Tag: Bangla khabor

Bangla khabor

  • BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)।  রবিবার তিনি জানান, জনসমর্থন এবং উন্নয়নমুখী শাসনব্যবস্থার কারণে আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছর গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ক্ষমতায় থাকতে পারে। ভাদোদরায় চলা স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন পাঠান। তার পরেই এহেন মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। উল্লেখ্য, এই ভোটগ্রহণ গুজরাটজুড়ে শহর ও গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ।

    পাঠানের মুখে বিজেপি প্রশস্তি! (BJP)

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাঠান বলেন, “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। বাস্তবতা হল, যে দল শক্তিশালী, মানুষের জন্য কাজ করে এবং মানুষের পছন্দের দল—সেই দলই ক্ষমতায় থাকে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচনী সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা এবং গ্রাউন্ড লেবেলে কাজের ওপর নির্ভর করে।” গুজরাটে ভোটের ধারা নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়ন এখনও রাজ্যের ভোটারদের প্রধান বিষয়। এখানকার মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে ভোট দেন। তাই দলটি ক্ষমতায় থাকবে।” পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তুলনা টেনে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, “যেমন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ টিএমসিকে পছন্দ করেন। কারণ দলটি মানুষের কথা বলে এবং মানুষের জন্যই কাজ করে।”

    বঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াই

    ভোটদানের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পাঠান বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে কিছু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় শতাংশ কম মনে হতে পারে। যদি সেই ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটদানের হার এখনও ৮০ থেকে ৮১ শতাংশ থাকবে (BJP)। এটা কেবল হিসেবের বিষয় (Yusuf Pathan)।” উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে বিজেপি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা ও ভোটার গোষ্ঠীতে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্বাচনী প্রবণতায় রাজ্যটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট শেয়ার ও বিধানসভায় উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দু’পক্ষের রাজনৈতিক ভাষণও আরও তীব্র হয়েছে, যা একতরফা পরিস্থিতির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইকে নির্দেশ করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন

    এদিকে, গুজরাটে কর্পোরেশন, পুরসভা, জেলা পঞ্চায়েত এবং তালুকা পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় শাসনের একাধিক স্তরে ভোটগ্রহণ চলছে (BJP)। প্রায় ১০,০০০ আসনে এই নির্বাচন হচ্ছে, অংশ নিচ্ছেন ৪ কোটিরও বেশি ভোটার। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোটগ্রহণ চলবে। গণনা হবে ২৮ এপ্রিল। আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট এবং ভাদোদরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। একই উৎসাহে ভোট হচ্ছে গ্রামীণ জেলাগুলিতেও (Yusuf Pathan)। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্রে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বিপুল পুলিশ মোতায়েন, কুইক রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হয়েছে (BJP)। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ভোটারদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটদানকে পবিত্র নাগরিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি ভোট গ্রাম, তালুকা, জেলা ও শহরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। মানুষ এগিয়ে আসুন এবং একে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করুন (BJP)।”

    ভোটদানের আহ্বান বিধায়কেরও

    বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী সঞ্জয়সিংহ মহিদা নাডিয়াদে ভোট দিয়ে নাগরিকদের ভোটদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি সামনে এসে ভোট দিন (Yusuf Pathan)।” প্রসঙ্গত, এই স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে গুজরাটের তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি বহু দশক ধরে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। বিরোধী দলের নেতা হয়েও ইউসুফ পাঠানের এই মন্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত রাজনৈতিক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দু’দিন পরেই ভোট গণনা। সেই ফল শহর ও গ্রামীণ উভয় এলাকার ভোটারদেরই পছন্দ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে (BJP)।

     

  • Calcutta High Court: বাইকবাহিনীর দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বাইকবাহিনীর দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাইক বাহিনীর (Bike Rides) দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বাইক সফর নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের একাংশ সংশোধন করে দিল বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ১২ ঘণ্টা আগে নয়, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও প্রকার ‘বাইক ব়্যালি’ ও ‘গ্রুপ রাইডিং’ করা যাবে না। তবে, পারিবারিক সফর, কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এবং ইমার্জেন্সি সার্ভিসের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

    সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন (Calcutta High Court)

    প্রসঙ্গত, শেষ দফার নির্বাচনের আগে বাইক আরোহীদের নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন৷ কমিশনের নির্দেশ ছিল ভোটের ৩৬ ঘণ্টা আগে একমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া আর কোনও প্রকার বাইক সফর করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলার শুনানিতে গত শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছিলেন, “১২ ঘণ্টা আগে থেকে বাইক ব়্যালি করা যাবে না৷ তবে ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বাইকে করে ভোট দিতে যাওয়া যাবে৷”

