Tag: Bangladesh General Election

Bangladesh General Election

  • Bangladesh Elections 2026: সাধারণ নির্বাচন চলছে বাংলাদেশে, কড়া নিরাপত্তার বলয়

    Bangladesh Elections 2026: সাধারণ নির্বাচন চলছে বাংলাদেশে, কড়া নিরাপত্তার বলয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশান্তরিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভোটের ময়দানে নেই তাঁর দল আওয়ামি লিগও। এহেন আবহে আজ, বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Elections 2026)। শেখ হাসিনার অপসারণের পর এই প্রথম নির্বাচন হচ্ছে বাংলাদেশে। দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই ভোট গণনা শুরু হওয়ার কথা। একজন প্রার্থীর অকাল মৃত্যুর কারণে একটি আসনে ভোটগ্রহণ বাতিল করা হয়েছে।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন (Bangladesh Elections 2026)

    ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই সঙ্গে একটি জটিল ৮৪ দফা সংস্কার প্রস্তাবের ওপর গণভোটের সঙ্গেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ নিরাপত্তা কর্মী। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে সর্বোচ্চ বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। যেহেতু লড়াইয়ের ময়দানে নেই আওয়ামি লিগ, তাই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বিএনপি এবং তাদের প্রাক্তন মিত্র জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে (Bangladesh Elections 2026)। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গত বছর আওয়ামি লিগকে বিলুপ্ত করে এবং তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

    লড়াইয়ের ময়দানে যারা

    মোট ৫০টি রাজনৈতিক দলের ১,৭৫৫ জন প্রার্থী এবং ২৭৩ জন নির্দল প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি সর্বোচ্চ ২৯১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। প্রার্থীদের মধ্যে ৮৩ জন মহিলা। নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইউনূস রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে ভোটের দিন সংযম, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটের আগের দিন জাতির উদ্দেশে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং ভোটারদের শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অনুরোধও করেন (Bangladesh Elections 2026)।

    রয়েছেন ৪৫টি দেশ ও সংস্থার পর্যবেক্ষকরা

    তিনি জানান, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি-সহ ৪৫টি দেশ ও সংস্থার পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসুদ জানান যে নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৯ লক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাঁজোয়া যান এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সংবেদনশীল ভোটকেন্দ্রগুলির একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছে। তালিকা অনুযায়ী ঢাকার ২,১৩১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১,৬১৪টি সংবেদনশীল। তবে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ঢাকা শহরে দুটি কেন্দ্রকে “ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নির্বাচনী নিরাপত্তায় প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং শরীরে ধারণযোগ্য ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২ কোটি ৭০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রথমবারের ভোটার প্রায় ৩.৫৮ শতাংশ। এই প্রথমবারের মতো নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশিও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন (Bangladesh Elections 2026)।

     

  • Bangladesh Poll: ভোটের আগেই ব্যাপক হিংসা বাংলাদেশে, জামাত-বিএনপি সংঘর্ষে জখম ৪০

    Bangladesh Poll: ভোটের আগেই ব্যাপক হিংসা বাংলাদেশে, জামাত-বিএনপি সংঘর্ষে জখম ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হাইভোল্টেজ সাধারণ নির্বাচনের (Bangladesh Poll) আর মাত্র ৭২ ঘণ্টা বাকি। তার আগেই শুরু হয়ে গেল নতুন করে হিংসা। এতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া এই দেশে নির্বাচনী প্রচার কতটা অশান্ত হয়ে উঠেছে (BNP Jamaat Clash)।

    ব্যাপক সংঘর্ষ (Bangladesh Poll)

