Tag: bangla khobar

  • President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সময় নেই”। ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলের (TMC) এক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে দিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Murmu) দফতর। এর আগে তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি লিখে দলের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছিলেন। প্রতিনিধি দলটি পশ্চিমবঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বাস্তবায়িত বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরতে চেয়েছিল। তারই প্রেক্ষিতে সময়ের অভাবের কারণ দেখিয়ে তৃণমূলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রথমবার অনুরোধের পর দলটি নাকি পরের সপ্তাহে আর একটি সময় চেয়ে আবেদন করেছিল। সেই প্রস্তাবটিও নাকচ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তৃতীয়বার আবেদন করেছে তৃণমূল।

    রাষ্ট্রপতির অসন্তোষ প্রকাশ (President Murmu)

    এই ঘটনা ঘটেছে রাষ্ট্রপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত আদিবাসী কল্যাণ সম্মেলনে মতবিরোধের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, প্রশাসন যে জায়গাটি অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন করেছে, তা আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাসস্থানের থেকে অনেক দূরে। তাই সবাই আসতে পারেননি। তিনি বলেন, “আমি খুব দুঃখিত যে এখানে অনেক মানুষ সম্মেলনে পৌঁছতে পারেননি।  কারণ অনুষ্ঠানটি এত দূরে আয়োজন করা হয়েছিল।” রাষ্ট্রপতির (President Murmu) ইঙ্গিত, “প্রশাসন হয়ত ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি জায়গা নির্বাচন করেছে, যাতে মানুষের অংশগ্রহণ সীমিত হয়।”

    ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতি এও জানান, তাঁকে স্বাগত জানাতে রাজ্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সদস্যদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি যখন কোনও জায়গায় যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও সেখানে থাকা উচিত।” নিজেকে ‘বাংলার মেয়ে’ বলে উল্লেখ করেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ছোট বোন’ বলে সম্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি কি ইচ্ছাকৃত ছিল?” বাংলা সফরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘অসম্মান’ নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরব হন। এক্স হ্যান্ডেলে  প্রধানমন্ত্রী একটি পোস্টে শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগকে ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির মন্তব্য দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে। তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির (President Murmu) পদকে যথাযথ সম্মান না দেখানোর অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির এহেন (TMC) মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই জাতীয় মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁর পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন মন্তব্য না করেন। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সমস্যা তুলে ধরলেও, অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিষয়গুলি উপেক্ষা করেছেন। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় আদিবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। এই বিতর্কে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় বিজেপি।  বিধানসভার বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন। নবম  আন্তর্জাতিক সাঁওতালি সম্মেলনের ভেন্যু বরাদ্দ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে  লিখেছেন, “সংবিধানিক মর্যাদা ও আদিবাসী সম্মানের প্রতি দৃষ্টান্তহীন আক্রমণ। স্পষ্টতই তৃণমূল সরকারের  শাসনের পতনের চিহ্ন।” বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি কী বলছেন সেটা আমরা সবাই দেখেছি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন দুটোকে পাশাপাশি রাখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন কে দায়ী। বুঝতে পারবেন কে সংবিধানের এক্তিয়ারের মধ্যে বলেছে, আর কে সংবিধানের বাইরে গিয়ে বলেছে। ভারতবর্ষের মতো রাষ্ট্র বলে হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে যাচ্ছেন। অন্য দেশ হলে এতক্ষণে জেলের ভিতরে থাকতেন।” মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু তৃণমূলকে নিশানা করলেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি কত নম্রভাবে বলেছেন, মমতা আমার বোনের মতো। আর মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন।” রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানানো হল না বলে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বলেন, “দ্রৌপদী মুর্মু যখন রাষ্ট্রপতি হন, তখন সবাই কত খুশি হয়েছিলেন। এ রাজ্যের আদিবাসীরাও আনন্দিত হন। আজ সবকিছু ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হল।”

  • PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এলপিজি (LPG) পরিস্থিতি নিয়ে যারা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, বৃহস্পতিবার তাদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা শুধু জনগণের সামনে নিজেদের স্বরূপ উন্মোচিতই করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সঙ্কট থেকে কোনও দেশই রেহাই পায়নি। তাছাড়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সব রকম পদক্ষেপ করছে।” তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ কিছু পণ্যের কালোবাজারি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ এলপিজি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক মন্তব্য না করেই বলছি, তারা শুধু নিজেদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    তিনি এও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থেকে তৈরি হওয়া বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা সে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, যুবসমাজ, শহর কিংবা গ্রাম যাই হোক না কেন। বহু বৈশ্বিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও বিশ্বনেতা ও বিশেষজ্ঞরা ভারতের দিকে অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন (PM Modi)। এর ফলে ভারতের দায়িত্বও আরও বেড়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ পুরো বিশ্ব জানে, ভবিষ্যতের অংশ হতে চাইলে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং ভারতে উপস্থিত থাকতে হবে (LPG)।”

