Tag: Balurghat

Balurghat

  • Balurghat: বালুরঘাটে ঠিকাদারের কাছে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামী

    Balurghat: বালুরঘাটে ঠিকাদারের কাছে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলেরই কর্মী। সেই সুবাদে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা থেকে ঠিকাদারির কাজ পেয়েছিলেন ওই কর্মী। আর সেই কাজ করতে গিয়েও ওই ঠিকাদারের কাছে থেকে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভায়। এর আগে এই পুরসভায় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে  কাটমানি নেওয়ার অভিযোগের তদন্তই শেষ হয়নি। সেই ঘটনার জের না মিটতেই বালুরঘাটে ফের  আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামীর বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল। কাটমানি চাওয়ার সেই অডিও ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে তৃণমূল।

    ভাইরাল হওয়া অডিওতে কী রয়েছে? (Balurghat)

    ভাইরাল হওয়া ওই  অডিওতে এক দলের কর্মী তথা ঠিকাদারের সঙ্গে ওই  মহিলা কাউন্সিলারের স্বামী সুদীপ নন্দী ও এক অনুগামীকে  কাটমানি নিয়ে দরকষাকষি চালাতে শোনা যাচ্ছে। বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার এক ঠিকাদার ওয়ার্ডে ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকার কাজ করেছেন। তার কাছ থেকে ২০ শতাংশ টাকা কাটমানি হিসেবে চাওয়া হচ্ছে। আর অত টাকা দিতে পারবেন না বলে কাকুতি মিনতি করছে ওই ঠিকাদার। দলীয় কর্মীকেও কাজের জন্য এভাবে টাকা দিতে হবে। তিনি পার্টি ফান্ডের জন্য ২ হাজার দিতে রাজি হয়। যদিও  ওই  ভাইরাল অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির বালুরঘাট (Balurghat) শহর মণ্ডলের প্রাক্তন সভাপতি সুমন বর্মন বলেন, কাউন্সিলারের স্বামী ও তাঁর অনুগামীদের এক ঠিকাদারের কাছে টাকা চাওয়ার অডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই ক্লিপেই পরিষ্কার, কাটমানি ছাড়া কোনও কাজ করে না তৃণমূল। ঠিকাদার অত টাকা দিতে পারবেন না বলে আকুতি মিনতি করছেন। আমরা এর তদন্ত চাই।

    অভিযোগ নিয়ে কী বললেন তৃণমূল কাউন্সিলার?

    কাটমানি নিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলার নিতা নন্দী বলেন, আমার ও আমার স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিজেপি যদি অভিযোগটা প্রমানণ করতে পারে তাহলে আমি আমার পদ থেকে ইস্তফা দেব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, যে অডিও ভাইরাল  করা হয়েছে,  তাতে কাউন্সিলর বা কাউন্সিলারের স্বামীর কোনও গলা সেখানে আমরা শুনতে পাইনি। অথচ তাদের নাম করে যারা মিথ্যা রটনা করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রস্তুত। কারণ, পুরসভাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূল জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, বিজেপির আইটি সেল এর কাজ মিথ্যে রটনা করা। এক্ষেত্রেও আমাদের মনে হচ্ছে মিথ্যে প্রচার করা হচ্ছে। কোনও ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা আমরা দলীয়ভাবে তদন্ত করে দেখব।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • The Rarest Disease: ইঞ্জেকশনের দাম সাড়ে ১৭ কোটি! দুধের শিশুকে বাঁচাতে অকূল পাথারে পরিবার

    The Rarest Disease: ইঞ্জেকশনের দাম সাড়ে ১৭ কোটি! দুধের শিশুকে বাঁচাতে অকূল পাথারে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরলতম রোগে (The Rarest Disease) আক্রান্ত নয় মাসের শিশু। চিকিৎসার খরচ নিয়ে কার্যত দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছে এক সেনাকর্মীর পরিবারের। এদিকে একমাত্র ছেলের জীবন বাঁচাতে মরিয়া বাবা ধ্রুব মণ্ডল দ্বারস্থ হয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের। করুণ আর্জি জানিয়েছেন অসহায় মা সঙ্গীতা মণ্ডলও। আর যা নিয়ে প্রায় একমাস ধরে চোখের জলেই দিন কাটছে গোটা পরিবারের। বালুরঘাট শহরের মঙ্গলপুর এলাকার এমন ঘটনায় রীতিমতো আলোড়ন পড়েছে গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। দেশের প্রধানমন্ত্রীই এখন শেষ ভরসা, বলছে অসহায় সেনাকর্মীর পরিবার।

    কীভাবে জানা গেল রোগের কথা?

