Tag: bangali news

bangali news

  • Sukanta Majumdar: ‘‘অফিসের মাথায় জাতীয় পতাকা খুলে তৃণমূলের পতাকা লাগান’’, এসডিপিওকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘অফিসের মাথায় জাতীয় পতাকা খুলে তৃণমূলের পতাকা লাগান’’, এসডিপিওকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘সঠিকভাবে কাজ করতে না পারলে এসডিপিও অফিসের মাথা থেকে জাতীয় পতাকা খুলে সেখানে তৃণমূলের (Trinamool Congress) দলীয় পতাকা আর অশোকস্তম্ভের জায়গায় হাওয়াই চটি চিহ্ন লাগান।’’ শুক্রবার বিকালে বুনিয়াদপুরে মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের দফতরে ঘেরাও ও অবস্থান বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়ে সরকারি আধিকারিকের উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা, খুন-ধর্ষণের বিষয়ে পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আত্রেয়ী থেকে বালি চুরি নিয়েও তোপ দাগলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

    পুলিশকে তোপ সুকান্তর

    শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুরে শহরে প্রতিবাদ সভা করে বিজেপি। যে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ জেলা বিজেপির একঝাঁক নেতৃত্ব। সভাতে মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগে সুর চড়ান সুকান্ত মজুমদার। সভা শেষেও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ না করতে পারে তাহলে আগামীদিনে ভারতীয় জনতা পার্টি আরও বৃহত্তর আন্দোলন করবে। এই মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের অফিসকে অচল করে দেবে।’’

    বালি চুরি নিয়ে সরব সুকান্ত

    বুনিয়াদপুরে চুরি, খুন, আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ একের পর এক ঘটনা ঘটা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। আত্রেয়ী নদীর বালি চুরি নিয়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘‘আত্রেয়ীর বালি চুরি হবে, পকেট ভরবে কালীঘাটের। বালি চুরি প্রসঙ্গে তিনি কয়েক বছর পূর্বে কুমারগঞ্জ কলেজের পাঁচিল ভেঙে বালি চুরির ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন। সম্প্রতি কয়েকদিন পূর্বে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের যোগদানের ঘটনা প্রসঙ্গে এদিন সুকান্ত মজুমদার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নোত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসকে (Trinamool Congress) তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘তৃণমূলের লোক কম, তাই বিজেপির লোক নিয়ে যাচ্ছে।’’ মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র-র বিরুদ্ধেও এদিন সুকান্ত মজুমদার একের পর এক তোপ দাগেন।

    আরও পড়ুন: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    ‘সমস্যা সমাধানে সুকান্ত’

    এদিকে, নিজের সংসদীয় এলাকার মানুষদের কাছে পৌঁছে যেতে অভিনব উদ্যোগ নিলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে চালু করলেন ‘সমস্যা সমাধানে সুকান্ত’। শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের ফুলবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা নেতৃত্ব। এদিন রাতে এলাকার সাধারণ মানুষের নানা সমস্যার কথা শুনলেন সুকান্ত। পাশাপাশি দ্রুত যাতে সেই সব সমস্যার সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আশ্বাসও দেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। এদিন বিশেষত সাংসদের কাছে অসুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সরঞ্জামের দাবি করেন স্থানীয়রা। সে বিষয়টি দেখা হবে বলে জানিয়েছন সুকান্ত। একইসঙ্গে আগামীতে জেলার অন্যান্য প্রান্তেও এই কর্মসূচি করা হবে বলে সুকান্ত জানিয়েছেন। এদিকে সাংসদ তথা মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজেদের সমস্যার কথা বলে খুশি আমজনতাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Patanjali: বিজ্ঞাপন যত বড় ছিল, ততটাই বড় ছাপতে হবে ক্ষমাপ্রার্থনা, পতঞ্জলিকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Patanjali: বিজ্ঞাপন যত বড় ছিল, ততটাই বড় ছাপতে হবে ক্ষমাপ্রার্থনা, পতঞ্জলিকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন মামলায় ধমক খেলেন রামদেব। পতঞ্জলি (Patanjali) আয়ুর্বেদ সংস্থাকে আদালত জানিয়েছে যত বড় আকারে বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছিল, ক্ষমাপ্রার্থনার নোটিশও ঠিক ছাপতে হবে তত বড় আকারেই। বাবা রাম দেব যোগ গুরু হওয়ায় তাঁর জন প্রিয়তা অনেক বেশি। তাঁকে অনেক ভারতীয় বিশেষ ভাবে অনুসরণ করেন। কিন্তু পতঞ্জলির ঔষধ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হওয়ায় বেশ অস্বস্তির মধ্যে রয়েছেন তিনি। এখন ইতিমধ্যে হলফ নামা দিয়ে নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়েছেন। তবে এবার তাঁর বিজ্ঞাপন মামলায় কোর্ট কড়া নির্দেশ দিয়েছে। 

