Tag: Ballistic Missile

Ballistic Missile

  • US Resumes Airstrikes: ইরানে ফের মার্কিন বিমান হামলা, পাল্টা জবাবের আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে প্রবল উত্তেজনা

    US Resumes Airstrikes: ইরানে ফের মার্কিন বিমান হামলা, পাল্টা জবাবের আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে প্রবল উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক অভিযানে সাময়িক বিরতির পর বৃহস্পতিবার ইরানের বিভিন্ন টার্গেটে ফের বিমান হামলা চালাল আমেরিকা (US Resumes Airstrikes)। ওয়াশিংটনের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করার পর তার জবাবেই এই অভিযান (Missile Attack) শুরু করা হয়েছে। হামলা শুরুর পর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের খবর মিলেছে।

    ইরানের বিরুদ্ধে হামলা (US Resumes Airstrikes)

    মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী তা শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টা। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড বলেছে, “আজ রাত ৮টায় যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের ওপর ইরানের গতকালের হামলার চেষ্টার জোরালো জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।” মার্কিন হামলা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিস্ফোরণের খবর আসে। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। দ্বীপটির একটি আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলি বুশেহর-সহ দক্ষিণাঞ্চলের আরও কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে। তবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র

    এর কয়েক দিন আগে ইরানের ভূখণ্ড থেকে জর্ডনে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের দাবি, সবক’টি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত করা হয়। ফলে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গিয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে মার্কিন কমান্ড বিস্তারিত কিছু না জানালেও দেশটির সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলি জর্ডনে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীও জানিয়েছে, তারা জর্ডনে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং আরও একটি সামরিক প্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ওয়াশিংটন তেহরানের বিরুদ্ধে বোমাবর্ষণ সাময়িকভাবে স্থগিত করার পর এটিই ছিল ইরানের পক্ষ থেকে মার্কিন সামরিক প্রতিষ্ঠানে প্রথম সরাসরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা। ওই বিরতির উদ্দেশ্য ছিল কূটনৈতিক আলোচনার জন্য সুযোগ তৈরি করা।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    তখনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাল্টা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “এবার আমাদের পালা। আমরা তাদের খুব কঠোরভাবে আঘাত করব।” তবে সামরিক পাল্টা জবাবের কথা বললেও কূটনীতির দরজাও পুরোপুরি বন্ধ করেননি ট্রাম্প। তিনি জানান, সংঘাত শেষ করতে শেষ পর্যন্ত কোনও সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব কি না, তা ওয়াশিংটন পর্যালোচনা করবে। চলতি সপ্তাহের শুরুতেও ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, দুই পক্ষের মধ্যে “ভালো আলোচনা” চলছে। তাঁর বক্তব্য ছিল, কূটনৈতিক সমঝোতার এখনও সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে ফের সামরিক অভিযান (Missile Attack) শুরু করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি। ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমরা ভালো আলোচনা করছি। আমার মনে হয়, কিছু একটা হওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর যদি তা না হয়, তাহলে আমরা দু’দিন আগে যা করছিলাম, সেটাই আবার শুরু করব (US Resumes Airstrikes)।”

    মার্কিন সেনার দাবি

    গত সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের সুযোগ দেওয়ার জন্যই ওই বিরতি নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস বৈঠকের পর নতুন করে উত্তেজনা বাড়ল। ওই বৈঠকে ইরান ছিল আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হোয়াইট হাউস বৈঠকটিকে “ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ” বলে বর্ণনা করেছে (US Resumes Airstrikes)। এদিকে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে আমেরিকা ও সৌদি আরব ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে ইরাকে যৌথ হামলা চালায়। মার্কিন সেনা এবং সৌদি আরবের জ্বালানি পরিকাঠামো লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলার পর ওই অভিযান চালানো হয়। মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের দাবি, তিন দিনে ৩০টিরও বেশি ড্রোন হামলার পর ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলির ব্যবহৃত রসদ সরবরাহ কেন্দ্র এবং অস্ত্রভান্ডারকে লক্ষ্য করে যৌথ অভিযান চালানো হয়। ওয়াশিংটন ওই হামলাগুলির জন্য ইরানের ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীকে দায়ী করেছে। ইরাকের জনপ্রিয় জনসমাবেশ বাহিনী জানিয়েছে, ওই হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন (US Resumes Airstrikes)।

    ইরাকের ভূখণ্ড থেকে হামলা!

