Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ডামাডোলের বাজারে সূচ হয়ে ঢুকতে চাইছে ড্রাগনের দেশ!

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ডামাডোলের বাজারে সূচ হয়ে ঢুকতে চাইছে ড্রাগনের দেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পর এবার চিন (China)। বাংলাদেশে ডামাডোলের বাজারে সূচ হয়ে ঢুকতে চাইছে ড্রাগনের দেশ। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সাহায্য করতে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ খুলে দিয়েছে বেজিং। এহেন আবহে আওয়ামি লিগ বিরোধী বাংলাদেশের ৮টি রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে চিনে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশের অশান্তি পৌঁছেছে চরমে। এমতাবস্থায় সে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মাথা গলিয়ে কার্যোদ্ধার করতে চাইছে শি জিনপিংয়ের দেশ।

    সেই একই ‘গেম’ (Bangladesh Crisis)

    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। তার পর অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেয় শান্তিতে নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূস। অভিযোগ, তার পরেই বাংলাদেশে ক্রমশ বেড়েছে অশান্তির আগুন। সাম্প্রদায়িক হিংসায় জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে বহু সংখ্যালঘুর বাড়ি-ঘরদোর-দোকানদানি। উন্মত্ত জনতার রোষের শিকার হয়েছেন মূলত হিন্দুরা। বাংলাদেশের এহেন অস্থির পরিস্থিতিতে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে পাকিস্তান। এবার সেই একই ‘গেম’ খেলতে ময়দানে নেমে পড়েছে শি জিনপিংয়ের দেশ চিন।

    বেজিং যাচ্ছে ৮টি রাজনৈতিক দল

    জানা গিয়েছে, চিনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে সোমবার বেজিং যাচ্ছে বিএনপি-সহ ৮টি রাজনৈতিক দল। এই দলে আওয়ামি লিগের কেউ নেই। যদিও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির চার নেতা রয়েছেন। বুধবার এই দুই সংগঠন আনুষ্ঠানিকভাবে একটি নয়া রাজনৈতিক দল গড়ার কথা ঘোষণা করবে। বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, এদিন রাত পৌনে ১১টায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চিনের উদ্দেশে রওনা দেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটি।

    ২২ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। প্রতিনিধি দলে খালেদা জিয়ার বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের পাঁচজন নেতা রয়েছেন। রয়েছেন দুই সাংবাদিক সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সদস্যরা। এদিকে, জাতীয় সংসদের নির্বাচন নিয়ে বিএনপির পাশে দাঁড়াল প্রয়াত মহম্মদ এরশাদের দল জাতীয় পার্টি। দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছিলেন, “সংস্কারের বিষয়ে মতামত জানাতে সরকার আমাদের ডাকেনি। সংস্কার নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনও আলোচনাও হয়নি। আমাদের সঙ্গে আলোচনা হলে এটাই বলব যে সংস্কার প্রস্তাবগুলো প্রকাশ করুন। নির্বাচনের পরে যারা (China) সরকার গড়বে, তারাই সংস্কারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে (Bangladesh Crisis)।”

  • S Jaishankar: “বাংলাদেশকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক রাখতে চায়,” বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “বাংলাদেশকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক রাখতে চায়,” বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক রাখতে চায়।” এমনই মন্তব্য করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শনিবার এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি (Bangladesh crisis) বলেন, “ঢাকা একদিকে ভালো সম্পর্ক চাওয়ার কথা বলবে, আর অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ সব সমস্যার জন্য ভারতকে দোষারোপ করবে — এ ধরনের অবস্থান গ্রহণ করা যায় না।”

    নেতিবাচকতা না ছড়ানোর আহ্বান (S Jaishankar)

    ভারতের পক্ষ থেকে ঢাকার কর্তৃপক্ষকে দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচকতা না ছড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি। বিদেশমন্ত্রী বলেন, “প্রতিদিন যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ উঠে ভারতের ওপর সব কিছুর জন্য দোষারোপ করে, তার মধ্যে কিছু বিষয় রিপোর্ট অনুযায়ী একেবারেই অযৌক্তিক। আপনি একদিকে বলতে পারেন যে আপনি ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চান, কিন্তু প্রতিদিন সকালে উঠে সব সমস্যার জন্য ভারতকে দায়ী করেন — এটা তো একসঙ্গে চলতে পারে না। এটি তাদেরই একটি সিদ্ধান্ত, যা তাদের নিতে হবে।”

    জয়শঙ্করের বক্তব্য

    তিনি (S Jaishankar) বলেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমস্যাগুলির দুটি দিক রয়েছে, প্রথমটি হল সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রদায়িক হামলা। আর দ্বিতীয় দিকটি হল তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়।” জয়শঙ্কর বলেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা, অবশ্যই এটি এমন একটি বিষয় যা আমাদের চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করে এবং এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে আমাদের কথা বলা প্রয়োজন — যা আমরা করেছি। দ্বিতীয় দিকটি হল, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক বিষয়। তবে দিনের শেষে, দুই দেশ প্রতিবেশী।”

