Tag: Bankura

Bankura

  • Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বেহাল রাস্তার হাল ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথশ্রী’ প্রকল্প চালু করেছিলেন। ঘটা করে এই প্রকল্প চালু করা হলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না তা বাঁকুড়ার (Bankura) খাতড়া থানার মাইলি গ্রামের হতশ্রী রাস্তার অবস্থা দেখলেই বোঝা যাবে। অল্প বৃষ্টিতেই গ্রামের ওই রাস্তার অবস্থা বেহাল। রাস্তায় জমে রয়েছে কাদা। রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে বাসিন্দাদের চরম নাকাল হতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তিতিবিরক্ত। রাস্তার হাল এত খারাপ কেন? স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে এমন প্রশ্ন করায় বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম পিন্টু সিংহ মহাপাত্র। বেহাল রাস্তা নিয়ে গ্রামবাসীরা (Bankura) ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য রাজকুমার সিংহ মহাপাত্র এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। তাই, কেউ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে বলার সাহস দেখাননি। বিজেপি কর্মী সাহস করে বেহাল রাস্তা নিয়ে তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে নালিশ জানিয়েছিলেন। আর তাতেই চটে যান ওই পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযোগ, প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হলেও পরে ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর দুই ভাই পিন্টুর ওপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করেন। লাঠি ও রড দিয়ে পিন্টুকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই বিজেপি কর্মী। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, অন্যায় করলেও তৃণমূলকে (Trinamool Congress) কিছু বলা যাবে না। পঞ্চায়েত সদস্যকে রাস্তা সংস্কার করে দেওয়ার জন্য যে কেউ বলতে পারেন। এলাকার বাসিন্দা হিসেবে ওই বিজেপি কর্মী নালিশ জানিয়েছিলেন। তারজন্য এই হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূল (Trinamool Congress) অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে বিষয়টিকে পারিবারিক ঝামেলা বলে দাবি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দলীয় কর্মীর খুনিকে সাতদিনের মধ্যে ধরতে হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “দলীয় কর্মীর খুনিকে সাতদিনের মধ্যে ধরতে হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি কর্মী বন্ধুবিহারী মাহাতর খুনের ঘটনায়  আগামী সাতদিনের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে মূল অভিযুক্তকে, নাহলে এই মামলা কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে হস্তান্তরের জন্য আবেদন  জানাব”, শুক্রবার বাঁকুড়ার খাতড়ায় এসে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন খাতড়ার দেদুয়া গ্রামে প্রয়াত দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু। দেন পাশে থাকার আশ্বাসও।

    পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার খাতড়ার (Bankura) দেদুয়া গ্রামে মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী বন্ধুবিহারী মাহাতর। মৃতের ছেলে সনাতন মাহাত থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিজেপি কর্মী খুনে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অবিলম্বে সকল অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পক্ষ থেকে করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাদল মাহাত, হারু ওরফে হারাধন মাহাত ও তারাপদ পালকে গ্রেফতার করে। কিন্তু, মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    বুথে তৃণমূল হেরেছে, সেই আক্রোশে বিজেপি কর্মী খুন!

    এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবিতে খাতড়া পাম্প মোড় থেকে দাসের মোড় পর্যন্ত দলের কর্মীদের নিয়ে মিছিল করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। লাগাতার তোপ দাগেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তের আগেই মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে ঘটনাটিকে জমি নিয়ে বিবাদে গন্ডগোল বলে দাবি করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ প্রধান তথা স্থানীয় তৃনমূল নেতা উত্তম মাহাতকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। সাতদিনের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানানো হবে। এদিন মৃতের বাড়িতে দাঁড়িয়ে এই ঘটনার জন্য বাঁকুড়ার নব নির্বাচিত সাংসদ তথা তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি অরূপ চক্রবর্তীকেও একহাত নেন শুভেন্দু। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “বন্ধুবিহারী  মাহাতর অপরাধ, ২০১৮ সাল থেকে তিনি বিজেপি করতেন। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তাঁর বুথে তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। সেই আক্রোশ থেকেই এই খুন। নিহত কর্মীর পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাঁর বাড়ির বাইরে সিসিটিভি লাগানোর কথা বলেছি। মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যর পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যে-কোনও সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: তৃণমূল কার্যালয়ে দলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ! গোষ্ঠী কোন্দলে অস্বস্তি