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ (Patanjali)

    দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানিয়েছে, “উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক, তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক এবং রাজ্যের ছাড়পত্র প্রদানকারী দপ্তরকে এই মামলায় প্রয়োজন হলে প্রশ্ন করতে পারে।” এমনকী ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনও (IMA) মামলায় কিছুটা হলেও কোণঠাসা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্নে তুলেছে। সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্ন, “আইএমএ-র ডাক্তাররাও রামদেবের সেই সমস্ত বিভ্রান্তিকর ওষুধগুলি (Patanjali) প্রচার করেছেন। এটা কেন হল? তাঁরা কি তাঁদের দায় এড়িয়ে যেতে পারেন?”

    আরও পড়ুনঃ জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    ক্ষমাপ্রার্থনা করেছিলেন রামদেব

    প্রসঙ্গত পতঞ্জলি (Patanjali) আয়ুর্বেদের সংস্থাপক বালকৃষ্ণ এবং রামদেবকে জনসাধারণের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে এফিডেফিট দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে। আরও জানা গেছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০শে এপ্রিল এবং সেদিন দু’জনকেই আদালতে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত করোনা পর্বে বেশ কয়েকটি ওষুধকে করোনা প্রতিষেধক এবং করোনার সঙ্গে মোকাবিলায় সহযোগী বলে পতঞ্জলি সংস্থার তরফে প্রচার করা হয়েছিল। সেই সময় এই ওষুধগুলি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। কীভাবে করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারের আগেই রামদেব পতঞ্জলি সংস্থার তরফে একটি ওষুধকে প্রতিষেধক ভাবে বলে দাবি করে বসলেন, তা নিয়ে সেই সময় বিস্তার সমালোচনা হয়েছিল। এরপরই এই মামলা দেশের সর্বোচ্চ আদালতে গড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা উপাচার্য পেল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (AMU)। ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার কোনও মহিলা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ আসনে বসলেন। এএমইউ-এর (Aligarh Muslim University) উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন। আগামী পাঁচ বছর তিনিই এই পদে থাকবেন। শিক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের পরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নতুন উপাচার্যের নিয়োগপত্রে সই করেন। নিয়োগপত্র পেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় এএমইউ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে নাইমা খাতুনকে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (woman Vice-Chancellor) হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, “ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক হিসাবে তাঁর ক্ষমতায়, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাইমা খাতুনকে পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করেছেন।” ভোট চলাকালীন যেহেতু এখন নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি রয়েছে, তাই এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনেরও (ECI) অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কমিশন শর্ত আরোপ করে জানিয়েছে, “এই নিয়োগ নিয়ে কোনও প্রচার হবে না এবং এর থেকে কোনও রাজনৈতিক ফায়দা তোলা যাবে না।”

    আরও পড়ুনঃ শতাব্দীর ওপর ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা

    উল্লেখ্য, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা (Naima Khatoon), এখান থেকে সাইকোলজিতে পিএইচডি করেন তিনি। ১৯৮৮ সালে সেই বিভাগেই লেকচারার হিসাবে যোগ দেন। ২০০৬ সালে প্রফেসর হন। এরপর ২০১৪ সালে ওমেন্স কলেজের প্রিন্সিপাল হিসাবে যোগ দেন। প্রসঙ্গত এর আগে ১৯২০ সালে এএমইউ-তে আচার্য হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন বেগম সুলতান জাহান। সেই সময় তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা আচার্য। আর এবার প্রথম মহিলা উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “সিয়াচেন ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বললেন রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: “সিয়াচেন ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বললেন রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিয়াচেন (Siachen) ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বলে মন্তব্য করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন পরিদর্শনে গিয়ে এমনই বললেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Defence Ministar)। সোমবার সকালেই দিল্লি থেকে সিয়াচেনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। সিয়াচেনে পৌঁছে তিনি বেস ক্যাম্পে (Siachen base camp) বীর সৈনিকদের স্মৃতিসৌধে পুস্তস্তবক অর্পণ করে সাহসী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    কী বললেন রাজনাথ?

