Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • BSF: নেই কাঁটাতার, তার ওপর শীতকাল! অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের

    BSF: নেই কাঁটাতার, তার ওপর শীতকাল! অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার সময় থেকে শুরু। একঝাঁক হিন্দু চলে এসেছিল এই দেশে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, ১৯৭১ তপ্ত সময়ে কাঁটাতারের বেড়া টপকে বহু অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে ভারতে। অগাস্ট মাসে শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার পরেই ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তারপরেই বাড়ে অনুপ্রবেশের ঘটনাও। যা সম্প্রতি সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির পরে আবার নতুন করে ভাবাচ্ছে সরকারকে। বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সমস্যা, কেবল কোনও ঘটনাকেন্দ্রিক নয়। এই সমস্যা সারা বছরের। গোটা বছরেই সেনাকে ফাঁকি দিয়ে, জঙ্গল-জল পেরিয়ে ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় চলে আসে বহু মানুষ। ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর (BSF) কাঁধে। তাহলে কেন বার বার সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে ঢুকে পড়ছে বাংলাদেশিরা? কী ভাবে, কোন পথেই বা ঘটছে অনুপ্রবেশ?

    কোথা দিয়ে কীভাবে ঘটে অনুপ্রবেশ? (BSF)

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh) যতটা সীমান্ত এলাকা রয়েছে, তার অনেকটাই পড়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে। পশ্চিমবঙ্গে মূলত রয়েছে উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার, দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার (BSF) এবং খানিকটা অংশ পড়ে গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের আওতায়। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুপ্রবেশের একটা বড় কারণ হল বিশাল অংশের অরক্ষিত সীমান্ত। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও, অনেকটা বড় অংশেই নেই কোনও বেড়াজাল। যেখান দিয়ে অনায়াসে রাতের অন্ধকারে ঘটে অনুপ্রবেশের ঘটনা।

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে শীত! কলকাতায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে পারদ, বঙ্গে তাপমাত্রা নামল ১০-এর নিচে

    কতটা এলাকা কাঁটাতারহীন রয়েছে?

    সরকারি তথ্য বলছে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের (BSF) অধীনে বাংলাদেশ সীমান্ত ২ হাজার ২১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। এর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে স্থল সীমান্ত রয়েছে ৯১৩.৩২৪ কিলোমিটার এবং জলসীমান্ত আছে ৩৬৩.৯৩০ কিলোমিটার। তার মধ্যে ৫৩৮ কিলোমিটার এলাকায় কোনও কাঁটাতার নেই। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে স্থলসীমান্ত রয়েছে ৯৩৬.৭০৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩৭৫ কিলোমিটার অংশই কাঁটাতারহীন। গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ার অধীনস্থ কোচবিহারে ১৭৭ কিমি সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১১০ কিলোমিটার স্থল সীমান্ত এবং প্রায় ৬৭ কিলোমিটার জল সীমান্ত। কোচবিহারে প্রায় ৫০ কিলোমিটার সীমান্ত কাঁটাতারহীন জায়গা। অর্থাৎ প্রায় ৯৬৩ কিলোমিটার অংশই কাঁটাতার বিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই ফাঁক গলেই প্রতিদিন ভারতে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। সরকারি তথ্য বলছে বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনস্থ এলাক.ধরা পড়েছে ১২২০ জন। ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে গত দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে সংখ্যাটা আরও বেড়ে গিয়েছে বলেই দাবি বিএসএফের।

    কী ভাবে ঘটে অনুপ্রবেশ?

    সীমান্ত লাগোয়া বাসিন্দাদের দাবি, অরক্ষিত সীমান্ত (BSF) দিয়ে চলে অনুপ্রবেশ। রাতের অন্ধকারে যখন কুয়াশার চাদরে দৃশ্যমানতা কমে আসে, তখন জল পথে ভারতে প্রবেশ করে অনুপ্রবেশকারীরা। ভারতের ভূখণ্ডে উঠেই জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চোরা পথে চলে যায় নিজেদের গন্তব্যে। কাছেই আছে বড় রাস্তা। তাই পালানো হয়ে ওঠে আরও সহজ। কোথাও রয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব তো কোথাও আবার পুলিশকে ঘুষ দিয়ে পগারপার হয় অনুপ্রবেশকারীরা। মূলত এই কারণেই শীতকালকে ব্যবহার করেন অনুপ্রবেশকারীরা। তা ছাড়া শীতের শুরুতে জলসীমান্তের নদীগুলিতেও জলস্তর নামতে থাকে। প্রায় শুকিয়ে যাওয়া নদীপথ পেরিয়ে নদীপারের ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়েও ভারতে প্রবেশ করেন অনেকে।

    কোন কোন এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ?

