Tag: bakibur rahman

bakibur rahman

  • Jyotipriya Mallick: রেশন কেলেঙ্কারিতে জ্যোতিপ্রিয়র ১০০০ কোটি টাকার দুর্নীতির খোঁজ পেল ইডি

    Jyotipriya Mallick: রেশন কেলেঙ্কারিতে জ্যোতিপ্রিয়র ১০০০ কোটি টাকার দুর্নীতির খোঁজ পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ এবং জেরায় এখনও পর্যন্ত এক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দুর্নীতির মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমান ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। এছাড়াও রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে আগেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হয়েছেন। ফলে শাসক দল তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রী আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলে থাকায় তৃণমূল যে চাপের মুখে, তা রাজনীতির একাংশ মানুষ মনে করছেন।

    রেশন দোকান থেকে টাকা তোলা হত (Jyotipriya Mallick)

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রায় ২১ হাজার ৩০০ টি রেশন দোকান আছে। অধিকাংশ রেশন দোকান থেকে মাসে ৪ হাজার করে টাকা তোলা হত বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের শাসনে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) টানা দশ বছর খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন। এই দশ বছরে প্রত্যেক রেশন দোকান থেকে মাসে মাসে টাকা তুলতেন। ফলে ইডি অনুমান করছে, প্রায় ৭০০ কোটি টাকা পর্যন্ত তোলা হয়। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভুয়ো দোকানের সংখ্যা প্রায় ৩০০র থেকে বেশি বলে সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো ন্যায্যমূল্যের রেশনকে দুর্নীতি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হয়েছে। হিসাবে আরও জানা গিয়েছে, গত ৮ বছরে এখান থেকে ১৫০ কোটি টাকা তোলা হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী অফিসাররা। এছাড়াও অনুমোদিত দোকানগুলি থেকে দুর্নীতি-সিন্ডিকেটের সদস্যরা রেশন সামগ্রী বাজারে বিক্রির করে ২০০ কোটি টাকা তুলেছে বলে মনে করছেন ইডির অফিসাররা। এভাবেই রেশন কেলেঙ্কারিতে জ্যোতিপ্রিয়র ১০০০ কোটি টাকার দুর্নীতির খোঁজ পেয়েছে ইডি।

    মন্ত্রীর আপ্ত সহায়ক থেকে উদ্ধার ডায়েরি

    প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরির তথ্যে জানা গিয়েছে, বাকিবুর রেশনের ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলার এবং রেশন দোকানের মালিকদের কাছ থেকে কোটি কোটি কালো টাকা আদায় করতেন। গত দশ বছর ধরে এই ভাবেই দুর্নীতির টাকা আদায় করেছেন মন্ত্রী এবং বাকিবুর।

    এই টাকা কোথায় গেল?

    তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে মাত্র ৫০ কোটি টাকার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। বেশির ভাগ টাকার এখনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। রেশনের বণ্টনের দুর্নীতির টাকা ৫০-৫০ ভাগ হত। একভাগ যেত বাকিবুর এবং সহযোগীদের কাছে। আর অপর আরেক ভাগ যেত মন্ত্রীর কাছে। ইডি মনে করছে, দুর্নীতির একটা বড় অংশের টাকা বিদেশে চলে গিয়েছে। তদন্তকারী অফিসারদের অনুমান, জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) পর্যন্ত টাকা শুধু পৌঁছায়নি। টাকা আরও অনেক প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    ইডির এক তদন্তকারী অফিসার জানান, “বাকিবুরের পরিবারের সদস্য এবং মন্ত্রীর (Jyotipriya Mallick) স্ত্রী, মেয়েকে ডিরেক্টর করে মোট তিনটি সংস্থা খোলা হয়েছিল। এই সংস্থার মাধ্যমে ২০ কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়। কিন্তু এর মধ্যে ১০ কোটি টাকা মন্ত্রী এবং মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রাখা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন-দুর্নীতির লাখ লাখ টাকা জমা পড়ত গ্রামবাসীদের অ্যাকাউন্টে! এরপর কী হত?

