Tag: Bangladesh Cricket Board

Bangladesh Cricket Board

  • Bangladesh India Relation: শেষমেশ ঢোক গিলল বাংলাদেশ, তুলে নিল আইপিএল সম্প্রচারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা

    Bangladesh India Relation: শেষমেশ ঢোক গিলল বাংলাদেশ, তুলে নিল আইপিএল সম্প্রচারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শুরুতেই আসন্ন মরশুমের জন্য আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার সেই সার্বিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার (IPL 2026)। শনিবার (Bangladesh India Relation) সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহিরউদ্দিন স্বপন।

    বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত (Bangladesh India Relation)

    এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এর আগে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক ও ক্রিকেট সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছিল। ২০২৬ সালের আইপিএল শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে আবারও সম্প্রচারকারী সংস্থা এবং দর্শকরা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টি২০ লিগ উপভোগ করতে পারবেন। বাংলাদেশ আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধ করেছিল পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে লিগ থেকে বাদ দেওয়ার পর। মুস্তাফিজুরকে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৯.২০ কোটি টাকায় কিনেছিল। কিন্তু বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাঁকে ছেড়ে দেয়। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

    টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে মুস্তাফিজুরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর পরেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যের সংবেদনশীল পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয় (Bangladesh India Relation)। এই ঘটনার পর বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও সরে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট মহলে ব্যাপক সমালোচিত হয়।  অনেকেই মনে করেন এটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেয়ে বেশিই ক্ষতি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের (IPL 2026)।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    তবে সম্প্রতি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। এই নরম অবস্থান ক্রীড়াক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হয়েছে, এবং আইপিএল সম্প্রচার ফের চালুর সিদ্ধান্তকে সেই পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও স্বীকার করেছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ক্ষতিকর ছিল। এখন তারা ক্রিকেট ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী। বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। বাংলাদেশে আইপিএলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সম্প্রচারকারীরা অতীতে উচ্চ দর্শকসংখ্যা পেয়েছে। সম্প্রচার বন্ধ থাকায় দর্শকদের পাশাপাশি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও বিজ্ঞাপনদাতাদেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে (Bangladesh India Relation)।

    কী বলছেন মন্ত্রী

    জহিরউদ্দিন স্বপন বলেন, “আমাদের কাছে আইপিএল সম্প্রচারের জন্য কেউ আবেদন করেনি। আমরা খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেশাতে চাই না। আমরা এটিকে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করব এবং যদি কোনও চ্যানেল আবেদন করে, আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখব (IPL 2026)।” তিনি এও বলেন, “আমরা কাউকে সম্প্রচার থেকে বিরত রাখব না। যদি স্টার স্পোর্টস সম্প্রচার করতে চায়, তারা করতে পারবে। আমাদের দেশের কোনও চ্যানেল করতে চাইলে আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখব, তবে কাউকে বাধ্য করা হবে না।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশি মন্ত্রীর এহেন বক্তব্য সরকারের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে অন্তত নীতিগতভাবে খেলাধুলোকে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা থেকে আলাদা রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে (Bangladesh India Relation)।

     

  • PSL 2026: ‘পিএসএল খেলতে এলে বিপদ হবে’! বিদেশি ক্রিকেটারদের সতর্কবার্তা পাক জঙ্গিদের, কী করবেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা?

    PSL 2026: ‘পিএসএল খেলতে এলে বিপদ হবে’! বিদেশি ক্রিকেটারদের সতর্কবার্তা পাক জঙ্গিদের, কী করবেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিপাকে পাকিস্তান সুপার লিগ (PSL 2026)। এবার পিএসএল-এ এল জঙ্গি হামলার হুমকি। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর তরফ থেকে বিদেশি ক্রিকেটারদের উদ্দেশে বার্তা তারা যেন এই টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেন। তাদের দাবি, বর্তমান সময়ে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট দুর্বল এবং এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই হুমকির ফলে শুধু খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই নয়, গোটা টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিদেশি ক্রিকেটারদের হুমকি

    ‘তেহরিক ই তালিবান পাকিস্তান’-এর নেতা জামাত উল আহরার ‘দ্য সানডে গার্ডিয়ান’-কে বলেছেন, “আমরা বিশ্বের বাকি সব ক্রিকেট বোর্ডকে সতর্ক করে দিতে চাই। দয়া করে আপনাদের দেশের ক্রিকেটারদের পাকিস্তান সুপার লিগ খেলতে পাঠাবেন না। যদি কারও সঙ্গে কিছু হয়, তা হলে আমাদের কোনও দায় থাকবে না। খেলতে এলে বিপদ হবে।” আহরার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কিছুতেই যাতে পাকিস্তান সুপার লিগ না হয়, সেটা নিশ্চিত করবেন তাঁরা। আহরার বলেন, “যাতে পাকিস্তান সুপার লিগ না হয়, তার সব চেষ্টা আমরা করব। সেই কারণে ক্রিকেটারদেরও সতর্ক করা হচ্ছে। কেউ খেলতে আসবেন না।”

    ওয়ার্নার ও স্মিথের মতো তারকারা কী আসবেন?