    বালুরঘাট শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মঙ্গলপুর এলাকার বাসিন্দা পেশায় সেনাকর্মী ধ্রুব মণ্ডলের একমাত্র ছেলে সপ্তর্ষি মণ্ডল। জন্মের নয় মাস পরেও শিশুটির মধ্যে সেরকম শিশুসুলভ আচার আচরণ ও শারীরিক নানা বিষয় দেখতে পায় না তার পরিবার। যা নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা থেকেই চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বালুরঘাটের এক শিশু বিশেষজ্ঞর শরণাপন্ন হন ওই শিশুর পরিবারের লোকজন। যেখানে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুর জিনগত সমীক্ষা করান তাঁরা। যেখানেই সামনে আসে স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি রোগের (The Rarest Disease) যাবতীয় লক্ষণ। বিরলতম এই রোগের কথা শুনেই আঁতকে ওঠেন ভারতীয় সেনা বিভাগে কর্মরত শিশুর বাবা ধ্রুব মণ্ডল।

    সাড়ে ১৭ কোটির ইঞ্জেকশন ভারতেও অমিল

    সুনিশ্চিত করতে এরপর প্রথমে কলকাতা এবং তারপর দিল্লির এইমসে নিয়ে যাওয়া হয় ছোট্ট সপ্তর্ষিকে। কিন্তু সেখানেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একই রোগের কথা জানান চিকিৎসকরা। শুধু তাই নয়, দু বছরের মধ্যে এর সঠিক চিকিৎসা না হলে সপ্তর্ষিকে আর বাঁচানো সম্ভব হবে না, এমনটাও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি নামের এই মারণ রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই রোগের (The Rarest Disease) জন্য একটিমাত্র ইঞ্জেকশন রয়েছে, যার দাম প্রায় সাড়ে সতেরো কোটি টাকা, যা ভারতে অমিল। শুধুমাত্র বিদেশ থেকে এই ইঞ্জেকশনটি এনেই বাঁচানো সম্ভব ছোট্ট ওই শিশুটিকে। যা জানার পরই কার্যত ভেঙে পড়েছে অসহায় ওই শিশুর পরিবার। কিন্তু কোনওভাবেই যেন হাল ছাড়তে নারাজ সেনাকর্মী ওই শিশুর বাবা ধ্রুব মণ্ডল। ছেলের এই বিরলতম রোগের চিকিৎসার জন্য সকলের কাছে করজোড়ে আবেদন জানিয়ে ইতিমধ্যে দ্বারস্থ হয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের।

    কী বলছেন অসহায় মা?

    শিশুর মা সঙ্গীতা মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট থেকে দিল্লি, সব জায়গায় একই রিপোর্ট সামনে এসেছে। রোগের সমস্ত উপসর্গও তার শিশুর মধ্যে রয়েছে। কিন্তু কীভাবে ছেলের জীবন ফেরাবেন তা তাঁরা ভাবতেই পারছেন না। এত টাকাও কীভাবে জোগাড় হবে, সেটাও বুঝতে পারছেন না। তবে দেশের প্রধানমন্ত্রী চাইলেই একমাত্র তাঁর শিশুকে বাঁচানো সম্ভবপর হবে। কীভাবে জুটবে এই বিপুল অঙ্কের টাকা? তা ভেবেই যেন ডুকরে কাঁদছেন শিশুর দিদা। একই চিন্তা প্রতিবেশী ও অনান্য আত্মীয়দের মধ্যেও। মাত্র ১৫ মাসের মধ্যে সাড়ে সতেরো কোটি টাকা জোগাড় করে কি আদৌ ছোট্ট সপ্তর্ষির জীবন ফেরাতে পারবে তার পরিবার? এই প্রশ্নই যেন এখন চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে গোটা বালুরঘাট শহরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনে যাদবপুরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে অতি বামপন্থীরা! তোপ সুকান্তর

