Tag: Balurghat

Balurghat

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তর বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না প্রশাসন, ক্ষুব্ধ বিজেপি

    Sukanta Majumdar: সুকান্তর বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না প্রশাসন, ক্ষুব্ধ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না পুলিশ। আগামীকাল স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে সাংসদের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই বাইক মিছিলের অনুমতি দেওয়া হল না। ফলে, বিজেপি কর্মীরা ক্ষুব্ধ।

    বাইক মিছিলের অনুমতি দিল না প্রশাসন (Sukanta Majumdar)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার যুব দিবসের দিন সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে গঙ্গারামপুর থেকে বালুরঘাট বিজেপির বাইক মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই কর্মসূচি কার্যকর করতে অনুমতি চেয়ে বিজেপির তরফে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলেও তার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। লোকসভা ভোট ঘোষণা না হলেও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সাংসদ নিবিড় জনসংযোগের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এমনিতেই এই লোকসভায় বিজেপির শক্ত মাটি। তৃণমূলের কাছে এই আসন যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। তাই, তাঁর জনসংযোগমূলক কর্মসূচি পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে বানচাল করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, মিছিলের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    বাইক মিছিল করা হবে, হুঁশিয়ারি বিজেপি নেতৃত্বের

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, আগামীকাল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুর থেকে বালুরঘাট পর্যন্ত বাইক নিয়ে মিছিল করা হবে। নেতৃত্বে থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। কিন্তু, এই জেলার পুলিশ ও তৃণমূল আমাদের এই বাইক মিছিল নিয়ে নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে। তৃণমূল জানে যে তারা আগামীদিনে রাজ্যে থাকবে না। পুলিশ দিয়ে আমাদের মিছিল বন্ধ করার চেষ্টা করছে। আমরা আগামীকাল এই বাইক মিছিল করব।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, আগামীকাল স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন মানুষের কাছে আবেগ। প্রশাসন যদি মনে করে এমন কোনও কাজ করলে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হবে, প্রশাসনের অসুবিধা হবে বলেই অনুমতি দেয়নি। আমরা তাতে কোনও হস্তক্ষেপ করিনি।  আর বিজেপি তো কথায় কথায় হাইকোর্ট যায়, তারা হাইকোর্টে যেতেও পারে। হাইকোর্ট কী নির্দেশ দিচ্ছে তা মানুষ দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: দ্বিতীয়বার সংসদ রত্ন সম্মান পাচ্ছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: দ্বিতীয়বার সংসদ রত্ন সম্মান পাচ্ছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক প্রচারে রাজ্য সভাপতি হিসেবে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় তিনি দিয়েছেন। এবার জনপ্রতিনিধি হিসেবেও তাঁর মুকুটে  জুড়তে চলেছে নয়া পালক। লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে সংসদ রত্ন সম্মান পাচ্ছেন বালুরঘাট লোকসভা আসন থেকে প্রতিনিধিত্ব করা বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    সংসদ রত্ন সম্মান কেন দেওয়া হয়?

    গত বছর বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) প্রথমবার সংসদ রত্ন সম্মান পেয়েছিলেন। এবারে লোকসভা সময়কালের শেষ লগ্নে জনপ্রতিনিধি হিসেবে যে পাঁচজন এই সন্মান পাচ্ছেন, সেই তালিকায় দ্বিতীয়বার ঠাঁই হয়েছে বাংলার এই বিজেপি সাংসদের। জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন ড: এপিজে আব্দুল কালামের পরামর্শেই সংসদ রত্ন সম্মান প্রদান করা শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমানে এই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। মূলত সংসদ ভবনে সাংসদদের পারফরম্যান্স, প্রশ্নোত্তর পর্বে করা প্রশ্নের ভিত্তিতে প্রাইম পয়েন্ট ফাউন্ডেশন নামের একটি সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতেই সাংসদদের পারফরম্যান্সের বিচার করা হয় এবং এই সম্মান প্রদান করা হয়। লোকসভার আগে যা এক বড় জয় বাংলার এই গেরুয়া নেতার। লোকসভা অধিবেশনে সুকান্ত মজুমদারকে একাধিকবার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে দেখা গিয়েছে। তিনি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি, হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষাতেও বক্তব্য রেখেছেন সংসদে। পাশাপাশি তিনি সাংসদ হিসেবে জেলা, উত্তরবঙ্গ ও বাংলার কথা তুলে ধরেছেন নিপুনভাবে।