    পাকিস্তান সুপার লিগে এবার খেলা বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথের মতো তারকা রয়েছেন। ওয়ার্নার করাচি কিংসের অধিনায়ক। স্মিথ রয়েছেন মুলতান সুলতানসে। তা ছাড়া মার্নাস লাবুশেন, মইন আলি, ডেভন কনওয়ে, অ্যাডাম জাম্পার মতো ক্রিকেটারও রয়েছেন এবারের লিগে। তাঁদের প্রত্যেককে সতর্ক করেছেন আহরার। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা পাকিস্তান সুপার লিগ। ফাইনাল ৩ মে। পশ্চিম এশিয়া যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট দেখা গিয়েছে। ফলে প্রতিযোগিতা ছয় শহরের বদলে দুই শহরে হবে। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে খেলা। তার মাঝেই এ বার আর এক সমস্যায় পাকিস্তানের লিগ।

    ক্রিকেটের বিরোধিতা নয়

    টিটিপি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে তারা ক্রিকেটের বিরোধিতা করছে না। বরং তাদের বক্তব্য, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি যখন স্থিতিশীল নয়, তখন এত বড় আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। এই যুক্তি সামনে রেখেই তারা বিদেশি খেলোয়াড়দের সতর্ক করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকিস্তান সুপার লিগে প্রতিবছরই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নামী ক্রিকেটাররা অংশ নেন, যা টুর্নামেন্টের আকর্ষণ বাড়ায়। কিন্তু এ ধরনের হুমকিতে ক্রিকেটাররা আশঙ্কিত। অনেকেই নিরাপত্তার বিষয়টি ভেবে অংশগ্রহণ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।

    পিএসএল-এ অনিশ্চয়তার আবহ

    অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বরাবরই দাবি করে আসছে যে, আন্তর্জাতিক মানের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। অতীতেও নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সফলভাবে পিএসএল (PSL 2026) সম্পন্ন হয়েছে। ফলে এবারও তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে কতটা সক্ষম হয়, সেটাই এখন দেখার। সব মিলিয়ে, টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও, এই হুমকির জেরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। শেষ পর্যন্ত পিএসএল নির্ধারিত সময়ে শুরু হবে কি না, বিদেশি ক্রিকেটাররা অংশ নেবেন কি না,এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে আগামী কয়েক দিনের পরিস্থিতির ওপর।

    বাংলাদেশের দ্বিচারিতা!

    নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে চায়নি বাংলাদেশ। শেষপর্যন্ত প্রতিযোগিতা বয়কট করে তারা। সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান সুপার লিগও। যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে লিগে। বিদেশি ক্রিকেটারদের হুমকি দিয়েছে একটি জঙ্গি সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে সেখানে তাদের ক্রিকেটারদের পাঠানো হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে পিএসএল। সেখানে ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ। একটি বিবৃতিতে সে দেশের বোর্ড বলেছে, “বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তান সুপার লিগে ক্রিকেটারদের যোগ দেওয়ার বিষয়ে দেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রক এবং বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, পাকিস্তানের মাটিতে খেলতে গেলে নিরাপত্তার কোনও সমস্যা হবে না। ইসলামাবাদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। তার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্তেই ক্ষোভ ফেটে পড়েছে নেট দুনিয়ায়। নিরাপদ ভারতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করলেও জঙ্গি হুমকির মাঝেই পাকিস্তানে ক্রিকেটারদের পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ।

    পিএসএল নিয়ে উদ্বেগ, আইপিএল নিয়ে নো-টেনশন

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হোক বা রাজনৈতিক মঞ্চ, ভারত বনাম পাকিস্তানের লড়াইটা সর্বত্রই। সেই লড়াইটা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও প্রকাশ পায়। প্রায়শই পিএসএল না আইপিএল, কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ সেরা, সেই নিয়ে সমর্থকরা তর্ক, বিতর্কে জড়ান। এমনকী এবারে তো আইপিএল এবং পিএসএল ফের একবার একদম একই সময়ে আয়োজিত হবে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহগুলির দিকে তাকালে বোঝাই যায় যে কোন দলের মান, কদর ঠিক কতটা। বিদেশি ক্রিকেটাররাও  আইপিএল-এ দল না পেয়ে পিএসএল-এ যোগ দেন। আবার আইপিএল-এ যোগ দেওয়ার সুযোগ এলেই পিএসএল ছেড়ে দেন। অতীতে কর্বিন বশ পিএসএলের চুক্তি ছেড়ে আইপিএলে যোগ দিয়েছিলেন। এ বছরে ইতিমধ্যেই ব্লেসিং মুজারাবানি, শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকাও এমনটা করেছেন।

  • India Bangladesh Cricket: ভারতে খেলতে না আসার জন্য বাংলাদেশকে উস্কেছিলেন নকভি! বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন বিসিবি কর্তার

