Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Indian Fishermen: ‘‘উলঙ্গ করে অনেকের আগুপিছু ছবি তুলেছে’’! বাংলাদেশ থেকে ফিরে বললেন মৎস্যজীবীরা

    Indian Fishermen: ‘‘উলঙ্গ করে অনেকের আগুপিছু ছবি তুলেছে’’! বাংলাদেশ থেকে ফিরে বললেন মৎস্যজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ৯৫ জন মৎস্যজীবী বেশ কয়েকদিন আটকে ছিলেন বাংলাদেশে। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে তাঁরা ফিরেছেন ঘরে। মূলত ভারত এবং বাংলাদেশ, দুই দেশের মৎস্যজীবীদের বিনিময় করে ফিরিয়ে দেওয়া হয় নিজেদের দেশে। এর মধ্যে দেশে ফেরা ভারতীয় মৎস্যজীবীদের (Indian Fishermen) অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই সব মৎস্যজীবীদের ওপর নির্মম অত্যাচার করেছে বাংলাদেশের নৌসেনা ও কোস্টগার্ড। দেশে ফিরে শোনালেন বাংলাদেশে আটকে থাকাকালীন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা। কেউ জানালেন, “নগ্ন করে আমাদের মারা হয়েছে। সেই ছবিও তোলা হয়েছে।” কেউ আবার  বললেন, “শেখ হাসিনাকে ভারতের মা বলে বিদ্রুপ সহ্য করতে হয়েছে।” শুধু তাই নয়, বাংলাদেশি বন্দিদের রোষের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদের। এক ভারতীয় মৎস্যজীবীকে তো খুন করা হয়েছে। এক কথায় ভারতীয় মৎস্যজীবীদের পরিষ্কার কথা, তাঁরা বাংলাদেশের নৌসেনাদের অত্যাচারের স্মৃতি ভুলতে পারছে না।

    উলঙ্গ করে আগোপিছু ছবি তুলেছে (Indian Fishermen)

    গোপাল মান্না নামে এক মৎস্যজীবী বলেন, ‘‘ডিসেম্বরের ২০ তারিখ আমাদের ধরেছিল। তারপর পিছমোড়া করে বেঁধে নিয়ে যায়। এরপর ওদের দেশের (Bangladesh) নৌবাহিনী আমাদের মাছগুলো (Indian Fishermen) নিয়ে চলে যায়। তারপর আমাদের আধার কার্ড চায়। এরপর উলঙ্গ করে অনেকের আগুপিছু ছবি তুলেছে। আমরা কিছু বলিনি। কারণ যদি আরও মারধর করে। বারবার বলছে জামা কাপড় খোল।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের আগে যাঁদের ধরেছে তাদের তো বেদম মেরেছে। এত মেরেছে যে পায়খানার সঙ্গে রক্ত বের হত। ওই মার চোখে দেখা যায় না। পশুর ওপরও ওরকম অত্যাচার করা হয় না। এরপর ওইখানকার থানায় নিয়ে যায়। খাবার দিয়েছে। মেডিক্যাল করল। তারপর শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে পুলিশ বলল, তোদের মা নেই। মা মরে গিয়েছে। চলে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ২২ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদে রাম মন্দিরের সূচনা, ঘোষণা অম্বিকানন্দের, কারা কারা আমন্ত্রিত?

    ভারতীয় মৎস্যজীবীকে ডুবিয়ে মারার অভিযোগ

    বছর ষাটের গুণমণি দাসকে ডুবিয়ে মারার অভিযোগ বাংলাদেশের কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে। এমনিতে অন্যান্য মৎস্যজীবীদের (Indian Fishermen) অকথ্য অত্যাচার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃত মৎস্যজীবীর কাকদ্বীপের বাড়িতে বুক ফাটা কান্না। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ থেকে ট্রলারে সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিলেন মৎস্যজীবী গুণমণি দাস। ৬টি ট্রলারে মোট ৯৫ জন রওনা দেন মাছ শিকার করতে। দু’মাস পরে গুণমণি দাস ছাড়া ঘরে ফিরেছেন সকলে। ফিরে আসা মৎস্যজীবীর দাবি, ১৬ অক্টোবর মাঝ সমুদ্রে বিকল হয়ে যায় ট্রলারের ইঞ্জিন। সেই সময়ে সীমান্ত পার করে চরম বিপদের মুখে পড়েন সকলে। বাংলাদেশের কোস্টগার্ড দেখতে পেয়ে সজোরে ধাক্কা মারে গুণমণি দাসের ট্রলারে। ট্রলার থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে যান ৫ মৎস্যজীবী। ৪ জনকে উদ্ধার করা হলেও গুণমণিকে তুলতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাংলাদেশের কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুণমণিকে ডুবিয়ে খুনের অভিযোগ তুলেছেন ফিরে আসা এক ভারতীয় মৎস্যজীবী। সেই সঙ্গে, তাঁর আরও অভিযোগ, আটক হওয়া ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ওপর নির্মম অত্যাচার করা হয়েছে। হাত-পা বেঁধে নিরীহ মৎস্যজীবীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। আঘাতের জেরে দেহের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষত রয়েছে মৎস্যজীবীদের। আহত ২২ জন মৎস্যজীবীর চিকিৎসা হয় কাকদ্বীপ সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: পেটে খিদে মুখে যুদ্ধ! সেই ভারত থেকে ফের ৫০ হাজার টন চাল আমদানি বাংলাদেশের

    Bangladesh: পেটে খিদে মুখে যুদ্ধ! সেই ভারত থেকে ফের ৫০ হাজার টন চাল আমদানি বাংলাদেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত-বিদ্বেষ বেড়েই চলেছে। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার স্বপ্ন দেখছেন মৌলবাদীরা। কিন্তু, দেশবাসীর মুখে দুবেলা অন্ন জোগানের ব্যবস্থা করতে পারেনি ইউনূস প্রশাসন। বন্ধু পাকিস্তানও এই সংকটে পাশে এসে দাঁড়ায়নি। যে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলবাদীরা, খিদে মেটাতেই সেই ‘শত্রু দেশ’ ভারতের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে ইউনূস সরকারকে। ভারত থেকে ফের ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি চাল কেনার (Indian Rice) সিদ্ধান্ত ইউনূস সরকারের।  ওই যে কথায় বলে, পেটের জ্বালা বড় জ্বালা!

