Tag: bank

bank

  • Teacher: শিক্ষকের চাকরি করলে লোন দেবে না ব্যাঙ্ক! কোথায় জানেন?

    Teacher: শিক্ষকের চাকরি করলে লোন দেবে না ব্যাঙ্ক! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষকরাই (Teacher) সমাজের সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁদের কথা এলাকার আর পাঁচজন মান্যতা দেন। কিছুদিন আগেও শিক্ষকরা ব্যাঙ্কে গেলে কর্মীরাও অনেক খাতির করতেন। পাড়ায় কেউ শিক্ষক পদে চাকরি করেন শুনলে সকলেই সেই পরিবারকে সমীহ করে চলতেন। এমনকী বিয়ের বাজারে শিক্ষক (Teacher)  পাত্র পেলে মেয়ের বাবার তো কথাই নেই। প্রতিবেশীরা সেই পরিবারকে কিছুটা আড় চোখে দেখতেন। এতদিন এটাই ছিল চেনা চিত্র। কিন্তু, আদালতের নির্দেশে রাজ্যে শয়ে শয়ে বাতিল হয়েছে শিক্ষক (Teacher)  এবং অশিক্ষক কর্মীদের চাকরি। এখনও চলছে বাতিলের প্রক্রিয়া। প্রতিনিয়ত দুর্নীতি খুঁজে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। রাজ্যের ভুয়ো শিক্ষকদের (Teacher) চাকরি বাতিলের ঘটনায় বৈধ শিক্ষকরাও সামাজিক প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। সামাজিক অমর্যাদার পাশাপাশি, সামাজিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। সোশ্যাল মিডিয়াতে শিক্ষকদের নিয়ে ট্রোল হচ্ছে। এবার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ব্যাঙ্কে লোন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লোন না দেওয়ার  সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    শিক্ষকদের কেন লোন দিতে আপত্তি ? Teacher

    এমনিতেই চাকরিজীবীদের ব্যাংক থেকে লোন নিতে খুব একটা সমস্যা হয় না। কিন্তু, শিক্ষকদের (Teacher) ক্ষেত্রে ব্যাংক গুলি সাধারণত বুঝে নিতে চাইছে, সেই শিক্ষকের চাকরি আইনত বৈধ আছে কিনা। শিক্ষকের  নিয়োগ কতদিন আগে হয়েছে, সে বিষয়ে খুঁটিনাটি তথ্য জানতে চাইছে ব্যাংক। ঠিক এইভাবেই বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বৈধ নিয়োগের শিক্ষকদের‌ও। যা শিক্ষকদের (Teacher) কাছে অমর্যাদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের সিইও তনুজ কুমার সরকার বলেন, ব্যাংক ব্যবসা করতে এসেছে। ফলে, লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্ত কিছু দেখে নিতে হয়। যাতে তা পরিশোধ হতে পারে। আমাদের শাখা ব্যাঙ্ক থেকে এর আগে অনেক শিক্ষকদের লোন দিয়েছে। তাদের অনেকের চাকরি চলে গিয়েছে। লোনের টাকা এখন আদায় করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই, বর্তমানে শিক্ষকদের নিয়োগ দুর্নীতির ক্ষেত্রে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে কিছুটা সতর্ক থাকতে হচ্ছে। মূলত, যে সাল থেকে শিক্ষকদের নিয়ে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেই সময়ের শিক্ষকদের নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা।

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাম শিক্ষক সংগঠনের নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, শিক্ষকদের (Teacher) হয়রানি না করে যাতে ব্যাঙ্ক লোন পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। অপরদিকে, শিক্ষা দফতরের দুর্নীতিতে যারা চাকরি পেয়েছেন, তার দায়‌ও সরকারের। ফলে, সরকারকেই এই দায় নিতে হবে। এর আগে কয়েকটি ব্যাঙ্ক করেছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলে সমস্যা মিটে গিয়েছে। তৃণমূল শিক্ষা সেলের সদস্য বিপুল কান্তি ঘোষ বলেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাধারনত ঋণ দেওয়ার দেওয়ার ক্ষেত্রে সিকিউরিটি বা কাগজপত্র দেখে নেয়। ঋণের বিষয়টি ব্যাংকের ব্যাপার। ব্যাংক সবকিছু খতিয়ে দেখতেই পারে। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শিক্ষক মহা সঙ্ঘের সদস্য শুভেন্দু বক্সী বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে যাদের নাম জড়িত, তাদের তো চাকরি যাচ্ছেই, কিন্তু যারা বৈধভাবে চাকরি পেয়েছেন, এই ঘটনায় তাদেরও প্রশ্ন চিহ্নের সামনে পড়তে হয়েছে। বৈধ শিক্ষকদের (Teacher)  বিভিন্নভাবে সামাজিক হয়রানি হতে হচ্ছে। এটা যাতে না হয় সেই বিষয়টি দেখা দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Term Deposit Interest Hike: বাড়ল সুদের হার, কোন কোন ব্যাংক দিচ্ছে জানেন?    

