Tag: bangladesh news

bangladesh news

  • Bangladesh: মৌলবাদীদের বাধায় বন্ধ হচ্ছে একের পর এক উৎসব, উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ

    Bangladesh: মৌলবাদীদের বাধায় বন্ধ হচ্ছে একের পর এক উৎসব, উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূসের বাংলাদেশে (Bangladesh) বন্ধ হচ্ছে একের পর এক উৎসব। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় একটি উৎসব বন্ধ করা হয়েছে। এরপরেই বন্ধ করা হয় ‘ঢাকা মহানগর নাট্য উৎসব’। জানা গিয়েছে, ওই অনুষ্ঠানটি ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মৌলবাদীদের বাধার মুখে শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন আয়োজকরা। প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার উত্তরায় বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সবরকম প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এক্ষেত্রে মৌলবাদীদের বাধার মুখে আয়োজকরা এই অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    মৌলবাদীদের বাধার মুখে উৎসব (Bangladesh)

    প্রসঙ্গত, ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) পহেলা ফাগুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস একসঙ্গেই পালিত হয়। তবে ইউনূস জমানায় এই দুই উৎসবকে ঘিরে সারাদেশে ওই এই ধরনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এসব অনুষ্ঠান আয়োজনে মৌলবাদীরা বাধা দিলেও মোকাবিলার ক্ষেত্রে ইউনূস সরকারের উল্লেখযোগ্য কোনও ভূমিকাই দেখা যায়নি। গত ৫ অগাস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে এরকম ঘটনা ঘটছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগ, তৌহিদী জনতা নামে একটি মৌলবাদী সংগঠন এগুলো করছে। এর পাশাপাশি, অভিযোগ উঠেছে হেফাজতে ইসলাম নামের অন্য একটি সংগঠনের বিরুদ্ধেও।

    মহিলা সমিতির নাট্য উৎসব বাতিল

    গত শনিবারই ঠিক বিকাল ৫টা নাগাদ ঢাকার (Dhaka) মহিলা সমিতির উদ্যোগে ‘ঢাকা মহানগর নাট্য উৎসব’-এর উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। জানা গিয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই নাট্য উৎসব চলার কথা ছিল। কিন্তু ঠিক এক দিন আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় মহিলা সমিতিতে কিছু মৌলবাদী লোক এসে হামলা করার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। তাই সবরকমের প্রস্তুতি থাকার পরও তা কার্যকর করা যায়নি। আন্তজার্তিক সংবাদ সংস্থাকে এমনটাই জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    কী বললেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক (Bangladesh)

    অনুষ্ঠানের অন্যতম আহ্বায়ক ঠান্ডু রায়হান জানিয়েছেন, গত দুই মাস ধরে ৮৫টি নাট্যদলের কর্মীরা এই উৎসবের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের সকল আয়োজন যখন প্রায় সম্পন্ন, তখনই ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির কর্মীদের কাছে রমনা থানা থেকে ফোন আসে এবং এই উৎসব বন্ধ করতে বলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নাট্যোৎসব আপাতত স্থগিত ঘোষণা করেন। এরপরে মহিলা সমিতির সদস্যরা থানার ওসির সঙ্গে গিয়ে দেখা করেন এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা চেয়ে থানায় একটি আবেদনপত্র জমা দেন। তবে এর কোনও সুরাহা হয়নি।

    মৌলবাদীদের নির্দেশে চলছে পুলিশ

    থানার পুলিশ কর্তার সঙ্গে দেখা করার পরে উৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব কামাল আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘ওসি সাহেব সব শুনে আশ্বস্ত করেন। বলেন, আমরা চাই উৎসবগুলো হোক। কিন্তু একটু অসুবিধা আছে, একটা নাটক বাদ দিতে হবে।’’ এরপরেই কামাল আহমেদ বলেন, ‘‘থানার ওই কর্মকর্তা ‘পায়ের আওয়াজ পায়’ নামের নাটকটি বন্ধের কথা বলেছিলেন। উনি কেন এখানে ওই নাটক বাদ দিয়ে বাকিগুলো করতে বললেন, তা আমাদের কাছে পরিষ্কার না। কিন্তু মনে হল, উনি কোথাও থেকে কোনও নির্দেশনা পেয়ে এরকম একটি মন্তব্য করছেন।’’