    Bankura: তৃণমূল কার্যালয়ে দলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ! গোষ্ঠী কোন্দলে অস্বস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটে ২৯টি আসন পেয়ে রাজ্যে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ পেয়েছে তৃণমূল। কিন্তু তবুও দলের মধ্যে কোন্দল যেন থামছেই না। জেলায় জেলায় একাধিক গোষ্ঠী কোন্দলের খবর উঠে এসেছে। এবার বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা ব্লকের তৃণমূল কার্যালয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ উঠেছে। কার্যালয়ে (TMC office) ঢুকে রীতিমতো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে দলের কর্মীরাই। ঘটনায় মূল অভিযোগের তির তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অরূপ খাঁ এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে।

    মিছিল এবং পাল্টা মিছিলে উত্তাল (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ২১ জুলাই নিয়ে সমাবেশের প্রস্তুতি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল ওন্দার ওই তৃণমূলের কার্যালয়ে। কিন্তু এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরূপ খাঁ এবং ওন্দার ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তম কুমার বীটের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল চরম আকার নিয়েছে। রীতিমতো দুই তৃণমূল নেতার অনুগামীদের মধ্যে মিছিল এবং পাল্টা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুই মিছিল পরস্পর মুখোমুখি হলেই সাময়িক ভাবে উত্তেজনা শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো পুলিশ (Bankura) ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়।

    লাঠি, ইট, পাথর ছুড়ে আক্রমণ

    পুলিশ সাময়িক ভাবে পরিস্থিতি সামাল দিলে আবার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এক পক্ষ, আরেক পক্ষকে চেয়ার, লাঠি, ইট, পাথর ছুড়ে আক্রমণ করে। এরপর চলে কার্যালয়ে ব্যাপক (TMC office) ভাঙচুর। তবে অবশেষে পুলিশের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু দুই পক্ষকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে কোনও উত্তর দিতে চাননি কেউই। অপরে জেলা (Bankura) তৃণমূলও তীব্র অস্বস্তির মধ্যে পড়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ রানিগঞ্জের সিয়ারসোল রাজবাড়ির রথযাত্রা ১৫০ বছরের পুরাতন, জানুন তার ইতিহাস

    আগেও হয়েছে গোষ্ঠী কোন্দল

    তৃণমূলের জেলায় জেলায় (Bankura) গোষ্ঠী কোন্দল অব্যাহত। গত এক সপ্তাহের মধ্যে পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ সহ একাধিক জায়গায় তৃণমূলের নবীন এবং প্রবীণ নেতাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। পুরুলিয়া লোকসভা নির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো দলের কোন্দল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আবার তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের গলায় দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য শোনা গিয়েছে। কামারহাটির তৃণমূল কাউন্সিলর নিজে দলের নেতাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোলাবাজির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। একই সঙ্গে বারাকপুর তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক দলের কর্মীদের তোলাবাজির বিরুদ্ধে বলেছেন যে কেউ ১ টাকা চাইলে জেলে ঢোকাবো। ফলে শাসক দলের অন্দরে কোন্দল এবং বিস্ফোরক মন্তব্যের কারণে চরম অস্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়া  (Bankura) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বনাম দলের ওন্দা ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্লক সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিজেদের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা করেছেন। কিন্ত, কেউ অন্য গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীদের ডাকেননি। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা বিধানসভা একসময় ছিল তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধানসভাটি তৃণমূলের হাতছাড়া হলেও ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূলের দখলেই থাকে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে বসেন ওন্দার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরুপ খাঁ-র ভাইপো অভিরূপ খাঁ। তৃণমূলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিরূপ খাঁ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হতেই তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিটের সঙ্গে শুরু হয় বিবাদ। ২১ জুলাইয়ের আগে যা একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।  জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওন্দায় তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক ও নিজের অনুগামীদের নিয়ে ২১ শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা করেন ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ। এই ঘটনায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতিদের ডাকা হয়নি।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিট বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রস্তুতি সভা করেছেন কি না তা তাঁর জানা নেই। দলে কোনও কোন্দল (TMC Conflict) নেই। তবে, দলের ব্লক নেতৃত্বকে বাদ দিয়ে এভাবে দলীয় কর্মসূচি করার অধিকার অন্য কারও নেই। ওন্দার সাংগঠনিক কোনও পদে না থেকেও প্রাক্তন বিধায়ক সংগঠনে অযথা নাক গলানোর চেষ্টা করছেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ওন্দা ব্লকে তৃণমূলের সংগঠনকে শেষ করার চেষ্টা করছেন।

