Tag: Bangladeshis

Bangladeshis

  • Delhi: একাধিক ভুয়ো পাসপোর্ট সিন্ডিকেটের খোঁজ, ১৩জন বাংলাদেশি সহ ১৯ বিদেশি নাগরিক আটক

    Delhi: একাধিক ভুয়ো পাসপোর্ট সিন্ডিকেটের খোঁজ, ১৩জন বাংলাদেশি সহ ১৯ বিদেশি নাগরিক আটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকত্বের ভুয়ো নথি তৈরি করে দেশে গা ঢাকা দিয়ে থাকেন অনেকে। চলতি বছর, দিল্লি পুলিশ (Delhi) ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইউনিট ভারত জুড়ে একাধিক ভুয়া পাসপোর্ট সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৯ বিদেশি নাগরিক, এর মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশি, ৩ জন মায়ানমারী, ৩ জন নেপালি এবং ১ জন আফগান নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও, ২৩ জন এজেন্টকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ জন বাংলাদেশি এবং ১ জন মায়ানমারের নাগরিকও রয়েছেন। 

    জাল পাসপোর্ট চক্র

    দিল্লি পুলিশ (Delhi) কমিশনার (এয়ারপোর্ট) উষা রঙ্গনানি জানিয়েছেন, “ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক (IGI) বিমানবন্দর পুলিশ সফলভাবে একাধিক ভুয়া পাসপোর্ট সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। এই নেটওয়ার্কগুলি প্রতিবেশী দেশগুলির বিদেশি নাগরিকদের নিয়ে গঠিত। যারা প্রায়ই ভারতে বেআইনি প্রবেশ করে। জাল নথি ব্যবহার করে ভারতীয় পাসপোর্ট সংগ্রহ করার চেষ্টা করে।” এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাসপোর্ট জালিয়াতি শুধু বেআইনি নয়, এটি বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য গুরুতর সমস্যা তৈরি করে। জাল পাসপোর্টগুলি সারা বিশ্বে ট্যুরিজমের উপরও প্রভাব ফেলে। মানব পাচার, সন্ত্রাসবাদ, আর্থিক জালিয়াতির মতো অপরাধে সহায়তা করতে পারে এই নেটওয়ার্কগুলি।

    আরও পড়ুন: ‘‘বিজেপি সংবিধানকে বাঁচায়, কংগ্রেস তা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে’’, সংসদে রাজনাথ

    কঠোর পদক্ষেপ

    দিল্লি পুলিশ (Delhi) এই নেটওয়ার্কগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। ২০২৪ সালের মার্চে, এক বাংলাদেশি নাগরিক আরব থেকে ফেরার সময় একটি জাল ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে ধরা পড়েন। তদন্তে জানা যায় যে, তিনি ২০২০ সালে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে বেআইনি ভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং পরে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস শুরু করেছিলেন। এর পরবর্তী তদন্তে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করছিল। এছাড়া, নভেম্বর মাসেও এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ভারতে বেআইনি ভাবে প্রবেশ করে, একটি জাল ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে রাশিয়া যাচ্ছিলেন। এ সময় পশ্চিমবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্টকেও আটক করা হয়। অক্টোবরে, দুটি বাংলাদেশি নাগরিককে হংকং থেকে ফিরতে গেলে জাল পাসপোর্ট নিয়ে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, এই সিন্ডিকেটগুলি নেপাল, মায়ানমার, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে সংগঠিত অপরাধীদের মধ্যে গড়ে উঠেছে। যারা জাল নথি তৈরির মাধ্যমে ভারতে প্রবেশের পথ তৈরি করে এবং অবৈধভাবে ভারতীয় পাসপোর্ট সংগ্রহ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nadia: “জোর করে জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা”! আতঙ্কে নদিয়ার সীমান্ত এলাকার চাষিরা