    রবিবার রাতে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির (সংক্ষেপে জামাত) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে মহিলা-সহ ৪০ জনেরও বেশি মানুষ জখম হয়েছেন। জামায়াতের এক অনুষ্ঠানে নগদ অর্থ বিলির অভিযোগ ঘিরে এই সংঘর্ষ শুরু হয়, যা পরে হিংসার রূপ নেয়। ঘটনাটি ঘটে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের কয়েক দিন আগে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় প্রচার শেষ হবে বাংলাদেশে। তার আগেই ঘটে গেল এমন হিংসার ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বিএনপি কর্মীরা অভিযোগ জানাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে জামায়াতও তাদের সমর্থকদের জড়ো করে। রাতভর ধরে চলে তীব্র সংঘর্ষ। নির্বাচনী প্রচারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই শিবিরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হিংসার ঘটনা। গত ছ’সপ্তাহে সারা বাংলাদেশে নির্বাচনসংক্রান্ত হিংসায় পাঁচজনেরও বেশি মানুষ জখম হয়েছেন, যা ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, হিংসার মাত্রা ততই বাড়বে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে।

    ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

    ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটার রয়েছেন ১২ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ২০০৯ সালের পর দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। ২০২৪ সালের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে এবং আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষিত হয়। বহু ভোটারের মতে, এক দশকেরও বেশি সময় পর এটিই প্রথম প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে (BNP Jamaat Clash)। বিএনপি প্রধান তারেক রহমান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “৩০০ আসনের মধ্যে ২৯২টি আসনে লড়ছে আমার দল। সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আসন পাব বলেই আত্মবিশ্বাসী আমি (Bangladesh Poll)।” অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন ও সংস্কারসংক্রান্ত গণভোটকে একটি উৎসব আখ্যা দিয়েছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, এটি হবে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং একটি নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি।

    বাংলাদেশে হিংসার ঘটনা

    বিশ্লেষকরা অবশ্য সতর্ক করে বলছেন, বাংলাদেশে যেভাবে হিংসার ঘটনা ঘটছে, তা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা নষ্ট করতে পারে, যখন রাজনৈতিক ভূমিকা নাটকীয়ভাবে পাল্টে গিয়েছে এবং আগের সরকারের দমন-পীড়নের পর বিরোধী দলগুলি এখন রাজপথে প্রভাব বিস্তার করছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নির্বাচনের ফল সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথ নির্ধারণ করবে বলেই মনে হচ্ছে। এই অস্থিরতায় তৈরি পোশাক-সহ গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বাংলাদেশকে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্কের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ সাহায্য চাইতে হয়েছে (Bangladesh Poll)। আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে এই নির্বাচনের পর। শেখ হাসিনা, যাঁকে ভারতের ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হত (BNP Jamaat Clash), নয়াদিল্লিতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশে চিনের প্রভাব বেড়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিএনপি তুলনামূলকভাবে ভারতের ঘনিষ্ঠ হলেও, জামায়াত নেতৃত্বাধীন সরকার পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকতে পারে। তবে জামায়াত জানিয়েছে, তারা কোনও দেশের প্রতিই পক্ষপাতদুষ্ট নয়।

    জনমত

    ঢাকার সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের পারভেজ করিম আব্বাসি বলেন, “জনমত সমীক্ষায় বিএনপি এগিয়ে থাকলেও, বড় একটি অংশের ভোটার এখনও সিদ্ধান্তহীন। জেনারেশন জেড কীভাবে ভোট দেয়, সেটিই বড় ভূমিকা রাখবে।” প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া অনেক তরুণের কাছে এই নির্বাচন দীর্ঘদিন হারিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ (Bangladesh Poll)। বছর একুশের মোহাম্মদ রাকিব বলেন, “জাতীয় নির্বাচনেও মানুষ ভোট দিতে পারত না। মানুষের কোনও কণ্ঠ ছিল না। আশা করি, যে-ই ক্ষমতায় আসুক, মতপ্রকাশের এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।” প্রচারের শেষের প্রহরে ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের। একই সঙ্গে বাংলাদেশ অপেক্ষা করছে এমন এক রায়ের, যা আগামী বহু বছর ধরে (BNP Jamaat Clash) দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও বৈদেশিক সম্পর্ক নতুনভাবে নির্ধারণ করতে পারে (Bangladesh Poll)।

  • Bangladesh Crisis: ভোট নিয়ে বিএনপি-অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বন্দ্ব! বাংলাদেশ কি গৃহযুদ্ধের পথে?

