Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • SAFF U19 Women’s Championship: বিতর্ক, বিবাদ, পাঁচ ঘণ্টার নাটকের শেষে সাফ-ফুটবলে যুগ্ম জয়ী ভারত ও বাংলাদেশ

    SAFF U19 Women’s Championship: বিতর্ক, বিবাদ, পাঁচ ঘণ্টার নাটকের শেষে সাফ-ফুটবলে যুগ্ম জয়ী ভারত ও বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯০ মিনিটের খেলা, বড়জোর ১২০ মিনিটের ম্যাচ। সেই খেলা গড়াল পাঁচ ঘণ্টায়। অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা সাফ কাপের ফাইনালে নানা বিতর্কের সাক্ষী থাকল ফুটবল বিশ্ব। এই প্রথম বার এমন একটা চূড়ান্ত নাটকীয় ও বিতর্কিত ফাইনাল দেখা গেল। যা নিয়ে দীর্ঘদিন চর্চা চলবে। আর সব চর্চার শেষে থাকবে যে এ বারের সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে (SAFF U19 Women’s Championship) যুগ্ম জয়ী হয়েছে ভারত (India) ও বাংলাদেশ (Bangladesh)।

    ম্যাচে ভারতের দাপট

    গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের কাছে হেরেছিল ভারত। ফাইনালে তারা এগিয়ে যায়। মাত্র ৮ মিনিটে শিবানী দেবীর গোলে ভারত এগিয়ে যায়। এরপর নির্ধারিত সময়ে আর দুই দলের কোনও ফুটবলার গোল করতে পারেননি। ইনজুরি টাইমে গিয়ে বাংলাদেশের হয়ে সমতা ফেরান সাগরিকা। যে কারণে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ শেষ হয় ১-১ ড্রতে। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাই-ব্রেকারে। এই অবধি সব ঠিকই ছিল। টাই-ব্রেকারে কোনও দলই পেনাল্টি নষ্ট করেনি। প্রত্যেকেই গোল করেন। দু’দলের সব ফুটবলারেরা শট মারার পরেও ম্যাচের মীমাংসা না হওয়ায় রেফারি টস করার সিদ্ধান্ত নেন। টস জেতেন ভারতের অধিনায়ক। স্বাভাবিকভাবেই এরপর উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন ভারতীয় ফুটবলাররা। 

    বাংলাদেশের বিরোধিতা

    বাংলাদেশের ফুটবলাররা টসের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। ম্যাচ কমিশনারের কাছে অভিযোগও জানায় বাংলাদেশ শিবির। এরপর ম্যাচ কমিশনার টসের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেন। বলা হয় আবার সাডেন ডেথ হবে। পুরো পরিস্থিতি দেখে রীতিমতো বিরক্ত হয়ে মাঠ ছাড়েন ভারতীয় ফুটবলাররা। রেফারি জানিয়েছিলেন, আধ ঘণ্টার মধ্যে ভারত মাঠে না ফিরলে বাংলাদেশকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। কিন্তু এক ঘণ্টা হয়ে গেলেও ভারত মাঠে আসেনি। 

    যুগ্ম-জয়ী

    প্রায় ৫ ঘণ্টার নাটক শেষে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান, সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হকের উপস্থিতিতে ভারত এবং বাংলাদেশকে যুগ্মভাবে এই টুর্নামেন্টের জয়ী ঘোষণা করা হয়। ভারতের অধিনায়ক এবং সহ অধিনায়ক ছাড়া আর কেউ পুরস্কার গ্রহণ করতে আসেননি। পুরস্কার নিয়ে ছবি তুলেই তাঁরা মাঠ ছাড়েন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India-Bangladesh: মায়ানমার নিয়ে যৌথ পদক্ষেপের ঘোষণা, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    India-Bangladesh: মায়ানমার নিয়ে যৌথ পদক্ষেপের ঘোষণা, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। মায়ানমারের গৃহযুদ্ধে ঘরছাড়া কয়েক হাজার সাধারণ নাগরিক আশ্রয় নিয়েছেন মিজোরাম-সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্যে। মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় কামানের গোলায় ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকের। জুন্টা সমর্থক সেনা এবং বিদ্রোহী জোটের লড়াইয়ে পড়ে নাজেহাল সেখানকার বাসিন্দারা মায়ানমার ছাড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে মায়ানমার নিয়ে ভারতের সঙ্গে বৈঠক করলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

