Tag: Balurghat

Balurghat

  • Balurghat: দণ্ডি ইস্যুতে বালুরঘাটে রাজ্য মহিলা কমিশন; একই দিনে সভা সুকান্তর

    Balurghat: দণ্ডি ইস্যুতে বালুরঘাটে রাজ্য মহিলা কমিশন; একই দিনে সভা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন আদিবাসী মহিলাকে প্রকাশ্য রাস্তায় দণ্ডি কাটানোর ঘটনায় সোমবার বালুরঘাটে (Balurghat) পৌঁছান রাজ্য মহিলা কমিশনের সদস্য সুজাতা পাকরাশী লাহিড়ী। একইদিনে দণ্ডি ইস্যুতে বালুরঘাটে (Balurghat) বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ওই তিন আদিবাসী মহিলা এদিন বালুরঘাট জেলা আদালতে বিচারকের কাছে জবানবন্দিও দেন বলে জানা গেছে। এরপরই তাঁদের শহরের সার্কিট হাউসে পুলিশি নিরাপত্তায় নিয়ে আসা হয়।  সেখানে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন সুজাতা পাকরাশী লাহিড়ী। যদিও সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর তাঁরা আজ দিতে চাননি। দণ্ডি কাটার ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এ প্রশ্নের উত্তর অবশ্য এড়িয়ে গিয়েছেন মহিলা কমিশনের প্রতিনিধি। ইতিমধ্যে দণ্ডি ইস্যুতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠিও দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। এমনিতেই এরাজ্যে তৃণমূলের আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক তলানিতে ঠেকেছে, গোদের উপর বিষের ফোঁড়া এখন দণ্ডি ইস্যু। যার জেরে প্রবল অস্বস্তিতে শাসক দল। এর প্রভাব আগামী পঞ্চায়েত ভোটে পড়তে পারে বলে মনে করছে, রাজনৈতিক মহলের একাংশ। 

    কী বললেন সুজাতা পাকরাশী লাহিড়ী

    এদিন মহিলা কমিশনের সদস্য সুজাতা পাকরাশী লাহিড়ী বালুরঘাটে সাংবাদিকদের জানান, ওই মহিলাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। কী কথা হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যানকে জানানো হবে সমস্ত বিষয়।

    বিজেপির বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ

    বালুরঘাটে (Balurghat) দণ্ডি কান্ডের প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও  সমাবেশ করে বিজেপি। দক্ষিণদিনাজপুরের জেলা সদরের মঙ্গলপুর বিজেপি কার্যালয় থেকে প্রতিবাদ মিছিলটি বের হয়। নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের (Balurghat) সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও মিছিলে ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্বরা। শহর ঘুরে মিছিল জেলা প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন এলাকায় আসে৷ এরপর সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর শাস্তির ব্যবস্থা না করা হলে আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    সুকান্ত মজুমদার কী বললেন 

    এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন,ওই তৃণমূল নেত্রীকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে কেবলমাত্র আইওয়াশ করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে, তপশিলি জাতি এবং উপজাতি নির্যাতন মামলায় তার জেলে থাকার কথা ছিল কিন্তু এখনও তা হয়নি। বালুরঘাটের (Balurghat) সাংসদের আরও সংযোজন, এর আগে অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছিল কিন্তু এঁরা আদিবাসী বলেই এঁদেরকে এইভাবে শাস্তি দেওয়া হল। তার প্রতিবাদেই আমাদের আন্দোলন। দল ওই নেত্রীকে দোষী মনে করেছে বলেই তো সরিয়েছে। তাহলে পুলিশ কেন তাকে গ্রেফতার করলো না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডিকাটার নিদান! নেত্রীকে সরিয়ে দিল তৃণমূল, জেলা জুড়ে বিক্ষোভে বিজেপি

    BJP: আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডিকাটার নিদান! নেত্রীকে সরিয়ে দিল তৃণমূল, জেলা জুড়ে বিক্ষোভে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বিজেপি (BJP) করার শাস্তি হিসেবে তিন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটার নিদান দিয়েছিলেন তৃণমূলের দক্ষিণ দিনাজপুর  জেলার মহিলা সভানেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। ৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় বালুরঘাট শহরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ের আশপাশে থাকা লোকজন ও কয়েকজন তৃণমূল কর্মী এই অমানবিক ঘটনার সাক্ষী ছিলেন। আর দণ্ডি কাটার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ঘরে, বাইরে চাপে পড়ে যায় তৃণমূল নেতৃত্ব। খবর পৌঁছে যায় তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে। আর তড়িঘড়ি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নাম দিয়ে রবিবার বিকেলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রেস রিলিজ বের করা হয়। আর তাতে প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সরিয়ে তাঁর ওই পদে স্নেহলতা হেমব্রম নামে এক আদিবাসীকে জেলা তৃণমূলের মহিলা সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। আদতে এই পদে একজন আদিবাসীকে নিয়ে এসে ওই অপকর্মের প্রায়শ্চিত করল তৃণমূল, এমনই মত রাজনৈতিক মহলের।

    দণ্ডিকাটার ঘটনা নিয়ে সরব আদিবাসী সমাজ?