    Nadia: “জোর করে জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা”! আতঙ্কে নদিয়ার সীমান্ত এলাকার চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের পর ফের উত্তাল বাংলাদেশ। চলছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার। এই আবহের মধ্যে এবার নদিয়া (Nadia) সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশিদের অত্যাচার শুরু হয়েছে। কেটে নিয়ে যাচ্ছে জমির ফসল। জিরো পয়েন্টে চাষ করতে গিয়ে প্রাণের ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে ভারতের চাষিদের।

    জিরো পয়েন্টে চাষ করে আতঙ্কে চাষিরা (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) গেদে সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে, সমস্যায় রয়েছেন ভারতীয় চাষিরা। শেখ হাসিনার পতন এবং মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার দায়িত্বগ্রহণ করার পর থেকে অশান্ত হয়ে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। অভিযোগ উঠেছে অরাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ প্রশাসন সেখানকার সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। গ্রেফতার করার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং মন্দির ভাঙচুর করা হচ্ছে। এরপরই দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশিরা ভারতের পতাকা মাটিতে ফেলে তার ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। পাশাপাশি ভারত সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন কটূক্তি করছে বাংলাদেশিরা। যার কারণে বর্তমানে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে তিক্ততা অনেকটাই বেড়েছে।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশে এই পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় জওয়ানদের বাড়তি নজরদারির নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত হল নদিয়ার গেদে। মূলত এই সীমান্তবর্তী এলাকার জিরো পয়েন্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাষ করে আসছেন বাংলার কৃষকরা। বিএসএফ জওয়ানরা কাঁটাতার এলাকায় পাহারা দিলেও তাঁরা জিরো পয়েন্টের দিকে যেতে চান না। অথচ সেই জিরো পয়েন্টেই জমি রয়েছে ভারতবাসীদের। সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা চাষ আবাদ করেন। সেই কারণেই বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির মধ্যে অনেকটা সমস্যায় পড়েছেন। আতঙ্কে রয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে শীত! কলকাতায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে পারদ, বঙ্গে তাপমাত্রা নামল ১০-এর নিচে

     জোর করে জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা!

    নদিয়ার (Nadia) গেদে সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষক ভজন বিশ্বাস। তিনি বলেন, “জিরো পয়েন্টে আমার জমি রয়েছে। বাংলাদেশের এই ঘটনার পর আমাদের জমির ফসল ওরা (Bangladeshis )জোর করে কেটে নিয়ে চলে যাচ্ছে। বাধা দিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর ভয় দেখাচ্ছে। চরম আতঙ্কে রয়েছি।” সুকান্ত বিশ্বাস নামে অন্য চাষি বলেন, “বিএসএফরা জিরো পয়েন্টে যেতে চায় না। ফলে, আমরা ঝুঁকি নিয়ে সেখানে চাষ করি। বাংলাদেশিরা এসে এখন যা খুশি তাই করছে।  তাই বিএসএফের কাছে অনুরোধ যাতে তারা বাড়তি নিরাপত্তা দিয়ে কৃষকদের বিষয়টি নজর দেয়। ”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: বাংলাদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ, সাফ জানিয়ে দিলেন দার্জিলিংয়ের হোটেল ব্যবসায়ীরা

    Darjeeling: বাংলাদেশিদের জন্য দরজা বন্ধ, সাফ জানিয়ে দিলেন দার্জিলিংয়ের হোটেল ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জাতীয় পতাকাকে প্রকাশ্যে অপমান। এমনকী ভারতকে নিয়ে নানা কটূ মন্তব্য মেনে নিতে পারছেন না এপারের বাসিন্দারা। আগেই এপার বাংলার বহু চিকিৎসক বাংলাদেশিদের চিকিৎসা করা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই আবহের মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল ব্যবসায়ীরা। দার্জিলিংয়ের কোনও হোটেলে আর বাংলাদেশি (Bangladeshis) পর্যটকদের জায়গা হবে না। সোমবার এমনই সিদ্ধান্তের কথা জানাল পাহাড়ের হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন।

    বাংলাদেশি পর্যটকদের বয়কট (Darjeeling)

