Tag: Balurghat

Balurghat

  • Balurghat: রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে পথ অবরোধ বালুরঘাটে

    Balurghat: রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে পথ অবরোধ বালুরঘাটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই খারাপ, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের উদাসীনতায় সংস্কারও হয়না। এই দাবিতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন বালুরঘাটের ভেরেন্ডা এলাকার বাসিন্দারা।

    ভেরেন্ডা মোড় থেকে আসইর গ্রাম পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘ দিন খারাপ

    চলাচলের একমাত্র রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে সোমবার সকালে বালুরঘাট ব্লকের ভেরেন্ডা এলাকায় বালুরঘাট-তপন রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। চলতে থাকে বিক্ষোভ ও স্লোগান। ব্যস্ততম রাজ্য সড়ক অবরোধ হওয়ার দরুন আটকে পরে যানবাহন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বালুরঘাট থানার পুলিশ। জানা গেছে, ভেরেন্ডা মোড় থেকে আসইর গ্রাম পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই খারাপ। অভিযোগ, বারবার বলা সত্ত্বেও হেলদোল নেই নেতা থেকে প্রশাসনিক আধিকারিক কারোরই। এদিন ওই এলাকায় খাঁড়ির উপর ভাঙা সেতুরও সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন অবরোধকারীরা। প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে তাঁরা জানিয়েছেন, দ্রুত রাস্তা সারাইয়ের প্রতিশ্রুতি না মিললে তাঁরা পথ অবরোধ তুলবেন না। 

    প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আড়াই ঘন্টা অতিক্রান্ত হলেও অবরোধ তোলেননি আন্দোলনকারীরা, এমনটাই জানা গেছে। এদিকে রাস্তা অবরোধের কারণে আটকে পড়ে গঙ্গারামপুর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায়ের গাড়ি। পরে তিনি ঘুরপথে খাসপুর হয়ে বালুরঘাটে। মূলত আদিবাসী সমাজের মহিলারা এই পথ অবরোধে সামিল হয়েছেন।

    কী বলছেন অবরোধকারীরা ?

    বেহাল রাস্তার কারণেই তাঁর শ্বশুর পথ দুর্ঘটনায় মারা যান, এই অভিযোগ তুলে সরস্বতী সোরেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল এই রাস্তা। আজ আমরা তাই সবাই জড়ো হয়েছি রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে। অন্যদিকে একই মত বাণী মুর্মুর। তিনি বলেন, প্রতিদিন রোগী থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রীরা এদিকে যাতায়াত করে। রাস্তা এমন হয়ে থাকলে যেকোনও মুহুর্তে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এর আগেও বেহাল রাস্তার কারণে পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন বাণীদেবী।

    আরও পড়ুুন: ফের প্রকাশ্যে কংগ্রেসের কোন্দল, গেহলটের বিরুদ্ধে অনশনে বসবেন পাইলট

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: পানীয় জল নিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারের দাদাগিরি! পাম্প হাউসে তালা দিলেন বাসিন্দারা, কোথায় জানেন?

    Drinking Water: পানীয় জল নিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারের দাদাগিরি! পাম্প হাউসে তালা দিলেন বাসিন্দারা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের পক্ষ থেকে গ্রামবাসীদের পানীয় জল (Drinking Water) সরবরাহ করার জন্য পাম্প বসানো হয়। সেই পাম্প চালানোর জন্য একজন অপারেটর নিয়োগ করা হয়। কিন্তু, পানীয় জল (Drinking Water) গ্রামবাসীদের সরবরাহ করার পরিবর্তে পাম্প অপারেটর নিজের জমিতে সেই জল ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ। এমনই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল দক্ষিণ দিনাজপুরে বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নকসা গ্রামে। পাম্প অপারেটর শ্যামল মণ্ডলের ছেলে সঞ্জয় মণ্ডল বালুরঘাট থানার সিভিক ভলান্টিয়ার। থানার সিভিক হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় দাদাগিরি করে পানীয় জল (Drinking Water) নিজের জমির জন্য ব্যবহার করছেন। যা নিয়ে এলাকাবাসী ক্ষোভ ফুঁসছেন। রবিবারই গ্রামবাসীরা জোটবদ্ধ হয়ে পাম্প অফিসে গিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।