     দ্বিতীয়বার সংসদ রত্ন সম্মান পাচ্ছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    উত্তরবঙ্গের সাংসদরা সংসদে গিয়ে কথা বলেন না, এই অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। তবে, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বালুরঘাট থেকে সাংসদ নির্বাচিত হওয়া আরএসপির প্রশান্ত মজুমদার সেই অভিযোগ কিছুটা খন্ডন করেছিলেন। লোকসভার তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মজুমদার সংসদে ৪৬৮ টি প্রশ্ন তুলেছেন। ১৩৮ বার বিতর্কে অংশ নিয়েছেন ও দুইবার বিলের উপর বক্তব্য রেখেছিলেন। সুকান্তবাবু বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁকেও ছাড়িয়ে গিয়েছেন। একেবারে নিজস্ব ভঙ্গিমায় লোকসভায় দ্যুতি ছড়িয়েছেন। সংসদে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তাঁর বাকপটু বক্তৃতায় হাউসের মনোযোগ কেড়েছেন এবং অনেক তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তিনি সংসদে রেকর্ড-ব্রেকিং ৬৩৫ টি প্রশ্ন করেছেন। ৪৪ টি বিতর্কে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। সুকান্তবাবু সংসদে সাতটি বেসরকারি বিলও উত্থাপন করেছেন। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পরিকাঠামো, কৃষি এবং পরিবেশ সহ বিস্তৃত বিষয়গুলির উপর রয়েছে তাঁর প্রশ্ন। তাই লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে সংসদ রত্ন পুরস্কারের তালিকায় ফের সুকান্ত মজুমদার মনোনয়ন পাওয়ায় খুশি সকলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা নেট পরীক্ষার সেন্টার মালদায় করার দাবিতে সরব হয়েছেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) উদ্যোগ নিয়েছেন। এনিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে লিখিতভাবে জানাতে চলেছেন।

    দুবছর আগেও মালদার সেন্টারে হত নেট পরীক্ষা

    কলেজে অধ্যাপনা ও উচ্চশিক্ষার জন্য নেট পরীক্ষা আবশ্যক। বছরে দু’বার করে এই পরীক্ষা হয়। দু’বছর আগেও পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, মালদা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হত। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের জন্য মালদার একটি পরীক্ষার কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হত। তবে, ২০২২ সালের পর থেকে গৌড়বঙ্গে আর কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র রাখা হয়নি। শুধুমাত্র গৌড়বঙ্গ নয়, মুর্শিদাবাদেও কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র নেই। বর্তমানে কলকাতা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। গৌড়বঙ্গে তিন জেলা মিলিয়ে প্রায় ১৫-২০ হাজার পরীক্ষার্থী নেট পরীক্ষায় বসেন। মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র হলে দুই দিনাজপুর ও মালদার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হত। গত দুবছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে, গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয় কলকাতা অথবা শিলিগুড়িতে যেতে হচ্ছে। পরীক্ষার দু-তিন দিন আগে পরীক্ষা কেন্দ্র জানানো হয়। যার ফলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে সমস্যায় পড়তে হয়। পরীক্ষা দিতে গিয়ে থাকা খাওয়া ও যাওয়াটা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। তাই, পড়ুয়ারা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হয়েছেন।

    পরীক্ষার্থীদের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাটের নেট পরীক্ষার্থী প্রদ্যুৎ মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট থেকে কলকাতা বা শিলিগুড়িতে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়াটা অনেকটাই ব্যয়বহুল। আগের মতো মালদাতে যদি একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, তাহলে পরে আমাদের জেলার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে নেট পরীক্ষার্থী অসীম বর্মন বলেন, বছরে দুবার করে নেট পরীক্ষা হয়। একটা সময় মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল। এখন আর মালদায় পরীক্ষা হয় না। গৌড়বঙ্গে যদি পরীক্ষার কেন্দ্র হয়, তাহলে আমাদের মতো সকলের সুবিধা হবে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গৌড়বঙ্গের তিন জেলার যে কোনও একটিতে যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র করা হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে চিঠি দেব। প্রয়োজনে এনিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: নাম না করে অভিষেককে ‘দুর্নীতির মাস্টারমশাই’ বলে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: নাম না করে অভিষেককে ‘দুর্নীতির মাস্টারমশাই’ বলে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যা শহর আগামীদিনে গোটা বিশ্বের এক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে চলেছে। শনিবার বালুরঘাটে সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, ঢেলে সাজানো হচ্ছে অযোধ্যা শহরকে। আগামী কয়েকবছরের মধ্যে অযোধ্যায় ফাইভ স্টার হোটেলে পরিণত হবে।