    Term Deposit Interest Hike: বাড়ল সুদের হার, কোন কোন ব্যাংক দিচ্ছে জানেন?    

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা তৃতীয়বারের জন্য নিজেদের রেপো রেট (Repo Rate) বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। দেশে বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) হার। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। এমতাবস্থায় রেপো রেট বৃদ্ধি করা ছাড়া আর কোনও পথ খোলা ছিল না দেশের শীর্ষ ব্যাংকের সামনে। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই রেপো রেট বাড়িছে রিজার্ভ ব্যাংক। এই রেপো রেট বাড়ায় নয়া সুদের হার ঘোষণা করেছে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক (Bank)।  

    আমরা জানি, ভারতের সিংহভাগ বাসিন্দাই ভরসা করেন ফিক্সড ডিপোজিটের (Fixed Deposit) ওপর। এর প্রধান কারণ হল, এতে বাজারের হাল যাই হোক না কেন, সুদ মেলে ডিপোজিটের সময় ব্যাংক যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সেই হারে। তাছাড়া টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলাও সোজা। গত দু তিন বছরে একাধিকবার সুদের হার কমিয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক। এই সময় সীমার মধ্যেই ছিল করোনা অতিমারি পরিস্থিতি। তার পরেও ফিক্সড কিংবা টার্ম ডিপোজিটে অগ্রহ বাড়েনি আমজনতার।

    আরও পড়ুন : দুমাসে দুবার! ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কতটা সমস্যায় মধ্যবিত্ত?

    আমজনতাকে ব্যাংকমুখী করতে নয়া সুদের হার ঘোষণা করেছে দেশের একাধিক বেসরকারি ব্যাংক। বেসরকারি ব্যাংক কোটাক মাহিন্দ্রা এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী ইয়েস ব্যাংক ১০ অগাস্ট থেকে টার্ম ডিপোজিটে সুদের হার বাড়িয়েছে। কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংকে ৭ থেকে ১৪ দিনের জন্য ২ কোটি টাকার কম জমা রাখলে সুদ মিলবে ২.৫০ শতাংশ হারে। তিন বছর থেকে ১০ বছরের মধ্যে হলে সুদ মিলবে ৫.৯০ শতাংশ। প্রবীণ নাগরিকেরা পাবেন অতিরিক্ত .৫ শতাংশ।

    এর চেয়েও বেশি সুদ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ইয়েস ব্যাংক। ৭ থেকে ১৪ দিনের মেয়াদি আমানতে তারা দিচ্ছে ৩.২৫ শতাংশ সুদ। তিন বছরের ঊর্ধ্বে এবং ১০ বছর পর্যন্ত টাকা জমা রাখার ক্ষেত্রে সুদ মিলবে ৬.৭৫ শতাংশ হারে।

    আরও পড়ুন : ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস

    টার্ম ডিপোজিটে সুদের হার বাড়িয়েছে আর একটি বেসরকারি ব্যাংক আইসিআইসিআই ব্যাংক। এই সুদ মিলবে দু কোটি কিংবা তার বেশি টাকা জমা রাখা হলে। সেক্ষেত্রে সুদ মিলবে ৩.২৫ শতাংশ থেকে ৫.৭৫ শতাংশ হারে। সুদের হার বাড়িয়েছে অ্যাক্সিস ব্যাংকও। দু কোটি টাকার কম জমা রাখা হলে সুদ মিলবে ২.৫০ শতাংশ থেকে ৫.৭৫ শতাংশ হারে। জমা টাকার পরিমাণ দু কোটি টাকার বেশি হলে সুদ মিলবে ৫.৯০ শতাংশ হারে।

