Tag: bangla mews

bangla mews

  • Jammu Kashmir: জঙ্গি সংগঠনগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে, কড়া নির্দেশ জম্মু ও কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের

    Jammu Kashmir: জঙ্গি সংগঠনগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে, কড়া নির্দেশ জম্মু ও কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি দমন অভিযানে লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার ওসমানের মৃত্যুর পরই ফের রক্তাক্ত শ্রীনগর (Srinagar)। রবিবার বাজারে গ্রেনেড হামলায় কমপক্ষে ১২ জন জখম হয়েছেন। গত কয়েকদিনে একাধিকবার জঙ্গি হামলায় রক্ত ঝরেছে উপত্যকায়। এরপরই কড়া নির্দেশ দিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) উপরাজ্যপাল মনোজ সিন‍্‍হা। সেনাকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন গুঁড়িয়ে দিতে নির্দেশ দিলেন তিনি। 

    যে কোনও মূল্যে জঙ্গি দমন

    রবিবার বিকেলে টিআরসি থেকে লালচক পর্যন্ত, রেসিডেন্সি রোডে একটি বড় বাজার বসে। সেই বাজারের মধ্যেই এদিন সিআরপিএফ কর্মীদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুড়েছিল জঙ্গিরা। এই হামলার নিন্দা করে উপরাজ্যপাল নিরাপত্তা বাহিনীর উদ্দেশে বলেন, “জঙ্গিদের কড়া জবাব দিতে হবে। জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে।” জম্মু ও কাশ্মীরের ডিজিপি নলিন প্রভাতের সঙ্গে কথা বলেন উপরাজ্যপাল। নিরাপত্তা বাহিনীর পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা হয় তাঁর। সরকারি এক মুখপাত্র জানান, জঙ্গিদের কড়া জবাব দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন উপরাজ্যপাল। উপরাজ্যপাল বলেন, যারা সাধারণ নাগরিকের উপর হামলা চালিয়েছে, এর মূল্য তাদের চোকাতে হবে। জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর পূর্ণ স্বাধীনতা আছে বলে মন্তব্য করেন মনোজ সিন‍্‍হা।

    আরও পড়ুন: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে, দাবি মার্কিন সংস্থার

    লস্কর জঙ্গি ওসমান-নিধনে বিস্কুটের ভূমিকা

    এর আগে, শনিবার শ্রীনগরের (Jammu Kashmir) খানিয়ারে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছে জঙ্গিনেতা ওসমানের। পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার এই কমান্ডারকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তা বাহিনী। গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে একাধিক জঙ্গি হামলায় বড় ভূমিকা রয়েছে ওসমানের। তার মৃত্যুকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই অভিযানে (Srinagar) চার জওয়ানও জখম হয়েছেন। সেনা সূত্রে খবর, শনিবারের অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর সাফল্যে বিস্কুটের একটি বড় ভূমিকা ছিল। অভিযানের সময়ে পথকুকুররা যাতে ডাকাডাকি না করে, সে দিকে সজাগ নজর ছিল বাহিনীর। ওসমানকে খুঁজে বার করার সময় পথকুকুরদের শান্ত রাখা ছিল বাহিনীর অন্যতম একটি চ্যালেঞ্জ। কারণ, কুকুর ডাকাডাকি করলে ওসমানের সতর্ক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই অভিযান শুরুর সময় জওয়ানেরা সঙ্গে বিস্কুট রেখে দিয়েছিলেন। এলাকায় কুকুরদের শান্ত রাখার জন্য বিস্কুট খাওয়ান তাঁরা। শেষে খানিয়ারে ওসমানের সম্ভাব্য আস্তানাকে চিহ্নিত করে ৩০টি বাড়ি ঘিরে ফেলেন জওয়ানরা। অভিযানের একটি পর্যায়ে জঙ্গিনেতাকে খুঁজেও পান তাঁরা। লস্কর নেতার সঙ্গে ছিল একে-৪৭, একটি পিস্তল এবং বেশ কিছু গ্রেনেড। কয়েক ঘণ্টা ওসমান ও অন্য জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই চলে নিরাপত্তা বাহিনীর। শেষে বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় ওসমানের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “কাজ না করেও ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছেন তৃণমূলকর্মীরা”, ক্ষোভ জানিয়ে বললেন বঞ্চিতরা