    India Bangladesh Cricket: ভারতে খেলতে না আসার জন্য বাংলাদেশকে উস্কেছিলেন নকভি! বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন বিসিবি কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান মহসিন নকভির উস্কানিতেই ভারত বিরোধিতায় সরব হয়েছে বাংলাদেশ (India Bangladesh Cricket)। এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন সচিব তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রাক্তন সিইও সৈয়দ আশরাফুল হক। রেভস্পোর্টজ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আশরাফুল জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে ভারতে খেলতে না আসার বিষয়ে উস্কেছিলেন নকভি। ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে আশরাফুল দাবি করেন, বিশ্ব ক্রিকেটের ভরকেন্দ্রই হল ভারত। নিজেদের উন্নতি করতে গেলে ভারত-বিরোধিতা কাম্য নয়।

    নকভির উস্কানিতে ভুল সিদ্ধান্ত

    আশরাফুল বলেন, “ক্রিকেট প্রশাসক হিসাবে আমি সততা ও দায়বদ্ধতায় বিশ্বাসী। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বর্তমান প্রধান মহসিন নকভির কথায় বাচ্চা ছেলের মতো প্রভাবিত হয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম। নকভিও ওঁকে বয়কটের সিদ্ধান্ত চালিয়ে যেতে বলেছিল। শেষ পর্যন্ত কী হল? দিনের শেষে কে জিতল?” তিনি বলেন, “আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি যে, সেই সময় ক্রীড়া উপদেষ্টার কথায় সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা ঠিক ছিল না। মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলে খেলতে দেওয়া হয়নি বলে এত বড় সিদ্ধান্তের কোনও যুক্তি নেই।

    ভারত–পাকিস্তান দ্বন্দ্বে বাংলাদেশই কি বড় ক্ষতিগ্রস্ত?

    সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন ওঠে, ভারত–পাকিস্তান দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না। জবাবে আশরাফুল হক বলেন, “নিশ্চয়ই। এটা দুঃখজনক এবং অপরিপক্বতার পরিচয়। তখন সরকারবিরোধী ভারতবিরোধী আবেগ ছিল প্রবল।” তিনি আরও বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে যাওয়ার কোনও যৌক্তিক কারণ ছিল না, শুধু এক ‘অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া’ ইস্যু ছাড়া। জগমোহন ডালমিয়ার সময় আমরা সম্মানজনক অবস্থানে ছিলাম, এখন কিছু ব্যক্তি ও সরকারের সিদ্ধান্তে আমরা হাসির পাত্র হয়ে উঠছি।”

    ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কই মূল চাবিকাঠি

    ভারতকে বিশ্ব ক্রিকেটের আর্থিক কেন্দ্র উল্লেখ করে আশরাফুল হক বলেন, “ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। না হলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। নতুন সরকার গত তিন মাসের জটিলতা মেটাতে চেষ্টা করবে বলেই আমার বিশ্বাস।” তিনি জানান, জগমোহন ডালমিয়া-র সময় তিনি আইসিসি নির্বাচনে প্রচার ব্যবস্থাপক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং ১৯৯৬ বিশ্বকাপ আয়োজনেও সক্রিয় ছিলেন।

    টি২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানো

    আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরেও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। আইসিসির বারবার আশ্বাস সত্ত্বেও অবস্থান বদলায়নি তারা। ফলে তাদের পরিবর্তে সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে, মুস্তাফিজুর রহমান-কে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) ৯.২০ কোটি রুপিতে দলে নিলেও পরবর্তীতে তাকে ছাড়তে বলা হয় বলে দাবি ওঠে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রতিবেশী দেশের কিছু মন্তব্যকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় পাকিস্তান একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তারাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।

    ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট

    আশরাফুলের মতে, “বাংলাদেশ সরকার ঠিক সিদ্ধান্ত নেয়নি। সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার কথা ভারতের। এই সিরিজ আগেও এক বার স্থগিত হয়েছে। যদি ভারত বাংলাদেশে খেলতে না যায়, তা হলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বড় ক্ষতি হবে বলে দাবি করেছেন আশরাফুল। ভারত যদি সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে না আসে তো বাংলাদেশের ক্রিকেট ৫-১০ বছর পিছিয়ে যাবে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব, ভারতকে রাজি করিয়ে খেলতে নিয়ে আসা। আশা করছি সেই দৃশ্যই দেখতে পাব।”

