Tag: Bangladesh Hindus

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়নি হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও ঘনঘন ঘটছে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের একটা বড় অংশ এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতের ফল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। হত্যা, ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে বাধা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—এসবের মাধ্যমে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে বলেই অভিযোগ। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১৯ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার ছবি। বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হোন, তা-ই এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। “হাউ আয়াপ্পান ওয়েন্ট ফ্রম এ লোকাল ফরেস্ট ডেইটি টু কেরালাজ মোস্ট কন্ট্রোভার্সিয়াল গড” শীর্ষক লেখাটি লিখেছেন অনিরুদ্ধ কানিসেট্টি (Hindus Under Attack)। লেখাটির শিরোনামটি ভগবান আয়াপ্পাকে নিয়ে, যিনি লাখ লাখ ভক্তের কাছে ব্রহ্মচারী যোদ্ধা দেবতা ধর্মশাস্তা, হরিহরসূত (বিষ্ণু ও শিবের পুত্র), এবং ধর্ম ও তপস্যার প্রতীক, তাঁকেই ‘বিতর্কিত’ রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে “চেঙ্গাই- ফেথ হিলিং” সমাবেশের পর গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাদ্রীকে। তারা ‘লাইট অফ জেসাস চার্চে’র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ বৃহত্তর ধর্মান্তর এই নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে। হুব্বলির এক তরুণীর অভিযোগ, মুফিস মিয়ানাভার নামে এক ব্যক্তি সম্পর্ক গড়ার অছিলায় তাঁকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করে আসছে। কেশ্বাপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের টন টন সোনা

    এদিকে, ক্যাথলিক পুরোহিত ফাদার পল থেলাক্কাট প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্দিরের টন টন সোনা জনসেবায় ব্যবহার করা হয় না। বিদেশি অনুদানের ওপর নজরদারি নিয়ে খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। ফের খবরের শিরোনামে নাসিকের টিসিএস। এক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা করা, চাপ দেওয়া এবং মানসিকভাবে বারংবার হয়রান করা হয়েছে।ভোপালের এক মামলায় অভিযোগ উঠেছে, তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিন্দু কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, ধর্মান্তর ও বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    লাভ জেহাদ!

    ইন্দোরে বছর উনিশের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করে, মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তি আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয় (Roundup Week)। নাগপুর পুলিশ একটি এনজিও পরিচালনাকারী রিয়াজ কাজিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সমাজসেবার আড়ালে সে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিত এবং হয়রান করত। গুরুগ্রামে আসিফ মোহাম্মদ নামে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের অছিলায় বছর ছাব্বিশের এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করে। শুধু তা-ই নয়, জোর করে দু’বার গর্ভপাতও করায় (Roundup Week)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার লক্ষ্যেই এই নির্যাতন চালানো হয়। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। ১৫০–২০০ জনের একটি দল কালীমন্দিরে হামলা করে মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর এক হিন্দু সন্ন্যাসীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি স্থানীয় এক মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    অন্যদিকে, ইউএসসিআইআরএফ, সাভেরা, সিএসওএইচ, এইচএফএইচআর, ইক্যুয়ালিটি ল্যাবসের মতো (Roundup Week) কিছু সংগঠনের তথাকথিত গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হিন্দু সমাজ ও ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। প্রসঙ্গত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসাহিত হয় বলে দাবি করা হয়। ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞাকে এর উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেওয়া হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি দ্বৈত মানদণ্ড বলেও সমালোচনা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

  • RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত উৎসাহজনক এবং অনুপ্রেরণামূলক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ। আরএসএসের জাতীয় স্তরের বার্ষিক সাধারণ সভা অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শুরু হয়ছে কেরলের সমালখায়। কেরালায় স্বয়ংসেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজার হাজার মুসলিম ও খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Centenary Programmes)। সেখানে তাঁদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করা হয়। সভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আজ, শুক্রবার, ১৩ মার্চ। ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে সভার উদ্বোধন করেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

    কেরলে আরএসএসের তিনদিনের সভা (RSS)

    তিনদিনের এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেরলের সমালখার পট্টিকল্যাণায় অবস্থিত মাধব সৃষ্টি ক্যাম্পাসে। সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ সাংবাদিকদের সভার উদ্বোধন এবং সভা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রধান সুনীল আম্বেকরও। মুকুন্দ জানান, যেহেতু এই সভাটি আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই সারা দেশ থেকে ১৪০০-রও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। সভার শুরুতে সম্প্রতি প্রয়াত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এঁদের মধ্যে ছিলেন শিবকথা বর্ণনাকারী সৎগুরু দাস মহারাজ, পরিবেশবিদ মাধব গাডগিল, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লোকসভার স্পিকার শিবরাজ পাটিল, পরিবেশকর্মী সালুমারাদা থিম্মাক্কা, প্রত্নতত্ত্ববিদ কেএন দীক্ষিত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল, তামিল চলচ্চিত্র প্রযোজক এভিএম সারাভানন, মিজোরামের প্রাক্তন রাজ্যপাল স্বরাজ কৌশল, শিক্ষাবিদ বিনয় হেগড়ে, কমিউনিস্ট নেতা আর নল্লাকান্নু এবং প্রবীণ সাংবাদিক তথা সম্পাদক প্রফুল্ল গোবিন্দ বরুয়া।