    গ্রামবাসীদের কী বক্তব্য? Drinking Water

    ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নকসা, মাঝিগ্রাম, সাঁতরাই গ্রামের পানীয় জলের পাইপলাইন রয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের মাধ্যমে গ্রামগুলিতে পানীয় জল (Drinking Water) সরবরাহ করার কথা। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, গ্রামে জল দেওয়ার পরিবর্তে চাষের জমিতে জল ব্যবহার করা হয়। জমিতে জল দেওয়ার জন্য এলাকায় সেচ দপ্তরের একাধিক শ্যালো মেশিন রয়েছে। অভিযোগ, সেই জলের টাকা বাঁচাতে নিজের জমিতে পানীয় জল (Drinking Water) ব্যবহার করছেন পাম্প অপারেটর শ্যামল মণ্ডল। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, বেশিরভাগ সময় অপারেটর থাকে না। তাঁর ছেলে সিভিক ভলান্টিয়ার জলের মেশিন চালান। নিজের প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের জমিতে জল নেন। পাম্পিং স্টেশন চত্বরেই গোয়াল ঘর পর্যন্ত তৈরি করেছেন। যদিও পাম্প অপারেটর শ্যামল মণ্ডল বলেন, গ্রামবাসীদের আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি নিয়মিত পাম্প চালাই। জমিতে পানীয় জল ব্যবহার করা হয় না। কখনও পাম্প পরিষ্কার করার জন্য জমিতে জল দেওয়া হয়। অন্য কোনও কারণ নেই। আর ছেলে সিভিক বলে কোনও দাদাগিরি দেখাই না। সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় মণ্ডল বলেন, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি পাম্প কখনও চালাইনি।

    কী বললেন প়ঞ্চায়েত প্রধান ? Drinking Water

    তৃণমূল পরিচালিত ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মুকুল মুর্মু বলেন, ক্ষোভে গ্রামবাসীরা পাম্প হাউসে তালা দিয়ে দেয়। আমি গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেছি। এই ধরনের ঘটনা যাতে না হয় তারজন্য অভিযুক্ত পাম্প অপারেটরকে বলা হয়েছে। দপ্তরে বিষয়টি জানানো হবে। এভাবে চলতে থাকলে ওই পাম্প অপারেটরকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব? Drinking Water

    বিজেপি জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, পানীয় জল (Drinking Water) চাষের জমিতে ব্যবহারের অভিযোগ শুনেছি। জানলাম এলাকার এক সিভিক ভলান্টিয়ার তার প্রভাব খাটিয়ে এসব করছেন। গ্রামীণ অঞ্চলে সিভিক ভলান্টিয়ারেরা এই ভাবেই প্রভাব বিস্তার করে অনৈতিক কাজ করে চলেছে। এই ঘটনার তীব্র বিরোধিতার পাশাপাশি তদন্তেরও দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fish: দক্ষিণ দিনাজপুরের আত্রেয়ী নদী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে এই মাছ! কী সেই মাছ জানেন?

