Tag: Bangladesh Awami League

Bangladesh Awami League

  • Sheikh Hasina: “ভারতে ভালোই আছি, তবে নিজের দেশে কে না ফিরতে চায়?” নয়াদিল্লি থেকে জানালেন শেখ হাসিনা

    Sheikh Hasina: “ভারতে ভালোই আছি, তবে নিজের দেশে কে না ফিরতে চায়?” নয়াদিল্লি থেকে জানালেন শেখ হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বছর কেটে গেলেও, আর দেশে ফেরেননি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। সত্যিই কি আর কখনও বাংলাদেশে ফিরে যাবেন না শেখ হাসিনা? গত বছর বাংলাদেশ সরকারের পতন ও নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা। আড়ালেই থাকেন তিনি। কখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এবার তিনি নিজেই জানালেন যে গত বছর থেকে দিল্লিতেই রয়েছেন তিনি। আপাতত ভারতেই থাকবেন তিনি। দিল্লিতে তিনি ভালোই আছেন। একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার জানালেন হাসিনা। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন হবে ২০২৬ সালে। সেই নির্বাচনে যদি আওয়ামি লিগকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া না হয় তাহলে ভোট বয়কট করবেন তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা। হুঁশিয়ারিও দিলেন মুজিব-কন্যা।

    কেন নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগ, প্রশ্ন হাসিনার

    রয়টার্স, এএফপি ও দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুজিব কন্যা জানিয়েছেন, দিল্লিতে তিনি স্বাধীনভাবে থাকলেও, অবশ্যই নিজের দেশে ফিরে যেতে চান। তবে তাঁর দল, আওয়ামি লিগ (Awami League)-কে বাদ দিয়ে যদি কোনও নির্বাচন হয় এবং সরকার গঠিত হয়, সেই সরকারের অধীনে তিনি কখনওই বাংলাদেশে ফিরে যাবেন না। ক্রমাগত চাপের মুখে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। তবে বাংলাদেশের নির্বাচন থেকে গত মে মাসেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে হাসিনার আওয়ামি লিগকে। এই নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে মুজিব কন্যা বলেন যে, আওয়ামি লিগের লক্ষ লক্ষ সমর্থকরা আগামী বছরের জাতীয় নির্বাচন বয়কট করবে। তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগের উপরে নিষেধাজ্ঞা শুধু অনৈতিক নয়, বরং এটি আত্ম-পরাজয়ও।”

    আওয়ামি লিগকে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমর্থন করে

    ১৫ বছর সরকার চালানো শেখ হাসিনা বলেন, “আগামী সরকারের নির্বাচনী বৈধতা থাকতে হবে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আওয়ামি লিগকে সমর্থন করে, তাই তারা ভোট দেবেন না। রাজনৈতিক সিস্টেম চালানোর জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাদ দিতে পারেন না। আওয়ামি লিগকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া মানে লক্ষ লক্ষ মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা। এভাবে অবাধ ও স্বচ্ছ ভোট হবে না। যে সরকার হবে তাও গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয়। আওয়ামি লিগ যদি ভোটে দাঁড়াতে না পারে তাহলে সমর্থকদের কাছে আবেদন করব, তাঁরা যেন অন্য কোনও দলকে সমর্থন না করেন। আমরা এখনও আশা রাখছি যে শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং আমাদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে।” বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এখনও আশা রাখেন যে বাংলাদেশের ভবিষ্যতে আওয়ামি লিগ ভূমিকা রাখবে, তা সে শাসক হিসেবে হোক বা বিরোধী।

    কে না নিজের বাড়ি ফিরতে ভালোবাসে

    দেশ ছাড়ার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন যে গত বছরের ৫ অগাস্ট দেশে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ায় তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “থেকে গেলে আমার জীবন যেমন ঝুঁকিতে পড়ত, আশপাশের মানুষদের জীবনও তেমনি বিপদে পড়ত।” হাসিনা সাফ জানান, “কে না নিজের বাড়ি ফিরতে ভালোবাসে। আমিও যেতে চাই। কিন্তু যতক্ষণ না সেখানে সরকার গঠিত হয়, সংবিধান ও আইনের শাসনের কার্যকর হয়, ততক্ষণ যাব না।” ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। তার আগে বাংলাদেশে আন্দোলনে অনেক মানুষ মারা যান। সরকারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ ওঠে। তবে সেজন্য ক্ষমা চাইতে নারাজ মুজিবর কন্যা। তিনি এও জানান, দিল্লিতে ভালো থাকলেও তিনি সতর্ক। কারণ, তাঁর পরিবারের উপর আক্রমণের ইতিহাস আছে।