    নিরাপত্তার কথা ভেবে বাতিল উৎসব

    কামাল আহমেদ আরও বলেন, ‘‘সবগুলো দল মিলে প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু একটি দলকে বাদ দিয়ে বাকিরা অংশগ্রহণ করবে এটা হতে পারে না।’’ উৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব কামাল আহমেদ বলেন, ‘‘তাঁদের টিম রমনা থানা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেশ কয়েকজনের একটি ‘মব’ থানায় ঢুকে এবং ধমক-টমক দিয়ে গালাগালসহ মহিলা সমিতির কর্মকর্তাকে উৎসব বন্ধ করার জন্য চাপ দেয়। এমন পরিস্থিতিতে মহিলা সমিতি ভয় পেয়ে যায়। তাই তাঁরা তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার কথা ভেবে রাতেই অনুষ্ঠান বাতিল করেন।’’

    পুলিশের বিবৃতি

    গত শনিবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি বিবৃতি দেয়। সেখানে তারা আবার ওই নাটক বন্ধ নিয়ে পুলিশের ভূমিকার কথা অস্বীকার করে। বিবৃতিতে তারা বলে, ‘‘ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের পক্ষ থেকে উক্ত নাট্যোৎসব বন্ধ করা বা স্থগিত করা সম্পর্কে কোনও নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি। যেকোনও ধরনের সৃজনশীল ও শৈল্পিক কর্মকাণ্ডকে আমরা সবসময় উৎসাহিত করে থাকি। কী কারনে আলোচ্য নাট্যোৎসব স্থগিত হয়েছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। উক্ত নাট্যোৎসব ঘিরে যে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’’

    চট্টগ্রামের সিআরবি মাঠে বাতিল আবৃত্তি সংগঠনের অনুষ্ঠান

    অন্যদিকে, শনিবার চট্টগ্রামের সিআরবি মাঠে একটি আবৃত্তি সংগঠন প্রমার উদ্যোগে বসন্ত উৎসব হওয়ার কথা ছিল। এই মাঠের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়ার দায়িত্ব ছিল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের। প্রথমে অনুমতি দিলেও পরে তা বাতিল করে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের সভাপতি রাশেদ হাসান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘সিআরবিতে সারাদিনের অনুমতি ছিল তাদের। শনিবার সকাল দশটা থেকে সাড়ে বারোটা পর্যন্ত সকালের অধিবেশন হয়। দুপুরের বিরতির পর পরবর্তী অধিবেশন তিনটায় শুরু করার কথা ছিল। এমন সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে কল করে আয়োজকদের বলেন, আমরা এই অনুষ্ঠানের অনুমতি দিতে পারব না।’’ অনুমতি বন্ধের কোনও কারণ অবশ্য জানাতে পারেননি বাংলাদেশের রেল কর্তৃপক্ষ।

    উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ

    একের পর এক এভাবে অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ার বিষয়ে উদ্বিগ্ন সেদেশের নাগরিকরাও। সমাজ মাধ্যমে অনেকেই উৎসব বন্ধের খবরগুলি শেয়ার করে সরকারের সমালোচনাও করেছে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক (Bangladesh) জোবাইদা নাসরীন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘এগুলো কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। ধারাবাহিক ঘটনা।’’ নাগরিক সমাজের একাংশের মতে, ‘‘যা ঘটছে, তা অপরিকল্পিত বা অরাজনৈতিক না। একটি বিশেষ ধর্মান্ধ গোষ্ঠী এগুলো করছে। অথচ কারা করছে, কী প্রক্রিয়ায় করছে, সে বিষয়ে রাষ্ট্রীয় কোনও বক্তব্য এবং পদক্ষেপ নেই।’’ বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের মতে, ‘‘ইউনূস সরকারের কোনওরকম বক্তব্য যে নেই, এটিও রাজনীতির-ই অংশ। সরকার কোনও জায়গায় কথা বলছে, কোন জায়গায় কথা বলছে না। সরকার কাদের বিরুদ্ধে কথা বলছে, কাদের বিরুদ্ধে কথা বলছে না। এগুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে। মৌলবাদীদের প্রতি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও আস্কারা রয়েছে। এমন ধরনের হুমকি, অনুষ্ঠান বন্ধ, এগুলো অন্তত তিন মাস ধরে চলছে।’’ নাগিক সমাজের একাংশের মতে, এইসব অনুষ্ঠান বন্ধ করা মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ওপর আঘাত।

  • Bangladesh News: নেতার পর এবার সাংবাদিক! অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে হিন্দু নিধন হয়েই চলছে