    এর পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তাদের (বাংলাদেশকে) সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে ভবিষ্যতে আমাদের সঙ্গে তারা কী ধরনের সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের খুবই বিশেষ একটি ইতিহাস রয়েছে, যা ১৯৭১ সালের সময় থেকে চলে আসছে।” প্রসঙ্গত, গত (Bangladesh crisis) ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর থেকে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চরমে উঠেছে সে দেশে। তার জেরেই অবনতি ঘটেছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে (S Jaishankar)।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নয়া দল গঠনের উদ্যোগ, শীর্ষ পদে কারা, মতান্তর নেতাদের মধ্যেই

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নয়া দল গঠনের উদ্যোগ, শীর্ষ পদে কারা, মতান্তর নেতাদের মধ্যেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে নয়া দল (New Party) গঠিত হতে চলেছে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। নতুন দলের নাম ঘোষণা হওয়ার কথা ২৬ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে গঠিত হবে দল। দলের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হওয়ার আগেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। কে কোন পদে বসবেন, কার পদের গুরুত্ব কতটা, তা নিয়ে এখনও ঐক্যমত্যে পৌঁছতে পারেননি নেতারা। সূত্রের খবর, সমঝোতাসূত্র বের করতেই বাড়ানো হচ্ছে শীর্ষ পদের সংখ্যা। প্রথমে ঠিক ছিল শীর্ষ পদে থাকবেন চারজন। পরে সেটাই বাড়িয়ে করা হয় ছয়। সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে বলেই সূত্রের খবর।

    ক্রমেই বাড়ছে শীর্ষ পদের সংখ্যা (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নয়া দলে শীর্ষপদ থাকতে পারে ১০ থেকে ১২টি। তবে তা নিয়েও একমত হতে পারেননি যাঁরা দল গঠন করছেন, তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, শীর্ষ পদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নয়া দলে আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, মুখপাত্র এবং মুখ্য সংগঠক এই চারটি শীর্ষপদ থাকবে বলে প্রথমে ঠিক ছিল। পরে বাড়ানো হয় আরও দুটি পদ – জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব। আরও দুটি মুখপাত্রের পদ সৃষ্টি করা হতে পারে বলে খবর। জানা গিয়েছে, হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, নতুন দলে তাঁরা যাতে কম গুরুত্ব না পান, তা নিশ্চিত করতেই বাড়ানো হচ্ছে দলের শীর্ষপদের সংখ্যা। বুধবার দলের সদস্যদের যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানেই প্রস্তাব পাশ হয় শীর্ষ পদ বৃদ্ধির সংখ্যা (Bangladesh Crisis)।

    কে কোন পদে

    প্রথমে যে চারটি শীর্ষ পদ ঠিক করা হয়েছিল, তাতে আহ্বায়ক পদে বসানো হয়েছে ইউনূস প্রশাসনের অন্যতম উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, সাধারণ সচিব পদে থাকবেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র পদে বসানো হয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক সারসিজ আলম ও হাসনাত আবদুল্লা। বাকি পদে কারা থাকবেন, পদের সংখ্যাই বা বাড়ানো হবে কিনা, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, নয়া দল গঠনের নেপথ্যে রয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। তবে তিনি কোন পদে (New Party) বসবেন, আদৌ তিনি কোনও পদে থাকবেন কিনা, তা এখনও জানা যায়নি (Bangladesh Crisis)।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে শুরু মুষল পর্ব! খেয়োখেয়ি বিএনপি-ইউনূস সমর্থকদের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে শুরু মুষল পর্ব! খেয়োখেয়ি বিএনপি-ইউনূস সমর্থকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাফান ঝাঁপান শেষ। এবার নিজেদের মধ্যেই খেয়োখেয়ি লেগে গিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) ছাত্রদের মধ্যে। আওয়ামি লিগকে দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করতে কোমর কষে নেমে পড়েছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি এবং মহম্মদ ইউনূসের (Muhammad Yunus) প্রশাসন। এবার এই দুই নেতা-নেত্রীর অনুগামী ছাত্ররাই নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে।

    নয়া সঙ্কটে ইউনূস প্রশাসন (Muhammad Yunus)

    শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন ছাত্রদের আন্দোলন (পড়ুন পরিকল্পিত) ছিল সরকারের বিরুদ্ধে। গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ভারতে পালিয়ে আসেন হাসিনা। তারপর থেকে নতুন খেলা শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। এই খেলা খেলতে গিয়েই নয়া সঙ্কটের সম্মুখীন ইউনূস প্রশাসন। ফেরা যাক খবরে, খুলনার একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের জেরে জখম হয়েছেন ১৫০ পড়ুয়া। সংঘর্ষ হয়েছে শেখ হাসিনাকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনকারী ছাত্র সংগঠন ও তার বিরোধী গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন

    জানা গিয়েছে, বিএনপির যুব শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল (জেসিডি) বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার চেষ্টা করেছিল। বাধা দেয় ইউনূস সমর্থিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন স্টুডেন্টস এগেইনস্ট কোরাপশন (এসএডি)-এর সদস্যরা। এরাই হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল। যার জেরে দেশ ছাড়তে হয় আওয়ামি লিগ সুপ্রিমোকে। এই ঘটনার পরে পরেই জেসিডি বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন আয়োজন এবং ভাইস চ্যান্সেলর মোহাম্মদ মাসুদকে অপসারণের দাবি জানিয়েছে। এসএডি এই দুই দাবিরই বিরোধিতা করেছে। তার জেরেই হয় সংঘর্ষ। জখম হন দেড়শো জন।

    ছাত্র সংঘর্ষ

    সংঘর্ষের পরে ৫০ জনেরও বেশি পড়ুয়াকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই গোষ্ঠীর সদস্যরা চাপাতি হাতে একে অপরের সঙ্গে লড়াই করছে (Muhammad Yunus)। সংঘর্ষের দায় একে অপরের ওপর চাপাচ্ছে দুই গোষ্ঠীই (Bangladesh Crisis)। জেসিডি প্রধান নাসিরউদ্দিন নাসির বলেন, “সাম্প্রতিক হিংসায় উসকানি দিয়েছে এসএডি। জামাতে ইসলামি এসএডিকে সহিংস কার্যকলাপে লিপ্ত হতে সমর্থন জোগাচ্ছে।” জেসিডির আরও অভিযোগ, এসএডি ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিয়ে এসেছে। তারা বলছে যে তারা ক্যাম্পাসকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু এসএডি তা হতে দেয়নি।

    খসে পড়েছে ঐক্যের মুখোশ

    হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্ব একটি ঐক্যবদ্ধ চিত্র তুলে ধরেছিল। তখন মনে হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস, বিএনপি এবং জামাত সবাই এক জোট হয়েছে। তাদের এই ঐক্য তখনই পর্যন্ত টিকে ছিল, যতক্ষণ তারা হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করছিল। রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে হাসিনা সরে যাওয়ার পরেই খসে পড়ে ঐক্যের মুখোশ। বিএনপি ইউনূসের প্রতি অত্যন্ত সন্দেহপ্রবণ হয়ে উঠেছে। বিএনপি নেতৃত্ব মনে করছে, ইউনূস এখনই দেশে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করতে আগ্রহী নন। বিএনপির অভিযোগ, ইউনূস সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা করছেন যাতে তিনি নির্বাচন না করেই ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেন।

    মিলিট্যান্ট ধাঁচের সংগঠন

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে (Bangladesh Crisis), ইউনূস জামাত এবং এসএডি উভয়ের ওপরই যথেষ্ট জোর দিচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে, তিনি এসএডিকে এমন এক মিলিট্যান্ট ধাঁচের সংগঠন তৈরি করতে সমর্থন করছেন, যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। এই নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডাটি পর্যবেক্ষণ করলে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ইউনূস প্রশাসনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশকে শরিয়া আইন দ্বারা পরিচালিত করে একটি ইসলামপন্থী রাষ্ট্রে পরিণত করা। দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সর্বশেষ সংঘর্ষটি আরও একটি ইঙ্গিত দেয়। সেটা হল, ইউনূস সমর্থিত ছাত্র শাখা এবং বিএনপির ছাত্র সংগঠনের মধ্যে বিভেদ কতটা গভীর। উভয় পক্ষই প্রতিটি স্তরে সংঘর্ষে লিপ্ত এবং এটি স্পষ্ট যে বিএনপি ইউনূসের (Muhammad Yunus) স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে।

    কী বলছেন পর্যবেক্ষকরা

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এটা অনিবার্যই ছিল। দুই সংগঠনের বিভেদের রেখাগুলো স্পষ্ট এবং ঐক্যের মুখোশ খুলে পড়েছে। যার জেরে কাছাকাছি আসতে শুরু করেছে বিএনপি এবং আওয়ামি লিগের ক্যাডাররা। এতদিন বিএনপি এবং ইউনূসের অনুগামীদের কমন শত্রু ছিল হাসিনার দল। আর এখন বিএনপি এবং আওয়ামি লিগ দুপক্ষই কমন শত্রু হিসেবে দেখছে ইউনূসকে। ক্ষমতার চিটে গুড়ে ইউনূসের পা আটকে যেতেই, বিপত্তি বেঁধেছে বাংলাদেশে। আজ বিএনপি এবং আওয়ামি লিগ দুই দলই ইউনূসকে (Bangladesh Crisis) কমন শত্রু হিসেবে দেখছে। তার কারণ দুই দেশই চায়, অবিলম্বে দেশে হোক সাধারণ নির্বাচন। তাদের আশঙ্কা, ইউনূস যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন, ততদিন তিনি হস্তক্ষেপ করবেন এবং শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আজীবনের জন্য শাসনের রাস্তা পরিষ্কার করবেন।