    রাজনাথ সিং পৌঁছতেই জওয়ানরা ‘ভারত মাতা কি জয়’ প্রতিধ্বনিতে সিয়াচেন মুখরিত করে তোলেন। এরপর সেখানকার বীর যোদ্ধাদের সঙ্গে সময় কাটান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। সিয়াচেন হিমবাহের কুমার পোস্টে মোতায়েন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করে মিষ্টিমুখও করেন তিনি। এরপর রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন হিমবাহে আপনারা যেভাবে দেশকে রক্ষা করেছেন, তার জন্য আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই। সিয়াচেন কোনও সাধারণ জায়গা নয়। এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও অধ্যাবসার প্রতীক। আমাদের জাতীয় সংকল্পের প্রতিনিধিত্ব করে সিয়াচেন। আমাদের রাজধানী দিল্লি, মুম্বই আমাদের অর্থনৈতিক রাজধানী, আমাদের প্রযুক্তির রাজধানী বেঙ্গালুরু, কিন্তু সিয়াচেন বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী।”

    আরও পড়ুনঃহাইকোর্টের রায়ে বিপাকে নির্বাচন কমিশন, ভোটের ডিউটি করবেন কারা?

    ৪০ বছর পূর্ণ ‘অপারেশন মেঘদূত’

    জানা গেছে, এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডের সাথে এদিন সাক্ষাত করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ১৯৮৪ সালের ১৩ এপ্রিল ভারতীয় সেনাবাহিনীরা পাকিস্তানকে পরাজিত করে সিয়াচেনকে রক্ষা করে ‘অপারেশন মেঘদূত’ মিশনের মাধ্যমে। ১৩ এপ্রিল, ২০২৪ সালে ‘অপারেশন মেঘদূত’ ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। সেই স্মৃতির উদযাপনেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সিয়াচেন পরিদর্শন। উল্লেখ্য, প্রায় ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত। সিয়াচেন হিমবাহ বিশ্বের সর্বোচ্চ সামরিক অঞ্চল হিসাবে পরিচিত, যেখানে সৈন্যদের তুষারপাত (snowfall) এবং প্রবল ঝড়ের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে দেশকে রক্ষা করতে টিকে থাকতে হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purbo Bardhaman: একই দিনে জোড়া বিপত্তি! জলের ট্যাঙ্ক ভাঙার পর অতিরক্ত ভিড়ে পদপিষ্ট ২

    Purbo Bardhaman: একই দিনে জোড়া বিপত্তি! জলের ট্যাঙ্ক ভাঙার পর অতিরক্ত ভিড়ে পদপিষ্ট ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই দিনে বর্ধমান (Purbo Bardhaman) স্টেশন জোড়া অঘটনের স্বাক্ষী থাকল। একদিকে জলের ট্যাঙ্কে দুর্ঘটনা অপর দিকে অতিরিক্ত ভিড়ের পদপিষ্ট হয়ে জখম হলেন দু’জন। ইতিমধ্যে দুই জনকে দ্রুত বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে স্টেশন চত্বরে। এক বিপত্তির মধ্যে এ যেন আরও এক বিপত্তি!

    ৪, ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে পদপৃষ্ট ২ (Purbo Bardhaman)

    জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ার পর অনেক সময় ধরে ট্রেন চালাচলে ব্যঘাত ঘটায় একসঙ্গে অনেক মানুষ স্টেশনে (Purbo Bardhaman) জমা হয়ে গিয়েছিল। তার মধ্যে এই ভাবে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক ছিল না। মানুষ এলোমেলো ভাবে ভিড় জমিয়েছিল প্ল্যাটফর্মে। বেশ কিছু সময় পর ৪ এবং ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। আপ এবং ডাউন উভয় লাইনে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকলে ভিড় বাড়তে থাকে। অতরিক্ত ভিড়ের কারণে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় এবং কয়েক জন মানুষ পদপিষ্ট হন। রেলের সূত্রে খবর, ঘটনায় মোট ২ জন এখনও পর্যন্ত গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জলের ট্যাঙ্কার ভেঙে পড়ার কারণে মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক এবং বিশৃঙ্খলার তৈরি হয়েছিল। ঠিক তারপরে পরেই এই বিপত্তি ঘটে।