    জমি ছাড়তে নারাজ আওয়ামি লিগ

    বাংলাদেশে ১২ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটার রয়েছে। আওয়ামি লিগ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দীর্ঘদিন ধরেই দেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে হাওয়া গরম বাংলাদেশে। হাসিনা সরকার পতনের পর সেখানে আপাতত অন্তর্বর্তী সরকার, যার শীর্ষে রয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুস। দেশের অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষমতায় আসার পরই সুযোগ বুঝে একদা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামি লিগের সমস্ত রাজনৈতিক কার্যকলাপ কার্যত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। ফলে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার দল লড়তে পারবে না। কিন্তু লড়াইয়ের ময়দান সহজে ছাড়তে নারাজ আওয়ামি লিগ। নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বাংলাদেশ জুড়ে বিক্ষিপ্ত বিভিন্ন কর্মসূচি করছে আওয়ামি লিগ।

    নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পাননি হাসিনা

    গত বছর বাংলাদেশে ‘জুলাই আন্দোলন’-এর সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হন হাসিনা। তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীদের গুম করা এবং অত্যাচার চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এই সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণা হওয়ার কথা। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই সংক্রান্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে হাসিনা দাবি করেছেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এই সব মামলা চালানো হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আদালতে তিনি নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পাননি বলেও জানিয়েছেন হাসিনা।

    ভারতে ভালোই আছেন হাসিনা

    জনবিক্ষোভের জেরে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হয়। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বোন রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বিমানে ঢাকা থেকে উত্তরপ্রদেশের হিন্দন বায়ুসেনাঘাঁটিতে চলে আসেন হাসিনা। আপাতত ভারতেই সাময়িক আশ্রয়ে রয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ভারতে ভালোই আছেন তিনি। নিজের মতো করে রয়েছেন। হাসিনাকে ফেরত চেয়ে কূটনৈতিক স্তরে ভারতের কাছে অনুরোধ (নোট ভারবাল) পাঠিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। ভারতের তরফে ওই কূটনৈতিক অনুরোধের প্রাপ্তিস্বীকার করা হলেও এখনও পর্যন্ত পরবর্তী সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানানো হয়নি।

  • Bangladesh: ইউনূসের বাংলাদেশ অপরাধের স্বর্গরাজ্য, বলছে পরিসংখ্যান

    Bangladesh: ইউনূসের বাংলাদেশ অপরাধের স্বর্গরাজ্য, বলছে পরিসংখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকারের (Yunus Government) আমলে বাংলাদেশে (Bangladesh) ব্যাপকভাবে বেড়েছে অপরাধ। নৃশংস হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, গণপিটুনি, তোলাবাজি এবং জমি দখলের মতো ঘটনা রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামি লিগ।

    ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত পরিসংখ্যান ভয়াবহ

    পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে ৬১০টি, খুনের ঘটনা ৩,৫৫৪টি, দাঙ্গা হয়েছে ৯৭টি এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৪,১০৫টি। অ্যাসিড হামলার ঘটনা ঘটেছে ৫টি, নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা হয়েছে ১২,৭২৬টি এবং অপহরণ হয়েছে ৮১৯টি। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ৪৭৯টি এবং চুরির মামলা হয়েছে ২,৩০৪টি। অন্যান্য অপরাধে মামলা হয়েছে ৬৮,৬৮০টি। অস্ত্র আইনে দায়ের হয়েছে ১,৪৩৬টি মামলা, প্রতারণার মামলা ৫০০টি, মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত মামলা ৩৮,১৭৬টি এবং পাচারের মামলা হয়েছে ১,৭৩০টি। এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট বোঝা যায়, ইউনূসের শাসনামলে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা অবনত হয়েছে।

    ভালুকায় মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ও আওয়ামি লিগের প্রতিক্রিয়া

    সম্প্রতি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় ঘটে যাওয়া একটি হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ড নিয়ে আওয়ামী লিগ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সেখানে পুলিশ উদ্ধার করে এক মা ও তার দুই সন্তানের গলাকাটা মৃতদেহ। এই নৃশংস ঘটনায় গোটা দেশের মানুষ স্তম্ভিত। অথচ, এই পরিস্থিতির মধ্যেও ইউনূস (Yunus Government) দাবি করে যাচ্ছেন যে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার কোনও অবনতি ঘটেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের নানা প্রান্তে বেড়েই চলেছে খুন, ধর্ষণ, জমি দখলসহ নানান অপরাধ। এতে করে সাধারণ মানুষ প্রতিমুহূর্তে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন (Bangladesh)।