    আদালতের নির্দেশ

    আদালত নির্দেশে এ-ও বলেছিল, “চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি পরিষেবা বা পারিবারিক কারণে বাইক নিয়ে বেরোনো যাবে। অ্যাপ বাইক-সহ খাবার ডেলিভারি পরিষেবা ও অফিসযাত্রীরা নিজের পরিচয়পত্র নিয়ে বাইক চালাতে পারবেন।” সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলায় কমিশনের তরফে আইনজীবীর মন্তব্য, “৩৬ ঘণ্টা আগে থেকে আমরা বাইক চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলাম। কিন্তু, হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ তা খারিজ করে দিয়েছে (Calcutta High Court)।” এদিন বিচারপতি শম্পা সরকারের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, “সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে সমস্যা কোথায়? আদালত কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” কমিশনের তরফে আইনজীবী বলেন, “বাইক বাহিনীর দাপট নিয়ে কমিশনের কাছে একাধিক অভিযোগ এসেছে (Bike Rides)৷ তা রুখতে গেলে, অবিলম্বে বাইক সফর বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হোক।” কমিশনের আইনজীবীর বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, “ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ‘বাইক ব়্যালি’ ও ‘গ্রুপ রাইডিং’ করা যাবে না। দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে, আদালত কারও ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না (Calcutta High Court)।”

     

  • Nepal PM: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি, কারণ কী জানেন?

    Nepal PM: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী (Nepal PM) বালেন শাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের পড়শি এই দেশে। রবিবার, ২৬শে এপ্রিল, নেপালের বালেন শাহ নেতৃত্বাধীন সরকার ভক্তপুরের মনোহরা বসতিতে অবৈধ (Christian Activists) ঘরবাড়ি ও অন্যান্য কাঠামো সরাচ্ছিল। উচ্ছেদ অভিযানের সময় একটি গির্জাও ভেঙে ফেলা হয়। এর ফলে খ্রিস্টান গোষ্ঠীগুলির মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    শাহকে হুমকি (Nepal PM)

    তারা এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শাহকে হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি গির্জার জন্য অন্য কোনও জায়গা না দেওয়া হয়, তাহলে এটি তাঁর জন্য অশুভ হবে। প্রসঙ্গত, “…আমরা মেনে নিয়েছি যে যেখানে গির্জাটি ছিল, সেই জমি দখলকৃত ছিল, এবং সরকারকে তা খালি করতেই হত। সেই কারণেই জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে গির্জা কোনও ব্যক্তি নয়। এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। দেশের লাখ লাখ মানুষ এই ধর্মের অনুসারী। এটি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ যদি পাপ ও ধর্ম নিয়ে চিন্তা করেন, তবে তিনি যেন অবিলম্বে আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির যথাযথ ব্যবস্থা করেন। অন্যথায়, এটি তাঁর পক্ষে অশুভ হবে বলেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে (Nepal PM)।

    মুক্তিরাজ রাইয়ের দাবি

    মনোহর ভজন মণ্ডল (গির্জা)-এর সম্পাদক মুক্তিরাজ রাইয়ের দাবি, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “গির্জা ভাঙার পর কোথায় যাওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল (Christian Activists)।” তাঁর দাবি, মনোহরা বসতির ৪৫ শতাংশ বাসিন্দা খ্রিস্টান। তাঁদের প্রশ্ন, ভেঙে দেওয়ার পর (Christian Activists) ৩০০ খ্রিস্টান কোথায় যাবেন উপাসনা করতে (Nepal PM)?

     

  • India New Zealand FTA: ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত হল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কী কী সুবিধে মিলবে?

    India New Zealand FTA: ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত হল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কী কী সুবিধে মিলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষর করল ভারত ও নিউজিল্যান্ড। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে (India New Zealand Relation) একটি বিরাট কৌশলগত মাইলফলক। ১৬ মার্চ ২০২৫ সালে শুরু হয়ে রেকর্ড সময়ে সম্পন্ন হওয়া এই চুক্তি বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগকে সমর্থন (India New Zealand Relation)

    এই অংশীদারিত্বের একটি প্রধান স্তম্ভ হল, আগামী ১৫ বছরে নিউজিল্যান্ড ভারতকে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে সাহায্য করবে। ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য পরিকল্পিত এই মূলধন প্রবাহ। চুক্তিতে উৎপাদন, পরিকাঠামো, পরিষেবা এবং উদ্ভাবন খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চুক্তিটি নিউজিল্যান্ডের ১০০ শতাংশ ট্যারিফ লাইনে শুল্ক তুলে দিয়ে ভারতীয় শিল্পকে তাৎক্ষণিক প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই শূন্য-শুল্ক সুবিধা সরাসরি শ্রমনির্ভর খাতগুলিকে সাহায্য করবে। এর মধ্যে রয়েছে বস্ত্রশিল্প, পোশাক শিল্প, চামড়া শিল্প, জুতো শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য এবং অটোমোবাইল শিল্প। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন উপকরণে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, কাঠের লগ, কোকিং কয়লা এবং ধাতব স্ক্র্যাপ।

