Tag: Bangladesh army

Bangladesh army

  • Chinese Tank Explodes: চিনা যুদ্ধাস্ত্রের অন্ধ মোহ! শত্রু নিধনের ট্যাঙ্ক যেভাবে নিজের সেনার জন্যই কাল হল বাংলাদেশের

    Chinese Tank Explodes: চিনা যুদ্ধাস্ত্রের অন্ধ মোহ! শত্রু নিধনের ট্যাঙ্ক যেভাবে নিজের সেনার জন্যই কাল হল বাংলাদেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে— ‘সস্তার তিন অবস্থা’। প্রতিরক্ষার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এই প্রবাদের নির্মম খেসারত যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তার এক রক্তাক্ত উদাহরণ হয়ে থাকল চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জের দুর্ঘটনা। গত ৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সামরিক মহড়া চলাকালীন আচমকাই একটি চিনা প্রযুক্তির ট্যাঙ্ক বিস্ফোরিত হয়। বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (ISPR) অত্যন্ত সংযতভাবে ঘটনাটি নিশ্চিত করলেও, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বিস্ফোরণের শিকার হওয়া যুদ্ধযানটি চিনের তৈরি ‘টাইপ ৫৯’ (Type 59) বা ‘টাইপ ৬৯-আইআইজি’ (Type 69-IIG) গোত্রের যুদ্ধট্যাঙ্ক। শত্রুর মোকাবিলা করা তো দূরের কথা, মহড়ার মাঠেই নিজের ট্যাঙ্কের কামানের ভেতরের গোলা ফেটে প্রাণ হারিয়েছেন ২ জন বাংলাদেশি সেনা জওয়ান এবং গুরুতর আহত হয়েছেন ১ জন পদস্থ কর্মকর্তা। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি কেবল একটি দুর্ঘটনা মাত্র নয়, বরং এটি প্রতিবেশি দেশটির চিনা মরণফাঁদে পা দেওয়ার এক চরম ভূ-রাজনৈতিক সতর্কতা।

    বাংলাদেশ সেনার মূল ভরসা চিনা সামরাস্ত্র

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া বহরের (Armoured Inventory) দিকে তাকালে দেখা যায়, তাদের মূল শক্তিই দাঁড়িয়ে আছে চিনা প্রযুক্তির ওপর। ‘টাইপ ৫৯’, ‘টাইপ ৬৯’ থেকে শুরু করে ‘এমবিটি-২০০০’ বা ‘ভিটি-৫’—বাংলাদেশের প্রধান সবকটি ট্যাঙ্কই চিনের তৈরি বা চিনের সাথে যৌথভাবে উন্নত করা। সোভিয়েত আমলের পুরনো সোভিয়েত টি-৫৪ ট্যাঙ্কের চিনা সংস্করণ এই ‘টাইপ ৫৯’, যা দশকের পর দশক ধরে বাংলাদেশ ব্যবহার করছে। আন্তর্জাতিক সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের অতি-পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ চিনা সরঞ্জামগুলোকে অবসরে পাঠানোর পরিবর্তে বারবার আধুনিকীকরণ (Upgrade) করে ব্যবহার করার যে অন্ধ মোহ, তারই চড়া মূল্য দিতে হল সেনাবাহিনীর তাজা দুটি প্রাণকে। চিনা যুদ্ধাস্ত্রের এই ‘ফাঁকিবাজি’ ও নিম্নমানের রক্ষণাবেক্ষণ প্রযুক্তি যে আসলে সুরক্ষার নামে এক একটি ‘টাইম বোম’, তা এই বিস্ফোরণ আবারও বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করে দিল।

    বাংলাদেশের আত্মোপলব্ধির সময়

    এই ঘটনা বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের জন্য এক বড় আত্মোপলব্ধির সময়। ভারত সর্বদা তার ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ (Neighbourhood First) নীতির মাধ্যমে প্রতিবেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং টেকসই, নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ নানাবিধ ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং অন্ধ ভারত-বিরোধিতার স্রোতে ভেসে সস্তা চিনা ঋণের ফাঁদে ও নিম্নমানের প্রতিরক্ষা সামগ্রীর দিকে ঝুঁকছেপাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার পর বাংলাদেশও এখন হাড়েনহাড়ে টের পাচ্ছে যে চিনা পণ্যের বাহ্যিক জাঁকজমক যতটা, কার্যকারিতা ততটাই শূন্য। প্রতিরক্ষার মতো সার্বভৌম বিষয়ে সস্তার চিনা অস্ত্র-সরঞ্জামের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে নিজেদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জওয়ানদের জীবনকেই চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেবে। হাটহাজারীর এই ছাই হয়ে যাওয়া ট্যাঙ্কটি যেন বাংলাদেশের চিনা সামরিক মোহেরই এক জলজ্যান্ত উদাহরণ। ছবিটা কি দেখতে পাচ্ছেন তারেক রহমান!
  • Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) তদারকি সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের (Mohammad Yunus) বিরুদ্ধে উঠল ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ তুলেছেন। দিন কয়েক আগেই বিএনপি সুপ্রিমো তারিক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ এশীয় দেশ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন তোপ দাগলেন ইউনূসকে। বাংলাদেশের এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শাহাবুদ্দিন দাবি করেন, ইউনূসের আমলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।

    সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি, তোপ রাষ্ট্রপতির (Bangladesh)

    তিনি ঢাকার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই দেড় বছরে আমি কোনও আলোচনায় ছিলাম না, অথচ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির বহু চেষ্টা হয়েছে (Bangladesh)।” প্রেসিডেন্ট জানান, অন্তর্বর্তী সরকার চলাকালে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাঁর সঙ্গে সংবিধানসম্মতভাবে যোগাযোগও করেননি। তিনি বলেন, “বিদেশ সফর কিংবা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে আমায় অবহিত করা হয়নি। অথচ, একে তিনি “সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা” হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি। বিদেশ সফর শেষে তাঁর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিতভাবে সফরের ফল জানানোর কথা ছিল। তিনি ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ গিয়েছেন, কিন্তু একবারও আমায় জানাননি। কখনও দেখা করতেও আসেননি (Mohammad Yunus)।”

    আমায় ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল

    শাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, গত দেড় বছরে তাঁকে কার্যত ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল। তাঁর পরিকল্পিত দুটি বিদেশ সফরে বাধা দেয় ইউনূস প্রশাসন (Bangladesh)। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে সমন্বয় করেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘কিছু অধ্যাদেশ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা ছিল না।’ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সর্বশেষ চুক্তি সম্পাদন করেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এই ধরনের রাষ্ট্রীয় চুক্তি তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো উচিত ছিল (Bangladesh)। তিনি বলেন, “না, আমি কিছুই জানি না। এমন রাষ্ট্রীয় চুক্তির বিষয়ে আমায় জানানো উচিত ছিল (Mohammad Yunus)। ছোট হোক বা বড়—পূর্ববর্তী সরকারের প্রধানরা অবশ্যই রাষ্ট্রপতিকে জানাতেন। এটি একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তা করেননি। মৌখিক বা লিখিতভাবে কিছুই জানাননি। তিনি আসেনওনি। অথচ তাঁর আসার কথা ছিল!”

    ‘আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্র’

    শাহাবুদ্দিন বলেন, “এক পর্যায়ে অসাংবিধানিক উপায়ে একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে এনে আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্রও হয়েছিল।” তবে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিচারপতি সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর বঙ্গভবনের বাইরে হওয়া বিক্ষোভকে “ভয়াবহ এক রাত” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “জনতাকে সংঘবদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতির বাসভবনে লুটপাটের চেষ্টা হয়েছিল। পরে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।” শাহাবুদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিএনপি নেতৃত্ব আমায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করেছে। তিন বাহিনীর প্রধানরা আমায় স্পষ্টভাবে বলেছেন, “আপনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। আপনার পরাজয় মানে পুরো (Mohammad Yunus) সশস্ত্র বাহিনীর পরাজয়। আমরা যে কোনও মূল্যে তা প্রতিরোধ করব (Bangladesh)।”

     

  • Bangladesh Army: বাংলাদেশ সেনায় বিরাট রদবদল! প্রধানমন্ত্রী হয়েই খোলনলচে পাল্টাচ্ছেন তারেক

    Bangladesh Army: বাংলাদেশ সেনায় বিরাট রদবদল! প্রধানমন্ত্রী হয়েই খোলনলচে পাল্টাচ্ছেন তারেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল (Bangladesh Army) ঘটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Bangladesh PM Tarique Rahman)। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেরও দায়িত্বে রয়েছেন। ‌বাংলাদেশে এখন নতুন সরকার। ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি (BNP)। তারেক রহমান (Tarique Rahman) প্রধানমন্ত্রী হতেই শীর্ষ স্তর থেকে নীচু স্তর- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সব জায়গাতেই বদল করেছেন। দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনে কর্মরত এক সেনাকর্তারও বদলি করা হয়েছে। সেনার এই রদবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত কমান্ড থেকে গোয়েন্দা সংস্থা-সবেতেই প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোন পদে কাকে আনলেন তারেক

