Tag: baloch

baloch

  • Pakistan Train Hijack: বালোচ আন্দোলনের জন্য দায়ী জিন্নার বিশ্বাসঘাতকতা!

    Pakistan Train Hijack: বালোচ আন্দোলনের জন্য দায়ী জিন্নার বিশ্বাসঘাতকতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন তিনেক আগে পাকিস্তানের বালোচিস্তানে হাইজ্যাক (Pakistan Train Hijack) করা হয়েছিল জাফর এক্সপ্রেস। পণবন্দি করা হয়েছিল বহু যাত্রীকে। পাকিস্তানের অভিযোগ, জাফর এক্সপ্রেস অপহরণের ছক কষা হয়েছে আফগানিস্তান থেকে (Baloch Movement)। ট্রেন অপহরণের পর থেকেই এমনই অভিযোগ ও দাবি তুলেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যে বলে পাল্টা দাবি তালিবানের।

    বালোচিস্তান (Pakistan Train Hijack)

    পাকিস্তানের চারটি প্রদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও কম জনবহুল এলাকা বালুচিস্তান। ১১ মার্চ এখান থেকেই জাফর এক্সপ্রেস ছিনতাই করেছিল বালোচ বিদ্রোহীরা। পণবন্দি করা হয়েছিল নিরাপত্তা কর্মী-সহ ১০০ জন যাত্রীকে। এই বিদ্রোহের মূল কারণ বালোচবাসীর সঙ্গে পাকিস্তানের জনক মহম্মদ আলি জিন্নার বিশ্বাঘাতকতা। ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট জন্ম হয় পাকিস্তানের। তার ঠিক পরের বছর থেকেই সদ্যোজাত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাতে অস্ত্র তুলে নেন বালোচ জাতীয়তাবাদীরা। তারপর থেকে অশান্তি লেগেই রয়েছে পাকিস্তানের এই অংশে। ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ১৯৫৮-৫৯, ১৯৬২-৬৩, ১৯৭৩-৭৭ সালে। ২০০৩ সাল থেকে প্রায়ই ঘটছে হিংসার ঘটনা।

    হাইজ্যাক আস্ত এক্সপ্রেস ট্রেন

    চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটল গত ১১ মার্চ। এদিন বালুচ বিদ্রোহীরা হাইজ্যাক করে আস্ত একটা এক্সপ্রেস ট্রেন। পণবন্দি করা হয় যাত্রীদের। বালুচিস্তান একটি শুষ্ক এলাকা (Pakistan Train Hijack)। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। ঐতিহাসিকভাবে পাকিস্তানের পাঞ্জাব-প্রভাবিত রাজনীতির দ্বারা উপেক্ষিত এলাকা। বালুচবাসী অর্থনৈতিকভাবে নিপীড়িত। তাদের খনিজ সম্পদ আহরণ করে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়নে ব্যবহার করা হয়েছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, বালুচবাসীর অসন্তোষের অন্যতম কারণ এটাই। বালুচবাসীর অসন্তোষের অন্যতম লক্ষ্য হল গওদর বন্দর। চিনের সহায়তায় এই বন্দরের উন্নয়ন করছে পাকিস্তান। বালুচ বিদ্রোহীরা চিনা কর্মীদর ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। প্রসঙ্গত, গওদর বন্দরটি চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের একটা অংশ।

    রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সাক্ষী

    ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স রিভিউ’য়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “বালোচ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতৃত্ব বিভক্ত। ফলস্বরূপ, বালোচ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন তার লক্ষ্য বা কৌশলের ক্ষেত্রে একক নয়।” সশস্ত্র বিদ্রোহের সর্বশেষ পর্বটি শুরু হয় ২০০৪ সালে। ২০০৬ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে প্রভাবশালী বালোচ নেতা আকবর খান বুগতি নিহত হওয়ার পর এটি আরও তীব্রতা পায় (Baloch Movement)। বুগতি বেশি স্বায়ত্তশাসন, সম্পদের নিয়ন্ত্রণ এবং বালুচিস্তানের প্রাকৃতিক গ্যাস আয় থেকে ন্যায্য ভাগ দাবি করছিলেন। প্রসঙ্গত, এর আগে সাতের দশকে বালোচবাসী বিদ্রোহের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সাক্ষী হয়েছিলেন (Pakistan Train Hijack)।

    রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সাক্ষী

    ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে। ওই বছরই স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। তার পরেই অক্সিজেন পান বালোচবাসী। বালোচিস্তানে ন্যাশনাল আওয়ামি পার্টির নেতারা স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে উদ্দীপিত হয়েছিলেন। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মারি, মেঙ্গল এবং বুগতি গোত্রপ্রধানদের নেতৃত্বে প্রায় ৫৫ হাজার বালোচ যোদ্ধা ৮০ হাজার পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। পাকিস্তান বিমান বাহিনী বালোচিস্তানের বিভিন্ন গ্রামে বোমা বর্ষণ করে। তার ফলে নিহত হন হাজার হাজার সাধারণ বালোচবাসী। একাত্তরের সংঘর্ষ এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে ইরান আশঙ্কা করেছিল বালোচ জাতীয়তাবাদের প্রভাব তাদের এলাকায় হয়ত ছড়িয়ে পড়বে। সেই আশঙ্কায়, পাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা দিয়েছিল তারা।

    বালোচ বিদ্রোহীদের জন্য মজুত করা অস্ত্র উদ্ধার

    ১৯৭৭ সালে জেনারেল জিয়াউল হক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ভুট্টোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেন। পরে উপজাতিদের ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। বালোচিস্তান থেকে প্রত্যাহার করা হয় সেনা। তার পরেই বালোচিস্তানে অবসান ঘটে সশস্ত্র সংগ্রামের। প্রথমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো এই দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তার জেরেই ঢেউ ওঠে প্রতিবাদের (Baloch Movement)। ১৯৭৩ সালে ভুট্টো বালুচিস্তানের প্রাদেশিক সরকার প্রধান আকবর খান বুগতিকে বরখাস্ত করেন। তিনি দাবি করেন, ইরাকি দূতাবাস থেকে বালোচ বিদ্রোহীদের জন্য মজুত করা অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই অজুহাতে তিনি জানিয়ে দেন, বালুচিস্তানে হবে ব্যাপক সামরিক অভিযান। এরই ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু হয়। এই সংগ্রাম চলেছিল ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত, টানা চার বছর ধরে। এই ঘটনা চতুর্থ বালুচিস্তান সংঘাত নামে পরিচিত (Pakistan Train Hijack)।

    “ওয়ান ইউনিট” পরিকল্পনা

    ১৯৫৪ সালে পাকিস্তান চালু করে “ওয়ান ইউনিট” পরিকল্পনা। এর মাধ্যমে দেশটির প্রদেশগুলি পুনর্গঠিত করা হয়। এই পরিকল্পনায় বালোচিস্তানকে অন্যান্য প্রদেশের সঙ্গে একীভূত করা হয়। তার জেরে স্বায়ত্তশাসন খর্ব হয় বালোচিস্তানের। এতেই খেপে যান বালোচ নেতারা। ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয় নেতাদের মধ্যে। কালাতের খান, নওরোজ খান ১৯৫৮ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। শুরু করেন পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ। ১৯৫৯ সালে পাকিস্তান নওরোজ খানকে আত্মসমর্পণে রাজি করায়। সেজন্য পাক সরকার তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করে বলে অভিযোগ। তাঁকে ক্ষমা করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। যদিও আত্মসমর্পণ করার পর রুদ্রমূর্তি ধারণ করে তৎকালীন পাক সরকার। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তাঁকে ও তাঁর ছেলেদের গ্রেফতার করা হয়। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তাঁর পাঁচ আত্মীয়কে।

    ক্ষোভের আগুন উসকে দেয়

    পাক সরকারের এই বিশ্বাসঘাতকতা বালোচবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের আগুন আরও উসকে দেয়। যার জেরে আরও জোরালো হয় স্বাধীনতাকামী আন্দোলন। তবে বালোচিস্তান বিদ্রোহ শুরুর বীজ অঙ্কুরিত হয় ১৯৪৭ সালে, পাকিস্তান যখন বিচ্ছিন্ন হয় ভারতের থেকে। বালোচিস্তান অঞ্চলটি আগে চারটি দেশীয় রাজ্য হিসেবে ছিল—কালাত, খারান, লাস বেলা এবং মাকরান। সেই সময় তাদের সামনে তিনটি বিকল্প ছিল—ভারতের সঙ্গে যোগদান, পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, আর না হয় স্বাধীনতা বজায় রাখা। জিন্নার প্রভাবে তিনটি রাজ্য পাকিস্তানের সঙ্গে মিশে যায় (Pakistan Train Hijack)। কালাতের শাসক খান মীর আহমেদ ইয়ার খান, যিনি খান অব কালাত নামেও পরিচিত, তিনিই বেছে নেন স্বাধীনতা।