    রাজনীতি বনাম ক্রিকেট

    খেলার জগতে, শিল্পের জগতে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটছে। তবে এটা নতুন নয়। ১৯৭৬ সালে আফ্রিকার ২২টি দেশ অলিম্পিক্স বয়কট করেছিল। ১৯৮০ সালে আমেরিকা বয়কট করেছিল মস্কো অলিম্পিক্স। ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক্স রাশিয়া বয়কট করে। এটা চলে যে খেলা আর রাজনীতি মিলে যায়। রাজনীতিকে ক্রিকেট থেকে দূরে রাখার দাবি ওঠে মাঝেমধ্যেই। তবু রাজনীতি বার বার জড়িয়ে পড়েছে ২২ গজের লড়াইয়ের সঙ্গে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেট সম্পর্ক একটা সময় পর্যন্ত ছিল দাদা-ভাইয়ের মতো। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রাক্তন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার উদ্যোগে ২০০০ সালে টেস্ট খেলার মর্যাদা পায় বাংলাদেশ। তার পরও বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে পাশে থেকেছে বিসিসিআই। গত কয়েক দশক ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট আবহে মৈত্রী, সৌজন্যের অভাব হয়নি। ভারত এবং বাংলাদেশ, দু’দেশেই জনপ্রিয়তম খেলা ক্রিকেট। যে কোনও জয়েই আনন্দে ভাসেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। ২২ গজের একটা জয় বহু মানুষকে কষ্ট, যন্ত্রণা, অনাহার ভুলিয়ে দেয়। কয়েক ঘণ্টা মন ভাল করে দেয় তাঁদের। কিন্তু সুযোগ বুঝে বিশ্বের যে কোনও জায়গায় ভারত-বিরোধিতার জিগির তুলে দিতে ওস্তাদ পাকিস্তান। তাই বাইশগজেও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বারবার চলে আসে পিসিবি। নিজেদের ক্রিকেটের উন্নতির কথা ভুলে ভারত-বিরোধিতাই তাদের মন্ত্র। তাতে অবশ্য ভারতের কিছুই যায় আসে না। কারণ বটবৃক্ষ হাজার ঝড় সামলেও অন্যদের ছায়া দেয়। এটাই ভারত…তা সে বাইশ গজ হোক বা বিশ্ব রাজনীতি।

  • ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইসিসি (ICC)। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে লাহোরে পৌঁছন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সূত্রের খবর, আইসিসি যখন মোহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে সমঝোতামূলক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একসঙ্গে অবস্থান নিয়েছে। লক্ষ্য একটাই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে লাভজনক ম্যাচ, অর্থাৎ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তানকে সরানো।

    জুমের মাধ্যমে বৈঠক! (ICC)

    রবিবার রাতে জুমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই বৈঠক। এতে আইসিসির সিইও সংযোগ গুপ্ত, পিসিবি প্রধান মোহসিন নকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকার কথা। টুর্নামেন্টের সূচির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় সংকট তৈরি হওয়ায় আইসিসি এখন পরিস্থিতি সামাল দিতে মরিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পিসিবি এমন একটি সমঝোতার চেষ্টা করছে যেখানে বাংলাদেশকেও আলোচনার টেবিলে রাখা হবে। যদিও বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাচ্ছে না। এর আগে, ২ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে, পাকিস্তান ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল, যখন নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে সফর করতে অস্বীকার করে বাংলাদেশ (ICC)।

    আইসিসির কাছে অনুরোধ

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সমর্থিত অবস্থান থেকে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যেন তাদের ম্যাচগুলি টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়। আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর ফলেই একের পর এক প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে (T20 World Cup)। বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানায়, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থানে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে একমত। বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রকাশ্যে ইসলামাবাদকে ধন্যবাদ জানান। ফেসবুকে আসিফ নজরুল লেখেন, “ধন্যবাদ, পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দেশ (ICC)।” আসিফ নজরুল বর্তমানে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টের গণআন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাত হওয়ার পর এই সরকার গঠিত হয়। কার্যত তিনি বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রীর ভূমিকা পালন করছেন।

    শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ

    এদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতের বিরুদ্ধে যেন ম্যাচে অংশ না নেওয়া হয়। ইসলামাবাদে এক সরকারি বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলব না, কারণ খেলাধুলোর ময়দানে রাজনীতি হওয়া উচিত নয়।” সব পক্ষকে নিয়ে আইসিসি যখন এখন সংকটকালীন আলোচনায় বাধ্য হয়েছে, তখন লাহোরে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, এই ইস্যু আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একই সঙ্গে, উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে সামঞ্জস্য বজায় রেখে সিদ্ধান্ত (T20 World Cup) কার্যকর করা আইসিসির জন্য কতটা কঠিন হতে চলেছে, সেটাও পরিষ্কার হয়ে উঠছে (ICC)।

  • T20 World Cup: ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না, জানালেন আসিফ নজরুল

    T20 World Cup: ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না, জানালেন আসিফ নজরুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট খেলাতেও ভারত বিদ্বেষী মনোভাব ইউনূস সরকারের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) খেলতে আসবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এবং বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন যুব ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তারপর তাঁর সিদ্ধান্তের কথা বলেন। ওই দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়েছিল হাসিনা বিদ্বেষী মনোভাব থেকে। তবে এখন এই বিদ্বেষ (Bangladesh Cricket Board) শুধু হাসিনা পর্যন্ত থেমে নেই, প্রথমত পাকিস্তানের আইএসআই প্রীতি এবং দ্বিতীয়ত ভারত বিরোধীর পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। ক্রিকেটের ময়দানেও ভারত বিরোধিতা অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম পদক্ষেপ।

    খুব একটা নিরাপদ নয় (T20 World Cup)