     

  • Stock Market Tips: স্টক মার্কেটে ঠিকঠাক জায়গায় বিনিয়োগ করলে ফলবে সোনা, জানুন কীভাবে

    Stock Market Tips: স্টক মার্কেটে ঠিকঠাক জায়গায় বিনিয়োগ করলে ফলবে সোনা, জানুন কীভাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাংক (Bank), পোস্টঅফিসে (Post Office) নিত্য কমছে সুদের হার (Interest)। জীবন বিমায় (Life Insurence) সুদের হার আরও কম। তাই লাভের মোটা অঙ্ক ঘরে তুলতে অনেকেই এখন ঝুঁকছেন স্টক মার্কেটে” target=”_blank”>আরও পড়ুন : মিউচ্যুয়াল ফান্ডে লগ্নি করতে চাইছেন? দেখতে পারেন এই পাঁচ স্কিম র (Stock Market) দিকে। স্টক মার্কেটের কারবারিরা বলছেন, ঠিকঠাক মতো জায়গায় বিনিয়োগ করতে পারলে ফলবে সোনা। জেনে নিন পাঁচটি পদ্ধতি। স্টক মার্কেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলি অনুসরণ করলে ধনী হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

    পরিকল্পনা করুন: স্টক মার্কেটে টাকা খাটাতে হলে প্রথমেই আপনাকে পরিকল্পনা করতে হবে। কোথায় টাকা খাটাবেন, সে সম্পর্কে আপনার স্বচ্ছ ধারণা থাকা দরকার। সবাই জানে, স্টক মার্কেটে টাকা খাটানোটা ঝুঁকির। তাই ভেবেচিন্তে পা ফেলুন। বেশি ঝুঁকি, বেশি লাভ এই তত্ত্বের দিকে না ঝুঁকে দীর্ঘ মেয়াদি কোনও ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করুন। এক সঙ্গে বিভিন্ন সংস্থার ইক্যুইটি শেয়ারে বিনিয়োগ করলে লাভ হবে বেশি।

    আরও পড়ুন : মিউচ্যুয়াল ফান্ডে লগ্নি করতে চাইছেন? দেখতে পারেন এই পাঁচ স্কিম

    বাজার বুঝুন: দ্বিতীয় ধাপ হল বাজার বোঝা। টাকা বিনিয়োগ করার আগে বাজার বোঝাটা জরুরি। কোনও একটি শেয়ারের বাজার দর যদি পড়তে থাকে, সেখানে ইনভেস্ট করতে হলে মেপে পা ফেলুন। যদি ভাবেন ফি বছর বিনিয়োগের একশো শতাংশ রিটার্ন আসবে, তাহলে ভুল করবেন। স্বল্প মেয়াদে বেশি রিটার্ন আসবে এমনটা ভাবাই ভুল।

    বাস্তবোচিত হোন:  বাজার সম্পর্কে বাস্তব ধারণা থাকতে হবে। বাস্তবোচিত না হলে বিপদে পড়বেন। কোথাও বিনিয়োগ করার আগে ভালো করে বোঝার চেষ্টা করুন।

    আরও পড়ুন : ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস

    লেভারেজড ইন্সট্রুমেন্টে যাবেন না: ইন্ট্রা-ডে অথবা ফিউচার অ্যান্ড অপশনে শুরুতে বিনিয়োগ না করাই ভাল। বাজার সম্পর্কে সড়গড় হলে, তবেই ইন্ট্রা-ডে অথবা ফিউচার অ্যান্ড অপশনে বিনিয়োগ করবেন। এ ধরনের বিনিয়োগে লাভের পরিমাণ যেমন বেশি, ঝুঁকিও ততটাই বেশি। অতএব, সাবধানে পা ফেলুন।

    সাধারণভাবে শুরু করুন: মনে রাখবেন স্টক মর্কেট অনিশ্চিত। তাই কিছু না বুঝেই প্রথমে মোটা টাকা বিনিয়োগ করবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। বিনিয়োগ করার সময় দ্রুত কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। বাজার বুঝে তবেই বিনিয়োগ করুন। প্রথমে অল্প অল্প বিনিয়োগ করুন। বাজার সম্পর্কে সম্যক ধারণা হলে, তবেই বিনিয়োগ করুন মোটা অঙ্কের টাকা।

