Tag: ballot box

ballot box

  • Uttar Dinajpur: পুকুরে জাল ফেলে মাছের বদলে উঠল “ব্যালট বাক্স”! ডালখোলায় তীব্র শোরগোল

    Uttar Dinajpur: পুকুরে জাল ফেলে মাছের বদলে উঠল “ব্যালট বাক্স”! ডালখোলায় তীব্র শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) পুকুরে জাল ফেলে মাছের বদলে উঠল ব্যালট বাক্স। এই ভিডিও, রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা বলেছেন, তৃণমূল গণতন্ত্রকে হত্যা করে ভোট লুট করেছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Uttar Dinajpur)?

    ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার ডালখোলা থানার অন্তর্গত করনদিঘি ব্লকের বাজারগাঁও -১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলুয়া বুথে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ডালখোলা থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার হওয়া ব্যালট বাক্সটিকে ডালখোলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    এই ঘটনায় করণদিঘির (Uttar Dinajpur) বিডিও নিতীশ তামাং বলেছেন, “গতকাল একটি ব্যালট বাক্স উদ্ধারের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি পুলিশকে জানান। পুলিশ গিয়ে বাক্সটি উদ্ধার করে ডালখোলা থানায় নিয়ে আসেন।” তিনি আরও বলেন, গত ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনে ২৫ নম্বর বুথে ব্যালট বাক্স লুটের ঘটনা ঘটেছিল। সেখানকার প্রিসাইডিং অফিসার এসে প্রশাসনকে জানিয়ে ছিলেন যে ৩টি ব্যালট বাক্স লুট হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সেই বুথে আবার পুনঃনির্বাচন হয়। পুকুর থেকে যে ২টি ব্যালট বাক্স উদ্ধার হয়েছে, তা লুঠ হওয়া ব্যালট বাক্স বলেই দাবি তাঁর।

    নির্বাচন কতাটা সুরক্ষিত ছিল?

    যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে একটি বাক্স উদ্ধারের ছবি দেখা গেছে। গোটা ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, গণনার দিন গণনাকেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ এনেছিলেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর মতে করণদিঘী গণনা কেন্দ্রে কারচুপির ঘটনা ঘটেছে বলে সরব হন সাংসদ। কারচুপির অভিযোগে রায়গঞ্জে (Uttar Dinajpur) গণনাকেন্দ্রে গিয়ে রায়গঞ্জের বিডিওকে বিক্ষোভ দেখান। আর এই বিক্ষোভ দেখানোর সময় বিডিওকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। পুকুর থেকে ব্যালট বাক্স উদ্ধারের ভাইরাল হওয়া ভিডিও, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগকে আরও একবার উস্কে দিল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ব্যালট বাক্সে জল ঢালার পরও গণনা কীভাবে হল! প্রশাসনকে প্রশ্ন বিজেপির

    Purba Bardhaman: ব্যালট বাক্সে জল ঢালার পরও গণনা কীভাবে হল! প্রশাসনকে প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটোয়ার (Purba Bardhaman) মণ্ডলহাটের রাজমহিষী স্কুলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ করে সরব হয়েছিল বিজেপি। শুধু তাই নয়, ব্যাপক ছাপ্পা এবং রিগিং আটকাতে প্রশাসনকে বলেও কোনও কাজ না হলে অবশেষে ভোট বন্ধ করতে ১৫, ১৬, ১৭ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থীরা জল ঢেলে দিয়েছিল ব্যালট বক্সে। গণনার সময় সেই জল ঢালা বাক্স থেকে ব্যালট গণনা করে প্রশাসন। তাই বিজেপি প্রশ্ন তুলেছে, জল ঢালা ব্যালট বাক্স থেকে কী করে গণনা হল! কাটোয়া ১ নম্বর ব্লক অফিসে বিডিওর কাছে এই অভিযোগ জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন ১৩১ জন বিজেপি প্রার্থী।

    অভিযোগ কী (Purba Bardhaman)?

