Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Jay Shah: প্রাক-টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্বে ‘নাটক’ নিয়ে মুখ খুললেন জয় শাহ

    Jay Shah: প্রাক-টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্বে ‘নাটক’ নিয়ে মুখ খুললেন জয় শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ (Pre T20 World Cup Drama) নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ভারতে আসতে অস্বীকার করায় টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেও, বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অনড় ছিল। তাই তাদের জায়গায় (Jay Shah) নেওয়া হয় স্কটল্যান্ডকে।

    “কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয়” (Jay Shah)

    পরে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করার হুমকি দিয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত তারা সিদ্ধান্ত বদল করে। এই বিতর্কের সময় নীরব ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। এতদিন পরে মুখ খুললেন তিনি। মুম্বইয়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়ান বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ জানান, কয়েকটি দলের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হওয়া দ্বিধার কারণে পুরো টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে তিনি বলেন, “কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয়।”

    দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ড ভেঙেছে

    তিনি বলেন, “এই আইসিসি বিশ্বকাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে অনেক আলোচনা চলছিল, কিছু দল আদৌ অংশ নেবে কি না এবং বিশ্বকাপ কীভাবে এগোবে। আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বলতে পারি, কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয় এবং কোনও একক দল একটি সংস্থা তৈরি করে না। একটি সংস্থা গড়ে ওঠে সব দলের সমন্বয়ে।” যদিও তিনি সরাসরি বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের নাম নেননি। শাহ জানান, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ড ভেঙেছে। একসঙ্গে ৭.২ মিলিয়ন দর্শক ম্যাচ দেখেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি বলেন, “এই বিশ্বকাপ সব ধরনের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ইতিহাসে প্রথমবার আমরা ৭.২ মিলিয়ন দর্শক পেয়েছি। সামগ্রিক দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ডই ভেঙে গিয়েছে। আপনি দেখবেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে কঠিন লড়াই দিয়েছে, নেদারল্যান্ডস পাকিস্তানকে সমস্যায় ফেলেছে, জিম্বাবোয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে এবং নেপাল ইংল্যান্ডকে ভয় পাইয়ে দিয়েছে (Pre T20 World Cup Drama)। আমি সব অ্যাসোসিয়েট দলকে অভিনন্দন জানাই। তারা পূর্ণ সদস্য দেশগুলির বিরুদ্ধে খুব ভালো খেলেছে (Jay Shah)।”

    জয়ের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    শেষে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন জয়। বলেন, “সূর্য (সূর্যকুমার যাদব) এবং গৌতম ভাইয়ের জন্য আমার একটি বার্তা আছে—শীর্ষে উঠতে বছর লাগে, কিন্তু শীর্ষ থেকে নীচে নামতে মাত্র কয়েক মাসই যথেষ্ট। তাই কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান এবং জয়ের ধারা বজায় রাখুন। আমি যখন ভারতের ক্রিকেট বোর্ডে (BCCI) ছিলাম, তখন ২০২৮ অলিম্পিক পর্যন্ত পরিকল্পনা করেছিলাম। এখন আমি আইসিসিতে আছি এবং বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব অন্যদের হাতে। আপনাদের সবাইকে ২০৩০, ২০৩১ এমনকি (Pre T20 World Cup Drama) ২০৩৬ সালের জন্যও প্রস্তুতি নিতে হবে (Jay Shah)।”

     

  • Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর প্রায় ৩,১০০টি হিংসার (Violence) ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কী বললেন ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা  জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলি, যার মধ্যে তাদের বাড়িঘর, সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং উপাসনালয়ে হামলাও রয়েছে, ভারত সরকার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। তিনি বলেন, “মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশজুড়ে হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩,১০০টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে।” তিনি জানান, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি ভারত সরকার সবসময়ই বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে, এমনকি সর্বোচ্চ স্তরেও উত্থাপন করেছে।

    জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু

    এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সে দেশের কূটনৈতিক মহলের সঙ্গেও। মন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকারের আশা যে, বাংলাদেশ সরকার এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে এবং সংখ্যালঘুদের হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও হিংসায় জড়িত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে।” তিনি এও বলেন, “সংখ্যালঘু-সহ বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারেরই। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের কোনও সমস্যা হলে যাতে দ্রুত সাহায্য করা যায়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করে বাংলাদেশে ভারতের মিশন ও বিভিন্ন পোস্ট।” মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চালু একটি জরুরি হেল্পলাইন নম্বরও রয়েছে (Bangladesh)।

    ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় মিশনে ভারতীয় নাগরিকদের অভিযোগ (Violence) ও উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য একজন বিশেষ কনস্যুলার আধিকারিক রয়েছেন। এই মিশনটি নিয়মিত বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্যই এই মিশন। মন্ত্রী জানান, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ‘ওপেন হাউস’ কর্মসূচির আয়োজনও করা হয় (Bangladesh)।

     

  • Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    Bangladesh: জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, স্কুল-কলেজে দেওয়া হল ছুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধোপে টিকল না ভারত দখলের হম্বিতম্বি! শেষমেশ সেই ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশকে। জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছেও সাহায্য চেয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOCL) এবং অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (NRL) থেকে চার মাসের মধ্যে ৫০,০০০ টন ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।

    জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা (Bangladesh)

    এদিকে, নিদারুণ জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে আজ, সোমবার থেকে  জেরে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে দেশে জ্বালানি সঙ্কট আরও তীব্র হয়ে ওঠায় ঈদের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। এই পদক্ষেপের ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে এবং যানজটও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার জেরে সাশ্রয় হবে জ্বালানি। বাংলাদেশ সরকারের কর্তাদের মতে, আবাসিক হল, শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। তাই ঈদের ছুটি আগেই ঘোষণা করলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে।

    স্কুল-কলেজে তালা

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলি ইতিমধ্যেই পুরো রমজান মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে প্রতিদিনের সীমা নির্ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি বেসরকারি কোচিং সেন্টার এবং বিদেশি পাঠ্যক্রমভিত্তিক স্কুলগুলিকে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সঙ্কটের দরুন বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত চারটি সার কারখানার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। এ বিষয়ে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং আমদানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ব্যবহার কমাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

     

  • Bangladesh Blast: বাংলাদেশের মন্দিরে আইইডি বিস্ফোরণ, জখম পুরোহিত

    Bangladesh Blast: বাংলাদেশের মন্দিরে আইইডি বিস্ফোরণ, জখম পুরোহিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের হামলা হিন্দু মন্দিরে (Bangladesh Blast)। শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা শহরে এক মুখোশধারী ব্যক্তি একটি মন্দিরে (Shani Puja) বোমা মারে। কালী গাছতলা শিব মন্দিরে তাজা বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জখম হন মন্দিরের পুরোহিত। হামলার সময় মন্দিরে পুজো চলছিল। মন্দিরের কাছাকাছি সড়কে একই ধরনের আরও দুটি বিস্ফোরণেও জখম হন আরও তিনজন।

    ব্যাগ হাতে মুখোশধারী (Bangladesh Blast)

    প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান এবং সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ৭ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। সন্দেহজনক ব্যাগ হাতে মুখোশ পরা এক ব্যক্তি দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া (বাগানবাড়ি) এলাকার মন্দির চত্বরে প্রবেশ করে। তখন সেখানে পুজো উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু-সহ বেশ কয়েকজন ভক্ত। এই সময়ই মন্দিরের বেদির কাছে ব্যাগটি রেখে পালিয়ে যায় মুখোশধারী ওই ব্যক্তি। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে ব্যাগটিতে। আইইডি বিস্ফোরণের জেরে ভয়ে ছোটাছুটি করতে থাকেন ভক্তরা। গুরুতর জখম হন মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী। বিস্ফোরণের সময় পুজো করছিলেন তিনি। মন্দিরের সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজেও দেখা যায়, বিস্ফোরণের আগে ওই মুখোশধারী ব্যক্তি ভিড়ের মধ্যে মিশে যায়। এরই কিছুক্ষণ পরেই ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ।