    Ration Scam: রেশন-দুর্নীতির লাখ লাখ টাকা জমা পড়ত গ্রামবাসীদের অ্যাকাউন্টে! এরপর কী হত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উলুবেড়িয়াতে বাসিন্দাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লাখ লাখ টাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উলুবেড়িয়ার ২ নম্বর ব্লকের ৫ থেকে ৬ টি গ্রামের বাসিন্দারা রাইস মিলের মালিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে। মূল অভিযোগ, গ্রামের মানুষের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের বই করে দিত এজেন্টরা। যাদের নামে অ্যাকাউন্ট খোলা হতো, তাদের কাছে রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) ধান বিক্রির টাকা ঢুকত। ২০ হাজার, ৫০ হাজার এমনকি লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত বলে জানা গিয়েছে। বিনিময়ে গ্রামবাসীরা জমি বা ধান চাষ না করলেও এজেন্ট মারফত কিছু টাকা পেতো। কিন্তু যে টাকা ধান বিক্রির নামে জমা করা হতো, কার্যত দুর্নীতি করে সবটাই চলে যেতো চালকল মালিকের পকেটে। ফলে চালকলে ধান বিক্রির টাকা নিয়ে রেশন-দুর্নীতির বিস্ফোরক তথ্য জানা গিয়েছে।

    মূল অভিযোগ (Ration Scam)

    হুগলির অঙ্কিত রাইসমিল নানান ভাবে প্রলোভন দেখাতো। রাইসমিলের এজেন্টরা বোঝাতো অ্যাকাউন্ট থাকলেই মিলবে টাকা। কিন্তু এই টাকা সোজা পথের টাকা নয়। রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে যেতো। তারপর কালো টাকাকে সাদা করে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হতো ঘুরপথে। তবে যাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত তাদের সামান্য পরিমাণের টাকা দেওয়া হতো। তবে বেশিরভাগটাই চলে যেতো এজেন্ট হয়ে চালকলের মালিকের কাছে। এই ভাবেই রাজ্যের রেশনের-দুর্নীতির একটা বিরাট চক্র চলেছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি বাকিবুর এবং প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতারের পর এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।  

    গ্রামবাসীর বক্তব্য

    উলুবেড়িয়ার ২ নম্বর ব্লকের এক গ্রামবাসীরা, সঞ্জয় মান্না এক ব্যক্তির নাম তুলে বলেছেন তিনিই হলেন, চালকল এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যুক্ত গ্রামবাসীদের মধ্যে সংযোগকারী ব্যক্তি। যদিও সঞ্জয় নিজে মানতে নারাজ। তিনি বলেন, “আমার কাছে কিছু নেই। মিল থেকে লোকজন আসতো এবং ওরাই কাজ করত। টাকা (Ration Scam) দিয়ে যেত আর আমি কেবল টাকা দিতাম। আজ তিন বছর ধরে এই কাজ করছি আমি। যারা ধান দিয়ে যেতো আমি তাদের টাকা দিতাম। এইসব টাকা ধানের টাকা।”

    পরে তিনি আরও বলেন অঙ্কিত মিল থেকে যা বলা হতো তিনি তাই করতেন। একক ভাবে চালকলের হয়ে প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ জনের নামে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট বই খুলে দিয়েছেন। এলাকায় বিশেষ ক্যাম্প করে এই কাজ করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জগাছার অঙ্কিত রাইসমিলে ইডি ২৬ ঘণ্টা তাল্লাশি চালিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) মামলায় এই মিলও এখন ইডির নজরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    Ration Scam: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের তৃণমূল মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানের আরও সম্পত্তির হদিশ মিলল আমডাঙায়। সাধনপুর পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ৫৬০ কাঠা জমির খোঁজ মিলেছে। একই সঙ্গে পাশের আদহাটা পঞ্চায়েতের দাদপুর এলাকার গৌরাঙ্গপুর রোডের ধারে পাঁচিল দেওয়া ২৬০ কাঠা জমির সন্ধান মিলছে।

    অপর দিকে বাকিবুর বাদুড়িয়া শহরের মধ্যে ‘ডান্স বার’ করতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় মানুষ। জানা গিয়েছে, স্থানীয় পুরপ্রধান তুষার সিংহ বাধা দিলে ৩০০ কাঠার এক জমিতে চাল, গম, আটার গুদাম তৈরি করা হয়। মূলত এলাকাবাসীর অভিযোগ, জোর করে ভয় দেখিয়ে জলের দামে জমি দখল করে নিয়েছেন বাকিবুর।

    বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র নয় তো সম্পত্তি (Ration Scam)?