    তপন ব্লকের গোফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের শনকৌর গ্রামের তিন আদিবাসী মহিলার বাড়ি। বিজেপি করার জন্য শাস্তি হিসেবে তাঁদের দণ্ডি কাটার নিদান দিয়েছিল তৃণমূলের মাতব্বররা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে আদিবাসী সমাজ। ৮ টি আদিবাসী সংগঠনের যৌথ মঞ্চ রবিবার সকালে গ্রামে গিয়ে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গেও তাঁরা এদিন কথা বলেন। গ্রামবাসীরাও আদিবাসী সংগঠনের কাছে এই ঘটনার সুবিচার দাবি করেছেন। আদিবাসী যৌথ মঞ্চের সভাপতি সুনীল বাঘয়ার বলেন, আদিবাসী বলেই ওই ধরনের ঘটনা ঘটনো হয়েছিল। প্রশাসন কী করছে দেখব, তার পরই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। কারণ, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

    গ্রামে সিপিএমের প্রতিনিধিরা গিয়ে কী করলেন?

    রবিবার আদিবাসী সংগঠনের পাশাপাশি সিপিএমের এক প্রতিনিধি দল গ্রামে যায়। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য নন্দলাল হাঁসদা বলেন, আদিবাসী সমাজকে অপমানিত করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এই অমানবিক ঘটনার প্রতিবাদে আমরা মিছিল করব।

    দণ্ডি কাটার প্রতিবাদে কী করল বিজেপি (BJP)  ?

    দণ্ডি কাটা ঘটনার প্রতিবাদে বালুরঘাট থানার সামনে এদিন বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বালুরঘাট থানা সহ জেলার আটটি থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিজেপি (BJP)। বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, জোর করে তৃণমূল এই কাজ করেছে। আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এদিন সব থানায় বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। সোমবার জেলা শাসকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। সেখানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং সাংসদ দিলীপ ঘোষ থাকবেন।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    দলবদলুদের দণ্ডি কাটার শাস্তির নিদান নিয়ে জেলা জুড়়ে সবমহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃনাল সরকার বলেন, আমরা শনিবার ওই গ্রামে গিয়ে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত নেত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপিতে যোগদানের শাস্তি দণ্ডিকাটা! কাঠগড়ায় তৃণমূল, কোথায় জানেন?

    BJP: বিজেপিতে যোগদানের শাস্তি দণ্ডিকাটা! কাঠগড়ায় তৃণমূল, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বিজেপিতে যোগদান করার শাস্তি  দণ্ডিকাটা! শুনতে অবাক মনে হলেও এটাই সত্যি। আর এই শাস্তির বিধানদাতা তৃণমূলের মাতব্বররা। বিজেপি (BJP) থেকে তৃণমূলে ফেরার জন্য দণ্ডি কেটে প্রায়শ্চিত করতে হয়েছে আদিবাসী তিনজন মহিলাকে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এমনই অমানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল বালুরঘাট শহরের মানুষ। যা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এই দণ্ডি কাটার দায় দলের স্থানীয় নেতাদের ওপর চাপিয়েছে। তবে, বিজেপিতে (BJP)  যাওয়ার জন্য শাসক দলের নেতাদের এই বিধান দেওয়া নিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপি (BJP)  নেতৃত্ব এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে। শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে জেলা পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিজেপি-র নেতা, কর্মীরা ধর্না ও বিক্ষোভ সমাবেশে বসেন।

     ঠিক কী ঘটেছিল?

    ৬ এপ্রিল দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকে প্রায় দুশো জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে (BJP)  যোগদান করেন। শুক্রবার দলবদলুরা সকলেই তৃণমূলে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করেন মহিলা তৃণমূলের জেলা সভাপতি প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। যদিও শুক্রবার সন্ধ্যায় জনাচারেক আদিবাসী মহিলাকে তৃণমূলে যোগ দিতে দেখা যায়। আর বিজেপিতে (BJP)  যোগ দেওয়ার শাস্তি হিসেবে নাকখত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কতদূর থেকে দণ্ডি কেটে ওই কর্মীদের ফের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য প্রায়শ্চিত করতে হবে তা ঠিক করে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট কোর্ট মোড় থেকে কাঁঠালপাড়ায় অবস্থিত তৃণমূল জেলা কার্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা দণ্ডি কেটে আসেন চারজন আদিবাসী মহিলা। পরে, তাঁরা ফের তৃণমূলে যোগদান করেন। এই বিষয়ে মহিলা তৃণমূলের জেলা সভাপতি প্রদীপ্তা চক্রবর্তী বলেন, এদিন কয়েকজন যোগ দিয়েছেন। বাকিরা আগামীদিনে যোগ দেবেন।

    দণ্ডি কাটার নিদান নিয়ে কী বললেন বিজেপির (BJP)  রাজ্য সভাপতি?

    এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির (BJP)  জেলা নেতৃত্ব সরব হয়েছেন। এবার এই অমানবিক ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির (BJP)  রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, জোর করে আদিবাসী ওই মহিলাদের তৃণমূলে যোগদান করানো হয়েছে। আর বিজেপি করার অপরাধে তাদের নাকখত দেওয়ার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আদিবাসী মহিলাদের অপমান করেছে তা আদিবাসী সমাজের অপমান। তৃণমূল আদিবাসী বিরোধী তা আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল। গোটা রাজ্যের আদিবাসী সমাজকে এই অমানবিক ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর আবেদন জানাচ্ছি। অন্যদিকে, জেলা নেতৃত্ব বিষয়টি নিয়ে মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হবেন বলে জানা গিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    দলবদলুদের দণ্ডি কাটার শাস্তির নিদান নিয়ে জেলা জুড়়ে সবমহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। শাসক দল ব্যাকফুটে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃনাল সরকার বলেন, তৃণমূলে কেউ যোগ দিলে আমরা জানতে পারতাম। এরকম খবর আমাদের কাছে নেই। আর দণ্ডি কাটার ঘটনা ঘটে থাকলে তা ঠিক হয়নি। এরকম হলে দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: নতুন বছরের প্রথম দিনে সুকান্তর হাত ধরে চালু হল বালুরঘাট-শিয়ালদা এক্সপ্রেস

    Sukanta Majumdar: নতুন বছরের প্রথম দিনে সুকান্তর হাত ধরে চালু হল বালুরঘাট-শিয়ালদা এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট রেল স্টেশন থেকে পথচলা শুরু হল বালুরঘাট-শিয়ালদা নয়া ট্রেনের। নতুন এই ট্রেনের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন রেলমন্ত্রী। আর বালুরঘাট থেকে সবুজ পতাকা নেড়ে উদ্বোধন করলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সোমবার দুপুর ১২ টায় বালুরঘাট স্টেশন থেকে ট্রেনটি চলাচলের শুভ সূচনা হয়। আগামীকাল থেকে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুসারে প্রতিদিন চলবে এই ট্রেন।

    প্রতিদিন কখন ছাড়বে এই ট্রেন?

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭ টা থেকে এই ট্রেনটি বালুরঘাট স্টেশন থেকে রওনা হবে। শিয়ালদা পৌঁছাবে ভোর ৪ টে ২০ মিনিটে। অন্যদিকে, শিয়ালদহ থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ ছাড়বে। বালুরঘাটে পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৮ টায় পৌঁছাবে। এদিনের ভার্চুয়াল উদ্বোধনে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) প্রশংসা করে বলেন, সুকান্ত দাদা লাগাতার লেগে থাকার জন্যই দ্রুত ট্রেনটি চালু করা গেল। এই প্রথম এলএইচবি কোচের নতুন ট্রেনে খুশি জেলাবাসী।