    জিন্নাকে তার আইনি উপদেষ্টা

    ১৯৪৬ সালে খান অব কালাত জিন্নাকে তার আইনি উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করেন। তিনি যাতে ব্রিটিশ ক্রাউনের সামনে তাঁর মামলা উপস্থাপন করতে পারেন, তাই এই ব্যবস্থা। ১৯৪৭ সালের ৪ অগাস্ট দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বালোচবাসীর স্বাধীনতার সিদ্ধান্ত সমর্থিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন, খান অব কালাত এবং জওহরলাল নেহরু। ছিলেন জিন্না স্বয়ংও। জিন্নার জোরালো দাবির ফলে খারান ও লাস বেলাকে কালাতের সঙ্গে একীভূত করে একটি সম্পূর্ণ বালুচিস্তান গঠনের পরিকল্পনা করা হয় (Baloch Movement)। প্রসঙ্গত, বালোচরা কখনওই “ওয়ান ইউনিট” নীতিকে মেনে নেয়নি। পাঁচ বছরের মধ্যেই, ১৯৬৩ সালে বালুচিস্তানে তৃতীয় বালোচ বিদ্রোহ দেখা দেয়।

    বিদ্রোহের লক্ষ্য

    শের মুহাম্মদ বিজরানি মারির নেতৃত্বে, এই বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিল বালোচিস্তানের গ্যাস সম্পদের রাজস্ব ভাগাভাগির জন্য পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, “ওয়ান ইউনিট” পরিকল্পনার বিলুপ্তি এবং বালোচ বিদ্রোহীদের মুক্তি। এই বিদ্রোহ শেষ হয় ১৯৬৯ সালে সাধারণ ক্ষমার মাধ্যমে। বন্দি বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মুক্তি দেওয়া হয়। ১৯৭০ সালে “ওয়ান ইউনিট” নীতি বাতিল করার পর বালোচিস্তানকে পাকিস্তানের চারটি প্রদেশের একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পরে অবশ্য স্বাধীনতা লাভ করে বালোচিস্তান। তবে সেটা মাত্র ২২৬ দিনের জন্য। পরে বালুচবাসীর ইচ্ছায় নয়, বরং জিন্নার বিশ্বাসঘাতকতা ও ইসলামাবাদের সামরিক শক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৭৫ বছর আগের এই বিশ্বাসঘাতকতা ও অঞ্চল (Baloch Movement) এবং জনগণের শোষণ আজও বালুচ জনগণের সশস্ত্র প্রতিরোধের মূল কারণ হিসেবে রয়ে গেছে (Pakistan Train Hijack)।

  • Pakistan: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    Pakistan: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আমেরিকার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ল পাকিস্তানে (Pakistan)! গত বছর ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ স্লোগান উঠেছিল মার্কিন মুলুকে। এবার পাকিস্তানে (Karachi Activists) আওয়াজ উঠল ‘বালোচ লাইভস ম্যাটার’। পাকিস্তানের বালোচ প্রদেশে দমন পীড়ন চালাচ্ছে পাকিস্তান প্রশাসন। তার প্রতিবাদেই শনিবার করাচির রাস্তায় নামেন সে দেশের সমাজকর্মীরা। সেখানেই আওয়াজ ওঠে ‘বালোচ লাইভস ম্যাটার’।

    করাচির রাস্তায় সমাজকর্মীরা (Pakistan)

    পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন বালুচিস্তানবাসী। তার জেরেই চলছে প্রতিবাদ। সিন্ধ এবং বালুচিস্তানেও জ্বলছে প্রতিবাদের আগুন। বিক্ষোভকারীদের কড়া হাতে দমন করতে চাইছে পাক প্রশাসন। চলছে দমন-পীড়ন। এরই প্রতিবাদে করাচির রাস্তায় নামেন সমাজকর্মীরা। মুন্ডুপাত করেন পাক সরকারের। সরকারের ভীরুতা ও হিপোক্র্যাসির বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন তাঁরা। গদওয়ারে নিপীড়ন বন্ধের দাবিও জানান তাঁরা। পাক সরকারের দমন পীড়নের প্রতিবাদে তাঁরা যে এককাট্টা, তা স্পষ্ট সমাজকর্মী বীরসা পিরজাদোর কথায়।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    তিনি বলেন, “যতক্ষণ না সরকার দমন পীড়ন বন্ধ করছে, ততক্ষণ আমরা ফিরে যাব না।” বীরসা প্রতিবাদী আন্দোলনের অন্যতম মুখ। সিন্ধ কমিশন অন দ্য স্টেটাস অফ উইমেনের সদস্যও তিনি। প্রতিবাদীদের সাফ কথা, রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়া যায় না। তারা যেভাবে প্রতিবাদীদের গ্রেফতার করছে, তাও মেনে নেওয়া যায় না। যেভাবে বালোচ নারী ও শিশুদের মারধর করা হচ্ছে, তাও সহ্য করা যায় না। তাঁরা জানান (Pakistan), নিখোঁজ ব্যক্তিদের ইস্যুটি জেনুইন।