    প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটি লক্ষ্য, একটি গন্তব্য-উন্নত ভারত। ভারত শুধু এগোচ্ছে না, বরং পরবর্তী স্তরে পৌঁছনোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ভারত দ্রুত ও স্থিতিশীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “অনেক বিশ্বনেতা বলছেন যে ভারত এখন (LPG) পুরো বিশ্বের জন্য এক ধরনের ‘সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি’ হয়ে উঠছে (PM Modi)।”

  • TMC: মনরেগা প্রকল্পের লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি তৃণমূল সরকার, তাই মজুরি দিতে দেরি, লোকসভায় জানাল কেন্দ্র

    TMC: মনরেগা প্রকল্পের লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি তৃণমূল সরকার, তাই মজুরি দিতে দেরি, লোকসভায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র বারংবার মনে করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন বা মনরেগা  (MGNREGA) প্রকল্পের আওতায় লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল (TMC) সরকার। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী দলগুলি তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। তাদের অভিযোগ, এই দেরির ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় হাজার হাজার শ্রমিক বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁদের প্রাপ্য মজুরি থেকে।

    কী জানাল কেন্দ্র (TMC)

    প্রসঙ্গত, এই বিষয়টি গুরুত্ব পেল তখনই, যখন বঙ্গের শাসক দল তৃণমূলেরই (TMC) এক সাংসদ পশ্চিমবঙ্গে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের বকেয়া অর্থ দেওয়ার অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই প্রশ্নেরই জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার লোকসভায় বিবৃতি দিয়ে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় লেবার বাজেট প্রস্তাব এখনও পাওয়া যায়নি এবং তার জন্যই অপেক্ষা করছে কেন্দ্র। আরও বলা হয়েছে, রাজ্যগুলির পক্ষ থেকে লেবার বাজেট জমা দেওয়া মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের আওতায় তহবিল পরিকল্পনা ও অনুমোদনের জন্য একটি বাধ্যতামূলক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই প্রস্তাব ছাড়া কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট অর্থবর্ষের জন্য মজুরি দিতে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করতে পারে না। নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই বকেয়া প্রস্তাব জমা দেওয়ার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একাধিকবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন

    এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। সমালোচকদের দাবি, এই দেরি রাজ্য সরকারের সেই অভিযোগের সঙ্গে মেলে না, যেখানে তারা বারবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দ অর্থ আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছে (MGNREGA)।মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন ভারতের বৃহত্তম সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির একটি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারের সদস্যদের প্রতি অর্থবর্ষে অন্তত ১০০ দিনের কাজ দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয় (TMC), যদি তাঁরা অদক্ষ কায়িক শ্রম করতে ইচ্ছুক হন। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষায় এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্ক কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাতকে আরও তীব্র করতে পারে, বিশেষ করে কল্যাণমূলক প্রকল্প ও তহবিল বণ্টন নিয়ে দু’পক্ষে যে বিরোধ চলছে, তার প্রেক্ষাপটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন- সহ বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আটকে রেখেছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    নির্ধারিত তহবিল বরাদ্দে প্রভাব

    লোকসভায় যে নথি পেশ করা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক এখন ঘুরে গিয়েছে প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার দিকে। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যস্তরের প্রক্রিয়াগত দেরিই কি গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত তহবিল বরাদ্দে প্রভাব ফেলছে? বিতর্ক বাড়তে থাকায় এখন দাবি উঠছে, দ্রুত লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দিয়ে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের আওতায় (MGNREGA) ফের মজুরি দেওয়া শুরু করতে সময়সূচি ঘোষণা করা হোক (TMC)।

     

  • Assembly Elections 2026: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়! জোর জল্পনা, ভোট ঘোষণা কবে?

    Assembly Elections 2026: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়! জোর জল্পনা, ভোট ঘোষণা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। দু’দিন আগেই বঙ্গ সফর শেষ করে নয়াদিল্লি ফিরে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের (EC) ফুল বেঞ্চ। তার পরেই শুরু হয়েছে রাজ্যে নির্বাচন কবে এবং ক’দফায় হবে, তা নিয়ে জোর জল্পনা। জানা (Assembly Elections 2026) গিয়েছে, বঙ্গে নির্বাচন হতে পারে দু’দফায়। অন্তত নির্বাচন কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিক সূত্রেই এমন ইঙ্গিত মিলেছে। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হতে পারে দু’দফায়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই ভোট গ্রহণের দফা কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পর্যায়ের বৈঠক এবং রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এবং ভোট গ্রহণের দফার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে।

    বৈঠক রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে (Assembly Elections 2026)