    আবাস যোজনার বাড়ি পেলেন তৃণমূল নেতা, তোপ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    টাকি পুরসভা তরফ থেকে সরকারি সম্পত্তি নামমাত্র টাকায় লিজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনা নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, এখন পশ্চিমবঙ্গে নিলাম চলছে, সেল চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্যকে বিক্রি করা হচ্ছে। যে যেভাবে পারছে লুটে নিচ্ছে। টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান মমতা ব্যানার্জির কথা মতো তাই করছে। সব জায়গায় তো চেয়ারম্যানরা তো চোর হচ্ছে। আবাস যোজনা ঘর পেয়েছেন রাজারহাট নিউটাউন শহর তৃণমূল সভাপতি। যা নিয়ে জোর আলোড়ন শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আবাসের ঘর পাওয়া তৃণমূল নেতাকে পুরস্কৃত করা উচিত। মুখ্যমন্ত্রী তো অনেক পুরস্কার চালু করেছেন। তাঁকে চোরশ্রী একটা পুরস্কার দেওয়া উচিত। বাংলার মানুষ দেখুক যে তৃণমূলের নেতারা কতটা ভিখারি, কতটা গরিব। তাঁরা পাকা বাড়িতে থেকেও প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনার ঘর পাচ্ছে।

    নাম না করে অভিষেককে আক্রমণ করলেন সুকান্ত?

    ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম নিজের নিরাপত্তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আরাবুলের দাপটে এলাকার মানুষ কাঁপে। সে কি না নিজে ভয় পাচ্ছে। তবে, ভয় পাচ্ছেন মানে সময় খারাপ আসছে। ডায়মন্ড হারবারে স্বাস্থ্য দফতরে ভুয়ো নিয়োগপত্র দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা বিষয়ে সুকান্ত বলেন, এটা নতুন কিছু না। সেখানে তো দুর্নীতির মাস্টারমশায় (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) বসে আছে, তিনি সব শেখাচ্ছেন। এখন সব হাতে খড়ি হচ্ছে। এখন ভুয়ো নিয়োগপত্র দিচ্ছে। এরপর হয়তো গরু পাচারের ট্রেনিং হবে, কয়লা পাচারের ট্রেনিং হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপি করার মাশুল? ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ বৃদ্ধ নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতেও ব্যর্থ!

    Balurghat: বিজেপি করার মাশুল? ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ বৃদ্ধ নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতেও ব্যর্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায় কলমে মারা গিয়েছেন। কিন্তু, তাঁরা দিব্যি চলে ফিরে বেড়াচ্ছেন। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্তীগ্রামে। এই এলাকার শম্ভুচন্দ্র দাস, মলিনা সরকাররা প্রশাসনের খাতায় মৃত। নিজেদের জীবিত করতে প্রশাসনের এই দরজা থেকে ওই দরজায় তাঁরা ঘুরছেন। তাঁদের আর্জি, ভোটার তালিকায় যেন আবার তাঁদের নাম তোলা হয়। কারণ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় তাঁদের বন্ধ হয়ে গিয়েছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।

    বিজেপি করার জন্য ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ! (Balurghat)

