Tag: bangla

bangla

  • Maoist Attack Plot: ওড়িশায় মাওবাদী হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    Maoist Attack Plot: ওড়িশায় মাওবাদী হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও দমনে ফের মিলল বড় ধরনের সাফল্য। ওডিশার (Odisha) কন্ধমাল জেলায় একটি বড় মাওবাদী হামলার (Maoist Attack Plot) পরিকল্পনা ভেস্তে দিল নিরাপত্তা বাহিনী। ডারিংবাড়ি থানার অধীনে একটি বনাঞ্চলের গোপন গুহা থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক।

    নকশালবিরোধী অভিযান (Maoist Attack Plot)

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG) এবং ডিস্ট্রিক্ট ভলান্টারি ফোর্স (DVF) যৌথভাবে পাকরি, বাবুটি, জামাবাড়ি এবং মাতাবাড়ি গ্রাম-সহ বিভিন্ন এলাকায় নকশালবিরোধী অভিযান শুরু করে। ৩০ মার্চ তল্লাশি অভিযানের সময় নিরাপত্তা কর্মীরা মাতাবাড়ি গ্রামের কাছে একটি গোপন গুহা আবিষ্কার করেন, যেখানে মাওবাদীরা অস্ত্র ও লজিস্টিক সামগ্রী মজুত করত।

    উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের পরিমাণ

    উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র। এগুলি হল— একটি এসএলআর রাইফেল, একটি .৩০৩ রাইফেল, দুটি ১২-বোর বন্দুক, দুটি এসবিজিএল (SBGL) রাইফেল এবং একটি দেশি অস্ত্র। এর সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি ম্যাগাজিন এবং ৭৯ রাউন্ড গুলিও। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১০টি এসবিজিএল গ্রেনেড, ৩০টি ইলেকট্রিক ডিটোনেটর এবং কিছু বিস্ফোরক পদার্থ (কোডেক্স)। এই মজুত ভান্ডারই ইঙ্গিত দেয় মাওবাদীরা বড় ধরনের কোনও নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে পাঁচটি ওয়াকি-টকি, তিনটি সোলার প্যানেল, দুটি টর্চলাইট, খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ, বাসনপত্র এবং মাওবাদী পুস্তিকা। পুলিশের সন্দেহ, এই মজুত করা সামগ্রী নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালানোর উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।

    চলছে জোরদার তল্লাশি অভিযান

    বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের পর আশপাশের বনাঞ্চলে জোরদার করা হয়েছে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ন’জন মাওবাদী, যার মধ্যে দু’জন পুরুষ এবং সাতজন মহিলা—এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। মাওবাদী নেত্রী শীলা, যিনি (Odisha) এই অঞ্চলে সক্রিয় বলে মনে করা হচ্ছে, তাঁর মাথার দাম ২৭ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে (Maoist Attack Plot)। কান্ধামালের পুলিশ সুপার হরিশ বিশি জানান, রাইকিয়া এবং ডারিংবাড়ির সীমান্তবর্তী বনাঞ্চলে বড় পরিসরে মাওবাদীবিরোধী অভিযান চলছে। তিনি বলেন, “এই অভিযানে আমরা ২৮টি দল মোতায়েন করেছি। গোপন অস্ত্রভান্ডারের তথ্যের ভিত্তিতে এসওজি এবং ডিভিএফে যৌথ দল তল্লাশি চালিয়ে মাতাবাড়ি গ্রামের কাছে বড়সড় মাওবাদী অস্ত্রভান্ডার উদ্ধার করেছে।”

    পুলিশ কর্তার বক্তব্য

    পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা জানান, ওডিশা প্রায় মাওবাদী-মুক্ত অবস্থার দিকে এগোচ্ছে।  এডিজি (নকশালবিরোধী অভিযান) সঞ্জীব পান্ডা বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের ফলে রাজ্যে মাওবাদী কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।” তিনি জানান, ইতিমধ্যেই আটটি জেলাকে মাওবাদী-মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৫ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে পরিস্থিতির (Maoist Attack Plot)।তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে মোট ২৭ জন মাওবাদীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, ১২০ জন আত্মসমর্পণ করেছে, গ্রেফতার করা হয়েছে ৯ জনকে। তবে তিনি দীর্ঘদিনের এই সংঘর্ষের গুরুত্ব স্বীকার করে জানান, নকশালবিরোধী অভিযানে ২৩৯ জন নিরাপত্তাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আর মাওবাদী হিংসার বলি হয়েছেন ৩৫৯ জন সাধারণ মানুষ।

    লক্ষ্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছি আমরা

    তিনি বলেন, “এই অগ্রগতি নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগের ফল। আমরা লক্ষ্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছি। এখন হাতেগোণা কয়েকজন মাওবাদী সক্রিয় রয়েছে।” পুলিশের এই কর্তা ওই মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান (Odisha)। এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনী সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অবশিষ্ট মাওবাদীরা আত্মসমর্পণ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘন বনাঞ্চলে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে, যা ওডিশার দীর্ঘদিনের মাওবাদী বিদ্রোহ দমনে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে নির্দেশ করছে এবং রাজ্যকে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে (Maoist Attack Plot)।