    এর আগে সৌদি আরব জানিয়েছিল, দেশটির পূর্বাঞ্চলে তেল কারখানাগুলি লক্ষ্য করে ছোড়া ড্রোন প্রতিহত করেছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। রিয়াধের অভিযোগ, ইরানঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি ইরাকের ভূখণ্ড থেকে ওই হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সংঘাতের ক্ষেত্রে এই পাল্টাপাল্টি হামলা তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে (Missile Attack)। আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ এখনও চলছে বলে জানা গেলেও, ইরানে মার্কিন বিমান হামলা ফের শুরু হওয়া এবং দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একের পর এক বিস্ফোরণের খবর নতুন করে তৈরি করেছে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা (US Resumes Airstrikes)।

     

  • Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর আলোর ঝলকানিতে রাতের ঘুম উড়ে গেল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভবাসীর। তীব্র রুশ হামলায় কেঁপে উঠল গোটা শহর। রাশিয়া-অধিকৃত পূর্ব ইউক্রেনে হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে কিয়েভে ব্যাপক বোমাবর্ষণ (Russia Ukraine War) করা হয়।

    রাতের আকাশে তীব্র আলোর ঝলকানি (Russia Ukraine War)

    অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য কিয়েভে আঘাত হানে (Russian Hypersonic Missile)। ফুটেজে আঘাতের মুহূর্তে তীব্র আলোর ঝলকানি দেখা গিয়েছে। এরপরেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। ইউক্রেনের আধিকারিকরা জানান, হামলায় প্রায় ৬০০টি ড্রোন এবং ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারলেও, সবগুলি আটকানো যায়নি। জানা গিয়েছে, রাশিয়ার এই হামলায় লুকিয়ানিভস্কা মেট্রো স্টেশনের কাছের একটি ব্যবসা কেন্দ্র এবং পাশের বাজার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলির মধ্যে একটি ছোট ক্যাফেও ছিল। আগের রুশ হামলার পর এটি ছ’বার পুনর্নির্মাণ ও ফের চালু করা হয়েছিল।

    রাশিয়ার কড়া সমালোচনা

    এই হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বহু মানুষ। রাজধানী-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়িঘর, স্কুল, বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতভর কিয়েভজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় বাসিন্দারা আশ্রয় নেন মেট্রো স্টেশন ও ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার কড়া সমালোচনা করে বলেন, “এই হামলা মিলিটারি টার্গেটে নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তিনি লেখেন, “রাশিয়া কিয়েভ-সহ চেরকাসি, খারকিভ, ক্রোপিভনিতস্কি, ওডেসা, পোলতাভা, সুমি এবং ঝিতোমির অঞ্চলেও অন্যতম বৃহৎ রাতের হামলা চালিয়েছে।”

    জেলেনস্কির বক্তব্য

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া ‘ওরেশনিক’ নামের একটি শক্তিশালী হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে। ওরেশনিক এমন একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের গতির চেয়ে দশগুণ বেশি বেগে চলতে পারে এবং তিন, চার বা তারও বেশি তলা নীচে থাকা ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংস করার জন্য তৈরি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রাশিয়া প্রথম ইউক্রেনের দ্নিপ্রো শহরে বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ওরেশনিক ব্যবহার করেছিল (Russia Ukraine War)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পশ্চিমাঞ্চলীয় লভিভ এলাকায় দ্বিতীয়বার এটি ব্যবহার করা হয়। হামলার তীব্র নিন্দা করে জেলেনস্কি বলেন, “এটি সাধারণ নাগরিক ও অসামরিক পরিকাঠামো—যেমন বাজার, স্কুল এবং জল সরবরাহ কেন্দ্র—লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে (Russian Hypersonic Missile)।” রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রক রবিবার জানিয়েছে, তারা ওরেশনিক-সহ অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইউক্রেনের ‘সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র’, বিমানঘাঁটি এবং সামরিক-শিল্প পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। যদিও তারা নির্দিষ্ট কোনও জায়গার নাম বলেনি। রাশিয়ার দাবি, এই হামলা ছিল রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইউক্রেনের হামলার প্রতিক্রিয়া (Russia Ukraine War)।

     

