Tag: bandel

bandel

  • Yug Nirman Yojana: যুগ নির্মাণ যোজনার তিন দিনের শিবিরে হল যজ্ঞ-প্রবচন দান

    Yug Nirman Yojana: যুগ নির্মাণ যোজনার তিন দিনের শিবিরে হল যজ্ঞ-প্রবচন দান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির ব্যান্ডেলে হয়ে গেল যুগ নির্মাণ যোজনার (Yug Nirman Yojana) তিন দিনের শিবির। শুক্রবার শুরু হওয়া এই শিবিরে কর্মকর্তারা ছাড়াও, যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ৫০ জন ভক্ত। এঁদের অনেকেই গায়ত্রী মন্ত্রে দীক্ষিত (Puja Pravachan)। তিনি দিনের এই শিবিরে হিন্দু সংস্কার মেনে হয়েছে পুংসবন সংস্কার-যজ্ঞ এবং প্রবচন দান। রীতি মেনে হয়েছে দীপ যজ্ঞও। সংস্থার তরফে শিবির পরিচালনা করেন গোকুল মুন্দ্রা এবং সঞ্জীব ব্যানার্জি।

    যুগ নির্মাণ যোজনার লক্ষ্য (Yug Nirman Yojana)

    যুগের পরিবর্তন ও মানবকল্যাণের লক্ষ্যে পণ্ডিত শ্রীরাম শর্মা আচার্য ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন যুগ নির্মাণ যোজনা। এটি শান্তিকুঞ্জ, হরিদ্বার এবং অল ওয়ার্ল্ড গায়ত্রী পরিবারের একটি সামাজিক ও আধ্যাত্মিক আন্দোলন। এর মূল লক্ষ্য মানুষের চিন্তা ও চরিত্রের উন্নতি ঘটিয়ে পৃথিবীতে শান্তি ও সদ্‌ভাব প্রতিষ্ঠা করা। মানুষের মধ্যে দেবত্ব প্রতিষ্ঠা করাও এই সংস্থার লক্ষ্য। যুগ নির্মাণ যোজনা হিন্দুদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে বছরভর নানা অনুষ্ঠান করেন। প্রতিটি মানুষেরই যে গায়ত্রী মন্ত্রে দীক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে, সকলেই যে নিত্য গায়ত্রী মন্ত্র পাঠ করতে পারেন, সেই আন্দোলনের বীজই সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে প্রাণপাত করছেন যুগ নির্মাণ যোজনার কর্তারা।

    পরিপাটি ব্যান্ডেলের আশ্রম

    বাংলায় যুগ নির্মাণ যোজনার একাধিক কেন্দ্র রয়েছে। তবে সব চেয়ে বেশি পরিচিত কলকাতা ও ব্যান্ডেলের কেন্দ্রগুলি। কলকাতায় রয়েছে মা গায়ত্রীর অনিন্দ্যসুন্দর বিগ্রহ। আর ব্যান্ডেলের আশ্রমে সব মিলিয়ে রয়েছে পাঁচটি মন্দির। একটিতে রয়েছেন মা কালী, অন্যটির অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা দুর্গা। একটি মন্দির রয়েছে মহাকালের। এই মন্দিরে রয়েছে দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের রেপ্লিকাও। এখানে মা গায়ত্রীর মন্দির রয়েছে দু’টি। একটি রয়েছে মায়ের এক মুখী মূর্তি, আর অন্যটিতে রয়েছে মায়ের পঞ্চমুখী বিগ্রহ। মন্দিরগুলিতে নিত্য অন্নভোগ হয়। সেই ভোগই প্রসাদ হিসেবে পরম শ্রদ্ধায় গ্রহণ করেন ভক্তরা। যুগ নির্মাণ যোজনার প্রধান কেন্দ্র হরিদ্বারে। সেখানে রয়েছে রাম আচার্য এবং তাঁর স্ত্রীর সমাধিস্থল। সেই সমাধিস্থলের অনুকরণেই ব্যান্ডেলেও বানানো হয়েছে হয়েছে একটি স্মৃতিসৌধ। এই সৌধের মাঝেই রয়েছে অখণ্ড জ্যোতির রেপ্লিকা। এই নামে সংস্থার একটি মাসিক পত্রিকাও রয়েছে। দেশ-বিদেশের একাধিক ভাষায় নিয়মিত প্রকাশিত হয় এই পত্রিকা। ব্যান্ডেলের এই আশ্রমে রয়েছে বিরাট গো-শালা, যজ্ঞ-শালা, এবং সবজি খেত।