    ৫০ হাজার টন চাল আমদানি করবে বাংলাদেশ (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে পাইকারি বাজারে চালের দাম বেড়েছে। এমনই দাবি করা হল বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘কালের কণ্ঠ’-র রিপোর্টে। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত এক মাসে বাংলাদেশে খুচরো বাজারে প্রতি বস্তা চালের (Indian Rice) দাম ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা বেড়েছে। এই আবহে সেখানের বাজারে সরু চালের দাম কেজি প্রতি ৭ থেকে ১০ টাকা এবং মোটা চালের দাম কেজি পিছু ৫ থেকে ৬ টাকা বেড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই আবহে মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ভারত থেকে ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল আমদানি করবে বাংলাদেশ (Bangladesh)।

    আরও পড়ুন: ২২ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদে রাম মন্দিরের সূচনা, ঘোষণা অম্বিকানন্দের, কারা কারা আমন্ত্রিত?

    কেন চাল কিনবে?

    জানা গিয়েছে, মূলত ঘরোয়া বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন চাল কিনবে ইউনূস সরকার। আর সেই কারণে বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার চাল কিনতে টেন্ডার ডেকেছিল। সেই টেন্ডারে সর্বনিম্ন দর দিয়েছিল ভারতের বাগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড। এই আবহে তাদের থেকে ৪৫৮.৮৪ মার্কিন ডলার প্রতি টন হিসেবে ৫০ হাজার টন চাল কিনবে বাংলাদেশ। এই চাল (Indian Rice) কিনতে বাংলাদেশের পকেট থেকে খসবে ২ কোটি ২৯ লাখ ৪২ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২৭৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অর্থাৎ, প্রতি কেজি চালের ক্রয়মূল্য ধার্য করা হয়েছে ৫৫.০৬ টাকা।

    নভেম্বর-ডিসেম্বরেও ভারতের চালে পেট ভরেছে বাংলাদেশের

    এই প্রথম নয়। এর আগে, গত ডিসেম্বরেই ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল কেনার অনুমোদন দিয়েছিল ইউনূস সরকার। ৪ ডিসেম্বর প্রতি কেজিতে ৫৬.১২ টাকা দরে চাল আমদানির অনুমোদন দিয়েছিল ঢাকা। তার পর, ১৮ ডিসেম্বর ৫৪.৮০ টাকা প্রতি কেজি দরে ভারত থেকে চাল কেনার (Indian Rice) জন্যে সবুজ সংকেত দিয়েছিল ইউনূস সরকার। এরও আগে, গত ২১ নভেম্বর ভারতের এসএইএল অ্যাগ্রি কমোডিটিজের থেকে ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। এই আবহে গত কয়েক মাসে ইতিমধ্যেই ভারত থেকে ১ লক্ষ টন চাল কিনেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। আর এবার ঘরোয়া বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন চাল কিনবে ইউনূস সরকার।

    ভারত থেকে ৬ লক্ষ টন চাল আমদানিতে অনুমতি

    এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশের সরকারি তথ্য বলছে, চলতি বছর সেদেশে ২০ লাখ ৫২ হাজার টন চালের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে সাড়ে ১০ লাখ টন চাল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের, যার মধ্যে আবার ভারত থেকেই ৬ লাখ টন চাল (Indian Rice) আমদানির নীতিগত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি! কারণ, পাকিস্তান হোক বা তাইল্যান্ড কিংবা ভিয়েতনাম— এসব জায়গা থেকে চাল আমদানি করতে বেশি খরচের ভার বহন করতে হবে ইউনূস প্রশাসনকে, যার আগে থেকেই কার্যত ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’ অবস্থা। এই আবহে আপাতত বাংলাদেশের (Bangladesh) বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে সেই ভারতের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে ইউনূস সরকারকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Passport Scam: ছেলে পুলিশ, জাল পাসপোর্ট চক্রে জড়িত মুহুরি বাবা

    Passport Scam: ছেলে পুলিশ, জাল পাসপোর্ট চক্রে জড়িত মুহুরি বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাসপোর্ট জালিয়াতি (Passport Scam) কাণ্ডে এবার গ্রেফতার এক মুহুরি। সমীর দাস নামে বারাসত আদালতের এক মুহুরিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত বারাসতের নবপল্লির বাসিন্দা। পাসপোর্ট জালিয়াতি কাণ্ডের তদন্তে নেমে কারা বাংলাদেশিদের জন্য বিভিন্ন দরকারি ভারতীয় নথি বানাত তার খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। তাতেই উঠে আসে তাঁর নাম। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই সমীর দাসের এক ছেলে পুলিশ। আর এক ছেলে দাঁতের ডাক্তার।

    ভুয়ো কার্ড বানাতে কত রেট ছিল?(Passport Scam)

    অভিযোগ, সমীর বারাসতের নবপল্লি (Passport Scam) থেকেই বাংলাদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। সেখানকার মানুষের নকল ভোটার কার্ড-আধার কার্ড করে দিতেন। বিষয়টি জানতে পারে বারাসত থানার পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার মধ্যরাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, নকল এই সার্টিফিকেটগুলি বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট ইস্যু করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হত। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন নথির জন্য আলাদা আলাদা রেট বাঁধা ছিল সমীরের। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, রীতিমতো রেট চার্ট তৈরি করে বাংলাদেশিদের জাল নথি বানিয়ে দিতেন এই ব্যক্তি। জাল নথি বানানোর গোটা একটা চক্র চালাতেন তিনি। আধার কার্ড করতে ১৫ হাজার টাকা, বার্থ সার্টিফিকেটের জন্য ১২ হাজার, প্যান কার্ড করতে ৩ হাজার টাকা নিতেন তিনি। আদালতে কাজ করায় বিভিন্ন লোকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাঁর। সেই সুযোগেই রীতিমতো বাংলাদেশিদের ভারতীয় নথি তৈরি করে দেওয়ার চক্র চালাতেন তিনি। ধৃতের ফোন থেকে একাধিক বাংলাদেশির ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে। যাতে মনে করা হচ্ছে বাংলাদেশে থাকা দালালচক্রের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাঁর। এই ব্যক্তি কতজনকে ও কাকে কাকে জাল নথি তৈরি করে দিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখছেন গোয়েন্দারা। ওদিকে অভিযুক্তের দাবি, তিনি কারও নথি তৈরি করে দেননি। নথি তৈরির প্রক্রিয়া জানিয়েছেন মাত্র।

    প্রতিবেশীদের কী বক্তব্য?