    এ রাজ্যে এসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠক করে রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে, আলোচনা করেন রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও। বৈঠকে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি, বিশেষত বিজেপি, সিপিআই(এম) এবং কংগ্রেস কমিশনের কাছে এক বা সর্বাধিক দু’দফায় নির্বাচন করানোর জোরালো দাবি জানিয়েছে। বিরোধীদের বক্তব্য, বেশি দফায় নির্বাচন হলে দুষ্কৃতীদের এক কেন্দ্র থেকে অন্যত্র যাওয়ার সুযোগ থাকে। তাই অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের স্বার্থে কম দফায় নির্বাচন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

    হিংসার ঘটনা

    এর আগে রাজ্যে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সেগুলিতে প্রায়ই হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তাই নির্বিঘ্নে এ রাজ্যে ভোট সাঙ্গ করা কমিশনের কাছেও বড়ই উদ্বেগের। তাই এবার নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার অনেক আগে থেকেই রাজ্যে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যাতে ভোটারদের আস্থা তৈরি করা যায়। প্রসঙ্গত, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরাও কমিশনকে আশ্বস্ত করেছেন, ভোটের আগে ও পরে রাজ্যে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

    রাজ্যে পৌঁছল নির্দেশিকা

    এদিকে, ইতিমধ্যেই নির্দেশ চলে এসেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে। নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে রাজ্যের সব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছেও। তাতে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহেই সব বুথ তৈরি করে ফেলতে হবে। পানীয় জল, দরজা, জানলা, বিদ্যুৎ-সহ বয়স্কদের জন্য ঢোকা ও বেরোনোর জায়গা ঠিক করতে হবে। বুথের ভেতরে ক্যামেরা লাগানোর জায়গা ঠিক করতে হবে। যে গাড়িগুলি ভোটের দিন টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে, সেই গাড়ির মাথায় এখনই ক্যামেরা লাগিয়ে টেস্ট করে রাখতে হবে (Assembly Elections 2026)। যেসব বুথে ১২০০-র বেশি ভোটার রয়েছেন, সেগুলিকে দু’ভাগে ভাগ করে অক্সিলিয়ারি বুথ চিহ্নিতকরণ করতে হবে। সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হলে, তা এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। জাতীয় কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী একটুও খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (EC)।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

    এবার বঙ্গ সফরে এসে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠক করে রাজ্যের ২৩টি জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্বয়ং। শুধু ভোটের সময় নয়, নির্বাচনোত্তর হিংসার ঘটনা নিয়েও রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া বার্তা দেন জ্ঞানেশ কুমার। রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের ফুল বেঞ্চ মনে করছে, ক্ষেত্রবিশেষে কোথাও কোথাও কিছু সমস্যা রয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব খারাপ রয়েছে বলেও মনে করছে না কমিশন (Assembly Elections 2026)।

     

  • Russian Oil Imports: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জের, জ্বালানি কৌশলে পরিবর্তন আনছে ভারত

    Russian Oil Imports: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জের, জ্বালানি কৌশলে পরিবর্তন আনছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত পরিবর্তন আসছে ভারতের জ্বালানি কৌশলে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের (Middle East War) জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে জাহাজ চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নয়াদিল্লি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল (Russian Oil Imports) কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বিকল্প উৎসের সন্ধানে (Russian Oil Imports)

    উপসাগরীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সরবরাহকারীদের কাছ থেকে আসা অপরিশোধিত তেলের চালান আসতে দেরি হচ্ছে। সেই কারণেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রুড তেল আমদানিকারী দেশ ভারত এখন তার বিশাল চাহিদা পূরণ এবং অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিকল্প উৎস খুঁজছে। সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে মার্চ মাসে ভারতের রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি ব্যাপক বেড়েছে। আগের মাসের তুলনায় আমদানির পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে ভারত প্রতিদিন প্রায় ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল রুশ তেল কিনেছে। ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ ছিল প্রতিদিন ১.০৪ মিলিয়ন ব্যারেল।

    রুশ তেল কেনার পরিমাণ বাড়াল ভারত

    রুশ তেল কেনার এই পরিমাণ বৃদ্ধি এমন একটা সময়ে হয়েছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ৩০ দিনের একটি ছাড় দিয়েছে, যাতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনতে পারে। এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং ভারত-সহ বড় আমদানিকারী দেশগুলিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত সরবরাহ সঙ্কট মোকাবিলায় সাহায্য করতে (Russian Oil Imports)। ভারত প্রতিদিন প্রায় ৫.৮ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল খরচ করে, যার প্রায় ৮৮ শতাংশই আসে আমদানির মাধ্যমে। এই সরবরাহের বড় অংশই সাধারণত আসে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সৌদি আরব, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে (Middle East War)। তবে এই তেলবাহী জাহাজগুলির বেশিরভাগই হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। এই প্রণালী আদতে একটি সংকীর্ণ জলপথ। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই প্রণালীই হয়ে উঠছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভরকেন্দ্র।

    হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

    সাধারণত ভারতের জ্বালানি আমদানির একটা বড় অংশই আসে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। প্রতিদিন ২.৫ থেকে ২.৭ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল এই পথে আসে ভারতে। এই পথ দিয়ে ভারতে আসে রান্নার গ্যাসের (LPG) প্রায় ৫৫ শতাংশ এবং তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর প্রায় ৩০ শতাংশ। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার উৎপাদন এবং গৃহস্থালির রান্নার জন্য এগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানি বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের বিশ্লেষক সুমিত রিটোলিয়া বলেন, “মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২.৬ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল আমদানির কথা ছিল ভারতের। একই সময়ে রাশিয়া থেকে তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে (Russian Oil Imports)।” তিনি বলেন, “জাহাজ ট্র্যাকিং ও বাজার সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত ক্রুড ওয়েল আমদানির পরিমাণ প্রতিদিন পৌঁছতে পারে ১ থেকে ১.২ মিলিয়ন ব্যারেল। ফলে হরমুজ প্রণালীতে সরবরাহ ঝুঁকির কারণে যে ঘাটতি তৈরি হতে পারত, তা কমে প্রায় ১.৬ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিনে নেমে এসেছে (Middle East War)।

    বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা

    যদিও ক্রুড ওয়েল সরবরাহ বিভিন্ন উৎস থেকে আংশিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব, তবুও বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা- যদি উপসাগরীয় অঞ্চলে অশান্তি অব্যাহত থাকে, তাহলে এলপিজি সরবরাহের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে (Russian Oil Imports)। ভারত প্রতিদিন প্রায় ১ মিলিয়ন ব্যারেল এলপিজি ব্যবহার করে। অথচ দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন মোট চাহিদার মাত্র ৪০–৪৫ শতাংশ পূরণ করে। বাকি ৫৫–৬০ শতাংশই আমদানি করতে হয়, যার অধিকাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে।রিটোলিয়ার মতে, ভারতের ৮০–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তাই আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে এই সরবরাহ ব্যবস্থা যথেষ্ট ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভারত প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ লাখ ব্যারেল এলপিজি ব্যবহার করে, যার মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল আমদানি করা হয় (Middle East War)।

     

  • Omar Abdullah: জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে খুনের চেষ্টা, নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন ওমরের

    Omar Abdullah: জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে খুনের চেষ্টা, নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন ওমরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার (Omar Abdullah) বাবা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লার ওপর হামলার চেষ্টা। ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG)-এর জেড প্লাস নিরাপত্তা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও হামলাকারী কীভাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এত কাছে পৌঁছে গেল?

    পিছন থেকে গুলি, বরাতজোরে বাঁচল প্রাণ

    বুধবার সন্ধ্যায় জম্মুতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রবীণ ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়। ঘটনাটি ঘটে গ্রেটার কৈলাশ এলাকার রয়্যাল পার্কে আয়োজিত একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক ব্যক্তি পিস্তল হাতে আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা করেন। তবে তাঁর জেড প্লাস নিরাপত্তা বলয়ের দায়িত্বে থাকা এনএসজি-র নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন এবং গুলিটি প্রতিহত করেন। ফলে অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। ইতিমধ্যেই হামলার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বিয়ে বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেইসময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ঢুকে পড়েন ওই অভিযুক্ত। ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। কী কারণে এই হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। ঘটনার জেরে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। ওই অভিযুক্তের দাবি, ২০ বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন।

    জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Omar Abdullah)

    ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জম্মুর গ্রেটার কৈলাশ এলাকার রয়্যাল পার্কে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ফারুককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে যান ফারুক।” এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে ওমর লেখেন, “আল্লাহ্ দয়ালু। আমার বাবা অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছেন। এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়, তবে জানা গিয়েছে যে এক ব্যক্তি পিস্তল নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেছিল। নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্তকে আটক করে, ব্যর্থ হয় হত্যার চেষ্টা। এখন উত্তরের চেয়ে প্রশ্নই বেশি, এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, এনএসজির জেড প্লাস নিরাপত্তায় থাকা একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এত কাছে কেউ কীভাবে পৌঁছতে পারল?”

    ফারুক আবদুল্লা সুস্থ

    জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নাসির আসলাম ওয়ানি জানান, ঘটনায় কেউ আহত হননি, অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “এমন কিছু নয়। আল্লাহ্ খুব দয়ালু।” পুলিশি ব্যবস্থার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে (Omar Abdullah) তিনি বলেন, “এখনই কিছু বলা ঠিক হবে না। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করবে। তাই এখনই কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।” তিনি বলেন, “অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে বোঝা যাবে অভিযুক্ত কেন গুলি করার চেষ্টা করেছিল, তার উদ্দেশ্যই বা কী ছিল।” তিনি জানান, ফারুক আবদুল্লা (Farooq Abdullah) সম্পূর্ণ সুস্থ, তিনি বিশ্রাম নিচ্ছেন।