  • India Missile Launch: অনামী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ভারত, আকাশে ‘রহস্যময় আলো’ দেখে তোলপাড় বাংলাদেশে

    India Missile Launch: অনামী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ভারত, আকাশে ‘রহস্যময় আলো’ দেখে তোলপাড় বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) শুক্রবার সন্ধ্যায় ওড়িশা উপকূল থেকে একটি পরমাণু অস্ত্রবহন সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) শ্রেণির মিসাইলের প্রথম পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে বলে প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত ডিআরডিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরীক্ষার ঘোষণা করেনি, তবে এক প্রতিরক্ষা সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, “এই উৎক্ষেপণটি দেখতে অগ্নি-৬ মিসাইলের মতো না হলেও, আজ যে ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষা করা হয়েছে, সেটি আইসিবিএম ক্যাটেগরির।”

    এলিট গ্রুপে ভারত…

    কয়েকদিন আগেই জাতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল যে, ডিআরডিও খুব শীঘ্রই আইসিবিএম শ্রেণির একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাতে চলেছে। শুক্রবারের উৎক্ষেপণের পর সেই জল্পনাই আরও জোরালো হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশই আইসিবিএম প্রযুক্তির অধিকারী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে ১২,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি পাল্লার আইসিবিএম রয়েছে। অন্যদিকে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছে রয়েছে কার্যকরী পরমাণু অস্ত্রবাহী সাবমেরিন-লঞ্চড ব্যালিস্টিক মিসাইল (SLBM) প্রযুক্তি। ভারত যদি সফলভাবে আইসিবিএম প্রযুক্তি আয়ত্ত করতে পারে, তাহলে বিশ্বের যে কোনও দেশ, এমনকি আমেরিকাও ভারতের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে।

    অগ্নি-৬ ঘিরে ভারতে কৌতুহল তুঙ্গে

    এই উৎক্ষেপণের কয়েকদিন আগেই ডিআরডিও চেয়ারম্যান সমীর ভি কামাথ এক প্রতিরক্ষা সম্মেলনে অগ্নি-৬ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “সরকার অনুমতি দিলেই আমরা এগোতে প্রস্তুত। সমস্ত প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পূর্ণ।” অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্রকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহে বিজেপি তাদের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানায়, “অগ্নি-৬: ভারত সুপারপাওয়ার হওয়ার পথে! ১০,০০০+ কিমি স্ট্রাইক রেঞ্জ এবং মার্ভ প্রযুক্তি সহ অগ্নি-৬ ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত।” পাশাপাশি একটি ভিডিও-ও পোস্ট করা হয়, যেখানে বলা হয়, “এখন পর্যন্ত মাত্র পাঁচটি দেশের হাতে আইসিবিএম ক্ষমতা রয়েছে। ভারত খুব শীঘ্রই সেই শক্তিধর দেশগুলির তালিকায় জায়গা করে নিতে চলেছে।”

    প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ

    অগ্নি-৬ বা আইসিবিএম প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় কৌশলগত গুরুত্ব হল পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা। অর্থাৎ, কোনও দেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রথমে পরমাণু হামলা চালানোর আগে বহুবার ভাবতে বাধ্য হবে, কারণ ভারত পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে। শুধু সামরিক শক্তির দিক থেকেই নয়, আইসিবিএম প্রযুক্তি আয়ত্ত করা মানে জটিল রকেট প্রপালশন, অত্যাধুনিক গাইডেন্স সিস্টেম, মাল্টিপল ইনডিপেনডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিকল (MIRV), এবং রি-এন্ট্রি প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ইতিমধ্যেই অগ্নি সিরিজের মাধ্যমে মধ্য ও দীর্ঘ পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে যথেষ্ট অগ্রগতি করেছে। অগ্নি-৬ যদি আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষিত ও সফল ঘোষণা করা হয়, তাহলে তা ভারতের কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

    বাংলাদেশের আকাশে ‘রহস্যময় আলো’ 

    বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের এই পরীক্ষা, গোটা অঞ্চলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে। এই পরীক্ষা দেখা গিয়েছে। অনেকেই মোবাইলে সেই ছবি তুলে ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্টও করেন। এই ঘটনার একাধিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। কক্সবাজার থেকে নোয়াখালি— ৮ মে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সন্ধ্যার আকাশে একটি ‘রহস্যময় আলো’ দেখা যায়। অনেকেই দাবি করেন, এটি মিসাইল। এই আবহে সেই মিসাইলটি অগ্নি ৬ কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।