    স্থানীয়দের দাবি, আমডাঙায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার গোডাউন তৈরির জন্য কম দাম দিয়ে জমি কেনেন বাকিবুর। তবে জমি কেনার সময় অনেককে চাকরি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই কথা পূরণ করা হয়নি। এলাকার মানুষের আরও দাবি, এই সম্পত্তি বাকিবুরের নামে হলেও, আদতে মালিক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁদের দু’জনের যুগলবন্দিতেই এই সম্পত্তি (Ration Scam) হয়েছে বলে দাবি।

    বাদুড়িয়ার মানুষের প্রতিক্রিয়া

    বাদুড়িয়ার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “শ্মশানের উল্টো দিকে ভুটানের বাগান বলে একটা জমিতে পুকুর ছিল। এই পুকুরটি রাতারাতি মাটি ফেলে ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এখানে চারপাশে উঁচু করে পাঁচিল দেওয়া হয়েছে। মাঝে মাঝে এই জমিতে চাল, গম, আটার বস্তা আসতো বলে জানা গিয়েছে।”

    এছাড়াও স্থানীয় রিতা নামক এক মহিলা বলেন, “আমাদের দুই কাঠা জমি ছিল, সেখানে আমাদের একটি বসত বাড়ি ছিল। এখানে মিল বা গোডাউন হবে, আর তাই সামনের জায়গাটা ছাড়তে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। অবশেষে গুন্ডা ডেকে জোর করে জায়গা দখল করে নেয় বাকিবুর (Ration Scam)।” অপর দিকে পুরপ্রধান তৃণমূলের নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, “শুনেছি এই জমি বাকিবুরের, কিন্তু কোনও দিন আসতে দেখিনি।  ”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Distribution Scam: জ্যোতিপ্রিয়-বাকিবুর যোগের হদিশ, ভুয়ো সংস্থায় বিনিয়োগ কোটি কোটি টাকা!

    Ration Distribution Scam: জ্যোতিপ্রিয়-বাকিবুর যোগের হদিশ, ভুয়ো সংস্থায় বিনিয়োগ কোটি কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Ration Distribution Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন দু’জনেই। একজন ছিলেন খাদ্য দফতরের মন্ত্রী, বর্তমানে বনমন্ত্রী। আর একজন ব্যবসায়ী। প্রথম জন তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আর দ্বিতীয় জন বাকিবুর রহমান। দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইডি।

    ভুয়ো সংস্থায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ

    এমতাবস্থায় ইডির তদন্তকারীরা জেনেছেন, জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে বাকিবুরের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। তদন্তে নেমে ইডির আধিকারিকরা জেনেছেন, দুই পরিবারের সদস্যরা একযোগে একাধিক সংস্থা চালাতেন। ওই সব সংস্থা আবার বিভিন্ন ভুয়ো সংস্থায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করত। ইডি সূত্রে খবর, এ পর্যন্ত যেসব তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে, তা থেকেই স্পষ্ট হয়েছে দুই পরিবারের যোগ। ইডি সূত্রে খবর, আপাতত তিনটি সংস্থার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

    তিন সংস্থায় যোগ জ্যোতিপ্রিয়র 

    এই তিন সংস্থা হল ‘শ্রী হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘গ্রেসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’ এবং ‘গ্রেসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড’। এই তিন সংস্থার মারফত ভুয়ো কোম্পানির মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয়েছে অন্তত ১২ কোটি টাকা। এই (Ration Distribution Scam) সংস্থাগুলির প্রতিটির সঙ্গেই কোনও না কোনওভাবে যোগ রয়েছে জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরের পরিবারের। শুধু তাই নয়, ২০২২ সালে এই কোম্পানিগুলির সব সম্পত্তি বিক্রি করে লাটে তুলে দেওয়া হয়েছে সংস্থাগুলি। বিক্রি বাবদ পাওয়া গিয়েছিল ২০ কোটি ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ১৯৪ টাকা। বাকিবুরের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাসের নামে থাকা একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ওই টাকা গিয়েছে বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: ‘রেশন কেলেঙ্কারিতে খতিয়ে দেখা হোক মমতার ভূমিকা’, ইডিকে আর্জি শুভেন্দুর

    এদিন আদালতে ইডির দাবি, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে সরাসরি যোগ রয়েছে মন্ত্রীর। অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া মেরুন ডায়েরিতে বালুদা (জ্যোতিপ্রিয়র ডাক নাম) নামের উল্লেখ রয়েছে। ইডির দাবি, তিনটি ভুয়ো সংস্থা খুলে ১২ কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। বাড়ির রাঁধুনির নামেও ভুয়ো কোম্পানি খুলেছিলেন তিনি। ইডি সূত্রে খবর, ওই তিন সংস্থায় জমা পড়েছে ৮ কোটি টাকা।