    কী বললেন উপমুখ্যমন্ত্রী

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও জানিয়েছে, ফারুক আবদুল্লার প্রাণনাশের চেষ্টা করা হয়েছিল। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এনএসজি সদস্যরা দ্রুত পদক্ষেপ করায় ব্যর্থ হয় হামলার চেষ্টা। অভিযুক্তের নাম কামাল সিং। তাকে আটক করা হয়েছে। সে জম্মুর পুরানি মান্ডি এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রটিও। পুলিশ জানিয়েছে, মামলা দায়ের করা হয়েছে, চলছে তদন্তও। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধুরী। তিনিও জানান, ঘটনায় কেউ আহত হননি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনিও। জম্মু জোনের (Farooq Abdullah) পুলিশের আইজিপি (IGP) গাংগিয়াল থানায় পৌঁছন। এখানেই ফারুক আবদুল্লার ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় রয়েছে অভিযুক্ত (Omar Abdullah)।

     

  • Maoists Surrender: ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ ১০৮ মাওবাদীর, উদ্ধার রেকর্ড পরিমাণ সামগ্রী

    Maoists Surrender: ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ ১০৮ মাওবাদীর, উদ্ধার রেকর্ড পরিমাণ সামগ্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের। বুধবার ছত্তিশগড়ের বস্তার জেলায় অন্তত ১০৮ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এদের সম্মিলিত মাথার মোট পুরস্কার মূল্য ছিল ৩.৯৫ কোটি টাকা। বিপুল পরিমাণ অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, একটি নকশাল ঘাঁটি থেকে একসঙ্গে এত টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার হওয়ার ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

    নকশাল ঘাঁটি থেকে উদ্ধার বিপুল নগদ, সোনা (Maoists Surrender)

    এদিন যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারা নিষিদ্ধ সংগঠন কমিউনিস্ট পার্ট অফ ইন্ডিয়া (মাওবাদী)-র দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটির সদস্য। তারা বস্তার জেলার সদর শহর জগদলপুরে আত্মসমর্পণ করে। বস্তার রেঞ্জের পুলিশের আইজি সুন্দররাজ পি জানান, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি নকশাল ঘাঁটি থেকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৩.৬১ কোটি টাকা নগদ, প্রায় ১ কেজি সোনা, ১০১টি অস্ত্র। এই অস্ত্রগুলির মধ্যে রয়েছে একে ৪৭ রাইফেল, ইনসাস রাইফেল, এসএলআর, লাইট মেশিনগান, .৩০৩ রাইফেল এবং ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার।

    ছত্তিশগড় পুলিশের বক্তব্য

    আত্মসমর্পণকারী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে রয়েছে ডিভিশনাল কমিটির সদস্য রাহুল তেলাম, পান্ড্রু কোভাসি ও ঝিত্রু ওয়াম (পশ্চিম বস্তার বিভাগ), রামধর ওরফে বীরু (পূর্ব বস্তার বিভাগ) এবং মল্লেশ (উত্তর বস্তার বিভাগ)। এছাড়াও ছিলেন পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (PLGA) ব্যাটেলিয়নের কমান্ডার মুচাকি এবং অন্ধ্র-ওডিশা সীমান্ত এলাকার ডিভিশনাল কমিটির সদস্য কোসা মান্দাভি। ছত্তিশগড় পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পুনা মার্গেম: রিহ্যাবিলিটেশন টু রিজুভেনেশন” কর্মসূচির আওতায় ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে বস্তার বিভাগীয় সদর দফতর জগদলপুরে এই ১০৮ জন মাওবাদী মূলধারায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হিংসা ত্যাগ করা এই ক্যাডারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নকশাল অস্ত্রভান্ডারের হদিশ মিলেছে।

    কী বলছেন উপমুখ্যমন্ত্রী

    ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বেও রয়েছেন। তিনি জানান, আত্মসমর্পণকারী ছ’জন ডিভিশনাল কমিটি সদস্যের মাথার ওপর প্রতি জনের জন্য ৮ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ছিল ৩ জন কোম্পানি প্লাটুন কমিটি কমান্ডার, ১৮ জন প্লাটুন পার্টি কমিটি সদস্য, ২৩ জন এরিয়া কমিটির সদস্য, ৫৬ জন সাধারণ পার্টির সদস্য। জেলাওয়াড়ি পরিসংখ্যানটি হল, বীজাপুরে ৩৭ জন, দান্তেওয়াড়ায় ৩০ জন, সুকমায় ১৮ জন, বস্তারে ১৬ জন, নারায়ণপুরে ৪ জন এবং কঙ্কেরে ৩ জন। পুলিশের মতে, মাওবাদীদের এই বিরাট সংখ্যায় আত্মসমর্পণ মাওবাদী মতাদর্শের প্রতি ক্রমবর্ধমান হতাশা এবং বস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র অভিযানের ফল।

    মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ

    পুলিশের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, গত ২৬ মাসে ছত্তিশগড়ে মোট ২,৭১৪ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৯ মার্চ পর্যন্ত বস্তার বিভাগেই আত্মসমর্পণ করেছে ২,৬২৫ জন। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেশে নকশালবাদের অবসানের জন্য ডেডলাইন দিয়েছেন চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এদিকে, বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির দু’জন সদস্য এখনও পলাতক। গত বছরের শুরুতে এই কমিটিতে ২১ জন সদস্য ছিল, যার মধ্যে ১৯ জনই আত্মসমর্পণ করেছে বা সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। ২০০০ সালের শুরুর দিকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিল ৪০-৪৫জন সদস্য।

    মাওবাদীদের নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা

    উপমুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্যে মাওবাদের অবসান হলে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে বস্তার অঞ্চল থেকে অধিকাংশ আধাসামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে পারে। বিধানসভায় বাজেট আলোচনায় তিনি বলেন, সরকার ৩১ মার্চ ২০২৬-কে সশস্ত্র মাওবাদীদের নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এরপর ধাপে ধাপে বাহিনী প্রত্যাহার করা শুরু হবে। উল্লেখ্য যে, এই বাজেটে পুলিশ বিভাগের জন্য ৭,৭২১.০১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসন ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩৮ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল বলেন, “সবাই চায় মাওবাদের অবসান হোক, এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক।” তাঁর প্রস্তাব, ৩১ মার্চ রাজ্যে মাওবাদ নির্মূলীকরণ উপলক্ষে বিধানসভার একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা যেতে পারে। আলোচনার শেষে ভোটাভুটিতে কাট মোশন ৩৭ বনাম ২৪ ভোটে খারিজ হয় এবং পরে বিধানসভা শর্মার দফতরগুলির বাজেট প্রস্তাব অনুমোদন করে।

     

  • Hindus Under Attack: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছেই, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছেই, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশ- উভয় ক্ষেত্রেই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) ওপর হামলা ক্রমাগত ঘটে চলেছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Roundup Week)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে করে করে করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছেন। একই সঙ্গে অভূতপূর্ব মাত্রায় বাড়ছে হিন্দু-বিদ্বেষও। গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ এই সপ্তাহে সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে আমরা এই ধরনের অপরাধের একটি চিত্র তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    কর্নাটক (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই আসা যাক, ভারতের কথায়। কর্নাটকের হাভেরি জেলার ব্যাদগি তালুকের মল্লুর গ্রামে দান করা একটি জমির ওপর নির্মিত একটি সরকারি উর্দু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকালে দান করা অংশের বাইরের জমিও দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ দাতা পরিবারের সদস্য বীরাপ্পা কুলকার্নির। তিনি দখলকরা জমি ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিজয়নগর জেলার হোসপেটেতে ভয়াবহ ঘটনায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রেলওয়ে স্টেশন রোড সংলগ্ন চাপালাগাড্ডা এলাকায় একটি বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার হয় এক মহিলার গলাকাটা দেহ। নিহতের নাম উমা (৩৫), তিন সন্তানের জননী। দাম্পত্য কলহের কারণে তিনি প্রথম স্বামী রঘু ওরফে রামাঞ্জনেয়ার থেকে প্রায় ছ’বছর ধরে আলাদা ছিলেন এবং বাবা-মায়ের বাড়িতে থাকতেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনি চার মাস আগে খাজা হুসেন নামে এক ইসলামপন্থী ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন (Hindus Under Attack)।

    পুলিশের হাতে সমাজকর্মী

    গভীর রাতে ব্যানারঘাট্টা পুলিশের হাতে সমাজকর্মী পুনীত কেরেহল্লির গ্রেফতারি নিয়ে তীব্র জনরোষ তৈরি হয়েছে (Roundup Week)। অভিযোগ, বেআইনি বাংলাদেশি অভিবাসী বসতি নিয়ে নাগরিক নজরদারি দমন করতেই এই পুলিশি পদক্ষেপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মুক্তির দাবিতে ব্যাপক প্রচার শুরু হয়েছে। এদিকে, গত সাত বছরে একটি ভয়াবহ প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। মুসলিম হিজড়ারা হিন্দু হিজড়াদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ, শারীরিক নিপীড়ন, হুমকি ও মানসিক নির্যাতন করছেন (Hindus Under Attack)। বেলাগাভি জেলার এক নাবালিকা হিন্দু কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, মহম্মদ সাহিল নামে এক ইসলামপন্থী ব্যক্তি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও ধর্মান্তরের চেষ্টা করে। বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।

    লাভ জেহাদ

    উত্তরপ্রদেশের হামিরপুর জেলায় লাভ জেহাদের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। সুমেরপুরের এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে প্রলুব্ধ করে ধর্ষণ, অশ্লীল ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল এবং ধর্মান্তরের চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সনাতনী সংগঠন ও ব্যবসায়ীরা বাজার বন্ধ করে প্রতিবাদ জানান (Roundup Week)। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া দুটি ঘটনায় নয়া বিতর্কে জড়িয়েছেন। বেলাগাভিতে এক সরকারি অনুষ্ঠানে গেরুয়া পাগড়ি পরতে অস্বীকার করা এবং বেঙ্গালুরুতে এক ভক্তের দেওয়া গুরু রাঘবেন্দ্র স্বামীর ছবি ফিরিয়ে দেওয়া। এতে কংগ্রেস সরকারের তথাকথিত ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ নিয়েই উঠছে প্রশ্ন (Hindus Under Attack)।