     

  • SIR: এসআইআরে নাম নেই, মালদায় তাণ্ডব, সাত বিচারককে আটকে রেখে বিক্ষোভ, গভীর রাতে উদ্ধার

    SIR: এসআইআরে নাম নেই, মালদায় তাণ্ডব, সাত বিচারককে আটকে রেখে বিক্ষোভ, গভীর রাতে উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরে (SIR) নাম না থাকায় বুধবার কার্যত তাণ্ডব চলল মালদার (Malda) কালিয়াচকে। সাত বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পরে মধ্যরাতে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও পুলিশের কনভয়ে হামলার চেষ্টা করা হয়ে বিডিও অফিসের গেট আটকে দেয় আন্দোলনকারীরা। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, লাগানো হয় আগুনও। পরে, পুলিশ গিয়ে বিচারকদের উদ্ধার করে।

    সাত বিচারককে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার অভিযোগ (SIR)

    বুধবার সকাল থেকেই কালিয়াচক ২ নম্বর বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ চলছিল। এসআইআরে নাম বাদ পড়ায় এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শন চলছিল। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভের পাশাপাশি, বিডিও অফিসের গেট আটকেও দিয়ে চলে বিক্ষোভ। জেলার একাধিক জায়গায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় বুধবার দুপুর থেকেই। এর মধ্যেই খবর আসে, সাত বিচারক দুপুর থেকে দীর্ঘক্ষণ আটকে পড়েছেন বিডিও অফিসেই। ওই বিচারকরা ট্রাইবুনালের কাজে সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ওই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। সেই সময় উন্মত্ত জনতা ইট-পাটকেল ছোড়ে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে। পুরো ঘটনাটির একটি ভিডিও পোস্ট করেছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। তাতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের গাড়ির সিটে পড়ে রয়েছে কাচের টুকরো। জানা গিয়েছে, বিকেল ৪টে থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আটকে ছিলেন বিচারকরা।

    পুলিশের কনভয়েও হামলার চেষ্টা

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, জুডিশিয়াল অফিসারদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের কনভয়েও হামলার চেষ্টা করা হয়। রাস্তায় বাঁশ ফেলে চেষ্টা করা হয় পুলিশের কনভয় আটকানোর। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছে শুধু তাই নয়, বিচারকদের যখন উদ্ধার করে আনা হচ্ছিল সেই সময় রাস্তায় বাঁশ ফেলে কনভয় আটকানোর চেষ্টা করা হয়। মহিলা বিচারকদের শারীরিকভাবে হেনস্থার চেষ্টা করা হয়েছে। সবটাই তৃণমূলের উস্কানি (SIR)।”

     রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    প্রসঙ্গত, প্রায় একদিন ছাড়া সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট বের করছে নির্বাচন কমিশন। এখনও অবধি প্রায় ২২ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে সূত্রের খবর। তারই প্রতিবাদে ধীরে-ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদায়। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, মূলত তাঁরাই প্রথম পথে নামেন। কালিয়াচকের ওই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কমিশন (SIR)। কমিশন সূত্রে খবর, পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালকেও। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, গত ২৩ মার্চ জেলা প্রশাসনের কাছে গন্ডগোলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। নিষ্পত্তির কাজ ব্লক অফিস থেকে জেলাশাসকের অফিসে সরানোর জন্য আগেই জেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছিল। অভিযোগ, জানানোর পরেও জেলা প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

  • Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদে পড়ে সাধুও কলার খোসা খায়! তেমনই দশা হয়েছে বাংলাদেশ, মলদ্বীপের। মাস কয়েক আগেও ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দিচ্ছিল (Iran War) যারা, তারাই (Energy Crisis) ফের হাত পাতছে ভারতের কাছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট চরমে। এমতাবস্থায় ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ এবং মলদ্বীপকে। শ্রীলঙ্কাকেও জ্বালানি দেবে নরেন্দ্র মোদির ভারত। যে ভারতের বিরুদ্ধে এক সময় কুকথা বলেছিল বাংলাদেশের মৌলবাদীরা, বয়কটের ডাক দিয়েছিল ভারতীয় পণ্য, জ্বালানি সঙ্কটের জেরে সেই মোদি সরকারের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ-মলদ্বীপকে। আর ভারত? যাবতীয় তিক্ততা ভুলে গিয়ে সে বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত। এটি তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অংশ।

    হরমুজ প্রণালী (Iran War)

    অবশ্য একটি কঠিন সত্য হল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এশিয়ার দেশগুলির জন্য নির্ধারিত। এতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো জ্বালানি আমদানি-নির্ভর দেশগুলির দুর্বলতা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে ইরান ভারতের “বন্ধু” হিসেবেই চিহ্নিত। তাই তেল এবং এলপিজি  ট্যাঙ্কারগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। যার ফলে স্বস্তিতে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, সঙ্কটকালে ভারত ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পাঠিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায়। বিবেচনা করা হচ্ছে মলদ্বীপের অনুরোধও। যদিও ভুটান ও নেপালে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে নরেন্দ্র মোদির দেশ (Iran War)।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ওই দেশগুলি ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে (Energy Crisis)। অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বিবেচনা করেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। বর্তমানে ভারতের কাছে প্রায় দু’মাসের জ্বালানি মজুদ থাকায় আতঙ্কের পরিস্থিতি নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সঙ্কটকালে দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত অপরিহার্য শক্তি। ইরান-যুদ্ধজনিত সঙ্কটের সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। দেশটি ৯৫ শতাংশ তেল এবং ৩০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাত ডিজেলের অভাবে হুমকির মুখে।

    বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত

    বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে, স্থগিত করা হয়েছে পাঁচটির মধ্যে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার কাজকর্ম।এই সঙ্কট-পর্বের মোকাবিলা করতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার। ভারত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকেও জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে (Energy Crisis)। জানা গিয়েছে, ১০ মার্চ ভারত বাংলাদেশকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠিয়েছে। এটি ১৫ বছরের চুক্তির অংশ। পরবর্তী সপ্তাহে আরও ১০,০০০ টন এবং নতুন করে ৭,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। এই সহযোগিতার ঘটনা এমন একটি সময়ে ঘটছে, যখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে (Iran War)।

    “বয়কট ইন্ডিয়া” স্লোগান

    ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় তলানিতে পৌঁছয় ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক। সেই সময় “বয়কট ইন্ডিয়া”-সহ ভারতবিরোধী মনোভাব বেড়ে গিয়েছিল। সেই আবহে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হয় গভীর। বিএনপি সরকারের উদ্যোগে অবশ্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের লেখচিত্র ফের ঊর্ধ্বমুখী। এক বছর আগেও ভারতের কড়া সমালোচক ছিল মলদ্বীপ। এখন জ্বালানি সঙ্কটে পড়ে দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু “ইন্ডিয়া আউট” প্রচারের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করেন এবং চিনের দিকে ঝোঁকেন। তবে বর্তমান সঙ্কটের প্রেক্ষিতে মলদ্বীপ আবার ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতির এই দেশ মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে (Iran War)। পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজির ঘাটতিতে দৈনন্দিন জীবন প্রায় স্থবির। মলদ্বীপ এখন ভারতের কাছে জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ করেছে, যা বিবেচনা করছে দিল্লি (Energy Crisis)।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারতের ভূমিকা

    শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ২০২২ সালের অর্থনৈতিক সংকটের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। তখন দেশটি চিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করে চিনা জাহাজকে বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেয়। বর্তমান ইরান যুদ্ধ আবারও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটি তার ৬০ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। সঙ্কটের কারণে জ্বালানির দাম ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে (Iran War)। মার্চের মাঝামাঝি প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। এর পরেই ভারত দ্রুত ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ও ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল পাঠায়। দিসানায়েকে বলেন, “ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চলের পরিস্থিতি অস্থির ছিল। যার প্রমাণ মলদ্বীপে “ইন্ডিয়া আউট” প্রচার বা বাংলাদেশে ভারতবিরোধী শক্তির মাথাচাড়া দেওয়া। কিন্তু ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সঙ্কট একটি কঠিন বাস্তবতা সামনে এনে দিয়েছে। এটি হল, রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, ভৌগোলিক বাস্তবতাই গুরুত্বপূর্ণ (Iran War)। এই বাস্তবতায় (Energy Crisis) দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত এখনও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

  • Jan Samarth Portal: ‘জন সমর্থ পোর্টাল’ চালু হওয়ার পর ১,০৬,০০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে, জানাল কেন্দ্র

    Jan Samarth Portal: ‘জন সমর্থ পোর্টাল’ চালু হওয়ার পর ১,০৬,০০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জন সমর্থ পোর্টাল’ চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১,০৬,০০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্ল্যাটফর্মের (Jan Samarth Portal) মাধ্যমে ৪১ লাখেরও বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছে (Loans)। এর মধ্যে ৩৫ লাখেরও বেশি সুবিধাভোগী ইতিমধ্যেই ৮৪,৩৬৫.৫৫ কোটি টাকার ডিজিটাল অনুমোদন পেয়ে গিয়েছেন।

    জন সমর্থ পোর্টাল (Jan Samarth Portal)

    ২০২২ সালের ৬ জুন চালু হওয়া জন সমর্থ পোর্টালকে মূলত একটি একীভূত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভাবা হয়েছিল, যাতে ঋণ-সংযুক্ত সরকারি প্রকল্পগুলিতে সহজে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা যায়। প্রায় চার বছর পর এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ঋণ বাজারে (digital loan marketplace) পরিণত হয়েছে, যেখানে ব্যক্তি, ব্যবসা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থাগুলি একক ইন্টারফেসে যুক্ত হয়েছে। এই সাফল্য কেবল সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ ব্যবস্থায় একটি গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের জন্য, যারা আগে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় প্রবেশে নানা বাধার সম্মুখীন হতেন। বর্তমানে ওই পোর্টালে রয়েছে কৃষি, ক্ষুদ্র ও ছোট ব্যবসা, আবাসন, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং জীবিকা উন্নয়ন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৫টি প্রধান ঋণ-সংযুক্ত সরকারি প্রকল্প। একাধিক প্রকল্পকে একত্রিত করার ফলে আবেদনকারীদের আর বিভিন্ন অফিসে যেতে বা জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে হয় না (Jan Samarth Portal)।