    ওষুধ শিল্পের জন্য নিয়ন্ত্রক অনুমোদন

    জানা গিয়েছে, এই চুক্তি ভারতীয় ওষুধ শিল্পের জন্য নিয়ন্ত্রক অনুমোদন দ্রুত করবে। বিশ্বমানের সমমানের নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরিদর্শন রিপোর্ট গ্রহণ করা হবে। এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ভবিষ্যতমুখী কাঠামো গড়ে তুলেছে, যেখানে (FTA) ভারতকে বৈশ্বিক প্রতিভার প্রধান সরবরাহকারী দেশ হিসেবে স্থাপন করা হয়েছে (India New Zealand Relation)। এদিকে, একটি নতুন অস্থায়ী কর্মসংস্থান প্রবেশ পথ চালু করা হয়েছে, যেখানে যে কোনও সময় ৫,০০০ ভারতীয় পেশাজীবীর জন্য নির্দিষ্ট কোটা থাকবে। এর অধীনে রয়েছে, আইটি, স্বাস্থ্যসেবা, ইঞ্জিনিয়ারিং, আয়ূষ চিকিৎসক, যোগ প্রশিক্ষক এবং ভারতীয় শেফ। এই চুক্তির ফলে সংখ্যাগত সীমা ছাড়াই ভারতীয় শিক্ষার্থীরা উন্নত পোস্ট-স্টাডির অধিকার পাবে। এসটিইএম ব্যাচেলর ও মাস্টার্স স্নাতকরা সর্বোচ্চ ৩ বছর কাজ করতে পারবেন, ডক্টরাল গবেষকরা সর্বোচ্চ ৪ বছর কাজ করতে পারবেন।

    ওয়ার্ক অ্যান্ড হলিডে ভিসা

    দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে ১,০০০ ওয়ার্ক অ্যান্ড হলিডে ভিসাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশীয় উৎপাদকদের সুরক্ষার জন্য এই এফটিএতে কঠোর ব্যতিক্রম ও সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে (FTA)। সংবেদনশীল বিভিন্ন খাতকে বাজার প্রবেশাধিকার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুধ, ক্রিম, চিজ, দই, চিনি, ভোজ্য তেল, পেঁয়াজ এবং মসলা (India New Zealand Relation)। কেবল বাণিজ্য নয়, এই চুক্তি উৎপাদনশীলতা অংশীদারিত্বে জোর দিয়েছে। আপেল, কিউই ফল এবং মধুর জন্য উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রযুক্তি হস্তান্তর ও গবেষণা সহযোগিতার মাধ্যমে ভারতীয় কৃষকদের আয় বাড়ানোই এর লক্ষ্য।

    কী বললেন পীযূষ গোয়েল?

    এই সহযোগিতার সঙ্গে কোটা এবং ন্যূনতম আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে নিউজিল্যান্ডের পণ্যের সীমিত বাজার প্রবেশাধিকারও যুক্ত থাকবে (FTA)। ভারত ১১৮টি খাতজুড়ে পরিষেবা সুবিধা অর্জন করেছে এবং ১৩৯টি উপ-খাতে মোস্ট ফেভারর্ড নেশন (MFN) প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। প্রধান ক্ষেত্রগুলি হল, আইটি-সক্ষম পরিষেবা, পেশাগত পরিষেবা, নির্মাণ এবং পর্যটন। এর ফলে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ সৃষ্টি হবে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল মানুষকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য গড়ে তোলা।” তিনি এও বলেন, “এই চুক্তি ভারতের যুবসমাজ, উদ্যোক্তা এবং কৃষকদের জন্য বৈশ্বিক সুযোগের দুয়ার খুলে দেবে (India New Zealand Relation)।”

  • Pakistan: যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নামা পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলল ইরান

    Pakistan: যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নামা পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। সেই পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েই গুরুতর সন্দেহ প্রকাশ করলেন এক ইরানি আইনপ্রণেতা (Iranian Lawmaker)। তার জেরে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মুহূর্তে নিরপেক্ষতা নিয়েই সৃষ্টি হয়েছে গভীর উদ্বেগের।

    কী বললেন ইব্রাহিম রেজায়ি? (Pakistan) 

    দাশতেস্তানের প্রতিনিধি তথা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, “পাকিস্তানের মধ্যস্থতা করার মতো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।” এক্স হ্যান্ডেলে এক বিবৃতিতে তিনি পাকিস্তানকে “ভালো বন্ধু ও প্রতিবেশী” বলে উল্লেখ করলেও, বলেন, এটি (পাকিস্তান) উপযুক্ত মধ্যস্থতাকারী নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলে। রেজায়ির আরও অভিযোগ, ইসলামাবাদ প্রকাশ্যে ওয়াশিংটনের সমালোচনা এড়িয়ে চলে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি, যেমন লেবানন প্রসঙ্গ ও অবরুদ্ধ সম্পদ, সেগুলিও তুলে ধরে না। তিনি বলেন, “মধ্যস্থতাকারীকে অবশ্যই নিরপেক্ষ হতে হয়। সব সময় এক পক্ষের দিকে ঝুঁকে থাকা চলে না।”