    ইডি সূত্রে খরব, ওই তিন সংস্থার ডিরেক্টর পদে ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী মণিদীপা এবং মেয়ে প্রিয়দর্শিনী। এই প্রিয়দর্শিনী আবার উচ্চ শিক্ষা সংসদের সচিব। সংস্থাগুলিতে যুক্ত ছিলেন বাকিবুরের পরিবারের সদস্যরাও (Ration Distribution Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Ration Scam: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র মদতেই বিপুল সাম্রাজ্য! ২ জেলাতেই ১০০-র বেশি সম্পত্তি বাকিবুরের

    Ration Scam: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র মদতেই বিপুল সাম্রাজ্য! ২ জেলাতেই ১০০-র বেশি সম্পত্তি বাকিবুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টনে দুর্নীতির (Ration Scam) টাকায় শুধুমাত্র ২ জেলাতেই শতাধিক সম্পত্তি করেছেন বাকিবুর রহমান। রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মদতেই কয়েক বছরে বিপুল সাম্রাজ্যের মালিক হয়ে উঠেছেন তিনি। নজর এড়াতে ‘দুর্নীতির টাকা’ বিভিন্ন জায়গায় এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। এমনই দাবি করেছে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বাকিবুর এবং মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দুই জেলায় শতাধিক সম্পত্তি

    ইডি সূত্রে খবর, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বাকিবুরের মোট  ১০১টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। যার মূল্য ৯ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। ইডির দাবি, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা, বারাসত এবং বাদুড়িয়াতে বাকিবুরের সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। নদিয়ার বিভিন্ন গ্রামেও বাকিবুর এবং তাঁর কয়েক জন আত্মীয়ের প্রচুর সম্পত্তি মিলেছে। এ ছাড়াও কলকাতায় বাকিবুরের কোটি কোটি টাকার বাড়ি, আবাসন, রেস্তরাঁ, বারের হদিশ পেয়েছে ইডি। এমনকি দুবাইয়েও বাকিবুরের সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে ইডির তদন্তে।  

    জ্যোতিপ্রিয়র সক্রিয় যোগ

    চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, মন্ত্রীর আনুকূল্যেই সরকারি তহবিলের ৪৫০ কোটি টাকা গিয়েছে বাকিবুরের কাছে। বাকিবুরের সংস্থার অডিটরকেই উদ্ধৃত করে ইডি জানিয়েছিল, বাকিবুর তাঁর সংস্থার ৫০ কর্মীর নামে ভুয়ো কৃষক হিসেবে ৫০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলেন। সেই অ্যাকাউন্টগুলিতে ধান কেনার নামে ৪৫০.৩১ কোটি টাকার ফান্ড রিলিজ করা হয়। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল এসেনসিয়াল কমোডিটি সাপ্লাই কর্পোরেশন লিমিটেড’ ওই ফান্ড দিয়েছিল। চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, এই সংস্থার মাথায় রয়েছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ই। কিন্তু এত অর্থ নিয়ে কী করেছিলেন বাকিবুর। ইডির দাবি, সরকারি টাকা নয়ছয়ে মন্ত্রী বালুর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন বাকিবুর।

    আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! আজ মরশুমের শীতলতম দিন, রাজ্যজুড়ে নামছে তাপমাত্রা

    কীভাবে রাখা হতো দুর্নীতির টাকা

    কলকাতা নগর দায়রা আদালতে বাকিবুরদের বিরুদ্ধে চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে বেআইনি ভাবে রেশনের (Ration Scam) চাল আটা খোলা বাজারে বিক্রি এবং কমদামে ভুয়ো চাষী সাজিয়ে খাদ্যশস্য কেনা-সহ বিভিন্ন উপায়ে বছরের পর বছর এই দুর্নীতি চালিয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর। আর তাতে প্রশ্রয় দিয়ে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। জ্যোতিপ্রিয় ওরফে বালু যাঁদের যাঁদের কাছে টাকা পাঠাতেন, তাঁদের বেশ কয়েক জনকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে দাবি ইডির। এঁদের মধ্যে একজন বাকিবুর রহমানের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাস। তাঁকে বন দফতরে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam Case: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র কনভয়ে থাকত ব্যবসায়ী বাকিবুরের গাড়ি! বিস্ফোরক দাবি ইডির