    উত্তরবঙ্গের মহানন্দা আর দক্ষিণবঙ্গের জলঙ্গি ও ইছামতী নদীকে অনুপ্রবেশের ‘হটস্পট’ বলেও চিহ্নিত করেছেন বিএসএফ (BSF) কর্তারা। গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন প্রায়ই রাতে চলে এই অনুপ্রবেশ। মালদা সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি বাংলাদেশের ভোলাহাট, শিবগঞ্জ, চাঁপাই, যশোর, নবাবগঞ্জের মতো এলাকা থেকেই ভারতের হয়ে হবিবপুর হয়ে নিয়মিত চলে অনুপ্রবেশ। তেমনই দক্ষিণবঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এলাকাতে ইচ্ছামতী নদীর অংশের ব্যপারটাও অনেকটা একইরকম। কেউ কেউ বলছেন পরে আবার স্থানীয় নেতা-মন্ত্রীকে ঘুষ দিয়ে করে নিচ্ছে জাল পরিচয় পত্র থেকে ঘরবাড়িও।

    সক্রিয় দালালচক্র!

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে দু’দেশের ‘দালাল’দেরও বিশেষ ভূমিকা থাকে। সে দেশের পুলিশের নজর এড়িয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্তের গন্তব্যে পৌঁছে দেন ও পারের দালালরা। এর পর ওয়াকিটকির মাধ্যমে এ পারের দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদেরই সহায়তায় ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ থেকে অরক্ষিত সীমান্ত এবং জঙ্গলঘেরা নদীপথ দিয়ে অবৈধভাবে বাংলায় প্রবেশ করেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। অনুপ্রবেশের পর মূলত দালালচক্রই অর্থের বিনিময়ে আধার, ভোটার এবং প্যান কার্ড বানিয়ে দেন বাংলাদেশি নাগরিকদের।

    কী বলছে বিএসএফ?

    বিএসএফ-(BSF) এর উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ইনস্পেক্টর সূর্যকান্ত বলেন, “ফাঁসিদেওয়ার আশেপাশে অনেক কাঁটাতারহীন এলাকায় ইতিমধ্যেই কাঁটাতার বসানো হয়ে গিয়েছে। বাকি অংশেও বসানোর কাজ চলছে। বড় বড় ফাঁকা অংশেও ফেন্সিং-এর কাজ চলছে।” জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধ করার জন্য প্রহরা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে। নজরদারি চালানো হচ্ছে থার্মাল ক্যামেরা, নাইট ভিশন ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে। সীমান্তে পারাপারের জায়গায় বসানো হয়েছে বায়োমেট্রিক মেশিন। বসানো হয়েছে অ্যালার্ম। বিএসএফের এক কর্তা বলেন, “সীমান্তে টানা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে অগাস্টের পর থেকে ও পার থেকে সংখ্যালঘুদের এ পারে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নিয়ে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)-র সঙ্গে আলোচনা করে ওই সমস্ত সমস্যা মেটানো হচ্ছে। আর ফেন্সিং (কাঁটাতার)-এর জন্য জমি অধিগ্রহণে রাজ্য সরকারেরও ভাল সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। ফ্রন্টিয়ারের অধীনে থাকা মোট সীমান্তের ১০ শতাংশে ফেন্সিং নেই। খুব শীঘ্রই সেই জায়গাগুলোতে ফেন্সিং লাগানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: শিল্পে ধাক্কা, কর্মসংস্থান শূন্য, বিপুল রাজস্ব ঘাটতি, নজর ঘোরাতেই কি ইউনূস সরকারের ভারত-বিদ্বেষ?

    Bangladesh: শিল্পে ধাক্কা, কর্মসংস্থান শূন্য, বিপুল রাজস্ব ঘাটতি, নজর ঘোরাতেই কি ইউনূস সরকারের ভারত-বিদ্বেষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারে পতনের পর দেশে পরিবর্তন আনতে নতুন ইউনূস সরকার ক্ষমতা দখল করেছে। আর এই তদারকি সরকার আসার পর থেকে অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। নতুন কোনও উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনার কথা শোনাতে পারেনি এই সরকার। বরং, এই চারমাসে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হু-হু করে বাড়ছে। যে বস্ত্র শিল্পের ওপর ভিত্তি করে এই দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে থাকে, সেই শিল্প এখন কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি মহম্মদ ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ঘাটতি। তাই, দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতেই কি তোলা হল ভারত-বিদ্বেষের জিগির? উঠছে প্রশ্ন।

    রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ৩১ হাজার কোটি টাকা (Bangladesh)

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংবাদপত্র ‘কালের কণ্ঠ’ সূত্রে খবর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বলছে, অর্থবর্ষের চার মাসেই রাজস্ব আয়ে টানাটানি চলছে। ঘাটতি ছাড়িয়েছে প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা। মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল ১ লক্ষ ৩২ হাজার ১১২ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ১ লক্ষ ১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা। এই সময়ে আমদানি শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর-এই তিন খাতের কোনওটিতেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। উল্টে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আদায় কমেছে। এর মধ্যে সবথেকে বেশি ঘাটতি হয়েছে আয়কর খাতে। চার মাসে ঘাটতির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা। এই খাতে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। আয়কর খাতে আদায় হয়েছে ৩২ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কারণ, বাংলাদেশে কর্মসংস্থানই তৈরি হয়নি। আমদানি খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৩২ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। এই খাতে ঘাটতি প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। ব্যবসা- বাণিজ্য কমে আসায় তার প্রভাব পড়েছে আমদানি খাতে।