    ৮ই জুলাই রাজ্যে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ করে বিজেপি। অভিযোগ কাটোয়ার (Purba Bardhaman) রাজমহিষী স্কুলের বুথে নির্বাচনকে নিয়ে। তৃণমূলের সন্ত্রাস নিয়ে রাজমহিষী স্কুলের ১৫, ১৬, ১৭ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী ও এলাকার বিজেপি কর্মীরা একত্রিত হয়ে কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিলেন। সেখানে পরিষ্কার তাঁরা উল্লেখ করেছেন, তৃণমূল দুষ্কৃতীরা ব্যাপক রিগিং, সন্ত্রাস ও ছাপ্পা ভোট করেছে নির্বাচনের দিনে। বুথের ভেতর ছাপ্পা চলায় ভোটের পর বিজেপি জেলা পরিষদের প্রার্থী জল ঢেলে দেন ব্যালট বাক্সে। বিজেপি প্রার্থীর জল ঢালার পর এলাকাবাসীরাও ব্যালট বাক্সে জল ঢেলে দেন অন্য দুটি বুথে। বাক্সে জল ঢালার পর গণনা কীভাবে হয়েছে, এটাই প্রধান অভিযোগ।

    বিজেপির বক্তব্য

    জল ঢালার পর বাইরে থেকে অন্য ব্যালট এনে তাতে ছাপ মেরে, পুনরায় ব্যালট বক্সে ফেলে দিয়েছিল তৃণমূল কর্মীরা। তাই বিডিওর (Purba Bardhaman) কাছে বিজেপি জানতে চেয়েছে, কী করে জল ঢালা ব্যালট বক্সের ভোট গণনা করা হল! উত্তর মেলেনি। পরে জল ঢালা ব্যালট বাক্স গণনার পর দেখা যায়, তৃণমূল প্রার্থীরা কোথাও ৬০০ ভোট, কোথাও ৪০০ ভোটে জয়লাভ করেছে। পুরোটাই শাসক দল কারচুপি করছে প্রশাসনের মদতে, এমনটাই অভিযোগ।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের জেলা (Purba Bardhaman) সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভোটের পরে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ থাকলে তখন কোনও অভিযোগ জানায়নি। এরপর আরও তিনি বলেন, যদি ছাপ্পা ভোট হয়, তাহলে তো ওই এলাকার মানুষ ভোট দিতে পারত না। কিন্তু ওই এলাকার মানুষও তো কোনও অভিযোগ করেনি। পাশাপাশি ওই তিনটি বুথে রাত আটটা পর্যন্ত ভোট হয়েছে। ফলে বিজেপির অভিযোগ সব মিথ্যা।

    অপর দিকে আজ ভারতীয় জনতা পার্টির মুর্শিদাবাদ দক্ষিণের উদ্যোগে পঞ্চায়েতে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের উপর তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচারের প্রতিবাদে বহরমপুর থানার সামনে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়। তৃণমূল আশ্রিত হার্মাদ বাহিনী, পুলিশ, বিডিও এবং ডিএমের অত্যাচার চলছে জেলায়। মানুষ তাঁর গণতন্ত্রের অধিকার প্রয়োগ করে যে সকল প্রার্থীদের জয় লাভ করিয়েছেন, সেই সব প্রার্থীদের যদি প্রশাসন এবং হার্মাদ বাহিনী পঞ্চায়েত গঠনে বাধা দেয়, তাহলে কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না, বললেন বহরমপুর জেলা বিজেপি সভাপতি শাখারাভ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: পিছিয়ে থাকায় গণনা কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী!

    Cooch Behar: পিছিয়ে থাকায় গণনা কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন ব্যালট বাক্সে জল ঢেলে দেওয়া, বাক্স লুট করা এবং আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা প্রচুর ঘটেছিল। ঠিক একই ভাবে গণনার দিনেও কোচবিহারের (Cooch Behar) ফলিমারি জিপির ৪/৪১ নম্বর গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকে ব্যালটে জল ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ করেলেন কাউন্টিং অফিসার রফিকুল ইসলাম। তীব্র চাঞ্চল্য গণনা কেন্দ্রে। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Cooch Behar)?

    গণনা কেন্দ্রে (Cooch Behar) গণনা চলাকালীন এক তৃণমূল প্রার্থী পিছন দিয়ে ঢুকে, গণনার টেবিলে রাখা ব্যালট বক্সে আচমকা জল এবং কালি ঢেলে সমস্ত ব্যালট নষ্ট করে দিয়েছেন বলে জানা যায়। গণনা কেন্দ্রে কীভাবে অনুমতি ছাড়া ঢুকে এই অপকর্ম হল! সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, গণনায় ওই বুথে বিজেপি অনেক এগিয়ে ছিল, কিন্তু সেই তুলনায় তৃণমূল অনেকটাই পিছনে ছিল। তৃণমূল ভোটে হারার ভয়ে এই অপকর্ম করেছে বলে পাল্টা অভিযোগ করে বিজেপি। সেই সঙ্গে যাঁরা গণনা করছেন তাঁদের পক্ষ থেকে বলা হয়, গণনা কেন্দ্র সুরক্ষিত নয়! কোনও নিরাপত্তা নেই। ভোট কর্মীরা এরপর নিরাপত্তা চেয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গণনা কেন্দ্রে নিরপত্তার অভাবেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন ভোট কর্মীরা।