    আফিস নজরুল বলেন, “বাংলাদেশের জাতীয় দল ক্রিকেট এবং বোর্ডের সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। আমরা চেয়েছি টি ২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ম্যাচ খেলতে। এই সুযোগকে আমরা হাত ছাড়া করতে চাই না। ভারতের মাটিতে খেলা আমাদের জন্য খুব একটা নিরাপদ নয়। নিরাপত্তার যে অভাব রয়েছে তা স্পষ্ট। এটা কোনও বায়বীয় বিশ্লেষণ নয়, সত্যতার নিরিখে ভাবা হয়েছে। আমাদের একজন সেরা ক্রিকেটারকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ভারত থেকে বার করে দিতে বলা হয়েছে। আবার বিশ্বকাপ (Bangladesh Cricket Board) ওই দেশেই হচ্ছে।”

    একজন ক্রিকেটারও নিরাপত্তা পায়নি

    যদিও আইসিসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়েছিল, ভারতে খেলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কোনও ঝুঁকি নেই। তবে নজরুল বলেন, “আইসিসি যতই বলুক, যে দেশে আমাদের একজন ক্রিকেটারও নিরাপত্তা পায়নি, সেই দেশেই তো বিশ্বকাপ হচ্ছে। সেই দেশের পুলিশেরই তো দায়িত্ব থাকবে বিশ্বকাপে (T20 World Cup) নিরাপত্তা দেওয়ার। ভারতে এমন কী বদল হয়েছে যাতে আমাদের মনে হবে যে, বিশ্বকাপে আমাদের দলের ক্রিকেটার, গণমাধ্যমের কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে পারবে। আইসিসি আসল ঘটনা বাদ দিয়েছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও আমাদের কিছু বলা হয়নি। তাই আমাদের সিদ্ধান্ত বদলের কোনও জায়গা নেই।”

    আসিফ নজরুল অবশ্য আইসিসিকে বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket Board) সমস্ত ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় করার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ যদি নিজের অবস্থানে অবিচল থাকে তাহলে হয়তো সব চেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতি বাংলাদেশেরই হবে। আইপিএল থেকে বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের নাম বাদ পড়ার পর থেকেই দর কষাকষি শুরু হয়। আগামী দিনে ভারত বিদ্বেষী মনোভাব বাংলাদেশকে আরও চরম মাশুল দিতে হয় কিনা তাই এখন দেখার।

  • T20 World Cup 2026: ‘‘নিরাপত্তার কোনও সমস্যা নেই’’ আইসিসিতে ভোটে হার বাংলাদেশের, বিশ্বকাপ খেলতে হবে ভারতেই

    T20 World Cup 2026: ‘‘নিরাপত্তার কোনও সমস্যা নেই’’ আইসিসিতে ভোটে হার বাংলাদেশের, বিশ্বকাপ খেলতে হবে ভারতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) খেলতে হবে ভারতেই। একান্ত না চাইলে, বাদ দিয়ে দেওয়া হবে বিশ্বকাপ থেকেই। পরিবর্তে নিয়ে নেওয়া হবে টি-২০ ব়্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের নীচে থাকা দেশকে। বোর্ড সদস্যদের (ICC Board Meeting) বৈঠকে ভোটাভুটির পর ঘোষণা করে দিল আইসিসি। বুধবার, ২১ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সে আইসিসি বোর্ড বৈঠক হয়েছে। ভারতের মাটি থেকে নিজেদের টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরাতে বলেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই বুধবারের বৈঠক বসেছিল। আইসিসির নির্দেশের পর থমথমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সদর দফতর। কর্তারা ভেবেছিলেন, বৈঠকে আশার কথা শোনাবেন। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, কোনও ভাবেই গ্রুপ বদলানো যাবে না। তারা ভারতে খেলবে কি না সেই সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবারের মধ্যে জানিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

    বৈঠকে ছিলেন কারা

    এ দিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে বিসিবির পক্ষে ছিলেন সভাপতি আমিনুল। ছিলেন আইসিসির সভাপতি জয় শাহ, সিইও স‌ংযোগ গুপ্ত। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ শইকীয়া, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সভাপতি শাম্মি সিলভা, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান মাইক বেয়ার্ড, জিম্বাবোয়ে ক্রিকেটের সভাপতি তাভেঙ্গা মুকুহলানি, ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের সভাপতি কিশোর শ্যালো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের চেয়ারম্যান ব্রায়ান ম্যাকনিস, ক্রিকেট নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে রবার্ট টোয়েস, ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান রিচার্ড থম্পসন, ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার মহম্মদ মুসাজি এবং ক্রিকেট আফগানিস্তানের চেয়ারম্যান মিরওয়াইজ আশরাফ যোগ দেন। বৈঠকে ছিলেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা, হেড অফ ইভেন্টস গৌরব সাক্সেনা এবং লিগ্যাল অফিসারেরা।