    Bangladesh News: নেতার পর এবার সাংবাদিক! অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে হিন্দু নিধন হয়েই চলছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে (Bangladesh News) হিন্দু নিধন চলছেই! অস্থির পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যে দেশ ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেনাবাহিনী ঘোষণা করে জানিয়েছে যে সেখানে খুব তাড়াতাড়ি গঠন করা হবে তদারকি সরকার। এই আবহে হিন্দুদের নিরাপত্তা ক্রমশই প্রশ্নের মুখে উঠছে। একের পর এক হামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। রবিবারই কাজল রায় নামে এক হিন্দু নেতাকে হত্যা করা করে বিক্ষোভকারীরা। এর পাশাপাশি, হত্যা করা হয় প্রদীপ কুমার ভৌমিক নামের এক সাংবাদিককেও। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh News) রায়গঞ্জের স্থানীয় ডেইলি খবরপত্র নামের একটি সংবাদ মাধ্যমে সাংবাদিকতা করতেন নিহত প্রদীপবাবু। সেদেশের একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২৩ সাংবাদিক আহত হয়েছেন হামলায়।

    কীভাবে হামলা (Bangladesh News)

    জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা রবিবার দুপুরের পরই সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লিগের কার্যালয়ে প্রথমে হামলা চালান। এর ঠিক পাশেই অবস্থিত ছিল রায়গঞ্জ প্রেসক্লাব (Bangladesh News)। সেখানেই ছিলেন সাংবাদিক প্রদীপ কুমার। বিক্ষোভকারীরা পিটিয়ে আহত করেন প্রদীপবাবুকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে চিকিৎসকরা ওই সাংবাদিককে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    হিংসাত্মক আন্দোলন সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে

    সে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক নাজমুল আহসান বলছেন, ‘‘ক্রমশই আন্দোলন হিংসাত্মক ও সাম্প্রদায়িক (Hindus Under Attack) রূপ নিয়েছে এবং এগুলি বেশিরভাগই ছড়ানো হচ্ছে সমাজ মাধ্যমের পাতা থেকে।’’ বাংলাদেশের এই হিংসায় দেশভাগ ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ছায়া ফুটে উঠেছে। ফের যেন বাংলাদেশে ফিরে এসেছে রাজাকাররা। আন্দোলনের নামে আক্রমণ চালানো হয়েছে ইস্কনের মন্দির, কালী মন্দির সমেত হিন্দুদের একাধিক ধর্মস্থানে। বাদ যাচ্ছে না হিন্দুদের ঘরবাড়িও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamat-e-Islami: কপাল পুড়ল বিএনপির, জামাত ও তার সমস্ত শাখা সংগঠন নিষিদ্ধ বাংলাদেশে  

    Jamat-e-Islami: কপাল পুড়ল বিএনপির, জামাত ও তার সমস্ত শাখা সংগঠন নিষিদ্ধ বাংলাদেশে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগে জামাত-ই-ইসলামি (Jamat-e-Islami) ও তাদের শাখা সংগঠনগুলিকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) স্বাধীনতার পর এ নিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য নিষিদ্ধ হল বাংলাদেশের এই বিতর্কিত সংগঠন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা বিজ্ঞপ্তি এই তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ১৮(১) ধারা অনুযায়ী জামাত-ই-ইসলামি, তাঁদের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির এবং অন্যান্য শাখা সংগঠনকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    নিষিদ্ধ হল জামাত (Jamat-e-Islami)

    প্রসঙ্গত ২০১২ সাল থেকেই যুদ্ধাপরাধের বিচার চলাকালীন সময় থেকে জামাত শিবিরকে (Jamat-e-Islami) নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছিল। ক্ষমতাসীন আওয়ামি লীগের নেতা-মন্ত্রীরা বহুবার দলটিকে নিষিদ্ধ করার কথা বললেও ১২ বছরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। অবশেষে (Bangladesh) কোটা সংস্কার আন্দোলনকে হাইজ্যাক করার পর সরকারের চোখ খুলল। জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কড়া ধাক্কা দিল সরকার। সরকারের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে জামাত শিবির দেশজুড়ে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। সোমবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক বৈঠকে জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামি লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট।

    বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য (Bangladesh)

    বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে যেভাবে দেশজুড়ে হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে জামাত, তার জন্য ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী জামাত-ই-ইসলামি (Jamat-e-Islami) এবং তাদের সমত শাখা সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল।