    মুসলমান ইনফ্লুয়েন্সার

    কেরলে সোশ্যাল মিডিয়া মুসলমান ইনফ্লুয়েন্সার শিমজিথা মুস্তাফার অভিযোগের পর ৪২ বছরের ইউ দীপক আত্মহত্যা করেন। ভাইরাল ভিডিওর জেরে জনসমক্ষে অপমানিত হয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে পরিবারের অভিযোগ। কেরল মানবাধিকার কমিশন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। উদুপিতে শতাব্দীপ্রাচীন পার্যায়া উৎসবে জেলা প্রশাসনের অংশগ্রহণ নিয়ে কংগ্রেস-বিজেপি সংঘাত তৈরি হয়েছে। কেসরি পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্ক। মেকআপ আর্টিস্ট রুচিকা শর্মা দাবি করেন, হিন্দু দেবী মারিয়াম্মা ও খ্রিস্টান মেরি একই, যা মিশনারি যুগের পুরনো মিথ্যাকে আবার প্রচার করেছে (Hindus Under Attack)। বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এলাকায় রোড রেজের ঘটনায় ইসলামপন্থী সৈয়দ আরবাজ খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অবিরাম এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। সিলেটের গোয়াইনঘাটে এক হিন্দু শিক্ষকের বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। গোয়ালন্দ মোড়ে পেট্রোলের দাম না দিয়ে পালাতে গিয়ে এক হিন্দু কর্মী রিপন সাহাকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা করা হয় (Hindus Under Attack)।

    বিদেশ

    অস্ট্রেলিয়ার খাদ্য সংস্থা মন্ডেলেজ ইন্টারন্যাশনালের পণ্যে গোপনে গরুর মাংস ব্যবহারের অভিযোগে বিশ্বজুড়ে হিন্দুরা ক্ষমা প্রার্থনার দাবি তুলেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার ক্যারিতে শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি একে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে রয়েছে ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ প্রকাশ্য হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও সূক্ষ্ম ও প্রাত্যহিক বৈষম্য হিন্দু-বিদ্বেষকে উসকে দিচ্ছে। দীপাবলিতে বাজি নিষেধাজ্ঞা তার একটি উদাহরণ। এটি আপাতদৃষ্টিতে পরিবেশগত হলেও, বাস্তবে দ্বিচারিতার পরিচয় দেয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Ankush Sachdeva: ১৭ বার ফেল, তার পরেই সাফল্যের শীর্ষে আইআইটির প্রাক্তনী

    Ankush Sachdeva: ১৭ বার ফেল, তার পরেই সাফল্যের শীর্ষে আইআইটির প্রাক্তনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআইটি কানপুরের প্রাক্তনী অঙ্কুশ সচদেবা প্রবাদটির জীবন্ত উদাহরণ, “ধৈর্য তিক্ত হলেও, তার ফল মিষ্টি।”  অঙ্কুশ একেবারে শূন্য থেকে গড়ে তুলেছিলেন ১৭টি স্টার্টআপ, কিন্তু একের পর এক সবকটিই ব্যর্থ হয়। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন, আইআইটি কানপুর থেকে পাশ করা এই তরুণ ইঞ্জিনিয়ার ১৭ বার অ্যাপ ও স্টার্টআপ চালু করেছিলেন, অথচ একটিও তাঁকে সাফল্য এনে দিতে পারেনি (Ankush Sachdeva)। অঙ্কুশের গল্পটি বলিউডে দেখা প্রচলিত আইআইটি সাফল্য কাহিনির মতো নয়। বরং এটি হাল না ছাড়ার এক অনন্য গল্প। তিনি আইআইটি কানপুর থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক। সাধারণত এখান থেকে পাশ করা ছাত্ররা বড় কর্পোরেট সংস্থার ঝাঁ-চকচকে অফিসে কাজ শুরু করেন। কিন্তু অঙ্কুশ বেছে নিয়েছিলেন ভিন্ন পথ, যে পথে তাঁকে টানা ১৭টি ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

    ইউটিলিটি পরিষেবা (Ankush Sachdeva)