    পাহাড়ের হোটেলে (Darjeeling) বাংলাদেশি পর্যটকদের বয়কট করার জল্পনা চলছিল কয়েক দিন ধরে। বিভিন্ন সংগঠন এবং হোটেল ব্যবসায়ী সম্মিলিত ভাবে এই বয়কটের কথা ঘোষণা করলেন। ‘গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর তরফে সোমবার বলা হয়, দার্জিলিং পুলিশ জেলার অন্তর্গত বিভিন্ন হোটেল এবং তার বাইরেও যে সমস্ত হোটেল রয়েছে তাদের মধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটাভুটি হয়েছে। সেখানে অধিকাংশ ভোট গিয়ে পড়ে বাংলাদেশি পর্যটকদের বিরুদ্ধে। তাই এই সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে। শীতের মরসুমে পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছরই এই সময় গড়ে ২৫ থেকে ৩০ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক শৈলশহরে বেড়াতে আসেন। তাঁদের ‘বয়কট’ করার সিদ্ধান্ত কঠিন বলে মেনে নিয়েও ব্যবসায়ী সংগঠন বলছে, “দেশের থেকে বড় কিছুই নয়।”

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    আগে দেশ, ব্যবসার ক্ষতি হবে, হোক!

    সাংবাদিক বৈঠকে ‘গ্রেটার শিলিগুড়ি (Darjeeling) হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, “বিভিন্ন সংগঠন স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। কিন্তু সেটা বড় কথা নয়। যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কিছু নিয়ম মানতে হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী ভোটপ্রক্রিয়া হয়েছিল। তাতে প্রায় ৯৭ শতাংশ ভোট বাংলাদেশিদের বিপক্ষে পড়েছে।” তিনি আরও বলেন, “সেই কারণে বাংলাদেশের পর্যটকদের আপাতত হোটেলে জায়গা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত যেন সবাই মেনে চলেন। মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণও করা হবে। এমনকী, ‘স্টুডেন্ট’ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত ভিসা দেখিয়েও দার্জিলিংয়ের কোনও হোটেলে বাংলাদেশের কোনও নাগরিক জায়গা পাবেন না। ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং ভারতের প্রতি কটূক্তির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যত দিন না ওই ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ দুঃখপ্রকাশ এবং ক্ষমাপ্রার্থনা করে বিবৃতি দেবে, তত দিন ওই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।” পাশাপাশি ‘ইস্টার্ন হিমালয়ান ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটর’-এর সদস্য দেবাশিস মৈত্র বলেন, “আমাদের কাছে আগে দেশ। ব্যবসার ক্ষতি হবে, হোক। হোটেল সংগঠন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সঠিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gujarat: জনবিন্যাস নষ্ট করার ষড়যন্ত্র ফাঁস! গুজরাটে গ্রেফতার ৫১ অবৈধ বাংলাদেশি

    Gujarat: জনবিন্যাস নষ্ট করার ষড়যন্ত্র ফাঁস! গুজরাটে গ্রেফতার ৫১ অবৈধ বাংলাদেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ (Bangladeshis) করে অবৈধভাবে গুজরাটে (Gujarat) বসবাস করছিলেন বেশ কিছু বাংলাদেশি। একই ভাবে তারা এলাকা দখল করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং জনবিন্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে নাশকাতামূলক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে জানা যাচ্ছে। আমেদাবাদ পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত ২৫ অক্টোবর মোট ৫১ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করেছে। একই ভাবে আরও ২৫০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্যান্য যোগসূত্র এবং ষড়যন্ত্রের তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