    মায়ানমার প্রসঙ্গ

    বুধবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠকের পরে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘‘আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে মায়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করবে। এ বিষয়ে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। পরে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত কর্মপদ্ধতি ঠিক করা হবে।’’ বিদ্রোহী জোটের অগ্রগতি রুখতে ইতিমধ্যেই জনবসতিপূর্ণ এলাকায় নির্বিচার বিমানহানা শুরু করেছে মায়ানমার বায়ুসেনা। পাশাপাশি ভারত এবং বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া রাখাইন প্রদেশের বেশ কিছু জনপদে ভারী কামান থেকে গোলাবর্ষণও চলছে। ফলে সীমান্ত এলাকার সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে নয়াদিল্লি এবং ঢাকার। ভারতের মিজোরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং বাংলাদেশের কক্সবাজার–বান্দরবান এলাকার সঙ্গে মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রাণ বাঁচাতে মায়ানমারের নাগরিকরা পালিয়ে চলে আসছেন দু’দেশেই। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও।

    দিল্লির মসনদে মোদিকেই চান হাসিনা

    মায়ানমার প্রসঙ্গ ছাড়াও এদিন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী জানান, দুই দেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ভারতের মসনদে ফের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদিকেই দেখতে চায় বাংলাদেশ। হাছান মাহমুদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। এই উন্নয়ন অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার বিকল্প নেই। “

    বাংলাদেশে শেখ হাসিনার পনেরো বছর এবং ভারতে মোদির দশ বছরের শাসনামলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া ছাড়াও পরিকাঠামো বিনিময়ে নজিরবিহীন অগ্রগতি হয়েছে।  দুই দেশ একে অপরকে তাদের বন্দর, রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে। ফলে বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। দু’দেশের নেতৃত্বই তাই মনে করেন, এই বিষয়ে অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হলে নিজ নিজ দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Elections 2024: হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের, কী বললেন জানেন?

    Bangladesh Elections 2024: হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডবল সেঞ্চুরি পার আওয়ামি লিগ। বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুশোর বেশি আসনে জয়ী (Bangladesh Elections 2024) হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল। হাসিনার জয়ে উচ্ছ্বসিত ভারত। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাধারণ নির্বাচনে জয়ের জন্য তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলে হাসিনাকে জানান ভার্মা।

    হাসিনা-ভার্মা বৈঠক

    বস্তুত ভার্মাই প্রথম দূত, যিনি হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং সাধারণ নির্বাচনে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আওয়ামি লীগ সরকারের নয়া ইনিংসে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ভার্মা। দুই দেশই তাদের জাতীয় উন্নয়নে সাহায্য করবে বলেও আলোচনা হয়েছে হাসিনা-ভার্মা বৈঠকে। ভারত যে সব সময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে, বৈঠকে তাও জানান ভার্মা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি জানান, বাংলাদেশ যাতে স্থায়ী, উন্নত ও সমৃদ্ধশালী একটি দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, সেজন্য সাহায্যের হাত (Bangladesh Elections 2024) বাড়াবে ভারত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যেভাবে ভারত পাশে ছিল, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের যে বন্ধুত্ব, তাও অটুট থাকবে বলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দেন ভার্মা।

    বিপুল ভোটে জয়ী হাসিনা 

    রবিবারই হয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন। ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। যদিও তাতে সাড়া দেয়নি বাংলাদেশের নাগরিকরা। নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল বিএনপি বাদে সে দেশের সব রাজনৈতিক দলই। বহু নির্দল প্রার্থীও ছিলেন নির্বাচনী ময়দানে। গোপালগঞ্জ-৩ কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হন আওয়ামি লীগ সুপ্রিমো হাসিনা। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ঊনপঞ্চাশ হাজার ৯৬২টি ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহম্মদ আতিকুর রহমান পেয়েছেন মাত্র ৬ হাজার ৯৯৯টি ভোট। প্রধানমন্ত্রীর আর এক প্রতিদ্বন্দ্বী মাহবুর মোল্লার ঝুলিতে পড়েছে মোটে ৪২৫টি ভোট।  