    কী জানালেন সহ সরকার্যবাহ

    সহ সরকার্যবাহ জানান, আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সমাজের সজ্জন শক্তির সমর্থন ও অংশগ্রহণ স্বয়ংসেবকদের অত্যন্ত উৎসাহিত করেছে (Centenary Programmes)। আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ২ অক্টোবর ২০২৫ নাগপুরে শুরু হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। এর একদিন আগে ভারত সরকার আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে। তিনি জানান যে আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে দুই ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে-এক, সংগঠনের বিস্তার এবং দুই, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানো। এই প্রেক্ষিতেই গৃহ সম্পর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রান্তে স্বয়ংসেবকরা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছেছেন এবং প্রায় ৩.৯ লক্ষ গ্রামে গিয়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলেও এই কর্মসূচি চলছে (RSS)। এই কর্মসূচিতে স্বয়ংসেবকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং কোনও জাতি বা সম্প্রদায়গত পক্ষপাত ছাড়াই আরএসএস সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করাই লক্ষ্য

    কেরালার উদাহরণ দিয়ে মুকুন্দ জানান, সেখানে স্বয়ংসেবকরা ৫৫,০০০-এরও বেশি মুসলিম পরিবার এবং ৫৪,০০০-এরও বেশি খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা আন্তরিকভাবে তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন (Centenary Programmes)। তিনি এও জানান, সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৩৬,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলি শহর, গ্রাম এবং দূরবর্তী জনজাতি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তাঁরা প্রথমবার এমন উষ্ণতা ও আত্মীয়তার অনুভূতি পাচ্ছেন। মুকুন্দ জানান, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যে নাগরিক সংগোষ্ঠীরও আয়োজন করা হয়েছে।

    পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ

    এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে সমাজে পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। এই পাঁচটি পরিবর্তন হল, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা, আত্মগৌরব ও স্বদেশি ভাবনা, পরিবার ব্যবস্থা সংরক্ষণ এবং নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই জাতি ও সমাজকে মহান করা সম্ভব (RSS)। তিনি জানান, সরসংঘচালক মোহন ভাগবত রাজ্য রাজধানী ও চারটি প্রধান বড় শহরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চার মহানগরের অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ১০০০-এরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে (Centenary Programmes)।

    ক্রমেই বাড়ছে আরএসএসের শাখা

    সংগঠনের বিস্তার সম্পর্কে তিনি জানান, গত এক বছরে দেশের বহু নতুন জায়গায় নতুন শাখা শুরু হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে গ্রাম ও ছোট শহরে আরও বেশি শাখা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে (RSS)। আরএসএস নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। মণিপুরে শান্তি ও স্থিতিশীলতার উন্নত পরিস্থিতিও উৎসাহজনক। এই প্রচেষ্টায় আরএসএস স্বয়ংসেবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পড়শি দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুকুন্দ। যদিও আশা করেন, আগামী দিনে তাঁদের অবস্থার উন্নতি হবে। মুকুন্দ বলেন, “আরএসএসের উদ্দেশ্য হল সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে জাতি গঠনের কাজে এগিয়ে যাওয়া।”

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি চলবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে (RSS)।তিনি জানান, আরএসএস সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে (Centenary Programmes)। এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় সহ প্রচার প্রধান নরেন্দ্র ঠাকুর, প্রদীপ জোশি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। আরএসএসের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশের ৫১,৭৪০টি জায়গায় ৮৩,১২৯টি শাখা পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫,৬৮৩ টি জায়গায় ৮৮,৯৪৯টি শাখা। অর্থাৎ এক বছরে ৩,৯৪৩টি নয়া জায়গা যেমন যুক্ত হয়েছে, তেমনি মোট শাখাও বেড়েছে ৫,৮২০টি। এটি সংগঠনের ধারাবাহিক বিস্তারকে নির্দেশ করে।

