Tag: Bangladesh Election

Bangladesh Election

  • Bangladesh Crisis: সনাতন ধর্মের অবমাননা! উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিক্ষোভ হিন্দু পড়ুয়াদের

    Bangladesh Crisis: সনাতন ধর্মের অবমাননা! উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিক্ষোভ হিন্দু পড়ুয়াদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম (Sanatan Dharma) অবমাননার অভিযোগে প্রতিবাদ করল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dhaka University) হিন্দু পড়ুয়ারা (Hindu students)। বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় লাগোয় রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ-সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু-ছাত্রছাত্রীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় সম্মিলিত সনাতন নাগরিক জোটের সদস্যরা। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Bangladesh Crisis) রেজিস্ট্রার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

    বিতর্কের সূত্রপাত সোশ্যাল সাইটের পোস্ট

    বিতর্কের সূত্রপাত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র আবু সায়েমের একটি ফেসবুক পোস্ট (face book post)। তাতে সে হিন্দু ধর্মকে অবমাননা (insult to Hindu dharma) করে আপত্তিজনক কথাবার্তা লেখে। জাকি আহম্মেদ নামে আর এক ছাত্র হিন্দুদের হত্যা (call for killing) করার ডাক দেয়। ওই দুই ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবিতে পথে নামে হিন্দু ছাত্ররা। তারা স্লোগান দেয়, ‘মানি না, মানব না, ধর্মের অবমাননা’। তাদের দাবি, ‘এক দুই তিন চার চাই সায়েমের বহিষ্কার’।

    ছাত্রদের ৩ দফা দাবি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ছাত্র সৌরভ বালাই এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমরা এ দেশের নাগরিক। আমরা চাই যেন নাগরিকের সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারি।’ তিনি অভিযোগ করেন, সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ বন্ধ করতে সরকারকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে। এক ছাত্রী বলেন, যে ধরনের পোস্ট দেওয়া হয়েছে, তা কোনও সংখ্যালঘু দিলে অনেক আগেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে দিত। অভিযুক্ত সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের বলেই প্রশাসন হাত গুটিয়ে আছে। আর এক ছাত্রী বোটানি বিভাগের সুমি বিশ্বাস দাবি করেন, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। রেজিস্ট্রারের কাছে হিন্দু পড়ুয়ারা যে দাবিপত্র পেশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ম অবমাননার ঘটনা নির্মূল করতে হবে। অভিযুক্ত দুই ছাত্রকে পাকাপাকিভাবে বহিষ্কারের পাশাপাশি হিন্দু ছাত্ররা শিক্ষকদের বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, বাংলা, সংস্কৃত বিভাগে সাহিত্য সমালোচনার ক্লাসে শিক্ষকদের অনেকেই হিন্দু ধর্মের বিকৃত ব্যাখ্যা, অবমাননামূলক মন্তব্য করে থাকেন। শিক্ষকদেরও সতর্ক করতে বলেছে হিন্দু ছাত্ররা।

    ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

    এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দফতর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ প্রদানের জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সান্টু বড়ুয়া, সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের অতিরিক্ত পরিচালক মোস্তাক আহমেদ। এ ছাড়া বাকি তিনজন হলেন সহকারী প্রক্টর মুহা. রফিকুল ইসলাম, জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশিস পাল এবং প্রাধ্যক্ষ স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন।

  • India Bangladesh Relation: “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতেই হবে”, অবশেষে মানলেন ইউনূস

    India Bangladesh Relation: “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতেই হবে”, অবশেষে মানলেন ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে (India Bangladesh Relation) কোনও অবনতি ঘটেনি। পদ্মাপাড়ে ক্রমবর্ধমান ভারত বিরোধিতার মধ্যেই এমন দাবি করলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। আগামী ৩-৪ এপ্রিল তাইল্যান্ডে বিমস্টেক সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইউনূস। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ইউনূস। এমনই অভিমত কূটনৈতিক মহলের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক খুবই ভালো। আমাদের সম্পর্কের কোনও অবনতি হয়নি। আমাদের সম্পর্ক সব সময় ভালো থাকবে। এখনও ভালো আছে, ভবিষ্যতেও ভালো থাকবে।”

    কলকাতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল

    ইতিমধ্যেই পাঁচ দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এলেন ইন্দো-বাংলাদেশ জয়েন্ট রিভার কমিশনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল। সোমবার মোট ১১ জন পদস্থ কর্মকর্তা এই সফরে অংশ নিতে এসেছেন। তাঁদের সঙ্গে নয়াদিল্লি থেকে আসা কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা বৈঠক করবেন বলে জানা গিয়েছে। সফরের মূল উদ্দেশ্য হল গঙ্গা-পদ্মা জলবণ্টন চুক্তি পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা। উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা পরবর্তী সময়ে মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বাংলাদেশে। এই আবহে সেখানে ভারত বিদ্বেষের হাওয়া যেন প্রবল হয়েছিল। কিন্তু এরই মাঝে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বুঝতে পারে ভারতকে যে কোনও মূল্যে পাশে দরকার। পদ্মাপাড়ে উন্নয়নের জন্য ভারত নিয়ে এবার সুর নরম করতে বাধ্য হন ইউনূস।