    প্রতিবেশী (Passport Scam) আরতি ভদ্র বলেন, “এমনই একটা লোক এসেছিল। দরজা খুলল। বেল মারল। তারপর জানি না। আমরা এইটুকুই জানি। এরা জানতাম সাদাসিধা মানুষ।” অভিযুক্তের পরিবারের এক সদস্য বলেন, “ওঁর কাছে আধার কার্ড পাওয়া গেছে। সেই কারণে গ্রেফতার করেছে। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।” আরও এক প্রতিবেশী বলেন, “প্রায় পঁচিশ বছর ধরে থাকে। কারও সঙ্গে সেইভাবে মিশতেন না। ভিতরে ভিতরে এই কাজ করবে কে জানত।”

    পাসপোর্ট জালিয়াতির পিছনে কারা?

    এর আগে পাসপোর্টের কারবারের (Passport Scam) সূত্র ধরে ৯জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে,পাসপোর্ট কাণ্ডের অন্যতম চক্রী সমরেশ বিশ্বাসের সঙ্গে পরিচয় হয় প্রাক্তন পুলিশ কর্মী আবদুল হাইয়ের। কিছুদিন পর আবদুলকে টাকার টোপ দেন সমরেশ। সেই টোপ গিলেও নেন আবদুল। তার পরেই শুরু হয় জালিয়াতির কারবার। পাসপোর্ট কাণ্ডের অন্যতম চক্রী সমরেশ বিশ্বাসের অ্যাকাউন্ট থেকে আবদুল হাইয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গত কয়েক বছরে গিয়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা। পাসপোর্ট পিছু ২৫ হাজার টাকা করে নিতেন এই আবদুল হাই। এই আবহে ধৃতকে জেরা করে আর কোন কোন আধিকারিক এই দুর্নীতিতে যুক্ত তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ১৫০ জনেরও বেশি অনুপ্রবেশকারীকে ভারতীয় পাসপোর্ট করিয়ে বিদেশে পাঠিয়েছে সমরেশ। তার মধ্যে ৫০টির বেশি পাসপোর্ট তৈরি হয়েছে আবদুল হাইয়ের হাত ধরে। এদিকে পাসপোর্ট জালিয়াতির তদন্তে এই নিয়ে মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এই চক্রের জাল আরও দূর পর্যন্ত ছড়ানো বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে পাসপোর্টকাণ্ডে ধৃত মূল চার অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫টি মোবাইল ফোন। সেই ফোনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। সেই তথ্য ফিরে পেতে ফোনগুলির ফরেন্সিক পরীক্ষা করাতে চান তাঁরা। গোয়েন্দাদের অনুমান, ওই ফোনগুলির তথ্য পাওয়া গেলে ধৃতদের সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ ছিল তা জানা যাবে। পাশাপাশি এবার সমীর দাসকে জিজ্ঞাসা করে গোটা চক্রের আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: অপরাধ, তিনি হিন্দু! বাংলাদেশে যুবককে কুপিয়ে খুন, চুপ শান্তিতে নোবেল জয়ী ইউনূস

    Bangladesh Crisis: অপরাধ, তিনি হিন্দু! বাংলাদেশে যুবককে কুপিয়ে খুন, চুপ শান্তিতে নোবেল জয়ী ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হিন্দু হলেই হামলা। এবার ঝালকাঠি জেলার রামপুর গ্রামে সুদেব হালদার নামে বছর আঠাশের যুবককে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুনের অভিযোগ সামনে এল। দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় এলোপাথাড়ি কোপ মারা হয় তাঁকে। অপরাধ! তিনি হিন্দু (Target Hindu)। 

    কী ঘটেছিল হিন্দু যুবকের সঙ্গে

    নিহতের পরিবার এবং স্থানীয়দের একটা বড় অংশের দাবি, রামপুরের বাউকাঠি বাজারে নিজের মোবাইল বিক্রি ও সার্ভিসের দোকান রোজকার মতো সোমবারও রাত ১১টা নাগাদ বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন সুদেব। রামপুর জোড়াপোল এলাকায় আচমকা তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি ভাবে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। পরে খালের পাশে দেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। সকালে স্থানীয়রাই মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। হিন্দু বলেই খুন, নাকি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পিছনে কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতার রেশ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার উজ্জ্বলকুমার রায়। তাঁর কথায়, ‘নিহত যুবকের মাথায়–ঘাড়ে একাধিক কোপের আঘাত মিলেছে। খুন বলেই মনে হচ্ছে। আপাতত ময়নাতদন্তের জন্য দেহ ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। খুনের মামলা দায়ের করেই তদন্ত হবে।’ 

    হিন্দু হওয়াই অপরাধ!

    পুলিশ শান্তি (Bangladesh Crisis) বজায় রাখার বার্তা দিলেও ভয়াবহ এই খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। চলতি বছরের গোড়াতেই নড়াইল জেলায় এক হিন্দু মহিলাকে গণধর্ষণের পরে মুখে বিষ ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কট্টরপন্থী কিছু দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনাচক্রে একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে এ দিন বাংলাদেশের শিবচরে এক হিন্দু পরিবারের উপর হামলার খবরও মিলেছে। এ ক্ষেত্রেও অভিযোগের আঙুল উঠেছে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে।