    আসরে আরাঘচি

    বস্তুত, রেজায়িরও এই মন্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন আব্বাস আরাঘচি অনিশ্চয়তার মধ্যেও আলোচনা চালিয়ে যেতে বাড়িয়েছেন কূটনৈতিক তৎপরতা। প্রসঙ্গত, আরাঘচি সম্প্রতি তিন দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার ইসলামাবাদ সফর করেন। সেখানে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে সংঘাত এবং সম্ভাব্য সমাধানের পথ নিয়েও আলোচনা করেন (Iranian Lawmaker)। ইরানের বিদেশমন্ত্রী এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং অন্যান্য প্রবীণ আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর পর তিনি ইসলামাবাদ থেকে ওমানে পৌঁছন। সেখানে তিনি সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল-সঈদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হয় (Pakistan)।

    আলোচ্য বিষয়

    ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনা শুধু পারমাণবিক ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, হরমুজ প্রণালীর জন্য নতুন আইনি কাঠামোর প্রস্তাব, ক্ষতিপূরণের দাবি, ভবিষ্যতে সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা  প্রত্যাহারের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে (Iranian Lawmaker)। উল্লেখ্য, ইসলামাবাদে সংক্ষিপ্ত সফরের পর আরাঘচির মস্কো সফরে যাওয়ার কথা। কারণ তেহরান (ইরানের রাজধানী) আলোচনার গতি ধরে রাখতে চাইছে। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত সমাধানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গতি হারাতে থাকায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান যদি আলোচনা চায় তবে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের আগেই ওয়াশিংটন যোগাযোগ কমিয়ে দেয় এবং পাকিস্তানে পরিকল্পিত এক দফা আলোচনাও বাতিল করে দেয় (Pakistan)।

    সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, আলোচনা ফের শুরু করতে চাইলে ইরান নিজেই যোগাযোগ করতে পারে। তিনি বলেন, “যদি তারা কথা বলতে চায়, তারা আমাদের কাছে আসতে পারে, অথবা ফোন করতে পারে। আপনি (Iranian Lawmaker) জানেন, টেলিফোন আছে। আমাদের উন্নত এবং নিরাপদ যোগাযোগ লাইন রয়েছে।”

     

  • Donald Trump: ‘‘পিডোফাইল, ধর্ষক…’’! হামলার আগে ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার লিখে পরিবারকে পাঠিয়েছিলেন গুলিকাণ্ডে ধৃত যুবক

    Donald Trump: ‘‘পিডোফাইল, ধর্ষক…’’! হামলার আগে ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার লিখে পরিবারকে পাঠিয়েছিলেন গুলিকাণ্ডে ধৃত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে নৈশভোজের আসরে গুলি চালানোর অভিযোগে যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই কোল অ্যালেন আগে থেকেই একটি ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার তৈরি করে (Donald Trump) নিজের পরিবারের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ‘পিডোফাইল, ধর্ষক এবং দেশদ্রোহী’ শব্দগুলি (Shooting) ব্যবহার করেছিলেন। সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না থাকলেও, অনেকেই মনে করছেন, ওই কথাগুলি অভিযুক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করেই লেখা হয়েছিল।

    ইস্তাহারে কী লিখেছিলেন ধৃত যুবক (Donald Trump)

    হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস’ ডিনারে গুলি চালানোর অভিযোগে ধৃত যুবক কোল অ্যালেন ওই ইস্তাহারে লিখেছিলেন, “আমি আর কোনও পিডোফাইল, ধর্ষক এবং দেশদ্রোহীর অপরাধে আমার হাত রক্তাক্ত হতে দিতে রাজি নই।” যদিও সেখানে তিনি সরাসরি ট্রাম্প বা মার্কিন প্রশাসনের কোনও কর্তার নাম উল্লেখ করেননি। ঘটনার পর ট্রাম্প সিবিএসের ‘৬০ মিনিটসে’ সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হিংসার অভিযোগগুলি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘উগ্রপন্থায় প্রভাবিত’ ইস্তাহার বলে মন্তব্য করেন। মিডিয়াকে ‘ভয়ঙ্কর মানুষ’ বলে দেগে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “হ্যাঁ, ও (কোল অ্যালেন) এটা লিখেছিল। আমি ধর্ষক নই। আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি।”

    “আমি পিডোফাইল নই”