    মিসাইলের ধরণ নিয়ে নীরব ভারত

    ডিআরডিওর তরফে সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্রটির প্রকৃত পরিচয়, রেঞ্জ এবং প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় থাকছে। তবে বঙ্গোপসাগরে আগে থেকেই নোটাম জারি করে রেখেছিল ভারত। রিপোর্ট অনুযায়ী, মিসাইলের পরীক্ষা চালাতে ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল ভারত। এই আবহে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে এখন একটাই প্রশ্ন— এটাই কি অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম গোপন পরীক্ষা, না হাইপারসনিক গ্লাইড ক্ষেপণাস্ত্র, নাকি সম্পূর্ণ নতুন কোনও আইসিবিএম প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ? সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা করেনি ভারত। আর এই কৌশলগত নীরবতাই সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মনস্তাত্ত্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত এটি একটি নিয়মিত কৌশলগত সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষাও হতে পারে, কিন্তু তার আগেই আন্তর্জাতিক মহলে তা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।

    পরীক্ষা ঘিরে তুমুল জল্পনা

    বিশেষ করে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অংশ থেকে উৎক্ষেপণটি দৃশ্যমান হওয়ায় এই পরীক্ষার বার্তাবাহী গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সাধারণ মানুষের নজরে আসার ফলে একটি প্রযুক্তিগত সামরিক ঘটনাই বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। ফলে এটি শুধু প্রতিরক্ষা মহলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং জনপরিসরেও ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৌশলগত প্রতিরোধক্ষমতার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সক্ষমতা অর্জনই যথেষ্ট নয়। প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে সেই সক্ষমতা বাস্তব সময়ে উপলব্ধি করানো এবং তার বার্তা পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণেই সাম্প্রতিক উৎক্ষেপণের দৃশ্যমানতা ও তা ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনা কৌশলগত দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মিলল সাফল্য। সফল হল দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের (Ballistic Missile Defence System) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। ওড়িশা উপকূলের অদূরে বুধবার এই পরীক্ষা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা, সংক্ষেপে ডিআরডিও (DRDO)।

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী? (Ballistic Missile Defence System)

    সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিওর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “এই সফল ফ্লাইট টেস্ট আরও একবার দেশের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স ক্ষমতা প্রমাণ করল।” সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে একটি মিমিকিং অ্যাডভারসারি ব্যালিস্টিক মিসাইলকে টার্গেট মিসাইল বানিয়ে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এলসি-৪ ধর্মা থেকে। স্থলে এবং সমুদ্রে থাকা ওয়েপন সিস্টেম রাডারগুলি সেগুলিকে চিহ্নিত করেছিল। 

    লঞ্চ হল ইন্টারসেপ্টর মিসাইল…

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শত্রুরূপী মিসাইলটি রেডারে আসতেই সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এডি ইন্টারসেপ্টর সিস্টেম। ৪টে ২৪ মিনিটে ফেজ-২ এডি এনডো-অ্যাটমস্ফেরিক মিসাইলটি লঞ্চ হয়েছিল চাঁদিপুরের এলসি-৩ আরটিআর থেকে। এই ফ্লাইট টেস্ট সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক কেন্দ্রিক ওয়ারফেয়ার ওয়েপন সিস্টেমকে যাচাই করার সব ধাপগুলি সফলভাবে পেরিয়েছে। এই ওয়েপন সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে লং রেঞ্জ সেন্সর, লো ল্যাটেন্সি কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং এমসিসি ও অ্যাডভান্সড ইন্টারসেপ্টার মিসাইলগুলি।

    আরও পড়ুন: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    ডিআরডিও সূত্রে খবর, শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধে কার্যকরী হবে এই নয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile Defence System)। ভারতীয় সেনার নয়া স্ট্র্যাটেজিক ফোর্স কমান্ডের তত্ত্বাবধানে আগেই প্রাথমিক পরীক্ষা হয়েছে এই মিসাইলের ব্যবহারিক কৌশল ও লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা। এদিন হল দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা। সূত্রের খবর, নয়া এই মিসাইল ‘অগ্নি’ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়।