    Nadia: “কাজ না করেও ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছেন তৃণমূলকর্মীরা”, ক্ষোভ জানিয়ে বললেন বঞ্চিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের বকেয়া মজুরির টাকা দেওয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। আর সেই টাকা দিতেই সামনে চলে এসেছে দুর্নীতি। তৃণমূলের প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেছেন এলাকার মানুষ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) বারাসত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে প্রকৃত শ্রমিকেরা মজুরি না পেলেও, প্রধানের ঘনিষ্ঠদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে হাজার হাজার টাকা। মজুরি বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন। নদিয়ার রানাঘাট ব্লকের বারাসত পঞ্চায়েতের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    বেশ কয়েক বছর আগে ১০০ দিনের কাজ করেছিলেন পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। অথচ রাজ্য সরকার ঘোষিত মজুরি প্রাপকদের তালিকায় তাঁদের নাম নথিভুক্ত করা নেই। যার ফলে তাঁরা প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য,  কাজ না করেও প্রধান-ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। আর এলাকায় আমাদের মতো জবকার্ডধারীরা ৮০ থেকে ৯০ দিন কাজ করেও মজুরি প্রাপকদের তালিকায় নাম নেই। কিন্ত এক দিনও কাজ না করেও পুরো ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছেন অনেকে তৃণমূলকর্মীরা। অতীতে আবাস দুর্নীতিতেও নাম জড়িয়ে ছিল নদিয়ার (Nadia)  বারাসাত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের। পাকা ঘর থাকা সত্ত্বেও প্রধানের পরিবারের একাধিক সদস্যদের আবাস তালিকায় নাম থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ১০০ দিনের টাকা বণ্টন ঘিরেও জব কার্ড প্রাপকদের দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ হলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে আবার সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।

    তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    পঞ্চায়েত প্রধান শেফালি দাবি করেছেন, এখানেও রয়েছে ‘বিরোধীদের রাজনীতি।’ তিনি বলেন, “যত জনের জব কার্ড রয়েছে তার থেকেও বেশি জন টাকার জন্য আবেদন করেছেন। এরপর তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ১,৪৫৮ জন মজুরির জন্য আবেদন করেছেন। অথচ, জব কার্ড প্রাপকের সংখ্যা ১,২৫৩। কেন্দ্র যখন টাকা দেয়নি, কেউ কিছু বলেনি। মুখ্যমন্ত্রী বঞ্চিত শ্রমিকদের টাকা দিতেই বিরোধীদল হট্টগোল পাকানোর চেষ্টা করছে।”

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, “তৃণমূল আর দুর্নীতি সমার্থক শব্দ। ভোটের কর্মীদের লুটেপুটে খাওয়ার জন্যই ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়ার স্কিম নিয়েছে তৃণমূল। আসলে এটা তৃণমূলের দলীয় তহবিলে নিজস্ব খরচ।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে প্রণামের জের! সুবল মান্নাকে সরাতে অনাস্থার অস্ত্রে শান তৃণমূলের

    Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে প্রণামের জের! সুবল মান্নাকে সরাতে অনাস্থার অস্ত্রে শান তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতা শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) প্রণাম করার মাশুল এভাবে দিতে হবে, তা ভাবতে পারছেন না কাঁথি পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবল মান্না। তাঁকে পদ থেকে সরাতে পুরসভার একটি বড় অংশের কাউন্সিলরদের নিয়ে ইতিমধ্যে বৈঠকও সেরে ফেলেছেন শাসকদলের নেতারা। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Sisir Adhikari)

    কয়েকদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে সাংসদ শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) হাজির ছিলেন। সেখান সুবলবাবুও আমন্ত্রিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়ে তিনি সকলের সামনে শিশিরবাবুকে প্রণাম করে রাজনৈতিক ‘গুরু’ করে সম্বোধন করেন। এটা সামনে আসতেই জোর বিতর্ক তৈরি হয়। দলের পক্ষ থেকে প্রথমে তাঁকে শো-কজ করা হয়। পরে, তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। শুধু তাই নয় ইতিমধ্যেই দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকও করেছেন তিনি। কিন্তু, কোনও নির্দেশই নাকি টলাতে পারছে না সুবলবাবুকে। পদত্যাগ করা তো দূরের কথা, নিয়মিত অফিসে যাচ্ছেন এই তৃণমূল নেতা। তাই এবার কড়া পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সুবলবাবুর স্পষ্ট বক্তব্য, আমি রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়েছি। সেই বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে আমি বলেছি।

    অনাস্থার পথে দলীয় কাউন্সিলররা!

    কাঁথি পুরসভায় মোট কাউন্সিলরের সংখ্যা ২১। সুবল মান্নাকে নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলর রয়েছেন ১৭ জন। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পীযূষ পণ্ডা এক জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে ১৬ জন কাউন্সিলর হাজির ছিলেন। রাত সাড়ে ৯ টা নাগাদ শুরু হয় সেই বৈঠক, চলে রাত প্রায় ১১ টা পর্যন্ত। প্রত্যেকেই সুবলের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে সম্মত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সংকেত মিললেই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হতে পারে। ফলে, সুবলকে সরাতে দলের অন্দরে জোর তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Banana Tree: বিজেপির জয়ী সদস্যের বাগানে অধিকাংশ কলা গাছ কাটার অভিযোগ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Banana Tree: বিজেপির জয়ী সদস্যের বাগানে অধিকাংশ কলা গাছ কাটার অভিযোগ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির টিকিটের জয়লাভ করার পর থেকেই আসছিল শাসকদলের হুমকি। বোর্ড গঠনের পর জয়ী প্রার্থীর ফল ধরা প্রায় ৩০০ টি কলা গাছ (Banana Tree) রাতের অন্ধকারে কেটে নষ্ট করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। চরম অমানবিক রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক এই জঘন্য ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার চাকদার তাতলা- ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে ইটাপুকুর গ্রামে বিজেপির জয়ী সদস্য সুলেখা চৌধুরীর কলাবাগানে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Banana Tree) 