    উল্লেখযোগ্য প্রকল্প

    এই প্ল্যাটফর্মে থাকা উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা, কিষান ক্রেডিট কার্ড, পিএম সভানিধি, প্রধানমন্ত্রীর এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম এবং রুফটপ সোলার ফাইনান্সিং স্কিমস (Loans)। এই সব প্রকল্পকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা এবং প্রবেশযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জন সমর্থ পোর্টাল একটি সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম হিসেবে কাজ করে। এতে ইউজাররা সহজেই সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে জানতে পারেন, যোগ্যতা যাচাই করতে পারেন এবং বারবার কাগজপত্র জমা দেওয়া বা ব্যাঙ্কে না গিয়েই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন। এই সমন্বিত পদ্ধতি ঋণ বিতরণে সময় কমিয়েছে, বাড়িয়েছে দক্ষতা (Jan Samarth Portal)। জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের ২০ মার্চ পর্যন্ত এই প্ল্যাটফর্মে মোট ২৫৪টি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে  টি পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্ক, ২০টি প্রাইভেট সেক্টর ব্যাঙ্কস, ২৮টি রিজিওনাল রুরাল ব্যাঙ্ক, ১৭৩টি জেলা সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কস, ১৫টি  ১৫টি এনবিএফসিস (NBFCs) এবং ৬টি স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কস। এই বিস্তৃত নেটওয়ার্ক শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চলের আবেদনকারীদের জন্য ঋণপ্রাপ্তি অনায়াস করেছে।

    ঋণদাতার অংশগ্রহণ প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি

    বিভিন্ন ঋণদাতার অংশগ্রহণ প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করেছে এবং পরিষেবার মান উন্নত করেছে। আবেদনকারীরা নিজের পছন্দ অনুযায়ী ঋণদাতা নির্বাচন করতে পারেন, ফলে ভালো শর্ত এবং দ্রুত অনুমোদন পাওয়া যায় (Loans)। এই প্ল্যাটফর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর সহজ এবং ব্যবহারবান্ধব আবেদন প্রক্রিয়া, যা চারটি ধাপে সম্পন্ন করা যায়- এক, ব্যবহারকারী নিজের তথ্য দিয়ে যোগ্যতা যাচাই করতে পারেন, দুই, অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন, পছন্দের ঋণদাতা নির্বাচন করে ডিজিটাল অনুমোদন পেতে পারেন এবং রিয়েল-টাইমে আবেদন ট্র্যাক করতে পারেন। এই পদ্ধতি ঐতিহ্যবাহী ব্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ার তুলনায় অনেক দ্রুত এবং সহজ (Jan Samarth Portal)।

    রিয়েল-টাইম মনিটরিং

    এই প্ল্যাটফর্মের কার্যকারিতা শক্তিশালী প্রযুক্তিগত পরিকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল। এটি বিভিন্ন ডেটাবেসের সঙ্গে যুক্ত, যেমন, ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট, জিএসটি নেটওয়ার্ক ইত্যাদি। এর ফলে দ্রুত যাচাই, প্রতারণা কমানো এবং সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে ঋণ অনুমোদন সম্ভব হয়। রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে আবেদনকারী ও ঋণদাতা উভয়ই আবেদন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখতে পারেন, যা স্বচ্ছতা ও বিশ্বাস বাড়িয়েছে। জন সমর্থ পোর্টাল অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি ৮টি ভাষায় উপলব্ধ এবং ব্যাঙ্কিং প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সহায়তাও দেওয়া হয়, যাতে ডিজিটাল জ্ঞান না থাকলেও মানুষ এটি ব্যবহার করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্ম ওয়েবসাইট এবং অ্যানড্রয়েড এবং আইওএস অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়।

    সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন

    এই উদ্যোগ সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন (inclusive growth) লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি সাধারণ মানুষকে ব্যবসা, শিক্ষা, আবাসন এবং নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করতে সক্ষম করছে। এতে একটি গ্রিভেন্স রিড্রেশাল মেকানিজম রয়েছে, যার মাধ্যমে আবেদনপত্র বা ঋণ সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হয় (Loans)। এই প্ল্যাটফর্মের প্রভাব শুধুমাত্র ঋণ অনুমোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নেও অবদান রাখছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, পথবিক্রেতা এবং স্বনিযুক্ত ব্যক্তিরা সহজে ঋণ পাচ্ছেন।নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন, রুফটপ সোলার প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি টেকসই উন্নয়নেও অবদান রাখছে। ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঋণ আবেদন প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে জন সামর্থ পোর্টাল ভারতের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রকল্প যুক্ত করা হবে। এই প্ল্যাটফর্ম প্রযুক্তির মাধ্যমে ঋণপ্রাপ্তি সহজ করে নাগরিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ককে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে (Jan Samarth Portal)।