    Fish: দক্ষিণ দিনাজপুরের আত্রেয়ী নদী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে এই মাছ! কী সেই মাছ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট। বালুরঘাট শহরের বুক চিরে চলে গিয়েছে আত্রেয়ী নদী। রাইখোর মাছের (Fish) জন্য বহু সুখ্যাতি ছিল এই নদীর। মৎস্যজীবীদের জীবন জীবিকার বড় আধার ছিল এই মাছ। কারণ, নৌকা নিয়ে নদীতে নামলেই তাঁরা প্রচুর পরিমাণে রাইখোর মাছ (Fish) বাজারে নিয়ে যেতে পারতেন। বিক্রি করে ভালো টাকা মুনাফা হত। কয়েক বছর আগে বালুরঘাট শহরের তহ বাজার, সাহেবকাছারি বাজার সহ শহরের বিভিন্ন বাজারে রাইখোর মাছ (Fish) দেখা যেত। আমদানিও ভালো ছিল। শুধু জেলাবাসী নয় ভিন জেলার মানুষের চাহিদার জোগান দিত এই নদী। এক সময় এই রাইখোর মাছ (Fish) রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যেত। যদিও এখন তা ইতিহাস। আত্রেয়ীর ঐতিহ্য ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। জেলায় রাইখোর মাছের ভালো চাহিদা রয়েছে। কিন্তু, চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে পারছে না আত্রেয়ী নদী, যার ফলে রাইখোর মাছের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মৎস্যপ্রেমীরা। ধীরে ধীরে বালুরঘাটের বাজার গুলিতে আর সেইভাবে দেখা মিলছে না রাইখোর মাছের।

    আত্রেয়ী থেকে কেন হারিয়ে যাচ্ছে রাইখোর মাছ? Fish

    বর্ষার পর আত্রেয়ী নদীর জল ক্রমশ কমতে থাকে। ফলে, কিছু কিছু জায়গায় নদীতে জল প্রায় শুকিয়ে যায়। এছাড়া একসময় এই নদীর গতিপথে প্রচুর বিলের সঙ্গে সংযোগ ছিল। বিলগুলিতে বাঁধ দেওয়ার কারণে নদীর সঙ্গে কোনও সংযোগ নেই। আর নদীতে মাত্রাতিরিক্ত দূষণ এই মাছ হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তবে, জেলার পরিবেশপ্রেমীরা আত্রেয়ী নদীতে রাইখোর মাছ যাতে পাওয়া যায় তার জন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগে বেশ কয়েকবার আত্রেয়ী নদীতে মাছের চারাও ছাড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এখন সেটাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মৎস্যজীবীরা বলেন, আগের নৌকা নদীতে নামালেই ঝুড়ি ভর্তি করে রাইখোর মাছ (Fish) পেতাম। এখন সারাদিন নৌকা নিয়ে নদীতে চষে বেড়ালেও এই মাছ (Fish) পাই না। অথচ এখন এই মাছের বিশাল চাহিদা। বাজারে ৫০০ টাকা কেজি। নদীতে এই মাছের (Fish) যোগান থাকলে খুব ভাল হত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হলে খুব ভাল হয়।

    জেলা মৎস্য দপ্তরে আধিকারিক  অভিজিৎ সরকার বলেন, রাইখোর মাছ (Fish) মৃদু বাহিত জলে  ডিম পাড়ে। এরজন্য আত্রেয়ী নদীর তীরে যেখানে ঘাস জাতীয় উদ্ভিত থাকে, সেখানে ডিম পারে। কিন্তু, আত্রেয়ী নদী তীরে দূষনের কারণে রাইখোর মাছ আর ডিম পাড়তে পারে না। রাইখোর যাতে বিলুপ্ত না হয়, সেজন্য কৃত্রিমভাবে পুকুরে চাষ করা হলেও আত্রেয়ী নদীর মাছের মত তার স্বাদ নেই। পরিবেশপ্রেমী তুহিন শুভ্র মণ্ডল বলেন, রাইখোর মাছ আমাদের অহংকার ছিল। জেলায় রূপালি মাছ বলে পরিচিত ছিল। বাবা-ঠাকুরদা কাছে শুনেছি, দুর্গা পূজার পর পর আত্রেয়ী নদীতে রাইখোর মাছ (Fish) এত যোগান হত যে নদীর জলের রঙ বোঝা যেত না। এখন এই মাছ নদীতে বিলুপ্ত। পুকুরে চাষ করা মাছের সেই স্বাদ নেই। আসলে বাংলাদেশের আত্রাই নদীর সঙ্গে আমাদের আত্রেয়ী নদী সংযোগ রয়েছে। এতে নদীর প্রবহমান ছিল। কিন্তু, বর্তমানে নদীর প্রবহমান বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এই মাছ হারিয়ে যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bridge: গ্রামের নাম শুনলেই কেউ ছেলে বা মেয়েদের বিয়ে দিতে চান না, কেন জানেন?