    প্রথম আলোর তথ্য এবং সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা

    ‘প্রথম আলো’-এর প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রতিমাসে খুনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। জানুয়ারিতে খুনের মামলা হয়েছে ২৯৪টি, ফেব্রুয়ারিতে ৩০০টি, মার্চে ৩১৬টি, এপ্রিল মাসে ৩৩৮টি, মে মাসে ৩৪১টি এবং জুনে ৩৪৪টি। এছাড়া, মিডিয়া রিপোর্টে উঠে এসেছে যে সম্প্রতি বিএনপির একদল কর্মী ‘লালচাঁদ’ নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করে এবং তারপর তাঁর মরদেহের উপর নাচতে থাকে। অন্যদিকে, কুমিল্লায় বিএনপির এক নেতা একটি হিন্দু পরিবারে ঢুকে এক মহিলাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ করে, যা নিয়ে দেশজুড়ে চরম ক্ষোভ ছড়ায়। তবে এসব ঘটনার (Bangladesh) পরও ইউনূস সরকার কার্যকর কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ উঠছে। এখানেই প্রশ্ন উঠছে—বাংলাদেশকে অপরাধমুক্ত করতে এই সরকার আদৌ কতটা আন্তরিক?

  • Bangladesh Crisis: সোনার বাংলা ছারখার! “আসতেছি আমি”, দেশে ফিরছেন জানিয়ে ইউনূসকে হুঁশিয়ারি হাসিনার

    Bangladesh Crisis: সোনার বাংলা ছারখার! “আসতেছি আমি”, দেশে ফিরছেন জানিয়ে ইউনূসকে হুঁশিয়ারি হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন, দেশছাড়া হয়েছেন, তবুও তিনি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর প্রতি কথায় লড়াইয়ের সুর। তিনি বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা। লড়াই তাঁর রক্তে। বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) ফিরে ফের লড়বেন তিনি। আওয়ামি লিগের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা এবং অত্যাচারের অভিযোগের বিচার করবেন, বলে জানালেন শেখ হাসিনা। সোমবার রাতে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় দলীয় কর্মীদের সেই আশ্বাসই দিলেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগের নেত্রী হাসিনা (Sheikh Hasina)।

    ইউনূসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ

    বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে (Chief Advisor Md Yunus) ফের তীব্র আক্রমণ শানালেন হাসিনা (Sheikh Hasina)। প্রধান উপদেষ্টাকে সুদখোর (Usurer), জঙ্গি (terrorist), সন্ত্রাসী, সাজাপ্রাপ্ত আসামি (Convicted) বলে অভিহিত করেছেন আওয়ামী লিগ নেত্রী। দলের সোশ্যাল মিডিয়ার নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘দায়মুক্তি’-তে আওয়ামি লিগের নিহত কর্মী-সমর্থকদের পরিবার এবং আহতদের সঙ্গে কথা বলেছেন হাসিনা। দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে তৈরি হোয়াট্সঅ্যাপ (WhatsApp) এবং টেলিগ্রাম (Telegram) গ্রুপগুলিতেও নিয়মিত নীচুতলার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সোমবার বিকালে বাংলাদেশের উত্তরপ্রান্তের জেলা লালমণিরহাটের (Lalmonirhat) কর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘসময় কথা হয় তাঁর।

    সবকিছুর বিচার একদিন হবে

    গত বছরের অগাস্টে আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) ছাড়েন হাসিনা। তার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যোগাযোগ করেন তিনি। আওয়ামি লিগের সমাজমাধ্যমের পাতায় তা সরাসরি সম্প্রচারও করা হয়। সোমবার রাতেও সে রকম একটি ভার্চুয়াল আলোচনা সমাজমাধ্যমের পাতায় সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা ওই আলোচনাপর্বে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সমস্যার কথা শোনেন আওয়ামি লিগের নেত্রী। কর্মী-সমর্থকেরা দাবি করেন, তাঁদের পরিবারের উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার চলেছে। তাঁদের আশ্বস্ত করে হাসিনা জানান, তিনি এই সব ঘটনার বিচার করবেন। বললেন, “আল্লাহ্ সেই জন্যই বাঁচিয়ে রেখেছেন। চিন্তা করবেন না। আসতেছি আমি।” ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ‘অল ইউরোপিয়ান আওয়ামি লিগ’-এর সভাপতি মহম্মদ নজরুল ইসলামও। তাঁরও দাবি, “বিচার একদিন হবেই। সেই দিন আর বেশি দূরে নেই।”

    শান্তির দেশ থেকে জঙ্গিদের দেশ

    তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেশটাকে যখন উন্নয়নশীল দেশে তুলে ধরলাম। তখনই এমন গভীর চক্রান্ত হয়ে গেল। বাংলাদেশকে জঙ্গিদের দেশে পরিণত করা হল। আর দিনশেষে এমন ব্যক্তি ক্ষমতা দখল করল, যার মানুষের প্রতি কোনও দয়া মায়া নেই আর ছিলও না।’ এরপরই ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাঙ্কের দিকে নিশানা করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, ‘মানুষকে ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে মোটা অঙ্কের সুদ নিত। সেই টাকায় উনি বিদেশে পাঠিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন। আমরা ভাবতাম গরীব মানুষের ভাল করছে। তাই একসময় অনেক সহযোগিতা করেছিলাম। পরে সেই মানুষের টাকা নিয়ে তছরুপ করেছে। ওনার ক্ষমতার লোভেই আজ বাংলাদেশ জ্বলছে।’