     বাংলাদেশের টাকার দামে পতন

    মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে বাংলাদেশে। খাদ্যপণ্যের দামও চড়া। এবার আর্থিক পরিস্থিতি সামাল দিতে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ নিচ্ছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। বুধবার এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক সূত্রে এই ঘোষণা করা হয়েছে, এমনটাই প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ। বাংলাদেশি টাকায় এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৭ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা। ঋণের টাকা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে বলে জানা গিয়েছে। ৮ ডিসেম্বর থেকেই বাংলাদেশের টাকার দামে পতন ঘটেছে। নতুন হিসেবে ভারতের ১ টাকা মানে বাংলাদেশের ১ টাকা ৪১ পয়সা। আরও স্পষ্ট করে বললে, ভারতের ১০০ টাকা মানে বাংলাদেশের ১৪১ টাকা ২৬ পয়সা।

    বস্ত্রশিল্পে ধাক্কা!

    পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ (Bangladesh) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম, চিনের পর। বেশ কিছু বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এই দেশে পোশাক তৈরি বা সংগ্রহ করে। এসব পোশাক তারপর দেশে বড় বড় শোরুমে বিক্রি হয়। তবে দেশের চলমান অস্থিরতা এই ব্র্যান্ডগুলির ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশ বর্তমানে পাকিস্তানের মতো দেউলিয়া হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। ক্ষতি কমানোর জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ভারতীয় উৎপাদকদের দিকে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    ভ্যাট আদায়ে ঘাটতি হয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ভ্যাট আদায়ে ঘাটতি হয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। ভ্যাট আদায় হয়েছে ৩৬ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। এই সময়ে এই খাতের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৭ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে রাজস্ব আদায়ে বড়সড় ধস নেমেছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। তাই প্রশ্ন উঠছে, অকর্মণ্যতা থেকে নজর ঘোরাতেই কি ভারত-বিদ্বেষের জিগির তুলছেন ইউনূস? হিন্দু নিপীড়ন জারি রেখে নিজের অপদার্থতা ঢাকতে চাইছেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: বাংলাদেশে লুট হওয়া অস্ত্রে ভারতে হামলার ছক! সীমান্তে অ্যালার্ম বসাল বিএসএফ

    BSF: বাংলাদেশে লুট হওয়া অস্ত্রে ভারতে হামলার ছক! সীমান্তে অ্যালার্ম বসাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার চলছে। বাংলাদেশের অস্ত্রাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জঙ্গিদের ভারতে হামলার ছক রয়েছে।  এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে কড়া নজরদারি রয়েছে বিএসএফের। এর পরেও ঘটছে সীমান্তে অনুপ্রবেশ। দুদিন আগেই হলদিবাড়িতে এক বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার হওয়ার পরে উঠছে প্রশ্ন। নজরদারি বাড়াতে আরও উদ্যোগ নিল বিএসএফ (BSF)।

    ‘ইনফ্রারেড ইনট্রুডার অ্যালার্ম’- কী?(BSF)

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে ‘ইনফ্রারেড ইনট্রুডার অ্যালার্ম’ ব্যবস্থায় নজরদারি শুরু করা করেছে। বিএসএফ জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মেখলিগঞ্জ সীমান্তের মতো উন্মুক্ত সীমান্তের কয়েকটি জায়গায় ‘ইনফ্রারেড ইনট্রুডার অ্যালার্মও’ ব্যবহার করা হচ্ছে। বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের ৪০ নম্বর ব্যাটেলিয়নের অধীনে কুচলিবাড়ি পঞ্চায়েতের কলসীপাড়া, বিআরকে বাড়ি-সহ কয়েক কিলোমিটার সীমান্তে ওই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি নির্দিষ্ট দূরত্বে বসানো হয়েছে ওই যন্ত্র। বিএসএফ জানিয়েছে, ওই যন্ত্র থেকে ‘ইনফ্রারেড আলো’ বের হয়। আপাতদৃষ্টিতে অদৃশ্য সেই আলোক রশ্মি কোনও প্রাণী বা বস্তুতে ‘বাধাপ্রাপ্ত’ হলে বিএসএফের শিবিরে থাকা স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ম বেজে উঠবে। তাতে সতর্ক হবেন জওয়ানেরা। বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের ডিআইজি, ব্রিগেডিয়ার বিজয় মেহতা বলেন, “অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নজরদারি চালাতে এই বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাতে যথেষ্ট সাফল্যও মিলছে।” বিএসএফের স্থানীয় আধিকারিকরা জানান, কুচলিবাড়ির প্রায় ১৭-১৮ কিলোমিটার এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিশেষ সেই নজরদারি ব্যবস্থায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলিতেও তা বসানো হবে।

    লুট হওয়া অস্ত্র নিয়ে ভারতে হামলার ছক!