    আরও পড়ুুন: সাসপেন্ড নয়, তিন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে হবে, মলদ্বীপকে জানিয়ে দিল ভারত

    এনিয়ে হাসিনা সংসদে গেলেন পাঁচ বার। হাসিনার দল জয়ী হয়েছে ২২৩টি আসনে। রবিবার ভোটগ্রহণ শেষেই শুরু হয় গণনা। প্রথম থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে এগিয়ে ছিলেন হাসিনার দলের প্রার্থীরা। গণনা শেষে দেখা যায় ২২৩টি কেন্দ্রে জয় পেয়েছে আওয়ামি লীগ। ফল বের হওয়ার ঢের আগেই হাসিনা দলীয় নেতা-কর্মীদের কোনওরকম প্ররোচনার ফাঁদে পা দিতে নিষেধ করেন। কোনও দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যাতে তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা মারপিটে জড়িয়ে না পড়েন, সে ব্যাপারেও সর্তক করে দিয়েছিলেন (Bangladesh Elections 2024) হাসিনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Election: ৭ জানুয়ারি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সেনা মোতায়েন বাংলাদেশে

    Bangladesh Election: ৭ জানুয়ারি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সেনা মোতায়েন বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ জানুয়ারি, রবিবার সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশে (Bangladesh Election)। নির্বাচনী ময়দানে দেশের শাসক দল শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ হাজির থাকলেও, খালেদা জিয়ার দল ডাক দিয়েছে ভোট বয়কটের। দেশের অন্য দলগুলি অবশ্য যথারীতি রয়েছে ভোট-ময়দানে। যেহেতু জিয়ার দল বিএনপি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না, তাই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না অশান্তির আশঙ্কা। এহেন প্রেক্ষিতেই অবাধ, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাটাই কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সে দেশের নির্বাচন কমিশনের কাছে। সেই কারণে গুচ্ছ পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বুধবার থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।

    সেনা থাকবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত    

    নির্বাচনোত্তর (Bangladesh Election) অশান্তি এড়াতে বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই বাহিনী কীভাবে কাজ করবে, কী কী দায়িত্ব পালন করবে, তাও জানিয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য বিধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জারি করা বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে এই সশস্ত্র বাহিনী। দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকার নোডাল পয়েন্ট সহ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে বাহিনীর সদস্যদের। কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে সাহায্য করতেই মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।

    কী বলছে কমিশন?

    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাঙ্গির আলম বলেন, “রিটার্নিং অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শ করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনা। প্রতিটি আসনের বিভিন্ন নোডাল পয়েন্টে থাকবে তারা। কোনও ধরনের অশান্তির পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেই এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে তারা যাবে ঘটনাস্থলে। কাজ করবে ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মতো।” তিনি জানান, কোন কেন্দ্রের কোথায়, কতগুলি নোডাল পয়েন্ট থাকবে, তা ঠিক করবে স্থানীয় প্রশাসন। আর সেনা কোথায় মোতায়েন করা হবে, তা ঠিক করবেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারি রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ সুপার-সহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

    আরও পড়ুুন: “জ্যোতিপ্রিয়র জ্যোতি নিভে যাচ্ছে, রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই”, কটাক্ষ সুকান্তের

    ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের ৩৮৮টি উপজেলায় ৩৫ হাজারেরও বেশি সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছিল। এবার নিয়োগ করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি। জানা গিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় মহানগর এলাকা, এলাকার বাইরে ও পার্বত্য এবং দুর্গম এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৫-১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ফোর্স মোতায়েন থাকবে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়াতে পারবেন রিটার্নিং অফিসাররা (Bangladesh Election)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম লিয়াকত মণ্ডল। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার হরিহরপুরে। বেশ কয়েকবছর আগে বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। মেয়ে এখন বাংলাদেশের নাগরিক। অসুস্থতার কারণে লিয়কত সাহেবের মৃত্যু হয়। বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় মৃত বাবাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন সীমান্তের ওপারে থাকা মেয়ে। সাদা কাপড়ে মোড়া বাবার দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। বিএসএফের মানবিক মুখ দেখলেন সকলে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (BSF)