    ইউনূসের অনুগামীরা বিএনপির সঙ্গে লড়াই করলেও, ইউনূস স্বয়ং এখনও আওয়ামি লিগকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখনই যদি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সাধারণ নির্বাচন হয়, তাহলে কোনও সন্দেহ নেই যে আওয়ামি লিগই দেশের ক্ষমতায় ফিরবে। প্রসঙ্গত, ইউনূস (Muhammad Yunus) যাদের টার্গেট করেছেন, তাঁদের দাবি, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনের শাসন ফিরিয়ে আনার জন্য অবিলম্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত (Bangladesh Crisis)।

  • India vs Bangladesh: শামির ৫ উইকেট, গিলের শতরান! বাংলাদেশকে হারিয়ে যাত্রা শুরু ভারতের

    India vs Bangladesh: শামির ৫ উইকেট, গিলের শতরান! বাংলাদেশকে হারিয়ে যাত্রা শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশ্যামতোই জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025) যাত্রা শুরু করল ভারত। বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারায় রোহিতরা। দুরন্ত শতরান উপহার দেন গিল। তবে প্রথমে ম্যাচ যতটা সহজ হবে ভাবা গিয়েছিল তা হল না। তৌহিদ হৃদয়ের অনবদ্য সেঞ্চুরি আর রোহিতদের বিশ্রী ফিল্ডিংয়ের জন্য। টসে জিতে বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ১০ উইকেটে ৪৯.৪ ওভারে তোলে ২২৮ রান। ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান তৌহিদ। ১১৪ বলে ৬টি চার এবং ২টি ছয়ের সাহায্যে তিনি সেঞ্চুরি করেন। বুমরা-হীন ভারতীয় বোলিংকে এদিন নেতৃত্ব দিলেন শামিই। ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়ে ফের আইসিসি টুর্নামেন্টে নিজের জাত চেনালেন মহম্মদ শামি।

    শামির নজির

    এক দিনের বিশ্বকাপে যেখানে শেষ করেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy 2025) সেখান থেকেই শুরু করলেন মহম্মদ শামি। আইসিসি প্রতিযোগিতায় ফিরে আবার ছন্দে তিনি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এক দিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বলে এই কীর্তি গড়েছেন ভারতীয় পেসার। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নামার আগে ১৯৭ উইকেট ছিল শামির। ২০০ উইকেটে পৌঁছতে দরকার ছিল ৩ উইকেট। জাকের আলিকে আউট করে ২০০ উইকেটে পৌঁছে যান শামি। ২০০ উইকেট নিতে ৫১২৬ বল করেছেন শামি। বিশ্বে এত কম বলে কোনও বোলার ২০০ উইকেট নিতে পারেননি। এত দিন এই রেকর্ড ছিল মিচেল স্টার্কের দখলে। অস্ট্রেলিয়ার পেসার ২০০ উইকেট নিতে করেছিলেন ৫২৪০ বল। আইসিসির এক দিনের প্রতিযোগিতায় ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেটও শামির দখলে। ৬০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। জাহির খান নিয়েছিলেন ৫৯ উইকেট। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেট নিয়ে জাহিরকে ছাপিয়ে গেলেন শামি।

    হ্যাটট্রিক হাতছাড়া

    বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) ইনিংস শেষ হয়ে যেতে পারত আরও কম রানে। কিন্তু ভারতীয় ফিল্ডারদের একের পর এক ভুলে সহজেই ২২৮ রানে পৌঁছে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ন’ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করে গেল। ক্যাচ ফস্কানো শুরু করেছিলেন অধিনায়ক রোহিত। বাংলাদেশের ইনিংসের নবম ওভারে বল করতে এসেছিলেন অক্ষর। পর পর দু’বলে তানজিদ হাসান এবং মুশফিকুর রহিমকে আউট করেন তিনি। তার পরের বলেই জাকের আলির দেওয়া সহজ ক্যাচ স্লিপে ফেলে দেন রোহিত শর্মা। নিশ্চিত হ্যাটট্রিকের সুযোগ নষ্ট হওয়ায় হতাশ হন অক্ষর। নিজের ভুল বুঝতে পেরে মাঠেই হাত জোড় করে অক্ষরের কাছে ক্ষমা চান রোহিত। এদিন ক্যাচ ফস্কান হার্দিকও।