    আচমকা ভেঙে পড়েছিল জলের ট্যাঙ্ক (Purbo Bardhaman)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বর্ধমান (Bardhaman) স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝে ৫৩ হাজার গ্যালনের জলের ট্যাঙ্ক আচমকা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মোট তিন জন। সেই সঙ্গে আহত হন আরও বেশ কিছু মানুষ। মৃতদের নাম হল, মফিজা খাতুন, কান্তি কুমার বাহদুর এবং সোনারাম টুডু। ঘটনার প্রভাবে ১, ২  এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। উদ্ধার বাহিনী এরপর দ্রুত উদ্ধার কাজে নেমে পড়ে বলে জানা গিয়েছে। রেলের পক্ষ থেকে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির চক্রী অনীত থাপা, সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির চক্রী অনীত থাপা, সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মূল চক্রী অনীত থাপা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফের একবার শিক্ষক দুর্নীতির অভিযোগ করে সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অনীত থাপা অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা বলেছেন।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    পাহাড় সফরে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ের সমস্ত জেলা স্কুল বোর্ড, জেলা রিক্রুটমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলেছেন। সেই সঙ্গে সমস্ত দায়িত্ব জিটিএ-র উপর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পাহাড়ে গিয়ে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির কথা বলে বলেন, ‘এখানে নিয়োগের মূল চক্রী হলেন অনীত থাপা। জিটিএ-র প্রধান ছিলেন অনীত থাপা। টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।’ এছাড়াও শুভেন্দু আরও স্পষ্ট করে সাংবাদিকদের বলেন, “এখানে অনীত থাপা পাঁচশোর বেশি শিক্ষক নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ এসএসসির মাধ্যমে হয়নি। জিটিএ সরাসরি নিয়োগ করেছে। মাথা পিছু নিয়োগে ১৫ লক্ষ করে টাকা তিনি নিয়েছেন। সমস্ত তথ্য এবং নথি নিয়ে সিবিআইয়ের কাছে যাবো।”

    আর কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পাহাড়ে গিয়ে আরও বলেন, “এই শিক্ষক নিয়োগে সংরক্ষণ নীতি এবং ন্যূনতম যোগ্যতা মানা হয়নি। উচ্চ মাধ্যমিকে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকার বাধ্যবাধকতাকেও মানা হয়নি। তফসিলি জাতি-উপজাতি এবং ইউব্লিউএস সংরক্ষণের নিয়মকে মান্যতা দেওয়া হয়নি। শিক্ষক নিয়োগের সকল নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অনীতকে ১৯২ জন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলেছেন। এটাও একটা বড় রকমের কেলেঙ্কারি।” তিনি জনজাতি বোর্ড নিয়ে বলেন, “পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য ১২টি জনজাতি বোর্ড গঠন হলেও সব অকেজো হয়ে রয়েছে। আগামী মকর সঙ্কক্রান্তির পর পাহাড়ে বিরাট আন্দোলন শুরু করবো আমরা।”

    অপরদিকে শুভেন্দুর সব অভিযোগকে অস্বীকার করে অনীত থাপা বলেন, “সব অভিযোগ মিথ্যা, নিয়ম মেনে সব শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। বিজেপি কোনও ইস্যু না পেয়ে অপপ্রচার করছে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বেলডাঙা বিস্ফোরণে এনআইএ-র চার্জশিটে এক তৃণমূল নেতা সহ ৭ জনের নাম

    Murshidabad: বেলডাঙা বিস্ফোরণে এনআইএ-র চার্জশিটে এক তৃণমূল নেতা সহ ৭ জনের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বেলডাঙা বিস্ফোরণের ঘটনায় মঙ্গলবার চার্জশিট দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। চার্জশিটে নাম রয়েছে তৃণমূল নেতা সহ মোট ৭ জনের। ঘটনায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ফের একবার অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে।

    অভিযুক্ত কাদের নাম রয়েছে (Murshidabad)?