    আইসিসি-র বিবৃতি, সূচি পরিবর্তন অসম্ভব

    বুধবার সমাজমাধ্যমে আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হবে। কোনও পরিবর্তন করা হবে না। বিশ্বকাপের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ভারতে দল না পাঠালে অন্য কোনও দেশকে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ দেওয়া হবে। বুধবার আইসিসির বোর্ডের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাংলাদেশের দাবি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সূচি বদলের বিভিন্ন সমস্যা আবার ব্যাখ্যা করা হয়। বলা হয় সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও সমস্যায় পড়তে হবে না। বিসিবি কর্তা, বাংলাদেশের সমর্থক বা সাংবাদিকদেরও কোনও সমস্যা হবে না ভারতে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বিশ্বাসযোগ্য হুমকি নেই। তা ছাড়া এ ভাবে সূচি পরিবর্তন করলে ভবিষ্যতের জন্য খারাপ উদাহরণ তৈরি হবে। বলা হয়েছে, ‘‘আইসিসি সততা, বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে, ধারাবাহিক মান বজায় রাখতে এবং বিশ্বব্যাপী খেলার সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ ভারতের ঘরোয়া প্রতিযোগিতার (আইপিএল) সঙ্গে বিশ্বকাপের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে আইসিসি।

    বাংলাদেশের বক্তব্য

    আইসিসির বক্তব্য শোনার পরেও অনড় অবস্থান বজায় রাখেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের দাবি নিয়ে আইসিসির বোর্ডের সভায় ভোটাভুটির সিদ্ধান্ত হয়। তাতে অধিকাংশই বাংলাদেশের বিপক্ষে ভোট দেয়। ফলে ম্যাচের কেন্দ্র বদল নিয়ে বিসিবির দাবি খারিজ হয়ে যায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, একমাত্র অলৌকিক কিছু হলেই বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব। বৈঠকে আইসিসি জানিয়েছে, এক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বাংলাদেশকে। আমিনুল বলেন, “আমি আইসিসিকে বলেছিলাম, দেশের সরকারের সঙ্গে কথা বলার জন্য একটা শেষ সুযোগ দিন। ওরা আমার অনুরোধ রেখেছে।” আমিনুল বলেন, “মুস্তাফিজ়ুরকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর থেকে আমারই মনে হচ্ছে ভারতে খেলা আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। সেটাই আইসিসির বৈঠকে বলেছি।” আমিনুল জানিয়েছেন, সরকাকে কোনও রকম চাপ দিতে চান না তাঁরা। তিনি বলেন, “সরকার তো চায় আমরা খেলি। কে বিশ্বকাপ খেলতে চায় না? কিন্তু এই মুহূর্তে ভারতে খেলা নিরাপদ নয়। আমরা শ্রীলঙ্কায় খেলতে চাই। এই দাবি থেকে আমরা সরিনি।”

  • Bangladesh Cricket: আফগানদের কাছে চুনকাম, দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরা

    Bangladesh Cricket: আফগানদের কাছে চুনকাম, দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অভ্যন্তরে অরাজক পরিস্থিতির ছায়া বাইশ গজেও। বাংলাদেশ ক্রিকেটেও (Bangladesh Cricket) কালো দিন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই পরাজিত হয়ে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ দল। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে পরাজয়ের ব্যবধান ছিল ২০০ রানের। লজ্জার সিরিজ শেষে দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই শুরু হয় বিক্ষোভ। ক্রিকেটারেরা বিমানবন্দর থেকে বার হওয়ার সময় বেশ কিছু সমর্থক তাঁদের বিদ্রুপ করেন। সরাসরি ক্রিকেটারদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গিয়েছে, ক্রিকেটারদের গাড়িও ভাঙচুর হয়েছে।

    কেন এমন হাল বাংলাদেশের

    সময়টা ভাল যাচ্ছে না বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket)। এশিয়া কাপে ব্যর্থতার পর এক দিনের সিরিজেও শোচনীয় অবস্থা। আফগানিস্তানের কাছে এক দিনের সিরিজে চুনকাম হয়েছে বাংলাদেশ। তিনটি ম্যাচই হারতে হয়েছে। এই সিরিজে ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং- তিন বিভাগেই বাংলাদেশ ছিল ছন্নছাড়া। আফগানিস্তানের বোলাররা নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে গুঁড়িয়ে দেয়। শেষ ১২টি ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র একটি জিততে পেরেছে, যা দলের পারফরম্যান্স গ্রাফের নিন্মমুখী অবস্থানকে তুলে ধরে। এই ১১ হারের মধ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষেই চারটি ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ। ধারাবাহিক ব্যর্থতায় ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে, বর্তমানে তারা দশম স্থানে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ এমনিতে খুব ভালো জায়গায় ছিল না কখনওই কিন্তু ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকে ৭-৮ নম্বর জায়গাতেই ঘুরে ফিরে ছিল ওয়ানডে ক্রিকেটে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পতন শুধু খেলোয়াড়দের ফর্মের কারণে নয়, বরং টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনার অভাবও বড় কারণ। নিয়মিত দল পরিবর্তন, স্থায়ী অধিনায়কত্বের অভাব, এবং ব্যাটিং অর্ডারে বিভ্রান্তি দলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।