    Ration Scam Case: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র কনভয়ে থাকত ব্যবসায়ী বাকিবুরের গাড়ি! বিস্ফোরক দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় (Ration Scam Case) জ্যোতিপ্রিয়-বাকিবুর যোগের চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কনভয়ের মধ্যেই থাকত পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের গাড়ি।

    ঝুলি থেকে বেরল বেড়াল

    মঙ্গলবার ইডির আধিকারিকরা জেরা করেছিল জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অমিত দে-কে। তার পরেই বের হয় ঝুলি থেকে বেড়াল। তদন্তকারীরা জেনেছেন, খাদ্য দফতরে গিয়ে জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে প্রায়ই বৈঠক করতেন বাকিবুর। মন্ত্রিমশাইয়ের নির্দেশেই রেশন ডিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বাকিবুর। অমিতের মোবাইল থেকেও কথা হত বাকিবুরের সঙ্গে। এদিকে, আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসা নিয়ে হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। ৮ নভেম্বর পর্যন্ত পিছল মামলার শুনানি। তাই কমান্ড হাসপাতালে মন্ত্রিমশাইয়ের চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা রইল না ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কেবল বাকিবুর এবং জ্যোতিপ্রিয়ই এই কেলেঙ্কারিতে যুক্ত, তা নয়। তৎকালীন খাদ্য দফতরে কর্মরত একাধিক সরকারি আধিকারিক এবং আমলাও কাঠগড়ায় (Ration Scam Case)।

    কেলেঙ্কারির সুতোয় টান

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে প্রথমে গ্রেফতার করা হয় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে। তাঁকে জেরা করতেই উঠে আসে জ্যোতিপ্রিয়র নাম। গত বৃহস্পতিবার টানা ১৮ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানো হয় জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে। করা হয় জিজ্ঞাসাবাদও। শুক্রবার ভোরে গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পরে তোলা হয় আদালতে। বিচারক তাঁকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। রায় শুনে আদালতেই জ্ঞান হারান জ্যোতিপ্রিয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সোমবার রাত ১০টা নাগাদ মন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় ইডি। পরের দিন জেরা করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রি করেছে দল’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা

    এদিনই জেরা করা হয় মন্ত্রীর দুই প্রাক্তন আপ্ত সহায়ককে। এঁদেরই একজন হলেন অমিত। তিনিই জানান, বাকিবুরের সঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার কথা। এর আগেও মন্ত্রীর সঙ্গে বাকিবুরের ঘনিষ্ঠতার কথা জেনেছে ইডি। তারা জেনেছে, তিনটি শেল কোম্পানির মাধ্যমে নয়ছয় করা হয়েছে রেশন কেলেঙ্কারির টাকা। এই কোম্পানিগুলিতে ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরের পরিবারের সদস্যরা (Ration Scam Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ration Distribution Scam: বাকিবুর প্রযোজিত সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পার্থর বান্ধবী অর্পিতা! বিস্ফোরক তথ্য ইডি-র

    Ration Distribution Scam: বাকিবুর প্রযোজিত সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পার্থর বান্ধবী অর্পিতা! বিস্ফোরক তথ্য ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Ration Distribution Scam) মামলায় ক্রমেই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে বিড়াল! ওই দুর্নীতির টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে টলিউডে। অন্তত ইডির সন্দেহ এমনই। জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের টাকায় তৈরি হয়েছিল একটি বাংলা সিনেমা। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ধৃত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

    পার্থর সুপারিশেই ছবিতে অর্পিতা!

    ইডির অনুমান, ওই সিনেমায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কোটি টাকারও বেশি। টলিউডের এক নামী অভিনেতাও অভিনয় করেছেন বাকিবুরের টাকায় তৈরি ওই ছায়াছবিতে। পার্থর সুপারিশেই অর্পিতাকে ওই ছবিতে নেওয়া হয়েছিল কিনা, সে প্রশ্নও উঠছে। ইডির এক আধিকারিক বলেন, “অতীতে দেখা গিয়েছে কয়লা ও গরু পাচারের টাকা টলিউডে খাটানোর অভিযোগ উঠেছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, সেটা একটা সাধারণ প্রবণতা হিসেবে কাজ করেছে। কালো টাকাকে চটজলদি সাদা করার উপায় হিসেবে এই পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে।”