    Bangladesh Crisis: ভোট নিয়ে বিএনপি-অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বন্দ্ব! বাংলাদেশ কি গৃহযুদ্ধের পথে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মা পাড়ে অশান্তির বাতাবরণ। সাধারণ নির্বাচন ঘিরে ফের গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি বাংলাদেশে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে এখনও শান্তি ফেরেনি ঢাকায়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে রক্ত ঝরছে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে। এই অবস্থায় সাধারণ নির্বাচনের দাবি উঠেছে। বাংলাদেশের আন্দোলনকারীদের একাংশের মতে দেশে সাধারণ নির্বাচন না হলে শান্তি ফিরবে না। কিন্তু ভোটে অনীহা মহম্মদ ইউনূস সরকারের। ক্ষমতা ধরে রাখতে বর্তমানে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির সঙ্গে মতবিরোধ দেখা গিয়েছে অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারের। 

    কবে হবে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন 

    কবে হবে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন তাই নিয়ে ইউনূস সরকারের একেকজন কর্তাব্যক্তি একেক রকম বার্তা দিচ্ছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি দেশের সাধারণ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। তাদের কথায় যত দ্রুত সাধারণ নির্বাচন হবে ততই মঙ্গল দেশের মানুষের জন্য। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ নির্বাচনে দেরি হলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি হবে আফগানিস্তানের মতো। বাংলাদেশ হয়ে উঠবে জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চাল। গুরুত্ব হারাতে পারে রাজনৈতিক দলগুলি, এই আশঙ্কায় গলা চড়াচ্ছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল জানান, নির্বাচন নিয়ে আর দেরি করা ঠিক নয়। যতটুকু সংস্কার প্রয়োজন তার থেকে বেশি দরকার নেই। কিন্তু ইউনূস সরকার এই বিষয়ে এখনও রা কাড়েনি। 

    অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে

    বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। বাড়ছে খুন, চুরি, ডাকাতি, লুটপাটের মতো ঘটনা। আমজনতার জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এই আবহে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে খালেদা জিয়ার দল। এদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘নির্বাচন নিয়ে কালক্ষেপ করা যাবে না। যতটুকু সংস্কার প্রয়োজন তার বেশি দরকার নেই।’’ কার্যত অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত সরে যাওয়ার বার্তা দেন বিএনপি মহাসচিব। বিএনপি-সহ বাংলাদেশের রাজনৈতিক শক্তিগুলি মনে করছে, আর যাই হোক, দেশ চালানোর যোগ্যতা নেই ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা মণ্ডলীর।

    দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি বাংলাদেশে

    বাংলাদেশের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে বাংলাদেশি টাকার দাম, মাথা পিছু আয়, বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার – সবই কমেছে। সেই সঙ্গে দ্রুত হারে বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতি আর বেকারত্ব। তাতেই বাংলাদেশের অর্থনীতির টালমাটাল অবস্থা তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। 

    নিজেদের মধ্যেই দ্বন্দ্ব

    দিনে দিনে ব্যর্থতা প্রকট হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের। মাঝে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে রাজনৈতিক দলগুলিকে এই সরকারের অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় সরকারের প্রস্তাব দিয়েছিল জামাত। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে বিএনপি। বাংলাদেশের অবস্থা চরম অস্থির। গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যার আঁচ পাওয়া গিয়েছে ইউনূস সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের কথায়। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলিই অপপ্রচারে নেমেছে যে, এই সরকার ব্যর্থ। এই আবহে লন্ডনে গিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন মির্জা ফখরুল। দেশে ফিরে তিনি বলেন, “নির্বাচন নিয়ে কালক্ষেপ করা যাবে না। ২ বছর আগে আমরা ৩১ দফা ঘোষণাপত্রে সংস্কারের বিষয়ে সবিস্তারে বলেছি। নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় গিয়ে সে সব আমরাই করব। অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ নির্বাচনটুকু করা।”