    গঙ্গা-পদ্মা জলচুক্তি নিয়ে আলোচনা

    ১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) মধ্যে গঙ্গা-পদ্মা জলবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর ফলে দুই দেশ গঙ্গার জল ভাগ করে নেওয়ার একটি নির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করে। চুক্তির মেয়াদ ছিল ৩০ বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে এটি শেষ হবে। আগামী বছর চুক্তির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নতুন করে কিছু পর্যালোচনা ও সংশোধন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশ গঙ্গার প্রবাহ ও বণ্টন নিয়ে নিয়মিত বৈঠকে বসে। তবে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ অভিযোগ তুলেছে যে, শুষ্ক মৌসুমে ফরাক্কা ব্যারাজ থেকে তারা পর্যাপ্ত জল পায় না। অন্য দিকে, ভারতের দাবি, জলপ্রবাহের স্বাভাবিক ওঠানামার কারণে কিছু সময় জলের পরিমাণ কমবেশি হয়। তাই নিয়েই ফের আলোচনার জন্য ভারতে এসেছে বাংলার প্রতিনিধি দল।

    কোথায় কোথায় যাবেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা

    প্রতিনিধি দলটি সোমবার ফরাক্কা ব্যারাজ পরিদর্শনে গিয়েছেন। সেখানে তাঁরা গঙ্গা থেকে পদ্মায় প্রবাহিত জলের পরিমাণ ও অবস্থা খতিয়ে দেখেন। ফরাক্কা ব্যারাজ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নদীর জল বণ্টনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গঙ্গা থেকে নির্ধারিত পরিমাণ জল কী ভাবে পদ্মায় প্রবাহিত হচ্ছে, তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন দুই দেশের বিশেষজ্ঞেরা। এর পর ৭ মার্চ কলকাতায় একটি বিলাসবহুল হোটেলে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসবেন। গঙ্গার জলবণ্টন ছাড়াও তিস্তা এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত নদীগুলির বিষয়ে কথাবার্তা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    মোদি-ট্রাম্প সুসম্পর্ক

    গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে গণআন্দোলনের চাপে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন শেখ হাসিনা। পালিয়ে আসেন ভারতে। তাঁর প্রত্যর্পণ চেয়ে ভারত সরকারকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। এখনও তার উত্তর দেয়নি নয়াদিল্লি। হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা বেড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। ভারত একাধিক বার বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ফলে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। ইউনূস সরকারের জামাত-ঘনিষ্ঠতা এবং ভারত-বিরোধিতা ক্রমে বুমেরাং হয়ে ফিরেছে ঢাকার কাছে। এরই মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতায় এসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের অনুদান বন্ধ করে দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গেও ভারতকে পাশ পেতে চাইছেন ইউনূস। প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্পর্ক ভালো। বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে হস্তক্ষেপে রাজি নন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়য়ে মোদি যা করার করবেন। তাই মোদিই বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করবেন এমন আশাও দেখছে ঢাকা, ধারণা কূটনৈতিক মহলের।

    মোদির সঙ্গে কথা হয়েছে, দাবি ইউনূসের

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক (India Bangladesh Relation) ভালো না থেকে উপায় নেই। আমাদের সম্পর্ক এত ঘনিষ্ঠ, আমাদের পরস্পরের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বেশি। ঐতিহাসিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে আমাদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। সেটার থেকে আমরা সরে আসতে পারব না। তবে মাঝখানে কিছু কিছু মেঘ দেখা দিয়েছে। তা অপপ্রচারের কারণে এসেছে। এই অপপ্রচার কোন শত্রুরা করছে, সেটা বিচার করতে হবে। কিন্তু এই অপপ্রচারের ফলে আমাদের সঙ্গে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে ভারতের। সেই ভুল বোঝাবুঝি থেকে আমরা বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। ভারত সরকারের সঙ্গে আমাদের সব সময় যোগাযোগ হচ্ছে। তারা এখানে আসছে, আমাদের লোকজন সেখানে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আমার প্রথমেই কথা হয়ে গিয়েছে।” এখন মোদির হাত ধরেই কি পদ্মাপাড়ে সুদিন ফেরার আশা দেখছেন ইউনূস! প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

  • Bangladesh Election: ভক্তকে চড় মেরে বিতর্কে! বাংলাদেশের ভোট ময়দানে ছক্কা হাঁকালেন শাকিব

    Bangladesh Election: ভক্তকে চড় মেরে বিতর্কে! বাংলাদেশের ভোট ময়দানে ছক্কা হাঁকালেন শাকিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ নির্বাচনে (Bangladesh Election) বিপুল ভোটে জয় পেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট অধিনায়ক শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। বাইশ গজের পর এবার ভোটের ময়দানেও ছক্কা হাঁকালেন শাকিব। বাংলাদেশে মাগুরা-১ থেকে আওয়ামী লিগের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ভোটে জিতলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও।