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৩৭,০৪৮টি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৩.৫ কোটি মানুষ। এই সম্মেলনগুলি শহর, গ্রাম, জনজাতি ও দূরবর্তী অঞ্চলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে পঞ্চ পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যার মূল বিষয় হল সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সচেতনতা (Centenary Programmes), কুটুম্ব প্রবোধন, আত্মগৌরব এবং নাগরিক কর্তব্য পালন (RSS)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছে অবাধে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন একটি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে তা ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে (Roundup Week)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য – সব মিলিয়ে হিন্দুরা অস্তিত্বের সংকটে। যার জেরে নজিরবিহীনভাবে চড়ছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার পারদ। ১ মার্চ থেকে ৭ মার্চ, এই সময়ে দেশ-বিদেশে কী কী ঘটনা ঘটেছে, তা একবার দেখে নেওয়া যাক, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

    হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা। হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট, ২০২৬ থেকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক ভারতীয় অনুষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে একজন বিদেশি কর্মীর সঙ্গে তর্কাতর্কি করছেন। অভিযোগ, স্থানীয় দর্শনার্থীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে বিদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছিল। দেরাদুন র’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর কয়েক দিনের মধ্যে এটি ৩,৭৮,০০০-এরও বেশি ভিউ পায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। মাডিকেরি তালুকের নাপোকলু গ্রামে জনৈক গৌতমকে আক্রমণ করে একদল মুসলিম যুবক। হিন্দু যুবকেরা একটি পিকআপ গাড়িতে করে বললামাভাট্টিতে অনুষ্ঠিতব্য হিন্দু সমাবেশ সম্পর্কে মাইকিং করছিলেন। অভিযোগ, কিছু ইসলামপন্থী যুবক মাইক ব্যবহারের বিরোধিতা করে এবং নাপোকলু শহরের পোনাড সুপারমার্কেটের কাছে কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় গৌতমকে চিকিৎসার জন্য মাডিকেরির জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় (Roundup Week)।

    সংবাদমাধ্যমগুলির প্রবণতা

    এদিকে, ভারতের প্রধান ইংরেজি সংবাদমাধ্যমগুলির এক দশকের প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অন্তত ১২টি বড় সংবাদমাধ্যম হোলি উৎসবকে বিপদ, রোগ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং জনশৃঙ্খলার ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, এই একই পর্বে রমজানকে প্রায় একচেটিয়াভাবে পবিত্র, স্বাস্থ্যকর, শান্ত ও দান-ধ্যানের মাস হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই বৈপরীত্য কেবল তথ্য বা বিজ্ঞানের বিষয় নয়, এটি একটি বর্ণনাগত পক্ষপাতকে ইঙ্গিত করে (Hindus Under Attack)।

    হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনা

    জনৈক চন্দ্রশেখরকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনি সম্পর্কিত একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কর্নাটকের কপ্পাল জেলার গঙ্গাবতী শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। রাজকোটের ভাগবতীপাড়া এলাকায় হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই মুসলিম যুবক মোটরসাইকেলে করে আগুনের কাছে বিপজ্জনকভাবে স্টান্ট করছিল। এতে উৎসবে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। পুথিলা পরিবার সংগঠনের কর্মীদের অভিযোগ, পুত্তুরে চলচ্চিত্র “দ্য কেরালা স্টোরি ২”-এর বিনামূল্যে প্রদর্শনী বন্ধ করার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে এসেছে হুমকিমূলক ফোন। আয়োজকদের মতে, ফোনকলগুলিতে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, দেওয়া হয় হুমকিও (Hindus Under Attack)।

    হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    গত ৪ মার্চ দেরাদুনের গান্ধী গ্রাম এলাকায় হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি বছর পঁয়ষট্টির এক হিন্দু মহিলাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই উত্তেজনা ছড়ায়। দাবি ওঠে দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ। ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    দেশছাড়া করার কৌশল

    মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশছাড়া করার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)। ভোলায় কীর্তন শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক হিন্দু বোবা মহিলাকে সারারাত ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় নাম জড়ায় মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ শাকিল ও মোহাম্মদ রাসেলের। রাত প্রায় ১১টার দিকে তিনি একটি অটোরিকশায় উঠেছিলেন। চালক রাকিব তাঁকে বাড়ি না নিয়ে গিয়ে শশীগঞ্জ গ্রামের একটি নির্জন সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    চাঁদা আদায়কারীদের হামলা

    চট্টগ্রামে চাঁদা আদায়কারীদের হামলায় নিহত হয়েছেন আকাশ দাস। তিনি ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাসের ছেলে। চট্টগ্রামের চান্দনাইশ উপজেলায় ডাকাতদের গুলিতে নিহত হন বছর সত্তরের চন্দন দে (Hindus Under Attack)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল গ্রামে মন্দিরের জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় অন্তত ১০ জন জখম হন, যাঁদের মধ্যে এক মহিলাও ছিলেন। বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত। ইসলামি দেশগুলিতে এই ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়।

    এই সূক্ষ্ম বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা প্রবণতার কথা উল্লেখ করা যায়। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত সিদ্ধান্ত বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, সবসময় যার যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা মেলে না (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share