    কাউন্টিং অফিসারের বক্তব্য

    গণনা কেন্দ্রে (Cooch Behar) কাউন্টিং অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার পিছন দিয়ে এক মহিলা তৃণমূল প্রার্থী এসে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দেন। সেই সঙ্গে ব্যালট বক্সে জলের পর কালি ঢেলে দিয়ে সব ব্যালট পেপারকে নষ্ট করে দেন। তিনি আরও বলেন, এই কেন্দ্রে কোনও পুলিশ নেই। আমরা যখন ঢুকি তখন আমাদের কত কিছু পরীক্ষা করে ঢোকানো হয়। আর গণনা শুরু হতেই বেপাত্তা পুলিশ। অত্যন্ত অসুরক্ষিত বোধ করছি!

    বিজেপির বক্তব্য

    বুথের (Cooch Behar) বিজেপির এজেন্ট জিতেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, ৪১ নম্বর বুথে বিজেপি গণনায় অনেক এগিয়ে ছিল। একটি বাক্সে গণনায় দেখা যায় ১০০ টি ব্যালটের মধ্যে বিজেপি ৯৭ টা ভোট পেয়েছে। আর মাত্র ৩ টি ভোট তৃণমূল পেয়েছে। এই গণনায় তৃণমূলের হার বুঝেই তৃণমূল প্রার্থী হিংসার আশ্রয় নেয়। তিনি আরও বলেন, এই ভাবে জল ঢেলে মানুষের রায়কে আটকানো যাবে না। তৃণমূলের চরিত্র সবাই বুঝে গেছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: জটিলতা এড়াতে ত্রিস্তরে ৩ রঙের ব্যালট পেপার, কী কী সেই রং?

    Panchayat Election 2023: জটিলতা এড়াতে ত্রিস্তরে ৩ রঙের ব্যালট পেপার, কী কী সেই রং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত ফুরোলেই ২০২৩ এর পঞ্চায়েত ভোট। এই বছর নতুন ভোটার হিসাবে ভোটদান করবেন, এমন অনেকেই আছেন। আবার যাঁরা শহরে থাকেন, পঞ্চায়েত ভোট সম্পর্কে তাঁদের অনেকেরই সুস্পষ্ট ধারণা নেই। একটা কথা শুরুতেই বলা যায়, পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) কিন্তু লোকসভা বা বিধানসভা ভোটের থেকে অনেকাংশেই আলাদা। এখানে থাকে না কোনও ইভিএম মেশিন, থাকে তিনটি বড় বাক্স যা ব্যালট বাক্স নামে পরিচিত। আর সঙ্গে থাকে তিনটি আলাদা রঙের ব্যালট পেপার। ভারতে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট হয়ে থাকে। অর্থাৎ এখানে থাকে গ্রাম পঞ্চায়েত,পঞ্চায়েত সমতি ও জেলা পরিষদ। তাই এখানে ভোটাররা তিনটি জায়গার জন্য আলাদা আলাদা ভাবে ভোট প্রদান করে থাকেন।

    পঞ্চায়েতে ভোট প্রদানের (Panchayat Election 2023) পদ্ধতি কী?

    ভোট কেন্দ্রে ভোটার প্রবেশ করলে প্রাথমিক কাগজপত্র এবং ভোটার তালিকা পরীক্ষার পর সেখানে উপস্থিত ভোটকর্মীরা তাঁকে হাতে তিনটি আলাদা রঙের কাগজ ধরিয়ে দেন। এই তিনটি কাগজকেই ব্যালট পেপার বলা হয়। এই ব্যালট পেপারের মধ্যে প্রার্থীর নাম, দলের নাম ও চিহ্ন ছাপা থাকে। এই কাগজগুলি নিয়ে যেখানে ব্যালট বক্স থাকে, সেই স্থানে নিজের পছন্দসই পার্থীকে নির্বাচন করে ছাপ দিতে হয়। তার পর একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ব্যালট পেপারগুলি ভাঁজ করে ব্যালট বাক্সতে ফেলতে হয়। এইভাবেই ভোট প্রদান (Panchayat Election 2023) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

    তিনটি আলাদা ব্যালট পেপার (Panchayat Election 2023) কোন কোন রঙের?