    পড়ুয়ার লাশ চেয়েছিল ওরা

    এদিনের এই ১ ঘণ্টা ১১ মিনিটের ভাষণপর্বে আন্দোলন চলাকালীন বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) পুলিশের চালানো ‘রাবার গুলিতে’ নিহত পড়ুয়া আবু সায়েদের কথাও তুলে ধরেন হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, ‘ওরা আসলে ওই পড়ুয়ার লাশটাই চেয়েছিল। শুনেছিলাম, মাথায় আঘাত লেগেছিল। কিন্তু ওকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে দেয়নি। তার আগেই বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি করে।’ সম্প্রতি যেভাবে আওয়ামি লিগ নেতানেত্রী এবং সর্বোপরি হাসিনার দলের সমর্থকদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করে জেলবন্দির ‘ছক’ কষছে ইউনুস সরকার, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগে দল। সোমবারও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলা, ভাঙচুর ও খুনের চেষ্টার মামলায় হাসিনাপন্থী ৮৪ জন আইনজীবীর জামিন খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    মিথ্যা প্রচার ইউনূস সরকারের

    গত শুক্রবার ব্যাংককে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Indian Prime Minister Narendra Modi) সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) প্রসঙ্গ উঠেছিল। হাসিনা ভারতে বসে ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করেন ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম (Shafiqul Alam, press secretary to Chief Advisor Md Yunus) সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে নরেন্দ্র মোদি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেননি। যদিও প্রেস সচিবের ওই দাবি নসাৎ করে দিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, হাসিনার প্রত্যপর্ণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিক্রিয়াকে সেভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই জাতীয় কোনও কথা ব্যাংককের বৈঠকে হয়নি।

    কী ভাবছে ভারত

    সোমবার রাতে দলের অনুষ্ঠানে হাসিনার বক্তব্যেও স্পষ্ট প্রধান উপদেষ্টা সম্পর্কে তাঁর বক্তব্যে ভারত সরকার হস্তক্ষেপ করেনি। নয়াদিল্লি ইতিপূর্বে শুধু জানিয়েছে, হাসিনার বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত। তার সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পর্ক নেই। তবে বিদেশ মন্ত্রকের একাংশের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হাসিনা যে কথা বলছেন তার সঙ্গে ভারত সরকার দ্বিমত পোষণ করে না। সে দেশে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধিতে ভারতও চিন্তিত। আর মহম্মদ ইউনূসকে আক্রমণ রাজনৈতিক। একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে হাসিনা তাঁর কথা বলছেন।

  • Sheikh Hasina: ‘মানবতা-বিরোধী অপরাধ’! হাসিনা-সহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি বাংলাদেশে

    Sheikh Hasina: ‘মানবতা-বিরোধী অপরাধ’! হাসিনা-সহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলন পর্বে ‘গণহত্যা এবং মানবতা বিরোধী অপরাধ’-এর অভিযোগে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (International Crimes Tribunal)।  তাঁর দল আওয়ামী লিগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াবদুল কাদের-সহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ১৮ নভেম্বরের মধ্যে হাসিনা-সহ সব অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী সংস্থাকে। বৃহস্পতিবার এই পদক্ষেপ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    বৃহস্পতিবারের শুনানি পর্বে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আইনজীবী মহম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘‘এই অপরাধগুলো বিস্তৃত মাত্রায় সারা বাংলাদেশ জুড়ে সংঘটিত হয়েছে। এই অপরাধে অভিযুক্ত যাঁরা, তাঁরা অসম্ভব রকমের প্রভাবশালী, তাঁদের গ্রেফতার করা না হলে তদন্তের প্রক্রিয়া পরিচালনা করা কঠিন।’’ তাঁর সেই যুক্তি মেনে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মোর্তাজা মজুমদার এবং দুই সদস্য— বিচারপতি মহম্মদ শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    কোথায় হাসিনা

    প্রসঙ্গত, গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পালানোর পর থেকে ৭৭ বছরের শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) আর একবারও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বস্তুত, তিনি বর্তমানে কোথায় রয়েছেন, তা নিয়েও নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ছাত্র আন্দোলন ও কালক্রমে শুরু হওয়া গণ-আন্দোলনের জেরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। গত ৫ অগাস্ট তড়িঘড়ি নিজের বোনকে সঙ্গে নিয়ে নয়া দিল্লি চলে আসেন তিনি। হাসিনার ‘ভারতে থাকা’ নিয়ে পড়শি বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই একাধিকবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। যদিও ভারত তার প্রেক্ষিতে সরকারিভাবে কোনও সাড়া দেয়নি।