    Balurghat: তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনে যাদবপুরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে অতি বামপন্থীরা! তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে অতি বামপন্থী কিছু সংগঠন আছে, যারা বিজেপির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলনেতাকে কালো পতাকা দেখানোর চেষ্টা করেছে। শুক্রবার বালুরঘাটে (Balurghat) স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে এসে এমনই মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর প্রশ্ন, যে ছেলেটি মারা গেল, তার পিছনে কি বিজেপির কোনও কানেকশন আছে? কানেকশন আছে সেই অতি বামপন্থীদের। আর এর পিছনে আছে তৃণমূলের অঙ্গুনি হেলন। সুকান্ত বলেন, এই বামপন্থী, অতি বামপন্থী সংগঠনগুলোই ২০২১ সালে ‘নো ভোট টু বিজেপি’ অভিযান চালিয়েছে। তারা এসেছিল বিশৃঙ্খলা করতে। সাধারণ মানুষ তাদের বুঝিয়ে দিয়েছে।

    কেন বালুরঘাটে (Balurghat) ১৮ অগাস্ট পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস? 

    আজ ১৮ই অগাস্ট বালুরঘাটে পালিত হল স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া সহ বেশ কিছু জেলার বিভিন্ন এলাকা তৎকালীন পাকিস্তান না ভারতের অন্তর্ভুক্ত হবে, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় তৈরি হয়েছিল। এই এলাকাগুলি নোশনাল এরিয়া বা ধারণাকৃত এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং এইসব এলাকায় ১৪ই অগাস্ট পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল। এই সমস্ত এলাকার সমস্যা দ্রুত মিটিয়ে ১৮ ই অগাস্ট ভারতের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটও সেই নোশনাল এরিয়া বা ধারণাকৃত এলাকার অন্তর্ভুক্ত ছিল। বালুরঘাটের (Balurghat) কৃতি সন্তান সরোজরঞ্জন চ্যাটার্জি ১৯৪৭ সালের ১৮ই অগাস্ট বালুরঘাট হাইস্কুল মাঠে পাকিস্তানের সবুজ পতাকা নামিয়ে ভারতের তিরঙ্গা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এদিন বালুরঘাট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বালুরঘাট হাইস্কুল মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি ছাড়া এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী, বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Balurghat)?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, বালুরঘাটের সরোজরঞ্জন চ্যাটার্জি সহ বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিদের অদম্য লড়াইয়ের কাছে সেই সময় পরাজিত হয়েছিল একটা কু-পরিকল্পনা। যেখানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অংশকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামতকে অস্বীকার করে, জনবসতির ঘনত্বকে অস্বীকার করে পূর্ববঙ্গের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ শাসকদের বোঝাতে সক্ষম হন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি সহ স্থানীয় নেতৃত্ব এবং শেষ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর সহ বালুরঘাট (Balurghat) ভারত রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হয়। সেই দিনটিকেই পালন করে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলকে হারিয়ে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন বিজেপির, বিজয় মিছিলে পা মেলালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলকে হারিয়ে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন বিজেপির, বিজয় মিছিলে পা মেলালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত  মজুমদারের (Sukanta Majumdar) খাসতালুক হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের ভাটপাড়া পঞ্চায়েত এলাকা। এই গ্রাম পঞ্চায়েতে এবার তৃণমূলকে হারিয়ে প়়ঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতির খাসতালুকেই বোর্ড গঠন করায় বিজেপি কর্মীরা উচ্ছ্বসিত।

    পঞ্চায়েতে কীভাবে বোর্ড গঠন করল বিজেপি?