    স্যাটেলাইটে চিত্র ধরা পড়েছে (Gujarat)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshis) বেআইনি ভাবে চান্দোলা লেকের আশেপাশের এলাকায় জবরদখল করে অস্থায়ী বসতি নির্মাণ করেছিল। উল্লেখ্য এই এলাকায় নর্মদা নদীর পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে। যে সব এলাকায় জল সঙ্কট দেখা দেয়, সেখানে এই পাইপ লাইনের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হয়। তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, “এই অনুপ্রবেশকারীরা নিকটবর্তী পিরানা (Gujarat) বর্জ্য ফেলার জায়গা থেকে প্রক্রিয়াজাত নোংরা এবং আবর্জনা জলের পাইপ লাইনে ফেলে জল সরবরাহকে বন্ধ করে দেওয়ার কাজ করছিল। উপগ্রহ চিত্রে ১৯৮৫, ২০১১ এবং ২০২৪ সালের স্যাটেলাইটে স্পষ্টভাবে সেই চিত্র ধরা পড়েছে। ফলে হ্রদের জলের স্তর ব্যাপক ভাবে কমে গিয়েছে। এই ভাবে প্রাকৃতিক ভারসাম্যকে নষ্ট করার গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আপাতত তদন্ত চলছে। এই অপকর্মের সম্পূর্ণ জালকে খোঁজ করা হচ্ছে।”

    বেআইনি ভাবে হ্রদের আশে পাশে ঝুপড়ি নির্মাণ!

    উপগ্রহ চিত্র সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই চান্দোলা (Gujarat) এলাকায়, বাংলাদেশিরা বেআইনি ভাবে হ্রদের আশে পাশে ঝুপড়ি নির্মাণ করে জমি কব্জা করে রেখে ছিল। সেই সঙ্গে জলাজমি বেআইনি ভাবে মাটি দিয়ে ভরাট করে ক্রমাগত বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। একদিকে, যেমন পানীয় জল সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটেছে, তেমনি বর্জ্য পদার্থের প্রক্রিয়াজাত কাজেও অত্যন্ত প্রভাব ফেলেছে। উপগ্রহ চিত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৫ বছরে এলাকার বিরাট পরিবর্তন ঘটিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন প্রশ্ন এই ভাবে প্রাকৃতিক ভারসাম্যকে নষ্ট করার মূলচক্রী কে? এটা কী কোনও বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অঙ্গ, সেটাই তদন্ত করছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

    ৬০-৭০ শতাংশ অবৈধ নির্মাণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে

    আমেদাবাদ (Gujarat) দুর্নীতি দমনকারী শাখার এসিপি ভরত প্যাটেল বলেন, “গত কয়েক মাস ধরে, আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চ অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে৷ অভিযানের অধীনেই তাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। আবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে৷ গত মাসে, মানব পাচার, অবৈধ লেনদেন এবং জাল ভারতীয় নথির দুটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারপরেও তদন্ত থেমে নেই। এবার মোট ৫১ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া নথি থেকে যাচাই করা হয়েছে। ভুয়ো কাগজ এবং নথি তৈরি করার জন্য এফআইআর করা হয়েছে। এখন এই চান্দোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০-৭০ শতাংশ অবৈধ নির্মাণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    উদ্ধার ভুয়ো আধার-প্যান

    একইভাবে আমেদাবাদে (Gujarat) গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশিদের (Bangladeshis) কাছ থেকে যে সব সমগ্রী পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ভারতীয় আধার কার্ড, প্যান কার্ড। ধৃতরা সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক। তবে প্রত্যেকের কাগজে পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখ রয়েছে। বেআইনি ভাবে কাজপত্র তৈরি করে সরকারি সুবিধাগুলি নিচ্ছিল বলে দাবি করেন তদন্তকারী অফিসাররা। ভারতীয় নাগরিকদের জন্য যে জনমুখী কল্যাণকর প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হয়, সেগুলি আইনের ফাঁক দিয়ে সুযোগ নিচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

    আরও পড়ুন: “বিকশিত ভারতের জন্যই প্রয়োজন বিকশিত মহারাষ্ট্রের”, বললেন জয়শঙ্কর

    যোগ মিলেছে নারী পাচারের চক্র!