    ২০২২ সালে বেলডাঙা (Murshidabad) এলাকার রামেশ্বরপুরের বিস্ফোরণের ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মোট ৭ জনের নামে চার্জশিট আদলতে জমা করেছে। উল্লেখ্য, বিস্ফোরণের পর থেকেই বিরোধীরা ঘটনায় শাসক দলের নেতাদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে এসেছিল। ঘটনায় শাসক বনাম বিরোধীদের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। অবশেষে চার্জশিট জমা পড়লে অভিযুক্তদের নাম উঠে আসে। অভিযুক্তরা হলেন, ইমদাদুল হক, সুখচাঁদ আলি, মনসুর আলি, মাসাদুল হক, হাবিবুর রহমান, তাহাবুল শেখ, ইসাউদ্দিন শেখ। তাঁদের মধ্যে একজন তৃণমূল নেতা রয়েছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১২০ বি, ২০১, ৩০৪ আইপিসি ৪, ৫,৬ ইস অ্যাক্ট ১৯০৮, ২০১৮ ইউপিএ ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনা কীভাবে ঘটেছিল?

    বেলডাঙায় (Murshidabad) ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে একটি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রামেশ্বরপুর এলাকা। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। তবে মৃতের সংখ্যা কম হলেও বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল ব্যাপক। এলাকার মানুষ রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। এরপর রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা একজোট হয়ে আক্রমণ করে এবং একই ভাবে এনএইএ তদন্তের দাবি তোলা হয়। অবশেষে গত অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। এরপর তদন্তে উঠে আসে গ্রেনেডের তথ্য। বিস্ফোরণের নমুনা হিসাবে গ্রেনেডের সমান বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয় বলে দাবি করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য, পুলিশ আগেই ৭৪ টি গ্রেনেড উদ্ধার করেছিল বলে জানা গিয়েছিল। এই বিস্ফোরণের পিছনে কোনও সন্ত্রাসবাদী জঙ্গি সংগঠনের হাত থাকতে পারে বলে ইউপিএ ধারা যোগ করার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছে এনআইএ। ঘটনায় মুর্শিদাবাদে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Onion: ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজের চোরাচালান, তৎপর বিএসএফ

    Onion: ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজের চোরাচালান, তৎপর বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনা, গরু, মাদক নয় এবারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারীদের পছন্দের জিনিস হল পেঁয়াজ (Onion)। সন্ধ্যে নামতেই সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজ পারপার চলছে বলে অভিযোগ উঠছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া আড়ত থেকে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজের বস্তা কেনার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বস্তা পিছু বাংলাদেশে পাচার করতে পারলেই নগদ ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকা লাভ। ফলে চোরাকারবারীদের রমরমা পেঁয়াজ পাচারে। পাশাপাশি পাচার ঠেকাতে তৎপর বিএসএফ।

    কেন পিঁয়াজের চোরাকারবার (Onion)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে পেঁয়াজের (Onion) দাম এখন অগ্নিমূল্য। কোথাও ১৫০ আবার কোথাও দাম ২০০ টাকা। ভারত থেকে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে পেঁয়াজের রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। ফলে পাচারকারীদের কাছে উত্তম জিনিস হল পেঁয়াজ। সোনা, গরু, মাদক পাচার করতে গেলে যদি ধরা পড়ে সেই ক্ষেত্রে প্রচুর টাকা লোকাসান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অপরে পেঁয়াজ ধরা পড়লেও আর্থিক ক্ষতি কম। তাই পাচারকারীদের কাছে শীতের রাতে চোরা চালানের উত্তম জিনিস হল পেঁয়াজ। মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের এক বাসিন্দা বলেন, “সবাইকে সব কিছু দিয়ে ম্যানেজ করতে পারলে বস্তা পিছু দশ হাজার টাকা অতিরিক্ত আয় হচ্ছে। অপর দিকে সোনা, গরু, মাদক পাচারের থেকে কম কিছু নয়।” আবার দিকে নদিয়ার আরও এক পাচারকারী বলেছেন, “বিএসএফ নতুন পাচার নিয়ে বেশ সতর্ক। আমাদেরও ফাঁক বুঝে কাজ করতে হচ্ছে।”

    বিএসএফের বক্তব্য

    দক্ষিণবঙ্গের ফ্রন্টইয়ারের বিএসএফ ডিআইজি কে আর্য বলেন, “সীমান্তে যে কোনও পাচার আটকাতে আমরা অত্যন্ত তৎপর। বাংলাদেশে যেকোনও জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেলে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারীরা সক্রিয় হয়ে যায়। এখন সেই দেশে পেঁয়াজের (Onion) দাম অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে, তাই চাহিদা মেটাতে পাচারকারীদের সক্রিয়তা বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে পাচার আটকাতে আমাদেরও আরও সক্রিয় হয়ে থাকতে হচ্ছে।”