    রোহিতের রেকর্ড

    দরকার ছিল ১২ রান। এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১১ হাজার রান পূর্ণ করতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১২ রান দরকার ছিল রোহিত শর্মার। সেই রান করতে ১৪ বল লাগল তাঁর। ২৬১ ইনিংসে ১১ হাজার রান হল রোহিতের। সচিন তেন্ডুলকর ১১ হাজার রান করতে ২৭৬ ইনিংস নিয়েছিলেন। অর্থাৎ, সচিনের চেয়ে ১৫ ইনিংস কম লেগেছে রোহিতের। এই তালিকায় সকলের উপরে রয়েছেন বিরাট কোহলি। এক দিনের ক্রিকেটে মাত্র ২২২ ইনিংসে ১১ হাজার রান করেছিলেন তিনি। তবে এই ম্যাচে শুভমানের প্রশংসা যতই করা যায়, ততই যেন কম বলে মনে হবে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ তিনটে ওয়ানডে ম্যাচে তিনি জোড়া হাফসেঞ্চুরি এবং একটি শতরান করেন। এই ম্যাচেও রানের সেই ধারাবাহিকতা তাঁর ব্যাটে দেখতে পাওয়া গেল। সেঞ্চুরি তো করলেনই, সঙ্গে টিম ইন্ডিয়ার ভার কার্যত একা হাতেই বহন করলেন। শেষপর্যন্ত ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন গিল।

  • Assam: অসমে অবৈধ বাংলাদেশির সংখ্যা ১.৬৬ লাখ! বহিষ্কারের সংখ্যা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    Assam: অসমে অবৈধ বাংলাদেশির সংখ্যা ১.৬৬ লাখ! বহিষ্কারের সংখ্যা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম (Assam) চুক্তির বিধানের অধীনে রাজ্যের ১.৬৬ লাখ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে (Bangladeshi Intruders) অবৈধ অভিবাসী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই রাজ্য থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ৩০ হাজার ১০০ এরও বেশি বাংলাদেশিকে। বুধবার অসম বিধানসভায় এ কথা জানান অসম চুক্তি বাস্তবায়ন মন্ত্রী অতুল বরা।

    কী বললেন মন্ত্রী?(Assam)

    কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম আহমেদের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অসমে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩১ জন অভিবাসীকে অবৈধভাবে বসবাসকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৮৭০ জন অসমে প্রবেশ করেছে ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে। আর ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের পর অসমে ঢুকেছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৬১ জন। এটি হচ্ছে নাগরিকত্ব নির্ধারণের জন্য অসম চুক্তির নির্ধারিত সময়সীমা। এর পরেই মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত অসম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ৩০ হাজার ১১৫ জনকে অনুপ্রবেশকারীকে।

    অবৈধ অভিবাসন

    ঐতিহাসিকভাবে, অসম প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসনের সম্মুখীন হয়েছে। এটি দশকের পর দশক ধরে রাজ্যের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করেছে। বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অবৈধ অভিবাসন রাজ্যের একাধিক জেলার জনসংখ্যার গঠনও পরিবর্তন করেছে। প্রসঙ্গত, অসম (Assam) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে, ছ’বছরের অভিবাসনবিরোধী অসম আন্দোলনের পর। অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তকরণ ও বহিষ্কারের মূল ভিত্তি হিসেবে রয়ে গিয়েছে এই চুক্তি।

    চুক্তি অনুযায়ী, ২৪ মার্চ ১৯৭১-এর পরে যারা অসমে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের বিদেশি নাগরিক ঘোষণা করে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে আগতদের ভোটাধিকার দশ বছরের জন্য কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে ১৯৭১-এর পরে আসা অভিবাসীদের সরাসরি বহিষ্কারের বিধান রয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, “চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১.৬৫ লাখেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে শনাক্ত করা হলেও, বহিষ্কারের সংখ্যা মোট চিহ্নিত অভিবাসীর তুলনায় নগণ্য।” অসমের বিভিন্ন আদি সংগঠন, বিশেষ করে অসম ছাত্র সংস্থা (AASU) মনে করে যে রাজ্যে কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসী বসবাস করছে। এদিকে, রাজ্যের শাসক দল বিজেপি (BJP) অসম চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে (Bangladeshi Intruders)। একে তারা জাতীয় নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করেছে (Assam)।

  • Indian Army: বাংলাদেশ নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের, কী বললেন সেনাপ্রধান?