    আরও পড়ুন: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে আর্টস কাউন্সিল গোলচত্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তাকে। ওই এলাকায় তাঁরা জড়ো হয়েছিলেন গোয়াদরে নির্যাতন ও আটকের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। সেই সময়ই কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করে পাক প্রশাসন। বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির অভিযোগ, মহিলা-সহ প্রায় ৫০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কেপিসি এলাকায় মিছিল করার চেষ্টা করতেই আটক করা হয় তাঁদের। যদিও পাক পুলিশের দাবি, সংগঠকরা রেড জোনে বেআইনি সমাবেশ করার নিষেধাজ্ঞা ভেঙেছেন। ১৪ জন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মহিলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সঙ্গেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের দাবি যে সত্য নয়, তা স্পষ্ট করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রিয়াজ আহমেদের কথায়। তিনি বলেন, “গতকাল রাতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন ১৫০ বালোচ আন্দোলনকারী (Karachi Activists)। এঁদের মধ্যে ছাত্রছাত্রীরাও ছিলেন। কোনও কারণ ছাড়াই পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে। কোনও কারণ ছাড়াই করা হয় গ্রেফতার (Pakistan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Baloch Liberation Army: ৭৮ পাকিস্তানি সেনাকে খতম করল বালোচ লিবারেশন আর্মি

    Baloch Liberation Army: ৭৮ পাকিস্তানি সেনাকে খতম করল বালোচ লিবারেশন আর্মি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৮ পাকিস্তানি সেনাকে খতম করল বালোচ লিবারেশন আর্মি (Baloch Liberation Army)। দু’ দিনের দারা-ই-বোলান অপারেশন চালায় বালোচ লিবারেশন আর্মি। অপারেশনে অংশ নিয়েছিলেন বালোচ ফ্রিডম ফাইটার্স। এঁদের মধ্যে ১২ জন ফিঁদায়েও ছিলেন।

    অপারেশন দারা-ই-বোলান

    বালোচ লিবারেশন আর্মির তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “৩৮৫ বালোচ ফ্রিডম ফাইটার্স, যার মধ্যে ১২ ফিঁদায়েও রয়েছেন, অংশ নিয়েছিলেন অপারেশন দারা-ই-বোলানে। খতম করা হয়েছে ৭৮ জন শত্রুকে। শত্রুপক্ষের (পড়ুন, পাকিস্তান) বিরুদ্ধে লড়াই করতে চায় যেসব দেশ, আমরা তাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে রাজি।” দু’ দিন ব্যাপী অপারেশন দারা-ই-বোলান শুরু হয়েছিল ২৯ জানুয়ারি। অপারেশনে যে ৩৮৫ জন অংশ নিয়েছিলেন, তাঁরা বালোচ লিবারেশন আর্মির বিভিন্ন শাখার সদস্য। মাজিদ ব্রিগেডের ১২ জন ফিঁদায়েও অংশ নিয়েছিলেন। ফতে স্কোয়াড, স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল অপারেশনস স্কোয়াড এবং গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরাও অংশ নিয়েছিলেন এই অপারেশনে (Baloch Liberation Army)।