    তবে আমেদাবাদ (Gujarat) পুলিশের ডিসি অজিত রাজিয়ান এবং যুগ্ম কমিশনার শরদ সিংঘল সহ পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, “স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে এই ধরনের ভুয়ো নথি কাগজ ব্যবহার করেছে দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ থেকে নারী পাচার করে আমেদাবাদে আনা হত এবং সেখান থেকে অন্যত্র পাচার চক্র চলত।” একইভাবে দেশ-বিরোধী একাধিক কাজের সূত্র মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় এখন পুলিশ এবং নিরাপত্তা কর্মীদের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। হ্রদের প্রকৃতিক ভারসাম্য এবং নর্মদা থেকে জল সরবরাহে কোনও রকম সমস্যা তৈরি করা হলে প্রশাসন কড়া হাতে দমন করবে বলে স্পষ্ট মত প্রকাশ করেছে গুজরাট সরকার।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘ধর্ষণ করছে, মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে’’, বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের মুখে দুর্দশার কথা

    Bangladesh Crisis: ‘‘ধর্ষণ করছে, মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে’’, বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের মুখে দুর্দশার কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) যেন ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে দেশের দখল নিয়েছে সেনাবাহিনী। কিন্তু তাতে অবস্থার যে খুব একটা উন্নতি হয়েছে এমনটা নয়। দেশজুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়িঘর, মন্দির এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এমনকী, বর্বরোচিত অত্যাচারের হাত থেকে বাদ যাননি হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলারাও (Hindu women in Bangladesh)। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের হিন্দু নারীদের ওপর ব্যপক অত্যাচার চলছে। শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মত অভিযোগও উঠেছে। 

    হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলাদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    এই চরম অস্থিরতার সময় বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের ওপর যেভাবে অত্যাচার চলেছে এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নির্যাতিতারা। ৮ অগাস্ট স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকজন হিন্দু মহিলা (Hindu women in Bangladesh) তাঁদের দুর্দশার কথা বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন ভুক্তভোগী বলেন, ”ওরা তলোয়ার ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসেছিল। বাড়ি থেকে সব নিয়ে গেছে। প্রাণ বাঁচানোর জন্য, আমাদের কাছে যা ছিল সবই দিয়েছি।” আরেক মহিলা বলেন, ”রাতে, ওরা এসেছিল। আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করে সবকিছু লুট করে নিয়ে গেছে। আমি লুকিয়ে ছিলাম। কিন্তু ওরা আমার ভাইয়ের স্ত্রীকে ধরে অন্য ঘরে নিয়ে যায়। তাঁকে ধর্ষণ করে। পরে আমরা তাঁকে উদ্ধার করি। সে সময় তাঁর মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। ওরা তাঁর গলা কেটে ফেলতে চেয়েছিল। ওকে বাঁচানোর জন্য আমরা আমাদের সব সোনার গয়না দিয়ে দিয়েছি।”     

    অন্যদিকে, তৃতীয় আরেক মহিলা (Hindu women in Bangladesh) অনুরূপ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ”আমরা রাতে ঘুমাচ্ছিলাম। তখনই ওরা এসেছিল। ওদের সঙ্গে অস্ত্রশস্ত্র ছিল। ওরা আমাদেরকে সতর্ক করে বলেছিল, ‘আমাদের পঞ্চাশ জন লোক তোমার বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে, তোমার পালানোর কোনও পথ নেই।’ এরপর ওরা সবকিছু লুট করেছে। আমাকে ধরে বিছানায় নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। আমি তাদের কাছে অনুরোধ করেছিলাম যে হয় আমাকে রেহাই দাও অথবা আমাকে মেরে ফেলো। এরপর ওরা আমাকে কান্না থামানোর জন্য হুমকি দিতে থাকে। আমাদের কাছে যা কিছু মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল সব দিতে বলেছিল ওরা। নিজের প্রাণ বাঁচাতে তাই আমি বাধ্য হয়ে আমার সমস্ত গয়না ওদের দিয়ে দিয়েছিলাম। সেসব নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায় ওরা।” 

    হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত, ভাঙচুর মন্দিরে (Bangladesh Crisis)

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করেছে। অশান্তির সঙ্গে সঙ্গে এবার সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের অভিযোগ ও উঠতে শুরু করেছে। হিন্দু মহিলাদের নির্যাতনের পাশাপাশি জলছে সংখ্যালঘুদের ঘর। একাধিক মন্দিরে ও হামলা চালানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দাবি করে, সেদেশের ২৯টি জেলায় সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলা চালানো হয়েছে। অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষের বাড়ি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ভাঙা হয়েছে মন্দিরও।  

