Tag: Bankura

Bankura

  • Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর বাঁকুড়ায় (Bankura) পালিত হয় ঐতিহাসিক রানীর গাজন। এই উৎসব প্রত্যেকবার বাংলায় ১১ জ্যৈষ্ঠ ছাতনা রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজন হয়ে থাকে। অত্যন্ত প্রাচীন এবং মর্যাদাপূর্ণ উৎসব হিসাবে মান্যতা দেওয়া হয়। কিন্তু এই বছর ওই দিন পড়েছে ২৫ মে। আবার ওই দিনই হল ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণের দিন। প্রশাসনের অনুরোধে ওই দিনে গাজন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    রাজবাড়ির বিজ্ঞাপন (Bankura)

    জানা গিয়েছে, ভোটের দিনেই ছাতনার রানির গাজনের (Bankura) অনুষ্ঠান পড়ায় এবার তা বন্ধ রাখা হবে। রাজবাড়ির বর্তমান প্রতিনিধি প্রদীপ সিংহদেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সংবাদ সকলকে জানিয়েছেন। তবে ধর্মীয়রীতি, পরম্পরা, লোকাচার অক্ষুণ্ণ থাকবে। জান গিয়েছে, রানী আনন্দকুমারী এই অনুষ্ঠানের প্রবর্তন করেছিলেন।

    রাজবাড়ির বক্তব্য

    ছাতনা (Bankura) রাজবাড়ির বর্তমান রাজা প্রদীপ সিংহদেও বলেন, “আনুমানিক ৩০০ বছর পুরানো এই গাজন। নির্জন থাকার কারণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে রীতি মেনেই ২৪ তারিখ সমস্ত কাজ করা হবে।” বাঁকুড়ার নানাবিধ লোকসংস্কৃতির উপাদানের মধ্যে গাজন হল একটি গুরুত্বপূর্ণ লোক উৎসব। এই গাজনকে উপভোগ করার জন্য আবার পরের বছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    তিনশ বছরের পুরাতন এই গাজন

    আজকের দিনে রাজতন্ত্র না থাকলেও রাজার প্রবর্তিত ধর্মীয় লোকাচার এখনও অক্ষত। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার পশ্চিম সীমান্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হল ছাতনা। সবুজ বনে ঘেরা ছাতনা রাজবাড়ির মা মৃন্ময়ীর দুর্গামন্দির। একসময় সামন্তভূমের রাজধানী আজ থেকে প্রায় তিনশো বছর আগে এই মন্দির তৈরি করেছিলেন তৎকালীন রানি আনন্দ কুমারী। রানির হাত ধরে শুরু হয়েছিল গাজন। প্রতি বছর এই গাজনে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু ষষ্ঠ দফার নির্বাচন থাকায় এই বছর গাজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এলাকার মানুষ এই নিয়ে মনে বিষাদের ছায়া। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: শুভেন্দুর সভায় যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের গাড়িতে লাঠি, টাঙ্গি নিয়ে হামলা তৃণমূলের

    Bankura: শুভেন্দুর সভায় যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের গাড়িতে লাঠি, টাঙ্গি নিয়ে হামলা তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার (Bankura) পাত্রসায়র থানার জামকুড়ি গ্রামে। ভোটের আগে তৃণমূলের সন্ত্রাসের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    বিজেপি কর্মীদের গাড়িতে লাঠি, টাঙ্গি নিয়ে হামলা তৃণমূলের (Bankura)