    বৃদ্ধ শম্ভু চন্দ্র দাস পেশায় কৃষক। তাঁর বাড়ি বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্তীগ্রামে। বছর দেড়েক আগে তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ভোটার তালিকা দেখে তিনি হতবাক হয়ে গিয়েছেন। কারণ, তাঁর মৃত স্ত্রীর নাম ভোটার তালিকায় জ্বল জ্বল করলেও তাঁর নাম বাদ গিয়েছে। খাতায় কলমে তিনি মৃত। কেন, কীভাবে বাদ হয়ে গেলেন তা বোঝার আগেই চলে আসে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওই নির্বাচনে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এরপর থেকে তিনি নিজের নাম ভোটার তালিকায় তুলতে ও স্ত্রীর নাম বাদ দিতে প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু, এখনও তিনি ভোটার তালিকায় তুলতে পারেননি। তিনি বলেন, বিজেপিকে সমর্থন করি বলে হয়তো আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। মলিনা সরকার নামে আর এক মহিলা বলেন, আমাকে মৃত বলে আমার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর কারণ আমি কিছুটা বুঝতে পারছি। আমি বিজেপি করি বলে, শাসকদলের মদতেই আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই গণতন্ত্রের দেশে এভাবে ভূত হয়ে বেঁচে থাকতে হবে এ কেমন কথা? গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমি ভোট দিতে পারিনি। আগামী লোকসভা নির্বাচনেও পারব কি না জানিনা।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপির স্থানীয়  মণ্ডল সভাপতি প্রবীর মণ্ডল বলেন, গ্রামে গ্রামে এমন মানুষের সংখ্যা প্রচুর। শুধুমাত্র বিজেপি করার অপরাধে নানা কায়দাতে এভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এসব অন্যায় চলতে পারে না।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপ সরকার বলেন, বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে। যদি ওই বাসিন্দাদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়ে থাকে, তবে নিয়ম মেনে আবেদন করলেই নাম উঠে যাবে। নাম না উঠলে আমরা সাহায্য করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপির রাস্তা হাইজ্যাক করল তৃণমূল! তারপর কী হল জানেন?

    Balurghat: বিজেপির রাস্তা হাইজ্যাক করল তৃণমূল! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্প হাইজ্যাক করার নজির তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক রয়েছে। এবার পুরসভা এলাকার সামান্য রাস্তাও হাইজ্যাক করার চেষ্টা করল তৃণমূল। যদিও বিরোধীদের বাধায় সেই পরিকল্পনা মাঝ পথেই ভেস্তে যায়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    বিজেপির বিধায়ক অশোক লাহিড়ীর বিধায়ক তহবিলের টাকায় রাস্তা তৈরি করছে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা। সেই রাস্তার কাজের সূচনাও করেছেন চেয়ারম্যান। কিন্তু, সেই রাস্তার কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিধায়ককেই আমন্ত্রণ করা হয়নি বলে অভিযোগ বিজেপির। এনিয়ে বালুরঘাট শহরে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক। পুরসভার সূচনার পরে সেই একই রাস্তার উদ্বোধন করল বালুরঘাট টাউন বিজেপি নেতৃত্ব। আমন্ত্রণ না পেয়ে বিধায়কের নির্দেশে ফের মঙ্গলবার ওই রাস্তার কাজের সূচনা হয়। বিধায়কের নির্দেশে মঙ্গলবার ওই একই রাস্তার কাজের সূচনা করলেন বালুরঘাট টাউন বিজেপি সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত। এদিন ফিতে কেটে ও নারকেল ফাটিয়ে কাজের সূচনা করেন বিজেপি নেতা। বালুরঘাট শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদিমপুর স্কুলপাড়া এলাকার রাস্তার ঘটনা।

    ফের বিজেপির উদ্যোগে রাস্তার শিলান্যাস করা হল

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদিমপুর স্কুলপাড়া এলাকায় প্রায় ১০০ মিটার এই ঢালাই রাস্তাটির জন্য বিধায়ক তহবিল থেকে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। দিন পনেরো আগে এই রাস্তার সূচনা করে পুরসভা। ইট পাতা থেকে পাশের নর্দমার কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে বিধায়ক তহবিলে এই কাজ হলেও বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি শিলান্যাসের সময়। এই বিষয়ে বিজেপির টাউন সভাপতি সমীর দত্ত বলেন, বিধায়ক তহবিল থেকে এই রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। কাজের অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে বিধায়ককে ডাকা হয়নি। তাই আমরা এদিন ফের রাস্তাটির শিলান্যাস করে ফের নতুন করে কাজ শুরু করি।

    তৃণমূলের বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই বিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, পুরসভার পক্ষ থেকে বিধায়ককে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। তিনি আসেননি কেন তা জানি না। এখন ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    বিজেপি বিধায়কের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) বিধানসভার বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী বলেন, এই রাস্তার উদ্বোধনে আমাকে আমন্ত্রণ করা হয়নি, তার জন্য আমি খুব খুশি। তবে, রাস্তাটা যাতে ভালোভাবে হয় সেটা পুরসভা দেখলেই হল। পুরসভার চেয়ারম্যান আবার এই রাস্তাটির ব্যান্ড বাজিয়ে ধূমধাম করে উদ্বোধন করলে আমি আরও খুশি হব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: কাটমানির খেলা? রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর, বেরিয়ে আসছে পাথর!