    জানা গিয়েছে, নাটোর, ঢাকার ধামরাই, পটুয়াখালির কলাপাড়া, শরিয়তপুর ও ফরিদপুরের একাধিক মন্দিরে ভাঙচুর (Bangladesh Crisis) করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনি শহরের দুর্গামন্দির, দিনাজপুরের পার্বতীপুর কালীমন্দির সহ আরও পাঁচটি মন্দির, যেখানে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এছাড়াও ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের ২ নম্বর ইউনিয়নের শ্মশান মন্দিরে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং নেত্রকোনা শহরে রামকৃষ্ণ মিশন এবং ইস্কন মন্দিরে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুড়িয়ে ছাই হয়ে যায় জগন্নাথ বিগ্রহ। একইসঙ্গে যশোর, নোয়াখালি, মেহেরপুর, চাঁদপুর ও খুলনার একাধিক বাড়িঘরে হামলা চলেছে। 

    এমনকী, দিনাজপুরে হিন্দুদের ৪০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। যশোরে অন্তত ৫০টি হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা। ভাঙচুর, লুটপাট, ডাকাতির মতো ঘটনার পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাড়িগুলিতে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোকানে ভাঙচুর করে মালপত্র লুট করা হয়। এহেন পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে জেলায়-জেলায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ সেনা। 

    ভারত আসতে চাইছেন বাংলাদেশি হিন্দুরা

    এদিকে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনার (Bangladesh Crisis) পরেই আতঙ্কে ভারত বাংলাদেশ বর্ডারের কাছে বহু বাংলাদেশি জড়ো হয়েছিলেন বলে খবর।  বুধবার দুপুর ১ টা নাগাদ প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করেন। তবে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসার আগেই তাদের আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে বিএসএফ। শরণার্থীদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে অনুরোধ করলে শরণার্থীরা জানান, বিএসএফ পারলে গুলি করে তাঁদের মেরে দিক, কিন্তু তাঁরা দেশে ফিরে যাবেন না। এ প্রসঙ্গে, হলদিবাড়ি ছিটমহলের বাসিন্দা জয়প্রকাশ রায় বলেন, ‘‘মহিলারা আর্তনাদ করছেন। বাঁচান বাঁচান বলে চিৎকার করছেন। একটু আশ্রয় চাইছেন। এ দৃশ্য দেখা যায় না!’’ 

    আরও পড়ুন: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    কী জানাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক?   

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে যে, গোটা বিষয়গুলি সম্পর্কে কেন্দ্র অবগত। একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোটা না ফেরা পর্যন্ত উদ্বেগ রয়েছে। আইন ও সরকারের দায়িত্ব হল সমস্ত নাগরিকদের সুরক্ষা যাতে বজায় থাকে। এটা সেই দেশের স্বার্থরক্ষার জন্য দরকার। বৃহত্তরক্ষেত্রে এটা দরকার। 

    বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করে বলেন, ”কোনও ইসলামিক দেশে গণতন্ত্র সফল হয় না, এটা তার প্রমাণ। কিছু গণ্ডগোল হলেই ওখানে হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার হয়। তারা পালিয়ে আসেন। আবার সেটা হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের হয়ে কেউ কথা বলছে না। কেউ জামাতিদের কথা বলছে, কেউ স্বৈরতন্ত্রের কথা বলছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হলে এখানে তার প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের সেখানে সরকার বদলের অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা বলে প্রতিবার সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন চালু থাকলেও দিল্লিতে ফিরলেন বহু কর্মী, কেন?