     

  • West Bengal Assembly Election: তৃণমূলের প্রকাশ করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা শাসক দলকেই বিদ্ধ করল বিজেপি

    West Bengal Assembly Election: তৃণমূলের প্রকাশ করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা শাসক দলকেই বিদ্ধ করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ফাঁস করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা প্রশ্ন তুলল বিজেপি। তাদের দাবি, তৃণমূল যে সাতটি ফর্মের ছবি আপলোড করেছে, তার মধ্যে চারটি এমন ব‍্যক্তিদের আবেদন, যাঁদের নাম ডিলিট করা (West Bengal Assembly Election) হয়েছে। বাকিগুলি নতুন ভোটার হিসাবে নথিভুক্ত হওয়ার আবেদন। আবেদনকারীদের পদবি দে, বন্দ্যোপাধ্যায় ইত্যাদি। প্রসঙ্গত, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, বহিরাগতদের ভোটার বানানোর চেষ্টা চলছে। বিজেপি এ বার পাল্টা অভিযোগ তুলে সাফ জানিয়ে দিল, বাঙালি হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকায় থাকতে দিতে চাইছে না তৃণমূল।

    পদ্ম-শিবিরের দাবি (West Bengal Assembly Election)

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে পদ্ম-শিবিরের দাবি, তৃণমূল নিজেই জড়িয়েছে নিজের মিথ্যের জালে। বিজেপির করা পোস্টে এও জানানো হয়েছে, যাঁদের বহিরাগত বলে দাবি করছে, তাঁদের পদবি দেখলেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে বন্দ্যোপাধ্যায়, দে পদবির লোকজন। বাঙালি হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে মরিয়া রাজ্য সরকার। এখান থেকেই ইঙ্গিতটা স্পষ্ট, কী করতে চাইছে বঙ্গের তৃণমূল সরকার। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান তথা এ রাজ্যে দলের সহকারী পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য দলের সেই লেখাকে ট্যাগ করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে একই অভিযোগ তুলেছেন। টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজের প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। মালব্যের অভিযোগ, পেজকেও বহিরাগত বলা হয়েছে। ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবারই দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বশ্রুত এই টেনিস তারকা। বিজেপিকে পাল্টা দিতে গিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিজেপি নিজের ফাঁদেই পড়ে গিয়েছে। বাঙালি হিন্দুদের নাম বাদ দিল কারা। বাঙালি হিন্দু মতুয়াদের রোহিঙ্গা বলে বাদ দিয়েছে বিজেপি এবং বিজেপির সহকারী সংস্থা নির্যাতন কমিশন।’’

    কী বললেন মনোজ আগরওয়াল?

    প্রসঙ্গত, ফর্ম-৬ জমা দেওয়া নিয়ে হুলস্থুল চলছে রাজ্যে। তার জেরে ভোটমুখী বাংলায় চড় চড় করে চড়েছে রাজনীতির পারদ। তৃণমূলের অভিযোগ, ফর্ম-৬ জমা করে পশ্চিমবঙ্গের তালিকায় ভিন্‌রাজ্যের ভোটারদের নাম তুলে দিচ্ছে বিজেপি (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, অনেক নথিই সিইও-র দফতরে আসে। তার মধ্যে ফর্ম ৬-ও রয়েছে। নিয়ম দেখিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন, ফর্ম-৬ জমা করলে কোন কোন ভোটারের নাম উঠবে, কাদের উঠবে না। এদিকে, মঙ্গলবার ফের দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিতেও ছিল ফর্ম-৬ নিয়ে গুচ্ছের অভিযোগ (West Bengal Assembly Election)। এমনকী, সুপ্রিম কোর্টেও বুধবার ওঠে ফর্ম-৬ প্রসঙ্গ। তবে সেখানে, তৃণমূলের দাবি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

  • Pakistan: একটা রুটির জন্য জেহাদিদের যৌন লালসার শিকার হয় গরিব কাশ্মিরী মেয়েরা! বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু

    Pakistan: একটা রুটির জন্য জেহাদিদের যৌন লালসার শিকার হয় গরিব কাশ্মিরী মেয়েরা! বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু মুফতি সঈদ খান! তাঁর অভিযোগ, কাশ্মীরে (Kashmir) সক্রিয় জেহাদিরা অসহায় (Pakistan) মহিলাদের খাদ্যের মতো মৌলিক প্রয়োজনের বিনিময়ে যৌন শোষণে বাধ্য করছে।

    “কাশ্মীর এবং আমাদের ভণ্ডামি” (Pakistan)

    সঈদ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। “কাশ্মীর এবং আমাদের ভণ্ডামি” শিরোনামের এক আলোচনাসভায় এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে, বিদ্রোহের এক অন্ধকার বাস্তবতা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, শরণার্থী শিবিরে থাকা নারী ও কিশোরীদের একটি রুটির বিনিময়ে যৌন সুবিধা দিতে বাধ্য করা হত। ওই ধর্মগুরুর মতে, যেসব গোষ্ঠী নিজেদের “মুজাহিদিন” বা ধর্মীয় যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেয়, তারা বাস্তবে বাস্তুচ্যুত ও আর্থিকভাবে অসহায় নারীদের লক্ষ্য করে তাদের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েছে। তাঁর মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, এমন এক জোরপূর্বক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল যেখানে বেঁচে থাকার মৌলিক প্রয়োজনকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে (Kashmir)।

    গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বীকারোক্তি

    ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এই বক্তব্যকে “গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বীকারোক্তি” হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, পাকিস্তানের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিসরের ভেতর থেকে এই ধরনের স্বীকারোক্তি খুবই বিরল (Pakistan)। কর্তাদের ধারণা, এই মন্তব্যগুলি দীর্ঘদিনের সেই অভিযোগকে আরও জোরালো করে, যেখানে বলা হয়েছে পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি ‘জেহাদে’র আড়ালে স্থানীয় জনগণের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সূত্রগুলি আরও জানিয়েছে, এই তথ্যগুলি পূর্বে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে শেয়ার করা ভারতের গোপন নথিপত্রের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। এসব নথিতে বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা, বিশেষ করে আইএসআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা অঞ্চলে হিংসা ও শোষণে জড়িত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলিকে মদত দেয়।

    ধর্মগুরুর বক্তব্যের সুদূরপ্রসারী প্রভাব

    প্রতিবেদনগুলিতে বলা হয়েছে, এই ধর্মগুরুর বক্তব্যের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে। কারণ এটি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন হিংসা ও জোরপূর্বক শোষণের বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। যদি এই সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের “নৈতিক ও আদর্শিক সংগ্রাম” সম্পর্কিত বিষয় প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। এই বিতর্ক আবারও অঞ্চলটির দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মানবিক মূল্য, বিশেষ করে নারী ও বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর ওপর এর প্রভাবকে নিয়ে এসেছে সামনের সারিতে। পাশাপাশি এটি জবাবদিহিতা, রাষ্ট্র ও অ-রাষ্ট্রীয় শক্তির ভূমিকা এবং ভূরাজনৈতিক বয়ানের আড়ালে থাকা বাস্তব জীবনের পরিস্থিতি নিয়ে (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে।

  • Form 6: ‘অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না’, এসআইআর মামলায় রাজ্যের দাবিকে গুরুত্ব দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    Form 6: ‘অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না’, এসআইআর মামলায় রাজ্যের দাবিকে গুরুত্ব দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। বুধবারের শুনানিতে ওঠে ফর্ম-৬ (Form 6) প্রসঙ্গ। রাজ্যের হয়ে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) সওয়াল করেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে তিনি বলেন,  “চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বের হয়েছে। বিবেচনাধীনদের নামের নিষ্পত্তি করার কাজ চলছে। এই অবস্থায় বান্ডিল বান্ডিল ফর্ম ৬ জমা পড়ছে। কোনও রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করছি না। কিন্তু এখন কেন?” কল্যাণের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না।” কল্যাণ বলেন, “প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম-৬ পূরণ করে জমা দিয়েছেন এক ব্যক্তি। এটা কী ভাবে হতে পারে?”

    কমিশনের বক্তব্য (Form 6)

    কল্যাণের প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “প্রায় প্রতিবারই এই অভিযোগ ওঠে, এটা নতুন কিছু নয়। নির্দিষ্ট করে আপনি আপত্তি তুলতে পারেন।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “বিজ্ঞপ্তির পরে একটি নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত ভোটার তালিকা নিয়ে ভোট হয়। তার পরে কারও নাম ফর্ম-৬ দিয়ে উঠল মানেই তিনি ভোট দিতে পারবেন, এমন নয়।” নির্বাচন কমিশনের তরফে আদালতে বলা হয়, আইন মোতাবেক মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত ফর্ম-৬ জমা দেওয়া যায়। যে কেউ তা দিতে পারেন। কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইনে বলা আছে দেখুন ফর্ম-৬ জমা দেওয়া একটি চলে আসা পদ্ধতি। যে কেউ দিতে পারেন। কমিশন সব যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেয়।” এর পরেই ফর্ম-৬ নিয়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করার পরামর্শ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। কমিশনের তরফে জানানো হয়, কারও আপত্তি থাকলে তিনি ফর্ম-৭ জমা দিতে পারেন (Supreme Court)।

    কমিশনের আইনজীবীর বক্তব্য

    কমিশনের আইনজীবী বলেন, “অনুচ্ছেদ ২০ দেখুন। সেখানে ফর্ম-৬ নিয়ে স্পষ্ট বলা রয়েছে। কারও কোনও আপত্তি থাকলে ফর্ম-৭ জমা দিতে পারেন। এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারলেও, কারও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হবে না’ (Form 6)। ফর্ম-৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী বলেন, “কেউ যদি এখন তালিকায় থাকেন, কিন্তু পরে বাদ পড়েন, সে ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। মনে রাখতে হবে, কেউ যদি এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, তার মানে এই নয় যে, তাঁর ভোটাধিকার চিরতরে কেড়ে নেওয়া হবে (Supreme Court)।” ফর্ম-৬ নিয়ে কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইনের অনুচ্ছেদ ২৩ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত নাম অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। আজ কেউ যদি ১৮ বছরে পা দেন, তাঁরও ভোটার তালিকায় নাম তোলার অধিকার রয়েছে। কারও আইনগত অধিকার থাকলে, তাকে কেউ বাধা দিতে পারে না।”