    ককটেল বোমা

    এর খানিক পরেই দুষ্কৃতীরা আরও দুটি ককটেল বোমা ছোড়ে। সেগুলি ফাটে মন্দিরের কাছাকাছি সড়কে। ওই জায়গায় রয়েছে একটি বৌদ্ধ মন্দির ও একটি ব্র্যাক (BRAC) অফিস। এই দ্বিতীয় বিস্ফোরণের ঘটনায় জখম হন ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সুজাত আলির ছেলে এ বারেক এবং নজরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ। আহতদের দ্রুত কুমিল্লা জেনারেল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় (Bangladesh Blast)। পুরোহিতের অবস্থা গুরুতর হলেও, স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল জানিয়েছে। সড়কে হওয়া বিস্ফোরণে জখম দুই ব্যক্তিকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। রবিবার সকাল পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। কোতয়ালি মডেল থানার ওসি মো তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ জোগাড় করেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন। এখনই বলা সম্ভব নয় কেন বা কারা এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তবে জড়িতদের গ্রেফতার করতে চলছে তল্লাশি অভিযান (Bangladesh Blast)।” ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই কুমিল্লার এসপি মো আনিসুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। তিনি জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে (Shani Puja) এবং দোষীদের ধরতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছে অবাধে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন একটি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে তা ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে (Roundup Week)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য – সব মিলিয়ে হিন্দুরা অস্তিত্বের সংকটে। যার জেরে নজিরবিহীনভাবে চড়ছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার পারদ। ১ মার্চ থেকে ৭ মার্চ, এই সময়ে দেশ-বিদেশে কী কী ঘটনা ঘটেছে, তা একবার দেখে নেওয়া যাক, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

    হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা। হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট, ২০২৬ থেকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক ভারতীয় অনুষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে একজন বিদেশি কর্মীর সঙ্গে তর্কাতর্কি করছেন। অভিযোগ, স্থানীয় দর্শনার্থীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে বিদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছিল। দেরাদুন র’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর কয়েক দিনের মধ্যে এটি ৩,৭৮,০০০-এরও বেশি ভিউ পায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। মাডিকেরি তালুকের নাপোকলু গ্রামে জনৈক গৌতমকে আক্রমণ করে একদল মুসলিম যুবক। হিন্দু যুবকেরা একটি পিকআপ গাড়িতে করে বললামাভাট্টিতে অনুষ্ঠিতব্য হিন্দু সমাবেশ সম্পর্কে মাইকিং করছিলেন। অভিযোগ, কিছু ইসলামপন্থী যুবক মাইক ব্যবহারের বিরোধিতা করে এবং নাপোকলু শহরের পোনাড সুপারমার্কেটের কাছে কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় গৌতমকে চিকিৎসার জন্য মাডিকেরির জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় (Roundup Week)।

    সংবাদমাধ্যমগুলির প্রবণতা

    এদিকে, ভারতের প্রধান ইংরেজি সংবাদমাধ্যমগুলির এক দশকের প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অন্তত ১২টি বড় সংবাদমাধ্যম হোলি উৎসবকে বিপদ, রোগ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং জনশৃঙ্খলার ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, এই একই পর্বে রমজানকে প্রায় একচেটিয়াভাবে পবিত্র, স্বাস্থ্যকর, শান্ত ও দান-ধ্যানের মাস হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই বৈপরীত্য কেবল তথ্য বা বিজ্ঞানের বিষয় নয়, এটি একটি বর্ণনাগত পক্ষপাতকে ইঙ্গিত করে (Hindus Under Attack)।

    হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনা

    জনৈক চন্দ্রশেখরকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনি সম্পর্কিত একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কর্নাটকের কপ্পাল জেলার গঙ্গাবতী শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। রাজকোটের ভাগবতীপাড়া এলাকায় হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই মুসলিম যুবক মোটরসাইকেলে করে আগুনের কাছে বিপজ্জনকভাবে স্টান্ট করছিল। এতে উৎসবে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। পুথিলা পরিবার সংগঠনের কর্মীদের অভিযোগ, পুত্তুরে চলচ্চিত্র “দ্য কেরালা স্টোরি ২”-এর বিনামূল্যে প্রদর্শনী বন্ধ করার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে এসেছে হুমকিমূলক ফোন। আয়োজকদের মতে, ফোনকলগুলিতে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, দেওয়া হয় হুমকিও (Hindus Under Attack)।

    হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    গত ৪ মার্চ দেরাদুনের গান্ধী গ্রাম এলাকায় হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি বছর পঁয়ষট্টির এক হিন্দু মহিলাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই উত্তেজনা ছড়ায়। দাবি ওঠে দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ। ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    দেশছাড়া করার কৌশল

    মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশছাড়া করার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)। ভোলায় কীর্তন শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক হিন্দু বোবা মহিলাকে সারারাত ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় নাম জড়ায় মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ শাকিল ও মোহাম্মদ রাসেলের। রাত প্রায় ১১টার দিকে তিনি একটি অটোরিকশায় উঠেছিলেন। চালক রাকিব তাঁকে বাড়ি না নিয়ে গিয়ে শশীগঞ্জ গ্রামের একটি নির্জন সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    চাঁদা আদায়কারীদের হামলা

    চট্টগ্রামে চাঁদা আদায়কারীদের হামলায় নিহত হয়েছেন আকাশ দাস। তিনি ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাসের ছেলে। চট্টগ্রামের চান্দনাইশ উপজেলায় ডাকাতদের গুলিতে নিহত হন বছর সত্তরের চন্দন দে (Hindus Under Attack)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল গ্রামে মন্দিরের জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় অন্তত ১০ জন জখম হন, যাঁদের মধ্যে এক মহিলাও ছিলেন। বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত। ইসলামি দেশগুলিতে এই ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়।

    এই সূক্ষ্ম বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা প্রবণতার কথা উল্লেখ করা যায়। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত সিদ্ধান্ত বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, সবসময় যার যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা মেলে না (Hindus Under Attack)।

     

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দু’টি কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দু’টি কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ), ২০১৯-এর অধীনে ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দুটি অতিরিক্ত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি গঠন করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (CAA)। রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর (Citizenship Applications)। এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গে এখন মোট চারটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি সিএএর আওতায় দাখিল হওয়া নাগরিকত্ব দাবিগুলি পরীক্ষা ও নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকবে।

    কেন আরও কমিটি গঠন? (CAA)

    প্রশ্ন হল, কেন আরও কমিটি গঠন করা হল? সোমবার জারি করা এক সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সংশোধিত আইনের অধীনে ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সম্প্রসারণ প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল। আধিকারিকরা জানান, নতুন কমিটিগুলি মুলতুবি মামলাগুলির যাচাই ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দ্রুততর করবে। সিএএর বিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ মার্চ, ২০২৪-এ বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হয়। সংসদে আইনটি পাস হওয়ার প্রায় চার বছর পর তা কার্যকর করা হয় (CAA)। সর্বশেষ গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির সভাপতি হবেন ভারত সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারি পদমর্যাদার নীচে নন—এমন এক আধিকারিক, যাঁকে ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও জনগণনা কমিশনার মনোনীত করবেন।