    ভারত -বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ভাটপাড়া পঞ্চায়েতে তফশিলি জাতি ও উপজাতি মানুষের সংখ্যায় বেশি। দীর্ঘ বাম জমানাতেও ওই পঞ্চায়েতকে দখল করতে পারেনি বামেরা। বালুরঘাট মহকুমার অধিকাংশ পঞ্চায়েতে যখন বামেরা জিতত, তখন এই একটি পঞ্চায়েতেই কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে থাকতো। বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনেও বাম প্রার্থীরা জিতলেও  কংগ্রেসের প্রার্থী লিড নিত ওই পঞ্চায়েতে। এখনও ওই ট্রাডিশন বজায় রেখেছে ভাটপাড়া। ভাটপাড়়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ২২টি আসন রয়েছে। তৃণমূল এবং বিজেপি ১১টি করে আসন পেয়েছিল। ফলে, এই গ্রাম পঞ্চায়েতে কার দখলে আসে তা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা ছিল। এই পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান পদে বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। প্রথমে এক তৃণমূলের নির্বাচিত সদস্য ভোট দিতে ভুল হওয়ার কারণে প্রধান পদে জয়লাভ করে বিজেপির জয়ী সদস্য নীলিমা বর্মন। ওই তৃণমূল সদস্যের ভোট বাতিল হতেই  বিজেপি প্রার্থী এগারো -দশ ব্যবধানে প্রধান পদে জয় লাভ করেন। পরে, উপপ্রধান পদে টসের মাধ্যমে ফল বের হয়। আর তাতে জিতেছেন বিজেপির জয়ী সদস্য শিবু সরকার। এই পঞ্চায়েত দখল করতেই বিজেপির নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রবল উচ্ছ্বাস দেখা যায়। সকলেই গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন। বৃহস্পতিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) ভাটপাড়া পঞ্চায়েত এলাকায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে  মিছিল করেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে বালুরঘাটে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি স্বপন বর্মন বলেন,ভাটপাড়া পঞ্চায়েত আমাদের দখলে ছিল। কিন্তু, এবারের নির্বাচনে আমরা জয়ী হওয়ার জায়গায় ছিলাম। আমাদের এক সদস্য ভুলবশত ভোটটা নষ্ট করে দেয়। ভোটটা কী কারণে নষ্ট করে তা আমরা দলীয়ভাবে তদন্ত করছি। এই বিষয়ে দল ব্যাবস্থা নেবে। আমরা লড়াইয়ের ময়দানে আছি।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি? (Sukanta Majumdar)  

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমরা ভাটপাড়া পঞ্চায়েতে জিতেছি। সেই আনন্দে বিজেপির কর্মীরা আজ ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের খিদিরপুর এলাকায় বিজয় মিছিল বের করেন। আসলে বালুরঘাটের বিডিও ইচ্ছাকৃতভাবে এই ভাটপাড়া পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে জেতানোর চেষ্টা করছিল। বিজেপির আন্দোলনের চাপে গ্রাম পঞ্চায়েতের ফলাফল সমান সমান হয়ে যায়। অবশেষে ভাটপাড়া পঞ্চায়েত বিজেপি দখল করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের! আড়াই মাস ধরে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি

    TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের! আড়াই মাস ধরে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে দল পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদকে সরিয়ে দেয়। গত আড়াই মাস ধরে উপ পুরপ্রধানের পদ খালি বালুরঘাট পুরসভায়। ঠিক কী কারণে এতদিন পর্যন্ত পুরপ্রধান অশোক মিত্র উপ পুরপ্রধান মনোনীত করতে পারেননি, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনাও। বিজেপির দাবি, গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ?

    উপ পুরপ্রধানের পদ হারালেও এখনও তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার পদে রয়েছেন দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। তিনি নিজেকে গৃহবন্দি করে নেওয়ায় তাঁর ওয়ার্ডের কাজেও প্রভাব পড়েছে। সমস্যায় পড়ছেন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন শংসাপত্র, শরিকি শংসাপত্র, ট্রেড লাইসেন্স নবীকরণ সংক্রান্ত কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এলাকায় পথবাতি খারাপ হলে বা নিকাশি সমস্যা নিয়ে কাকে বলবেন তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল মাসে বালুরঘাটে দণ্ডি কাটিয়ে তিন আদিবাসী মহিলাকে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়। যা নিয়ে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। অভিযোগ যায় রাষ্ট্রপতি, জাতীয় মহিলা কমিশন, এসটি কমিশন সহ নানা জায়গায়। ওই ঘটনায় অভিযোগ ওঠে বালুরঘাট পুরসভার উপ পুরপ্রধান তথা তৎকালীন জেলা মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। প্রথমে দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরানো হয়। পরে জেলায় আসেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মে মাসে তপনে গিয়ে ওই তিন আদিবাসী মহিলার কান্না অভিষেক শোনার পর রাতারাতি প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর উপ পুরপ্রধানের পদ যায়। আইনি ব্যবস্থাও নেয় প্রশাসন। পরে তিনি এই মামলায় আদালত থেকে জামিন নেন। তবে এরপর থেকে তাঁকে আর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যায়নি।

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর উপর পুরসভার যাবতীয় কর আদায়েরও দায়িত্ব ছিল। প্রায় আড়াই মাস ধরে উপ পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকায় সেসব কাজ পুরপ্রধান নিজেই সামলাচ্ছেন। পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই উপ পুরপ্রধানের পদ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওই পদের জন্য ইতিমধ্যেই বহু কাউন্সিলার জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কাছে দরবার করেছেন। দলের তরফেও একটি সম্ভাব্য তালিকা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। তবে শহরে তৃণমূলের একাধিক গোষ্ঠী রয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিও জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব দেখছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান ও জেলা নেতৃত্ব?