    নিউজ অ্যাঙ্কর তাঁর কাছে জানতে চান, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ট্রাম্পকেই বোঝাতে চেয়েছিলেন কি না। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি পিডোফাইল নই। মাফ করবেন, আমি পিডোফাইল নই। আমি ধর্ষক নই। কোনও অসুস্থ মানুষের লেখা এসব বাজে কথা আপনি পড়ছেন? আমার সঙ্গে এমন সব বিষয়ের নাম জড়ানো হয়েছে, যার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্কই নেই। আমি পুরোপুরি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি।” তদন্তকারীরা ওই যুবকের ইস্তাহার খতিয়ে দেখছেন (Shooting)। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ইস্তাহার থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে সন্দেহভাজনের লক্ষ্য ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্তারা। প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে গুলির শব্দ শোনা গেলে ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের আধিকারিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    ‘ফ্রেন্ডলি ফেডেরাল অ্যাসাসিন’!

    কর্তৃপক্ষের মতে, ঘটনাটি বলরুমের বাইরে ঘটে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি এক বা দু’রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সিঁড়ির কাছে তাঁকে আটক করা হয়। হোয়াইট হাউসের এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি হামলার কয়েক মিনিট আগে তাঁর পরিবারকে একটি উদ্বেগজনক ইস্তাহার পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি নিজেকে একজন ‘ফ্রেন্ডলি ফেডেরাল অ্যাসাসিন’ বলে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, কোনও ইরানি অপারেটিভ সহজেই নিরাপত্তা ভেদ করে ঢুকে পড়তে পারে—এভাবে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল বলেই তুলে ধরে তিনি। ইস্তাহারে ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনের আধিকারিকদের টার্গেট করার ইচ্ছের কথাও উল্লেখ ছিল। রাজনৈতিক হিংসার বারংবার উল্লেখও পাওয়া গিয়েছে ওই ইস্তাহারে।

    ‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’কে এক মার্কিন কর্তা জানান, ওই নথিতে ‘সর্বোচ্চ পদমর্যাবদা থেকে সর্বনিম্ন পর্যন্ত’ কর্তাদের টার্গেট হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। যদিও এফবিআই (FBI) পরিচালক কাশ প্যাটেলের নাম ওই তালিকায় ছিল না। হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে অভিযুক্ত লিখেছিলেন (Shooting), দেওয়াল ভেদ কম করার জন্য সে স্লাগের বদলে বাকশট ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি, যাতে (Donald Trump) প্রয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যদের ভেদ করেও এগিয়ে যাওয়া যায়।

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়নি হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও ঘনঘন ঘটছে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের একটা বড় অংশ এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতের ফল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। হত্যা, ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে বাধা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—এসবের মাধ্যমে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে বলেই অভিযোগ। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১৯ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার ছবি। বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হোন, তা-ই এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। “হাউ আয়াপ্পান ওয়েন্ট ফ্রম এ লোকাল ফরেস্ট ডেইটি টু কেরালাজ মোস্ট কন্ট্রোভার্সিয়াল গড” শীর্ষক লেখাটি লিখেছেন অনিরুদ্ধ কানিসেট্টি (Hindus Under Attack)। লেখাটির শিরোনামটি ভগবান আয়াপ্পাকে নিয়ে, যিনি লাখ লাখ ভক্তের কাছে ব্রহ্মচারী যোদ্ধা দেবতা ধর্মশাস্তা, হরিহরসূত (বিষ্ণু ও শিবের পুত্র), এবং ধর্ম ও তপস্যার প্রতীক, তাঁকেই ‘বিতর্কিত’ রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে “চেঙ্গাই- ফেথ হিলিং” সমাবেশের পর গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাদ্রীকে। তারা ‘লাইট অফ জেসাস চার্চে’র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ বৃহত্তর ধর্মান্তর এই নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে। হুব্বলির এক তরুণীর অভিযোগ, মুফিস মিয়ানাভার নামে এক ব্যক্তি সম্পর্ক গড়ার অছিলায় তাঁকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করে আসছে। কেশ্বাপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের টন টন সোনা

    এদিকে, ক্যাথলিক পুরোহিত ফাদার পল থেলাক্কাট প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্দিরের টন টন সোনা জনসেবায় ব্যবহার করা হয় না। বিদেশি অনুদানের ওপর নজরদারি নিয়ে খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। ফের খবরের শিরোনামে নাসিকের টিসিএস। এক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা করা, চাপ দেওয়া এবং মানসিকভাবে বারংবার হয়রান করা হয়েছে।ভোপালের এক মামলায় অভিযোগ উঠেছে, তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিন্দু কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, ধর্মান্তর ও বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    লাভ জেহাদ!