    যাঁরা বাজার বোঝেন তাঁদের জন্য স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করা লাভদায়ক। তবে যাঁরা প্রথম স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করবেন, তাঁরা আগে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করুন ভালোভাবে। না হলে সমূহ বিপদ।

     

     

  • China Bank Crisis: ব্যাংক বাঁচাতে ট্যাংক মোতায়েন চিনে, উসকে দিল তিয়েনআনমেন স্কোয়ারের স্মৃতি

    China Bank Crisis: ব্যাংক বাঁচাতে ট্যাংক মোতায়েন চিনে, উসকে দিল তিয়েনআনমেন স্কোয়ারের স্মৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাংক (Bank) বাঁচাতে ট্যাংক মোতায়েন করল চিনের (China) কমিউনিস্ট (Communist) শাসক। যা দেখে বিশ্ববাসীর মনে ভেসে উঠছে চিনেরই তিয়েনআনমেন স্কোয়ারের স্মৃতি। ছাত্র বিক্ষোভ দমন করতে তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে নির্বিচারে ট্যাংক (Tank) দেগেছিল সে দেশের কমিউনিস্ট সরকার। প্রাণ হারিয়েছিলেন প্রায় দশ হাজার ছাত্র। ব্যাংক বাঁচাতে ট্যাংক মোয়ায়েন করায় ফের উসকে উঠল তিয়েনআনমেন স্কোয়ারের সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি।

    চিনে ভেঙে পড়ার মুখে ব্যাংকিং ব্যবস্থা। গ্রামীণ ব্যাংকগুলিতে আমানতকারীদের জমা রাখা অর্থ ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। এর বেশিরভাগ ঘটনাই ঘটেছে মধ্য চিনের হেনান প্রদেশে। ঘটনার প্রতিবাদে সম্প্রতি হাজারেরও বেশি প্রতিবাদী হেনানের রাজধানী ঝেংঝাউতে ব্যাংকে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান।

    আরও পড়ুন : শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    সূত্রের খবর, জনরোষ অন্যত্রও ছড়িয়ে পড়তে পারে আঁচ করে শানডং প্রদেশের রিঝাও অঞ্চলের একটি ব্যাংকের সামনে ট্যাংক মোতায়েন করেছে শি জিনপিংয়ের সরকার। চিনা সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর সম্প্রতি একটি বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে নাম জড়িয়েছে চিনের এই ব্যাংকটির। কষ্টার্জিত আমানত খুইয়ে ক্ষোভ উগরে দেন ব্যাংকটির গ্রাহকরা। বিক্ষোভ দেখাতে রিঝাও অঞ্চলে ব্যাংকটির স্থানীয় শাখার সামনে জড়োও হন আমানতকারীরা। যদিও তাঁদের ব্যাংকের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ব্যাংকের সামনে মোতায়েন করা ছিল বেশ কয়েকটি ট্যাংক ও সেনা জওয়ান। ট্যাংক এবং সেনার সমাবেশ থেকে আর প্রতিবাদ করার সাহস পাননি সর্বস্ব খোয়ানো আমানতকারীরা।  

    আরও পড়ুন : বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দেশের একাধিক ব্যাংক দুর্নীতির সঙ্গে নাম জড়িয়েছে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাবশালীদের। তবে এ খবর চাপা ছিল দীর্ঘদিন। খবরটি প্রথম প্রকাশ্যে আসে এপ্রিল মাসে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হেনান ও আনহুই প্রদেশের কয়েকটি ব্যাংকে আমানতকারীদের লেনদেন করতে দেওয়া হচ্ছে না। পরে বেশ কয়েকটি ব্যাংকেও এই ধরনের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। সেই সব অভিযোগ যাতে ‘বিপ্লবে’র আকার ধারণ করতে না পারে, তাই কি ট্যাংক এবং সেনা মোতায়েন কমিউনিস্ট শাসকের? উঠছে প্রশ্ন।

     

  • Tax After Retirement : অবসরের পর কর কমাবেন কীভাবে?