    দুই বার নিষিদ্ধ হল জামাত

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ১৮ নম্বর ধারায় সন্ত্রাসী কাজের সংজ্ঞা ঘোষিত আছে। এই ধারায় সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। মূলত রাষ্ট্রের অখণ্ডতা, সংহতি, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার কর্মকাণ্ড সম্পাদন করলে এই ধারায় ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা কোনও দলের বিচার করা হয়। বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক, দাহ্য ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এই ধারা বাংলাদেশে প্রয়োগ হয়। প্রসঙ্গত ১৯৭২ সালেও সংবিধানের ৩৮ ধারা প্রয়োগ করে জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারদের সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে এই (Jamat-e-Islami) সংগঠনের বিরুদ্ধে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংগঠিত গণহত্যা, যুদ্ধ, মানবতা বিরোধী অপরাধে দায়ী হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল এই সংগঠনকে।

    আরও পড়ূন: খতম হামাস প্রধান! কী উদ্দেশ্যে হামাস ভারতে সিমিকে প্রতিষ্ঠিত করছিল? জানুন ইতিহাস

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করায় জামাত-ই-ইসলামিকে ১৯৭২ সালে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহারের কারণে। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে জামাত রাজনীতি করার অধিকার ফিরে পায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: ‘‘বউদের শাড়িগুলি পুড়িয়ে দিচ্ছেন না কেন?’’ ভারতীয় পণ্য বয়কটকারীদের প্রশ্ন হাসিনার

    Sheikh Hasina: ‘‘বউদের শাড়িগুলি পুড়িয়ে দিচ্ছেন না কেন?’’ ভারতীয় পণ্য বয়কটকারীদের প্রশ্ন হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাংলাদেশি নাগরিকদের একাংশ ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। সমাজ মাধ্যমের পাতায় এর সমর্থনে প্রচারও চলছে। ভারতীয় পণ্য বয়কটকে সমর্থন জানিয়েছে সে দেশের উগ্রবাদী দল বিএনপি। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বয়কটকারীদের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, ‘‘বউদের শাড়িগুলি পুড়িয়ে দিচ্ছেন না কেন?’’

    ভারতের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ 

    প্রসঙ্গত, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় বহু সামগ্রীর ওপরেই বাংলাদেশকে ভরসা করতে হয় ভারতের ওপর। বহু ভারতীয় সংস্থাও বাংলাদেশে নিজেদের পণ্য উৎপাদন করে। সাবান থেকে শুরু করে খাদ্যদ্রব্য, গাড়ি এমন অনেক কিছুই। এই সমস্ত ভারতীয় সংস্থার বিরুদ্ধেও একই ধরনের প্রচার চালাচ্ছে বাংলাদেশের মৌলবাদী সংগঠনগুলি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সদ্য ফের একবার শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ফিরেছেন। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ হল, ভারতের কারসাজিতেই হাসিনার প্রত্যাবর্তন হয়েছে। তাই তারা ভারত বিরোধী প্রচারে নেমেছে।

    হাসিনা সরকারের কড়া বিবৃতি

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) এনিয়ে বলেন, ‘‘ভারতীয় পণ্য বর্জন করেন বলছেন, তাদের বউদের কটা ভারতীয় শাড়ি রয়েছে। তাহলে তারা বউদের শাড়িগুলি এনে পুড়িয়ে দিচ্ছেন না কেন? আপনারা বিএনপি নেতাদের এই প্রশ্নটা করুন। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন বহু মন্ত্রীরা ভারতে যেতেন। ওদের বউরা ভারত থেকে শাড়ি কিনে এনে এখানে বেচতেন।’’ এরপরেই তিনি বলেন, ‘‘আমি নিজেও দেখেছি, পাঁচজন মন্ত্রীর বউ একসঙ্গে যাচ্ছে। আমি দেখে বললাম, কী ব্যাপার পাঁচ মন্ত্রীর বউ একসঙ্গে? কলকাতা বিমানবন্দরে আমার চেনাজানা ছিল, আমি বলেছিলাম যে এরা কটা স্যুটকেস নিয়ে আসে (কলকাতায়) আর কটা নিয়ে ফিরে আসেন (ঢাকায়), তা জানাতে। ওরাও বলেছিল, এরা একটা স্যুটকেস নিয়ে আসে আর সাত-আটটা নিয়ে ফেরে।’’