    কী বললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি 

    এদিকে, এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির চিঠিতে আমরা সন্তুষ্ট। প্রায় ৪৭ লাখ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।” তিনি জানান, ট্রাইবুনালও দ্রুত কাজ শুরু করবে (Form 6)। ৬ এপ্রিল, সোমবার বিকেল ৪টেয় সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি প্রথমে বলেছিলেন, “আমাদের জানানো হয়েছে, ৭ এপ্রিলের মধ্যে সব আপত্তির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। তাই আমরা মামলাটি ৭ এপ্রিল বিকেল ৪টায় রাখছি।” এই সময় কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত যাঁরা ভোটার তালিকায় আসবেন, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। তাই বিবেচনাধীনদের নামের নিষ্পত্তি ৭ তারিখের পরিবর্তে ৬ তারিখ রাত ১২টার মধ্যে করা হোক (Supreme Court)। শুনানিও ৬ তারিখ রাখা হোক।” তার পরেই শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে চলতি মাসের ৬ তারিখে (Form 6)।

     

  • Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Prez Droupadi Murmu)। ৩০ মার্চ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করায় বিলটি পরিণত হল আইনে। সোমবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রকের তরফে একটি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আইন প্রণয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। গত সপ্তাহেই সংসদে পাস হয় বিলটি। প্রথমে লোকসভায় এবং পরে রাজ্যসভায়ও অনুমোদন পায় বিলটি। বিরোধীদের দাবি ছিল, বিলটি একটি নির্বাচিত কমিটির কাছে পাঠানো হোক। কারণ এতে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মর্যাদা ও অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও সরকার সংসদে বিলটি পাস করাতে সক্ষম হয়।

    ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণ

    এই সংশোধনী আইনে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণে বড় ধরনের পরিবর্তনও আনা হয়েছে। ২০১৯ সালের পূর্ববর্তী আইনে ব্যক্তির নিজস্ব অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এতে ট্রান্স-পুরুষ, ট্রান্স-নারী, জেন্ডার কুইয়ার ব্যক্তি এবং কিন্নর ও হিজড়ের মতো সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিচয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। নয়া আইনে এই সংজ্ঞা সংকুচিত করা হয়েছে। এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্বীকৃত সামাজিক-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী যেমন কিন্নর, হিজড়ে, আরাবাণি এবং জোগতা সম্প্রদায়কে। এর পাশাপাশি এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইন্টারসেক্স বৈচিত্র্য বা জন্মগত জৈবিক পার্থক্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের। যারা জোরপূর্বক বিকৃতি বা চাপের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় গ্রহণে বাধ্য হন, তাঁদেরও এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

    পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি সরকারের

    একই সঙ্গে, শুধুমাত্র যৌন অভিমুখিতা বা ব্যক্তিগতভাবে অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে চিহ্নিত করা ব্যক্তিদের এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে সরকারের তরফে বলা হয়েছে, আগের সংজ্ঞাটির পরিসর অত্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ফলে প্রকৃতভাবে বৈষম্যের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছিল। কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার মন্ত্রী বীরেন্দ্র কুমার জানান, এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হল সেইসব ব্যক্তিদের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, যারা জৈবিক অবস্থার কারণে সামাজিক বঞ্চনার শিকার হন, এবং একই সঙ্গে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের আইনি স্বীকৃতি ও সুরক্ষা বজায় রাখা (Transgender Bill 2026)।

    কঠোর শাস্তির বিধান

    তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগেরও সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৪০ জন আইনজীবী এবং এএলআইএফএ এবং নজরের মতো নারীবাদী সংগঠন রাষ্ট্রপতির সম্মতির আগে (Prez Droupadi Murmu) তাঁকে চিঠি দিয়েছিল। অনেকেই জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, (নিজস্ব লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণের অধিকার) এখন সীমিত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের এই সংশোধনীকে সরকার এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করছে, যা আইনের স্পষ্টতা বাড়াবে এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক করবে। এতে পরিচয় নির্ধারণের একটি আরও কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীতে সীমাবদ্ধ রেখে অপব্যবহার রোখার চেষ্টা করা হয়েছে। জোরপূর্বক পরিচয় পরিবর্তন এবং শোষণের মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যাতে গুরুতর সামাজিক (Transgender Bill 2026) বঞ্চনার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

  • India: একত্র বসবাসকারী যুগলদের ‘বিবাহিত’ ধরে নিয়ে জনগণনা, আধুনিক ভারতীয় পরিবারকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের

    India: একত্র বসবাসকারী যুগলদের ‘বিবাহিত’ ধরে নিয়ে জনগণনা, আধুনিক ভারতীয় পরিবারকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসঙ্গে বসবাসকারী অবিবাহিত যুগলদের ২০২৭ সালের জনগণনায় (Census 2027) বিবাহিত হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে (India)। অবশ্য যদি তাঁরা তাঁদের সম্পর্ককে একটি “স্টেবল ইউনিয়ন” বা স্থিতিশীল সম্পর্ক হিসেবে বিবেচনা করেন । আধুনিক ভারতীয় পরিবারের বাস্তবতা প্রতিফলিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ কেন্দ্রের। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেনসাস কমিশনার অফ ইন্ডিয়া (RGCCI) ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে ওই ঘোষণা করেন। এটি ১৬তম জাতীয় জনগণনার প্রথম পর্যায়ের জন্য ৩৩টি প্রশ্নের (Frequently Asked Questions) একটি। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে শহর ও গ্রামের লাখ লাখ একত্রবাসকারী যুগলের ওপর। শুধু তাই নয়, এটি গৃহস্থালি সংক্রান্ত তথ্য জোগাড়ের ক্ষেত্রে আরও বাস্তবসম্মত হবে, বিশেষ করে নির্ভরশীলতা এবং বাসস্থান কাঠামো বোঝার ক্ষেত্রে।

    সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ (India)

    ১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাউস লিস্টিং অ্যান্ড হাউজিং সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ। এই পদক্ষেপ আগে একটি প্রচলিত পদ্ধতিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। আগে অনেক ক্ষেত্রে তথ্যসংগ্রাহক স্বঘোষিত দম্পতিদের তথ্যের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে গিয়ে “বিবাহিত” হিসেবে নথিভুক্ত করতেন। প্রশ্ন হল, এই স্টেবল ইউনিয়ন কী? নয়া সেল্ফ-এনিউমিরেশন পোর্টালের (self-enumeration portal) নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, “যদি কোনও লিভ-ইন রিলেশনশিপে থাকা যুগল নিজেদের সম্পর্ককে স্টেবল ইউনিয়ন বলে মনে করেন, তবে তাঁদের বিবাহিত দম্পতি হিসেবে গণ্য করতে হবে।” সরকারি এই নির্দেশ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৩০ লাখ ফিল্ড এনিউমেরেটর্সের জন্য, যাঁরা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে এই বিশাল ডিজিটাল সেনসাস এক্সসারসাইজ পরিচালনা করবেন।

    কী বলছেন সরকারি আধিকারিক

    এক আধিকারিক জানান, আগে এই প্রথা পালন করা হলেও, সেনসাস ২০২৭ (Census 2027) একে একটি ফর্মাল ফ্রেমওয়ার্ক দিয়েছে (India)। জনগণনা করতে গিয়ে সরকার জানতে চায় ৩৩টি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর। এর মধ্যে রয়েছে, বাড়িতে কতজন বিবাহিতা দম্পতি রয়েছে, কী ধরনের শস্য খাওয়া হয় ইত্যাদি। এই ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে একটি “সেনসাস- অ্যাজ-এ-সার্ভিস” মডেল তৈরি করতে চায়। ১১,৭১৮ কোটি টাকার এই প্রকল্পের লক্ষ্যই হল মেশিন রিডেবল ডেটা তৈরি করা, যা ভারতের বর্তমান সোশ্যাল ফেব্রিক সঠিকভাবে প্রতিফলিত করবে।

    ব্যবধান কমানোর চেষ্টা

    আগে, জনগণনার সময় পরিবারের প্রধানের কথার ওপর নির্ভর করা হত। কোনও দম্পতি নিজেদের বিবাহিত বললে, সাধারণত আইনি প্রমাণ, যেমন বিবাহের শংসাপত্র চাওয়া হত না। সরকার এই সিদ্ধান্তে এসেছে ২০২১ সালের জনগণনা দীর্ঘ বিলম্বের পর। করোনা অতিমারী এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের জেরে পিছিয়ে গিয়েছিল। ২০২৬-২৭ সালের জনগণনা আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে থাকবে জাতিগত গণনা, সেল্ফ এনিউমারেশন অপশন। এতে নাগরিকরা নিজেরাই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন (Census)। এভাবে সরকার আইনি সীমাবদ্ধতা ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করছে (India)।

    স্থিতিশীল সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া

    সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের উন্নতির জন্য প্রথমে তার তথ্যকে সত্যের প্রতিফলন হতে হবে। ‘স্টেবল ইউনিয়ন’ বা স্থিতিশীল সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি স্বীকার করে, সহচরিতা, পরিবারের ধারণা, সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে। তাই নীতিনির্ধারণেও সেই পরিবর্তন প্রতিফলিত হওয়া উচিত। একত্রবাসকারী দম্পতিদের স্বীকৃতি দিয়ে রাষ্ট্র আদতে তৈরি করছে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ। মনে রাখতে হবে, এটি শুধু সংখ্যার বিষয় নয়, এটি একটি মানুষের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকারের মর্যাদা দেওয়ার বিষয়। এই সঠিক তথ্য ভবিষ্যতে আরও উন্নত নগর পরিকল্পনা এবং সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করতে সাহায্য (Census) করবে, যাতে সব ধরনের স্থিতিশীল পরিবারই সমান সুরক্ষা পায় (India)।

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

LinkedIn
Share