    বিজেপির জয়ী সদস্য সুলেখা চৌধুরীর দেড় বিঘা জমিতে কলার বাগান রয়েছে। দেড়বিঘে জমিতে লাগানো কলা গাছের মধ্যে ৩০০ টি গাছ (Banana Tree) কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আর্থিক ক্ষয়ক্ষয় বিক্রির পরিমাণ প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা। বৃহস্পতিবার সকাল বাগানে গিয়ে দেখেন বাগানের অধিকাংশ কলা গাছ কেটে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকাবাসীও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর বক্তব্য, বিজেপির জয়ী সদস্য বলেই এভাবে কারও কলা বাগান নষ্ট করা ঠিক নয়। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

    কী বললেন বিজেপির জয়ী সদস্য?

    বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সুলেখা দেবী বলেন, বিজেপির টিকিটে ভোটে জয় লাভের কারণে ফল প্রকাশের পরের দিন হঠাৎ রাতের অন্ধকারে আমার বাড়িতে বেশ কিছু শব্দবাজি একত্রিত করে ফাটানো হয়। সুলেখা দেবীর স্বামী হরিশচন্দ্র চৌধুরী এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব  প্রীতম মল্লিক ও তাঁর সহযোগী বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতৃত্বের  বিরুদ্ধে চাকদা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, এর আগে বাড়িতে প্রচুর পরিমাণে শব্দবাজি ফাটানোর প্রতিবাদ করেছিলাম বলে এলাকার তৃণমূল নেতা পাপ্পু মল্লিক এসে শাসিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, আমরা বাজি ফোটাতে যাবো কেনো ! ক্ষতি করার হলে পুরো কলা গাছের (Banana Tree) বাগান কেটে সর্বনাশ করে দিতাম। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চাকদা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা করলেও এখনও পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ব্যক্তিগত অথবা পারিবারিক শত্রুতাও হতে পারে বলে মনে করছেন তারা। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি শেখর কুমার কর বলেন, এই ধরনের ঘটনায় কোনও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক যুক্ত থাকতে পারেনা। তবে, প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করার জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ৭টি দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ বাড়ল রাজ্যে! রেলকে ধন্যবাদ জানালেন শুভেন্দু

    Indian Railway: ৭টি দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ বাড়ল রাজ্যে! রেলকে ধন্যবাদ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় দূরপাল্লার একাধিক ট্রেনের স্টপেজ দিল রেলমন্ত্রক। ট্রেনের নতুন স্টপেজ দেওয়ার জন্য রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাওড়া এবং শিয়ালদা থেকে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেনের নতুন স্টপেজ দেওয়া হয়েছে একাধিক জেলায়। দীর্ঘদিন ধরে স্টপেজ দেওয়ার দাবি ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। রেলের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এই স্টেশনগুলিতে দূরপাল্লার ট্রেন থামলে অত্যন্ত উপকার হবে সাধারণ মানুষের। কারণ এই স্টেশনগুলির সংলগ্ন এলাকা থেকে যাঁদের ট্রেন ধরতে হয় তাঁদের অনেকটা পথ যেতে হয়। সেক্ষেত্রে তাঁদের এবার অনেকটাই সুবিধা হবে। 

    কোন কোন স্টেশনে স্টপেজ

    হাওড়া পুরুলিয়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে ঝন্টিপাহাড়ি স্টেশনে। শিয়ালদা বামনহাট উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে মালদা জেলার কুমেদপুর স্টেশনে। হাওড়া থেকে বারবিল জন শতাব্দী এক্সপ্রেসে ঝাড়গ্রাম স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে। উত্তর দিনাজপুর জেলায় ডালখোলায় তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে। হাওড়া থেকে হাতিয়া ক্রিয় যোগ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হবে পুরুলিয়া জেলার সুসিয়া স্টেশনে। কলকাতা থেকে গোরক্ষপুর পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পানাগড় স্টেশনে। এছাড়া দুমকা রাঁচি এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হবে পুরুলিয়া জেলার পুন্ডাগ স্টেশনে।

     ট্রেনের তালিকা তুলে ধরে কোন স্টেশনে সেগুলি দাঁড়াবে সেকথা উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সব মিলিয়ে ৭টি ট্রেনের স্টপেজ বাড়লো বাংলায়। শুভেন্দু ট্যুইটারে (অধুনা এক্স) লিখেছেন, “আমি কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিজেপির সাংসদ, বিধায়করা বিভিন্ন সময়ে দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ার জন্য যে অনুরোধ করেছিলেন, সেটাকে তিনি মান্যতা দিয়েছেন। এর জেরে সাধারণ যাত্রীদের যথেষ্ট সুবিধা হবে।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share