    অনুপ্রবেশের আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে মালদা-সহ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক এলাকায়। আর এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের অস্ত্রাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জঙ্গিরা অনুপ্রবেশ করতে পারে ভারতে। আর তা মালদা সীমান্ত হয়ে ভারতে ঢোকার জোর সম্ভাবনা আছে বলে জানা গিয়েছে। আর এই সমস্ত সীমান্ত (BSF) দিয়েই জঙ্গি অনুপ্রবেশ করতে পারে। এই আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে মালদার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের হবিবপুর ব্লকের যাদব নগর, আইহো সহ একাধিক এলাকার বাসিন্দাদের। সীমান্ত এলাকার এই সমস্ত বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁরা আতঙ্কে রয়েছেন। সূর্য ডুবলেই কেউ আর বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশে জোর ধাক্কা পোশাক শিল্পে! ভারত হতে পারে বিশ্বের নয়া গন্তব্য

    Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশে জোর ধাক্কা পোশাক শিল্পে! ভারত হতে পারে বিশ্বের নয়া গন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে পড়েছে প্রভাব। পদ্মাপাড়ে অশান্তির জেরে লাভবান হতে চলেছেন ভারতের বস্ত্র ব্যবসায়ীরা, এমনই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ইতিমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে কাপড়ের কোম্পানিগুলির স্টকের গ্রাফ। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এই পরিস্থিতিতে ইউরোপ ও আমেরিকায় রফতানির জন্য বিপুল টাকার বরাত পেতে পারে ভারতের বিভিন্ন সংস্থা।

    বাংলাদেশের কাপড়ের চাহিদা

    আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) কাপড়ের দারুণ চাহিদা রয়েছে। বস্ত্র রফতানিতে ভারত ও চিনকে রীতিমতো টেক্কা দিয়ে থাকে পূর্ব পাড়ের এই প্রতিবেশী। গত বছর অর্থাৎ ২০২৩-এ বস্ত্র শিল্পের পরিসর বৃদ্ধি করে পদ্মা নদীর দেশ। ফলে রফতানি বাণিজ্যের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়াছিল ঢাকা। সম্প্রতি পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হওয়ায় মারাত্মকভাবে ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশের কাপড় ব্যবসা। বাংলাদেশ বর্তমানে পাকিস্তানের মতো দেউলিয়া হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত গার্মেন্ট শিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দুদের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঘটনা বাড়ানোর ফলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে, এবং অনেক প্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ হওয়ার পথে।

    ভারতের সুবিধা

    পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম, চিনের পর। বেশ কিছু বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এই দেশে পোশাক তৈরি বা সংগ্রহ করে। এসব পোশাক তারপর দেশে বড় বড় শোরুমে বিক্রি হয়। তবে দেশের চলমান অস্থিরতা এই ব্র্যান্ডগুলির ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ক্ষতি কমানোর জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ভারতীয় উৎপাদকদের দিকে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, ২০১৮ থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় কাপড় রফতানির পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত। গত বছর যা ৬ শতাংশে পৌঁছয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যের ২১ শতাংশ বাজার দখল করতে পারে ভারত।

    বাংলাদেশের জিডিপিতে পোশাক শিল্পের গুরুত্ব

    পোশাক শিল্প বাংলাদেশের জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০২৪ সালে এটি ছিল জিডিপির ১১ শতাংশ। এই খাতের প্রায় ৮০ শতাংশ রাজস্ব আসে রফতানি থেকে। এই অবস্থায় পোশাক শিল্প কমে গেলে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিতে পারে। বহু মানুষ চাকরি হারাতে পারেন। বিপুল ঋণের বোঝা বহন করতে হতে পারে ঢাকাকে। এমন পরিস্থিতি বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো অর্থনৈতিক পতনের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেডিমেড পোশাক রফতানি করেছে বিশ্ব বাজারে। আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলিতে বাংলাদেশের পোশাকের বিপুল চাহিদা। শেখ হাসিনার সময়কালে এই বস্ত্র শিল্পের উপরে ভরসা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। তাদের বরাতে জুটেছিল উন্নয়নশীল দেশের তকমাও। আপাতত প্রবল বিদ্রোহের জেরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশত্যাগী। সেইসঙ্গে বিগত মাস দুয়েক ধরে চলা অশান্তির পরিবেশে বাংলাদেশের রফতানি প্রবল ভাবে ধাক্কা খেয়েছে। ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশের গৌরব এবং ভরসার বস্ত্র শিল্পও। 

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    ভারতের সুরাট শহর লাভবান হতে পারে