    ইন্দোরে বছর উনিশের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করে, মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তি আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয় (Roundup Week)। নাগপুর পুলিশ একটি এনজিও পরিচালনাকারী রিয়াজ কাজিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সমাজসেবার আড়ালে সে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিত এবং হয়রান করত। গুরুগ্রামে আসিফ মোহাম্মদ নামে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের অছিলায় বছর ছাব্বিশের এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করে। শুধু তা-ই নয়, জোর করে দু’বার গর্ভপাতও করায় (Roundup Week)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার লক্ষ্যেই এই নির্যাতন চালানো হয়। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। ১৫০–২০০ জনের একটি দল কালীমন্দিরে হামলা করে মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর এক হিন্দু সন্ন্যাসীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি স্থানীয় এক মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    অন্যদিকে, ইউএসসিআইআরএফ, সাভেরা, সিএসওএইচ, এইচএফএইচআর, ইক্যুয়ালিটি ল্যাবসের মতো (Roundup Week) কিছু সংগঠনের তথাকথিত গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হিন্দু সমাজ ও ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। প্রসঙ্গত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসাহিত হয় বলে দাবি করা হয়। ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞাকে এর উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেওয়া হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি দ্বৈত মানদণ্ড বলেও সমালোচনা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংস্কৃত (Sanskrit) ভাষা জানা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আজ, ২০ এপ্রিল ২০২৬-এ ডিডিইউ মার্গে সংস্কৃত ভারতীর কার্যালয় ‘প্রণবে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথাগুলি বলেন তিনি। ভাগবত বলেন, “‘প্রণব’ নামে নতুন কার্যালয়ের এই উদ্বোধন একটি শুভ মুহূর্তে হচ্ছে। এটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও উৎসাহের বিষয়। বিশ্বাস করা হয় যে অক্ষয় তৃতীয়ায় শুরু করা যে কোনও কাজ স্থায়ী ও সফল হয়।”

    সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি, কারণ চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম জীবন্ত ঐতিহ্য এখনও এর মাধ্যমে বিদ্যমান। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এমন এক ধারার প্রতিনিধিত্ব করে যা জীবিত ও জড়—সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করে। এই কর্তব্য পালন করতে হলে ভারতকে জানতে, গ্রহণ করতে এবং নিজেকে ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” সমবেত শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, “সংস্কৃত একটি ভাষা হলেও, এটি শুধু ভাষা নয়। আপনি যদি সংস্কৃত জানেন, তবে যে কোনও ভারতীয় ভাষা বোঝা সম্ভব। ভারতে সংস্কৃত জাতির আত্মা, কারণ এটি চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম ঐতিহ্য, যা আজও জীবন্ত (Sanskrit)।”

    ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য

    তিনি ভারতের দার্শনিক ধারণা ব্যাখ্যা করে বলেন, “ভারতের অস্তিত্ব শুধু ভৌগোলিক নয়, এটি কেবল রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সত্তাও নয়। ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যার ওপর জীবনের ধারাবাহিকতা নির্ভর করে।” সরসংঘচালক বলেন, “শৈশবে স্কুলে সংস্কৃত শেখা কঠিন মনে হত। পাঠ্যক্রমে ‘শ্লোক’ মুখস্থ করতে হত, যা ভাষাটিকে কঠিন বলেই মনে করাত। কিন্তু বাড়িতে যখন সেই একই শ্লোক শুনতাম, তখন তা আর কঠিন বলে মনে হত না।” আরএসএস কর্তা বলেন, “আজও এই সমস্যাটি রয়ে গিয়েছে। শিক্ষার্থীরা সংস্কৃতকে কঠিন মনে করে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন? বাস্তবে ভাষা শেখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হল কথোপকথন, বই নয় (Sanskrit)।”

    কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়

    তিনি বলেন, “কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়, ব্যাকরণ নয়। আমি যখন ভারতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করি, স্থানীয় ভাষার সব শব্দ না জানলেও মূল ভাব বুঝতে পারি। নিয়মিত শোনা ও বলার মাধ্যমে ভাষা স্বাভাবিকভাবে শেখা যায়। তাই ভাষা শেখার সর্বোত্তম উপায় হল সেই ভাষাভাষীদের মধ্যে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং নিজেও বলা (Mohan Bhagwat)।” সংস্কৃত ভারতীর প্রশংসা করে ভাগবত বলেন, “এই সংগঠন অল্প সময়ের মধ্যে সারা দেশে সংস্কৃতের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে এবং কথোপকথন পদ্ধতিতে ভাষাটিকে জনপ্রিয় করেছে।” তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে সমাজে সংস্কৃতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি মানুষকে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সঙ্গে ফের যুক্ত করছে, ফলে সংস্কৃত শেখা ও বোঝার সুযোগ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “নতুন কার্যালয় নির্মাণ অবশ্যই আনন্দের বিষয়। তবে মনে রাখতে হবে, কার্যালয় কাজের কারণ নয়, বরং কাজের বিস্তারের ফল।”