    কী বললেন সাংসদ সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এতদিন পর্যন্ত বালুরঘাট স্টেশন থেকে এলএইচবি কোচের কোনও ট্রেন ছিল না। সাধারণ কামরা নিয়েই রেল চলাচল করে। নতুন এই ট্রেনের প্রতিটি কোচে উচ্চতর গতিতে দক্ষ ব্রেকিংয়ের জন্য একটি “অ্যাডভান্সড নিউমেটিক ডিস্ক ব্রেক সিস্টেম” রয়েছে, আরও রয়েছে “মডিউলার ইন্টেরিয়র”। এলএইচবি কোচের উন্নত সাসপেনশন ব্যবস্থা প্রচলিত রেকের তুলনায় যাত্রীদের আরও আরামদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করে। এলএইচবি কোচের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুরাতন রেকের তুলনায় উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন এবং তা একটি মাইক্রোপ্রসেসর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। গরম এবং শীতকালে যাত্রীদের পুরানো কোচের তুলনায় আরও অধিক আরাম দেয় বলে জানা যায়। সব মিলিয়ে অনেক উন্নত পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। এই প্রথম জেলায় এলএইচবি কোচের ট্রেন আসায় জেলাজুড়ে খুশি বাসিন্দারা। বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, বহুদিন ধরে শিয়ালদা পর্যন্ত সরাসরি ট্রেনের ব্যবস্থা করার দাবি ছিল জেলাবাসীর। আজ কল্পতরু দিবস, শুভ এই দিনে জেলার মানুষের সেই স্বপ্নপূরণ করতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এবিষয়ে বালুরঘাটের এক বিশিষ্ট শিক্ষক অপূর্ব মণ্ডল বলেন, আমাদের মতো প্রান্তিক জেলায় এই ট্রেনটি পাওয়া খুবই ভাগ্যের ব্যাপার। অবশেষে আমাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হল। আমরা আশা করছি, আগামীতে আরও ট্রেন আমরা পাব। আগামীদিনে প্রান্তিক জেলার তকমা এভাবে ঘুচে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূলের কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীকেও ভরসা করে না’, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূলের কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীকেও ভরসা করে না’, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী মহিলা সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল ভাইফোঁটা উৎসব। বুধবার এই তপন ব্লকের আউটিনা গ্রামে ভাতৃদ্বিতীয়া অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আদিবাসী মহিলা সমিতির পক্ষ থেকে ভাইফোঁটা দেওয়া হয় সুকান্ত মজুমদারকে। এদিন সুকান্ত’র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু সহ অন্যান্য বিশিষ্টজন। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলারা নিজের রীতি রেওয়াজ মেনেই সুকান্তকে ফোঁটা দেন। শুধুমাত্র ফোঁটা দেওয়া নয়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন গ্রামের বোনেরা।

    আদিবাসী মহিলাদের কাছে ভাইফোঁটা পেয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আদিবাসী মহিলা সমিতির পক্ষ থেকে আউটিনা গ্রামে ভাইফোঁটার এই উৎসব আয়োজন করা হয়েছে। আমি আমন্ত্রিত হয়ে আনন্দিত বোধ করছি। আমার নিজের বোন না থাকার জন্য সেভাবে বাড়িতে ভাই ফোঁটার রেওয়াজ ছিল না। এই গোটা অঞ্চলের আদিবাসী ও অন্যান্য মহিলারা যেভাবে আমাকে ভাইফোঁটা দিলেন ও সম্মান দিলেন, সেটা সত্যিই বিরল। আমি তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সবসময় চেষ্টা করব তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর।

    সারের কালোবাজারি রুখতে কেন্দ্রীয় টিম দিয়ে তদন্তের দাবি সুকান্তর

    সারের কালোবাজারি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে অভিযোগ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে বিশেষ করে ১০: ২৬:২৬ এর দাম ১৪৭০ টাকা। সেই সার ২৫০০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। রাজ্য সরকার বেশ কিছুদিন চোখ বন্ধ করে থাকার পর তার কিছু দফতর হঠাৎ করে অভিযানে নামল। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত এই কালোবাজারিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। কোথাও ১৪০০ টাকার জিনিস ১৮০০ টাকায় নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। কালোবাজারির কারণে কৃষকদের জীবন ওষ্ঠাগত। একদিকে নরেন্দ্র মোদি ইউরিয়া বস্তাতে আড়াই হাজার টাকা করে ভর্তুকি দিচ্ছে, অন্য দিকে সেই সার যখন সাধারণ কৃষকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে, তখন এভাবে কালোবাজারি হচ্ছে। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। কৃষকদের অবস্থা এমনিতে পশ্চিমবঙ্গে খারাপ। এই কালোবাজারি কৃষকদের জীবন আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। সে কারণে আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। এ বিষয়ে খুব শীঘ্রই কেন্দ্রীয় টিম পাঠিয়ে তদন্ত করা হোক। আমরা শুনতে পাচ্ছি, পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে, কিন্তু এখনও এফআইআর করেছে কি না সেটা দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