    বাবার মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে থাকা মেয়ের কাছে পৌঁছেছিল। কিন্তু, পাসপোর্ট জটে আটকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে আসতে পারেননি বাংলাদেশের বাসিন্দা মেয়ে। আর দ্রুত পাসপোর্ট ভিসা তৈরি করে তাঁর পক্ষে আসা সম্ভব ছিল না। বিজিবি- বিএসএফের (BSF) কাছে তাঁর কাতর আবেদন ছিল, যেন একবার বাবাকে শেষ দেখা দেখতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কারণ, বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ে আসতে চেয়েছিলেন পৈতৃক ভিটেতে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বাবার মৃতদেহ শেষবার দেখার। লিয়াকত সাহেবের পরিবারের লোকজন হরিহরপুর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যকে বিষয়টি জানান। পঞ্চায়েত সদস্য মধুপুর ক্যাম্পের বিএসএফ কর্তাদের অনুরোধ করেন, লিয়াকত সাহেবের মেয়েকে যাতে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে দেওয়া হয়। এরপরই বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবি-র মাধ্যমে মেয়েকে দু’দেশের জিরো পয়েন্টে আনার কথা বলা হয়। এরপরই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে লিয়াকতের মৃতদেহ আনা হয়। ওপার থেকে মেয়েও আসেন। শেষমেশ বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় জিরো পয়েন্টে লিয়াকত সাহেবের দেহ আনা হয়। বাবাকে শেষ দেখার পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধাও জানান মেয়ে।

    বিএসএফ নিয়ে কী বললেন বাংলাদেশের বধূ?

    লিয়াকত সাহেবের মেয়ে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মন ছটফট করছিল। কিন্তু, দুদেশের আইনি জটে সীমান্ত পেড়িয়ে আসা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু, বিএসএফ (BSF) উদ্যোগী হওয়ায় বাবার সঙ্গে শেষ দেখা করতে পারলাম। বিএসএফের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Polls: “জিতলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই চলব”, ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতি হাসিনার

    Bangladesh Polls: “জিতলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই চলব”, ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতি হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নির্বাচনে জিতলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই চলব।” বাংলাদেশের আওয়ামি লিগের ইস্তাহারে এমনই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Polls) হবে ৭ জানুয়ারি। বুধবার ইস্তাহার প্রকাশ করে শেখ হাসিনার দল। সেখানেই ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন হাসিনা।

    ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক

    হাসিনার দল আওয়ামি লিগের ইস্তাহারে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের কথার উল্লেখ করে লেখা হয়েছে, “ভারতের সঙ্গে স্থল সীমানা নির্ধারণ ও ছিটমহল বিনিময়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হয়েছে। এর ফলে ভারতের সঙ্গে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে উৎসাহিত করেছে।” বিদেশনীতি প্রসঙ্গে ইস্তাহারে (Bangladesh Polls) বলা হয়েছে, “আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত অংশীদারিত্ব ও ন্যায়সঙ্গত জল বণ্টন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিবেশি দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

    ‘যুদ্ধ নয়, শান্তিতে বিশ্বাসী’

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশ তার ভূখণ্ডে জঙ্গি, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর উপস্থিতি ঠেকাতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আওয়ামি লিগ সরকার সমগ্র অঞ্চল থেকে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিকে নির্মূল করতে দক্ষিণ এশিয়া টাস্ক ফোর্স গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।” ইস্তাহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাসিনা বলেন, “যুদ্ধ নয়, আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। জাতির পিতা নির্দেশিত ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’, এই নীতিকে ধারণ করে আওয়ামি লিগের সফল বিদেশনীতির কল্যাণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক শক্তিশালী ও মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচিত হলে সকল দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতা চলমান থাকবে।”

    আরও পড়ুুন: মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজকে চেয়ে পাকিস্তানকে চিঠি ভারতের