    পুরপ্রধান অশোক মিত্র বলেন, ‘উপ পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকলেও পরিষেবায় কোনও খামতি হয়নি। পুর আইন অনুযায়ী প্রাক্তন উপ পুরপ্রধানের সব কাজ আমি সামলাচ্ছি। ওই পদে নিয়োগ কবে হবে জানা নেই। রাজ্য থেকেই তা জানানো হবে।’ তৃণমূলের (TMC) জেলা চেয়ারম্যান নিখিল সিংহ রায় বলেন, ‘উপপুরপ্রধানের পদ পূরণের জন্য আমরা রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি সেই নাম ঘোষণা করা হবে।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, তৃণমূলের (TMC) দলীয় কোন্দলের কারণে ওরা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কাউকে বসাতে পারেনি। আসলে লোক দেখানোর জন্য ওই মহিলা কাউন্সিলারকে সরানো হয়েছে। কিছুদিন পর মানুষ ভুলে গেলে আবার সেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকেই ফের ভাইস চেয়ারম্যান করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পুরসভার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পুরসভার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গি আবহে, তা রোধে কতটা সচেতন? তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভা। বিরোধীদের দাবি, সময় মতো নর্দমা ও জঞ্জাল পরিষ্কার না করায়, বৃদ্ধি পাচ্ছে মশা। অপর দিকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে উদাসীন বালুরঘাট পুরসভা বলে অভিযোগ বিজেপির। বামেদের দাবি, সাফাইয়ে প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ হচ্ছে। যদিও শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং ডেঙ্গি প্রতিরোধে কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছে বালুরঘাট পুরসভা কর্তৃপক্ষ। রাজনৈতিক চাপন-উতোরে শোরগোল জেলায়।

    ডেঙ্গির কেমন অবস্থা বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur)?

    রাজ্য জুড়েই বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সে ভাবে সংক্রমণ না বাড়লেও, সতর্কতা জারি রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলায় গত জানুয়ারি মাস থেকে চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত মোট ৫০ জনের সংক্রমণের খবর রয়েছে। এর মধ্যে বালুরঘাট শহরের তিনজন সংক্রমিত হয়েছিল। বর্তমানে জেলায় মাত্র দু’ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। একজন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে এবং একজন গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বালুরঘাট পুরসভা ডেঙ্গি সংক্রমণ রোধে উদাসীন বলে অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির বালুরঘাট শহর মণ্ডল সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত জানান, শহরের যত্রতত্র আবর্জনায় ভরে উঠেছে। নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার, মশা মারার তেল স্প্রে করছে না বালুরঘাট পুরসভা (Dakshin Dinajpur)। রাজ্যে যেভাবে ডেঙ্গি বেড়ে চলেছে, তাতে পুরসভা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে শহরে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংক্রমণ।

    সিপিএমের বক্তব্য

    বালুরঘাট পৌরসভার (Dakshin Dinajpur) ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলার প্রবীর দত্ত বলেন, আমার ওয়ার্ডে ডেঙ্গি সার্ভে সহ স্প্রে, নর্দমা পরিষ্কারের কাজ চলছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় ব্লিচিং পাওয়া যাচ্ছে না। ডেঙ্গি রোধে আরও বেশি করে কাজ করা প্রয়োজন। পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধনে প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ হচ্ছে বলে তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন প্রবীর দত্ত।

    বালুরঘাট পুরসাভার বক্তব্য

    বালুরঘাট পুরসভার (Dakshin Dinajpur) চেয়ারম্যান অশোক মিত্র জানান, বালুরঘাট পুরসভা শহরের পরিচ্ছন্নতার কাজ নিয়মিতভাবে করছে। ডেঙ্গি রোধে সচেতনতা, বাড়ি বাড়ি সার্ভে সহ অন্যান্য কাজ চলছে। স্বাস্থ্য দফতরের সাথে যোগাযোগ রেখে, স্বাস্থ্য দফতরের গাইড লাইন মেনে, ডেঙ্গি রোধে সমস্ত কাজ করছে বালুরঘাট পুরসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বনবিজ্ঞানীর কৃতিত্ব অর্জন করলেন বালুরঘাটের রেখা মাহাতো, উচ্ছ্বসিত পরিবার

