Tag: bangla new

bangla new

  • Mahakumbh 2025: পৃথিবীর দীর্ঘতম ট্রাফিক জ্যাম, মহাকুম্ভে গাড়ির লাইন ছাড়িয়েছে ৩০০ কিমি

    Mahakumbh 2025: পৃথিবীর দীর্ঘতম ট্রাফিক জ্যাম, মহাকুম্ভে গাড়ির লাইন ছাড়িয়েছে ৩০০ কিমি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাড়ির সমুদ্রে ডুবে রয়েছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) যাওয়ার পথ! জানা গিয়েছে, গাড়ির লাইন ছাড়িয়ে গিয়েছে কমপক্ষে ৩০০ কিলোমিটার। এই প্রবল যানজটে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে করতে বিরক্ত হয়ে রাস্তার ওপরেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছেন ভক্তরা। হেঁটেই মহাকুম্ভের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপক যানজটকে নেটিজেনরা বিশ্বের বৃহত্তম যানজট বলে অভিহিতও করেছেন। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার মারফত জানা যাচ্ছে, মধ্যপ্রদেশ হয়ে যে রাস্তা মহাকুম্ভ মেলার দিকে যাচ্ছে, সেই রাস্তায়ই ২০০-৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গাড়ির লম্বা লাইন। অন্যদিকে রবিবারই পুলিশ বিভিন্ন জেলায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়, এর ফলে বহু মানুষকে কয়েক ঘণ্টা ধরে রাস্তায় আটকে থাকতে হয়।

    কী জানালেন প্রত্যক্ষদর্শীরা (Mahakumbh 2025)

    প্রত্যক্ষদর্শীরা সমাজমাধ্যমে জানাচ্ছেন, রেওয়া জেলার চকঘাটে কাটনি থেকে মধ্যপ্রদেশ-উত্তরপ্রদেশ সীমান্ত পর্যন্ত ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট দেখা দিয়েছে। এই সময়ই সামনে এসেছে বিভিন্ন ভিডিও। ভিড়ের ভিডিও পোস্ট করে এক ভক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “জবলপুরের আগে ১৫ কিলোমিটার যানজট। প্রয়াগরাজ এখনও ৪০০ কিলোমিটার দূরে। মহাকুম্ভে আসার আগে দয়া করে যানজট পরিস্থিতি সম্পর্কে জেনে আসুন!” সোমবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে এক্স-এ একজন পোস্ট করে লিখেছেন, “কুম্ভে সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ট্র্যাফিক জ্যামে (১৫-২০ কিমি) আটকে গিয়েছি। প্রয়াগরাজ সম্পূর্ণরূপে স্তব্ধ।”

    যানবাহনের সারি ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ (Mahakumbh 2025)

    অনেকেই দাবি করছেন, যানবাহনের সারি ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ। অর্থাৎ ৩০০ কিলোমিটারের যানজট (Mahakumbh 2025) পেরিয়ে তবেই পৌঁছানো যাচ্ছে প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে। পুলিশকর্মীদেরই দাবি, ২০০-৩০০ কিলোমিটার যানজট (Traffic Jam) রয়েছে। আবার কারও দাবি, কোনও কোনও গাড়িকে ৪৮ ঘণ্টা ধরে আটকে থাকতে হচ্ছে। মাত্র ৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা সময় লাগছে। তবু ভিড়ের কমতি নেই। লাখে লাখে ভক্ত হেঁটেই চলেছেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইভেন্টে। অমৃতস্নান করার জন্য ছুটে আসছেন দেশ-বিদেশ থেকে অগুনতি ভক্ত। সেই কারণে তৈরি হয়েছে মারাত্মক ট্র্যাফিক জ্যাম, এমনটাই মনে করছে পুলিশ।

  • Israeli Hostages: বেঁধে রাখা হত শিকলে, ইজরায়েলে ফিরে হামাসের অত্যাচারের বর্ণনা তিন নাগরিকের