    সমর্থকদের সংযত থাকার অনুরোধ

    এই পরিস্থিতিতে সমর্থকদের সংযত থাকার অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার নইম শেখ। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন যে, মাঠে নেমে জেতার চেষ্টাই করেন তাঁরা। কিন্তু সব সময় জেতা সম্ভব নয়। খেলায় জয়-পরাজয় থাকে। তাঁরাও মানুষ। তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, হেরে যাওয়ায় দেশের সমর্থকদের কষ্ট হয়েছে। সেই কষ্ট থেকেই এই বিক্ষোভ। কিন্তু তাঁদের যে ভাবে ঘৃণা করা হচ্ছে বা গাড়িতে আক্রমণ হয়েছে, তা তাঁদেরও খুব কষ্ট দিয়েছে বলে জানিয়েছেন নইম। বাংলাদেশের এক দিনের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ চাপে রয়েছেন। অধিনায়ক হিসাবে ১০টি ম্যাচের মধ্যে ন’টিতেই হেরেছেন তিনি।

  • Shakib Al Hasan: দেশের মাটিতে অবসরের আশা শেষ! শাকিব বিরোধী স্লোগানে উত্তাল ঢাকা

    Shakib Al Hasan: দেশের মাটিতে অবসরের আশা শেষ! শাকিব বিরোধী স্লোগানে উত্তাল ঢাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বাইশ গজকে একদা বিশ্বের দরবারে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এখন বাংলাদেশেই ব্রাত্য শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। দেশের মাটিতে খেলে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া হচ্ছে না বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়কের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের দলে শাকিবকে রাখা হলেও তিনি ম্যাচ খেলার জন্য দেশে ফিরতে পারছেন না। মনে করা হচ্ছে, ভারতের বিরুদ্ধেই জাতীয় দলের জার্সি গায়ে শেষ টেস্ট খেলে ফেলেছেন শাকিব।

    ব্রাত্য শাকিব

    ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলে শাকিব (Shakib Al Hasan) নিউ ইয়র্কের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলার জন্য তিনি বুধবার দুবাইয়ে পৌঁছন। বৃহস্পতিবার তাঁর ঢাকায় পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু ঢাকার বিমান ধরার আগেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মাধ্যমে তাঁকে দুবাইয়ে অপেক্ষা করার বার্তা দেওয়া হয়। শাকিব বলেছেন, ‘‘আমি জানি না এর পর কোথায় যাব। তবে এটা প্রায় নিশ্চিত আমি বাড়ি ফিরতে পারব না।’’ অন্য দিকে, বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ‘‘কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আমি শাকিবকে বাংলাদেশে না আসার পরামর্শ দিয়েছি। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ 

    আরও পড়ুন: উচ্ছ্বাস ইজরায়েলে, হামাস প্রধান সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত ডিএনএ পরীক্ষায়

    চলছে বিক্ষোভ

    ইতিমধ্যেই শাকিবের (Shakib Al Hasan) বিপক্ষে প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয়েছে মিরপুর (Mirpur Stadium) শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সামনে। বিক্ষোভকারীরা শাকিবের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন। এমনকী ক্রিকেটারের কুশপুত্তলিকাও দাহ করা হয়েছে। তাই নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই বাংলাদেশে ফিরতে বারণ করা হয়েছে শাকিবকে। দুবাই থেকে তিনি আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। বাংলাদেশের তদারকি সরকার প্রশাসনিক ভাবে ব্যক্তি শাকিবকে নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেয়নি। প্রসঙ্গত, শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের ফটকের সামনে যেখানে বিক্ষোভ হয়েছে, অ্যাকাডেমির মাঠ সেখান থেকে খুব দূরে নয়। ঘটনাচক্রে যখন এই বিক্ষোভ চলছে, তখন ভিতরে অনুশীলন করছিল দক্ষিণ আফ্রিকা দল। বিসিবি জানিয়েছে, বিক্ষোভের বিষয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দল কোনও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তবে এ ঘটনার পর দক্ষিণ আফ্রিকা দলের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ODI World Cup 2023: বিশ্বকাপে ব্যর্থতা! তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়ল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

    ODI World Cup 2023: বিশ্বকাপে ব্যর্থতা! তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়ল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপে (ODI World Cup 2023) লিগ পর্বে সাতটি ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেনি শাকিব আল হাসানের দল। হারতে হয়েছিল নেদারল্যান্ডসের মতো দলের কাছেও। এই ব্যর্থতার কারণ জানতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (Bangladesh Cricket Board)। 

    কেন তদন্ত কমিটি

    ওডিআই বিশ্বকাপের (ODI World Cup 2023) দল গঠনের পর থেকেই বিতর্ক দানা বেঁধেছিল বাংলাদেশ ব্রিগেড নিয়ে। বিশেষ করে তামিম ইকবালের মতো তারকা ক্রিকেটারকে দলে না নেওয়ার জন্যই শুরু হয়েছিল তুমুল সমালোচনা। প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও শেষরক্ষা করতে পরেনি তারা। একে পর এক ম্যাচ হেরে ক্রমশই বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের জায়গা হারিয়েছিল বাংলাদেশ। শাকিব আল হাসানের দল লিগ পর্বে ন’টি ম্যাচের মাত্র দু’টিতে জয় পেয়েছিল। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যাটারেরা প্রায় কেউ ফর্মে ছিলেন না। মাহমুদুল্লা ছাড়া কোনও ব্যাটারই রান পাননি। বোলারেরাও সাফল্য পাননি। ভাল হয়নি দলের সার্বিক ফিল্ডিংও।