    আওয়ামি লিগের ইস্তেহারে মোট ১১টি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সংখ্যালঘু স্বার্থেও কিছু ঘোষণা। এই ঘোষণায় খুশি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বৃহত্তম সংগঠন ‘হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ’। এই পরিষদের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ বলেন, “যেহেতু গত পাঁচ বছরে কোনও প্রতিশ্রুতিই পূরণ হয়নি এবং এবারও সেই একই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তাই এটি মন্দের ভাল। তবে এই প্রতিশ্রুতি যেদিন বাস্তবায়িত হবে, সেদিন (Bangladesh Polls) আমরা আন্তরিকভাবে খুশি হব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IMA Graduate Bangladesh: ভারতের মিলিটারি অ্যাকাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েট হলেন বাংলাদেশের হাসান

    IMA Graduate Bangladesh: ভারতের মিলিটারি অ্যাকাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েট হলেন বাংলাদেশের হাসান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহম্মদ আবির হাসান, ২৩ বছর বয়সি একজন বাংলাদেশি যুবক, ভারতের মিলিটারি অ্যাকাডেমি থেকে তার দেশের প্রথম অফিসার ক্যাডেট (IMA Graduate Bangladesh) হিসেবে নাম নথিভুক্ত করল। প্রসঙ্গত, আবিরের পাশাপাশি ১২টি দেশের আরও ২৯ জন এই যোগ্যতা অর্জন করল ভারতের মিলিটারি অ্য়াকাডেমি থেকে।

    হাসানের দাদু ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তি বাহিনীর সদস্য

    হাসানের দাদু ছিলেন মহম্মদ তাজু মিঞা। যিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সে সময় বাংলাদেশের মুক্তি আন্দোলনের জন্য গড়ে উঠেছিল মুজিব বাহিনী। সেই মুক্তিবাহিনীর (IMA Graduate Bangladesh) সদস্য ছিলেন হাসানের দাদু এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করেন। মুক্তি যুদ্ধের সময় বাংলাদেশী নাগরিকদের বাঁচাতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন হাসানের দাদু। ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি (IMA Graduate Bangladesh) থেকে যোগ্যতামান অর্জন করার পরে হাসান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আজকেই আমার স্বপ্ন পূর্ণ হল। আমার এটাই আনন্দের বিষয় যে আমি আমার পরিবার থেকে প্রথম  একজন আর্মি অফিসার হলাম। যদি আমার দাদু বেঁচে থাকত তাহলে আমাকে নিয়ে গর্ববোধ করত।’’ ঢাকার হাসান, আরও জানিয়েছেন যে তাঁর পরিবারবর্গের কেউ এই গর্বের মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে আসতে পারল না। কারণ তাঁর বোন বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিকে পরীক্ষা দিচ্ছে। সে দেশের পাশাপাশি সে আরও জানিয়েছে যে বাড়ি ফিরে গিয়ে সে আরও আনন্দ করবে।

    কী বলছেন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিক

    বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একজন শীর্ষ আধিকারিক এবিষয়ে বলেন, ‘‘এই মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে আমাদের গোটা দেশ গর্বিত। হাসান প্রথম ব্যক্তি যে বাংলাদেশ থেকে ভারতের ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েট হল।’’ এরফলে ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উন্নত হল বলেই মনে করছেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এরপরে আরও ক্যাডেট অফিসার ভবিষ্যতে ভারতের মিলিটারি অ্যাকাডেমি (IMA Graduate Bangladesh) থেকে তৈরি হবে বলে আশাবাদী বাংলাদেশের নাগরিক মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mushfiqur Rahim: হাত দিয়ে বল আটকে লজ্জার মুখে বাংলাদেশের মুশফিকুর! ব্যঙ্গ কলকাতা পুলিশের

    Mushfiqur Rahim: হাত দিয়ে বল আটকে লজ্জার মুখে বাংলাদেশের মুশফিকুর! ব্যঙ্গ কলকাতা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব ক্রিকেটে ফের লজ্জার মুখে বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার। হাত দিয়ে বল আটকে আউট হয়ে গেলেন বাংলাদেশের তারকা মুশফিকুর রহিম। বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে সেই ঘটনা ঘটেছে। ব্যাটিংয়ের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে হাত দিয়ে বল আটকানোয় তাঁকে আউট দেওয়া হয় (‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’-র কারণে)।