    Dakshin Dinajpur: বনবিজ্ঞানীর কৃতিত্ব অর্জন করলেন বালুরঘাটের রেখা মাহাতো, উচ্ছ্বসিত পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) ব্লকের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মেয়ে বন বিভাগের বিজ্ঞানী হওয়ার অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন পরীক্ষায় পাশ করেই এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন রেখা মাহাতো। দেশের মধ্যে ২৭ জন এই সফল তালিকায় আছেন। তার মধ্যে শুধুমাত্র বায়ো টেকনোলজিরই আছেন চারজন। তার মধ্যে রেখা অন্যতম। আগামীতে দেশের বনাঞ্চলের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ নিয়ে গবেষণা করবেন তিনি। রেখা সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের রাবার বোর্ডে চাকরিও পেয়েছেন। গ্রামের মেয়ের বনবিজ্ঞানী হওয়ার সাফল্যে গর্বিত গোটা গ্রাম। কৃষক পরিবারের বছর পঁচিশের তরুণীর এমন সাফল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছে জেলার মানুষ।

    কী বললেন রেখা মাহাতো (Dakshin Dinajpur)?

    রেখা মাহাতো বলেন, ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানী হওয়ার ইচ্ছে ছিল। গাছের প্রতি একটা আলাদা টান রয়েছে। তাই ছোটবেলা থেকেই কষ্ট করে পড়াশোনা করে এই জায়গায় পৌঁছেছি। খুব ভালো লাগছে। আগামীতে গাছ নিয়েই গবেষণা করব। পাশাপাশি দেশের জন্যও কাজ করব। রেখার বাবা বিষ্ণুপদ মাহাতো ও মা জয়ন্তী মাহাতো বলেন, আমরা কৃষক পরিবারের হলেও খুব কষ্ট করে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করিয়েছি। তবে মেয়ে এত দূরে পৌঁছবে কল্পনাও করতে পারিনি। মেয়ের জন্য খুব গর্ব হচ্ছে। রেখার বাড়ি বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে। শুরু থেকেই লড়াইটা সহজ ছিল না। আত্মীয়ের বাড়িতে কিংবা ভাড়া বাড়িতে থেকেই স্কুলের গণ্ডি পার করেছেন। পরবর্তীতে কলকাতা ও দিল্লিতে থেকে পড়াশুনা করেছেন। বর্তমানে চাকরি সূত্রে থাকেন অসমে। তবে খুব শীঘ্রই দেরাদুনে বায়ো টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেবেন।

    পরিবারের বক্তব্য

    রেখার দুই দাদা অনুপ মাহাতো ও মানস মাহাতো বলেন, সীমান্তবর্তী এই গ্রাম থেকে শহরে গিয়ে পড়াশোনা করতে হয়েছে বোনকে। আজ ওর সাফল্যে গোটা গ্রাম খুশি। বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) শিক্ষক দীপক মণ্ডল বলেন, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে মানুষ সাফল্য পাবেই। রেখা তারই প্রমাণ। কিছুদিন আগেও বালুরঘাটের একছাত্র বিজ্ঞানী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এবার বালুরঘাটের মেয়ে বিজ্ঞানী হচ্ছেন। জেলার এমন সাফল্যে আমরা গর্বিত।

    কীভাবে পড়াশুনা করেছেন?

    জানা গিয়েছে, রেখা ২০১৩ সালে বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) ব্লকের বাদামাইল হাইস্কুল থেকে ৮৮.৬ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর বালুরঘাট গার্লস স্কুল থেকে ৯২ শতাংশ নম্বর নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। কল্যাণীতে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। তারপর দিল্লির ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইন্সটিটিউট থেকে এমএসসি পাশ করেন। ২০২২ সালে পরীক্ষা দিয়ে ভারত সরকারের অধীন রাবার বোর্ডে চাকরি পান। কিন্তু বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন থেকে সরে আসেননি। ভাবা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী হওয়ার পরীক্ষাও দিয়েছিলেন। কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলেও ইন্টারভিউতে পাশ করেননি। অতঃপর ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশনের পরীক্ষায় পাশ করে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্নপূরণ করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BARC: ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী হওয়ার পথে উত্তরবঙ্গের কৌস্তভ