    Tax After Retirement : অবসরের পর কর কমাবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেকের জীবনেই আসে অবসর(retirement)। সেই অবসর সময়ে আয় কমে গেলে সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় যে কোনও মানুষকেই। তাই অবসরের পর কর-দক্ষ আর্থিক পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। তা না হলে সঞ্চয়ের টাকা কর(Tax) দিতে দিতেই শেষ হয়ে যাবে।

    একটি বেসরকারি আর্থিক সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, যদিও এই ট্যাক্সগুলির বেশিরভাগই অনিবার্য, তবে একজনের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের(deposit) ওপর তাঁদের সামগ্রিক প্রভাব প্রশমিত করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন : আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন

    সঞ্চয়ের ভাঁড়ারে যাতে টান না পড়ে, সেজন্য কর-দক্ষ পদ্ধতিতে আর্থিক পরিকল্পনা করতে হয়। তাঁর মতে, আগাম পরিকল্পনা কোনও ব্যক্তির কর কমাতে সাহায্য করতে পারে। অবসর গ্রহণের জন্য ওই ব্যক্তির সঞ্চয়ের যথেষ্ট পরিমাণ ধরে রাখতেও সাহায্য করবে এই পরিকল্পনা।

    আরও পড়ুন :বিধাননগরে সম্পত্তি কর এক লাফে তিনগুণ! জেনে নিন নতুন হার

    তিনি বলেন, বর্তমান নিয়মের অধীনে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য মৌলিক ছাড়ের সীমা হল ৩ লক্ষ টাকা। আয়কর আইনের ধারা ৮৭ এ-র অধীনে ছাড়ের কারণে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করযোগ্য আয়ের জন্য একজনের কর দায় শূন্য হতেই পারে। তিনি বলেন, করযোগ্য আয়ের জন্য ৫ লক্ষ টাকা। এটি নির্দিষ্ট ধরণের কর-সঞ্চয় বিনিয়োগের পাশাপাশি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা যেতে পারে যার ওপর আয়কর আইনের ধারা ৮০ সি-এর অধীনে করছাড় দাবি করা যেতে পারে। এর মধ্যে একটি জীবন বীমা পলিসি, সিনিয়র সিটিজেন ফিক্সড ডিপোজিট, সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম ইত্যাদির অধীনে প্রিমিয়াম পেমেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ এই বিভাগের অধীনে উপলব্ধ করছাড়ে সর্বোচ্চ সীমা হল দেড় লক্ষ টাকা৷

    আরও পড়ুন : ছড়াচ্ছে নয়া ভাইরাস! সতর্কতা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, জরুরি বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যক্তি এমন বিনিয়োগে সঞ্চয় বিনিয়োগ করে অ-করযোগ্য আয় বাড়াতে পারে যা কর-দক্ষ রিটার্ন তৈরি করে এবং যার ওপর একজন ব্যক্তি করছাড় দাবি করতে পারে। ওই আধিকারিক বলেন, কোনও ব্যক্তি কর-সঞ্চয় অবসর পরিকল্পনায় সঞ্চয় বিনিয়োগ করে করমুক্ত আয়কে সর্বাধিক করতে পারে যা ইইই কর সুবিধা প্রদান করে এক লক্ষ টাকার লাভের ওপর ১০ শতাংশ কর সাপেক্ষে। অবশ্য এই ধরনের বিনিয়োগ তিনটি করছাড়ের জন্য যোগ্য, এক, বিনিয়োগ করা পরিমাণ করযোগ্য আয় থেকে বাদ দেওয়ার জন্য যোগ্য, দুই, চক্রবৃদ্ধি পর্বের সময় সঞ্চয় করপাসের ওপর অর্জিত সুদ কর-মুক্ত এবং তিন, বিনিয়োগ থেকে অর্জিত পরিপক্কতা মূল্যও প্রত্যাহারের সময় কর-মুক্ত।ইইই সুবিধা মূলত দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের উপকরণগুলির জন্য প্রযোজ্য। জীবন বীমা পরিকল্পনা, ইপিএফ এবং পিপিএফইক্যুইটি-লিঙ্কড সেভিংস স্কিম। তিনি বলেন, আমরা যদি দক্ষতার সঙ্গে পরিকল্পনা করি, তাহলে আমরা আমাদের উপার্জনের জন্য করের ক্ষতি না করেই আমাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি। 

LinkedIn
Share