    কবে ঘুম ভাঙবে প্রশাসনের

    নিহত যুবকের ছবি ও বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) স্থানীয় একটি চ্যানেলের খবর পোস্ট করে কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘মর্মান্তিক ঘটনা। আমরা কি একবিংশ শতাব্দীতে বাস করছি, নাকি প্রস্তর যুগে পড়ে রয়েছি?’ এই হানাহানি কবে বন্ধ হবে, সেই প্রশ্ন তুলে পোস্টে তিনি ট্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিষয়ক বিভাগকেও। কিন্তু অনুরোধ-আবেদন-সমালোচনা-নিন্দা, কোনওকিছুতেই ঘুম ভাঙছে না ইউনূস সরকারের! কট্টরপন্থী-মৌলবাদীদের হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছে তারা। যিনি শান্তির জন্য় নোবেল পেয়েছিলেন, আজ তাঁর আমলেই বাংলাদেশে হিন্দুদের (Target Hindu) শান্তিতে বসবাস তো দূর, প্রাণরক্ষাই দায় হয়ে উঠেছে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Hasina: আইন মেনে শেখ হাসিনার ভারতে থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি করল দিল্লি

    Sheikh Hasina: আইন মেনে শেখ হাসিনার ভারতে থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি করল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে ভারত সরকার। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেখ হাসিনার ভারতে থাকার সময় সীমা বাড়ানো হয়েছে। দিল্লির ‘ফরেন রিজিয়নাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের’ (এফআরআরও) মাধ্যমে আবেদন করিয়ে ভারতে থাকার কাগজ বৈধ করে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে জানা গিয়েছে বাংলাদেশের অভিবাসন দফতর শেখ হাসিনা সহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল করেছে।

    মোদি সরকারের ভাবনা

    ভারত শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) ফিরিয়ে দেবে না বলে ‘ধরে নিয়েছে’ বাংলাদেশ। এই আবহে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইস্যুতে কার্যত ‘হার মেনে’ নিয়েছে মহম্মদ ইউনূসের সরকার। তবে তারা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে চাইছে। এহেন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি গুম-খুনের মামলায় মুজিবকন্যার বিরুদ্ধে জারি করা হয় গ্রেফতারি পরোয়ানা। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রসিকিউশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হাসিনা এবং সহঅভিযুক্তদের ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির হতেও বলা হয়। সে দেশের জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান বলেন, ভারত যদি শেখ হাসিনাকে না পাঠায়, তা হলে অনুমতি সাপেক্ষে ভারতে গিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে রাজি কমিশন। গোটা বিষয়টিকে নয়াদিল্লির উপরে চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই দেখেছে ভারত। 

    আরও পড়ুন: ইসরোর নতুন চেয়ারম্যান হচ্ছেন খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তনী ভি নারায়ণ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    বৈধ উপায়েই ভারতে হাসিনা

    উল্লেখ্য, শুধুমাত্র এক ‘নোট ভার্বাল’ দিয়ে দিল্লির কাছ থেকে শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) ফেরত চেয়েছিল ঢাকা। তবে এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সব আনুষ্ঠানিকতা নাকি সম্পন্ন করেনি বাংলাদেশ সরকার। দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি ‘কূটনৈতিক’ নয়, ‘আইনি’। কোনও অন্তর্বর্তী সরকার অন্য রাষ্ট্রের স্থায়ী সরকারের কাছে কোনও রাজনৈতিক নেতার প্রত্যর্পণ চাইলে, তার সমস্ত আইনি দিক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেই বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে। ফলে, হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের পাঠানো কূটনৈতিক বার্তার (নোট ভার্বাল) উত্তর অবশ্যই দেওয়া হবে ‘যথাসময়ে’। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বার্তার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে জবাব দিতে কয়েক মাসও লেগে যেতে পারে। আর সে কারণেই হাসিনার ভারতে থাকার মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে, হাসিনাকে সরকারি ভাবে ভারতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়’ দেওয়া হবে না বলেও জানা গিয়েছে। কারণ এই সংক্রান্ত কোনও নির্দিষ্ট আইন নেই ভারতে। কিন্তু হাসিনার ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করে বৈধ ভাবে তাঁকে ভারতে থাকতে দিতে সম্মত মোদি সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Fishermen: ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার বাংলাদেশে, ইউনূসদের আসল চেহারা বের হচ্ছে

    Indian Fishermen: ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার বাংলাদেশে, ইউনূসদের আসল চেহারা বের হচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। এই আবহে ৯৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) বাংলাদেশে ধরা পড়েছিলেন। সম্প্রতি, বাংলাদেশ থেকে ওই ৯৫ জন মৎস্যজীবী ভারতে ফিরেছেন। বাংলাদেশি নৌসেনারা যে কী অত্যাচার চালিয়েছেন, তার জলজ্যান্ত প্রমাণ তাঁদের শরীরে অবস্থা দেখলেই টের পাওয়া যাবে। তাঁরা দু’পায়ে দাঁড়াতে পারছেন না। কীভাবে হয়েছে অত্যাচার? শুনলে আঁতকে উঠতে হয়। মুখে গামছা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, লাঠি মুখে ঢুকিয়ে গুঁজে দেওয়া হয় গামছা, এরপর এক পায়ে দাঁড় করিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। বাথরুম যেতে দেওয়া হত না, দু’দিন খেতে দেওয়া হয়নি, ভয়ঙ্কর বক্তব্য উঠে আসছে তাঁদের মুখে। অথচ বাংলাদেশের মৎস্যজীবীরা যখন কেউ ধরা পড়েন ভারতের জলসীমায় তখন তাদের কীভাবে যত্নে রাখা হয়। চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। আর তার বিনিময়ে উল্টো ব্যবহার পেলেন ভারতের মৎস্যজীবীরা। নিজের আসল পরিচয় দেখিয়ে দিল ইউনূস প্রশাসন।

    আতঙ্কে মৎস্যজীবীরা (Indian Fishermen)

    বাংলাদেশ থেকে ৯৫ জন বন্দি মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) দেশে ফিরলেও এখনও ভয়ে শিঁটিয়ে তিলোকচন্দ্রপুর গ্রামের ফেরত আসা মৎস্যজীবীরা। এই গ্রামের ৮০ শতাংশ মানুষই মৎস্যজীবী। প্রায় প্রত্যেক বাড়ি থেকে কেউ না কেউ ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে যান। এই গ্রামের ৯৬ জন মৎস্যজীবী বাংলাদেশে আটকে পড়েছিলেন। গত অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ভারতীয় মৎস্যজীবী ভারতের জলসীমানা লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের জলসীমানায় ঢুকে পড়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তারপরে বাংলাদেশের (Bangladesh) পটুয়াখালি এবং মঙ্গলায় আটক ছিলেন তাঁরা। দুই দেশের তরফে মৎস্যজীবীদের আন্তর্জাতিক জল সীমানা লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরই মধ্যে বাংলাদেশ জুড়ে শুরু হয় হিংসা। তার মধ্যে তাঁদের ওপরেও চলেছে অকথ্য অত্যাচার।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে বেড়া দিতে বাধা! বিএসএফের রণমূর্তির দেখে পগার পার বাংলাদেশিরা

    এখনও ফেরেননি এক মৎস্যজীবী!