    ঢাকা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনার নতুন চিফ অফ জেনারেল স্টাফ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুর রহমানকে। তিনি এতদিন আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে ছিলেন। পাশাপাশি আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এসএম কামরুল হাসানকে বিদেশ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। কোনও দেশের রাষ্ট্রদূত করা হতে পারে তাঁকে। বাংলাদেশের সেনার নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার করা হয়েছে মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে। তিনি পদাতিক বাহিনীর ২৪ তম ডিভিশনে ছিলেন। মেজর জেনারেল জেএম ইমদাদুল ইসলাম পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনে ছিলেন। তাঁকে পাঠানো হয়েছে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে। মেজর জেনারেল ফিরদৌস হাসানকে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পদ থেকে পদাতিক বাহিনীর ২৪তম ডিভিশনের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। মেজর জেনারেল কাইসের রশিদ চৌধুরী এতদিন সেনা হেডকোয়ার্টারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে ছিলেন। তাঁকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (DGFI)-র ডিরেক্টর জেনারেল করা হয়েছে।

    পদোন্নতি ভারতীয় উপদেষ্টার

    পদোন্নতি হয়েছে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনে কর্মরত এক সেনাকর্তারও। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছে। বাংলাদেশের পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Bangladesh Home Ministry) সালাউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পদেও (changes in Bangladesh Police top ranks) কিছু মুখ বদল হবে। তবে কবে এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত করা হবে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে রাজি হননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন আগামী ১২ মার্চ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হবে। ‌ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এর আগে হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের জমানায় একাধিকবার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘাত বেঁধেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের। এবার সেনা বাহিনীতে এই রদবদলে ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের সম্পর্কে কী প্রভাব পড়বে, তা-ই দেখার।

  • Bangladesh: মৌলবাদী হামলার শিকার হওয়া হিন্দুদের বাড়িতে ত্রাণ দিতে দিল না বাংলাদেশের সেনা

    Bangladesh: মৌলবাদী হামলার শিকার হওয়া হিন্দুদের বাড়িতে ত্রাণ দিতে দিল না বাংলাদেশের সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) গঙ্গাচড়া উপজেলায় ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অজুহাতে মৌলবাদীরা ১৫টিরও বেশি হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায়। সম্প্রতি, অভিযোগ ওঠে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং আনসারের আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ওই ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুদের বাড়িতে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ বন্ধ করে দেয়।

    হিন্দু সংগঠনকে ত্রাণ বিলি করতে বাধা দেয় বাংলাদেশের সেনা বাহিনী

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ৪ অগাস্ট, হিন্দু সংগঠন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোট-এর সদস্যরা গঙ্গাচড়া উপজেলায় নির্যাতিত হিন্দুদের পরিবারে সাহায্য করতে যান। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের (Bangladesh Army) সেনাবাহিনী এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা ওই হিন্দু সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাহায্য করার জন্য হুমকি দেয়। শুধু তাই নয়, তারা হিন্দু গুরুদেরও অপমান করে বলে অভিযোগ (Bangladesh)।

    ত্রাণ দিতে যাওয়া দলে কারা ছিলেন

    এই দলে ছিলেন হিন্দু সমাজকর্মী প্রসেনজিৎ কুমার হালদার এবং আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী গোপীনাথ দাস ব্রহ্মচারী প্রমুখরা। তাঁরা চাল, সরিষার তেল, সাবান, শ্যাম্পু, পোশাকসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী নিয়ে নির্যাতিত হিন্দু পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদেরকে কোনোভাবেই ওই এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। উপরন্তু, সেনাবাহিনী এবং আনসারের সদস্যরা তাঁদের হুমকিও দিয়েছে। এর ফলে সেখানে ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় কোনও কর্মসূচি চালানো যাবে না (Bangladesh)।

    প্রশাসনের অনুমতি কি শুধু হিন্দুদের জন্য, এনিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    প্রসঙ্গত, এই একই প্রশাসন মৌলবাদীদের আক্রমণ থেকে নিরীহ হিন্দু গ্রামবাসীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছিল। অথচ, যখন কেউ সেই নিরীহ হিন্দুদের সাহায্য করতে চায়, তখন তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এখানেই প্রশ্ন উঠছে — “প্রশাসনের অনুমতি কি শুধু হিন্দুদের জন্য?” এই প্রেক্ষাপটে বলা দরকার, মৌলবাদীরা যেভাবে হিন্দুদের ঘরবাড়ির ওপর হামলা চালিয়েছে এবং তাদের জীবিকা বন্ধ করে দিয়েছে, তার পরেও এখনও পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু পরিবারগুলো কোনও সরকারি ক্ষতিপূরণ পায়নি (Bangladesh)।

  • Bangladesh Army: ইউনূসকে নির্বাচনের লক্ষ্ণণরেখা টেনে দিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান, সরকারের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে সেনার!

