Tag: bamboo bridge

bamboo bridge

  • South 24 parganas: এই কি তৃণমূলের ‘উন্নয়নের জোয়ার’? দীর্ঘ ৩৫ বছরেও বাঁশের সেতু পাকা হল না!

    South 24 parganas: এই কি তৃণমূলের ‘উন্নয়নের জোয়ার’? দীর্ঘ ৩৫ বছরেও বাঁশের সেতু পাকা হল না!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরু একটি বাঁশের সেতু। আর তার ওপর দিয়েই নিত্যদিন প্রাণ হাতে করে যাতায়াত করতে হচ্ছে এলাকার মানুষকে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপ বিধানসভার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। এর অধীনে বটতলা এলাকায় এমনই ছবি দেখা গেল। এলাকার স্থানীয় মানুষদের (South 24 parganas) দাবি, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে একটি বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়েই প্রাণ হাতে করে পারাপার করতে হয় ২০০ থেকে ২৫০টি পরিবারকে। আর এই বেহাল সাঁকো এখনও পর্যন্ত বেহাল হয়েই পড়ে রয়েছে। এটি বটতলা ও দুর্গানগর-দুটি গ্রামের সংযোগকারী সাঁকো। নিত্যদিনই এলাকার মানুষজনকে পড়তে হয় বহু অসুবিধায়। স্কুল, কলেজ পড়ুয়া, প্রসূতি মা কিংবা রোগীর পরিবারের লোকজনের এই বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়েই নিত্যদিন যাতায়াত করতে হয়। এমনকি কয়েকবার পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটেছে। তারপরেও হেলদোল নেই প্রশাসন থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। এলাকার মানুষজনের আরও অভিযোগ, ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি মেলে এই বেহাল সাঁকো মেরামতের কাজ হবে। শুধু প্রতিশ্রুতি মেলে, কিন্তু কাজ আর হয় না।

    রাজনীতির টানাপোড়েন (South 24 parganas)

    তবে বিষয়টি নিয়ে বর্তমান নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের (South 24 parganas) প্রধান প্রিয়াঙ্কা দাস জানান, এই বিষয়টি নজরে এসেছে। তিনি তাঁর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে এই বেহাল সাঁকো মেরামতের আশ্বাস দেন। তবে এই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির কাকদ্বীপ বিধানসভার কনভেনর অভিজিৎ দাস বলেন, শাসক দল যতই প্রতিশ্রুতি দিক না কেন, কোনও দিন এরা চুরি ছাড়া অন্য কাজ করে না। তবে এই বিষয় নিয়ে তাঁরা বিডিওকে জানিয়েছেন আগেও। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাজ হয়নি। আবার একবার জানাবেন। যদি কোনও কাজ না করেন, তাহলে এলাকাবাসীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন ছাড়া পথ নেই।

    একাধিক প্রশ্ন (South 24 parganas)

    তবে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে এই বেহাল অবস্থা কেন? উন্নয়নের জোয়ারে শাসক দলের কেন নজরে এল না এই সেতু? শুধুই কি তাহলে ভোটের রাজনীতি? উঠছে একাধিক প্রশ্ন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • River Bridge: বিধায়কের আশ্বাসও জলে! বাঁশের সেতুর বদলে পাকা সেতুর দাবি অধরাই

    River Bridge: বিধায়কের আশ্বাসও জলে! বাঁশের সেতুর বদলে পাকা সেতুর দাবি অধরাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট শহর সংলগ্ন রঘুনাথপুর থেকে ওপারের কালিকাপুর সংযোগকারী আত্রেয়ী নদীতে বাঁশের সেতুর বদলে পাকা সেতুর (River Bridge) দাবি স্থানীয়দের। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা এই দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু দিনের পর দিন তাঁরা প্রতিশ্রুতিই শুনে এসেছেন। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এমনকী বিধায়কের আশ্বাসও বিফলে গেছে।

    জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রোগীদের এপারে আনতে হয়

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ও বালুরঘাটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত আত্রেয়ী নদী। বালুরঘাট শহর সংলগ্ন রঘুনাথপুর ও কালিকাপুরের মাঝখানে থাকা আত্রেয়ী নদীর উপরেই রয়েছে অস্থায়ী বাঁশের সেতু। রঘুনাথপুর বা শহরের মানুষজনকে কাজের প্রয়োজনে ওপারে যেতে হয়। কিন্তু ওপারে থাকা কালিকাপুর, বেলাইন, ধাওল, ডাকরা, চন্দ্রদৌলা, পার্বতীপুর, মাহাতোপাড়া, কাশীপুর সহ আরও বেশ কিছু গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে রোজ সেতু পেরিয়ে সদর বালুরঘাট সহ অন্য যে কোনও প্রান্তে যেতে হয়। বালুরঘাটের রঘুনাথপুরে রয়েছে জেলা হাসপাতাল। ফলে ওপারের মানুষকে এপারে আসতে হয় এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রোগীদের এপারে আনতে হয়। বর্ষার কয়েকমাস নৌকায় পারাপার চললেও সারা বছর মানুষ যাতায়াত করে বাঁশের সেতু বানিয়ে। ২০১৭ সালে এলাকার একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী তথা ওই এলাকার সেই সময়কার বিধায়ক বাচ্চু হাঁসদা বাঁশের সেতুর বদলে পাকা সেতু (River Bridge) করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দ্রুত কাজ শুরু করা হবে বলে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেতু তৈরির ব্যাপারে কাউকে একধাপও এগতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ এলাকার মানুষের।

    বাসিন্দারা কী বলছেন?

    স্থানীয় বাসিন্দা রিন্টু সূত্রধর, মন্টু পাল অভিযোগ করে বলেন, আমাদের বাড়ি নদীর ওপারে। সারাদিনের কাজকর্ম করতে আমাদের বালুরঘাটে যেতে হয়। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে নদী পার হয়ে বালুরঘাটে আসতে খুব সমস্যায় পড়তে হয়। এদিকে সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে একেকজনকে নদী পারাপারের জন্য ১০ টাকা করে ভাড়া গুনতে হচ্ছে। আমরা এর আগে ব্রিজের দাবি করেছিলাম। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। আমরা চাই রঘুনাথপুর থেকে কালিকাপুর পর্যন্ত ব্রিজ (River Bridge) হোক। তবেই আমাদের যাতায়াতের সমস্যা মিটবে।

    ফের আশ্বাস পঞ্চায়েতের

    এই বিষয়ে বালুরঘাট ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কল্পনা কিস্কু বলেন, আমরা বালুরঘাট ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ওখানকার বাসিন্দাদের যে দাবি রয়েছে, তা নিয়ে ওপরমহলে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। পাকা সেতু (River Bridge) হলে দুই পারের মানুষেরই সুবিধা হবে। আমরা চেষ্টা করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share