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ বলেন, দলের ব্লক সভাপতি ২১ শে জুলাইয়ের যে প্রস্তুতি সভা করেছেন তাতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ কর্মাধ্যক্ষদের কাউকে ডাকা হয়নি। তাই আলাদাভাবে আমাদের প্রস্তুতি বৈঠক করতে হয়েছে। ফলে, সভাপতির নীতি আমরা শুধু মেনে চলেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বাঁকুড়া শিল্পাঞ্চলে প্রকাশ্যে তোলাবাজি! ধৃত তিন তৃণমূল কর্মী, শোরগোল

    Bankura: বাঁকুড়া শিল্পাঞ্চলে প্রকাশ্যে তোলাবাজি! ধৃত তিন তৃণমূল কর্মী, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের দ্বারিকার শিল্পাঞ্চলে এবার তোলাবাজির ঘটনায় পুলিশ হাতেনাতে ধরে ফেলল তিন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীকে। তাঁরা শিল্পাঞ্চলের পরিবহণের লরি থেকে মোটা টাকা তোলা তুলত বলে অভিযোগ। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে হানা দিয়ে এই তিন তৃণমূল কর্মী শেখ দারশাদ,শেখ ইসলাম ও শেখ আমিরকে গ্রেফতার করে। বাঁকুড়ার (Bankura) জেলাশাসক সিয়াদ এন এবং পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন,পুরো শিল্পাঞ্চলে নজরদারি চালাবে প্রশাসন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    কারখানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই কারখানার কিছু বর্জ্য দু’টি লরি করে অন্যত্র বিক্রির জন্য পাঠানো হচ্ছিল। অভিযোগ, আচমকা ১০-১২ জন দুষ্কৃতী রড, লাঠি নিয়ে লরি দু’টির ওপর চড়াও হয়। লরি আটকে চালকদের মারধর করে। ৩০ হাজার টাকা তোলা চেয়ে বসে। একজন চালক ১৪ হাজার টাকা দিয়ে কোনওক্রমে ছাড়া পান। তবে, অন্য এক চালক পালিয়ে এসে কারখানার মালিককে বিষয়টি জানান। কারখানার কর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলেও ওই দুষ্কৃতীরা গাড়ি আটকে টাকার দাবিতে অনড় থাকে। এরপর খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে। যদিও বাকিরা ছুটে গা ঢাকা দেয়। এই ধরনের ঘটনা রুখতে নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া নির্দেশ দেন। তাই পুলিশও কোনও গড়িমসি করেনি বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এই শিল্পাঞ্চলে কারখানার যন্ত্রাংশ, কাঁচামাল চুরি, তোলাবাজি প্রায় ঘটলেও এতদিন পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নিত না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর পুলিশ সক্রিয় হওয়ায় এই তিনজন ধরা পড়ল। আমরা চাই, টাটার আগমণে এবার এই শিল্পাঞ্চল আগের মতো কর্মমুখর হয়ে উঠুক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ধৃত তিনজন যে দলের সক্রিয় কর্মী তা স্বীকার করে নিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দ্বারিকা অঞ্চল সভাপতি অজয় রায়। তিনি বলেন, “এই তোলাবাজির সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। দল কখনওই এই তোলাবাজিকে প্রশয় দেয় না। তার প্রমাণ এই তিন জনের গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা।” যদিও বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অমরনাথ শাখা বলেন,”তৃণমূল দ্বারিকা শিলাঞ্চল জুড়ে তোলাবাজি চালাচ্ছে। আর তৃণমূলের বড়,মেজো,ছোট সব নেতাদের হাত রয়েছে এই ধৃতদের মাথায়। নেতাদের প্রশয়েই এই তোলাবাজি চলছে।” বাম আমলে চালু হওয়া দ্বারিকা শিল্পাঞ্চল পুনরুজ্জীবনের সম্ভাবনা তৈরি  হয়েছে টাটা গোষ্ঠী এখানকার কারখানা অধীগ্রহণ করায়। সেই বাতাবরণে এই তোলাবাজির ঘটনায় যথেষ্ট বিড়ম্বনায় রাজ্যের শাসক দল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: অয়নের মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য, বাঁকুড়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি

    Bankura: অয়নের মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য, বাঁকুড়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া (Bankura) থেকে আমেরিকা পাড়ি দেবেন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র অয়ন। মহাকাশ নিয়ে বরাবর আগ্রহ ছিল তাঁর। আকাশ গঙ্গার নানা রহস্য নিয়ে পড়াশুনা করতে এবং ভাবতে প্রছন্দ করতেন তিনি। আমেরিকার আলবামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনাইটেড স্পেস রকেট সেন্টারের কর্মশালায় যোগদান করবেন তিনি। তাঁর এই সাফল্যে জেলায় খুশির আবহ এবং পরিবার উচ্ছ্বসিত।

    পাড়ি দেবে ইন্টারন্যশানাল স্পেস স্টেশনে

    বাঁকুড়ার (Bankura) ছাতনার একটি গ্রাম কমলপুরের বাসিন্দা অয়ন দেঘরিয়া। সেখানেই তাঁর বড় হয়ে ওঠা। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসাবে গ্রামে খ্যাত হয়েছেন তিনি। অঙ্ক, বাংলা, ইংরেজি থেকে মহাকাশ নিয়ে বেশি পড়াশুনা করতে ভালোবাসতেন তিনি। এই মহাকাশ ঢাকা হাজার একটা রহস্যে। স্টিফেন হকিং-এর লেখায় তিনি দারুণ ভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। নানা গল্পের মধ্যে দিয়ে নিজের স্বপ্নের ভুবন তৈরি করেছিলেন তিনি। অবশেষে ডাক পেলেন। অয়নের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে নানা পদক্ষেপ করেছেন অয়ন। এবার আমেরিকার আলবামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনাইটেড স্পেস রকেট সেন্টারে ওই কর্মশালায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তাঁর নির্বাচিত প্রজেক্টে পাড়ি দেবে ইন্টারন্যশানাল স্পেস স্টেশনে।

    অয়নের বক্তব্য

    এই সুযোগের কথা বলতে গিয়ে অয়ন (Bankura) বলেছেন, “মহাকাশ বর্জ্য নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলাম ২০২২ সালে থেকে। আমার মনে হয়েছিল, যদি এই নিয়ে ভাবনা চিন্তা না করা হয় সেক্ষেত্রে একটা সময় স্যাটেলাইট পাঠানোর জায়গা থাকবে না। সেক্ষেত্রে কী ভাবে তা পৃথিবীতে ফিরিয়ে এনে পুনরায় ব্যবহার করা যায়, সেই বিষয়টি ভেবে দেখতে চেয়েছিলাম আমি। ২০২২ সালের নভেম্বরে এই কাজ শুরু করে ছিলাম। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে দেরাদুনের উইনিভার্সিয়াটি অফ পেট্রোলিয়াম এনার্জি স্টাডিজে আমার এই প্রজেক্ট উপস্থাপনা করি। সেখানে ন্যাশনাল স্পেস কনভেনশেনে আমার প্রজেক্ট উপস্থাপন করি। পরে আরও অনেক কাজ করি। শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলবামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনাইটেড স্পেস রকেট সেন্টারের কর্মশালায় যোগদেওয়ার সুযোগ পাই।”

    আরও পড়ুনঃ স্থগিত নিট-পিজি পরীক্ষাও! ফের নেওয়া হচ্ছে নিট, আরেকবার প্রশ্ন ফাঁস নয় তো? প্রশ্ন পরীক্ষার্থীদের

    পরিবারের বক্তব্য

    অয়নের মা শিপ্রা দেঘরিয়া বলেছেন, “ছেলে ছোট বেলা থেকে মহাকাশ নিয়ে গবেষণা করতে চাইতো। কিন্তু ছেলের মেধার সামনে পরিবারের (Bankura) আর্থিক সঙ্কট একটা বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাবা তো সামান্য টাকায় একটা বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। হাতে মাত্র আর কয়েকটা মাস। যাতায়াতে আনুসঙ্গিক খরচ হবে অনেক। সবটা মিলিয়ে টাকা জোগাড় করা খুব মুশকিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ভোটে বাঁকুড়া পুরসভার ২৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০টিতেই এগিয়ে বিজেপি, ধরাশায়ী তৃণমূল