    জয়নগর নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    জয়নগরের উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, জয়নগরে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। দুই দলের মারামারি চলছে। গোলাগুলি চলছে। ওখানে বিজেপি নেই। বিজেপির নামের দোষ চাপানোর চেষ্টা হয়েছিল। ওখানে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হচ্ছে। কিছু বামফ্রন্টের লোক রয়েছে অথবা আগে বামফ্রন্ট করত। স্বাভাবিক ভাবেই বামফ্রন্টের নেতারা গিয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন খুন হলেন, পুলিশ তো তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী, নিজেই পুলিশ মন্ত্রী। তৃণমূল সমর্থকদের পুলিশের উপর ভরসা নেই। আইন নিজেদের হাতে তুলে নিতে হচ্ছে। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরাও মুখ্যমন্ত্রীকেও ভরসা করে না। তার পুলিশকে ভরসা করে না। আমাদের জেলাস্তরে নেতারা যোগাযোগ রাখছেন। ওখানকার স্থানীয় লোকজন চাইলে অবশ্যই সেখানে যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, ভেলোরের জন্য ট্রেনের দাবি জানালেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    Balurghat: রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, ভেলোরের জন্য ট্রেনের দাবি জানালেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে দক্ষিণ দিনাজপুর (Balurghat) জেলার জন্য একগুচ্ছ রেল প্রকল্প ও নতুন রেল পরিষেবা চালুর দাবিপত্র তুলে দিলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ২০২৪ লোকসভা ভোটে জেলার রেল পরিষেবার উন্নয়ন সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নকেই পাখির চোখ করতে চলেছে বিজেপি। বিভিন্ন সময় সুকান্ত মজুমদার জেলা সফরে এসে রেল প্রকল্পের হাল হাকিকত খতিয়ে দেখতে মাঠে নামেন। পার্লামেন্টের অধিবেশন চলছে। এই সময় সুকান্ত মজুমদার দিল্লিতে রয়েছেন। তাই বেশ কিছু প্রকল্প নিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে সেগুলির বাস্তবায়নের দাবি জানালেন তিনি।

    কোন কোন প্রকল্প (Balurghat) নিয়ে কথা হল?

    জেলার জনগণের চিকিৎসার সুবিধার জন্য বালুরঘাট (Balurghat) থেকে কাটপাটি (ভেলোর) পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও প্রচুর বাংলাদেশি নাগরিক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বালুরঘাট হয়ে কলকাতা বা শিলিগুড়ি গিয়ে সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য ভেলোরে যান। বালুরঘাট থেকে সরাসরি ভেলোর ট্রেন চালু হলে এই সুবিধা শুধু জেলার মানুষ নয়, বাংলাদেশিরাও পাবেন। বালুরঘাট, বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুর রেল স্টেশনকে অমৃত ভারত প্রকল্পে এনে স্টেশনের আধুনিকীকরণের প্রস্তাব রেখেছেন সুকান্ত মজুমদার। গাজোল-গুঞ্জরিয়া ভায়া ইটাহার বুনিয়াদপুর রেল প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছিল ২০১০ সালে। জমি চিহ্নিতকরণের কাজ হয়েছে। কিন্তু পরের কাজ হয়নি। সেই প্রকল্পেরও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করেছেন তিনি।

    এছাড়া, প্রস্তাবিত বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণ করে রেলপথ নির্মাণ যাতে দ্রুত শুরু হয়, সেই বিষয়েও কথা বলেছেন রেলমন্ত্রীর সঙ্গে। বালুরঘাট থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন চলাচলের প্রস্তাব আগেই রেখেছিলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু অন্য ট্রেনের সঙ্গে টাইম ম্যাচ না করায় এই ট্রেন দেওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেছিলেন সুকান্ত। এবার হাটে বাজারে এক্সপ্রেসের নতুন টাইম সিডিউল করার মাধ্যমে নতুন ট্রেনের টাইম টেবিল পাওয়া যাবে বলে দাবি তাঁর। এছাড়াও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর বুনিয়াদপুরে একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কোচবিহার থেকে দেওঘর পর্যন্ত ভায়া মালদা একটি নতুন ট্রেন চালুর কথাও বলেছেন তিনি।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার এবং জেলার বিশিষ্টরা (Balurghat)?

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুরে (Balurghat) রেলের উন্নতিকল্পে যা যা করা দরকার, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন রেলমন্ত্রী। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের এহেন ভূমিকায় খুশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাসিন্দারা। হিলি এসআইবি কলেজের অধ্যাপক তথা গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা অভিজিৎ সরকার বলেন, সাংসদের এহেন পদক্ষেপ খুবই ইতিবাচক এবং বাস্তবিক। এর দ্বারা আমরা প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হব। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে ধন্যবাদ। কবি ও সাহিত্যিক তথা বালুরঘাটের বাসিন্দা বঙ্গরত্ন বিশ্বনাথ লাহা বলেন, খুবই ভাল উদ্যোগ। আমরা আশা করি সাংসদের দেওয়া প্রস্তাবগুলি ফলপ্রসূ হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ‘গণতন্ত্রের শ্মশান যাত্রা’ আয়োজন করলেন বিজেপি বিধায়ক, উত্তেজনা বালুরঘাটে

    Dakshin Dinajpur: ‘গণতন্ত্রের শ্মশান যাত্রা’ আয়োজন করলেন বিজেপি বিধায়ক, উত্তেজনা বালুরঘাটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে গণতন্ত্র বিপন্ন, মৃত্যু হয়েছে সুস্থ গণতন্ত্রের, তাই তার পুনর্জন্ম কামনা করে ‘গণতন্ত্রের শ্মশান যাত্রা’ করলেন বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী। শনিবার সকালে বিজেপির শহর মন্ডল কমিটির ডাকে অশোক লাহিড়ীর নেতৃত্বে এই শ্মশান যাত্রার আয়োজন হয়। গণতন্ত্রের শ্মশান যাত্রাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত।

    কী ঘটেছে ঘটনা (Dakshin Dinajpur)?   

    দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলার বালুরঘাট বিজেপি পার্টি অফিস থেকে খিদিরপুর শ্মশান পর্যন্ত গণতন্ত্রের শব নিয়ে শ্মশান যাত্রা করল বিজেপি। বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ী, প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি বিনয় বর্মন শহর মন্ডলের সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত সহ বিজেপি নেতৃত্বরা শনিবার গণতন্ত্রের শব নিয়ে শ্মশান যাত্রা হয়। দীর্ঘ প্রায় তিন কিমি পথ অতিক্রম করে খিদিরপুর শ্মশানে যায় গণতন্ত্রের শব মিছিল। অশোক লাহিড়ী নিজেই মৃতদেহ বহন করেন।

    কেন শ্মশান যাত্রা?

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে। সেই মৃত্যু ঘটিয়েছে রাজ্য সরকার, মনোনয়ন জমা দেওয়ার থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভোটে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন প্রায় ২০ হাজার প্রার্থী। এটা সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ নয়, সেই কারণেই গণতন্ত্রের মৃতদেহ দাহ করে তার পুনর্জন্ম হোক, এই আশা প্রকাশ করলেন বিজেপি নেতা অশোক লাহিড়ী (Dakshin Dinajpur)।

    বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য?

    বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী (Dakshin Dinajpur) জানান, যেভাবে রাজ্যে খুন জখম বেড়ে চলেছে, নির্বাচন নিয়ে প্রতিটি বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ দিতে হচ্ছে, তাতে বোঝা যায় রাজ্যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। সেকারণে এদিন গণতন্ত্রের শ্মশান যাত্রা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা (Dakshin Dinajpur) সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, বালুরঘাটে আমরা দেখলাম গুটি কয়েক মানুষজন দলবল বেঁধে গণতন্ত্রের শ্মশান যাত্রা করলেন। আমি বলবো পশ্চিমবঙ্গে কোনও গণতন্ত্র হত্যা হয়নি। গণতন্ত্র হত্যা হয়েছে ২০১৪ সালে যখন ভারতবর্ষে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাটে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার, সরব বিজেপি

    Balurghat: বালুরঘাটে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী প্রায়ই বাড়িতে থাকেন না। বালুরঘাটে এক (Balurghat) বস্তি বাড়িতে একাই থাকতেন এক গৃহবধূ। আর এই সুযোগ বুঝে, এলাকার তিন যুবক দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে এক মহিলাকে গণধর্ষণ করে। শুধু তাই নয়, মদ্যপ অবস্থার ওই যুবকেরা বধূকে মদ্যপান করতে বাধ্য করে। সেই মদ ঢেলে দেওয়া হয় যৌনাঙ্গেও। চলতে থাকে পাশবিক অত্যাচার। থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করল বিজেপি।

    বালুরঘাটে (Balurghat) কেমন করে ঘটল এই ঘটনা!

    তিনদিন আগের ঘটনা হলেও, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে গতকাল। ওই গৃহবধূর বয়ান অনুযায়ী, বালুরঘাট (Balurghat) শহরের একটি বস্তি এলাকায় থাকেন তিনি। তিনি পেশায় কুলফি বিক্রেতা। কাজের জন্য স্বামী প্রায়ই বাড়িতে থাকতেন না। দিন তিনেক আগে ওই গৃহবধূ যখন একাই বাড়িতে ছিলেন, ওই সময় এলাকার তিন প্রতিবেশী যুবক তাঁর ঘরে ঢুকে তাঁকে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণের পরও চলতে থাকে পাশবিক অত্যাচার। ওই গৃহবধূর আরও অভিযোগ, তিনি চিৎকার করলেও এলাকার কেউই তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি। ধর্ষণের পর তিনি নিজেই বালুরঘাট থানার দিকে পায়ে হেটে যেতে শুরু করলে, পথে এক জায়গায় মাথা ঘুরে বসে পড়েন। এরপর সেখান থেকে খবর যায় বালুরঘাট থানায়। বালুরঘাট থানার পুলিশ এসে, ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে, বালুরঘাট সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে এই হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা বালুরঘাট থানায় জানান।

    ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা

    ধর্ষণের তিনদিন পর তিনি বালুরঘাট (Balurghat) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে তল্লাশি শুরু করেছে। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, ওই গৃহবধূ কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। অভিযুক্ত প্রতিবেশীদের সঙ্গে পুরোনো পারিবারিক গোলমাল রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফলে গণধর্ষণের অভিযোগ উদ্দেশ্য প্রণোদিত কি না, তা যেমন খতিয়ে দেখা হচ্ছে, ঠিক তেমনই ওই গৃহবধূর অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে বালুরঘাট থানার পুলিশ।

    বিজেপি রাজ্য সভাপতির বক্তব্য

    গণধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধীরা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘শুধু বালুরঘাটেই (Balurghat) নয়, সারা রাজ্য জুড়ে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তায় অপরাধ বেড়েই চলেছে। নানা ভয়ানক ঘটনা একেবারে আড়াল করে ফেলা হচ্ছে, কোনও কেসই হয়না। সেগুলির রেকর্ড রাখা হয়না।’ তিনি আরও বলেন, রাজ্যের শাসক দলের নির্দেশে এমন সুন্দর করে পুলিশ রেকর্ড তৈরি করে যে সেরার পুরস্কার পেয়ে যায় থানাগুলি। এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর পুলিশ সুপার রাহুল দে জানিয়েছেন, ঘটনার অভিযোগ পেয়েই মামলা শুরু করা হয়েছে এবং বর্তমানে তদন্ত চলছে। গণধর্ষণের পিছনের দোষীরা কবে ধরা পরবে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাটে ছাগলের মড়ক, আতঙ্কিত এলাকাবাসী

    Balurghat: বালুরঘাটে ছাগলের মড়ক, আতঙ্কিত এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাগলের মারণ রোগ দেখা দিয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের কামারপাড়া এলাকায়। ছাগলের মড়কে ক্ষতিগ্রস্ত পশুপালন করে জীবিকা নির্বাহ করা গ্রামের মানুষের জীবন। পাশাপাশি, বসন্ত জাতীয় রোগের লক্ষণ দেখা দেওয়ায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। ছাগলের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায়, এবার তা মানুষের মধ্যে ছড়াবে কিনা, তা নিয়ে আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা।

    বালুরঘাটে (Balurghat) ছাগলের রোগ কী?

    রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা যায় ছাগলের চামড়ায় গুটি গুটি দেখা যাচ্ছে। পরবর্তীতে সেখান থেকে ঘা সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলেই ছাগলের মৃত্যু ঘটছে। আক্রান্ত ছাগল থেকে অন্য ছাগলে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। কামারপাড়া (Balurghat) এলাকায় এখনও পর্যন্ত প্রায় তিরিশটি আক্রান্ত ছাগলের মৃত্যুর ঘটনা জানা গিয়েছে। ছাগলের মৃত্যুর ঘটনায় যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামের গরিব মানুষ, অপরদিকে, ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে খাসির মাংস বিক্রেতাদেরও। এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ছাগলের মড়কের ঘটনা জানাজানি হতেই গ্রামের হাট গুলোতে খাসির মাংস বিক্রি কমে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। বালুরঘাট ব্লক পশু চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসক আদিত্য কুমার পাল জানান, ছাগলে সংক্রমিত পক্স রোগ, চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় হয়। আতঙ্কের কারণ নেই। এই প্রসঙ্গে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি সম্পাদক বাপী সরকার জানান, গ্রামের বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    সংক্রমণে বাসিন্দাদের অভিযোগ 

    কামারপাড়া (Balurghat) স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, ছাগলের মধ্যে রোগ দ্রুত সংক্রমণের ফলে বহু ছাগলের মৃত্যু হচ্ছে। রোগ সংক্রমণের কারণে আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। পাশাপাশি, ছাগলের মৃত্যুতে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে অনেককে। এলাকার মানুষের দাবি, সরকারি কোনও চিকিৎসা আমরা পাচ্ছি না। নিজেদের পকেট থেকে টাকা খরচ করে প্রাইভেট ডাক্তার দেখাতে হচ্ছে। আমরা চাই সরকারি ভাবে এই রোগের চিকিৎসা হোক।

    গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের (Balurghat) প্রধান মিরিলা মুর্মু জানান, ছাগলের মৃত্যুতে গরিব গ্রামবাসীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ছাগলের মধ্যে রোগ সংক্রমণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাণী সম্পদ বিভাগকে জানানো হবে। এলাকায় মাইকিং করে পশু চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে ছাগলের চিকিৎসা নিতে বলা হবে স্থানীয় মানুষদের।

