Tag: Ban

Ban

  • Calcutta High Court: বাইকবাহিনীর দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বাইকবাহিনীর দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাইক বাহিনীর (Bike Rides) দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বাইক সফর নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের একাংশ সংশোধন করে দিল বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ১২ ঘণ্টা আগে নয়, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও প্রকার ‘বাইক ব়্যালি’ ও ‘গ্রুপ রাইডিং’ করা যাবে না। তবে, পারিবারিক সফর, কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এবং ইমার্জেন্সি সার্ভিসের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

    সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন (Calcutta High Court)

    প্রসঙ্গত, শেষ দফার নির্বাচনের আগে বাইক আরোহীদের নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন৷ কমিশনের নির্দেশ ছিল ভোটের ৩৬ ঘণ্টা আগে একমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া আর কোনও প্রকার বাইক সফর করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলার শুনানিতে গত শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছিলেন, “১২ ঘণ্টা আগে থেকে বাইক ব়্যালি করা যাবে না৷ তবে ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বাইকে করে ভোট দিতে যাওয়া যাবে৷”

    আদালতের নির্দেশ

    আদালত নির্দেশে এ-ও বলেছিল, “চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি পরিষেবা বা পারিবারিক কারণে বাইক নিয়ে বেরোনো যাবে। অ্যাপ বাইক-সহ খাবার ডেলিভারি পরিষেবা ও অফিসযাত্রীরা নিজের পরিচয়পত্র নিয়ে বাইক চালাতে পারবেন।” সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলায় কমিশনের তরফে আইনজীবীর মন্তব্য, “৩৬ ঘণ্টা আগে থেকে আমরা বাইক চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলাম। কিন্তু, হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ তা খারিজ করে দিয়েছে (Calcutta High Court)।” এদিন বিচারপতি শম্পা সরকারের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, “সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে সমস্যা কোথায়? আদালত কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” কমিশনের তরফে আইনজীবী বলেন, “বাইক বাহিনীর দাপট নিয়ে কমিশনের কাছে একাধিক অভিযোগ এসেছে (Bike Rides)৷ তা রুখতে গেলে, অবিলম্বে বাইক সফর বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হোক।” কমিশনের আইনজীবীর বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, “ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ‘বাইক ব়্যালি’ ও ‘গ্রুপ রাইডিং’ করা যাবে না। দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে, আদালত কারও ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না (Calcutta High Court)।”

     

  • Celebi Ban: সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল দিল্লি হাইকোর্টে

    Celebi Ban: সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:তুর্কি বিমান পরিষেবা সংস্থা সেলেবির (Celebi Ban) সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল রাখল দিল্লি হাইকোর্ট। সোমবার আদালত তুর্কি বিমান পরিষেবা সংস্থা সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের সুরক্ষা ছাড় বাতিল করার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে। এদিন বিচারপতি (Delhi High Court) শচীন দত্ত তাঁর নির্দেশে বলেন, “সরকারের এই সিদ্ধান্তে জাতীয় নিরাপত্তা জড়িত। তাই সেলেবি কর্তৃক দায়ের করা আবেদনগুলি খারিজ করে দেওয়া হল।” তিনি বলেন, “গুপ্তচরবৃত্তি বা লজিস্টিক ক্ষমতার দ্বৈত ব্যবহারের সম্ভাবনা নির্মূল করা প্রয়োজন। কারণ বহিরাগত সংঘাতের সময় এই ধরনের সংযোগ দেশের নিরাপত্তাকে বিপদের মুখে ফেলতে পারে।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ (Celebi Ban)

    পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং পরিষেবার মাধ্যমে এয়ারসাইড অপারেশন, বিমানের অভ্যন্তর, কার্গো, যাত্রী তথ্য ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা জোনে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়। এই ধরনের অবাধ প্রবেশাধিকার নিরাপত্তা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে, বিশেষ করে যখন পরিষেবা সংস্থার বিদেশি সংযোগ থাকে। সেলেবি তাদের আবেদনে বলে, কোনও পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং সরকার কোনও ব্যাখ্যাও দেয়নি। তারা আরও দাবি করে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ৩,৭৯১ জনের চাকরির ওপর প্রভাব পড়বে। তাদের বক্তব্য ছিল, “কোনও সত্তা কীভাবে একটি হুমকি — তা ব্যাখ্যা না করে শুধুমাত্র জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত কথার ফুলঝুরি আইনের দৃষ্টিতে ধোপে টেকে না।”