    Bankura: ভোটে বাঁকুড়া পুরসভার ২৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০টিতেই এগিয়ে বিজেপি, ধরাশায়ী তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুভাষ সরকার এই লোকসভা নির্বাচনে পারাজিত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তীর কাছে। বাঁকুড়া (Bankura) লোকসভার নিরিখে সাতটি বিধানসভার মধ্যে পাঁচটিতে এগিয়ে তৃণমূল। কিন্তু জেতার পরও গলায় কাঁটা তৃণমূলের। এই লোকসভার শহর অঞ্চলের পুর এলাকাগুলিতে একদম দাগ কাটতে পারেনি তৃণমূল। বাজিমাত করেছে বিজপি। কিন্তু কেন এমন হাল হল তৃণমূলের? এই নিয়ে অন্তর্ঘাত শুরু হয়েছে দলের মধ্যে।

    ২০টিতেই এগিয়ে বিজেপি (Bankura)

    বাঁকুড়া (Bankura) লোকসভায় প্রাপ্ত ভোটের নিরিখে, পুরসভার ২৪টি ওয়র্ডের মধ্যে ২০টিতেই এগিয়ে আছে বিজেপি। আবার বাঁকুড়া বিধানসভার সাপেক্ষে তৃণমূলের থেকে বিজেপি মোট ১৬৩১২ ভোটে এগিয়ে গিয়েছে। যেখানে লোকসভা ভোটে তৃণমূল জয়ী হয়েছে, সেখানে এই কেন্দ্রে কীভাবে এই পুর ও শহর এলাকায় তৃণমূল ধারশায়ী হয়েছে, তা নিয়ে দলের তরফ থেকে ময়নাতদন্ত শুরু হয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বাঁকুড়ার (Bankura) পুরপ্রধান অলকা সেন মজুমদার বলেন, “শহর অঞ্চলে আমাদের ফল অত্যন্ত খারাপ হয়েছে। আমরা বুঝতে পারছি না, কেন এমনটা হল। গত আড়াই বছর ধরে এলাকায় রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে পানীয় জল, ড্রেন সহ নানা পরিষেবায় আমরা অনেক কাজ করেছি। হয়তো দলের কোনও সাংগঠনিক দুর্বলতা রয়েছে। তবে দলের মধ্যে অন্তর্ঘাত দেখা দিলে আমরা দলের মধ্যে তা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব।

    আরও পড়ুনঃ নকল এমভিআই অফিসার সেজে রাজ্য সড়কে তোলাবাজি! গ্রেফতার চার যুবক

    বিজপির বক্তব্য

    বাঁকুড়া (Bankura) সাংগঠনিক জেলার জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল বলেছেন, “মোদি সরকারের আমলে দেশের বিদেশনীতি, সুরক্ষানীতি, অর্থনীতি মানুষের মনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শহরের মানুষ এই বিষয়গুলিকে ভালো ভাবে গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি তৃণমূলের দুর্নীতি মানুষকে বিপক্ষে ভোট দান করতে প্রভাব ফেলেছে। তবে সামগ্রীক ভাবে কীভাবে বিজেপির পরাজয় হয়েছে তা নিয়ে আমরা আলোচনায় বসব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WBJEE Exam 2024: “খুঁটিয়ে পড়তে হবে পাঠ্য বই,” টিপস দিলেন জয়েন্টের কৃতীরা

    WBJEE Exam 2024: “খুঁটিয়ে পড়তে হবে পাঠ্য বই,” টিপস দিলেন জয়েন্টের কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়েন্ট এন্ট্রাসে ফের জেলার পড়ুয়াদের জয়জয়কার। জয়েন্টের (WBJEE Exam 2024) মেধাতালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে রয়েছেন সিবিএসই বোর্ডের ৪ জন পরীক্ষার্থী। আবার পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের অধীনে পাশ করেছেন ৪ জন পরীক্ষার্থী এবং বাকি দুজন আইএসসি বোর্ডের ছাত্র-ছাত্রী। রাজ্য জয়েন্টে প্রথম হয়েছেন বাঁকুড়া জেলা স্কুলের কিংশুক পাত্র। দ্বিতীয় হয়েছেন কল্যাণীর শুভ্রদীপ পাল। তৃতীয় হয়েছেন কৃষ্ণগরের বিবস্বন বিশ্বাস। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস, জয়েন্টে সপ্তম স্থান অর্জন করেছেন।

    এক থেকে দশের মধ্যে থাকব আশা করেছিলাম (WBJEE Exam 2024)

    রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সে (WBJEE Exam 2024) প্রথম হয়েছেন বাঁকুড়া জিলা স্কুলের কিংশুক পাত্র। বাঁকুড়া শহরের ইন্দ্রপ্রস্থ এলাকার বাসিন্দা কিংশুক, ছোট থেকেই বাঁকুড়া জিলা স্কুলের ছাত্র। অত্যন্ত মেধাবী এই ছাত্র এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৪৭৭ নম্বর পেলেও মেধা তালিকায় স্থান পাননি। তবে, এবার সকলকে টপকে একেবারে রাজ্যে প্রথম হয়েছেন কিংশুক। কিংশুকের এই সাফল্যে গর্বিত তাঁর পরিবার। তাঁর পছন্দের বিষয় অঙ্ক। কিংশুক বলেন, “এক থেকে দশের মধ্যে থাকব আশা করেছিলাম। তবে, প্রথম হব আশা করিনি। খবরটা জানতে পেরে খুবই আনন্দ হচ্ছে। আমি মোটামুটি সারাদিন পড়াশুনা নিয়েই থাকতাম। পড়াশুনা ছাড়া বিশেষ কিছু করতাম না। বিজ্ঞান নিয়ে আমার বেশি আগ্রহ। মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং দু’টোই পেয়েছি। এবার যেটা ভাল লাগবে সেটা নিয়ে এগোব। আলাদা করে আমার কোনও স্বপ্ন নেই। ভবিষ্যতে যেখানে কাজ করব সেটাই ভাল করে করতে চাই।আর পড়াশুনার বিষয়ে বলব, পাঠ্যপুস্তক খুঁটিয়ে পড়তে হবে। পরিশ্রমের বিকল্প নেই।”

    আরও পড়ুন: “লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    পাঠ্য পুস্তুক খুঁটিয়ে পড়তে হবে

    জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় (WBJEE Exam 2024) দ্বিতীয় হয়েছেন হালিশহরের জেঠিয়ার নান্না হসপিটাল রোডের শুভ্রদীপ পাল। তিনি পড়াশুনা করতেন কল্যাণীর স্কুলে। ইঞ্জিনিয়ারিং এ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন তিনি। উচ্চ মাধ্যমিকের ৯২ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন তিনি। ছেলের এই সাফল্যে খুশি বাবা-মা প্রতিবেশীরাও। জগদীশ চন্দ্র বোস ইনস্টিটিউটে তিনদিনের একটি ক্যাম্প চলছে। সেখানে রয়েছেন শুভ্রদীপ। বাবা নীশিথ পাল বলেন, ছেলেকে পড়াশুনার জন্য বলতে হত না। ছেলের এই সাফল্যে আনন্দের ভাষা নেই। শুভ্রদীপ বলেন, পাঠ্য পুস্তুক খুঁটিয়ে পড়তে হবে। আর প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা মন দিয়ে পড়লেই হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: বিজেপি কর্মীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা, বাড়ি-অফিস ভাংচুর, বোমাবাজিতে উল্লাস তৃণমূলের

    Post Poll Violence: বিজেপি কর্মীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা, বাড়ি-অফিস ভাংচুর, বোমাবাজিতে উল্লাস তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফলাফল ঘোষণা হতেই হিংসা (Post Poll Violence) ছড়িয়ে পড়েছে জেলায় জেলায়। শাসক দলের ২৯টি আসনে জয় ঘোষণার পর থেকেই অশান্তির খবর উঠে আসতে শুরু করেছে সর্বত্র। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত, মধ্যমগ্রাম, বারাকপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং, সোনারপুর, বর্ধমান, বাঁকুড়া, আসানসোলের একাধিক জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়ি ভাঙচুর, সম্পত্তি লুট, ঘরছাড়া, বোমাবাজি করার মতো একাধিক ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আক্রমণে বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং ভোটাররা ব্যাপক ভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। পাল্টা তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    আসানসোলে ভোটপরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence)

    আসানসোলের বারাবনি বিধানসভার সরিষাতলী গ্রামে ভারতীয় জনতা পার্টির মন্ডল ১-এর যুব মোর্চার সভাপতি খোকন মহারাজ ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের শিকার (Post Poll Violence) হয়েছেন। তৃণমূল আশ্রিত ১৫-১৬ জন গুন্ডা, শিবেন ঘাঁটির নেতৃত্বে এই বিজেপি নেতার বাড়িতে চড়াও হন। এরপর তাঁর ওপর প্রাণঘাতী হামলা করা হয়। এমনকী অত্যাচার থেকে বাদ যায়নি বাড়ির মহিলা এবং বাচ্চারাও। খবর পেয়ে বাড়িতে গিয়ে দেখা করে বিজেপির জেলা সম্পাদক অভিজিৎ রায়, যুব মোর্চার ট্রেজারার বাপি প্রধান এবং মাইনোরিটি মোর্চার জেলার ইনচার্জ আকবর হোসেন। অবশ্য বিজেপির দাবি, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর যেমন তৃণমূল আক্রমণ করেছিল, ঠিক একই কায়দায় আক্রমণ করা হচ্ছে। আবার দুর্গাপুরে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্ট হওয়ায়, এজেন্টের বোনের কাপড়ের দোকান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    পাত্রসায়রে বিজেপির কার্যালয় ভাঙচুর