    জানা গিয়েছে, এখনও একজন মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) ফেরেননি। বদলে ফিরেছে তাঁর জামাকাপড়। তাঁরই স্ত্রী গুরুমণি। তাঁর স্বামী ভয়ে ট্রলার থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। আর খোঁজ মেলেনি তাঁর। বাংলাদেশি নৌসেনাদের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। গুরুমণি বলেন, “আমার স্বামী তো ভয়ে ঝাঁপ দিয়েছেন। ওই যে নেভি ধরছে, কোস্ট গার্ড ধরছে, মারছে, খুব মারছে, সেই দেখেই ভয়ে ঝাঁপ দিয়েছে। ওরা যদি এভাবে মারধর না করত, তাহলে তো বেঁচে ফিরত আমার স্বামী।”

    ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বললেন মৎস্যজীবীরা

    বাংলাদেশে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন একাধিক মৎস্যজীবী। অত্যাচারের বর্ণনা করতে গিয়ে অনেকে কেঁদেও ফেলছেন রণজিৎ দাস নামে এক মৎস্যজীবী। তাঁকেও আটক করে রাখা হয়েছিল। এখনও সে দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে ভয়ে কেঁপে ওঠে তাঁর গলা। বলেন, “আমাদের সামনেই (Indian Fishermen) অফিসাররা বলছিল, পেটে ছুরি মেরে জলে ফেলে দে ওদের। এমন মারত, কত যে লাঠি ভেঙেছে। এক পায়ে দাঁড় করিয়ে পায়ের পাতায় মারত। চোখ বেঁধে রেখে নিতম্বে লাঠি দিয়ে মেরে দগদগে ঘা করে দেওয়া হয়।” অপর এক মৎস্যজীবী বলেন, আমাদের কাছে জিপিএস ছিল। কিন্তু সেটা ঠিকঠাক কাজ করছিল না। আমরা বাংলাদেশের জলসীমায় চলে যাই। মাঝি জানে না ঠিক করে। আমরা আত্মসমর্পণ করেছিলাম। তারপরেও আমাদের প্রচুর মারধর করল। মাঝি আর ইঞ্জিন মিস্ত্রি দুজনকে ট্রলারে রাখল। বাকিদের সারা রাত হাত বেঁধে রাখল। মারল। এরপর হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে গেল। সেখানে উল্টো-পাল্টা কথা বলছিল।

    ‘‘ইন্ডিয়ান, তোকে জল দেওয়া যাবে না’’

    বাংলাদেশ ফেরত অত্যাচারিত মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) সুভাষ দাস বলেন, “আমার সীমান্তে এসে কেন আমাকে নিয়ে যাবে? এইজন্য ওদের সঙ্গে একটু তর্কাতর্কি করি। ওরা আমাকে মারে। এরপর আমার ৫ জন লোক জলে পড়ে যান। যখন বোটটা কাত হয়ে যায়, তখন পড়ে যায়। তুলতে দিচ্ছিল না, তাও অনেক কষ্টে চেষ্টা করে ৪ জনকে তুলেছি। আর একজনকে খুঁজতে দেয়নি। অক্টোবরের ১৬ তারিখ রাত তখন ৩টে বাজে। আমার একটা লোক তখনও আছে। বলে, এখানে থাকা যাবে না। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী আসতে পারে। দড়ি দিয়ে সবাইকে বেঁধে ফেলেছে। মারধর আরম্ভ করছে সবাইকে। আমার ছেলে কান্নাকাটি করল। লোকজন কান্নাকাটি করল। আমার গলায় পা রাখে। পায়ের তলায় মারে। আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। ছেলে বলে, আমার বাবার বুকে অসুবিধা। বাবাকে ছেড়ে দেন। নাহলে, আমার বাবা বাঁচবে না। বললাম, একটু জল দেন। বলে, ইন্ডিয়ান। তোকে জল দেওয়া যাবে না।” 

    মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক কী বললেন?

    সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী (Indian Fishermen) শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘‘অতীতেও অনেকবার এ দেশের মৎস্যজীবীরা বাংলাদেশ জল সীমানায় ঢুকে পড়েছে। কিন্তু কোনও বার এত অত্যাচার করা হয়নি। এবার বাংলাদেশের অশান্তির প্রেক্ষিতে অত্যাচার সীমা ছাড়িয়েছে। ৯৫ জনের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” প্রশ্ন উঠছে, কেন মারধর করা হল ভারতীয় মৎস্যজীবীদের? তাঁরা তো জলদস্যু নন, তারপরেও কেন এই ব্যবহার পেলেন তাঁরা? তবে কি ভারতীয় বলেই পেটানো হল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    Bangladesh Crisis: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা-উত্তর বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) হাল ধরেছিলেন নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূস (Yunus Government)। ক্ষমতায় এসেই প্রথম যে কাজটি তিনি করেছিলেন, সেটা হল বিএনপি সুপ্রিমো খালেদা জিয়ার বন্দিদশা ঘোচানো। খালেদাকে মুক্ত করে বিএনপির ব্যাপক সমর্থন লাভ করেছিল ইউনূস প্রশাসন। শান্তিতে নোবেল জয়ী ইউনূস জমানায় নিশ্চিন্তে চলতে থাকে সংখ্যালঘু পীড়ন। তাতে আরও উল্লসিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের মৌলবাদীরা।

    ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে! (Bangladesh Crisis)

    হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাঁর দল আওয়ামি লিগের কর্মী-সমর্থকদের ওপর ব্যাপক হিংসার ঘটনাও ঘটে। ছন্নছাড়া হয়ে যায় হাসিনার সাধের আওয়ামি লিগ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ফাঁকেই ক্ষমতা আঁকড়ে বসে থাকার পরিকল্পনা ছকে ফেলেন ইউনূস! বাংলাদেশের রাজনীতি বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, খালেদাকে মুক্তি দিয়ে এবং মৌলবাদীদের সমর্থন কুড়িয়ে ‘হিরো’ বনে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ইউনূস। তবে ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে যাওয়ায় দেশে সাধারণ নির্বাচন আপাতত করাতে চাইছে না সে দেশের তদারকি সরকার। দিন কয়েক আগে স্বয়ং ইউনূসের কথায়ই মিলেছিল তার ইঙ্গিত। তিনি বলেছিলেন, “২০২৫ সালের শেষের দিকে কিংবা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন করা হবে।

    বিএনপির সাফ কথা

    ইউনূসের এহেন মন্তব্যের পরেই খালেদার দল বিএনপি বুঝে গিয়েছিল ঘুঁটি সাজাতেই নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চাইছেন ইউনূস। তার জেরে বিএনপির সঙ্গে ইউনূসের দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “দেশে নয়া ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত শুরু হয়েছে। আমাদের দল (বিএনপি) এই চক্রান্তের সামনে মাথা নত করবে না।” শনিবার ছিল বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা দিবস। সেই উপলক্ষে ভার্চুয়ালি বক্তৃতা দেন ফখরুল। তিনি বলেন, “এই ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের সামনে আমরা মাথা নত করব না। সব জায়গায় বৈষম্য রয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে। বৈষম্য ও দুর্নীতি দূর করে জনগণের সরকার যাতে প্রতিষ্ঠা করতে পারি, সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।”

    ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ফখরুলের এহেন বাক্য-বাণের আগে বিএনপি (Bangladesh Crisis) অভিযোগ তুলেছে, ক্ষমতায় টিকে থাকতে ইউনূস সরকার নানা টালবাহানা করে জাতীয় সংসদের নির্বাচন পিছিয়ে দিচ্ছে (Yunus Government)। এই পরিস্থিতিতে ফখরুল আবার ‘জনগণের সরকার’ তৈরির কথা মনে করিয়ে দিলেন। বাংলাদেশের রাজনীতি সম্বন্ধে যাঁরা ওয়াকিবহাল, তাঁদের একাংশের মতে, মূলত দুটো কারণে দেশে সাধারণ নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চাইছেন ইউনূস। এক, ইউনূস ও তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গরা যতটা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকতে পারেন। আর দুই, ইউনূসরা নিজেরাই একটি দল গঠন করতে চাইছেন। ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। হাসিনার দেশ ছাড়া, তাঁর দলের ছন্নছাড়া হওয়া, খালেদার অসুস্থতা, মাস দুয়েকের জন্য চিকিৎসা করাতে তাঁর লন্ডনে চলে যাওয়া ইউনূসের কাছে বিরাট একটা সুযোগ। এই সুযোগে ইউনূস দল গঠনের কাজটা করে নিতে চাইছেন বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। দেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে ইউনূসের নয়া দল যাতে শেকড় গাড়তে পারে, তাই ‘টাইম কিল’ করছেন ইউনূস ও তাঁর অনুগামীরা।

    বিএনপির ভয়ঙ্কর অভিযোগ

    বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “বিএনপিকে ক্ষমতায় আসা থেকে বিরত রাখতে বর্তমানে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও চাল চালা হচ্ছে। সেই কারণেই মহম্মদ ইউনূস স্পষ্টভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করছেন না।” গত বছর জুলাই মাসে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত হয়েছিল এডিএসএম এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি। তখনই তারা জানিয়েছিল, নতুন একটি রাজনৈতিক দল গড়া হবে। এই নতুন দলটির সদস্য সংগ্রহ, দেশজুড়ে শাখা স্থাপন, সম্পদ সংগ্রহ এবং একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণের মাধ্যমে সংগঠিত হতে সময় লাগবে।

    ফের ‘রাজপক্ষের দল’ !

    বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ওসমান ফারুক বলেন, “এটা স্পষ্ট যে মহম্মদ ইউনূস ও এডিএসএম নেতারা, যারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা, নির্বাচন স্থগিত করতে চান যতক্ষণ না নতুন ‘রাজপক্ষের দল’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইউনূস এবং তাঁর সহকর্মীরা সংস্কারের অজুহাতে নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন, যা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।” আরও একধাপ এগিয়ে ফখরুল বলেন, “এটি (ইউনূস-নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) একটি অনির্বাচিত সরকার। তাই এটি বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না।” তিনি বলেন, “সংস্কারের অজুহাতে নির্বাচন বিলম্বিত করা যাবে না।”

    জামাতের প্রভাব বাড়তে থাকায় অসন্তুষ্ট বিএনপি

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের (Bangladesh Crisis) মতে, ইউনূসের আমলে জামাতের প্রভাব ক্রমশ বাড়তে থাকায় অসন্তুষ্ট বিএনপি। অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা পদে নিয়োগ করা হয়েছে জামাত ঘনিষ্ঠদের। এই সব কারণে ইউনূস প্রশাসনের ওপর যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিএনপি। খালেদার দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি সরাসরি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জামাতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জামাত নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে পাক সেনার হয়ে কাজ করছিলেন। রাজাকার ঘাতক বাহিনীর নেতা হিসেবে গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে একাধিক জামাত নেতার বিরুদ্ধে। ইউনূস জমানায় সেই জামাতের প্রতিপত্তি বাড়তে থাকা নিয়েও (Yunus Government) বিএনপি ক্ষুব্ধ।

    কী বলছে বিএনপি?