    বাড়িতে হওয়া রান্নায় কতগুলো ভারতীয় মশলা ব্যবহার হয় তার খোঁজ নিন

    হাসিনা (Sheikh Hasina) বয়কটকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘যাঁরা ভারতীয় পণ্য বয়কটের স্লোগান তুলছেন তাঁরা আগে নিজেদের বাড়িতে উঁকি দিয়ে দেখুন যে তাঁদের বাড়িতে হওয়া রান্নায় কতগুলো ভারতীয় মশলা ব্যবহার হয়। আগে তার খোঁজ নিন, তারপর ভারতীয় পণ্য বয়কট করার ডাক দিন। তার আগে, এই আন্দোলনে যুক্ত হওয়া বা মদত দেওয়া মানে দ্বিচারিতা করা। যে বিএনপি নেতারা এই আন্দোলনে মদত দিচ্ছেন আগে তাঁরা নিজেদের দলীয় অফিসের সামনে স্ত্রীদের কাছে থাকা ভারতীয় শাড়ি পোড়ান। তাহলেই একমাত্র প্রমাণিত হবে যে তাঁরা ভারতীয় পণ্য বয়কটের বিষয়ে আন্তরিক।’’

    মলদ্বীপের মতো পরিস্থিতি হবে বাংলাদেশেরও?

    প্রসঙ্গত, উপমহাদেশ এমন ভারত বিরোধী প্রচার এর আগে মলদ্বীপে দেখা গিয়েছিল। সে দেশের তিন মন্ত্রী সমাজ মাধ্যমের পাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছিলেন। তার জেরে মলদ্বীপের পর্যটন ব্যবসা বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ে। ভারত বিরোধী এমন অবস্থানে বাংলাদেশের অবস্থা যে সেরকম হতে পারে, তা আগেভাগেই জেনে বয়কটকারীদেরকে কড়া বার্তা দিলেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Muhammad Yunus: ৬ মাস জেল! শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুস

    Muhammad Yunus: ৬ মাস জেল! শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রম-আইন ভাঙার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলেন বাংলাদেশের নোবেলজয়ী সমাজ কর্মী মহম্মদ ইউনুস (Muhammad Yunus)। সোমবার ইউনুসকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকার আদালত। সেই সঙ্গে ছ’মাসের জেলের সাজাও দেওয়া হল তাঁকে। আদালত তাঁকে হাজতবাসের সাজা দিলেও অবশ্য তাঁকে জেলে যেতে হয়নি। তিনি এবং তাঁর সংস্থার চার কর্মী অবিলম্বে জামিনও পেয়ে যান। 

    কেন দোষী ইউনুস

    বাংলাদেশর সমাজকর্মী তথা একমাত্র নোবেলজয়ী ইউনুসের (Muhammad Yunus) বয়স এখন ৮৩। তাঁর সংস্থা গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রম আইন লঙ্ঘন করে বেআইনি ভাবে কাজ চালানোর মামলা চলছিল। সোমবার সেই মামলায় ইউনুস-সহ তাঁর সংস্থার চার জনকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকা আদালত। সোমবার ঢাকা আদালতে হাজির ছিলেন রাষ্ট্রপুঞ্জের এক প্রতিনিধিও। রায় ঘোষণার পর তিনিও এই রায়ের সমালোচনা করেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রতিনিধি স্পষ্ট বলেন, ‘‘এই নির্দেশ বিচারের নামে প্রহসন। ঢাকা আদালত আদতে বাংলাদেশ সরকারের ইচ্ছা এবং সিদ্ধান্তে আইনি ছাপ দিল। শ্রম আইনের অপপ্রয়োগ করে হেনস্তা করা হল সেই নোবেলজয়ীকে, যিনি তাঁর দেশকে গর্বিত করেছেন।’’

    আরও পড়ুন: বছরের পয়লা দিনেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে, নিহত ৩, কারফিউ জারি ৫ জেলায়

    ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছিলেন ইউনুস (Muhammad Yunus)। তাঁকে ওই সম্মান দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের মাটিতে তাঁর তৈরি মাইক্রোফিন্যান্স ব্যাঙ্কিংয়ের জন্য। ওই ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে ইউনুস বাংলাদেশের লক্ষাধিক দরিদ্র মানুষকে দারিদ্রসীমা থেকে টেনে তুলেছেন বলে মনে করেছিল নোবেল প্রদানকারী সংস্থা। যদিও বাংলাদেশ সরকার কখনওই তাঁর পাশে ছিল না। ইউনুস সাংবাদিকদের বলেন, “ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য আমরা কিছু করিনি।” আর মহম্মদ ইউনুসের আইনজীবী খোয়াজা তনভির বলেন, “এই মামলার কোনও মানে নেই। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বিশ্বের দরবারে ইউনুসের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করতেই এই কাজ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share