    Balurghat: কাটমানির খেলা? রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর, বেরিয়ে আসছে পাথর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ত দফতর রাস্তা তৈরিতে ব্যবহার করছে নিম্নমানের সামগ্রী। রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর। ফাটল ধরছে রাস্তার মাঝে। শুক্রবার সকালে এমন ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়াল বালুরঘাটের কুড়মাইলে (Balurghat)। খারাপ রাস্তার বিষয়টি জানতে পেরে এদিন পূর্ত দফতরে (রাস্তা) লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি। সরকারি নিয়ম মেনেই রাস্তার কাজের দাবির পাশাপাশি পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে তারা। এদিকে সরকারি নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে এবং কোনও অভিযোগ নেই বলেই পূর্ত দফতরের দাবি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ (Balurghat)

    বালুরঘাট ব্লকের কামারপাড়া থেকে চিঙ্গিশপুর পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল৷ রাস্তা খানাখন্দে ভরে গিয়েছিল। অবশেষে বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। মাস দুয়েক আগে কামারপাড়া থেকে চিঙ্গিশপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে দশ কিলোমিটার রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ দেওয়ার কাজ শুরু হয়৷ এর জন্য বরাদ্দ করা হয় প্রায় ৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। রাস্তার কাজ প্রায় শেষের দিকে। কামারপাড়া ও চিঙ্গিশপুর, দুই দিক থেকেই রাস্তার কাজ চলছিল। গতকাল কুড়মাইল এলাকায় রাস্তার কাজ হয়। অভিযোগ, রাস্তায় পিচের প্রলেপ দেওয়ার পরই তা উঠে যেতে থাকে। কিছু কিছু জায়গায় রাস্তা তৈরির পর তা ফেটে যায়। হাত দিলেই উঠে যাচ্ছে পাথর৷ নিম্নমানের রাস্তা তৈরির বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা (Balurghat) এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ জানাতে থাকেন।

    কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি

    ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “গতকাল আমাদের এলাকায় (Balurghat) রাস্তা হয়েছে। কিন্তু সেই রাস্তায় আজ থেকেই পাথর উঠে যাচ্ছে। হাত কিংবা পা দিলেই উঠে যাচ্ছে পাথর। আমরা মনে করছি, এই রাস্তার কাজ অতি নিম্নমানের করা হয়েছে। আগের রাস্তা পাঁচ বছর টিকেছে। কিন্তু এবারের রাস্তা পাঁচ মাসও টিকবে না। আজ আমরা এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে জানিয়েছি। এভাবে রাস্তা যাতে না করা হয়, সে কথাই তাকে জানানো হয়েছে।” আর এক বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করে, বড় যানবাহনও যায়। কিন্তু যেভাবে রাস্তা হচ্ছে, তা অতি নিম্নমানের। পিচ কম দেওয়া হচ্ছে, যে খোয়াগুলি উঠে যাচ্ছে। সেখানে আবার নতুন করে পিচ স্প্রে করে দেওয়া হচ্ছে। এটা কখনও কাজের পদ্ধতি হতে পারে না। এটা প্রশাসনের দেখা উচিত। তা না হলে আমরা কাজ আটকে দেব।”

    গলদ দেখছে না পূর্ত দফতর (Balurghat)

    পূর্ত দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিয়ার (রাস্তা) দেবব্রত সরকার বলেন, “আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না। সরকারি নির্দিষ্ট তালিকা মেনেই কাজ হচ্ছে। যদি কোথাও কোন সমস্যা হয়, তা খতিয়ে দেখা হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Central Team: আবাস যোজনায় দুর্নীতি! উপভোক্তাদের বাড়িতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

    Central Team: আবাস যোজনায় দুর্নীতি! উপভোক্তাদের বাড়িতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি আবাস যোজনার ঘর পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতি হয়েছে কি না সেই সব খতিয়ে দেখতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল (Central Team)। বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু এলাকা পরিদর্শন করেন তারা। মূলত কারা কারা ঘর পেয়েছে। তারা আসল ঘর প্রাপক কি না। ঘরের টাকা দিয়ে ঠিক মতো বাড়ি করা হয়েছে কিনা সেইসব সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। আগামী কয়েকদিন জেলায় থাকার কথা রয়েছে প্রতিনিধি দলের।