    আলমগীর বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছিল একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক নির্বাচন সংস্কার সম্পন্ন করার নির্দিষ্ট ম্যান্ডেট নিয়ে, যা সংসদীয় নির্বাচন পরিচালনার পূর্বশর্ত। দেশের সংবিধান, বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন ইত্যাদিতে বড় ধরনের সংস্কার শুধুমাত্র একটি নির্বাচিত সরকার ও জাতীয় সংসদ করতে পারে। বড় ধরনের সংস্কার করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ নয়।” আলমগীর খালেদার ছেলে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তারেক লন্ডনে থাকেন। তবে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তদারকি সরকারকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করে আলামগীর বলেন, “শীঘ্রই একটি দৃঢ় নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা না হলে মানুষকে রাস্তায় নামার ডাক দেবে আমার দল।” বিএনপির আর এক ভাইস প্রেসিডেন্ট শওকত মাহমুদ বলেন, “নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠনে ইউনূসের সমর্থন দেওয়া নৈতিক ও নীতিগতভাবে ভুল।”

    আরও পড়ুন: “ভুল করে গিয়েছিলাম, আমি এখন পুরনো বন্ধুদের সঙ্গেই রয়েছি”, সাফ কথা নীতীশের

    অরাজনৈতিক হওয়া উচিত

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “ইউনূস একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। এই সরকারের কাজ সম্পূর্ণভাবে অরাজনৈতিক হওয়া উচিত। এর ম্যান্ডেটও সীমিত। নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠনে সমর্থন দেওয়া এবং নতুন দলটি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত করার অজুহাত দেওয়া খুবই ভুল। গ্রহণযোগ্যও নয়। ইউনূস যে খেলা খেলছেন, তা বুঝতে পারছেন বাংলাদেশের মানুষ।” আলমগীর বলেন, “নির্বাচনী সংস্কারের সুপারিশ করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির কাজ হল সংস্কারের সুপারিশ করা। কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেওয়ার আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রস্তাব দেওয়া (Bangladesh Crisis) শোভন নয়।”

    বিএনপির বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাত!

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভাষ্যকার সাদাকাত আলি বলেন, “বিএনপি এবং ইউনূসের মধ্যে একটি তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হওয়া স্রেফ সময়ের ব্যাপার। কারণ ইউনূস দিন দিন আরও সাহসী হয়ে উঠছেন।” তিনি বলেন, “ইউনূস এখনও পর্যন্ত চুপ ছিলেন। কারণ তিনি নিজের জন্য সমর্থন সংগঠিত করার আগে বিএনপির সঙ্গে প্রকাশ্যে সংঘাতে জড়াতে চাননি। তবে এটি বেশি দিন স্থায়ী হবে না। কারণ তিনি (Yunus Government) ইসলামপন্থীদের এবং অন্যদের সমর্থন পেয়েছেন। শীঘ্রই তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাত হানবেন (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: হু হু করে বাংলাদেশে বাড়ছে বেকারত্ব! সরকারি রিপোর্টে চাপে ইউনূস সরকার

    Bangladesh: হু হু করে বাংলাদেশে বাড়ছে বেকারত্ব! সরকারি রিপোর্টে চাপে ইউনূস সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। দেশজুড়ে হিংসার ঘটনা বেড়েই চলেছে। ভারত বিরোধী স্লোগান দিয়ে সেখানে যুদ্ধের জিগির তুলছে মৌলবাদীরা। মদত রয়েছে ইউনূস সরকারের। এই আবহের মধ্যে এবার বাংলাদেশের হু হু করে বেকারত্ব বেড়ে চলার তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। আর সেটাও সেখানকার সরকারি হিসেব অনুসারে! মূলত, বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেই এই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই চরম চাপে পড়ে গিয়েছে ইউনূস সরকার। ভারত বিরোধী জিগির তুলে বেকারত্ব বৃদ্ধির দায়কে এড়িয়ে যেতে চাইছে বাংলাদেশ সরকার। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

    বেকারের সংখ্যা কত? (Bangladesh)

    বাংলাদেশ (Bangladesh) ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিক্স বা বিবিএস-এর হিসেব বলছে, চলতি আর্থিক বছরের (২০২৪-২৫) দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৪) বাংলাদেশে বেকার মানুষের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৬ লক্ষ ৬০ হাজার! রবিবার বিবিএস-এর তরফে শ্রম শক্তি সমীক্ষা ২০২৪-এর যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেই সামনে এসেছে এই তথ্য। লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, এই সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সকারের পতন এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন। আর, তারপর থেকেই শুরু হয়েছে বাংলাদেশের তুমুল ভারত বিদ্বেষ ও হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের ওপর নিদারুণ নিপীড়ন!

    আরও পড়ুন: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    নয়া বেকারত্বের সংখ্যা নির্ধারণের নিয়ম

    বাংলাদেশি অনলাইন পোর্টাল ঢাকা ট্রিবিউন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অফ লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স’ বা ১৯তম আইসিএলএস-এর নিয়ম অনুসারে বাংলাদেশের (Bangladesh) নয়া বেকারত্বের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নিয়ম অনুসারে, যে সমস্ত ব্যক্তিরা কোনও উৎপাদনমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা সত্ত্বেও পণ্য বিক্রি বা বাজারে কোনও পরিষেবা প্রদানের সঙ্গে যুক্ত থাকেন না, তাঁদের বেকার বা কর্মহীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বিবিএস-এর একজন প্রতিনিধি বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই প্রথম এই ফরমুলায় দেশে সমীক্ষা চালানো হল এবং বেকারদের সংখ্যা নির্ধারণ করা হল। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এত দিন ১৩তম আইসিএলএস অনুসারে বেকারত্ব ও শ্রমশক্তির হিসেব করা হত। এবার, নতুন ফর্মুলা (১৯তম আইসিএলএস) অনুযায়ী, সমীক্ষা চালানো হয়েছে।

    কেন বাড়ছে বেকার?