    Bridge: গ্রামের নাম শুনলেই কেউ ছেলে বা মেয়েদের বিয়ে দিতে চান না, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  গ্রামের নাম শুনলেই কেউ সেই গ্রামে ছেলে বা মেয়েদের বিয়ে দিতে চান না। ভালো সম্বন্ধ এলে তা পিছিয়ে যায়। মাথায় হাত দিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটান গ্রামের বাসিন্দারা। এ আবার কেমন গ্রাম? আমাদের রাজ্যেই রয়েছে এমন গ্রাম। জানতে ইচ্ছে করছে কোথায়? দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ব্লকের জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট দেউড়া গ্রামে গিয়ে বাসিন্দাদের দুর্দশা দেখলে আপনারও সেখানে দুবার যেতে ইচ্ছে করবে না। বিয়ের কথা তো অনেক দূরের বিষয়।

    কেন এই গ্রামে ছেলে বা মেয়েদের বিয়ে দিতে চান না?

    ছোট দেউড়া আসতে গেলে কাশিয়া খাড়ি পার হতে হয়। সেই কাশিয়া খাড়িতে সেতু (Bridge) তৈরির দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। এখনও তা তৈরি হয়নি। নেই গ্রামে রাস্তা। ফলে, উন্নয়নের আলোর কোনও ছোঁয়া লাগেনি এই গ্রামে। প্রাথমিক স্কুল যেতেও কচিকাঁচাদের খাড়ি পার হতে হয়। গরমকালে খাড়িতে জল কম থাকায় বাঁশের নড়বড়ে সেতুই গ্রামবাসীদের পারাপারের ভরসা। কিন্তু, বর্ষার সময় খাড়িতের জল টল টল করে। তখন খাড়ি পার হওয়া মস্তবড় ঝুঁকি হয়ে পড়ে। জলঘর পঞ্চায়েত থেকে ছোট দেউড়া কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। স্বাধীনতার এত বছর পরেও এই গ্রামে এই পরিষেবার হাল দেখেই কেউ ছেলে বা মেয়েদের এই গ্রামে বিয়ে দিতে চান না বলে জানালেন স্থানীয় বাসিন্দা বিজয় সরকার। তিনি বলেন, আমরা কোনও ভাল পরিবারে ছেলে বা মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গেলে আমাদের গ্রামের নাম শুনে কেউ আর সম্পর্ক তৈরিতে এগিয়ে আসেন না। সেতু (Bridge) না থাকার কারণে প্রসূতি কিংবা কোনও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চরম নাকাল হতে হয়। ফলে, আমরা চরম মনকষ্টে রয়েছি।

    দাবি আদায়ে গ্রামবাসীরা জোটবদ্ধ হয়ে পথে নেমেছেন। তবে, সামনে পঞ্চায়েত ভোট বলে নয়, এর আগে গত বিধানসভা নির্বাচনেও তাঁরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন। রাজনীতির কারবারিরা এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ভোট মিটতেই তাঁদের আর দেখা নেই। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। এবার তাঁরা ফেস্টুন তৈরি করে ভোট বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই বিষয়ে জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান গোপাল মুর্মু বলেন, বর্তমানে রাস্তা ও সেতুর জন্য টাকা ঢোকার কথা রয়েছে, টাকা এলেই কাজ শুরু করে দেওয়া হবে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বুধন মার্ডিও দাবি আদায়ের গ্রামবাসীদের এই ভোট বয়কটের সিদ্ধান্তকে নৈতিকভাবে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, আমরা রাজনৈতিক দল হিসেবে ভোট বয়কট সমর্থন করি না। কিন্তু, গ্রামবাসীদের রাস্তা ও সেতুর দাবি ন্যায্য। বিজেপির পক্ষ থেকেও জানাই যে, প্রশাসন যেন গ্রামবাসীদের দাবি মেনে এলাকার রাস্তা ও সেতুর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

LinkedIn
Share