    এই সুযোগ ছাড়তে নারাজ ভারতীয় বস্ত্র শিল্পপতিরা (Garment Industry)। ইউরোপ, আমেরিকার পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার বাজার দখলের মরিয়া চেষ্টা চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা। যার প্রভাব কোম্পানি ও কাপড়ের মিলের স্টকে দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো তাদের পণ্য উৎপাদন বা সংগ্রহের জন্য নতুন স্থান খুঁজছে, এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সুরাট শহর একটি বিকল্প হিসেবে উঠে আসতে পারে। ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে, সুরাটের গার্মেন্ট শিল্পে বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্পের অভ্যন্তরীণ সূত্র অনুযায়ী, গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো এখানে প্রস্তুত পোশাক উৎপাদন এবং সরবরাহ সম্পর্কে জানতে চাইছে। যদি এই আকর্ষণ অর্ডারে পরিণত হয়, তবে সুরাটের গার্মেন্ট শিল্পের বৃদ্ধির হার বর্তমানে ১২ শতাংশ থেকে ২০-২৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। দক্ষিণ গুজরাট চেম্বার অফ কমার্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আশিস গুজনির মতে, নতুন অর্ডারগুলি শুধুমাত্র সুরাট নয়, অন্যান্য ভারতীয় শহরগুলিকেও লাভবান করতে পারে, যেখানে বস্ত্র শিল্পের কেন্দ্র রয়েছে। তিরুপুর ও কোয়েম্বাটুর (তামিলনাড়ু), লুধিয়ানা (পাঞ্জাব) এবং নয়ডার (উত্তরপ্রদেশ) মতো শহরগুলোও লাভবান হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান এবং হামাসের একটি সংস্করণ’’, উৎখাতের ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান এবং হামাসের একটি সংস্করণ’’, উৎখাতের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। প্রকাশ্যে মিছিল করছে জঙ্গি সংগঠন। এমনকী, মহিলাদের বাজারে যাওয়া বন্ধ করার ফতোয়া জারি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান এবং হামাসের একটি সংস্করণ। এই সরকার আসলে জঙ্গিদের দ্বারা পরিচালিত। এই ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে বাংলাদেশের তদারকি সরকারকে উৎখাত করার ডাক দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ইউনূস সরকারকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    বাংলাদেশের অন্তবর্তী ইউনূস সরকারকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘পরিকল্পিতভাবে ওপার বাংলায় সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে। ওদের উদ্দেশ্যই হল সংখ্যালঘুদের সে দেশ থেকে উৎখাত করা। কী সাহস ইউনূস সরকারের। বলছে চার ঘণ্টায় কলকাতা দখল করে নেবে। আমাদের দু’টো রাফাল বাংলাদেশে ফেললেই কাজ হয়ে যাবে। তাই, এত বড় বড় আওয়াজ দেবেন না। সেই আওয়াজ বন্ধ করার ওষুধ আছে আমাদের কাছে।’’

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    মৌলবাদী সরকারকে উৎখাতের ডাক

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সরকার। এই সরকারটা (Yunus Government) মৌলবাদীদের দ্বারা পরিচালিত। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। পৃথিবীর কোথাও এমন ঘটনা ঘটে না। কেবল একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের অধ্যুষিত দেশগুলোতেই এই ধরনের গা-জোয়ারি দেখা যায়। আমি বিশ্বাস করি, আমেরিকা ও ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশগুলি সম্মিলিতভাবে জঙ্গি পরিচালিত বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাত করবে। জঙ্গিবাদকে নিকেশ করবে।’’ তারপর শুভেন্দুর সংযোজন, ‘‘বাংলাদেশের ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান ও হামাসের একটা সংস্করণ। দ্রুত এই জঙ্গি মৌলবাদী সরকারকে উৎখাত করা দরকার।’’

    ভারতের অবদান স্মরণ করালেন শুভেন্দু

    ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ বাঙালি শহিদ হয়েছেন। ১৭ হাজার ভারতীয় সৈন্য শহিদ হয়েছেন। আর আজ তারা মুখে বড় বড় কথা বলছে। করোনার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশকে বিনামূল্যে প্রতিষেধক টিকা দিয়েছিলেন। ওদের বড় বড় কথা সব বন্ধ হয়ে যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বেকায়দায় ইউনূস! ভারতের চাপে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় গ্রেফতার ৭০

    Bangladesh: বেকায়দায় ইউনূস! ভারতের চাপে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় গ্রেফতার ৭০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে উত্তাল বাংলাদেশ। হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। এই ঘটনা নিয়ে সোমবারই তদারকি সরকারের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। সেখানে, তদারকি সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আশ্বাস দেন, এ হেন ঘটনা বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার বরদাস্ত করবে না। তার ঠিক পরের দিনই, মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রশাসনের তরফে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। কার্যত ভারতের চাপে নতিস্বীকার করল ইউনূস (Md Yunus) সরকার। আর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনায় হিন্দুদের ওপর যে নির্যাতন হচ্ছিল তা প্রমাণ করে দিল।

    হিন্দু নির্যাতনে কতজন গ্রেফতার? (Bangladesh)