    মিলল আরও দুটি ফার্মের হদিশ

    এদিকে, শুধু মাত্র তিনটি শেল কোম্পানি নয়, তদন্তে আরও দুটি ফার্মের হদিশ (Ration Distribution Scam) মিলেছে। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নির্দেশেই তাঁর ব্যক্তিগত হিসাব রক্ষক শান্তনু ভট্টাচার্য বাঁকুড়ার এক প্রান্তিক এলাকায় ফার্ম দুটি তৈরি করেছিলেন। ইডি জেনেছে, এই দুটি ফার্মের অ্যাকাউন্টে প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রেশন ডাকাত সংকটজনক নয়’’! বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    এদিকে, শনিবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলা হয় বাকিবুরকে। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে তাঁকে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। এদিন আদালতে ইডির আইনজীবী দাবি করেন, পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুরের মাথায় ওপরের কারও আশীর্বাদী হাত ছিল। এই কেলেঙ্কারিতে তাঁর যুক্ত থাকার প্রমাণ শুক্রবারের রিমান্ড কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও জানান ইডির আইনজীবী।

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে (Ration Distribution Scam) প্রথমে গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। তাঁকে জেরা করেই জানা যান তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকেও। ইডির দাবি, বাকিবুরের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনটি কোম্পানিতে নানা পদে ছিলেন দুই পরিবারের সদস্যরাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Ration Distribution Case: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করবে ইডি!

    Ration Distribution Case: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করবে ইডি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় (Ration Distribution Case) গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শুক্রবার কাকভোরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এর আগে এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল বাকিবুর রহমানকে। ইডি সূত্রে খবর, বাকিবুরের মুখোমুখি বসিয়ে দেওয়া হবে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয়কে। তার পরেই শুরু হবে টানা জেরা।

    গ্রেফতার জ্যোতিপ্রিয়

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার টানা কুড়ি ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তৃণমূল নেতাকে। তল্লাশিও চালানো হয় তাঁর বাড়িতে। জেরার মুখে জ্যোতিপ্রিয়র কথায় কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়র বাড়ি থেকে রেশন বণ্টন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু নথি মিলেছে। জানা গিয়েছে, বাকিবুর জ্যোতিপ্রিয়র ঘনিষ্ঠ। রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় বাকিবুরকে জেরা করতেই উঠে আসে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর নাম। তার পরেই তল্লাশি চালানো হয় তাঁর বাড়িতে। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    দুর্নীতি কীভাবে?

    আটা নিয়ে দুর্নীতি (Ration Distribution Case) হয়েছে কীভাবে? ইডির নথিতে বলা হয়েছে, মিল মালিকরা কড়ায়-গণ্ডায় নিয়ে নিতেন সরকারি অর্থ। তবে তার বিনিময়ে তাঁরা যে রেশন সামগ্রী সরবরাহ করতেন, তার হিসেব মিলত না। প্রতি কেজি আটার দামে অন্তত ২০০ গ্রাম কম দিতেন মিল মালিকরা। ইডি সূত্রে খবর, এ সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরকে। তাঁরা একে অপরকে কীভাবে চেনন, রেশন কেলেঙ্কারিতে  কারা জড়িত, টাকার ভাগ-বাঁটোয়ারা কীভাবে হত, মূলত এসব প্রশ্নই করা হতে পারে জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরকে মুখোমুখি বসিয়ে।

    আরও পড়ুুন: “কান এসেছে, এরপর মাথাও আসবে”, জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেফতারির পর কী ইঙ্গিত দিলেন সুকান্ত?

    ইডি সূত্রে খবর, রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় (Ration Distribution Case) কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে ধৃত বাকিবুরের পিছনে বড় মাথা হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে মন্ত্রীমশাইকে। তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ও আয়ের মধ্যে বিস্তর ফারাক খুঁজে পান তদন্তকারীরা। তার পরেই এদিন কাকভোরে গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল নেতাকে।

    এদিকে, রেশনের গম খোলা বাজারে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে বাকিবুরের বিরুদ্ধে। এই কেলেঙ্কারিতে রাজ্যের রেশন ডিলারদের একাংশও যুক্ত বলে অনুমান ইডির। তাই কেলেঙ্কারির শিকড়ে পৌঁছতে চাইছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share