    Indian Army: বাংলাদেশ নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের, কী বললেন সেনাপ্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা-উত্তর জমানায় অশান্ত হয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পরেই বেড়েছে অশান্তির বহর। এহেন আবহে (Indian Army) কখনও বাংলাদেশি সেনার উচ্চ পর্যায়ের দল পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে দেখা করেছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই কর্তাদের সঙ্গে। কখনও আবার আইএসআইয়ের পদস্থ কর্তারা ঢাকার বিলাসবহুল হোটেলে গিয়ে ইউনূস প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই প্রেক্ষিতে, পদ্মাপাড়ে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে দহরম-মহরম বাড়ানোর চেষ্টা করা পাকিস্তানকে ঘুরিয়ে কড়া বার্তা দিল ভারতীয় সেনা।

    ‘সন্ত্রাসের এপিসেন্টার’ পাকিস্তান

    সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, সদ্য সীমান্তের ‘চিকেনস নেক’ এলাকার কাছে বাংলাদেশের বেশ কিছু এলাকায় পা পড়েছে পাকিস্তানের সেনা কর্তা ও সেদেশের গুপ্তচর বিভাগের সদস্যদের। এলাকায় তাঁরা পরিদর্শন করতে যান বলে ছিল খবর।  পূর্ব ভারতে পাকিস্তানের গতিবিধি প্রসঙ্গে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “একটি দেশের (পাকিস্তান) জন্য আমি একটা শব্দ ব্যবহার করেছিলাম, ‘সন্ত্রাসের এপিসেন্টার’। সেনাপ্রধান যোগ করেন, এবার সে দেশের লোকজন অন্য দেশে যাচ্ছেন এবং সেই অন্য দেশটি যদি আমাদের প্রতিবেশী দেশ হয়, যতদূর আমার মনে হচ্ছে, আমার উদ্বেগে থাকারই কথা…যাতে তারা সে দেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতে সন্ত্রাসবাদী না পাঠায়, সেটা নিয়েই ভাবনা।”

    ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতের সেনা প্রধান (Indian Army) বলেন, “যে সেট আপ সেখানে রয়েছে, তা প্রশাসনিক, নির্বাচিত সরকার এলে সম্পর্কের বিষয়ে বলা যাবে।” তবে বাংলাদেশের সেনার (Pakistan) সঙ্গে ভারতীয় সেনার সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত বলে তিনি জানান। সেনাপ্রধান বলেন, “যখন দরকার পড়ে, আমরা নোট আদানপ্রদান করে নিই। এভাবেই চলে আসছে।”

    ভারতীয় সেনার কড়া জবাব (Indian Army)

    এরই মধ্যে আবার কাশ্মীরে পাকিস্তান সম্প্রতি সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তার যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। এহেন আবহে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, “২০১৪ সাল থেকে উভয় পক্ষই জানে যে আমরা কাজে বিশ্বাসী। আমরা আমাদের বার্তা খুব স্পষ্টভাবে দিয়ে থাকি। প্রয়োজন পড়লে আমরা আগ্রাসীও হতে পারি। আমাদের যদি কেউ বাধ্য করে, তাহলে আমরা আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে আগ্রাসী হব।” ভূস্বর্গে সন্ত্রাস প্রশ্নে সেনাপ্রধান (Indian Army) বলেন, “স্থানীয় জঙ্গির সংখ্যা এখন অনেক কমে গিয়েছে। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাস থেকে কাশ্মীরে আমাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা গিয়েছে। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবং তা নিয়ে কোনওভাবে আমরা কোনও আপোস করব না। আর এখন কাশ্মীরে সব নিরাপত্তা বাহিনী সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতে হাতে হাত মিলিয়েছে।”

  • India vs Bangladesh: আজ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা! কখন, কোথায় দেখবেন লড়াই?

    India vs Bangladesh: আজ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা! কখন, কোথায় দেখবেন লড়াই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইব্রিড মডেলে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025) সবকটি ম্যাচ দুবাইয়ে খেলবে ভারত। বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) বিরুদ্ধে এ বারের মিনি বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করবেন রোহিত-বিরাটরা। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মতোই ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভারতীয় দল সদ্য ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে। উল্টোদিকে বাংলাদেশ এই ফরম্যাটে শেষ ম্যাচ খেলেছে গত বছরের শেষে। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা সদ্য দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগে খেলে এসেছেন। তাই ভাল ম্যাচ দেখার আশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।

    পাকিস্তানের পরাজয়

    ভারতীয় সময় অনুযায়ী, বুধ-দুপুরে বোধন হয়েছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025)। আট টিমের এই টুর্নামেন্টকে ক্রিকেট মহলে মিনি বিশ্বকাপও বলা হয়। প্রতিটা দলের কাছেই সবকটি ম্যাচ ডু অর ডাই। জিতলে ট্রফির দৌড়ে থাকবে কোনও টিম। আর হারলেই খাদের কিনারায় পৌঁছে যাবে। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। প্রায় তিন দশক পর আইসিসির টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে পাকিস্তান। তবে, উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬০ রানের বিশাল ব্যবধানে হার মেনেছে পাকিস্তান।