    বছরের পর বছর ধরে ই-কমার্স থেকে শুরু করে ইউটিলিটি পরিষেবা যে সব আইডিয়ায় তিনি মনপ্রাণ ঢেলে দিয়েছিলেন, সেগুলির সবই ভেঙে পড়ে। বাইরের লোকজনের চোখে তিনি ছিলেন এমন এক জেদি মানুষ, যিনি ‘একটা ঠিকঠাক চাকরি’ করতে রাজি নন। কিন্তু অঙ্কুশের কাছে প্রতিটি ব্যর্থতা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ শেখার ধাপ। তিনি শিখেছিলেন নিজেকে ব্যর্থ মনে করতে না। কী কাজ করছে না, তা বাদ দিয়ে তিনি ধীরে ধীরে এমন এক সমস্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, যেটি গোটা টেক দুনিয়ায় প্রায় সবাই উপেক্ষা করেছিল (Ankush Sachdeva)। ২০১৫ সালে আইআইটি কানপুরেরই বন্ধু ফরিদ আহসান ও ভানু সিংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি লক্ষ্য করেন, ছোট শহর ও গ্রামে ইন্টারনেট ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু স্থানীয় ভাষায় কোনও আকর্ষণীয় অ্যাপ নেই। মূলধারার প্ল্যাটফর্মগুলি সেখানে জনপ্রিয় হচ্ছিল না, এমনকি সেগুলির কনটেন্টও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারছিল না। এটিই ছিল তাঁদের ‘ইউরেকা মুহূর্ত’।

    শেয়ার চ্যাট

    সেখান থেকেই জন্ম নেয় শেয়ার চ্যাট। শুরু হয় হিন্দি ভাষা দিয়ে, পরে তা বিস্তৃত হয় মালয়ালম, গুজরাটি, বাংলা, পাঞ্জাবি-সহ মোট ১৫টি ভারতীয় ভাষায়। এটি কোনও ইংরেজি অ্যাপের অনুবাদ মাত্র নয়, বরং এটি ছিল একেবারে নতুন ধরনের অ্যাপ, যেখানে ছিল হাস্যরস, স্থানীয় খবর এবং মেট্রো শহরের বাইরের ভারতের দৈনন্দিন বাস্তবতা। প্রশ্ন হল, এই শেয়ার চ্যাট কি সফল হয়েছিল? আজ্ঞে, হ্যাঁ। ২০২২ সালের মধ্যে শেয়ার চ্যাটের মূল্যায়ন পৌঁছে যায় প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকায়। এটি হয়ে ওঠে লাখ লাখ মানুষের জন্য ডিজিটাল ‘নুক্কড়’, একটি এমন অনলাইন আড্ডার জায়গা, যাঁরা এতদিন বৈশ্বিক ইন্টারনেট জগতে প্রায় অদৃশ্য ছিলেন।

    ২০২১ সালের মধ্যেই শেয়ার চ্যাটের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ১৬ কোটি। সংস্থার প্রধান কার্যালয় ভারতের বেঙ্গালুরুতে, বৈষ্ণবী টেক পার্কে অবস্থিত। শেয়ার চ্যাট পরিচালনা করে মহল্লা টেক। সংস্থাটির উপস্থিতি ভারত, আমেরিকা ও ইউরোপে থাকলেও এর মূল প্রযুক্তি কেন্দ্র এখনও বেঙ্গালুরুতেই, যা ভারতের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি হাব (Ankush Sachdeva)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন, গ্যারেজ কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা

    Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন, গ্যারেজ কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সে দেশে হওয়ার কথা সাধারণ নির্বাচন। এমন সময় বাংলাদেশে হিন্দু (Hindu Burnt Alive) সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার মধ্যেই আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশ্যে চলে এল (Bangladesh)। রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে নরসিংদী শহরে ঘুমন্ত অবস্থায় বছর তেইশের এক হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

    হিন্দু খুন (Bangladesh)

    নিহত যুবকের নাম চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক। তিনি কুমিল্লা জেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা খোকন চন্দ্র ভৌমিকের ছেলে। চঞ্চল নরসিংদী পুলিশ লাইনের খানাবাড়ি মসজিদ মার্কেট এলাকায় একটি গ্যারাজে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে কাজ শেষ করে ক্লান্ত অবস্থায় গ্যারাজের ভেতরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চঞ্চল। সেই সময় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যক্তি গ্যারাজে আগুন লাগিয়ে দেয়। গ্যারাজের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে পেট্রোল, ইঞ্জিন অয়েল ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

    মারা হল জ্যান্ত পুড়িয়ে

    ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা চঞ্চল ভৌমিক দমবন্ধ হয়ে ও দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে হামলাকারীদের গ্যারাজে আগুন দিতে দেখা গেলেও এখনও তাদের পরিচয় জানা যায়নি (Bangladesh)। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, “মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশের একটি দল দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।” ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার হিন্দু বসবাস করেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫ শতাংশ।

    এর আগে ভারত বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। প্রতিবেশী এই দেশে চরমপন্থা বৃদ্ধির আশঙ্কার মধ্যেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এক সপ্তাহ আগেই গাজিপুর জেলায় এক হিন্দু মিষ্টি বিক্রেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি এক কর্মচারীকে হামলার হাত থেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন। ওই সপ্তাহেই সিলেট জেলায় এক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে আগুন (Hindu Burnt Alive) লাগানো হয় এবং ফেনি জেলায় এক হিন্দু অটোরিকশা চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় (Bangladesh)।

     

LinkedIn
Share