    বাংলাদেশি অনলাইন পোর্টাল কালের কণ্ঠ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে বেকারত্ব বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে মূলত দু’টি বিষয়কে চিহ্নিত করেছেন অর্থনীতিবিদরা। প্রথমত, গত একবছরে বাংলাদেশে তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ না হওয়া এবং দ্বিতীয়ত, লাগাতার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অস্থিরতা। এর ফলে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের কৃষি ক্ষেত্র। গত এক বছরে এই ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ১৫ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ কাজ হারিয়েছেন! লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, এর আগে ১৩তম আইসিএলএস ভিত্তিক করা সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশে (Bangladesh) কর্মরত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৬০ লক্ষ। যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৭৪ লক্ষ ৯০ হাজার এবং মহিলার সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ২৫ লক্ষ ৭০ হাজার। আগের এই সমীক্ষা অনুসারে, উপরোক্ত শ্রমিক শক্তির অধীনে অন্তত ৬ কোটি ৭৫ লক্ষ ১০ হাজার এমন মানুষ রয়েছেন, যাঁরা মজুরি পাওয়ার জন্য সাতদিনে অন্তত একঘণ্টা শ্রম দান করেন। এই তালিকায় পুরুষ ও নারীর সংখ্যা যথাক্রমে ৪ কোটি ৫৭ লক্ষ ৭০ হাজার এবং ২ কোটি ১৭ লক্ষ ৪০ হাজার। এই বিশেষ গোষ্ঠীটিকে কর্মরত বা কর্মহীন— এই দুইয়েরই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এঁদের মধ্যে রয়েছেন পড়ুয়া, প্রবীণ, অসুস্থ, অবসরপ্রাপ্ত, গৃহবধূ এবং সেইসব ব্যক্তি- যাঁরা নানা কারণে কাজ করে রোজগার করতে পারেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: বাংলাদেশের ৫০ বিচারকের ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে আসার সূচি বাতিল ইউনূস সরকারের

    India Bangladesh Relation: বাংলাদেশের ৫০ বিচারকের ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে আসার সূচি বাতিল ইউনূস সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India Bangladesh Relation) এসে প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের ৫০ জন বিচারকের (Bangladesh Judges)। নিম্ন আদালতের ৫০ জন বিচারককে গত ৩০ ডিসেম্বর ভারতে আসার অনুমতি দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক। রবিবার এক নোটিস জারি করে সেই নির্দেশিকা বাতিল করে দিলে ইউনূস সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রক। প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত কেন প্রত্যাহার করা হল তা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেনি ঢাকা।

    কেন বাতিল, কারণ অজানা

    বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) সংবাদপত্র ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট জানাচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য এই প্রশিক্ষণের নোটিশ বাতিল করা হয়েছে ৷ তবে এমন দাবি ঠিক কিনা তাও সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়নি। একদিন আগে, বাংলাদেশ সরকারের সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল, নিম্ন আদালতের ৫০ জন বিচারক একদিনের প্রশিক্ষণ নেবেন ৷ ১০ ফেব্রুয়ারি এই প্রশিক্ষণ হবে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমি এবং স্টেট জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমিতে ৷ পরে তা বাতিল হয়ে যায়। এই ট্রেনি বিচারকরা- জেলা ও দায়রা বিচারক বা তার সমতুল্য আধিকারিক, অতিরিক্ত বিচারক এবং দায়রা বিচারক, যুগ্ম বিচারক, সিনিয়র সহকারী বিচারক এবং সহকারী বিচারক ৷ ভারত সরকারই এই প্রশিক্ষণের সমস্ত খরচ বহন করবে বলে কথা ছিল৷

    আরও পড়ুন: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    বিচারব্যবস্থায় অনীহা

    বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সেখানে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। হিন্দু-সহ অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh Judges)সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হয়েছে৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশে এখন বিচার ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। তাঁরা মানুষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিচ্ছেন না, কোর্ট চত্বরে মারপিট হচ্ছে।  যাঁরা বিচার ব্যবস্থা অচল করে রাখতে চাইছেন, তাঁদের বিচার পদ্ধতি শিখতে ভারতে আসতে অনীহা থাকাই স্বাভাবিক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    India Bangladesh Relation: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেদের দেশে (India Bangladesh Relation) ফিরলেন ভারতের ৯৫ জন (Indian Fishermen Released) এবং বাংলাদেশের ৯০ জন মৎস্যজীবী। রবিবার দুপুর ১২টা নাগাদ বঙ্গোপসাগরের উপর আন্তর্জাতিক জলসীমায় দুই দেশের মধ্যে বন্দি বিনিময় হয়। দুই দেশের মৎস্যজীবীরা আন্তর্জাতিক জলসীমানা টপকে ফেলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। প্রায় আড়াই মাস পর ছাড়া পেলেন তাঁরা। বন্দি ভারতীয় মৎস্যজীবীদের অধিকাংশই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ এবং নামখানার বাসিন্দা। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের সাগরদ্বীপে পৌঁছনোর কথা আজ, সোমবার। 

    ভারতীয় মৎস্যজীবীদের মুক্তি

    প্রায় আড়াই মাস আগে (India Bangladesh Relation) বাংলাদেশের জলসীমার ভিতর ঢুকে পড়ায় কাকদ্বীপের ছ’টি ট্রলার আটক করেছিল বাংলাদেশের উপকূলরক্ষী বাহিনী। ওই ট্রলারগুলিতে ছিলেন ৯৫ জন মৎস্যজীবী। তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও ঘরে ফেরা সম্ভব হয়নি। অবশেষে মুক্তি (Indian Fishermen Released)। সম্প্রতি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব লুৎফুন নাহার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান, ওই ৯৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আটক ছ’টি ট্রলারও ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা। 

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর তরফেও ট্যুইট করে গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছে যে,  ৯০ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে তুলে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের হাতে তার মধ্যে ডুবতে বসা জাহাজ কৌশিক থেকে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি মৎস্যজীবীরাও রয়েছেন।

    বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের মুক্তি

    অন্য দিকে, জলসীমা অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে পড়ায় আটক করা হয় ৯০ জন বাংলাদেশি (India Bangladesh Relation) মৎস্যজীবী এবং তাঁদের দু’টি ভেসেলকে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফের তাঁদেরও মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার সকালে কাকদ্বীপ থেকে ১২ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে হলদিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে, পারাদ্বীপ থেকে নিয়ে যাওয়া হয় ৭৮ জনকে। রবিবার তাঁদের বাংলাদেশ উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share