Tag: Bank Fraud

Bank Fraud

  •  ED Raid: ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণাকাণ্ডে হাওড়ায়, বেহালায় অভিযান ইডির

     ED Raid: ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণাকাণ্ডে হাওড়ায়, বেহালায় অভিযান ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুরে ইডি হানা (ED Raid)। জানা গিয়েছে, এর পাশাপাশি কলকাতার বেহালাতেও চলছে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, শিবপুরের (Howrah) এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ৬০০০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার তদন্তের কারণে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে দীপক জৈন নামক এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা।

    ডিসেম্বর মাসে সঞ্জয় সুরেখা নামক এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও চলেছিল তল্লাশি

    এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে সঞ্জয় সুরেখা নামক এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও চলেছিল তল্লাশি (ED Raid)। তখন ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ২ কোটি টাকা। বাজেয়াপ্ত করা হয় ২টি গাড়ি। আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সঞ্জয়কে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যাঙ্ক প্রতারণার সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবারের ইডি হানা।

    বিভিন্ন সংস্থার নাম করে আর্থিক লেনদেন চালানো হত

    স্টিল কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ৬০০০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণার (ED Raid) অভিযোগ রয়েছে। এই কোম্পানি বিভিন্ন সংস্থার নাম করে আর্থিক লেনদেন চালাত বলে অভিযোগ। সেই মামলার তদন্তেই আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অভিযানে নামে ইডি। হাওড়ার (ED Raid) পাশাপাশি বেহালার একটি আবাসনে পৌঁছে গিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চলছে তল্লাশি।

    ২০২২ সাল থেকে তদন্তে ইডি

    এই মামলায় আদালতে ইডি আগেই অভিযোগ করেছিল, ১০ বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক আমানত তছরুপ করা হয়েছে। অভিযুক্ত সঞ্জয় সুরেখাকে বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করে ইডির দাবি ছিল, ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১৬টি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে ৬২০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে ব্যবসায় লোকসান দেখিয়ে শতাধিক ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই। ২০২২ সালে সিবিআইয়ের এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vijay Mallya: বিজয় মালিয়াকে ৪ মাসের সাজা শোনালো শীর্ষ আদালত, সঙ্গে জরিমানা

    Vijay Mallya: বিজয় মালিয়াকে ৪ মাসের সাজা শোনালো শীর্ষ আদালত, সঙ্গে জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়াকে (Vijay Mallya) চার মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সেই সঙ্গে দুহাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে কিংফিসারের প্রাক্তন প্রধানকে। শর্ত না মানলে আরও ২ মাস জেল খাটতে হবে বলেও জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। এছাড়াও বিদেশে পাচার করা ৪ কোটি মার্কিন ডলারও ফেরত দেওয়ার জন্যে শিল্পপতিকে চার সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছে আদালত।

    তথ্য গোপন এবং আদালত অবমাননার দায়ে বিজয় মালিয়াকে ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৪ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ইউইউ ললিত, রবীন্দ্র ভাট এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: সোমবার বিজয় মালিয়া মামলার রায় ঘোষণা, সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ

    ২০১৭ সালে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে নিজের ছেলে ও মেয়েকে প্রায় ৩১৭ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছিলেন বিজয় মালিয়া। সেই টাকা ৮ শতাংশ সুদে চার সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দিতে হবে তাঁকে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যথায় ‘কিংফিশার কিং’ -এর সম্পত্তি বেঁচে পাওনাদার সংস্থাগুলিকে টাকা তোলার অনুমতি দিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুন: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    ২০১৬ সালে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বিজয় মালিয়া। ২০১৭ সালের ১০ জুলাই বিজয় মালিয়াকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। কিন্তু হাজিরা তিনি দেননি। এছাড়াও নিজের সম্পত্তির সম্পূর্ণ খতিয়ান ব্যাঙ্কগুলির কাছে গোপন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে মালিয়ার বিরুদ্ধে। ব্যাঙ্কগুলির অভিযোগ, ২০১৭ সালের কর্ণাটক হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে ছেলে সিদ্ধার্থ ও মেয়ে লীনাকে প্রায় ৪ কোটি ডলার পাঠিয়েছিলেন মালিয়া।  

    ৫ বছর আগে আদালত অবমাননার অভিযোগে মালিয়ার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা শুরু হয়। শীর্ষ আদালত জানায়, মালিয়া তথ্য গোপন করেছেন। কর্ণাটক হাইকোর্টের নির্দেশও অমান্য করে বিদেশে টাকা পাঠিয়েছেন। ভারত সরকারের হাত থেকে বাঁচতে ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকেই লন্ডনে গা ঢাকা দিয়ে বসে আছেন বিজয় মালিয়া। এখনও তিনি অধরা।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সুপ্রিম কোর্টে জানান, ঋণখেলাপি মামলায় অভিযুক্ত এবং পলাতক বিজয় মাল্য, নীরব মোদী এবং মেহুল চোকসির কাছ থেকে মোট ১৮,০০০ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  

LinkedIn
Share