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নিয়ে কী বললেন উপভোক্তারা? (Central Team)

    বারবারই বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছিল একশো দিনের কাজের মত সরকারি আবাস যোজনার ক্ষেত্রেও ব্যাপক দুর্নীতি করা হয়েছে। এমন অভিযোগেই কেন্দ্রের তরফে একশো দিনের কাজের ও সরকারি আবাস যোজনার টাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েক মাস আগে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল একশো দিনের কাজ খতিয়ে দেখতে জেলায় এসেছিলেন। এবার সরকারি আবাস যোজনার ঘরের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে জেলায় এলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। মোট দুজনের প্রতিনিধি দল আগামীকালও জেলার বিভিন্ন এলাকা খতিয়ে দেখবেন বলেই জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর। যদিও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল এনিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি। তবে সূত্রের খবর, অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতে সরকারি আবাস যোজনার ঘরের ক্ষেত্রে তেমন কোনও অভিযোগ পাননি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল (Central Team)। বৃহস্পতিবার বিকেলে বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু এলাকা পরিদর্শন করেন তারা। পাশাপাশি বংশীহারী ব্লকের মহাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এবিষয়ে অমৃতখন্ডের বাসিন্দা শিবনাথ হেমব্রম বলেন, আমাদের সরকারি বাড়ি দেখতে উপর থেকে লোক এসেছিল। আমাদের ছবি তুলল। নাম ও সরকারি বাড়ি নিয়ে অনেক কিছুই জিজ্ঞেস করল।

    পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    এবিষয়ে অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দেবদূত বর্মন বলেন,  আমার পঞ্চায়েত এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় সরকারি আবাস যোজনা ঘর ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল (Central Team)। কোথাও কোন অভিযোগ পাননি। সঠিক ভাবেই সব জায়গায় কাজ হয়েছে। কেন্দ্র উদ্দেশ্যে প্রনোদিত ভাবেই বাংলার আবাস যোজনার ঘরের টাকা আটকে রেখেছে। এইভাবে বাংলার উন্নয়নকে দমিয়ে রাখা যাবে না।

    বিডিও-র কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাট ব্লকের বিডিও সম্বল ঝাঁ বলেন, বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের কিছু এলাকা পরিদর্শন করেন ওই প্রতিনিধি দল। যারা ঘর পেয়েছে সেই সব বাড়িতে যান তারা। কথা বলেন ঘর প্রাপকদের সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে অনির্দিষ্টকাল ব্যবসা বন‍্ধের ডাক, প্রশাসনের অপদার্থতায় ক্ষোভ

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে অনির্দিষ্টকাল ব্যবসা বন‍্ধের ডাক, প্রশাসনের অপদার্থতায় ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর আগেই বন‍্ধের ডাক দিলেও সকলের অনুরোধে পিছিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু পুজোর মরশুম পার হতেই আন্দোলনে নামলেন বালুরঘাট তহবাজারের ব্যবসায়ীরা (Dakshin Dinajpur)। আগামিকাল ৬ ডিসেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকাল ব্যবসা বন‍্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে। বালুরঘাটের তহবাজারের পুরো ব্যবসার পাশাপাশি বালুরঘাট শহর ও আশপাশ এলাকার সবজি ব্যবসাও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার শহর জুড়ে মাইকে এই বন‍্ধের কথা প্রচার করা হয়।

    কেন বিদ্রোহ ঘোষণা ব্যবসায়ীদের? (Dakshin Dinajpur)