    Bangladesh Crisis: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন চালু থাকলেও দিল্লিতে ফিরলেন বহু কর্মী, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই রাজনৈতিক সংকটে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ধারাবাহিক হিংসার ঘটনায় বাংলাদেশে ২৩২ জন নিহত হয়েছেন। এমত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি। অন্যদিকে, এবার বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় হাইকমিশনের (Indian High Commission) অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনল ভারত। জানা গিয়েছে, এই অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের বাণিজ্যিক ফ্লাইটের মাধ্যমে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। 

    ঢাকা থেকে দিল্লি এলেন ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মচারীরা 

    বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের (Bangladesh Crisis) পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ঘিরে রাজনৈতিক ডামাডোল চলছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিজেদের কর্মীদের একাংশকে ফিরিয়ে এনেছে ভারত। ভারতীয় হাইকমিশন (Indian High Commission) সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে একান্ত জরুরি নয় এমন কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঢাকা থেকে দিল্লি এসে পৌঁছেছেন সকলে। তবে কূটনীতিকরা বাংলাদেশেই থাকছেন। হাইকমিশনের স্বাভাবিক কাজকর্ম চালু আছে। এ প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, ”বর্তমানে বাংলাদেশে আনুমানিক ১৯,০০০ ভারতীয় নাগরিক রয়েছে যার মধ্যে প্রায় ৯০০০ জন ছাত্র। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই, আমরা আমাদের কূটনীতিকদের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছি।” 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    বন্ধ বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি

    এখনও স্বাভাবিক নয় বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তগুলিতে সতর্ক ভাবে পাহারায় রয়েছে বিএসএফ। এমত পরিস্থিতিতে এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি। বুধবার ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশিকা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত সব ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি বন্ধ থাকবে। ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী কবে ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে, তা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। 

    উল্লেখ্য, হাসিনার দেশ ছাড়ার পর বৃহস্পতিবার নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার কথা। আপাতত ১৫ সদস্যের সরকার গঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    Bangladesh Crisis: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। প্রতিবেশী দেশটিতে হিংসার শিকার হচ্ছেন বহু সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুরা। বাংলাদেশের এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার দুপুর ১টা নাগাদ প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করেন। তবে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসার আগেই তাদের আটকে দিতে সক্ষম হয় বিএসএফ (BSF on Bangladesh Border)। যদিও এর জন্য নিরাপত্তাবাহিনীকে কোনও রকম কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়নি। গুলি চালানোরও কোনও দরকার পড়েনি। 

    পরিস্থিতি মোকাবিলায় সজাগ ও তৎপর বিএসএফ (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যেই শয়ে শয়ে শরণার্থীরা কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসতে চাইছেন। বুধবার দুপুর থেকেই দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের সীমান্তে ভিড় করেছেন বহু বাংলাদেশি। কার্যত কাঁটাতারহীন সীমান্ত পেরিয়ে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির সীমান্তে দেখা গিয়েছে, কাতারে কাতারে মানুষ ভারতে প্রবেশ করার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। 

    তবে, এমন ঘটনা (Bangladesh Crisis) যে ঘটতে পারে তার আন্দাজ আগে থেকেই পেয়েছিল বিএসএফ। তাই সোমবারের পর থেকেই সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। বুধবার কিছু মানুষ আসা পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। কিন্তু শরণার্থীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় বিএসএফ (BSF on Bangladesh Border) সীমান্তেও বাহিনী সংখ্যা বাড়ায়। শরণার্থীদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন সকলে। বিএসএফের দাবি, এই বাংলাদেশিরা মূলত সানসেরপুরা, ধামেরঘাট, চিরাকুটি, লাখিপাড়া, বোনাগ্রাম, কাঠুমারি, পানিডুবি ও বানিয়াপাড়ার বাসিন্দা। এই গ্রামগুলি সীমান্ত থেকে মাত্র ২-৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    শরণার্থীদের দাবি (Bangladesh Crisis) 