    BARC: ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী হওয়ার পথে উত্তরবঙ্গের কৌস্তভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের কৌস্তভ ঘোষ আজ দেশের অন্যতম সেরা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী (নিউক্লিয়ার সায়েন্টিস্ট) হওয়ার পথে। ইতিমধ্যেই ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের (বার্ক) লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কৌস্তভ। চলতি মাসেই তিনি দক্ষিণ ভারতের ইন্দিরা গান্ধী রিসার্চ সেন্টারে জুনিয়র নিউক্লিয়ার সায়েন্টিস্ট পদে এক বছরের প্রশিক্ষণ নিতে যাচ্ছেন। সম্ভবত উত্তরবঙ্গ থেকে একমাত্র নিউক্লিয়ার সায়েন্টিস্ট-এর সুযোগ পেয়েছেন কৌস্তভ। তিনি নিউক্লয়ার ফুয়েল সাইকেলের উপর কাজ করবেন। এক বছর এই প্রশিক্ষণের পরেই তাঁকে সায়েন্টিফিক অফিসার হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব দেবে বার্ক।

    কোন পথে তাঁর এই উত্তরণ? 

    ২০১৬ সালে তিনি বালুরঘাট হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন। ২০১৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর ডিগ্রি অর্জনের জন্য বিশ্বভারতীতে ভর্তি হন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি গুয়াহাটি আইআইটিতে পড়াশোনা শুরু করেন। সেখান থেকেই তিনি ভাবা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে নিয়োগের পরীক্ষায় বসেন। ডঃ এ পি জে আব্দুল কালামকে আইডল মেনে আজ তিনি সাফল্যের শিখরে পৌঁছলেও শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। কৌস্তভের বাবা অসিতবাবু শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি সংস্থায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করেন। মা রুমু ঘোষ গৃহিণী। বাবার সামান্য আয়ের উপর ভিত্তি করেই তাঁদের সংসার চলে। ছোট থেকে অভাবকে সঙ্গী করেই জীবন কেটেছে কৌস্তভের।

    কী বললেন কৌস্তভ এবং তাঁর মা?

    এই বিষয়ে কৌস্তভ বলেন, ‘ডঃ এ পি জে আব্দুল কালাম আমার আইডল। আমি ছোট থেকেই বিজ্ঞানী হতে চেয়েছিলাম। দেশের জন্য কিছু করতে চাই। এবার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এসেছে। খুব আনন্দ হচ্ছে।’ মা রুমু ঘোষ বলেন, ‘ছেলে অনেক পরিশ্রমের ফল পেয়েছে। যতটা পেরেছি ওর পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। খুব কষ্টে চলতে হয়েছে আমাদের। আজ ছেলের সাফল্যে আমি গর্বিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনায় ভরে উঠছে আত্রেয়ীর খাঁড়ি, প্রতিবাদে সরব বিজেপি

    Balurghat: ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনায় ভরে উঠছে আত্রেয়ীর খাঁড়ি, প্রতিবাদে সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট পুরসভার তরফে শহরের আন্দোলন সেতুর পাশে ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনা ফেলে আত্রেয়ীর খাঁড়ি ভরাট করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলল বিজেপির বালুরঘাট টাউন মণ্ডল। এর ফলে একদিকে যেমন নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়ছে, তেমনই ওই এলাকায় দুর্গন্ধে সাধারণ মানুষ টিকতে পারছেন না। এর প্রতিবাদে বালুরঘাটে সদর মহকুমা শাসককে লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বালুরঘাট (Balurghat) টাউন বিজেপি নেতৃত্ব। এদিনের অভিযোগ জানানোর কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাট টাউন বিজেপি সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত, বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সুমন বর্মন সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন সদর মহকুমা শাসক।

    কী সমস্যায় বাসিন্দারা?

    বালুরঘাট (Balurghat) শহরে এতদিন পর্যন্ত কোনও পার্কিং জোন ছিল না। ফলে শহরের ব্যস্ততম রাস্তার মধ্যেই গাড়ি, মোটরবাইক সহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পার্কিং করেন মানুষজন। তাই বালুরঘাট পুরসভা দুটি পার্কিং জোন তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে। যার একটি আন্দোলন সেতু সংলগ্ন খাঁড়ির পাড়ে, দ্বিতীয়টি বালুরঘাট ট্যাক্সি স্ট্যান্ড। দুটি পার্কিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। আন্দোলন সেতু সংলগ্ন পার্কিংয়ের পাশে এখন ভাগাড়ের মাটি ফেলা হচ্ছে। এই মাটি ফেলাকে কেন্দ্র করেই সরব হয়েছে বিজেপি। শহরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমাকে আন্দোলন সেতুর উপর দিয়ে রোজ যাতায়াত করতে হয়। কয়েকদিন ধরে দেখছি, সেতুর পাশে কিছু একটা ভরাট করা হচ্ছে। বৃষ্টি হলে ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করা মুশকিল হচ্ছে। রাস্তায় কাদা জমে যাচ্ছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পুরসভা বিষয়টি দেখলে ভালো হয়।

    কী অভিযোগ বিজেপির শহর (Balurghat) সভাপতির?