    মূলত সবজির খুচরো ব্যাবসায়ীদের সঙ্গে কৃষকদের নজিরবিহীন লড়াইয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ না থাকার অভিযোগেই এই বিদ্রোহ ঘোষণা বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। যা আগামী দিনে বালুরঘাটবাসীকে নাজেহাল করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তাঁদের অভিযোগ, করোনা কালে তহবাজার থেকে আলাদা হয়েছিল কৃষক বাজার। প্রশাসনিক কর্তাদের উপস্থিতিতেই গত সেপ্টেম্বরে হওয়া বৈঠকে খুচরো ব্যবসায়ীরা লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ওই কৃষকদের মূল বাজারে ফিরে আসার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই সময়সীমা ইতিমধ্যেই পার হয়ে যাওয়ার পরেও, কৃষকরা তহবাজারে না ফিরে আসায় বালুরঘাট ব্যবসায়ী সমিতির (Dakshin Dinajpur) পক্ষে আগামিকাল ৬ ডিসেমবর থেকে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। আবার মূল বাজারে ফিরতে যদি প্রশাসন জোর করে, তবে তাঁরাও ধর্মঘটের পথে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষক সংগঠনের নেতারা। এমতাবস্থায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কীভাবে মেলবন্ধন করে বালুরঘাটকে স্বাভাবিক রাখা যাবে, তার সমাধানসূত্র বের করতে নাজেহাল প্রশাসনিক কর্তারা।

    কী করে তৈরি হল সমস্যা?

    বালুরঘাট শহরের তহবাজার এলাকায় কাঁচামাল অর্থাৎ সবজি এবং মাছের ব্যবসার জন্য পৃথক জায়গা করা রয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে ওই এলাকাতেই কাঁচামালের ব্যবসা করে আসছেন ব্যবসায়ীরা। জেলা ও জেলার বাইরের কৃষকরা এই বাজারে এসেই পাইকারদের কাছে তাঁদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে যেতেন। ওই বাজার থেকেই পাইকারদের কাছ থেকে সবজি সহ অন্যান্য ফসলগুলি খুচরো ব্যবসায়ীরা কিনে গ্রাম বা শহরের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যেতেন। কিন্তু ছন্দ কাটে করোনা কালে। ওই সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে খুচরা ব্যবসায়ীদের ওই ঘিঞ্জি বাজার থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় হাই স্কুল মাঠে। আর কৃষক বা পাইকারদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় আন্দোলন সেতুর পাশে রাস্তাতে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতেই খুচরো সহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা ফের তহবাজারে ফিরে যান। কিন্তু কৃষক বা পাইকাররা আর ওই রাস্তা থেকে উঠে ফেরত যাননি তহবাজারে (Dakshin Dinajpur)। বরং দিন দিন ওই সকালবেলার প্রায় দু’ঘণ্টার এই রাস্তার অস্থায়ী বাজারে কৃষক বা পাইকারদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অভিযোগ, ধীরে ধীরে বালুরঘাটবাসীও তহবাজারের ওই ঘিঞ্জি পরিবেশে বাজার করতে না গিয়ে ফাঁকা রাস্তা থেকেই ওই বাজার করতে শুরু করে দেন। এতে যেমন তহবাজার ব্যবসায়ীরা মার খেতে শুরু করেন, তেমনি তাঁদেরও দোকান ছেড়ে এসে এই এলাকা থেকে সামগ্রী কিনতে আসতে হচ্ছে। তাই অবিলম্বে ওই কৃষক ও পাইকারদের তহবাজারে ফিরিয়ে আনার দাবিতে সরব হতে থাকেন ব্যবসায়ীরা। প্রশাসনের সহযোগিতায় একাধিকবার বৈঠক করেও এই সমস্যা মেটানো যায়নি। ফলে এবার একে অপরের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহর পথে দুই পক্ষই। প্রশাসনকে বাদ দিয়েই এবার দুপক্ষই দফায় দফায় বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে।

    কে কী বলছেন?