    কলকাতা পুলিশের ট্রোল

    নিউজিল্যান্ড ফাস্ট বোলার জেমিসনের বল ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করে বলের গতি প্রকৃতি না দেখে, কিছু না ভেবে সে বল হাত দিয়ে ধরে ফেলেন ৮৮টি টেস্ট খেলা বাংলাদেশের তারকা ব্যাটার মুশফিকুর। বলটি কোনওভাবেই উইকেটের দিকে যাচ্ছিল না। কিন্তু তিনি কী কারণে এমন করলেন, তা প্রশ্নাতীত। পাড়ার মাঠে এমন ভুল করে থাকেন ব্যাটাররা। মুশফিকুরের ওই ভুলটা নিয়ে আবার কলকাতা পুলিশ ট্রোল করে একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছে। যেটি একান্তভাবেই সতর্কতামূলক একটি প্রচার। বহুক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, অজানা লিঙ্কে ক্লিক করলেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে যাচ্ছে গ্রাহকদের। কলকাতা পুলিশ সেইভাবেই প্রচার করছে, লিঙ্ক হোক বা বল, ছুঁলেই গ্যাঁড়াকল! এই বার্তাটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। দারুণ জনপ্রিয় হয়েছে এই বার্তাটি। 

    বোকার মতো ভুল

    নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনের ৪১ তম ওভারের চতুর্থ বলে এই ঘটনা ঘটেছে। কিছুটা শর্ট লেংথে অফস্টাম্পের বাইরে বল করেন কিউয়ি পেসার। কিছুটা পিছনে সরে গিয়ে ডিফেন্স করেন বাংলাদেশের তারকা। বলটা অফস্টাম্পের বাইরের দিকে চলে যাচ্ছিল। কিন্তু আতঙ্কে পড়ে বলটা হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। সরাসরি ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’-র আবেদন করতে থাকেন কিউয়ি ফিল্ডাররা। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে কিছুক্ষণ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন দুই অনফিল্ড আম্পায়ার। তারপর তাঁরা তৃতীয় আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন। আর একবার রিপ্লে দেখেই আউট দিয়ে দেন তৃতীয় আম্পায়ার। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার তামিম ইকবালের মতে, “মুশফিক এটা অবচেতন মনে করে ফেলেছে। কারণ নেটে ব্যাটিংয়ের সময় উইকেটরক্ষক থাকে না বলে বহুক্ষেত্রে ব্যাটারই বলটা হাতে ধরে বোলারকে দিয়ে দেয়। আমার মনে হয় সেই অভ্যাসবশতই মুশফিক ভুলটা করে ফেলেছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Election 2024: রাজনীতির ময়দানে শাকিব, ফিরদৌস! হাসিনার দলের টিকিটে লড়বেন ভোটে

    Bangladesh Election 2024: রাজনীতির ময়দানে শাকিব, ফিরদৌস! হাসিনার দলের টিকিটে লড়বেন ভোটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ১২তম সংসদীয় নির্বাচনে (Bangladesh Election 2024) লড়বেন শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। মাগুরা ১ আসন থেকে লড়াই করবেন শাকিব। যেটি তাঁর নিজের জেলা। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লিগের হয়েই প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেতা ফিরদৌস।

    ভোটের লড়াইয়ে শাকিব

    আপাতত আঙুলের চোটে মাঠের বাইরে শাকিব। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন শাকিব। যে কারণে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। কবে তিনি মাঠে ফিরবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। ধোঁয়াশা রয়েছে। মাশরাফি মর্তুজার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দ্বিতীয় অধিনায়ক হিসাবে নির্বাচনে লড়বেন শাকিব। প্রাক্তন ক্রিকেটার মাশরফিও ২০১৮-র নির্বাচনেই আওয়ামী লিগের টিকিটে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন। বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৯৮ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে ক্ষমতাসীন হাসিনার আওয়ামি লিগ। রবিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রাথমিকভাবে ৩০০টি আসনে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার কথা ছিল। নারায়ণগঞ্জ-৫ ও কুষ্টিয়া-২ আসনের প্রার্থী কারা হচ্ছেন সেই ঘোষণা অবশ্য করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: শান্তিপুর রাসযাত্রায় রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলনের পর হয় বিগ্রহ নিয়ে নগর পরিক্রমা