    কমিটির গঠন প্রণালী

    এছাড়ও কমিটিগুলিতে থাকবেন সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট এলাকার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)-এর একজন মনোনীত প্রতিনিধি, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার (এনআইসি), পশ্চিমবঙ্গের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি, পশ্চিমবঙ্গের পোস্ট মাস্টার জেনারেল অথবা সমপদমর্যাদার কোনও মনোনীত ডাক কর্মকর্তা। এছাড়াও, কমিটির কার্যক্রমে দু’জন আমন্ত্রিত সদস্য অংশ নেবেন। এঁরা হলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রধান সচিব (স্বরাষ্ট্র) বা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র)-এর দফতরের একজন প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট বিভাগের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের দফতরের একজন প্রতিনিধি। এর আগে, ১১ মার্চ ২০২৪-এ জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন ডিরেক্টর (সেন্সাস অপারেশনস) এবং সেখানে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ সালে পাস হয় এবং ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় সরকার বিধি জারি করার পর তা কার্যকর হয়। এই আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত নথিবিহীন অ-মুসলিম অভিবাসীরা, যাঁরা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার একটি পথ তৈরি করা হয়েছে (Citizenship Applications)। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকেই এটি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে (CAA) রয়ে গিয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এ নিয়ে বিতর্ক ও প্রতিবাদ হয়েছে।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হানা হিন্দু মন্দিরে, ভাঙচুর করা হল প্রতিমা

    Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হানা হিন্দু মন্দিরে, ভাঙচুর করা হল প্রতিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ফের ভাঙচুর করা হল হিন্দুদের প্রতিমা (Kali Murti Vandalised)। দক্ষিণ বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন একটি মন্দিরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ভাঙচুর করা হয় মা কালীর প্রতিমা। পটুয়াখালি জেলার এই ঘটনায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে হানা (Bangladesh)

    মন্দিরটি সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভূবনসাহার কাছারিতে অবস্থিত। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ পটুয়াখালির বাউফল উপজেলার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, অজ্ঞাতপরিচয় একদল ব্যক্তি অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। হামলার সময় মন্দিরের ভেতরে থাকা একটি কালী মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শতাধিক বছরের পুরোনো এই মন্দিরটি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাঙচুরের এই ঘটনায় হিন্দুদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন (Bangladesh)।

    পুলিশের বক্তব্য

    হামলার পর বাউফল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নথিভুক্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতির মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ এও জানিয়েছে, সিআইডির একটি বিশেষজ্ঞ দল মন্দির প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করবে। তারা নমুনা সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষা চালাবে। এটি অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়ক হতে পারে (Kali Murti Vandalised)। তদন্তের ফল ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Bangladesh)। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। একটি কালী মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

     

  • Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) তদারকি সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের (Mohammad Yunus) বিরুদ্ধে উঠল ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ তুলেছেন। দিন কয়েক আগেই বিএনপি সুপ্রিমো তারিক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ এশীয় দেশ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন তোপ দাগলেন ইউনূসকে। বাংলাদেশের এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শাহাবুদ্দিন দাবি করেন, ইউনূসের আমলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।

    সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি, তোপ রাষ্ট্রপতির (Bangladesh)

    তিনি ঢাকার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই দেড় বছরে আমি কোনও আলোচনায় ছিলাম না, অথচ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির বহু চেষ্টা হয়েছে (Bangladesh)।” প্রেসিডেন্ট জানান, অন্তর্বর্তী সরকার চলাকালে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাঁর সঙ্গে সংবিধানসম্মতভাবে যোগাযোগও করেননি। তিনি বলেন, “বিদেশ সফর কিংবা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে আমায় অবহিত করা হয়নি। অথচ, একে তিনি “সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা” হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি। বিদেশ সফর শেষে তাঁর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিতভাবে সফরের ফল জানানোর কথা ছিল। তিনি ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ গিয়েছেন, কিন্তু একবারও আমায় জানাননি। কখনও দেখা করতেও আসেননি (Mohammad Yunus)।”