    প্রস্তুত ভারত

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য প্রস্তত ভারত (India vs Bangladesh)। সদ্য ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দাপটে একদিনের সিরিজ জিতেছে রোহিতরা। ওপেনিংয়ে শুভমন গিল ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। রোহিত সেঞ্চুরি করেছেন। বিরাট কোহলি এক ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তবে মিডল অর্ডারে ভারতের ভরসা হয়ে দেখিয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচেই দুর্দান্ত এবং কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন। মিডল ওভারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শ্রেয়সই। ভারতীয় পেস বোলিং কম্বিনেশনে হর্ষিত রানার একটা সম্ভাবনা থাকলেও পরিস্থিতি বলছে মহম্মদ শামির সঙ্গে স্পেশালিস্ট পেসার হিসেবে দেখা যাবে অর্শদীপ সিংকে। বুমরাকে ছাড়া বড় টুর্নামেন্ট ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ। বোলিংয়ে নেতৃত্ব দেবেন শামিই।

    পিচ কেমন

    দুবাইয়ে দুটি নতুন পিচ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনটি ব্যবহার করা হবে এবং পিচ কেমন আচরণ করবে তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা আছে। ম্যাচের আগের দিন সেন্টার উইকেটে দুটি পিচের ছবি উঠে এসেছে। তার মধ্যে ডানদিকের পিচটাকে বেশি রোলিং করতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু কেমন হবে পিচ, ভারতীয় দল পাঁচ স্পিনার আছে, পাণ্ডিয়াকে নিয়ে চার পেসার আছে। ফলে স্পিনাররা পিচ থেকে সুবিধা না পেলে সমস্যা হতে পারে ভারতের।

    বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা

    ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে (India vs Bangladesh) বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা আছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে, বৃহস্পতিবার ভারত বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের দিন ৩৫ শতাংশ বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা আছে। দুবাইয়ে তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ডিগ্রির আশে পাশে। আপেক্ষিক আদ্রর্তা ৪৮ শতাংশ থাকতে পারে। ফলে বৃষ্টি কিন্তু ভারত বমাম বাংলাদেশের মধ্যে মেগা ম্যাচে ছন্দ নষ্ট করতে পারে।

    ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: রোহিত শর্মা, শুভমন গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, অক্ষর প্য়াটেল, লোকেশ রাহুল, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাডেজা, কুলদীপ যাদব/বরুণ চক্রবর্তী, মহম্মদ সামি, অর্শদীপ সিং/হর্ষিত রানা।

    ম্যাচ শুরু: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত বনাম বাংলাদেশের ম্যাচটি ভারতীয় সময় অনুযায়ী শুরু হবে দুপুর ২.৩০ মিনিটে। ম্যাচের আগে ২টো নাগাদ টস হবে।

    ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত বনাম বাংলাদেশের ম্যাচটির লাইভ স্ট্রিমিং (Live streaming) দেখা যাবে টিভিতে স্টার স্পোর্টস ২ ও স্পোর্টস ১৮-১ এবং স্পোর্টস ১৯-খেল চ্যানেলে। এ ছাড়া মোবাইলে দেখা যাবে জিওহটস্টার অ্যাপ্লিকেশনে।

  • ICC Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ ঘিরে চড়ছে পারদ, কে এগিয়ে?

    ICC Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ ঘিরে চড়ছে পারদ, কে এগিয়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার বার ২২ গজের লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে রাজনীতি। বুধবার থেকে শুরু হওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও তার ব্যতিক্রম নয়। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে তো বরাবর রাজনীতির রঙ লাগে। এবার নয়া সংস্করণ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ। কারণ বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy 2025) বৃহস্পতিবার দুই দেশ মুখোমুখি হবে। রবিবারের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের থেকেও এই ম্যাচ নিয়ে উন্মাদনা বেশি।

    পরিবর্তিত পরিস্থিতি

    বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেট সম্পর্ক একটা সময় পর্যন্ত ছিল দাদা-ভাইয়ের মত। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রাক্তন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার উদ্যোগে ২০০০ সালে টেস্ট খেলার মর্যাদা পায় বাংলাদেশ। তার পরও বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে পাশে থেকেছে বিসিসিআই। গত কয়েক দশক ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট আবহে মৈত্রী, সৌজন্যের অভাব হয়নি। পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে কিছু দিন ধরে, গত অগাস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে। সাধারণ মানুষের বিদ্রোহের মুখে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। আশ্রয় পেয়েছেন ভারতে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির আঁচ সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে এসেছে। হাসিনাকে ভারত রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের একাংশ ক্ষুব্ধ। বাইশ গজে রোহিতদের হারিয়ে তার জবাব দিতে চাইছে তারা।