    ভোট-ময়দানে ফিরদৌসও

    শাকিবের পাশাপাশি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নায়ক ফিরদৌসকে ঢাকা-১০ আসনে প্রার্থী (Bangladesh Election 2024) করা হয়েছে। রবিবার প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় ৩০০টির মধ্যে ২৯৮টি আসনে আওয়ামী লিগ নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করায় তাদের শরিক দল জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ফাঁপরে পড়েছে। আওয়ামী লিগ গত তিনটি নির্বাচন শরিকদের নিয়ে জোট গড়ে লড়েছে। এ বারে সব আসনে একতরফা প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার পরে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছে, শরিকদের সঙ্গে আলোচনা হবে। যে সব আসন তাদের ছাড়া হবে, সেখানে আওয়ামী প্রার্থীরা সরে দাঁড়াবেন। গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে সপ্তম বারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক-সহ মন্ত্রিসভার সব পূর্ণমন্ত্রী আগের আসনেই প্রার্থী হচ্ছেন। তবে বাদ গিয়েছেন তিন জন প্রতিমন্ত্রী ও ৬৯ জন সাংসদ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের সংসদীয় ভোটে লড়তে পারবে না জামাত-ই-ইসলামি, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Bangladesh: বাংলাদেশের সংসদীয় ভোটে লড়তে পারবে না জামাত-ই-ইসলামি, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না জামাত-ই-ইসলামি। সোমবার এই মর্মে নির্দেশ দিল বাংলাদেশের (Bangladesh) সুপ্রিম কোর্ট। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় ইসলামি দল হল জামাত-ই-ইসলামি। তবে এই দল ধর্মনিরপেক্ষ নয়। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বলে দশ বছর আগেই জানিয়ে দিয়েছিল সে দেশের হাইকোর্ট। তার পরেই বাতিল হয়ে যায় এই ইসলামি দলটির রেজিস্ট্রেশন।

    সুপ্রিম কোর্টের রায় 

    হাইকোর্টের সেই নির্দেশই বহাল রইল সুপ্রিম কোর্টেও। বাংলাদেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, “জামাত-ই-ইসলামি ধর্মনিরপেক্ষ দল নয়, যা দেশের সংবিধানের পরিপন্থী। তাই এই দলকে প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়াইয়ের ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। তবে রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারবে এই ইসলামি দল।” ব্যক্তিগত সমস্যার কারণ দেখিয়ে এদিনের শুনানিতে (Bangladesh) হাজির ছিলেন না জামাত-ই-ইসলামির আইনজীবী। এই মামলার শুনানি ছ’সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার যে আবেদন করেছিলেন জামাত-ই-ইসলামির আইনজীবী, এদিন তাও খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ।

    জামাত-ই-ইসলামির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি দীর্ঘদিনের। ১৯৭১ সালে সাবেক পাকিস্তান ভেঙে যখন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ, তখন তার বিরোধিতা করেছিল জামাত-ই-ইসলামি। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। তার পরেই সে দেশে গণহত্যায় জড়িত এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যারা সোচ্চার হয়েছিল, তাদের খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হয় হাসিনা সরকার। এদের অনেককেই ২০১৩ সালে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে অনেককে।

    আরও পড়ুুন: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! শুভেন্দুকে বাঁকুড়ায় সভার অনুমতি আদালতের

    শীর্ষ আদালতের এই রায়ে খুশি বাংলাদেশিরা। আইনজীবী তানিয়া আমির বলেন, “এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা (জামাত-ই-ইসলামি) যদি মিটিং করে, সমাবেশ করে কিংবা হাইকমিশন, দূতাবাস কিংবা অন্যত্র নিজেদের বৈধ বলে দাবি করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হবে।” প্রসঙ্গত, ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এবার জয়ী হলে চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় ফিরবে শেখ হাসিনার দল। এবারও নির্বাচন বয়কট করবে (Bangladesh) বলে হুমকি দিয়েছে খালেদা জিয়ার বিএনপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share