েছে। তারপর থেকে মাছির (Fly) উপদ্রব বলে এলাকাবাসীর দাবি। তবে, এই অভিযোগ মানতে নারাজ জৈব সার কারখানার মালিক মৃন্ময় বিশ্বাস বলেন, বসন্তকালে মাছির (Fly) উপদ্রব সব জায়গায় থাকে। এটা কোনও কারণ নয়। আসলে আমার জমি এতদিন ফাঁকা পড়েছিল। সেটা গ্রামের লোকজন ব্যবহার করত। সেই জমিতে কারখানা করেছি বলে এলাকাবাসী এসব অভিযোগ করছেন। কৃষি দফতরের আধিকারিকদের জানিয়ে আমি কারখানা করেছি।

    কী বললেন পঞ্চায়েত প্রধান? Fly

    স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান সৌমেন ঘোষ বলেন, সার কারখানার মালিক আমাদের থেকে কোনও অনুমতি নেয়নি। গ্রামে গিয়ে দেখেছি, খুবই সমস্যার বিষয়। অবিলম্বে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ৫জি টাওয়ার বসানোর টোপ দিয়ে ১৭ লক্ষ টাকার প্রতারণা! কোথায় জানেন?

    Fraud: ৫জি টাওয়ার বসানোর টোপ দিয়ে ১৭ লক্ষ টাকার প্রতারণা! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ৫ জি টাওয়ার বসানোর জন্য কারও কাছে মোবাইলে ফোন আসলে, ধরবেন না। কারণ, রাজ্য জুড়ে একটি প্রতারণাচক্র (Fraud) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর তারা ফোন করে ৫  জি টাওয়ার বসানোর জন্য মোটা টাকার টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওই চক্র (Fraud) । বারাকপুর মহকুমায় নোয়াপাড়া থানা এলাকার এক ব্যক্তি এই প্রতারণা চক্রের খপ্পরে পড়ে কার্যত সর্বসান্ত হয়েছে। প্রতারকরা তার বাড়িতে ৫ জি টাওয়ার বসানোর লোভ দেখিয়ে কয়েক দফায় ১৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। প্রতারিত হওয়ার পর তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নেমে পুলিশ এই চক্রে (Fraud)  জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সুদীপ বিশ্বাস, সুজন ঘোষ, সঞ্জয় বালা, তপন মণ্ডল এবং মহিতোষ কুণ্ডু। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা জানার চেষ্টা হচ্ছে।

     কীভাবে প্রতারণা করল অভিযুক্তরা? Fraud

     কয়েকদিন আগেই নোয়াপাড়ার ওই ব্যক্তির কাছে একজন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করেন। তাঁর বাড়িতে ৫ জি টাওয়ার বসানো হবে বলে টোপ দেওয়া হয়। শুধু বাড়ির ওই জায়গা দেওয়ার জন্য তাঁকে এককালীন ২৫ লক্ষ টাকা এবং প্রতিমাসে ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। তবে, বিষয়টি অন্য কাউকে না জানানোর কথা বলা হয়। পরে, তাঁর বাড়ির ছবি, দলিল সব কিছু চাওয়া হয়। পরে, ওই ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রেশন করা হয়। কয়েকদিন এই সব কাজ করার পর ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে, ওই ব্যক্তির চাহিদা রয়েছে কি না দেখা হয়। মোটা টাকার হাতছাড়া হয়ে যাবে ভেবে ফের ওই ব্যক্তি যোগাযোগ করেন। কিন্তু, তখনও কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলা হয়। এরকমভাবে আরও কিছুদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। এরপর আচমকা ফোন করে তাঁকে জানানো হয়, আপনার কাগজপত্র দেখে অফিস আপনার বাড়িতে টাওয়ার বসানোর আগ্রহ দেখিয়েছে।  এরপর শুরু হয় আসল খেলা। অফিসের অ্যাকাউন্টের নামে একটি ড্যামি অ্যাকাউন্ট পাঠানো হয়। সেই অ্যাকাউন্টে প্রথমে দেড় লক্ষ টাকা পাঠাতে বলা হয়। ২৫ লক্ষ টাকা হাতছাড়়া হয়ে যাবে ভেবে ওই ব্যক্তি এক কথায় দেড় লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দেন। পরে, প্রতারকদের (Fraud) কথার জালে ফেঁসে ওই ব্যক্তি কয়েক দফায় সব মিলিয়ে মোট ১৭ লক্ষ টাকা দিয়ে দেন।  আর ড্যামি অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টাকা উঠিয়ে নেওয়া হত। পরে, টাওয়ার না বসায় ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন প্রতারিত(Fraud)  হয়েছেন। এরপরই তিনি থানার দ্বারস্থ হন।

    প্রতারকদের কোন এলাকা থেকে ধরল পুলিশ? Fraud

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়েই প্রতারকদের (Fraud)  জাল ছড়িয়ে রয়েছে। বাগদা থেকে বিষয়টি অপারেট হচ্ছে। আর জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় তাদের এজেন্ট রয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগের তদন্তে নেমে প্রথমে জগদ্দল থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে, বারাসত, বাগদা এবং গাইঘাটা থেকে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখনও পর্যন্ত যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে, সঞ্জয় বালা এই অপরাধের মাস্টার মাইন্ড।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share