    সেই সঙ্গে ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, “আগামী ৩১ শে মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে বাংলাদেশে কোনও পেঁয়াজ পাঠানো হবে না। অভ্যন্তরীণ বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।”

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    নদিয়ার করিমপুরের এক পাইকারি আড়তদার রমেশ মণ্ডল বলেন, “সন্ধ্যা হলেই পেঁয়াজের (Onion) বিক্রি ব্যাপক বেড়ে গিয়েছে। তবে কে কেন নিয়ে যাচ্ছে জানিনা। আমাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে।” আবার ঢাকার এক ব্যবসায়ী আমিরুল কবিরাজ জানান, “ভারত থেকে পেঁয়াজে আসা বন্ধ হওয়ায় আমাদের এখানে দাম এখন অগ্নিমূল্য। যদিও চিনের পেঁয়াজ আসছে, তবে স্বাদে ভারতের পেঁয়াজের চাহিদা অনেক বেশি।” আবার মেহেরপুরের আরও এক ব্যবসায়ী বলেন, “ভারতের পেঁয়াজ বন্ধ হওয়ায় এখানে সঙ্কটে পড়েছেন মানুষ। খোলা বাজারে পেঁয়াজ নেই বললেই চলে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার এ কী হাল! ‘১০০ টাকায়’ গেস্ট লেকচারার নিয়োগ করছে কলেজ

    Dakshin Dinajpur: বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার এ কী হাল! ‘১০০ টাকায়’ গেস্ট লেকচারার নিয়োগ করছে কলেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজ। আর সেই কলেজে অতিথি শিক্ষকের ক্লাস পিছু পারিশ্রমিক শুনলে চমকে উঠবেন। এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন নাথালিয়ান মুর্মু কলেজে। কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিথি শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। অতিথি শিক্ষকের বেতন ১০০ টাকা প্রতি ক্লাস! সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১৫টি ক্লাস করা যাবে। দেওয়া হবে না যাতায়াত ও বাড়তি কোনও খরচ। নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতেই একথার স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। এনিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার কী হাল, এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

    কলেজে কতজন গেস্ট লেকচারার নিয়োগ করা হবে?

    ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর তপনে এই কলেজ স্থাপিত হয়। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা-১৮০০ জন। এ বছরও ৫৮০ জন পড়ুয়া ভর্তি হয়েছেন এ কলেজে। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এই কলেজে যত সংখ্যক পূর্ণ সময়ের অধ্যাপক আছেন তা যথেষ্ট নয়। তাই গেস্ট লেকচারার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ৬ জন অতিথি শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। ২ জন বাংলা, ২ জন এডুকেশন, ১ জন রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ১ জন দর্শনের অতিথি অধ্যাপক নিয়োগ হবে। আগামী ২০ তারিখ ইন্টারভিউ। তার আগেই এই বিতর্ক দানা বেধেছে। বালুরঘাটের নেট পাশ যুবক অসীম বর্মন এ বিজ্ঞপ্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘একজন শিক্ষকের মাইনে ক্লাস প্রতি ১০০ টাকা? আবার বলছেন ১৫টির বেশি ক্লাস দেবেন না। সে হিসাবে মাসে তো ৭ হাজার টাকা হচ্ছে। এখন মনে হচ্ছে পড়াশোনার কোনও দামই নেই।’