    সংস্কৃত সংরক্ষণ

    এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “অক্ষয় তৃতীয়ার পবিত্র দিবসে ‘প্রণব’ নামে সংস্কৃত ভারতীর নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনের খবর জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি ভারতের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার পুনর্জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ (Mohan Bhagwat)।” তিনি এও বলেন, “সংস্কৃত আমাদের প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের বাহক। এর মধ্যে বিজ্ঞান, দর্শন-সহ নানা জ্ঞানের ধারাবাহিক প্রবাহ রয়েছে, যা মানবতার পক্ষে আশীর্বাদস্বরূপ। সংস্কৃতের (Sanskrit) মহিমা অসীম।” প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, গত ১১ বছরে সংস্কৃত সংরক্ষণ ও প্রচারে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং নতুন শিক্ষা নীতিতে ভারতীয় ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সংস্কৃত ভবিষ্যতেরও ভাষা

    তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমি ‘সুভাষিত’ শেয়ার করে শাস্ত্রের জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। তরুণদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে। সংস্কৃত শুধু অতীতের ভাষা নয়, বর্তমান এবং ভবিষ্যতেরও ভাষা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভাষার শিক্ষা ও প্রসারের মাধ্যমে ভারতের সাংস্কৃতিক (Sanskrit) আত্মা নতুন শক্তি লাভ করবে। সংস্কৃত ভারতীর সকল কর্মীদের নিষ্ঠা এবং সংস্কৃত ভাষার উন্নয়নে তাঁদের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয় (Mohan Bhagwat)।” তাঁর আশা, ‘প্রণব’ কার্যালয়ের উদ্বোধন এই যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।

     

  • School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে কথিত ‘স্কুল জেহাদ’ (School Jihad) নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সেটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৃহন্মুবই মিউসিপাল কর্পোরেশন (BMC)-এর প্রস্তুত করা একটি তালিকার (Muslim Land Mafia) উল্লেখ করে কিরীট সোমাইয়ার দাবি, বর্তমানে শহরে ১৬৪টি অবৈধ স্কুল চালু রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫০টি স্কুল এক মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বলে অনুমান। এই স্কুলগুলি সরকারি স্বীকৃতি বা অনুমতি ছাড়াই চলছে। আরও অভিযোগ, এগুলির উদ্দেশ্য দ্বিমুখী—একদিকে জমি দখল, অন্যদিকে একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শের প্রচার।

    সোমাইয়ার বক্তব্য (School Jihad)

    পরিসংখ্যান দেখিয়ে সোমাইয়া বলেন, “মুম্বইয়ে আগে ‘ল্যান্ড জেহাদ’, ‘কর্পোরেট জেহাদ’, ‘লাভ জেহাদ’ এবং ‘কোচিং জেহাদ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই তালিকায় নবতম সংযোজন ‘স্কুল জেহাদ’। সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে এই কার্যকলাপ চলছে এবং গোবিন্দি, মালাড ও কুর্লা এলাকার বহু স্কুল এতে জড়িত। সাধারণত প্রথমে একটি জমি দখল করা হয়। তারপর রাতারাতি সেখানে স্কুল বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠান তৈরি করে অবৈধ দখলকে স্থায়ী করা হয়। সোমাইয়ার মতে, পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তাঁর অভিযোগ, ল্যান্ড মাফিয়া প্রথমে বেআইনিভাবে জমি দখল করে এবং পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে ধীরে ধীরে নির্মাণকাজ শুরু করে। এতে একদিকে যেমন অবৈধ দখলকে বৈধতার ছাপ দেওয়া হয়, অন্যদিকে তেমনি কঠিন হয়ে পড়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া। তাঁর আরও অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে এই স্কুলগুলির ভেতরে বা আশপাশে মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছে (School Jihad)।

    এই ঘটনা অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত!

    এই জাতীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমাইয়া কর্পোরেশনের কার্যকারিতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তাঁর মতে, গত দুই দশকে এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ হল দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অবহেলা। সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হলে এত অবৈধ স্কুল গড়ে উঠত না (Muslim Land Mafia)। সোমাইয়া এই ঘটনাকে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই স্কুলগুলির মাধ্যমে মুম্বইয়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের বসবাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও কর্পোরেশনের কর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। তাঁর দাবি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে এবং খুব শিগগিরই তা কার্যকর হবে।