    আরও পড়ুন: বোমাতঙ্ক-ছিনতাইয়ের হুমকি! এবার বিমানেই থাকবেন কমান্ডোরা, ভাবনা এনএসজি-র

    কী করবে ভারত

    হাসিনাকে বিপাকে ফেলতে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাঁর কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করেছে। তথ্য বলছে, ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা রুজু হলে ঢাকার তরফে নয়াদিল্লির কাছে হাসিনাকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে স্বদেশে ফিরে আইনি কার্যাবলী ও ফৌজদারি শুনানির মুখে পড়তে হবে। তবে, কূটনৈতিক মহলের দাবি, বাংলাদেশ বললেই যে ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে প্রত্যার্পণ করতে বাধ্য থাকবে, ব্যাপারটা মোটেও তেমন নয়। হাসিনা যেহেতু এক ‘বর্ণময় রাজনৈতিক চরিত্র’ তাই ভারত সেই আবেদন বাতিলও করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হাসিনার দলকে নির্মূলের চেষ্টা! গ্রেফতার আওয়ামি লিগ নেত্রী দীপু মনি

    Bangladesh Crisis: হাসিনার দলকে নির্মূলের চেষ্টা! গ্রেফতার আওয়ামি লিগ নেত্রী দীপু মনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) একের পর এক গ্রেফতার হচ্ছেন আওয়ামি লিগের (Awami League) নেতা-কর্মীরা। এবার প্রাক্তন হাসিনা সরকারের মন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনিকে (Dipu Moni) গ্রেফতার করল ঢাকা পুলিশ (Dhaka Police)। হাসিনা মন্ত্রিসভার সমাজকল্যাণ, বিদেশ ও শিক্ষা দফতরের মন্ত্রী ছিলেন দীপু। হয়তো সেটাই তাঁর অপরাধ। তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হল তা এখনও স্পষ্ট করেনি সেদেশের পুলিশ।

    কেন গ্রেফতার দীপু মনি

    ঢাকা মহানগর পুলিশের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৮টার সময় বারিধারা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় মনিকে। যদিও ঠিক কোন অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। তবে গ্রেফতারের পর আওয়ামি লিগ (Awami League) নেত্রীকে গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে, গত ১৩ অগাস্ট হাসিনা সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদাপ্রাপ্ত সলমন এফ রহমানকে ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (Dhaka Police)। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলন (Bangladesh Crisis) চলাকালীন ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে দোকানদারের মৃত্যুর ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছিল। 

    এখানেই শেষ নয়। ১৪ অগাস্ট প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, প্রাক্তন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং ছাত্রলিগের (Awami League) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তনভির হাসান সৈকতকে গ্রেফতার করা হয়। গত ১৬ অগাস্ট গ্রেফতার করা হয় সেনাবাহিনী থেকে সদ্য বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে। গ্রেফতার করা হয় জলসম্পদ মন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগের নেতা রমেশচন্দ্র সেনকেও।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    আওয়ামি লিগকে (Awami League) নিষিদ্ধ করার দাবি

    এদিনই ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামি লিগ দলকেই নিষিদ্ধ করা এবং রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের নিবন্ধন বাতিল করতে চেয়ে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে তাদের কার্যনির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া এই রিট পিটিশন দায়ের করেছেন। শেখ হাসিনার নামে থাকা যাবতীয় প্রতিষ্ঠানগুলিরও নাম পরিবর্তন করতে চাওয়া হয়েছে এই আবেদনে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    Bangladesh Crisis: অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এদেশে শরণ পাওয়ার আশায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কয়েকটি সেক্টরে এখনও ভিড় করছেন বাংলাদেশিরা। যাদের একটা বড় অংশ আসলেই নির্যাতনের শিকার বলে মনে করা হচ্ছে। হাসিনা সরকারের পতনের (Bangladesh Crisis) পর কয়েক হাজার বাংলাদেশি ভিড় জমিয়েছিলেন সীমান্তে। নিরাপত্তার ফাঁক গলে বহু বাংলাদেশি ঢুকে পড়ছেন বলে অভিযোগ। বিএসএফ জানিয়েছে, ১১ জন বাংলাদেশিকে তাঁরা অবৈধ অনুপ্রবেশের (Infiltration) অভিযোগে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে, অপর দুই গ্রেফতার হয়েছে ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে। সাতজনকে মেঘালয় সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের সকলের রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি, তবে সকলেই বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিএসএফ।

    ১১ অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার (Infiltration)

    জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের দুই অনুপ্রবেশকারীর মধ্যে একজন আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতকে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর আদালতে তোলা হয়। জানা যায়, তার কাছে ভারতে ঢোকার অনুমতি পত্র (visa) ছিল না। এই প্রেক্ষিতে, ভারত-বাংলা সীমান্তে আর নজবদারি বাড়িয়ে দিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭০ হাজার জওয়ানকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও বহু জায়গায় রাতের অন্ধকারে অনুপ্রবেশের (Infiltration) সুযোগ রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    কাঁটাতারের বেড়া নেই সর্বত্র

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বহু নদী-নালা, বন জঙ্গল ঘেরা এলাকা রয়েছে। সব জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। যার ফলে বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে ফাঁক গলে অনুপ্রবেশ হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে বিএসএফ কথোপকথন চালিয়ে অনুপ্রবেশ রুখে দেওয়ার (Bangladesh Crisis) যথাসম্ভব চেষ্টা চালাচ্ছে। বিএসএফের নর্থইস্ট কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, কাতারে কাতারে মানুষ ‘নো ম্যান্স ল্যান্ড’-এ ঢুকে পড়লেও কেউই ভারতীয় সীমান্তে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেননি। অনেককেই বুঝিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এখন অবধি বিএসএফের ওপরে হামলার ঘটনা বা জোর করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়নি।

    অনুপ্রেবেশ রুখতে তৎপর বিএসএফ (Bangladesh Crisis)

    ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের (Bangladesh Crisis) পর, গোটা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে। এর মাঝে ৯ অগাস্ট প্রায় ১,৭০০ বাংলাদেশি নাগরিক নদীপথ পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার সেক্টরে ভারতীয় সীমান্তের কাছে ‘নো ম্যান্স ল্যান্ডে’ চলে আসেন। বিএসএফ আধিকারিকরা তাঁদের শান্তিপূর্ণভাবে বুঝিয়ে কথাবার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়। যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের কেউই কেউই সশস্ত্র ছিলেন না এবং জোর করে ভারতে ঢোকার (Infiltration) চেষ্টাও করেননি। অন্যদিকে, এদিনই ১০-১৫ জন বাংলাদেশি হিন্দুদের একটি দল অসমের ধুবরি জেলায় ভোগডাঙ্গা সীমান্তের কাছে দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিজিবির সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারত আমাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু’’, জানাল বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক

    অসম এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, তাঁদের সীমান্ত সুরক্ষিত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ থেকে কেউই ভারতে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেনি। যদিও প্রত্যেকদিন কোথাও না কোথাও অত্যাচারের শিকার বাংলাদেশি হিন্দুরা শরণার্থী হিসেবে ভারতে আসার চেষ্টা করছেন।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Protest Rally) হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে পথে নামলেন বর্ধমান-২ নম্বর ব্লকের সনাতনী সমাজের মানুষেরা। এই মিছিল কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে করা হয়নি। সাধারণ মানুষ অসহায় হিন্দু বাংলাদেশিদের সুরক্ষার দাবিতে পথে নামেন। অধিকাংশের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। শুধুমাত্র ওপারের হিন্দুদের অধিকার রক্ষার তাগিদে এদিনের এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    মিছিলে পা মেলালেন মহিলারাও (Bangladesh Protest Rally)

    বর্ধমানের স্বস্তিপল্লি ফুটবল ময়দান থেকে শুরু হয়ে পুরো এলাকা ঘুরে আবার স্বস্তিপল্লি গিয়ে শেষ হয় এই মিছিল। বাড়ির মহিলারাও মিছিলে (Bangladesh Protest Rally) পা মেলান। মিছিল থেকে মুসলিম মৌলবাদীদের হাত থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাঁচানোর দাবিও তোলা হয়। এর আগে, আসানসোলের রাজপথে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রায় তিন হাজার কর্মী-সমর্থক প্রতিবাদ মিছিল করেছিলেন। বারাসতেও দুদিন আগেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে মিছিল করা হয়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। ফলে, রাজ্য জুড়েই বাংলাদেশের নৃশংস অত্যাচারের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হচ্ছেন এপার বাংলার হিন্দুরা।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন?

    সনাতনী সমাজের পক্ষে শতীশচরণ সমাদ্দার বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যেভাবে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে ভারত সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি অত্যাচার বন্ধ না হয় তাহলে ভারত সরকারকে যা যা ব্যবস্থা করার দরকার অবিলম্বে তা ব্যবস্থা করতে হবে। দিনের পর দিন, রাতের অন্ধকারে শয়ে শয়ে লোক হিন্দুদের বাড়িতে ডাকাতি করছে, মেয়েদের ওপর অত্যাচার করছে, তারই প্রতিবাদের আমাদের এই প্রতিবাদ। এই ধরনের অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ওপার বাংলার হিন্দুদের একটাই বার্তা দিতে চাই, আপনাদের পাশে আমরা সবসময় আছি। যে কোনও পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর। শুধু বর্ধমান (Burdwan) নয়, আর এই ধরনের আন্দোলন (Bangladesh Protest Rally) সংগঠিত করার জন্য সকলের কাছে আমরা আবেদন রাখছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muhammad Yunus: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দু ছাত্রদের সঙ্গে আজ বৈঠক ইউনূসের