    আমায় ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল

    শাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, গত দেড় বছরে তাঁকে কার্যত ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল। তাঁর পরিকল্পিত দুটি বিদেশ সফরে বাধা দেয় ইউনূস প্রশাসন (Bangladesh)। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে সমন্বয় করেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘কিছু অধ্যাদেশ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা ছিল না।’ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সর্বশেষ চুক্তি সম্পাদন করেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এই ধরনের রাষ্ট্রীয় চুক্তি তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো উচিত ছিল (Bangladesh)। তিনি বলেন, “না, আমি কিছুই জানি না। এমন রাষ্ট্রীয় চুক্তির বিষয়ে আমায় জানানো উচিত ছিল (Mohammad Yunus)। ছোট হোক বা বড়—পূর্ববর্তী সরকারের প্রধানরা অবশ্যই রাষ্ট্রপতিকে জানাতেন। এটি একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তা করেননি। মৌখিক বা লিখিতভাবে কিছুই জানাননি। তিনি আসেনওনি। অথচ তাঁর আসার কথা ছিল!”

    ‘আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্র’

    শাহাবুদ্দিন বলেন, “এক পর্যায়ে অসাংবিধানিক উপায়ে একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে এনে আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্রও হয়েছিল।” তবে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিচারপতি সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর বঙ্গভবনের বাইরে হওয়া বিক্ষোভকে “ভয়াবহ এক রাত” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “জনতাকে সংঘবদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতির বাসভবনে লুটপাটের চেষ্টা হয়েছিল। পরে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।” শাহাবুদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিএনপি নেতৃত্ব আমায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করেছে। তিন বাহিনীর প্রধানরা আমায় স্পষ্টভাবে বলেছেন, “আপনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। আপনার পরাজয় মানে পুরো (Mohammad Yunus) সশস্ত্র বাহিনীর পরাজয়। আমরা যে কোনও মূল্যে তা প্রতিরোধ করব (Bangladesh)।”

     

  • Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার পর এবার মুর্শিদবাদ (Murshidabad)! পশ্চিমবঙ্গ কি জঙ্গি-ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল? তা না হলে, কীভাবে একের পর এক ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এরাজ্যে ঘটে চলেছে? এরাজ্যে এসে বড়সড় নাশকতার ষড়যন্ত্র ফাঁস করেছে দিল্লি পুলিশ। মালদা থেকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার মধ্যে মুর্শিদাবাদে দুই যুবকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pakistani Spy) অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ইতিমধ্যে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। তার মধ্যে একজনকে কিছুদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই অভিযুক্তকে জেরা করে সূত্র ধরে বহরমপুর থেকে অন্য আরেক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত যুবেকের নাম সুমন শেখ। অভিযোগ, তারা পাকিস্তানে সিম কার্ডের ওটিপি পাচার করত।

    চব্বিশ বছরের বয়সী যুবক (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুহাব শেখকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। এই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চব্বিশ বছরের সুমনের নাম জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসাররা। বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকা থেকে প্রথমে সুমনকে আটক করা হয়। এরপর তার বাড়িতে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। ধৃত দুজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে (Pakistani Spy) পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। কোন অভিপ্রায়ে চলত ওটিপি পাচার? জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু পাকিস্তানিদের সঙ্গে যোগ রয়েছে সুমনের। রবিবার সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। কার্যত পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসাবেই কাজ করছিল এই যুবক। হোয়টসঅ্যাপে নম্বর ভেরিফিকেশনের জন্য যে ওটিপি আসে, তা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিত তারা। তাতে সেখানেই এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে যেত। আর এর বিনিময়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত।

    হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত

    ধৃত সুমন শেখের পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, ছেলে ডেলিভারির কাজ করত। তদন্তকারী অফিসারদের বক্তব্য, ধৃত দুই জনই সিম কার্ড বিক্রেতা। সাধারণ মানুষের নথি ব্যবহার করে সিম কার্ড দিত। এই নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত। নম্বর ভেরিফাইয়ের জন্য যে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি আসত সেগুলি পাকিস্তান হ্যান্ডেলারদের (Pakistani Spy) পাঠিয়ে দিত। তার বিনিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা পেত। ওই সিমগুলি যারা ব্যবহার করে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চলে পাকিস্তান থেকে। ছেলে অপকর্মে গ্রেফতার হওয়ায় মা মেনকা বিবি বলেন, “বহরমপুরে ডেলিভারির কাজ করত। কিসের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করেছে তা জানা নেই। জুহাবকে আগে ধরেছে পুলিশ। সেই আমার ছেলের নাম বলেছে। আমি চাই ছেলে ছাড়া পাক।” জানা গিয়েছে, সুমনের বাবা বহরমপুরে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই। জেঠু গোলাম হোসেন বলেন, “সুমনকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে আমরা জানি না, আমাদের পুলিশ কিছু বলেনি। আমরা বহরমপুরে গিয়েছিলাম।”

    কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে

    এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদা থেকে ২ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদার বাসিন্দার কিন্তু রবিউল বাংলাদেশি। প্রত্যেকেই লস্করের সদস্য। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার হয়েছে মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল। উল্লেখ্য এরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের ছক করেছিল তারা। এই শাব্বির লোন হল কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। এরপর সেখানে গিয়ে ঘাঁটি গড়ে তোলে। সম্প্রতি কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা (Pakistani Spy)।

    উল্লেখ্য গত কয়েক মাস আগেই ওয়াকফের নামে ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জে কট্টরপন্থী মুসলিমরা হিন্দু সাম্প্রদায়ের উপর ব্যাপক ভাবে হিংসার ঘটনা ঘটায়। গত কয়েক মাসে আল কায়দা, আইএসআই, জেএমবি, লস্কর, পিএফআই সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জেলায় জঙ্গিদের ধরপাকড়ের ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত চিন্তা এবং উদ্বেগের চিত্র সামনে এসেছে।

  • Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে স্থগিত মৈত্রী বাস পরিষেবা, এবার আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা হয়ে আগরতলা ও কলকাতার (Agartala-Dhaka-Kolkata) মধ্যে পুনরায় চালু হতে চলেছে। এই পরিষেবা দুই দেশের মধ্যে যাত্রীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে। ২০২৪ সালে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে একটি স্থায়ী, গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পটভূমিতে মৈত্রী বাস পরিষেবা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির লক্ষ্যে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

    মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে (Bangladesh)

    ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (টিআরটিসি) ভাইস চেয়ারম্যান সমর রায় বলেন, “দীর্ঘদিন পর, আগরতলা থেকে ঢাকা (Bangladesh) হয়ে কলকাতা পর্যন্ত মৈত্রী বাস (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে। আজ একটি সফল পরীক্ষামূলক পরিচালনা করা হয়েছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিষেবাটি পুনরায় চালু হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “এই বাস পরিষেবা মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার এবং রবিবার আগরতলা থেকে কলকাতা যাবে। আর কলকাতা থেকে আগরতলা পরিষেবা সোমবার, বুধবার এবং শনিবার দিন চলবে। দীর্ঘ বিরতির পর এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে।”

    তারেক রহমানের স্থিতিশীল সরকার

    ভারত বিশেষ করে ত্রিপুরার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রতিকূল রাজনৈতিক আবহাওয়ার কারণে যাত্রী পরিবহন (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা সহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত বিনিময় ব্যাহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের পর, ভারতের সাথে আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা চলছে।

    আগরতলার বাসিন্দারা আবারও ঢাকা হয়ে কলকাতায় সড়কপথে যাতায়াত করতে পারবেন। গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতার কারণে এই রুটটি বন্ধ ছিল। গত ৫ আগস্ট, ২০২৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের শাসনে এই পরিষেবাটি স্থগিত করা হয়েছিল।

    মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু করাকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধার এবং শক্তিশালী করার দিকে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

LinkedIn
Share