    ‘জেহাদ’ শব্দের ব্যাখ্যা

    এই বিতর্কের আবহে ‘জেহাদ’ শব্দটির ব্যাখ্যা নিয়েও জোরদার আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসলামি পণ্ডিতদের মতে, ‘জেহাদ’ মূলত সংগ্রাম বা আত্মসংযমের প্রতীক—নিজেকে উন্নত করা এবং নিজের দোষত্রুটির বিরুদ্ধে লড়াই করা। এটি সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত: ‘জেহাদ-আল-আকবর’ (অভ্যন্তরীণ সংগ্রাম) এবং ‘জেহাদ-আল-আসগর’ (বাহ্যিক সংগ্রাম)। অধিকাংশ পণ্ডিত অভ্যন্তরীণ সংগ্রামকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং শব্দটির সঙ্গে হিংসার সম্পর্ককে ভুল ব্যাখ্যা বলে মনে করেন। তবে কিছু লেখক এবং গবেষক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ব্যাখ্যাও তুলে ধরেন (School Jihad)। কিছু লেখকের মতে, ইতিহাসে জেহাদ শুধু আধ্যাত্মিক ধারণা হিসেবে নয়, রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁদের দাবি, ইসলামের বিস্তারের জন্য বিভিন্ন উপায় (হিংসা-সহ) ব্যবহৃত হয়েছে (Muslim Land Mafia)।

    জেহাদের ইতিহাস

    অ্যানড্রিউ জি বস্টম তাঁর বই ‘দ্য লিগেসি অফ জেহাদে’ লিখেছেন, জেহাদের ইতিহাস কেবল আধ্যাত্মিক সংগ্রামে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের একটি সংগঠিত প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। রবার্ট স্পেনসার তাঁর বই ‘দ্য পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট গাইড টু ইসলামে’ বলেন, ইসলামের প্রাথমিক বিস্তার অনেকাংশে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ঘটেছিল। এমএ খান তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে জেহাদ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাট ইয়র তাঁর বই ‘দ্য ধিম্মি’তে লিখেছেন, অ-মুসলিমদের ওপর সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে অনেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন (School Jihad)। ভারতীয় ইতিহাসের ক্ষেত্রেও কিছু গবেষণার উল্লেখ করা হয়। সীতারাম গোয়েল তাঁর গ্রন্থে মধ্যযুগে মন্দির ধ্বংসের পেছনে ধর্মীয় উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। কেএস লালের মতে, মধ্যযুগীয় যুদ্ধে বন্দিদের দাসে পরিণত করে ধর্মান্তরিত করা হত। মাইকেল বোনের জেহাদকে একটি সামাজিক-রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাজিদ খাদুরি ইসলামি আইনে জেহাদকে রাষ্ট্র বিস্তারের একটি উপায় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন (Muslim Land Mafia)। সব মিলিয়ে, মুম্বইয়ে ‘স্কুল জেহাদ’ নিয়ে ওঠা অভিযোগ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ, এই স্কুলগুলি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের বসতি স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রশাসন কী করে, এখন সেটাই (School Jihad) দেখার।

     

  • India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    India South Korea: ভারতের সঙ্গে এআই-সহ ১৫টি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করল দক্ষিণ কোরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জেই মাইয়াং (India South Korea)। সোমবার তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য একটি রূপরেখাও তুলে ধরেন।

    ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর (India South Korea)

    ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া মোট ১৫টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ এবং এআই (AI)-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তিগুলি। অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য মন্ত্রিস্তরের একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “বর্তমানে বার্ষিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্যকে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চাই।” দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “এখন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন এক দশকে প্রবেশ করছে।” দুই নেতা বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন।

    ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভারতকে ‘গ্লোবাল সাউথে’র নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন (India South Korea)। “বিকশিত ভারত ২০৪৭” ভিশনের অধীনে দেশের দ্রুত উন্নয়নের প্রশংসাও করেন তিনি। অভ্যর্থনার জন্য ভারতকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমায় এবং আমার প্রতিনিধিদলকে যে উষ্ণ আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই (India South Korea)।” প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলির একটি দেশ। আট বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”

    প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “আমরা একটি শিল্প সহযোগিতা কমিটি গঠন করব, যা আমাদের দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রথম মন্ত্রিস্তরের প্ল্যাটফর্ম হবে।” এই কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতে সম্পর্ক শক্তিশালী করার ওপর জোর দেবে (India South Korea)। প্রেসিডেন্ট লি এও বলেন, “আমরা গুরুত্বপূর্ণ খাত যেমন— গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, পারমাণবিক শক্তি এবং ক্লিয়ার এনার্জিতে সহযোগিতা বাড়াব।” এই খাতগুলি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মজবুত উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জ্বালানি নিরাপত্তাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জ্বালানি সম্পদ ও ন্যাফথার মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”

    প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সিইপিএ (CEPA) চুক্তি আপগ্রেড করার আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছি, যাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় (India South Korea)।” ছোট ও মাঝারি ব্যবসার সহায়তাও একটি গুরুত্বপূর্ণ (India South Korea) দিক। তিনি বলেন, “আমরা এসএমই খাতে সহযোগিতার জন্য এমওইউ সংশোধন করব।” বক্তৃতার একেবারে শেষে তিনি আবারও বলেন, “এই সব প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চাই (India South Korea)।”

     

LinkedIn
Share