    কেন্দ্রের বক্তব্য

    সরকারের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কারণ প্রকাশ করলে সেই সিদ্ধান্তের (Celebi Ban) মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হত। তিনি বলেন, নভেম্বর ২০২২-এ যখন সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র রিনিউ করা হয়েছিল, তখন সংস্থা মেনে নিয়েছিল যে, কোনও কারণ না জানিয়েও সেই ছাড় বাতিল করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত, ১৫ মে ভারতের বিমান চলাচল নিরাপত্তা সংস্থা ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সেলেবির নিরাপত্তা অনুমোদন বাতিল করে। এই সিদ্ধান্তটি (Delhi High Court) এমন একটা সময়ে এল, যখন তুরস্ক পাকিস্তানকে ড্রোন সরবরাহ করে এবং ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ বিমান হামলার নিন্দা করে (Celebi Ban)।

  • Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, জানেন কেন নিষিদ্ধ জেকেএনএফ?

    Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, জানেন কেন নিষিদ্ধ জেকেএনএফ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) শান্তি ফেরাতে তৎপর কেন্দ্র। উপত্যকাকে বিচ্ছিন্নভাবে না রেখে মূল স্রোতে ফেরানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে মোদি সরকার। এর জন্যই লোকসভা ভোটের আগে জম্মু ও কাশ্মীরে নতুন করে ‘তৎপরতা’ শুরু করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) মন্ত্রকের তরফে ‘বেআইনি কার্যকলাপে’ জড়়িত থাকার অভিযোগে জম্মু-কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রন্ট (Jammu Kashmir National Front) নামে একটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    কেন নিষিদ্ধ জেকেএনএফ

    নঈম আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন জেকেএনএফ-কে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে, ভারত-বিরোধী জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত থাকার কারণেই ওই সংগঠনের বিরুদ্ধে ‘বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন’ (ইউএপিএ) অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। উপত্যকায় (Jammu Kashmir) আপাতত, জম্মু কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রণ্ট (JKNF)-কে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই সংগঠন বেআইনি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। যা দেশের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য অনুকূল নয়। 

    এ প্রসঙ্গে এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ‘মোদি সরকার আজ জম্মু কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রন্টকে (Jammu Kashmir National Front) বেআইনি সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই দল জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করতে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে এবং সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে, জাতির সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতাকে চ্যালেঞ্জ করছে। আমরা ভারতের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সন্ত্রাস বাহিনীকে নির্মূল করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Porn Sites Ban: ৬৩ পর্নসাইটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র, দেখুন পূর্ণ তালিকা

    Porn Sites Ban: ৬৩ পর্নসাইটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র, দেখুন পূর্ণ তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ৬৩টি পর্নোগ্রাফিক সাইট (Porn Site) নিষিদ্ধ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এই মর্মে সাইটগুলির অ্যাক্সেস ব্লক করার নির্দেশিকা জারি করেছে ভারতীয় টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ (Department of Telecommunications বা DoT)। ২০২১ সালের নতুন তথ্য প্রযুক্তি আইন (I-T law) লঙ্ঘনের জন্য এই পর্ন ওয়েবসাইটগুলিকে ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

    ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারী (Internet service provider) সংস্থাগুলির কাছে ভারত সরকারের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের পক্ষ থেকে একটি ইমেল (Email) পাঠানো হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ এই ওয়েবসাইটগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পুনে আদালত ৬৩টি ওয়েবসাইটই বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল।

    আরও পড়ুন:কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দিগ্বিজয় ডামি প্রার্থী, কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের 

    মন্ত্রক জানিয়েছে, এই ওয়েবসাইটগুলি তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৩(২)(খ) ডিজিটাল মিডিয়া নৈতিকতা বিধি লঙ্ঘন করেছে। এই ওয়েবসাইটগুলিতে (Website) অশ্লীল কনটেন্ট (Obscene content) রয়েছে। মহিলাদের ভারমূর্তিকে আঘাত করার মতো কনটেন্ট রয়েছে। তাই অবিলম্বে ওয়েবসাইটগুলি ব্লক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই, পিএফআইকে ‘বেআইনি সংগঠন’ আখ্যা তিন রাজ্যের 