    Bangladesh Army: ইউনূসকে নির্বাচনের লক্ষ্ণণরেখা টেনে দিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান, সরকারের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে সেনার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও করিডরের কাজ করা যাবে না।” বাংলাদেশের (Bangladesh Army) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান শান্তিতে নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূসকে এই বার্তাই দিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। মায়ানমারের জন্য প্রস্তাবিত মানবিক (Myanmar) করিডর নিয়ে তাঁর যে আপত্তি রয়েছে, তা ফের মনে করিয়ে দেন তিনি। তিনি এও বলেন, “ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার করিডর বা কোনও বিদেশি দেশের কাছে বন্দর হস্তান্তরের মতো বড় কোনও সিদ্ধান্তও নিতে পারে না।”

    করিডর চালুর প্রস্তাব (Bangladesh Army)

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সেই সময় তিনি বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছিলেন মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছতে দেশটির ভেতর দিয়ে একটি করিডর চালু করার জন্য। মায়ানমারের এই রাজ্য দখল করেছে আরাকান আর্মি। তার পর থেকে রাখাইনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই আরাকান আর্মি বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয়। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের প্রস্তাবে সম্মতি জানায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। তবে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল এই উদ্যোগের বিরোধিতা করে জানায়, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সব তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই নিতে হবে। বিএনপি এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছে। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা আর একটি গাজা হতে চায় না (Myanmar)।

    কী বললেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান

    বুধবার ঢাকার সেনাবাহিনী সদর দফতরে কর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সাধারণত, সেনাপ্রধান ২০ থেকে ২৫ মিনিট বা সর্বোচ্চ আধ ঘণ্টার বক্তব্য দিয়ে থাকেন। তবে বুধবার তিনি প্রায় এক ঘন্টা ২০ মিনিট সময় কথা বলেছেন। সেই সময়ে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, “নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার আগে পর্যন্ত কোনও মানবিক করিডর অথবা কোনও বিদেশিকে কোনও বন্দর দেওয়া হবে না। তা করতে হবে বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই। এখানে জাতীয় স্বার্থ দেখতে হবে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে করতে হবে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে—এমন কিছুই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মেনে নেবে না। তাঁর বক্তব্য সমর্থন করেন বাহিনীর কর্তারা। সেনানিবাসে অফিসারদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময় সেনাপ্রধান বলেন, “ইউনূস সরকার দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে অন্ধকারে রাখছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “কোনও করিডরের কাজ করা যাবে না।”

    বিএনপির বক্তব্য

    প্রবল আন্দোলনের (Bangladesh Army) জেরে গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা। তার পরেই ক্ষমতার রাশ যায় ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘ সময় ধরে দেশ চালাতে পারে না। তাদের প্রধান দায়িত্বই ছিল দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করা। কিন্তু ইউনূস সরকার ক্রমাগত নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করে চলেছে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির সরাসরি ইউনূস সরকারকে তোপ দেগে বলেছিলেন, “এই নির্বাচন পিছানোর নেপথ্যে বড় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে (Myanmar)।” এবার ইউনূসকে হুঁশিয়ারি দিলেন সেনাপ্রধানও। জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।” তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছিল সুষ্ঠভাবে স্বাধীন নির্বাচনের আয়োজন করতে।

    সাফ কথা সেনাপ্রধানের

    সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে আলোচনায় সেনাপ্রধানের উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। আলোচনায় সেনাপ্রধানকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কেন রাতে সেনা সদস্যদের নিয়ে মিটিং করেন? সেনাপ্রধানকে এ ধরনের প্রশ্ন করার কারণে, তিনি বুধবার অফিসারদের ফোরামে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে, ইউনূস সরকারের প্রতি নিজের ক্ষোভও ব্যক্ত করেন। অন্তর্বর্তী সরকার যাতে সেনার কাজে নাক না গলায়, তাও এদিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারে কিছু বিদেশি রয়েছেন, যাঁরা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করছেন এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি খারাপ হলে তাঁরা তাঁদের দেশে ফিরে যাবেন।” তাঁর ইঙ্গিতের অভিমুখ যে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের দিকে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না (Bangladesh Army)। এই খলিলুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা। গত বছর নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এই খলিলুরই মায়ানমার করিডরের পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছিলেন। সংবিধানে ব্যাপক সংশোধনের ডাক দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। সে প্রসঙ্গে সেনা প্রধান বলেন, “বড় ধরনের কোনও পরিবর্তন কাম্য নয়।” সেনা প্রধান মনে করিয়ে দেন, আগামীদিনে বাংলাদেশ কোন পথে এগিয়ে যাবে, তা নির্ধারণ করার অধিকার আছে সাধারণ মানুষের দ্বারা নির্বাচিত সরকারের।

    বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত!