    বিএসএফ জানায়, প্রায় ৩০০ জন বাংলাদেশি নাগরিক যারা মূলত হিন্দু তারা এসে জমায়েত করেন জলপাইগুড়ি জেলার মানিকগঞ্জের সাতকুড়া সীমান্তে। প্রত্যেক শরণার্থীদের দাবি ছিল, বিএসএফ পারলে গুলি করে তাঁদের মেরে দিক, কিন্তু তাঁরা দেশে ফিরে যাবেন না। এ প্রসঙ্গে, হলদিবাড়ি ছিটমহলের বাসিন্দা জয়প্রকাশ রায় বলেন, ‘‘মহিলারা আর্তনাদ করছেন। বাঁচান বাঁচান বলে চিৎকার করছেন। একটু আশ্রয় চাইছেন। এ দৃশ্য দেখা যায় না!’’ তবে বিএসএফ সূত্রে খবর, উপরতলায় বিষয়টি জানানো হয়েছে। সেখান থেকে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত শরণার্থীদের কোনও পরিস্থিতিতেই এ পারে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC MLA on Bangladeshis: ‘‘তৃণমূলকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের নামই ভোটার লিস্টে রাখুন’’, বিতর্কে বিধায়ক

    TMC MLA on Bangladeshis: ‘‘তৃণমূলকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের নামই ভোটার লিস্টে রাখুন’’, বিতর্কে বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার লিস্টে কেবল তৃণমূল (TMC) সমর্থকদেরই নাম তুলুন! বিজেপির (BJP) লোকদের তুলবেন না! এই নিদান দিয়েছেন এ রাজ্যের এক এমএলএ (MLA)। বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA on Bangladeshis) খোকন দাসের এহেন মন্তব্যের জেরে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার লিস্টকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। বুধবার পূর্ব বর্ধমানের টাউন হলে তৃণমূলের তরফে আয়োজন করা হয়েছিল ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এক আলোচনা সভার। এই সভায় যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের নির্বাচনী এজেন্টরা। এই সভায়ই বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন খোকন। একজন বিধায়ক (TMC MLA on Bangladeshis) হয়ে একথা বলতে পারেন কিনা, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

    ঠিক কী বলেছেন বিধায়ক?

    এদিনের এই সভায় বিধায়ক (TMC MLA on Bangladeshis) বলেন, অনেক নতুন ভোটার। প্রতিদিন নতুন লোক তো আসছেই। নতুন লোক মানে বুঝতে পারছেন? সব বাংলাদেশের লোক আসছেন। তাঁদের ভোট বেশি তোলা মানে তো আরও ক্ষতি। তাঁরা তো সব ভোট বিজেপিকেই দিয়ে দেন। তাই ভোটার লিস্টে নাম যে তুলবেন, দেখবেন নতুন লোক এলেও, তাঁরা আমাদের দলের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন কিনা। যাঁরা সেটা করবেন, তাঁদেরই নাম ভোটার তালিকায় তোলার চেষ্টা করবেন। বিধায়ক বলেন, এখন সবাই আমাদের দলের সঙ্গে ভিড়ে গিয়েছেন। দু দিন পর আবার ২০১৯, ২০২১ সালের মতো হয়ে না যায়! নিজেদের জায়গা নিজেদের ছেলেদের করতে হবে। আমরাও দলকে বলেছি, যাঁরা উনিশ ও একুশের ভোটে বুক চিতিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, তাঁদেরই বিভিন্ন পদ দেওয়া হবে। অন্য কোনও লোককে আমরা কোনও পদ দেব না। তিনি বলেন, যাঁরা দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, তাঁদেরই জায়গা দেব।

    আরও পড়ুন: অভিষেকই ‘কয়লা ভাইপো’? মেনে নিচ্ছে তৃণমূল?

    অথচ দিন কয়েক আগে উল্টো সুর শোনা গিয়েছিল বিধায়কের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। ১০ নভেম্বর এক প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সবাই যাঁরা ভোটার লিস্টের কাজে আছেন, আমি রিকোয়েস্ট করব সবার নামটা তুলবেন। ১৮ বছর বয়স যাদের হচ্ছে বা হতে যাচ্ছে, তাদের নামগুলো তুলবেন ইলেকশন কমিশনের নিয়ম মেনে। কারও নাম দয়া করে অন্য ধর্মের লোক বলে বাদ দেবেন না।

    তৃণমূলের কোনটা মুখ আর কোনটা মুখোশ? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share