    কেন্দ্রের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মিসাইলটির পারফরমেন্স মনিটরিং করা হচ্ছিল ফ্লাইট ডেটা থেকে। এই ডেটা সংগ্রহ করেছিল রেঞ্জ ট্র্যাকিং যন্ত্র। জাহাজ-সহ বিভিন্ন জায়গায় (DRDO) রাখা হয়েছিল এই যন্ত্র। সেখান থেকেই মিলেছে যাবতীয় তথ্য (Ballistic Missile Defence System)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile: সতর্ক থাকুক পাকিস্তান, চিন! ‘অগ্নি প্রাইম’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের

    Ballistic Missile: সতর্ক থাকুক পাকিস্তান, চিন! ‘অগ্নি প্রাইম’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন প্রজন্মের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile) ‘অগ্নি প্রাইম’-এর (Agni-Prime) সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল ভারত। বৃহস্পতিবার ওড়িশা উপকূলে এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের কথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি

    মন্ত্রকের বিবৃতি বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের (Ballistic Missile) পরীক্ষার সময় সমস্ত কার্যকারিতা তথা উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। সেনার স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড (এসএফসি) এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) যৌথভাবে অগ্নি প্রাইম ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে। বুধবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ ক্ষেপণাস্ত্রটিকৃ উৎক্ষেপণ করা হয়। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানের সামনেই এই উৎক্ষেপণ হয়। ছিলেন ডিআরডিও (DRDO) ও সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিও, এসএফসি এবং সেনাকে অভিনন্দন জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণে সেনা বাহিনীর শক্তি কয়েক গুণ বাড়ল। 

    অগ্নি প্রাইমের শক্তি

    অগ্নি প্রাইম মিসাইল (Ballistic Missile) হল অগ্নি সিরিজের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ১১,০০০ কেজি। ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০০০ কিলোমিটার দূরের যে কোনও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম। ৩৪.৫ ফুট লম্বা ক্ষেপণাস্ত্রটিকে এক বা মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রিএন্ট্রি ভেহিক্যল (MIRV) ওয়ারহেডের সঙ্গে লাগানো যেতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    তাওয়াং এবং অরুণাচলে চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহেই এই ব্যালাস্টিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা করল ভারত। দূরপাল্লার এই মিসাইসল প্রয়োজন পড়লে চিনের রাজধানী বেজিংয়েও আঘাত হানতে সক্ষম বলে জানা নিয়েছে। এই মিসাইলের সফল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও চিনকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারেই এই পরীক্ষা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China: ‘অগ্নি’ পরীক্ষার আগেই ভারত মহাসাগরে হাজির চিনের সেই ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, কেন জানেন?

    China: ‘অগ্নি’ পরীক্ষার আগেই ভারত মহাসাগরে হাজির চিনের সেই ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) মহাসাগরে ফের চিনা (China) গুপ্তচর জাহাজ (Spy Ship)! এর আগে একবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল ভারত। সেই সময়ও ভারত মহাসাগরে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫-কে। দিন কয়েকের মধ্যেই ভারত ফের অত্যাধুনিক অগ্নি ৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে। সেই কারণে বঙ্গোপসাগরকে নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের তরফে। তার আগেই ভারত মহাসাগরে ফের হাজির চিনা গুপ্তচর জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫। বারবার একই গুপ্তচর জাহাজ পাঠানোয় চিন্তা বাড়চ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের ১৫-১৬ তারিখের মধ্যে ওড়িশার আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে উৎক্ষেপণ করার কথা অগ্নি ৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

    নৌবাহিনীর দাবি…

    ভারতীয় নৌবাহিনীর দাবি, চিনা (China) গুপ্তচর জাহাজটিকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার সুন্দ প্রণালীতে রয়েছে সেটি। চলতি বছরের অগাস্টে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে যে চিনা গুপ্তচর জাহাজটি নোঙর করেছিল, এটা সেটাই। জানা গিয়েছে, এই জাহাজটির ওজন ২০ হাজার টন। এতে রয়েছে একটি বড় অ্যান্টেনা, অত্যাধুনিক সেন্সর এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম। জাহাজটিতে ৪০০রও বেশি নাবিক রয়েছেন। চিনের এই জাহাজটি ইউয়ান ওয়াং শ্রেণির চারটি জাহাজের মধ্যে একটি। এই জাহাজ উপগ্রহ এবং আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবিধি ট্র্যাক করতে পারদর্শী।