    এই বিষয়ে বিজেপির শহর সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্তের অভিযোগ, ‘ভাগাড়ের আবর্জনা ফেলা হচ্ছে আত্রেয়ীর খাঁড়িতে। খাঁড়ি বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে। গোটা এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। দুর্গন্ধে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাছাড়া এতে শহরের (Balurghat) নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়তে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য মহকুমা শাসককে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।’

    কী বললেন পুরপ্রধান এবং মহকুমা শাসক (Balurghat) ?

    বালুরঘাটের পুরপ্রধান (Balurghat) অশোককুমার মিত্র বলেন, ‘বিজেপির কাজই শুধু অভিযোগ করা। তাদের কাজ করার কোনও সদিচ্ছা নেই। বিজেপি নোংরা মাটি ফেলার যে অভিযোগ করছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শুধু মাটিই ফেলা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক ভাবেই সব করা হচ্ছে। ফলে নিকাশি সমস্যা নিয়ে কোনও চিন্তা নেই।’ সদর মহকুমা শাসক সুমন দাশগুপ্ত জানান, এনিয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলের এত সন্ত্রাসের পরও রাজ্যে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক বেড়েছে’’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলের এত সন্ত্রাসের পরও রাজ্যে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক বেড়েছে’’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত পঞ্চায়েতের তুলনায় অনেক বেশি আসন বেড়েছে বিজেপির। শতাংশের বিচারে ভোটের হারও অনেক বেড়েছে। বুধবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বালুরঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, তৃণমূল এত সন্ত্রাস করেও কিছু করতে পারেনি। বিজেপির ভোট ব্যাঙ্ক বিপুল বেড়েছে। এই ফল আগামী নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের মনোবল বাড়াবে বলে মনে করছে বিজেপির নেতৃত্ব।

    রাজ্যে গ্রাম পঞ্চায়েতের আসন সংখ্যা নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, মঙ্গলবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের গণনা শুরু হয়েছিল। আমাদের কাছে তথ্য এসেছে যে এখনও গণনা চলছে। ভোট লুটে কিভাবে এই বাংলা এগিয়ে আছে, তা গোটা বাংলার মানুষ দেখল। বিডিওদের আমরা তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্টের মতো কাজ করতে দেখলাম। প্রশাসন ভোট লুট করার পরেও বিজেপি এখনও পর্যন্ত ৯৫১৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে জিতেছে। গণনা চলছে এখনও। ২০১৮ সালে রাজ্যে বিজেপির জেতা আসন ছিল ৫৭৭৯। এবার সেই আসন সংখ্যা অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ২০২৩ সালে বিজেপি ২৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ২০০৮ সালে তৃণমূল পঞ্চায়েতে ২৫ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। এত কিছু করার পরও বিজেপি যখন এত পরিমাণে ভোট পেয়েছে, তখন বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষ এই সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠবে।

    বিজেপির পাঁচজন অনুসন্ধানকারী দল প্রসঙ্গে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, প্রাক্তন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের নেতৃত্বে আরও চার জন পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন। তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও সাধারণ মানুষের উপর যেভাবে আক্রমণ হয়েছে, তা সব খতিয়ে দেখবেন। তার সার্বিক রিপোর্ট সর্বভারতীয় সভাপতির হাতে জমা দেবেন।

    ভাঙড়ে পুলিশ-আইএসএফ সংঘর্ষ নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    ভাঙড় নিয়ে সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) বলেন, মঙ্গলবার রাতে ভাঙড়ে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে রাজ্য সরকারই পুলিশকে দিয়ে সাধারণ নাগরিকের জীবন নিয়েছে। রাজ্য সরকারের কাছে বাংলার সাধারণ মানুষের এক পয়সা দাম নেই। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ও বাংলার মানুষের গর্জে ওঠা উচিত। গণতন্ত্রের সর্ববৃহৎ উৎসবে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে এবার গোটা রাজ্যে প্রায় ৫০ জনের জীবন চলে গেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share