    তিন সদস্যের কমিটি

    দলের বেহাল দশার কারণ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিসিবি। বুধবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, “ওডিআই বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশ ব্রিগেডের পারফরম্যান্স কেন এমন হয়েছে তা দেখার জন্যই তৈরি করা হয়েছে এই কমিটি। হারের কারণ খতিয়ে দেখার পরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে কমিটি রিপোর্ট জমা দেবে।” কমিটিতে রাখা হয়েছে বিসিবির (Bangladesh Cricket Board) তিন জন ডিরেক্টরকে। তাঁরা হলেন এনায়েত হোসেন, মাহবুব আনাম এবং আক্রম খান। ক্রিকেটার এবং দলের কোচিং স্টাফদের সঙ্গে কথা বলে ব্যর্থতার কারণ খুঁজবে তিন সদস্যের এই কমিটি। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগকাণ্ডে ২ তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত ও দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে সিবিআই

    স্পনসরহীন বাংলাদেশ

    বিসিবি সূত্রে খবর, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হতশ্রী পারফরম্যান্স-এর জন্যই কোনও সংস্থা চুক্তি করতে রাজি হচ্ছে না। আপাতত স্পনসরহীন অবস্থাতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশ দল। অক্টোবর পর্যন্ত ‘দারাজ’-এর সঙ্গে চুক্তি ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট সংস্থার। ২০২১ থেকে ২০২৩-এ পর্যন্ত দারাজ-এর সঙ্গে সেই চুক্তি শেষ হওয়ার কথা নভেম্বরে। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সঙ্গে চুক্তি নবীকরণ করতে আর আগ্রহী নয় সংস্থাটি। তাই পুরো টার্ম শেষ হওয়ার আগেই মাঝপথে সরে দাঁড়িয়েছে দারাজ। এতে অথৈ জলে পড়ে গিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamim Iqbal: খেলবেন না এশিয়া কাপে! বাংলাদেশের একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব ছাড়লেন তামিম

    Tamim Iqbal: খেলবেন না এশিয়া কাপে! বাংলাদেশের একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব ছাড়লেন তামিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কয়েকদিন আগেই হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুরোধে অবসর ভেঙে ফিরে এসেছিলেন তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal)। কিন্তু বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়ে দিলেন যে, একদিনের ক্রিকেটে আর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন না। তামিম বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (BCB) প্রধান নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে দেখা করেন। তার পরেই সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়ছেন।

    কী বলল বিসিবি

    তামিমের (Tamim Iqbal) সঙ্গে বৃহস্পতিবার আলোচনায় বসেছিল বিসিবি (BCB)। ছিলেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান, বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস। বেঠক শেষে বিসিবি সভাপতি জানান, তামিম তাঁকে বলে দিয়েছেন যে ওয়ানডেতে আর অধিনায়কত্ব করবেন না। আর জালাল ইউনুস জানিয়েছেন, চোট থেকে সেরে ওঠা নিশ্চিত নয় বলে এশিয়া কাপে (Asia Cup 2023) খেলবেন না তামিম। তামিমের পিঠে চোট রয়েছে। কিছু দিন আগে ইংল্যান্ডে গিয়ে চিকিৎসাও করিয়েছেন। অবসর ভেঙে ফিরে এসে তিনি জানিয়েছিলেন যে, দেড় মাসের জন্য বিরতি নিচ্ছেন। মনে করা হয়েছিল এশিয়া কাপে ফিরতে পারেন তিনি। কিন্তু পিঠের চোটের কারণে এশিয়া কাপে তাঁর খেলায় অনিশ্চয়তা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচেই জয় মোহনবাগানের, বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে

    পরবর্তী অধিনায়ক কে?

    তামিমের (Tamim Iqbal) অবর্তমানে কে বাংলাদেশের একদিনের ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করবেন—এই প্রশ্নের জবাবে বিসিবি (BCB) সভাপতি বলেছেন, সবার সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তামিম শুধু এশিয়া কাপে না খেললে সহ–অধিনায়ক লিটন দাসই অধিনায়ক হতেন। এখন যেহেতু তামিম অধিনায়কত্বই ছেড়ে দিয়েছেন, ব্যাপারটা আর সরল নেই। নতুন অধিনায়ক শুধু এশিয়া কাপ নয়, বিশ্বকাপেও নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশকে। বিসিবি সভাপতি জানান, অধিনায়কত্ব ছাড়লেও খেলোয়াড় হিসেবে খেলা চালিয়ে যাবেন তামিম। বিশ্বকাপে পুরো ফিট তামিমকে পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share