    লোকসভার ফল ঘোষণার পর বিরোধী দলের দলীয় কার্যালয়গুলিতে ব্যাপক ভাঙচুর (Post Poll Violence) করেছে তৃণমূলের গুন্ডারা। বাঁকুড়ার পাত্রসায়র ব্লকের নারায়ণপুরে বিজেপির দলীয় কার্যালয়কে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে এখানকার প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি তথা বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক তমালকান্তি গুইয়ের বাড়িতে ইট বৃষ্টি করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এনে আক্রমণের কথা স্পষ্ট করেছেন এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “বার বার আমাকে ফোনে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” আবার সোনামুখীর বিধায়ক বলেছেন, “সারা দেশে হিংসার ছবি নেই, কিন্তু এই বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস লাগাতার হিংসা করছে।”

    কোতুলপুরে তৃণমূলের বোমাবাজি

    এক দিকে যেমন ভাঙচুর চলছে সেই সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতে প্রকাশ্যে বাড়ির সমানে বোমাবাজি (Post Poll Violence) করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিষ্ণুপুর লোকসভার কোতুলপুরে বুধবার রাতে কোয়ালপাড়া বেড়ারপাড় এলাকায় একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বাড়ির ছোট, বড়, বয়স্ক এবং মহিলাদেরকেও মারধর করা হয়। তৃণমূল জয়ী হওয়ার খুশিতে একাধিক বিজেপি কর্মীর মাথায় বোমা ফাটানো হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন অনেকেই।

    আরও পড়ুনঃ মিনাখাঁয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর, চলল টিভি-ফ্রিজ লুটপাট, আতঙ্ক!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বিষ্ণুপুর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের দল কোনও রকম ভাবে এই সব অশান্তির (Post Poll Violence) মধ্যে নেই। আমাদের জয়কে ছোট করতে বিজেপি এই আচরণ করছে। সবটাই বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব। বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ, সরব বিজেপি

    Bankura: পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এলাকায় পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। তবে, এখনও পানীয় জল পরিষেবা শুরু হয়নি। এমনিতেই টিউবওয়েল থেকে জল ঠিক মতো বের না হওয়ায় জল সঙ্কট দেখা দিয়েছে বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগর এলাকায়। আর জলের পরিষেবা দিতে গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পাঠানো পানীয় জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো। সেই জল খেয়ে বিপত্তি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগর দাসপাড়া পানীয় জলের সমস্যার কারণে স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত থেকে ট্যাঙ্কারে পানীয় জল পাঠিয়েছিল। সেই জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন প্রায় ২০ জন। এরইমধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোটের দিন স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েতের তরফে ট্যাঙ্কার পাঠানো হয়। সেখান থেকেই জলপান করেন গ্রামের লোকেরা। অভিযোগ, সেই জল খেয়েই অসুস্থ হতে শুরু করেন লোকজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেটে ব্যথা, পাতলা পায়খানা, বমির উপসর্গ দেখা হয়। একজন বা দুজন নয়। এলাকায় ওই জল যাঁরা খেয়েছেন, তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে, পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ

    হাসপাতালে ভর্তি থাকা এক গ্রামবাসী বলেন, “পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে এরকম হয়েছে। ট্যাঙ্কের জল আসে এখানে। ওই জল খেয়ে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি। বমি, পায়খানা, পেটে ব্যথা। বাচ্চাদেরও হয়েছে।” জানা গিয়েছে, একের পর এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁদের সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনজনের অবস্থার অবনতি হলে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এলাকার বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পাইপ লাইন থাকলেও জলের বালাই নেই। ভোটের আগে জলের ট্যাঙ্কার এনে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তাতেই এমন কাণ্ড! আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কেউ কোনও কথা বলতে চাননি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share