    Israeli Hostages: বেঁধে রাখা হত শিকলে, ইজরায়েলে ফিরে হামাসের অত্যাচারের বর্ণনা তিন নাগরিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি হামাসের (Hamas) হাত থেকে মুক্তি পেয়েছেন ইজরায়েলের তিন নাগরিক। এঁরা হলেন- এলি শারাবি, ওহাদ বেন আমি এবং ওর লেভি। দেশে ফিরে তাঁরা হামাসের অত্যাচারের করুণ কাহিনী বর্ণনা করেছেন। ১৬ মাস পরে মুক্ত হওয়া তিন বন্দির কথায়, তারা (হামাস) আমাদের সঙ্গে জানোয়ারদের মতো আচরণ করত। ৩৪ বছর বয়সি বন্দি ওর লেভি, এলি শারাবি (৫৪) এবং ওহাদ বেন আমি (৫৬) সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হত। তাঁদের উপর চলত অমানবিক শারীরিক অত্যাচার। ৪৯১ দিন তাঁরা বন্দি ছিলেন। প্রতিদিনই তাঁদের এই অত্যাচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের মুখে কাপড় গুঁজে দেওয়া হত। একমাত্র তাঁদের ভালো করে খাবার দেওয়া হয়েছিল হস্তান্তর করার আগেই। ইজরায়েলের চ্যানেলে এই নিয়ে খবরও হয়েছে যে ওই তিনজনকে দীর্ঘদিন না খাইয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ওই তিনজনকেই ইজরায়েলের রাজধানী (Israeli Hostages) তেল আভিভের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    তিন বন্দির মুক্তির গোটা প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়

    তিন বন্দির মুক্তির গোটা প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। তাতে দেখা যাচ্ছিল, ওই দিন ইজরায়েলি নাগরিককে (Israeli Hostages) ঘিরে ধরে রেখেছে মাস্ক পরা হামাস জঙ্গিরা (Hamas)। তাদের প্রত্যেকেরই হাতে ছিল স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। ওই তিন নাগরিককে দুর্বল, ফ্যাকাশে এবং রোগা দেখাচ্ছিল। প্রসঙ্গত, হামাসের সঙ্গে ১৫ মাস যুদ্ধের পর চলতি বছরের জানুয়ারিতেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদন করে ইজরায়েল (Israeli Hostages)।

    হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

    সরাসরি সম্প্রচার দেখার সময় মুক্ত হওয়া এক বন্দির আত্মীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেই ফেললেন, একেবারে কঙ্কালের মতো অবস্থা হয়েছে। কি ভয়ঙ্কর লাগছে! এরপরই বিবৃতি আসে ইজরায়েলের (Israeli Hostages) প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যাঁদের মুক্ত করা হল তাঁদের চেহারা দেখে অত্যন্ত মর্মান্তিক লাগছে। আমরা হামাসকে (Hamas) নির্মূল করবই। বাকি সব বন্দিদের আমরা ফিরিয়ে আনব।”

  • Omar Abdullah: শাহি দরবারে ওমর, আলোচনা ভূস্বর্গের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে

    Omar Abdullah: শাহি দরবারে ওমর, আলোচনা ভূস্বর্গের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ (Omar Abdullah) দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। সূত্রের খবর তাঁদের মধ্যে ত্রিশ মিনিট ধরে আলোচনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কাশ্মীরের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা করেছেন ওমর আব্দুল্লাহ। ওই বৈঠকে ওমর শাহকে জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন নিয়েও অবগত করেন। জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সম্প্রতি হামলা চালায় সন্ত্রাসবাদীরা। সে নিয়েও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অবগত করেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী।

    বৈঠকের পরে কী বললেন ওমর আবদুল্লাহ (Omar Abdullah)

    জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকের পরে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ট্যুইট বার্তা দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, বৈঠকের পরে ওমর (Omar Abdullah) নিজের এক্স মাধ্যমে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘আমি জম্মু-কাশ্মীরের আইন-শৃঙ্খলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠক করলাম এবং প্রত্যেকটি ঘটনা সম্পর্কে তাঁকে অবগত করেছি। এই ঘটনাগুলি স্বচ্ছ তদন্ত হবে বলেই আমি আশা করি।’’