    পঞ্চায়েতে ভোটদাতাদের জন্য তিনটি আলাদা আলাদা রঙের ব্যালট পেপার ব্যবহৃত হয়। সেই রংগুলি যথাক্রমে গোলাপি, সাদা এবং হলুদ। পঞ্চায়েতে তিনটি স্তরে আলাদা আলাদা ভাবে ভোট প্রদান করতে হয় এবং আলাদা আলদা প্রার্থীও থাকে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে একটি জায়গায় তিনটি স্তরে প্রার্থী নাও থাকতে পারে। এর মধ্যে থাকতে পারে নির্দল প্রার্থী, বিশেষ করে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে নির্দল প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকে। এবার তিনটি স্তরের ক্ষেত্রে যদি একই রঙের ব্যালট পেপার (Panchayat Election 2023) ব্যবহৃত হয়, তাহলে ভোটারদের সমস্যা হতে পারে। আবার ভোট গণনার সময়ও নানা জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। তার জন্যই প্রত্যেকটি ইউনিটে আলাদা আলাদা বাক্স এবং আলাদা রঙের ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হয়।

    কোন রং কীসের জন্য (Panchayat Election 2023)?

    পঞ্চায়েত স্তরের জন্য সাধারণত থাকে সাদা রঙের পেপার, পঞ্চায়েত সমিতির জন্য থাকে গোলাপি ব্যালট পেপার, আর জেলা পরিষদের জন্য থাকে হলুদ পেপার। এই পেপারগুলির মধ্যেই যেসব প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা (Panchayat Election 2023) করছেন, তাঁদের নাম এবং দলের চিহ্ন উল্লেখ করা থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত ব্যালট বাক্স পাহারা দিন’, কর্মীদের নির্দেশ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত ব্যালট বাক্স পাহারা দিন’, কর্মীদের নির্দেশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোরমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে হবে। তার জন্য বিকল্প একমাত্র বিজেপি। জলপাইগুড়িকে তৃণমূল মুক্ত করতে হবে। তাই এবারের ভোটে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সব আসনেই বিজেপির প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে নির্বাচনী জনসভায় এসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল। এই সন্ত্রাসকে রুখতেই হবে, নিজেদেরকেই এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কারণ তৃণমূল পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই কাজ করছে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    এদিন বক্তব্যের মাঝে কালিয়াগঞ্জের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে পুলিশ গুলি করে খুন করেছে। পুলিশ এখন রক্ষকের চাইতে ভক্ষকের ভূমিকা বেশি পালন করছে। বৃষ্টি ভেজা দিনে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে প্রচুর মানুষ এসেছিলেন ধূপগুড়ির সভায়। বক্তব্যে ছিল তৃণমূলের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি। তিনি বলেন. যদি কারও লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বন্ধ হয় তাহলে সেই অ্যাকাউন্ট নম্বর আমার কাছে পাঠাবেন। সুদ সমেত সেই টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা আমি করে দেব। ২০২৪ শের লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল সরকারের পতন নিশ্চিত। বিজেপি সরকার গড়বে, তখন লক্ষ্মীর ভান্ডারে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    ব্যালট বাক্স নিয়ে বিজেপি কর্মীদের কী সতর্ক করলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে ৩৩ লক্ষ শূন্য পদ রয়েছে। মেধার ভিত্তিতে সেই পদে চাকরি দেওয়া হবে। প্রতি বছর এসএসসি হবে, সেখানেও স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, মানুষ এখন শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপিকে চেনে। রাজ্য সরকার দ্বিচারিতা করে পিছিয়ে পড়া মানুষদের খুন করেছে। শুধু তাই নয় উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কিছুই করেনি রাজ্য সরকার। তাই কোনওভাবেই তৃণমূলকে ভোট দেওয়া যাবে না। সেই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, নকল ব্যালট ছাপা হচ্ছে। স্ট্রং রুমে নিয়ে যাওয়ার সময় সেই ব্যালট পালটে দেওয়া হবে। তাই ব্যালট বাক্স স্ট্রং রুম যাওয়া পর্যন্ত বিজেপি কর্মীদেরই পাহারা দিতে হবে। পাশাপাশি ব্যালট বাক্সে পদ্মফুলের ছাপ দিয়ে দিতে হবে, যাতে কোনও ভাবেই ব্যালট বাক্স পাল্টানো না হয়। সব শেষে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান, নো ভোট টু মমতা। ধূপগুড়ির সভা সেরে অন্য একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে নাগরাকাটা যান শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share