    মঙ্গলবার বাঁকুড়ার (Bankura) পাত্রসায়রে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে, বুধবার বিকালে বাঁকুড়ার বালসীতে সভা করার কথা ছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সেই সভায় যোগ দিতে বুধবার বিকালে বিজেপির কোতুলপুর মণ্ডলের কর্মীরা একটি ছোট ট্রাকে করে বালসীর দিকে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ট্রাকটি পাত্রসায়র ব্লকের জামকুড়ির কাছাকাছি যেতেই জনা দশেক দুষ্কৃতী হাতে লাঠি, টাঙি নিয়ে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। বিজেপি কর্মীদের গাড়ি থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি ট্রাকটিতে ভাঙচুর চালানো হয়। ট্রাকটি লক্ষ্য করে একাধিক বোমাও ছোড়া হয়। যদিও সেই ভাঙা ট্রাকে চড়েই সভায় হাজির হন বিজেপি কর্মীরা। পরে, আক্রান্ত কর্মীরা সমস্ত বিষয়টি দলীয় প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ-র কাছে জানান। আক্রান্ত কর্মীদের বত্তব্য, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিষ্ণুপুরের (Bankura) বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর জনসভায় মানুষের ভিড় দেখে তৃণমূলের কিছু ছিঁচকে আমাদের গাড়ির ওপর আক্রমণ করেছে। ভাবছে এই ভাবে সন্ত্রাস বজায় রাখবে। এখানে আমরাই জিতব। আমি কমিশনের অবজারভারের সঙ্গে দেখা করব। আর পাত্রসায়র, কোতুলপুর এই সব জায়গায় বারবার এমন হচ্ছে। আমি কথা বলব বিষয়টি নিয়ে।” যদিও বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূলের সভাপতি সুব্রত দত্ত বলেন, “শুনছিলাম ওদের মিছিলে লোক আসতে চাইছে না। বিজেপি প্রার্থী সেই কারণে মদ- মাংসের ব্যবস্থা করেছিলেন। দেখুন নেশা করে দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে কি না। তৃণমূল এসবের সঙ্গে যুক্ত নয়। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result 2024: মাধ্যমিকের কৃতী পড়ুয়ারা কেউ শিক্ষক হতে চাইছেন না! কেন জানেন?

    Madhyamik Result 2024: মাধ্যমিকের কৃতী পড়ুয়ারা কেউ শিক্ষক হতে চাইছেন না! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদর্শ শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন একটা সময়ে প্রত্যকে মেধাবী পড়ুয়ারা দেখত। কিন্তু বর্তমানে ছবিটা অনেক বদলে গিয়েছে। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি শুধু এই রাজ্যের আলোচনার বিষয় নয়। ভোটের প্রচারে জাতীয় স্তরে বাংলার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি এখন সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। গতকাল রাজ্যে মাধ্যমিক (Madhyamik Result 2024) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার ঝোঁক বেশি। এমন কী বাবা-মা শিক্ষকের পেশায় নিযুক্ত থাকলেও সন্তান আর চায় না শিক্ষক হতে। কিন্তু কেন এই ভাবনার উদয়?

    শিক্ষক নয় ডাক্তার হতে চায় ছাত্রী (Madhyamik Result 2024)

    এবার মধ্যমিকে (Madhyamik Result 2024) সম্ভাব্য নবম হয়েছে বাঁকুড়ার মেয়ে। নাম অরুণিমা চট্টোপাধ্যায়। কাটজুড়িডাঙা মিলনপল্লির বাসিন্দা এই ছাত্রী। এই কৃতী ছাত্রী বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী। অরুণিমা নিজের ইচ্ছে প্রকাশ করে বলে, “আমার বাবা-মা দুইজনেই শিক্ষকতা করেন। এক সময় আমি নিজে ভাবতাম শিক্ষিকা হবো। কিন্তু যা রাজ্যের পরিস্থিতি, এই পেশাতে স্বচ্ছ নিয়োগ কীভাবে সম্ভব হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাই আগামী দিনে ডাক্তারি পড়ারা কথা ভাবছি।” অপর দিকে অরুণিমার মা বলেন, “মেয়ে এক সময়ে শিক্ষিকাই হতে চেয়েছিল। এখন তা আর চাইছে না। যে পথেই যাক, আমাদের সমর্থন থাকবে!”