    সম্প্রতি মোদির প্রশংসা ওমরের মুখে

    কাশ্মীরে ‘জেড–মোড়’ তথা ‘সোনমার্গ টানেল’ মোদি উদ্বোধন করেন সম্প্রতি। এরপরেই তাঁর উদ্দেশে ধন্যবাদ জ্ঞাপক বক্তব্য রাখেন ওমর। তিনি বলেন, ‘‘তৃতীয় বার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন শ্রীনগরে এলেন, তখন থেকেই লোকে তাঁর কথা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজের কাজের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন, কাশ্মীরের মানুষের দিল এবং দিল্লির দূরত্ব মুছে ফেলতে তিনি বদ্ধপরিকর। আপনি আশ্বাস দিয়েছিলেন— চার মাসের মধ্যে জম্মু–কাশ্মীরে বিধানসভা ভোট হবে, আপনি কথা রেখেছেন। লোকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আমার মন বলছে, আপনি খুব শিগ্‌গির আপনার তৃতীয় প্রতিশ্রুতিও রাখবেন। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু–কাশ্মীরের পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা নিশ্চয়ই ফেরাবেন আপনি।’’ মোদির সামনে মুখ্যমন্ত্রী ওমরের (Omar Abdullah) এই মন্তব্য শুনে হাততালিতে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে জনতা। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর জম্মু-কাশ্মীর সফর নিয়ে প্রশংসা করেন ওমর। এনিয়ে এক্স মাধ্যমে পোস্টও করেন।

  • Bangladesh crisis: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    Bangladesh crisis: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশান্তির আগুনে পুড়ছে বাংলাদেশ (Bangladesh crisis)। চলছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ। প্রত্যাশিতভাবেই পড়শি বন্ধু দেশের এই অশান্তিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ভারত (Anti Terrorism Crusade)। ভারতের উদ্বেগের কারণ একাধিক।

    ভারতের উদ্বেগের কারণ (Bangladesh crisis)

    এর মধ্যে রয়েছে মুক্তি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা, উত্তরপূর্ব ভারতে শান্তি বজায় রাখা, বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সর্বোপরি, সে দেশের নয়া সরকারের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলা। দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াই খানিকটা হলেও ধাক্কা খাবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    হাসিনাকে বেশি গুরুত্ব ভারতের

    বরাবরই ভারত বিএনপির চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে হাসিনার আওয়ামি লিগকে। এর কারণ হল, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন এবং লস্কর-ই-তৈবার মতো জঙ্গি সংগঠনের প্রতি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিভঙ্গী। ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলার নেপথ্যে রয়েছে এই দুই সন্ত্রসবাদী সংগঠনের হাত। ৭/১১-র মুম্বই ট্রেনে বিস্ফোরণ, ২০০৮ সালের জয়পুর বোমা হামলা, ওই বছরই আমেদাবাদে বিস্ফোরণ, ২০১০ সালে জামে মসজিদে হামলা, বেঙ্গালুরু স্টেডিয়ামে বিস্ফোরণ, ২০১১ সালে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ এবং আরও অনেক জঙ্গি কার্যকলাপের নেপথ্যে রয়েছে এই দুই সংগঠনের হাত (Bangladesh crisis)। দেশজুড়ে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন বিভিন্ন জায়গায় ঘাঁটি গেড়েছে। বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে।

    ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের চেয়ে কোনও অংশে কম যায় না লস্কর-ই-তৈবা। ২৬/১১ হামলার নেপথ্যে তারাই। ২০০২ সালে মুম্বইয়ে ১১টি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এসবেরই নেপথ্যে ছিল ওই দুই জঙ্গি সংগঠনের হাত। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, হাসিনা-হীন জমানায় এই জঙ্গি সংগঠন বাংলাদেশে ডেরা বেঁধেছিল। সেখান থেকেই চক্রীরা ভারতে চালিয়ে গিয়েছিল একের পর এক অপারেশন। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হত। জঙ্গিরা ভারতে অপরাধ করে দিব্যি ঢুকে যেত হাসিনা-হীন সরকারের ছাতার তলায়। পরে সুযোগ বুঝে সেখান থেকে তারা চলে যেত পাকিস্তানে।