    ২০২১ সালে নয়া বিধি অনুযায়ী কোনও ওয়েবসাইটে নগ্নতা বা যৌনতা সম্পর্কিত (Sex related) কনটেন্ট থাকলে সরকার সেই ওয়েবসাইটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে। এমনকি ইন্টারনেট সরবরাহকারীদের বাধ্য করতে পারে ওই ওয়েবসাইটের ইউআরএল বন্ধ করাতে। পর্ন সাইটগুলি ব্লক করা হলে তা আর ফোন, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ সহ কোনও গ্যাজেটের আর অ্যাক্সেস করা যাবে না।

    আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের আগেই জোড়া বিস্ফোরণে কাঁপল উপত্যকা 

    প্রসঙ্গত ২০১৮ সালে উওরাখণ্ড (Uttarakhand) হাইকোর্টের নির্দেশনায় প্রায় ৮০০টিরও বেশী পর্নোগ্রাফিক সাইট নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। এবার নয়া নিষিদ্ধ ৬৩টি ওয়েবসাইটের নামের তালিকা নীচে দেওয়া হল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
     
  • Broken Rice: ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি ভারতের, কেন জানেন? 

    Broken Rice: ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি ভারতের, কেন জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিলম্বে ভাঙা চালের (Broken Rice) রফতানি (Export) নিষিদ্ধ (Ban) করল ভারত (India)। এই প্রেক্ষিতে ভাঙা চালের রফতানি নীতি ‘মুক্ত’ থেকে ‘নিষিদ্ধ’ করা হয়েছে। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১৫ সেপ্টেম্বর অবধি রফতানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। কারণ কোথাও কোথাও জাহাজে ইতিমধ্যেই রফতানির জন্যে মাল তোলা হয়ে গিয়েছে বা শুল্ক প্রক্রিয়া সম্পন্ন অথবা বিলিং হয়ে গিয়েছে। সেগুলিকে বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    মনে করা হচ্ছে এ বছর খরিফ শস্যের ফলন কম হতে পারে। এতে যোগান এবং দামেও প্রভাব পড়বে। আর তাতেই এই নিষেধাজ্ঞা বলে মনে করছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবারই অ-বাসমতি চালে (সিদ্ধ চাল বাদ দিয়ে) ২০ শতাংশ রফতানি শুল্ক ধার্য করেছে ভারত সরকার। এই শুল্ক লাগু হবে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে। 

    রেভিনিউ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ভুসি চালের (Husked Rice) পরেও ২০% রফতানি শুল্ক ধার্য করা হয়েছে। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস আরও বলেছে যে, কিছুটা ভাঙা বা সম্পূর্ণ ভাঙা চাল পালিশ করা হোক বা না হোক (সিদ্ধ চাল এবং বাসমতি চাল বাদ দিয়ে)- তার ওপরেও ২০% শুল্ক লাগু করা হবে।  
     
    এই খরিফ মরসুমে ধান চাষের আওতাধীন এলাকা আগের মরসুমের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ কম। ভারতীয় কৃষকরা এই খরিফ মরসুমে কম ধান চাষ করেছেন। খরিফ ফসল বেশিরভাগই বর্ষাকালে বপন করা হয় – মূলত জুন এবং জুলাই মাসে। ফসল কাটা হয় অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে।

    আরও পড়ুন: “দারুণ কাজ করছেন”, মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প
     
    ফসলের এলাকা হ্রাস পাওয়ার প্রাথমিক কারণ বর্ষা এবছর দেরিতে এসেছে। অনেকেই মনে করছেন, এবছর কম ফলনের ফলে দেশে খারিফ শস্যের ঘাটতি দেখা  দিতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্যে এ বছর মে মাসের শুরুতে গম রফতানিও নিষিদ্ধ করেছিল দেশ। গম রফতানি নিষিদ্ধ করার সময় সরকার বলেছিল, যে দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা পরিচালনার পাশাপাশি প্রতিবেশী এবং অন্যান্য দুর্বল দেশগুলির চাহিদা মেটাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।  

    ভারত সরকার শুধু গম রফতানি নিষিদ্ধ করেই থেমে থাকেনি। এর পরে কেন্দ্র আটা, ময়দা, সুজির মতো পণ্য রফতানিতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে খাদ্য শস্যের সরবরাহ কমেছে এবং দাম বেড়েছে। ইউক্রেন এবং রাশিয়া দুই প্রধান গম সরবরাহকারী দেশ। এই দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের কারণে গমের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাই আগে থেকেই সাবধান থাকতে চাইছে ভারত। 

LinkedIn
Share