    প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দফতরের বক্তব্য

    প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দফতরের (Balurghat) ডেপুটি ডিরেক্টর অভিজিৎ মন্ডল জানান, ছাগলের বসন্ত রোগের বিষয়টি জানতে পেরেছি। গ্রামবাসীদের ছাগলের চিকিৎসা করাতে বলবো। রোগটি ছাগল থেকে ছাগলের মধ্যে সংক্রমিত হলেও, মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হ‌ওয়ার সম্ভাবনা নেই। আতঙ্কের কারণ নেই। প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: রেল লাইনের সম্প্রসারণে গায়েব হচ্ছে গ্রামের আস্ত একটি পাড়া

    Balurghat: রেল লাইনের সম্প্রসারণে গায়েব হচ্ছে গ্রামের আস্ত একটি পাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট-হিলি (Balurghat) রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য গায়েব হতে যেতে চলেছে গ্রামের আস্ত একটি পাড়া। এর ফলে ওই গ্রামের প্রায় ২৫টি পরিবার গৃহহীন হয়ে যেতে বসেছে। জমির দলিল বা পাট্টা না থাকায়, তাঁরা কেউ ক্ষতিপূরণও পাবেন না বলে জানা গেছে। ফলে আচমকা এই পরিবারগুলির ওপরে নেমে এসেছে আশঙ্কার কালো ছায়া। স্থানীয়রা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি তুলেছে। সরব হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলিও। এই পাড়াকে ঘিরে আন্দোলন তৈরী হচ্ছে বালুরঘাটে।

    কোথায় চলছে রেলের জন্য জমি (Balurghat) অধিগ্রহণ

    বালুরঘাটের (Balurghat) চকভৃগু থেকে ভাটপাড়া, অমৃতখণ্ড হয়ে হিলির দিকে চলে গিয়েছে রেললাইন। দীর্ঘ টালবাহানার পর সম্প্রতি রেলের কাজের জন্য রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ শুরু করেছে। জমি চিহ্নিতকরণ করে খুঁটি বসানো হয়েছে। ঠিক সেই সময় অমৃতখণ্ড পঞ্চায়েতের ডুমইর গ্রামের চক আমোদ পাড়াটি পুরোটাই পড়েছে রেলের চিহ্নিত করা জমির মধ্যে। দীর্ঘ সময় ধরে এই জমিতে বসবাস করছিল ওই কয়েকটি পরিবার। ওই পরিবারগুলিকে কেন্দ্র করেই এলাকায় গড়ে উঠেছিল পাড়াটি। এবার জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হতেই প্রায় ২৫টি বাড়ি ও দৌল্লা প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রস্তাবিত রেললাইনের মধ্যে পড়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু এলাকার বাসিন্দাদের জমির কোনও দলিল বা পাট্টা না থাকায়, তাঁরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না বলে জানা গেছে। ফলে গ্রামবাসীদের বক্তব্য, গরিব মানুষের বাড়িঘর চলে গেলে তাঁরা কোথায় থাকবেন?

    গ্রামের (Balurghat) মানুষের প্রতিক্রিয়া

    গ্রামের (Balurghat) বাসিন্দা বৃদ্ধা মুক্তিরানি সরকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করছি। আমাদের বাড়ি, স্কুল সবই রেলের জমির মধ্যে পড়ে গিয়েছে। তাই সরকারের কাছে আবেদন, আমাদের অন্যত্র থাকার ব্যবস্থা করে দিন। আবার স্থানীয় গৃহবধূ গৌরী বর্মন বলেন, আমাদের পাড়ার প্রায় সবাই গরিব। সকলেরই প্রায় দিন এনে দিন খাওয়া পরিবার। রেল তার জমি চিহ্নিত করে গিয়েছে। সরে যেতে বলেছে আমাদের। কিন্তু আমাদের অন্যত্র জমি কেনার ক্ষমতা নেই! কী করব বুঝতে পারছি না !

    রাজনৈতিক দলের প্রতিক্রিয়া

    একইভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি গ্রামবাসীদের (Balurghat) পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। বিজেপির তরফে জেলা শাসকের কাছে ওই এলাকার মানুষদের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন দলের জেলা সম্পাদক বাপি সরকার। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে বসবাস করেও জমির দলিল বা পাট্টা না থাকায় এতদিন সরকারি কোনও সুযোগসুবিধা পাননি ওই পাড়ার বাসিন্দারা। রেলের তরফেও কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না তাঁরা। তাই তাঁদের পুনর্বাসনের দাবি নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে আমাদের আন্দোলন চলবে। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে বসবাস করা মানুষের পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ নিয়ে, সরকার কিছু ভাবেন কি না, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share