    এগিয়ে ভারত

    যশপ্রীত বুমরাহ-র অনুপস্থিতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতকে ভোগাবে বলেই মনে করেন অনেকে। তবে সম্প্রতি হর্ষিত রানার পারফরম্যান্স দলকে ভরসা জুগিয়েছে। গত এমার্জিং এশিয়া কাপের ম্যাচে বাংলাদেশের সৌম্যর সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন হর্ষিত রানা। আম্পায়ারদের হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাঁরা দু’জনেই রয়েছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025) দলে। ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বাগ্‌যুদ্ধ নতুন নয়। ২০০৭ সালে এক দিনের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছিল ভারত। তাই সতর্ক রোহিতরাও। তবে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছিল। কিন্তু, শেষ চারের লড়াইয়ে তারা ভারতের কাছে ৯ উইকেটে হেরে গিয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশ ওডিআই দ্বৈরথে ৪১টি ম্যাচের ৩২টিতেই জিতেছে ভারত। ৮টিতে বাংলাদেশ, একটি পরিত্যক্ত। দুই দলের দ্বৈরথে সর্বাধিক দলগত স্কোর ভারতের। ২০২২ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারত তুলেছিল ৮ উইকেটে ৪০৯।

  • ICC Champions Trophy: বোলিং নিয়ে গম্ভীর-চিন্তা! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নজির গড়ার পথে ভারত

    ICC Champions Trophy: বোলিং নিয়ে গম্ভীর-চিন্তা! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নজির গড়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy)। দীর্ঘ ৮ বছর পর ক্রিকেট বিশ্বের সেরা আটটি দেশকে নিয়ে আইসিসি-র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজিত হচ্ছে পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরবআমিরশাহি-তে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের প্রথম ম্যাচ অবশ্য বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের বিপক্ষে। রাজনৈতিক কারণে ভারত এবার পাকিস্তানে খেলতে রাজি না হওয়ায়, টুর্নামেন্টে টিম ইন্ডিয়ার সব কটি ম্যাচই হচ্ছে দুবাইয়ে। এমনকি, রোহিতরা সেমিফাইনাল ও ফাইনালে উঠলেও দুবাইয়ে খেলবেন। আর ভারত ছাড়া টুর্নামেন্টের বাকি সব কটি খেলাই হবে পাকিস্তানের তিনটি কেন্দ্রে-লাহোর, করাচি ও রাওয়ালপিন্ডিতে। ভারত না উঠলে ফাইনাল হবে লাহোরে, আর টিম ইন্ডিয়া খেললে সেটি হবে দুবাইয়ে।

    বিরল নজির গড়ার সামনে ভারত

    এই টুর্নামেন্টে (ICC Champions Trophy) এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জিতেছে ভারত। আর দুটো ম্যাচ জিতলে ২০টি ম্যাচ জয়ের নজির গড়বে মেন ইন ব্লু। যা অন্য কোন দলের নেই। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ের তালিকায় শীর্ষে ভারত। তাদের পিছনে রয়েছে ইংল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা, যারা ১৪টি ম্যাচ জিতেছে। এই দুই দলই ভারতের তুলনায় অনেক পিছিয়ে। অপরদিকে, ক্যারিবিয়ানরা, যারা একসময় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল, তারা ১৩টি জয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে, তবে তারা এই সংস্করণের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া, যারা বর্তমানে ওডিআই বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন, অবাক করা হলেও, ১২টি জয়ে পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে। পাকিস্তান, ২৩ ম্যাচে মাত্র ১১টি জয় নিয়ে আট নম্বরে রয়েছে।

    সমস্যায় ভারতের বোলিং বিভাগ

    বাবা মারা যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে দুবাই ছেড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ফিরেছেন ভারতীয় দলের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল। বিসিসিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বাবা অ্যালবার্টের মৃত্যুর খবর পান মর্কেল। এরপরেই তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বাবার শেষকৃত্য সম্পন্ন করে ফের ভারতীয় দলে যোগ দিতে পারেন। তবে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের বোলিং কোচ দুবাইয়ে ফিরবেন কি না, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। চোটের জন্য আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলতে পারছেন না ভারতীয় দলের সেরা পেসার জসপ্রীত বুমরা। ফলে ভারতের পেস বোলিং আক্রমণের শক্তি কমে গিয়েছে। এরই মধ্যে বোলিং কোচ দেশে ফিরে যাওয়ায় ভারতের বোলিং বিভাগে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

    গ্রুপে ভারতের প্রতিপক্ষ কারা

    ২০ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। ২৩ ফেব্রুয়ারি, রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ২ মার্চ গ্রুপের শেষ খেলায় নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। আপাতত প্রথম দুই ম্যাচই পাখির চোখ রোহিতদের। বাংলাদেশ ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের যাত্রা শুরু করতে চান রোহিতরা। এই দুই ম্যাচ ভারতের কাছে মর্যাদার লড়াই।

LinkedIn
Share