    Muhammad Yunus: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দু ছাত্রদের সঙ্গে আজ বৈঠক ইউনূসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে বাংলাদেশে, কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদলের পরও সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনা থামেনি। জানা গিয়েছে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ৫২টি জেলায় অন্তত ২০৫টি হামলার ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে। তাই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার মোকাবিলার জন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন ইউনূস। 

    বৈঠকের উদ্দেশ্য কী? (Muhammad Yunus)

    বর্তমানে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ আসছে নানা দিক থেকে। এমতাবস্থায়, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশে কীভাবে স্থিতাবস্থা আনা যায় এবং উদীয়মান সঙ্কটের কীভাবে সমাধান করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার বিকেলেই এই বৈঠক হওয়ার কথা।  

    ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে ৮ দফা দাবি (Muhammad Yunus)

    শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের (Bangladesh Crisis) পর থেকে বাংলাদেশ নতুন করে অশান্ত হয়ে উঠেছে। তাই বর্তমানে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুরা অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে সংখ্যালঘুরা সুরক্ষা আইনের দাবি করছে। জানা গিয়েছে, ইউনূস সরকারের কাছে ৮ দফা দাবি জানাবে আন্দোলনরত হিন্দু ছাত্র সংখ্যালঘু অধিকার প্রতিনিধিরা। এই আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— হিন্দুদের উপর হামলার ক্ষেত্রে দ্রুত বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক ট্রাইব্যুনাল গঠন, জরুরি সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ফাউন্ডেশনে আপগ্রেড করার দাবি, পালি শিক্ষা পর্ষদের আধুনিকীকরণ, শারদীয় দুর্গাপুজোর সময় ৫ দিন ছুটি ঘোষণা এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা।  

    আরও পড়ুন: নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    প্রসঙ্গত, রবিবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফে এই বিষয়ে প্রথম একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। বিবৃতিতে লেখা হয়, “দেশের কোথাও কোথাও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার (Bangladesh Crisis) ঘটনা ঘটেছে। এটি উদ্বেগজনক।” এই বিবৃতি প্রকাশের পরেই জানা যায়, সোমবার সংখ্যালঘুদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Hasina: আওয়ামি লিগকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকা, দাবি শেখ হাসিনার

    Sheikh Hasina: আওয়ামি লিগকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকা, দাবি শেখ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা আওয়ামি লিগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকাকেই দায়ী করছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি শেখ হাসিনা তাঁর ঘনিষ্ঠজনের সঙ্গে কথা বলার সময়, বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং আওয়ামি লিগ সরকারকে ‘অন্যায়ভাবে’ ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য আমেরিকাকে সরাসরি দায়ী করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছেন, তাঁরা যেন ‘মৌলবাদীদের হাতে পরিচালিত’ না হন।

    ঠিক কী জানিয়েছেন হাসিনা? (Sheikh Hasina)

    শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আমেরিকার কথা মতো বঙ্গোপসাগরে একাধিপত্য বাড়াতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তাদের হাতে তুলে না দেওয়ার মাসুল হিসেবেই তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করা হল। তাঁর মতে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সার্বভৌমত্ব আমেরিকার হাতে তুলে দিয়ে বঙ্গোপসাগরে সে দেশকে ছড়ি ঘোরাতে দিলে হয়তো তিনি ক্ষমতায় থেকে যেতে পারতেন। দেশ ছাড়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হত না তাঁকে। দেশত্যাগ করার আগে যে বক্তৃতাটি তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে দিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, তাতেও এই বক্তব্যই রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে। ভারতে যাওয়ার পর শেখ হাসিনার সঙ্গে যাদের কথা হয়েছে, সেই সূত্র জানিয়েছে, যাতে ‘লাশের মিছিল’ দেখতে না হয়, তাই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। ছাত্রদের মরদেহের ওপর ক্ষমতা হস্তান্তর হোক তা চাননি বঙ্গবন্ধু কন্যা। চাননি দেশের আরও সম্পদ নষ্ট হোক। 

    আওয়ামি লিগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে 

    উল্লেখ্য, কোটা আন্দোলন (Bangladesh Crisis) শুরু হওয়ার কিছু আগে এপ্রিল মাসে হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, আমেরিকা তাঁর দেশে জমানা পরিবর্তনের চক্রান্ত করছে। বলেছিলেন, ওরা চাইছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে এমন একটি সরকার তৈরি করতে, যাদের কোনও গণতান্ত্রিক অস্তিত্বই নেই। আর এরপরেই প্রবল জনবিক্ষোভের চাপ, তুমুল আন্দোলনের মুখে পড়ে দেশ ছেড়েছিলেন শেখ হাসিনা। এসেছিলেন ভারতে। আপাতত এই দেশেই রয়েছেন তিনি। তবে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina) আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি আবার নিজের দেশে ফিরে যাবেন। মনে করেন, আওয়ামি লিগ বার বার ঘুরে দাঁড়িয়েছে, আবারও দাঁড়াবে।