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    অস্তিত্ব নিয়ে শঙ্কিত বিএনপি

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা নাহিদের মন্তব্যে কার্যত বিরক্ত ফখরুল। তিনি বলেন, “এমন রাজনীতি-বিরোধী মন্তব্য তিনি যেন ভবিষ্যতে না করেন। সব দল অন্তর্বর্তী সরকারকে সার্বিক সমর্থন জানিয়েছে, কারণ এই সরকারের হাতেই দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের দায়িত্ব।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসলে বাংলাদেশের কট্টর মৌলবাদী শক্তি জামাতকে ভয় পাচ্ছে বিএনপি। ভারত-বিরোধিতা করলেও বিএনপি-র ভয় বাংলাদেশ যদি ক্রমে জামাতের মতো কোনও ধর্মীয়, কট্টরপন্থী, মৌলবাদী শক্তির হাতে বাংলাদেশের ক্ষমতা চলে গেলে গুরুত্ব হারাবে রাজনৈতিক দলগুলো। তাহলে শুধু আওয়ামি লিগ নয় সুদূর ভবিষ্যতে বিএনপি-র অস্তিত্বও সংকটে পড়বে। তাই শীঘ্র নির্বাচন করে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করতে চায় বিএনপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Election: বাংলাদেশে ফের ক্ষমতায় আওয়ামী লিগ, রেকর্ড ভোটে জয়ী হাসিনা

    Bangladesh Election: বাংলাদেশে ফের ক্ষমতায় আওয়ামী লিগ, রেকর্ড ভোটে জয়ী হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) নিজের কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হলেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। ফের একবার মসনদে হাসিনার দল আওয়ামী লিগ। বাংলাদেশের ২৯৯টি আসনে ভোট হয়, এর মধ্যে হাসিনার দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল ২১৭টি আসনে। এর মধ্যে ১৬৪ আসনেই জয়ী হয়েছে হাসিনার দল (Bangladesh Election)। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলাদেশের মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লিগের টিকিটে লড়াই করে জয়ী হলেন ক্রিকেটার শাকিব আল হাসান।

    আড়াই লাখ ভোটে জয় হাসিনার

    মুজিবকন্যা তথা বাংলাদেশের (Bangladesh Election) প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ঢাকা প্রশাসনিক বিভাগের অন্তর্গত গোপালগঞ্জ জেলার গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের ভূমিকন্যা। ১৯৯১ সাল থেকেই এই কেন্দ্রে ভোটে দাঁড়ান তিনি। প্রতিবারই জয়ী হয়েছেন। তবে এবারের তাঁর জয় যেন সবকিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। তাঁর প্রাপ্ত ভোট নয়া রেকর্ড তৈরি করেছে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৯০ হাজার ৩০০ জন। এর মধ্যে হাসিনা একাই পেয়েছেন ২ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট। তাঁর ‘নিকটতম’ প্রতিদ্বন্দ্বী এনপিপি দলের শেখ আবুল কালাম পেয়েছেন ৪৬০টি ভোট। অন্যদিকে ৪২৫টি ভোট পেয়ে এই কেন্দ্রে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জাকের পার্টির প্রার্থী মাহাবুর মোল্লা।

    রবিবার ছিল বাংলাদেশের দ্বাদশ নির্বাচন

    বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় রবিবার। সকাল ৮টা থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। উৎসবের মেজাজে চলতে থাকে ভোট। ভোট শেষ হয় বিকেল ৪টেয়। মোট ৩০০টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এক প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নওগাঁ-২ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বাতিল হয়। ভোট শেষ হলে সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গণনার প্রক্রিয়া। রবিবার রাত পৌনে ৮টা নাগাদ বেসরকারি ভাবে হাসিনার জয়ের খবর প্রকাশ্যে আনে বাংলাদেশের (Bangladesh Election) একটি সংবাদমাধ্যম। বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ২৮টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,৯৬৯ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লক্ষ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন।