    উল্লেখ্য যে, ইউনূস সরকার চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং কন্টেনার টার্মিনালের কার্যকলাপ একটি বিদেশি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের হাতে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশের শিপিং উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রশাসন টার্মিনাল পরিচালনার জন্য একজন বিদেশি অপারেটর নিয়ে আসার পক্ষে।” অন্তর্বর্তী সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে, বিএনপি এবং জামাত ইসলামি-সহ একাধিক রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশের ১২ দলের জোটও সাফ জানিয়েছে, কোনও অবস্থায়ই নিউ মুরিং কন্টেনার টার্মিনাল (Bangladesh Army) বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। চট্টগ্রাম বন্দর কোনও বিদেশি সংস্থাকে লিজ দিলে, সেটাও মেনে নেওয়া হবে না (Myanmar)।

  • Bangladesh Crisis: অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    Bangladesh Crisis: অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এদেশে শরণ পাওয়ার আশায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কয়েকটি সেক্টরে এখনও ভিড় করছেন বাংলাদেশিরা। যাদের একটা বড় অংশ আসলেই নির্যাতনের শিকার বলে মনে করা হচ্ছে। হাসিনা সরকারের পতনের (Bangladesh Crisis) পর কয়েক হাজার বাংলাদেশি ভিড় জমিয়েছিলেন সীমান্তে। নিরাপত্তার ফাঁক গলে বহু বাংলাদেশি ঢুকে পড়ছেন বলে অভিযোগ। বিএসএফ জানিয়েছে, ১১ জন বাংলাদেশিকে তাঁরা অবৈধ অনুপ্রবেশের (Infiltration) অভিযোগে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে, অপর দুই গ্রেফতার হয়েছে ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে। সাতজনকে মেঘালয় সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের সকলের রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি, তবে সকলেই বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিএসএফ।

    ১১ অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার (Infiltration)

    জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের দুই অনুপ্রবেশকারীর মধ্যে একজন আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতকে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর আদালতে তোলা হয়। জানা যায়, তার কাছে ভারতে ঢোকার অনুমতি পত্র (visa) ছিল না। এই প্রেক্ষিতে, ভারত-বাংলা সীমান্তে আর নজবদারি বাড়িয়ে দিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭০ হাজার জওয়ানকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও বহু জায়গায় রাতের অন্ধকারে অনুপ্রবেশের (Infiltration) সুযোগ রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    কাঁটাতারের বেড়া নেই সর্বত্র

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বহু নদী-নালা, বন জঙ্গল ঘেরা এলাকা রয়েছে। সব জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। যার ফলে বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে ফাঁক গলে অনুপ্রবেশ হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে বিএসএফ কথোপকথন চালিয়ে অনুপ্রবেশ রুখে দেওয়ার (Bangladesh Crisis) যথাসম্ভব চেষ্টা চালাচ্ছে। বিএসএফের নর্থইস্ট কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, কাতারে কাতারে মানুষ ‘নো ম্যান্স ল্যান্ড’-এ ঢুকে পড়লেও কেউই ভারতীয় সীমান্তে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেননি। অনেককেই বুঝিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এখন অবধি বিএসএফের ওপরে হামলার ঘটনা বা জোর করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়নি।

    অনুপ্রেবেশ রুখতে তৎপর বিএসএফ (Bangladesh Crisis)

    ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের (Bangladesh Crisis) পর, গোটা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে। এর মাঝে ৯ অগাস্ট প্রায় ১,৭০০ বাংলাদেশি নাগরিক নদীপথ পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার সেক্টরে ভারতীয় সীমান্তের কাছে ‘নো ম্যান্স ল্যান্ডে’ চলে আসেন। বিএসএফ আধিকারিকরা তাঁদের শান্তিপূর্ণভাবে বুঝিয়ে কথাবার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়। যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের কেউই কেউই সশস্ত্র ছিলেন না এবং জোর করে ভারতে ঢোকার (Infiltration) চেষ্টাও করেননি। অন্যদিকে, এদিনই ১০-১৫ জন বাংলাদেশি হিন্দুদের একটি দল অসমের ধুবরি জেলায় ভোগডাঙ্গা সীমান্তের কাছে দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিজিবির সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারত আমাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু’’, জানাল বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক

    অসম এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, তাঁদের সীমান্ত সুরক্ষিত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ থেকে কেউই ভারতে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেনি। যদিও প্রত্যেকদিন কোথাও না কোথাও অত্যাচারের শিকার বাংলাদেশি হিন্দুরা শরণার্থী হিসেবে ভারতে আসার চেষ্টা করছেন।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Protest Rally) হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে পথে নামলেন বর্ধমান-২ নম্বর ব্লকের সনাতনী সমাজের মানুষেরা। এই মিছিল কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে করা হয়নি। সাধারণ মানুষ অসহায় হিন্দু বাংলাদেশিদের সুরক্ষার দাবিতে পথে নামেন। অধিকাংশের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। শুধুমাত্র ওপারের হিন্দুদের অধিকার রক্ষার তাগিদে এদিনের এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    মিছিলে পা মেলালেন মহিলারাও (Bangladesh Protest Rally)

    বর্ধমানের স্বস্তিপল্লি ফুটবল ময়দান থেকে শুরু হয়ে পুরো এলাকা ঘুরে আবার স্বস্তিপল্লি গিয়ে শেষ হয় এই মিছিল। বাড়ির মহিলারাও মিছিলে (Bangladesh Protest Rally) পা মেলান। মিছিল থেকে মুসলিম মৌলবাদীদের হাত থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাঁচানোর দাবিও তোলা হয়। এর আগে, আসানসোলের রাজপথে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রায় তিন হাজার কর্মী-সমর্থক প্রতিবাদ মিছিল করেছিলেন। বারাসতেও দুদিন আগেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে মিছিল করা হয়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। ফলে, রাজ্য জুড়েই বাংলাদেশের নৃশংস অত্যাচারের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হচ্ছেন এপার বাংলার হিন্দুরা।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন?

    সনাতনী সমাজের পক্ষে শতীশচরণ সমাদ্দার বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যেভাবে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে ভারত সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি অত্যাচার বন্ধ না হয় তাহলে ভারত সরকারকে যা যা ব্যবস্থা করার দরকার অবিলম্বে তা ব্যবস্থা করতে হবে। দিনের পর দিন, রাতের অন্ধকারে শয়ে শয়ে লোক হিন্দুদের বাড়িতে ডাকাতি করছে, মেয়েদের ওপর অত্যাচার করছে, তারই প্রতিবাদের আমাদের এই প্রতিবাদ। এই ধরনের অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ওপার বাংলার হিন্দুদের একটাই বার্তা দিতে চাই, আপনাদের পাশে আমরা সবসময় আছি। যে কোনও পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর। শুধু বর্ধমান (Burdwan) নয়, আর এই ধরনের আন্দোলন (Bangladesh Protest Rally) সংগঠিত করার জন্য সকলের কাছে আমরা আবেদন রাখছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muhammad Yunus: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দু ছাত্রদের সঙ্গে আজ বৈঠক ইউনূসের

    Muhammad Yunus: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দু ছাত্রদের সঙ্গে আজ বৈঠক ইউনূসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে বাংলাদেশে, কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের পরও সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনা থামেনি। জানা গিয়েছে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ৫২টি জেলায় অন্তত ২০৫টি হামলার ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে। তাই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার মোকাবিলার জন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন ইউনূস। 

    বৈঠকের উদ্দেশ্য কী? (Muhammad Yunus)

    বর্তমানে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ আসছে নানা দিক থেকে। এমতাবস্থায়, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশে কীভাবে স্থিতাবস্থা আনা যায় এবং উদীয়মান সঙ্কটের কীভাবে সমাধান করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার বিকেলেই এই বৈঠক হওয়ার কথা।  

    ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে ৮ দফা দাবি (Muhammad Yunus)

    শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের (Bangladesh Crisis) পর থেকে বাংলাদেশ নতুন করে অশান্ত হয়ে উঠেছে। তাই বর্তমানে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুরা অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে সংখ্যালঘুরা সুরক্ষা আইনের দাবি করছে। জানা গিয়েছে, ইউনূস সরকারের কাছে ৮ দফা দাবি জানাবে আন্দোলনরত হিন্দু ছাত্র সংখ্যালঘু অধিকার প্রতিনিধিরা। এই আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— হিন্দুদের উপর হামলার ক্ষেত্রে দ্রুত বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক ট্রাইব্যুনাল গঠন, জরুরি সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ফাউন্ডেশনে আপগ্রেড করার দাবি, পালি শিক্ষা পর্ষদের আধুনিকীকরণ, শারদীয় দুর্গাপুজোর সময় ৫ দিন ছুটি ঘোষণা এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা।  

    আরও পড়ুন: নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    প্রসঙ্গত, রবিবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফে এই বিষয়ে প্রথম একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। বিবৃতিতে লেখা হয়, “দেশের কোথাও কোথাও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার (Bangladesh Crisis) ঘটনা ঘটেছে। এটি উদ্বেগজনক।” এই বিবৃতি প্রকাশের পরেই জানা যায়, সোমবার সংখ্যালঘুদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Hasina: আওয়ামি লিগকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকা, দাবি শেখ হাসিনার

    Sheikh Hasina: আওয়ামি লিগকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকা, দাবি শেখ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা আওয়ামি লিগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকাকেই দায়ী করছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি শেখ হাসিনা তাঁর ঘনিষ্ঠজনের সঙ্গে কথা বলার সময়, বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং আওয়ামি লিগ সরকারকে ‘অন্যায়ভাবে’ ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য আমেরিকাকে সরাসরি দায়ী করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছেন, তাঁরা যেন ‘মৌলবাদীদের হাতে পরিচালিত’ না হন।

    ঠিক কী জানিয়েছেন হাসিনা? (Sheikh Hasina)

    শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আমেরিকার কথা মতো বঙ্গোপসাগরে একাধিপত্য বাড়াতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তাদের হাতে তুলে না দেওয়ার মাসুল হিসেবেই তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করা হল। তাঁর মতে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সার্বভৌমত্ব আমেরিকার হাতে তুলে দিয়ে বঙ্গোপসাগরে সে দেশকে ছড়ি ঘোরাতে দিলে হয়তো তিনি ক্ষমতায় থেকে যেতে পারতেন। দেশ ছাড়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হত না তাঁকে। দেশত্যাগ করার আগে যে বক্তৃতাটি তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে দিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, তাতেও এই বক্তব্যই রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে। ভারতে যাওয়ার পর শেখ হাসিনার সঙ্গে যাদের কথা হয়েছে, সেই সূত্র জানিয়েছে, যাতে ‘লাশের মিছিল’ দেখতে না হয়, তাই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। ছাত্রদের মরদেহের ওপর ক্ষমতা হস্তান্তর হোক তা চাননি বঙ্গবন্ধু কন্যা। চাননি দেশের আরও সম্পদ নষ্ট হোক। 

    আওয়ামি লিগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে 

    উল্লেখ্য, কোটা আন্দোলন (Bangladesh Crisis) শুরু হওয়ার কিছু আগে এপ্রিল মাসে হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, আমেরিকা তাঁর দেশে জমানা পরিবর্তনের চক্রান্ত করছে। বলেছিলেন, ওরা চাইছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে এমন একটি সরকার তৈরি করতে, যাদের কোনও গণতান্ত্রিক অস্তিত্বই নেই। আর এরপরেই প্রবল জনবিক্ষোভের চাপ, তুমুল আন্দোলনের মুখে পড়ে দেশ ছেড়েছিলেন শেখ হাসিনা। এসেছিলেন ভারতে। আপাতত এই দেশেই রয়েছেন তিনি। তবে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina) আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি আবার নিজের দেশে ফিরে যাবেন। মনে করেন, আওয়ামি লিগ বার বার ঘুরে দাঁড়িয়েছে, আবারও দাঁড়াবে।

    আরও পড়ুন: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, আদানি-যোগ উড়িয়ে দাবি সেবি চেয়ারম্যানের

    অন্যদিকে কোটা সংস্কারের প্রশ্নে ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে হাসিনা (Sheikh Hasina) জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ছাত্রদের কাউকে তিনি রাজাকার বলেননি। বরং তাঁর মন্তব্যকে বিকৃত করে ছাত্রদের উত্তেজিত করা হয়েছে। সে দিনের পুর্ণ ভিডিয়োটি তিনি আবার দেখতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন। ‘ছাত্রদের নিষ্পাপ মনোভাবের সুযোগ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে অস্থির করেছে’, অভিযোগ হাসিনার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা, পদক্ষেপের আহ্বান মার্কিন আইন প্রণেতাদের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা, পদক্ষেপের আহ্বান মার্কিন আইন প্রণেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সুরক্ষার আহ্বান জানিয়ে নিউ ইয়র্কে অবস্থিত রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বহু মানুষ। এই  সমাবেশের আয়োজন করেছিল হিন্দু অ্যাকশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সংস্থার আহ্বানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী মানুষ এই আন্দোলনকে আমেরিকার (Protest in America) বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    হিন্দুদের জন্য আওয়াজ উঠছে আমেরিকায় (Protest in America)

    বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপরে অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন আমেরিকার বহু সেনেটর। এই মর্মান্তিক অত্যাচারের প্রতিবাদ (Protest in America) জানানোয় আমেরিকার সেনেটরদের হিন্দু অ্যাকশন সংস্থার তরেফে সাধুবাদ জানানো হয়েছে। আমেরিকার রিপাবলিকান পার্টির সেনেটর প্যাট ফ্যালন তাঁর এক্স বার্তায় লিখেছেন, “আমরা বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক হিংসা এবং ধর্মীয় নিপীড়নের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সকল জনগণের স্বার্থে কাজ করার এবং এই হিংসা অবিলম্বে বন্ধ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু করা নিন্দনীয় কাজ। যারা এই হিংসার কাজে প্ররোচনা দিয়েছে এবং অংশগ্রহণ করেছে, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা উচিত। বাংলাদেশে চলমান হিংসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আমেরিকার বেশ কয়েকজন প্রথম সারির নেতা। ভারতীয় বংশোদ্ভুত মার্কিন কংগ্রেসম্যান রাজা কৃষ্ণমূর্তি, আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকনকে চিঠি লিখে বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধে বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্য করার আহ্বান জানান। তিনি হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার অবসান এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে ন্যায় বিচারের আওতায় আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নেতা মোঃ ইউনূসকে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    ঢাকাতেও শুরু হয়েছে প্রতিবাদ (Bangladesh Crisis)

    শুক্রবার কয়েক হাজার মানুষ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় জড়ো হয়েছিলেন। সপ্তাহের শুরুতেই বাংলাদেশের সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দুদের লক্ষ্য করে তাদের উপর আক্রমণ (Bangladesh Crisis) চালানো হয়। তাঁদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের উপাসনালয় ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে সোমবার থেকে নেমে আসে হিন্দুদের উপর অত্যাচার। তাঁদের বাড়ি, অফিস, দোকান, মন্দিরে হামলা হয়। এমনকী এক শিক্ষককে হিন্দু হওয়ার অপরাধে খুন হতে হয়। প্রায় শতাধিক হিন্দু আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশি সংখ্যালঘু হিন্দুদের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়ে হাতে পোস্টার প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান দেন এবং দেশজুড়ে অরাজক পরিস্থিতির অবসান এবং শান্তির আহ্বান জানান।

    হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বক্তব্য

    বাংলাদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জানিয়েছে, দেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে অন্তত ৫২ টি জেলায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব না থাকলেও আওয়ামি লিগকে হয়ত ভোট দিয়েছেন, এই সন্দেহে হিংসার শিকার হয়েছেন হিন্দুরা। অনেক ক্ষেত্রে শুধু লুটপাটের উদ্দেশ্যে হয়েছে হিংসা। জাতির উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠিতে ঐক্য পরিষদ বলেছে, সারাদেশে সংখ্যালঘুদের মধ্যে গভীর আশঙ্কা, উদ্বেগ এবং অনিশ্চয়তা রয়েছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিবের কার্যালয়ের তরফে বাংলাদেশের হিংসাকে (Bangladesh Crisis) দমন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। যে কোনও জাতিগত আক্রমণ বা জাতিগতভাবে হিংসার উস্কানির নিন্দা জানিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

    পরিস্থিতির ওপর নজর ভারতের

    বাংলাদেশের এই ভয়ংকর পরিস্থিতিতে (Bangladesh Crisis) হাজার হাজার হিন্দু প্রাণে বাঁচার উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী দেশ ভারতে পালিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।। সীমান্তে হাজার হাজার মানুষের জড়ো হওয়ার দৃশ্য সংবাদ মাধ্যমে দেখা গিয়েছে। এমতাবস্থায় ভাঅপ-বাংলাদেশ সীমান্তের অবস্থা খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র সরকার।

    আরও পড়ূন: “মা পদত্যাগ করেননি, এখনও তিনিই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি হাসিনা-পুত্রের

    দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই তাঁর এক্স বার্তায় লিখেছেন, “বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিক, হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share