    আরও পড়ুন: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, আদানি-যোগ উড়িয়ে দাবি সেবি চেয়ারম্যানের

    অন্যদিকে কোটা সংস্কারের প্রশ্নে ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে হাসিনা (Sheikh Hasina) জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ছাত্রদের কাউকে তিনি রাজাকার বলেননি। বরং তাঁর মন্তব্যকে বিকৃত করে ছাত্রদের উত্তেজিত করা হয়েছে। সে দিনের পুর্ণ ভিডিয়োটি তিনি আবার দেখতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন। ‘ছাত্রদের নিষ্পাপ মনোভাবের সুযোগ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে অস্থির করেছে’, অভিযোগ হাসিনার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ২০৫টি সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা, ইউনূসকে খোলা চিঠি ঐক্য পরিষদের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ২০৫টি সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা, ইউনূসকে খোলা চিঠি ঐক্য পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হাসিনা পদত্যাগের পর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে হিন্দু সহ সংখ্যালঘুদের ওপর। এবার সেই দেশের সংখ্যালঘুররা জোটবদ্ধ হয়ে সরব হয়েছেন। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) বিদায়ের পর বাংলাদেশের ৫২টি জেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর হামলার ২০৫টি ঘটনার বিবরণ দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ তথা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের কাছে একটি খোলা চিঠিও দেওয়া হয়েছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নজরুল হামিদ মিলনায়তনে চিঠি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।

    চিঠিতে কী লেখা রয়েছে? (Bangladesh Crisis)

    খোলা চিঠিটি ইউনূসকে একটি নতুন যুগের প্রধান হিসেবে স্বাগত জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনায় গভীর দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঐক্য পরিষদ। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, অনেক হিন্দু মন্দিরে (Bangladesh Crisis) আগুন দেওয়া হয়েছে এবং হাজার হাজার পরিবার বাড়়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে। একাধিক স্থানে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং বহু নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এই সময়ে অন্যান্য সংখ্যালঘুরাও দুর্ভোগ সহ্য করেছে। ৫ অগাস্ট থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক সাম্প্রদায়িক হিংসার ফলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা চরম আতঙ্ক, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তয় রয়েছেন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহল নিন্দা জানিয়েছে। এই পরিস্থিতির অবিলম্বে অবসান দাবি করা হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ পুজো উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের শপথ অনুষ্ঠান থেকে কোরান ছাড়া অন্য ধর্মগ্রন্থ বাদ দেওয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    ৫২টি জেলায় হিন্দু নিপীড়নে ২০৫টি ঘটনা

    ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি যে এখন পর্যন্ত ৫২টি জেলায় (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু নিপীড়নের অন্তত ২০৫টি ঘটনা ঘটেছে। আমরা সুরক্ষা চাই। কারণ, আমাদের জীবন একটি বিপর্যয়পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আমরা রাত জেগে আমাদের বাড়িঘর ও মন্দির পাহারা দিচ্ছি। এমন ঘটনা আমার জীবনে দেখিনি। দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুনরুদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ বাদ দেওয়া আমাদের সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বৈষম্যবিরোধী। আমরা আশা করি যে, সমস্ত প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় কাজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাধ্য না হলে কেউ তাদের বাড়ি, মন্দির বা তুলসী গাছ ছেড়ে যায় না। অনেক হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য এখন অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন। আমিও এক বন্ধুর বাড়িতে থাকতে বাধ্য হচ্ছি।”  

    নিপীড়নে জড়িতদের শাস্তির দাবি

    কাউন্সিলের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজল দেবনাথ বলেন, “যারা সংখ্যালঘুদের (Bangladesh Crisis) নিপীড়নে জড়িত তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক কারণে কোনও সংখ্যালঘু ব্যক্তির ওপর হামলা হলে তা গ্রহণযোগ্য নয়।” প্রেসিডিয়ামের আরেক সদস্য সুব্রত চৌধুরী বলেন, “আমরা সংখ্যালঘু নিপীড়ন বন্ধ করার বিষয়ে অনেক কথা শুনেছি। কিন্তু, আমরা কোনও কার্যকর পদক্ষেপ দেখিনি। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য ও সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে, যা মেনে নেওয়া যায় না।” প্রেসিডিয়াম সদস্য রঞ্জন কর্মকার এবং বাসুদেব ধর উপস্থিত ছিলেন পরিষদের বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share