    ভোট বয়কট করেছিল বিএনপি

    তবে, এই নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা আগেই করেছিল বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপি। ভোট বয়কটের পথে হেঁটেছিল আরও একাধিক রাজনৈতিক দল। ভোটের আগের দিন শনিবার থেকে দেশে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাকও দেয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দল বিএনপি। তাদের দাবি ছিল, এই ভোট একতরফা ভাবে করা হচ্ছে। যদিও, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী তথা আওয়ামী লিগ নেতা এ কে আব্দুল মোমেন বিরোধীদের অভিযোগ খারিজ করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Sheikh Hasina: “আমরা ভাগ্যবান যে ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্র পেয়েছি”, ভোটের দিন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হাসিনার

    PM Sheikh Hasina: “আমরা ভাগ্যবান যে ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্র পেয়েছি”, ভোটের দিন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রবিবার বাংলাদেশের জাতীয় সাধারণ নির্বাচন। সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বিকাল ৪ টে পর্যন্ত ভোট গ্রহণ। ভোটের আগের দিন দেশের নানা জায়গায় অশান্তির খবর আসলেও ভোটের দিন সকাল থেকেই অশান্তির তেমন কোনও খবর এখনও পর্যন্ত আসেনি। নির্বাচনের দিনেই আওয়ামী লিগের নেত্রী তথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina) ভারতের ব্যাপক প্রশংসা করলেন। তিনি বললেন, “আমরা খুব ভাগ্যবান যে ভারতের মতো নির্ভরযোগ্য একটি বন্ধুরাষ্ট্র পেয়েছি।”

    কী বললেন হাসিনা (PM Sheikh Hasina)?

    নির্বাচনের দিন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা (PM Sheikh Hasina) বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত আমাদের সমর্থন করেছিল। ১৯৭৫ সালেই আমার পরিবারকে হারিয়েছিলাম। সেই সময় ভারত একমাত্র আমাদের আশ্রয় দিয়েছিল। ভারতের নাগরিকদের আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। তাঁদেরকে শুভেচ্ছা জানাই।” ভোট প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর। দেশের নাগরিককে তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। জনগণের উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে, নৌকা অবশ্যই জয়ী হবে।”

    গতকাল ১৬ ঘণ্টায় ১৪ টি জায়গায় অশান্তি হয়

    বাংলাদেশের মোট ভোটার হল ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৩৩ হাজার ১৫৭ জন। মোট আসন ২৯৯। নওগাঁ আসনের প্রার্থীর আকস্মিক মৃত্যু হলে ওই কেন্দ্রের ভোট বাতিল হয়। শনিবার গতকাল ১৬ ঘণ্টায় ১৪ টি জায়গায় অশান্তি হওয়ার খবর মিলেছে। দেশের চত্তগাঁও, গাজীপুরের দুটি স্কুলে দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয়। অশান্তির কারণে মৃত্যু হয়েছে এক পুলিশ অফিসারের। হাসিনা (PM Sheikh Hasina) অবশ্য নির্বাচন নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।

    সকাল থেকেই ফাঁকা ভোটকেন্দ্র

    রবিবার সকাল ৮ টা থেকে বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ঢাকা সহ জেলাগুলিতে ভোটেকেন্দ্রে ভোটারদের তেমন উপস্থিতি নেই বললেই চলে। অনেকের মতে বিএনপির ডাকা বন্ধের কারণে বিচ্ছিন্নভাবে চট্টগ্রাম, বরিশাল সহ নানান জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “আমাদের কাজ হল শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচন করা। ভোটারের উপস্থিতি আমাদের দেখার কাজ নয়।” নির্বাচন কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এবারের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পড়তে পারে।

    আজ সকালে ঢাকার সিটি কলেজে ভোট প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা (PM Sheikh Hasina)। তাঁর সঙ্গে ভোট দিতে যান বিশিষ্ট অভিনেতা ফিরদৌস। সেই সঙ্গে ছিলেন শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ, বোন শেখ রেহানা এবং তাঁর ছেলে রাদওয়ান মুজিব। আজ মাগুরা কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লিগের প্রার্থী ক্রিকেটার শাকিব আল হাসান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share