    কলেজ কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রণয় নারাজিনারি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, কলেজ পরিচালন কমিটির সভাপতি অমলকুমার রায়ের বক্তব্য, কলেজে অধ্যাপকের সংখ্যা খুবই কম। অথচ ক্লাসের চাপ বাড়ছে। তাই গেস্ট টিচার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই পদের জন্য ক্লাস প্রতি ১০০ টাকা খুবই কম মানছেন তিনি। তবে, একইসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের ফান্ড থেকে এই বেতন দিতে হবে। আমাদের কলেজের অত সামর্থ্য নেই। বাধ্য হয়েই এই পারিশ্রমিক দিতে হচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, কলেজে ছাত্র সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু শিক্ষকের অভাব থাকায় কলেজের পরিচালন সমিতি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অনেকেই বেকার রয়েছেন যাঁরা স্কুল বা কলেজে পড়াতে ইচ্ছুক। তাঁরা এখানে শিক্ষকতা করতে পারবেন। তারজন্য সামান্য কিছু সাম্মানিক দেওয়া হচ্ছে। আমার মনে হয়, এক্ষেত্রে অনেকেরই উপকার হবে। অনেকেই তো বিনা পয়সায় নানা জায়গায় পড়ান। সেক্ষেত্রে কলেজের যা সামর্থ্য, তাই দিচ্ছে। এতে বিতর্ক হওয়ার কিছু নেই।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ গেস্ট লেকচারার নিয়োগ করছে। তাকে ১০০ দিনের কাজের চেয়ে কম টাকা দেওয়া হচ্ছে, এর থেকে লজ্জার কি আছে? মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী এসব দেখতে পাননা। তারা বিদেশে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন। বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার কী হাল, এটাতেই স্পষ্ট।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩-এর মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখে ইতিহাস নির্মাণ করেছে ইসরো (ISRO)। এই সাফল্যে সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে ভারত। এরপর সূর্যের উপর নজর রাখতে সাফল্যের সঙ্গে আদিত্য-এল ১ উৎক্ষেপণ সম্পূর্ণ করেছে ইসরো। তাতেও বিরাট সাফল্য বলে দেখছেন বিশ্বের মহাকশ বিজ্ঞানীরা। এবার ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ জানালেন, ভারতের গগনযান মিশনের চার মহাকাশচারী– ভারতীয় বায়ুসেনার চারজন পাইলটকে এই কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে তাঁদের। একইসঙ্গে তাঁর ঘোষণা, “২০৪০ সালের মধ্যে ভারতের মহাকাশচারীরা চাঁদের বুকে পদার্পণ করবেন।”

    কী বলা হয়েছে ইসরোর পক্ষ থেকে (ISRO)?

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, “ভারতীয় চারজন বায়ুসেনা অফিসারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। দুই থেকে তিনজন মহাকাশচারীকে ‘লো আর্থ অরবিট’ বা পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে পাঠানো হবে। সেখানে দুই-তিন দিন কাটানোর পর আবার তাঁদের সুরক্ষিত ভাবে ফিরিয়ে আনা হবে। এটা হবে ভারতের জন্য প্রথম মহাকাশে মানুষ পাঠানোর অভিযান। ইতিমধ্যে বেঙ্গালুরুতে অ্যাস্ট্রোনট ট্রেনিং ফেসিলিটিতে প্রশিক্ষণের কাজ শুরু করা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে ইসরোর কর্ণধার এস সোমনাথ আরও বলেন, “গগনযান অভিযানের জন্য ভারত এখন প্রস্তুত। পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে প্রথমে মহাকাশচারীদের পাঠানো হবে, এরপর নির্ধারিত স্থানে নামিয়ে আনার কাজ করা হবে।”

    আর কী জানা গিয়েছে?

    ইসরোর (ISRO) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এলভিএমথ্রি লঞ্চ ভেহিক্যলের উপর একটি অরবিটাল মডিউল নির্মাণ করা হবে। এই যন্ত্রের মাধ্যমেই মহাকাশচারীরা মহাকাশে যাত্রা করবেন। এই লঞ্চ ভেহিক্যলকে অত্যন্ত নিরপাদ এবং সুরক্ষিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আরবিটাল মডিউলটিতে একটি ক্রু মডিউল এবং একটি সার্ভিস মডিউল থাকবে। মহাকাশের শূন্যে যাত্রা করার জন্য থাকবে সবরকম ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে মহাকাশচারীদের জন্য লাইফ সাপোর্টের ব্যবস্থাও থাকবে।

    ক্রু মডিউলটির ভিতরের পরিবেশ থাকবে পৃথিবীর মতো। আর তাতে করেই নিরাপদে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারবেন মহাকাশযাত্রীরা। সেই সঙ্গে থাকবে একটি ক্রু এসকেপ সিস্টেম, বিপদ বুঝে তার মাধ্যমে দ্রুত অবতরণ করতে পারবেন মহাকাশচারীরা। মূল অভিযানের আগে আরও দুটি পরীক্ষা হবে, তবে সেখানে মানুষ থাকবে না বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share