    মঙ্গলবার বাংলাদেশের (Bangladesh) তদারকি সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব মহম্মদ শফিকুল আলম বলেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাংলাদেশে অশান্তির ঘটনায় ৮৮টি মামলা হয়েছে। গত ৫ অগাস্ট থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ৭০ জন। সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগেই এই মামলাগুলি দায়ের হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।” পাশাপাশি, বাংলাদেশের অশান্তির ঘটনা প্রসঙ্গে শফিকুল বলেন, “সুনামগঞ্জে একটি ঘটনা ঘটেছে। কিছু কিছু জায়গায় চট্টগ্রাম, ঢাকার তুরাগ ও নরসিংদীতে ঘটনা ঘটেছে। সেগুলির প্রতিটির তথ্য সাংবাদিকদের দেওয়া হবে। বাংলাদেশে যাঁরা এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের সবাইকে গ্রেফতার করা হবে। কোনও রাজনৈতিক দলের রং না দেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    ভারতের চাপেই ব্যবস্থা!

    অশান্ত বাংলাদেশ। সংখ্যালঘু হিন্দুদের (Bangladesh) ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। এই আবহেই সোমবার ঢাকায় যান ভারতের বিদেশ সচিব। প্রথমে তিনি বৈঠক করেন বাংলাদেশের বিদেশ সচিব মহম্মদ জসীম উদ্দিনের সঙ্গে। পরে বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিক্রম। তিনটি বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়- যার মূল নির্যাস উভয় পক্ষই সুসম্পর্ক চায়। এ ছাড়াও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগের বিষয়টিও উঠেছিল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। বৈঠক শেষে ভারতের বিদেশ সচিব জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং উন্নয়ন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি। সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন নিয়ে ভারতের উদ্বেগ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশ সচিব পরে জানান, সে দেশে বসবাসরত সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীন ভাবে নিজেদের ধর্মচর্চা করছেন। এ ব্যাপারে কোনও ধরনের বিভ্রান্তির জায়গা নেই। বাংলাদেশ সরকার এমন ঘটনা কোনও ভাবেই মেনে নেবে না, তা-ও বৈঠকে ভারতের বিদেশ সচিবকে জানানো হয়েছে বলে দাবি করেন জসীম উদ্দিন। তার পরই মঙ্গলবার অশান্তির অভিযোগের পরিসংখ্যান দিল ইউনূস প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindus in Bangladesh: ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ করুক ভারত সরকার’’, বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন রোধে বার্তা আরএসএসের

    Hindus in Bangladesh: ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ করুক ভারত সরকার’’, বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন রোধে বার্তা আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus in Bangladesh) উপর নির্যাতন রোধ করার জন্য ভারত সরকারের ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ’’ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) নেতা সুনীল অম্বেকর। পদ্মাপাড়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এই নির্যাতন বন্ধ করতে ভারত সরকারের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা উচিত বলেও মত সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখের।

    আরও সক্রিয় পদক্ষেপের আশা

    মঙ্গলবার নাগপুরে ‘সকল হিন্দু সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত একটি সভায় সুনীল বলেন, ‘‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ প্রতিরোধে ভারত সরকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাংলাদেশে যা ঘটছে তা প্রতিটি হিন্দুর মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশ (Hindus in Bangladesh) সরকারকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘটে চলা নির্যাতন বন্ধ করতে হবে এবং দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। ভারত সরকারকে এই ধরনের নির্যাতন বন্ধ করতে অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলতে হবে। যে কোনও মূল্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সিরিয়া, বিশেষ বিমানে দেশে ফেরানো হচ্ছে ৭৫ ভারতীয়কে

    বাংলাদেশের হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ

    অম্বেকর আশা প্রকাশ করেন যে, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রির বাংলাদেশ সফর নিশ্চয় কোনও সমাধান সূত্র বার করবে। তবে, যদি এর মাধ্যমে কোনও ইতিবাচক ফল পাওয়া না যায়, তাহলে ভারতকে অন্য কোনও পথ খুঁজে বের করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। তাঁর দাবি, ‘‘বিশ্বের কিছু শক্তি বাংলাদেশে (Hindus in Bangladesh) অশান্তি সৃষ্টি করছে। আমাদের এসব শক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে, যাতে হিন্দুদের প্রতি এ ধরনের অত্যাচার বন্ধ হয়, শুধু আমাদের দেশে নয়, অন্যান্য দেশেও।’’ বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার এবং তাঁর আইনজীবীর ওপর হামলার প্রসঙ্গে অম্বেকর বলেন, ‘‘এই ঘটনা নির্যাতনের সীমা অতিক্রম করেছে।’’ এই আবহে বাংলাদেশি হিন্দুদের মনোভাবের প্রশংসা করেছেন সুনীল। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের হিন্দুরা একটি অনুপ্রেরণাদায়ক বার্তা দিয়েছেন যে, তাঁরা পালিয়ে যাচ্ছেন না, বরং ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: মুজিবের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও খারিজ! বঙ্গবন্ধুর সব স্মৃতি মুছে ফেলতে মরিয়া ইউনূস