    বালুরঘাট ব্যবসায়ী সমিতির (Dakshin Dinajpur) সম্পাদক হরেরাম সাহা বলেন, প্রশাসনও বেশ কয়েকবার বৈঠক করে ওই কৃষকদের তহবাজারে ফিরে আসার জন্য বলেছে। আমাদেরও আন্দোলনে না নামতে সময় চেয়ে নিয়েছে। কিন্তু বারবার সময় পেরিয়ে গেলেও ওই আন্দোলন সেতুর বাজার তহবাজারে ফিরে আসেনি। তাই এবার আমরা চরম পথে যেতে বাধ্য হচ্ছি। তহবাজার ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা গোপাল সাহা বলেন, কৃষকরা আমাদের বাজারে না থাকায় ব্যবসা অনেক কমে গিয়েছে। ওরা রাস্তা দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, অথচ প্রশাসন বারবার শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছে। তাই আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। আগামী ৬ তারিখ থেকে বালুরঘাট শহর ও আশপাশ এলাকার সমস্ত সবজি বাজার বন্ধ। তহবাজারের সমস্ত রকম ব্যবসা বন্ধ। কৃষক সংগঠনের নেতা সঞ্জয়কুমার মণ্ডল বলেন, আমরা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উৎপাদিত ফসল নিয়ে বালুরঘাটে আসি। আগে তহবাজারে আমাদের বসার জন্য ছাউনি, ওজন যন্ত্র ইত্যাদি দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কিন্তু করোনাকালে আমাদের রাস্তাতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তখন আমরা কয়েকজন মাত্র কৃষক ছিলাম, এখন সেই সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বেড়ে গিয়েছে। ফলে এই সময় তহবাজারে ফিরে গেলে জায়গার অভাব হবে। তাই আমরা ওই বাজারে আর ফিরে যেতে চাইছি না। আমাদের এই রাস্তা থেকে সরিয়ে আশেপাশেই কোথাও জায়গা করে দিক প্রশাসন। জোড়াজুড়ি করলে বা আমাদের  অন্যান্যা দাবি পূরণ না হলে, আমরাও দুধ, ডিম, সবজি সহ নানা কাঁচামালের কৃষকরা ধর্মঘটের পথে যেতে বাধ্য হব।

    বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, আমরা দুপক্ষের সাথেই কথা চালিয়ে যাচ্ছি। সমাধানসূত্র আশা করি বের হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: প্রশিক্ষণ নিয়েও মেলেনি চাকরি! রাজ্যের প্রতি মোহভঙ্গ হয়ে সুকান্তর দ্বারস্থ বঞ্চিতরা

    Sukanta Majumdar: প্রশিক্ষণ নিয়েও মেলেনি চাকরি! রাজ্যের প্রতি মোহভঙ্গ হয়ে সুকান্তর দ্বারস্থ বঞ্চিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরেও নেই নিয়োগ। জেলা প্রশাসন থেকে রাজ্য সরকার, সবার দ্বারস্থ হয়েও হয়নি লাভ। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের কাজ সুনিশ্চিত করতে এবার  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সরব বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা। রাজ্য সরকারের প্রতি আর আস্থা নেই। তাই এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স ফাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। বালুরঘাটে সুকান্ত মজুমদারের বাড়িতে দেখা করেন সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্ব। পাশাপাশি সাংসদের হাতে তুলে দেন নিজেদের দাবিপত্র।

    কলকাতার রাজপথে অনশন আন্দোলনের হুমকি

    দীর্ঘদিন আগে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রত্যেক জেলায় যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় কয়েক হাজার জন প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরেও সকলে কাজ পাননি। নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ নেওয়া যুবকদের বক্তব্য, আমরা বেশিরভাগই বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ নিয়েছি। কিন্তু, আমাদেরকে কাজ দেওয়া হচ্ছে না। এনিয়ে একাধিকবার আন্দোলন করেছি। বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের দাবিদাওয়া জানিয়েছি। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। তাই সুকান্ত মজুমদারের দ্বারস্থ হয়েছি। এদিন সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে দেখা করেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস সহ অন্য সদস্যরা। এবিষয়ে সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ‘বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরও কাজ পাচ্ছি না। কাজের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। আবার যাঁরা কাজ পাচ্ছেন তাদের কিটস দেওয়া হচ্ছে না। প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরও দুবেলা অন্নের জোগান আমাদের হচ্ছে না। সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হয়ে আমরা আমাদের দাবিপত্র দিয়েছি। যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, সকলকে কাজ দিতে হবে। কাজ না হলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে। প্রয়োজনে আগামীদিনে কলকাতার রাজপথে অনশন আন্দোলন করব আমরা।’

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘যখন বিপর্যয় মোকাবিলা করার প্রয়োজন হয়, তখন দেখা যায় সেই জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে তাঁদের কোনও প্রশিক্ষণ নেই। অথচ সেইসময় বিপর্যয় মোকাবিলার যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁদের কাজ দেওয়া হয়নি। যাঁরা এনিয়ে আন্দোলন করেন, তাঁদেরকে বেশি করে কাজ দেওয়া হয় না। তাই তাঁরা আমার কাছে এসেছেন। তাঁদের দাবি জানিয়েছেন। এই প্রশিক্ষণে কেন্দ্র সরকার টাকা দিয়েছে। আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে আনব এবং আন্দোলনকারীদের পাশে রয়েছি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share