    বিপুল ভোটে জয়ী শাকিব

    প্রথম বার ভোটে (Bangladesh Election) দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে জিতে সাংসদ হলেন শাকিব (Shakib Al Hasan)। তিনি পেয়েছেন ১,৮৫,৩৮৮টি ভোট। তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো আইনজীবী কাজী রেজাউল হোসেন পেয়েছেন ৫,৯৯৪ ভোট। শাকিব বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার, যিনি সাংসদ হলেন। এর আগে নৈমুর এহসান দুর্জয় এবং মাশরফি মোর্তাজা সাংসদ হয়েছিলেন। শাকিব এখনও ক্রিকেট থেকে বিদায় নেননি। তিনি ক্রিকেট এবং রাজনীতি, দু’টি ময়দানই একসঙ্গে সামলাবেন। ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ। রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক শাকিব। সেই দলের হয়ে মাঠে নামবেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও ভোটে জিতেছেন। প্রায় দুই লাখ ভোট পেয়ে জয়ী হন তিনি।

    আরও পড়ুন: “আমরা ভাগ্যবান যে ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্র পেয়েছি”, ভোটের দিন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হাসিনার

    বিতর্ক সঙ্গী শাকিবের

    বাইশ গজের মতোই রাজনীতির (Bangladesh Election) পিচেও বিতর্ক সঙ্গী হল শাকিব-আল-হাসানের (Shakib Al Hasan)। বাংলাদেশে নির্বাচনের দিনেই মেজাজ হারাতে দেখা গেল তাঁকে। এক ভক্তকে সপাটে চড় মেরে বসলেন ক্রিকেট বিশ্বের জনপ্রিয় অলরাউন্ডার। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, শাকিব হাঁটছেন। তাঁকে ঘিরে অনেকে রয়েছেন। তাঁকে দেখতেই অনেক লোক জড়ো হয়ে গিয়েছে এলাকায়। এক যুবক প্রিয় তারকার একেবারে কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ভিড়ের মধ্যেই তিনি পিছন দিক থেকে শাকিবকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন। তাঁর কাঁধে তুলে দেন হাত। এর পরেই মেজাজ হারাতে দেখা গিয়েছে শাকিবকে। তিনি পিছন দিকে ঘুরে যুবকের গালে চড় মারেন। আচমকা চড় খেয়ে হতভম্ব হয়ে যান ওই ভক্ত। আশপাশের বাকিরাও অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। মনে করা হচ্ছে, ভিডিওটি রবিবার ভোট গ্রহণের দিনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Election: ৭ জানুয়ারি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সেনা মোতায়েন বাংলাদেশে

    Bangladesh Election: ৭ জানুয়ারি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সেনা মোতায়েন বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ জানুয়ারি, রবিবার সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশে (Bangladesh Election)। নির্বাচনী ময়দানে দেশের শাসক দল শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ হাজির থাকলেও, খালেদা জিয়ার দল ডাক দিয়েছে ভোট বয়কটের। দেশের অন্য দলগুলি অবশ্য যথারীতি রয়েছে ভোট-ময়দানে। যেহেতু জিয়ার দল বিএনপি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না, তাই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না অশান্তির আশঙ্কা। এহেন প্রেক্ষিতেই অবাধ, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাটাই কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সে দেশের নির্বাচন কমিশনের কাছে। সেই কারণে গুচ্ছ পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বুধবার থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।

    সেনা থাকবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত    

    নির্বাচনোত্তর (Bangladesh Election) অশান্তি এড়াতে বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই বাহিনী কীভাবে কাজ করবে, কী কী দায়িত্ব পালন করবে, তাও জানিয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য বিধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জারি করা বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে এই সশস্ত্র বাহিনী। দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকার নোডাল পয়েন্ট সহ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে বাহিনীর সদস্যদের। কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে সাহায্য করতেই মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।

    কী বলছে কমিশন?

    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাঙ্গির আলম বলেন, “রিটার্নিং অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শ করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনা। প্রতিটি আসনের বিভিন্ন নোডাল পয়েন্টে থাকবে তারা। কোনও ধরনের অশান্তির পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেই এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে তারা যাবে ঘটনাস্থলে। কাজ করবে ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মতো।” তিনি জানান, কোন কেন্দ্রের কোথায়, কতগুলি নোডাল পয়েন্ট থাকবে, তা ঠিক করবে স্থানীয় প্রশাসন। আর সেনা কোথায় মোতায়েন করা হবে, তা ঠিক করবেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারি রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ সুপার-সহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

    আরও পড়ুুন: “জ্যোতিপ্রিয়র জ্যোতি নিভে যাচ্ছে, রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই”, কটাক্ষ সুকান্তের

    ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের ৩৮৮টি উপজেলায় ৩৫ হাজারেরও বেশি সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছিল। এবার নিয়োগ করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি। জানা গিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় মহানগর এলাকা, এলাকার বাইরে ও পার্বত্য এবং দুর্গম এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৫-১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ফোর্স মোতায়েন থাকবে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়াতে পারবেন রিটার্নিং অফিসাররা (Bangladesh Election)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share