    Bangladesh: মুজিবের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও খারিজ! বঙ্গবন্ধুর সব স্মৃতি মুছে ফেলতে মরিয়া ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে একে একে বঙ্গবন্ধুর সব স্মৃতি মুছে ফেলা হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। তাঁর মূর্তিতে পড়েছে হাতুড়ি। কালি লেপে দেওয়া হয়েছে মুজিবুরের ছবিতে। এবার বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান থাকছে না বঙ্গবন্ধুর ‘জয় বাংলা’। এই স্লোগানও খারিজ করল বাংলাদেশের (Bangladesh) সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের ২০২০ সালের নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ দিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।

    ইউনূস সরকারের আবেদনে শিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের! (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে ‘জয় বাংলা’কে বাংলাদেশের (Bangladesh) জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। সেই রায় স্থগিত করে দিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মহম্মদ ইউনূসের তত্ত্বাবধানে থাকা অন্তর্বর্তী সরকারের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বাংলা দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের বেঞ্চ এই রায় দেন। ডেইলি স্টার সূত্রে খবর, সরকার পক্ষের হয়ে সওয়াল করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান আর বাংলাদেশের জাতীয় হিসেবে বিবেচিত হবে না। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তাদের টাকা থেকেও বঙ্গবন্ধুর মুখ সরিয়ে ফেলতে চায়। সেই প্রস্তুতিও সম্পূর্ণ প্রায়। একে একে বদলে যাবে বাংলাদেশের নোটগুলি। বঙ্গবন্ধুর ছবির বদলে সেখানে আসবে জুলাই বিদ্রোহ (২০২৪) এর বিভিন্ন গ্রাফিতি।

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    হাসিনাকে ফেরতের দাবি!

    ভারতের আশ্রয়ে থেকে লাগাতার ভার্চুয়াল সভা করে চলেছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি-সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। রবিবারও পরোক্ষে কামব্যাকের ইঙ্গিত দিয়েই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘বাংলাদেশের মাটিতেই খুনি মাস্টারমাইন্ড মহম্মদ ইউনূসের বিচার হবে।’’ ঘটনাচক্রে রবিবার রাতেই ইউনূসের প্রেস-সচিব দাবি করেছেন, হাসিনাকে (Sheikh Hasina) ফেরাতে নতুন করে কোমর বাঁধছে ঢাকা। স্রেফ কিছু আইনি প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছে বাংলাদেশ সরকার। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতের সঙ্গে আমাদের যে প্রত্যপর্ণ চুক্তি রয়েছে, তা বাস্তবায়নে কিছু আইনি প্রক্রিয়া বাকি আছে। তা শেষ হলেই আনুষ্ঠানিক ভাবে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতকে অ্যাপ্রোচ করা হবে।’’

    সূত্রের দাবি, সোমবার ঢাকা সফররত ভারতীয় বিদেশসচিবের কাছে হাসিনা-প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন ইউনূস সরকারের বিদেশসচিব মহম্মদ জসিম উদ্দিন। কিন্তু হাসিনাকে নিয়ে হঠাৎ এত তৎপর কেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার? ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের দাবি, হাসিনার একের পর এক ভার্চুয়াল ভাষণ হিট হচ্ছে দেখেই চাপে ইউনূস সরকার। খুব সম্ভবত নিজেদের বিপদ আঁচ করে অন্তর্বর্তী সরকারকে নেপথ্যে থেকে উস্কানি দিচ্ছে খালেদা জিয়ার দল বিএনপি। জানা গিয়েছে, রবিবার ঢাকার মৌলবী বাজারে এক আওয়ামি নেতার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। সেখানে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন দুই মহিলা। অভিযোগ উঠেছে, হাসিনার ভাষণ শেষে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল ওই বাড়িতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kailash Satyarthi: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার! ইউনূসকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ কৈলাস সত্যার্থীর

    Kailash Satyarthi: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার! ইউনূসকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ কৈলাস সত্যার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক নোবেল জয়ীকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ আর এক নোবেলজয়ীর! বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান তথা শান্তিতে নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূসকে রাজধর্ম পালনের আবেদন জানালেন ভারতের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী ব্যক্তিত্ব কৈলাস সত্যার্থী (Kailash Satyarthi)। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বাংলাদেশে প্রায় ৪০ বছর কাজ করেছি। তখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছিল। কিন্তু আজ আর সেই পরিস্থিতি নেই।”

    কী বললেন কৈলাস সত্যার্থী?