    ভারত সরকারের দাবি, অত্যাধুনিক অগ্নি ৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরের কোনও লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম। এই পাল্লার মধ্যে চলে আসবে পাকিস্তান এবং চিন (China)। অনুমান, অগ্নি ৫ এর ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে চিনে। তাই কাছ থেকে অগ্নি ৫ এর ক্ষমতা ‘চাক্ষুষ’ করতে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে জাহাজটি।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রসংঘে সংস্কার সাধনে চেষ্টা করবে ভারত, জানালেন রুচিরা কম্বোজ

    যদিও গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছে ড্রাগনের দেশ। তাদের দাবি, জাহাজটি গবেষণামূলক কাজের জন্য রাখা হয়েছে। তবে তাতে নিশ্চিন্ত হতে পারছে না ভারত। তাই অগ্নি ৫ পরীক্ষার নির্ঘণ্ট পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়েও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, চিনের (China) পিপলস লিবারেশন আর্মির নৌশক্তি গোটা বিশ্বের মধ্যে সর্ব বৃহৎ। এই নৌ-বাহিনীর অধীনে রয়েছে ৩৫৫টি যুদ্ধ জাহাজ।

     

        দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • INS Arihant: আইএনএস অরিহন্ত থেকে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ! কী জানাল প্রতিরক্ষামন্ত্রক?

    INS Arihant: আইএনএস অরিহন্ত থেকে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ! কী জানাল প্রতিরক্ষামন্ত্রক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্ট্র্যাটেজিক স্ট্রাইক নিউক্লিয়ার সাবমেরিন ‘আইএনএস অরিহন্ত’ (INS Arihant) থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত। শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে একথা জানানো হয়েছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, “আইএনএস অরিহন্ত থেকে সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। অত্যন্ত সফলভাবে এই পরীক্ষা সফল হয়েছে। প্রয়োজনীয় সমস্ত শর্ত ও মাপকাঠি সবগুলিই পূরণ হয়েছে। পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম হামলা না করার নীতি মেনেই দেশের প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।”

    অরিহন্ত হল ভারতের প্রথম পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন (Nuclear powered submarine)। মূলত নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড ব্যালাস্টিক মিসাইল সাবমেরিনের (SSBN) তালিকায় এটি অন্যতম। ভারতের নৌসেনার শক্তি হিসাবে এর কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালে এই সাবমেরিনের যাত্রা শুরু হয়। ২০১৬ সালে এই সাবমেরিনকে কমিশন করা হয় নৌসেনায় (Indian Navy)। এই শ্রেণির আরও চারটি সাবমেরিন রয়েছে। এরমধ্যে দ্বিতীয়টির অন্তর্ভুক্তি হয়ে গিয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থটির ট্রায়াল-পর্ব চলছে। দেশের মধ্যে প্রথম ব্যালাস্টিক মিসাইল সাবমেরিন হিসাবে আই এনএস আরিহন্তই প্রথম পছন্দ। দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্ট্র্যাটেজিক অবস্থানে থাকা ভারতের এই সাবমেরিন বেশ খানিকটা তাৎপর্যপূর্ণ। এতদিন পর্যন্ত স্থল ও আকাশ থেকে পরমাণু অস্ত্রের প্রত্যাঘাতে সফল ছিল ভারত। এবার সমুদ্রতল থেকেও পারমাণবিক অস্ত্র হামলার প্রত্যুত্তর দিতে প্রস্তুত ভারত।

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী কাণ্ডে কার্বন ডেটিংয়ের আবেদন খারিজ করে দিল বারাণসী আদালত

    কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আইএনএস অরিহন্তের হাত ধরে সফল এসএসবিএম ইউজার ট্রেনিং লঞ্চ প্রমাণ করেছে ক্রিউয়ের কার্যক্ষমতা এবং কর্মক্ষমতাগত ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন মানকে ছুঁয়েছে ভারত। যে কোনও পারমানবিক শক্তিধর দেশের কাছে জল, স্থল ও আকাশ তিন সীমা থেকেই পরমাণু হামলা চালানোর ক্ষমতা থাকা দরকার। ভারত এবার সেই মান স্পর্শ করল। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, ভারত অন্য কোনও দেশের উপরই প্রথম পরমাণু হামলা চালাবে না। তবে আত্মরক্ষার জন্য দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সবরকম প্রস্তুতি নেবে ভারত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share