    আরও পড়ুন: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জঙ্গি সংগঠনগুলির লাগাম ধরতে বিএনপি কিছুই করেনি। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে সন্ত্রাসবাদ বন্ধে কোমর কষে নামেন হাসিনা। সেই প্রক্রিয়াই আপাতত ধাক্কা খাবে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। হাসিনার দেশ ছেড়ে চলে যাওয়াটা পাকিস্তানের আইএসআই এবং চিনের কাছে (Anti Terrorism Crusade) ‘পৌষ মাস’ হয়ে দাঁড়াল বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (Bangladesh crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood: বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি, বহু পুজোমণ্ডপ জলের তলায়! দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা

    Flood: বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি, বহু পুজোমণ্ডপ জলের তলায়! দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো শুরু হতে আর দু’সপ্তাহ বাকি। এখনও আকাশের মুখ ভার হয়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বীরভূমে জারি রয়েছে লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দক্ষিণের বাকি সব জেলায় জারি কমলা সতর্কতা। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ইতিমধ্যেই এদিন বেলা ১১টা নাগাদ ডিভিসি-র মাইথন থেকে ৩০ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছিল। এদিকে ইতিমধ্যেই বন্যার (Flood) জলে ভেঙে পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের জমিনদারি বাঁধ। পশ্চিম মেদিনাপুর, হুগলি সহ একাধিক জেলায় পুজোমণ্ডপ জলের তলায়। জল না নামলে পুজো কীভাবে হবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা।

    জলমগ্ন পুজোমণ্ডপ! (Flood)

    নিম্নচাপের লাগাতার বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির ছাড়া জলে আরামবাগ মহকুমায় কয়েক হাজার হেক্টর কৃষিজমি চলে গিয়েছে জলের তলায়। তাতেই মাথায় হাত এলাকার কৃষকদের। এরই মধ্যে মেদিনীপুর থেকে আরামবাগ, রাজ্যের একাধিক প্রান্তে ভারী বর্ষণের জেরে তৈরি হয়েছে বন্যা (Flood) পরিস্থিতি। একই অবস্থা পাশের এলাকা জাঙ্গিপাড়ারও। দামোদর নদের জলে প্লাবিত হুগলির জাঙ্গিপাড়া ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতেও মিলছে না সরকারি সহযোগিতা। এমনই অভিযোগ বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের। জাঙ্গিপাড়া ব্লকের রশিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আকনা, সেনপুর, হরিহরপুর এবং পশপুর গ্রাম জলমগ্ন। পাশাপাশি রাজবলহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ছিটখোলা গ্রামও চলে গিয়েছে জলের তলায়। এই সব এলাকার একাধিক মণ্ডপ জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের কলমিজোড় এলাকায় জলস্তর বিপদসীমায় পৌঁছেছে। ঘাটাল মহকুমার বাঁকা, গদাইঘাট, গোপিগঞ্জ, কলমিজোড়, রানিচক প্রভৃতি এলাকায় প্রায় বিপদ সীমার উপর দিয়ে জল বইছে যথাক্রমে শিলাবতী ও রূপনারায়ণে। কেলেঘাই, কপালেশ্বরীর ভয়ঙ্করী রূপে কপাল পুড়তে পারে বেলদা-নারায়ণগড় থেকে গোটা সবং-পিংলার। ঘাটালের হরিশপুর থেকে বন্দর যাওয়ার খেয়াঘাট সহ রূপনারায়ণের প্রায় সব খেয়াঘাট বন্ধ। জলের তলায় কয়েকশো হেক্টর চাষযোগ্য জমি। ফুঁসছে কপালেশ্বরী নদী। নন্দপুরা, চক খুনখুনিয়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। এই সব এলাকায় মণ্ডপ তৈরির জন্য বাঁশের কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। সেই মণ্ডপও এখন জলমগ্ন হয়ে রয়েছে।

    পুজোর উদ্যোক্তারা কী বললেন?

    পুজোর এক উদ্যোক্তা বললেন, মণ্ডপ থেকে জল কবে নামবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারণ, পুজোর প্যান্ডেল আদৌ করা যাবে কি না তা বুঝতে পারছি না। নতুন করে বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে। প্লাবিত এলাকায় জল নামতে কতদিন সময় লাগবে তা নিয়ে ধন্দে রয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share