    মানবাধিকার দিবসে ইউনূসকে পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সত্যার্থী বলেন, “যেভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়েছে, তাতে মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। বাংলাদেশে যেন মানবাধিকারকে বন্দি করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। অবিলম্বে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করুন।”

    ইউনূসকে নিশানা অভিজিতেরও

    বিশ্বশান্তির জন্য নোবেল পেয়েছিলেন ইউনূস। তাঁর পুরস্কার কেড়ে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যেভাবে অন্য ধর্মের ওপর বিশেষত হিন্দু ধর্মের ওপর যে আক্রমণ চলছে, তাতে আমি মনে করি নোবেল কমিটির উচিত এই মুহূর্তে তাঁর নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়া।” তিনি বলেন, “আপনারা হয়তো আমায় জিজ্ঞেস করতে পারেন, নোবেল কমিটির এই রুল আছে কিনা। আমি তা বলতে পারব না। তবে একটা সাধারণ রুল রয়েছে, যে কোনও কর্তৃপক্ষ যদি কোনও একটা কাজ করতে চান, করার ক্ষমতা থাকে, তাহলে তার সেই কাজ নাকচ করার ক্ষমতাও থাকে।” অভিজিৎ বলেন, “সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই আমি দাবি করছি, নোবেল কমিটি এই মুহূর্তে ইউনূসের নোবেল পুরস্কার ফেরত নিয়ে নিক।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যে ঢুকেছে এক কোটি রোহিঙ্গা! হিন্দুদের বাঁচাতে ধর্ম রক্ষা কমিটি গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    অভিজিৎ (Kailash Satyarthi) বলেন, “একটা সময় ছিল যখন তাঁকে বলা হত গরিবের ব্যাঙ্কার। গোটা বিশ্বে তখন তাঁর প্রশংসা। ২০০৬ সালে তাঁর ঝুলিতে আসে নোবেল শান্তি পুরস্কার। কিন্তু সেই মহম্মদ ইউনূসের আমলেই আজ বাংলাদেশে হিন্দুদের শান্তি খানখান।” তিনি বলেন, “অত্যাচারের ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠেছে। আর কার্যত চুপ করে দেখছেন মহম্মদ ইউনূস।” সত্যার্থী (Kailash Satyarthi) বলেন, “বারবার প্রশ্ন উঠছে, যে মোল্লাতন্ত্র পাকিস্তানকে চালাত, এখন কি সেই মোল্লাতন্ত্রের ইশারায়ই চলছেন (Bangladesh Crisis) শান্তিতে নোবেল জয়ী?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bangladesh: হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে গণবিক্ষোভ

    Bangladesh: হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে গণবিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের বিজয় দিবসের কথা মনে করিয়ে দিতে দিল্লিতে বাংলাদেশ (Bangladesh) হাই কমিশনের (Bangladesh High Commission) সামনে বিরাট বিক্ষোভে সামিল হয়েছে ভারতীয়রা। গত ৫ অগাস্ট থেকে লাগাতার হওয়া বাংলাদেশে হিন্দু নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং ঘেরাও কর্মসূচি নিয়ে ওই দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে কড়া বার্তা দিয়েছে ভারতীয় হিন্দু সমাজ। হাজার হাজার সাধারণ জনতার সঙ্গে সাধুসন্তরা এদিন এই কর্মসূচীতে যোগদান করেছেন। দাবি একটাই হিন্দু নির্যাতন বন্ধ হোক।

    হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তির রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে (Bangladesh)

    নভেম্বরের শেষেই বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ধর্ম গুরু চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে প্রতিদিন একাধিক জায়গায় কট্টর মৌলবাদী মুসলমানদের চলছে আগ্রাসন। হিন্দু বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, দোকান লুট, মন্দিরে আগুন, মূর্তি ভাঙচুর, হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ, খুন-সহ একাধিক ঘটনায় চরম বিপাকে সনাতনী সমাজ। ঢাকার রাজপথে বিলি হচ্ছে ‘ভারত শত্রুরাষ্ট্র’ লিফলেট, চার দিনে কলকাতা দখল হবে বলে দেওয়া হচ্ছে হুঙ্কার। ধর্মগুরুরা প্রকাশ্যে মাইকে ঘোষণা করছেন তলোয়ার দিয়ে কোপানো হবে ইসকনকে। এই সব ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস একদম চুপ। চট্টগ্রামের বাড়িতে ঢুকে খুন করা হয়েছে হিন্দু মহিলাকে। ঢাকায় পড়ানো হচ্ছে জগন্নাথের মন্দির। তাই প্রতিবাদ জানাতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) সামনে একত্রিত হয়েছেন বহু মানুষ। সকলের মুখে একটাই স্লোগান হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তির রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে বাংলাদেশকে। একই ভাবে ইসকনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা যাবে না। অবিলম্বে চিন্ময় কৃষ্ণ সন্ন্যাসীকে মুক্তি দিতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ এএসআই-এর রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ২৫০টি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ ওয়াকফের দখলে!

    হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত

    এদিন দিল্লিতে আন্দোলনকারীরা বলেন, রাষ্ট্রসঙ্ঘ কেন নির্বাক? অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংগঠনও হিন্দুদের উপর ভয়াবহ অত্যাচারের বিরুদ্ধে চুপচাপ করে বসে আছে। বাংলাদেশ কি ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কথা ভুলে গিয়েছে? একই ভাবে আগে মুম্বইয়ে বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) সামনে একাধিক হিন্দু সংগঠন বিক্ষোভ দেখান। একই ভাবে রবিবার দেশের আরও একাধিক জায়গায় হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি ঢাকায় বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশ উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হুসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share