    কর্মকর্তাদের বক্তব্য  

    সংস্থার তরফে সঞ্জীববাবু বলেন, “প্রতি বছর চার থেকে পাঁচবার আমাদের শিবির হয়। শিবিরে হিন্দু রীতি মেনে যাগ-যজ্ঞ-সহ নানা অনুষ্ঠান হয়। হয় প্রবচন দানও (Yug Nirman Yojana)। শিবিরে যোগ দেওয়া ভক্তদের জন্য আশ্রমের তরফে নিখরচায় খাওয়া-দাওয়া এবং থাকার ব্যবস্থা করা হয়। ভক্তরা স্বেচ্ছায় প্রণামী হিসেবে যা দেন, তাই আশ্রম চালানোর পাথেয়।” গোকুলবাবু বলেন, “হিন্দু ধর্ম বাঁচাতে আমাদের ভরসা মা গায়ত্রী। আমরা তাঁরই নাম জপ-ধ্যান করি। ভক্তরা চাইলে আমরা তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দীক্ষা-সহ নানা শুভ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে দিয়ে আসি। ভক্তদের সামর্থ্য না থাকলে আমরাই জিনিসপত্র নিয়ে (Puja Pravachan) গিয়েও দীক্ষা দান করে আসি। আমরা এভাবেই সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে চাই গায়ত্রী আন্দোলনের ঢেউ (Yug Nirman Yojana)।”

     

  • Bandel: ব্যান্ডেল সাবওয়েতে জমবে না আর জল! বড় উদ্যোগ নিল রেল

    Bandel: ব্যান্ডেল সাবওয়েতে জমবে না আর জল! বড় উদ্যোগ নিল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যান্ডেল (Bandel) স্টেশনকে কার্যত বিশ্বমানের করার ব্যাপারে সবরকম উদ্যোগ নিয়েছে রেল। কিন্তু, স্টেশন থেকে বাইরে বের হলেই ভয়াবহ পরিস্থিতি। সামান্য বৃষ্টি হলেই জল জমতে শুরু করে। বিশেষ করে সাবওয়ে জল থৈ থৈ করে। জল না কমলে যাতায়াত করতে সমস্যায় পড়তে হয়। এবার রেলের উদ্যোগে সেই সমস্যা সমাধান হতে চলেছে।

    নিকাশি নিয়ে রেলের পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে? (Bandel)

    সামান্য বৃষ্টি হলেই ব্যান্ডেল (Bandel) সাবওয়ের নীচে জমে থাকা জল। এই পথে রোজ হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। সকলের দুশ্চিন্তার একটা বড় কারণ হল এই সাবওয়ের জল। বছরের পর বছর ধরে একই সমস্যা। বর্তমানে সাবওয়ে সংস্কার করে নীচে দিয়ে নিকাশির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু, কার্যত বছরভরই এখানে জল জমে থাকে। আর বর্ষা এলে একেবারে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এবার সামগ্রিকভাবে ব্যান্ডেল স্টেশনের সামগ্রিক ভোলবদলের চেষ্টা করা হচ্ছে। আর কেবলমাত্র স্টেশনটি ঝাঁ চকচকে হবে, আর সাবওয়েতে হাঁটুজল থাকবে, সেটা তো বেমানান। সেকারণে এবার স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে বড় উদ্যোগ নিচ্ছে রেল। সম্প্রতি এনিয়ে বৈঠক হয়েছিল। সেখানে ঠিক করা হয়েছে, পুর এলাকায় যে সমস্ত নিকাশি নালাগুলি রয়েছে তা পুরসভার উদ্যোগে দ্রুত পরিষ্কার করা হবে। এদিকে এই নিকাশি নালা যে এলাকার ওপর দিয়ে রয়েছে, সেখানে একাধিক পঞ্চায়েত রয়েছে। সেই নিকাশি নালাও পরিষ্কার করা হবে। তবে এক্ষেত্রে পঞ্চায়েতকে সবরকম সহযোগিতা করবে রেল। তবে ওই নিকাশি যাতে আগামী দিনে নষ্ট না হয়ে যায় তার ব্যবস্থা করবে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ব্যান্ডেল থেকে যে রসভরা খাল রয়েছে, সেটা গঙ্গাতে গিয়ে মিশেছে। সেটা সংস্কার করতে না পারলে মূল সমস্যা কোনওটাই মিটবে না। সেকারণে রসভরা খাল সংস্কারের ওপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাররা বলেন, ব্যান্ডেল (Bandel) স্টেশন থেকে জিটি রোডে আসা কিংবা দিল্লি রোডে যাওয়ার জন্য এই সাবওয়ে একমাত্র ভরসা। ব্যান্ডেল থেকে মগরার দিকে যে অটো আসে তা এই সাবওয়ের সামনেই থাকে। সেক্ষেত্রে এই সাবওয়েতে জল জমলে পরিস্থিতি একেবারে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। রেলের উদ্যোগে সাবওয়ে জলমগ্ন না হলে লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share