    খতম ৭৮

    ৩১ জানুয়ারি সন্ধে সাতটায় যে অপারেশন হয়েছিল, সেদিন সমস্ত লক্ষ্যে আঘাত হানা করা হয়েছিল বলে দাবি বালোচ লিবারেশন আর্মির। ৭০ কিমি ব্যাসার্ধ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বালোচ লিবারেশন আর্মি। এর মধ্যে রয়েছে মাচ শহর এবং এনএইচ ৬৫, কৌশলগতভাবে যার গুরুত্ব কম নয়। জানা গিয়েছে, অপারেশন শুরুর প্রথম তিন ঘণ্টায়ই খতম করা হয়েছে ৭৮ জন শত্রুকে। পরে হামলা চালানো হয় ১০ ফ্রন্টিয়ার কর্পসের ওপর। পিয়ার ঘাইব, বোলন এলাকায়ও হামলা চালানো হয়। জানুয়ারির ৩০ তারিখে বালোচ লিবারেশন আর্মি এফসি হেডকোয়ার্টারে হামলা চালায়। এই হামলায় খতম করা হয় ১২ পাকিস্তানি সেনাকে। পাঁচজন এসএসজি কমান্ডার ও দুই পুলিশ কর্মীও খতম হয়েছে। এদের মধ্যে একজন স্টেশন হাউস অফিসারও রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, দলীয় বৈঠকে জয়ের মন্ত্রদীক্ষা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    বালোচ লিবারেশন আর্মির এই অপারেশনে আত্মবলিদান দিয়েছেন ১২ জন ফিঁদায়েও। প্রাণ হারিয়েছেন ফতে স্কোয়াডের এক সদস্যও। বালোচ লিবারেশন আর্মির তরফে জারি করা বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, “দেশমাতৃকার জন্য আত্মবলিদান দেবেন বলে যুদ্ধে নেমেছিলেন সব ফিঁদায়েরা। তাঁরা সফলভাবে এফসি হেডকোয়ার্টারে ঢুকে পড়েছিলেন। দু’ দিন ধরে বোলানের বিস্তীর্ণ এলাকার দখল নেওয়ার পরে শত্রুরা আমাদের একজন যোদ্ধাকে হত্যা করতে সক্ষম হয়। এ থেকেই প্রমাণ হয় বালোচ লিবারেশন আর্মির (Baloch Liberation Army) দক্ষতা ও শক্তি কত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sindh: পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে ‘কালো দিন’ পালন সিন্ধ-বালোচ ফোরামের

    Sindh: পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে ‘কালো দিন’ পালন সিন্ধ-বালোচ ফোরামের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ অগাস্ট কালো দিন পালন করলেন বালোচ ও সিন্ধের (Sindh) দাবিতে আন্দোলনকারীরা। এঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীরাও। পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ অগাস্ট। এদিনই ইংল্যান্ডবাসী দেখলেন এই প্রতিবাদ আন্দোলন। সিন্ধ বালোচ ফোরামের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে। সেদিন তারা বালোচ ও সিন্ধ প্রদেশকে জোর করে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করে। তারই প্রতিবাদে এদিন মিছিল হয়েছে।

    প্রতিবাদ মিছিল

    প্রতিবাদ মিছিলে (Sindh) শামিল হওয়া বাসিন্দারা এদিন ট্রাফালগার স্কোয়ার থেকে হেঁটে যান ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট পর্যন্ত। এই ডাউনিং স্ট্রিটেই থাকেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এদিন সিন্ধ বালোচ ফোরামের তরফে প্রতিবাদীরা প্রধানমন্ত্রীকে একটি স্মারকলিপি দেন। তাতে বলা হয়েছে, হাজার হাজার বালোচ এবং সিন্ধবাসীর জীবন রক্ষা করুন ব্রিটেনের রাজা। প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেওয়ার পর প্রতিবাদীরা যান পার্লামেন্ট স্কোয়ারের দিকে। এখানে পাক সরকারের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী ভাষণ দেন বালোচ ন্যাশনাল মুভমেন্টের নেতারা। বক্তৃতা দেন ওয়ার্ল্ড সিন্ধ কংগ্রেস এবং বালোচ হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের নেতারা। ছিলেন বিভিন্ন মানবাধিকার কমিশনের কর্তারাও।

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    বালুচিস্তান এবং সিন্ধ প্রদেশে পাকিস্তান যে নিত্য মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে, এদিন সেই অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। পাকিস্তানের (Sindh) নিরাপত্তা বাহিনী দিয়ে দমন করা হচ্ছে তাঁদের প্রতিবাদী আন্দোলন। বালোচ এবং সিন্ধ প্রদেশে যে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং মানবাধিকার কর্মীদের খুন করা হচ্ছে, সে ব্যাপারেও সোচ্চার হন তাঁরা। পাক সরকার বালোচ ও সিন্ধ ভাষাকে দমন করার চেষ্টা করছে। বদলে দিতে চাইছে বালোচ ও সিন্ধ প্রদেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

    আরও পড়ুুন: দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

    পাকিস্তানের ধর্মও চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সিন্ধ প্রদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জোর করে বিয়ে এবং ধর্মান্তকরণের জন্যও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আন্দোলনকারীরা। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানে সিন্ধ এবং বালোচ রয়েছেন ১৯ মিলিয়ন। অথচ সিন্ধের প্রধান ভাষা বালোচ নয়। জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে ধর্মও। পাকিস্তানের এহেন আচরণেই ক্ষিপ্ত বালোচ ও সিন্ধ প্রদেশের বাসিন্দারা। পাকিস্তানের কবলমুক্ত হতে চান তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share