    আরও পড়ুনঃ রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    ক্যানসার নিয়ে গবেষণা করতে চায় পড়ুয়া

    আবার এই জেলার মাধ্যমিকের (Madhyamik Result 2024) মেধা তালিকায় দশম স্থানে রয়েছে তিনজন পড়ুয়া। তাদের মধ্যে বাঁকুড়া জেলা স্কুলে ছাত্র শৌভিক দত্ত বলে যে চিকিৎসক হতে চায় সে। শৌভিকের বাবা সেচ দফতরের জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ারের কাজ করেন, মা গৃহবধূ। নিজে ভূগোল, জীববিজ্ঞনে একশে একশ পেয়েছে। এই কৃতী ছাত্র নিজে চিকিৎসক হতে চায়। আবার তালড্যাংরা ফুলমতী হাই স্কুলের সৌমিক খাঁ মাধ্যমিকে দশম স্থানের অধিকারী হয়েছে। তার বাবা তালড্যাংরা গ্রামীণ হাসপাতলের ফার্মাসিস্ট। মা ব্লকের প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নার্স। সৌমিক নিজে আগামী দিনে ক্যানসার নিয়ে গবেষণা করতে চায়। আবার দশমস্থানে থাকা বাঁকুড়ার গড়রাইপুর হাই স্কুলের সৌম্যদীপ মণ্ডলের ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে। এই পথেই তার পড়াশুনার ইচ্ছে রয়েছে। সৌম্যদীপের বাবা একজন শিক্ষক এবং মা হলেন গৃহবধূ। ফলে মাধ্যমিক উত্তীর্ণরা যে আর শিক্ষকতার দিকে যেতে চাইছে না, তার পিছনে রাজ্যের দুর্নীতি একটা বড় কারণ বলে মনে করছেন একাংশের মানুষ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: পুলিশের সামনেই  বিজেপি প্রার্থী সুভাষের র‍্যালির ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Bankura: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থী সুভাষের র‍্যালির ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া (Bankura) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারের র‍্যালি থামিয়ে কর্মীদের আক্রমণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে সাঁতুড়ি থানার গড়শিকা এলাকায়। তৃণমূল কর্মীদের হামলায় বিজেপির এক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে মুরাডি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনায় বিজেপির তরফে তিনজন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bankura)

    এদিন সাঁতুড়ির (Bankura) গড়শিকা এলাকায় সুভাষ সরকার র‍্যালির মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন। র‍্যালি গড়শিকা গ্রামে ঢোকার সময় হঠাৎ তিনজন তৃণমূল কর্মী ঝান্ডা নিয়ে র‍্যালি আটকে দেয়। তাই নিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা হয়। সেই সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের তিন কর্মীকে পাশে সরিয়ে র‍্যালি এগিয়ে নিয়ে যান। অভিযোগ, সেই সময় পিছনে থাকা এক বিজেপি কর্মীকে তৃণমূলের কর্মীরা চেলা কাঠ দিয়ে আক্রমণ করে। ঘটনায় ওই বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হন। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা। সাঁতুরি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতির সামাল দেয়। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল হামলা চালিয়েছে। পুলিশের সামনেই তারা এই কাণ্ড করেছে।  

    আরও পড়ুন: প্রচারে হামলার পর এবার রেখা পাত্রর নামে লেখা একাধিক দেওয়াল মুছে দিল তৃণমূল, শোরগোল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার বলেন, ‘সাঁতুড়ি থানায় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়। আজকের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে থানায় বিক্ষোভ দেখাবেন বিজেপি কর্মীরা।’ বিজেপি  জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা বলেন, ‘পুলিশের উপস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটেছে। গুরুত্বপূর্ণ একজন কেন্দ্রীয় বিদায়ী মন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী না থাকলে তো তাঁর ওপর হামলা হতেই পারত। পুলিশ এই অনুমোদিত কর্মসূচিকে গুরুত্ব দেয়নি। তৃণমূলের পক্ষ থেকেই এই কাজ করছে। তীব্র প্রতিবাদ সংগঠিত ভাবেই হবে।’ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়ার দাবি, বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। তাই তারা মিথ্যা নাটক করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই”, বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

    Bankura: “চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই”, বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে এই ইস্যুতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই যোগ্যরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেছেন। এই আবহের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বাঁকুড়ার (Bankura) সভায় বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সৌমিত্র খাঁ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) রতনপুরে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, তৃণমূলে থাকার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছু ছেলের চাকরির জন্য অনুরোধ করেছিলাম। তিনি তাঁর ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলেছিলেন। আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গেলে তিনি প্রার্থী পিছ আট লক্ষ টাকা দাবি করেন। সৌমিত্রর কথায়, ” আমি ওনার ছোট ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললাম অভিষেকদা বলল চাকরি করে দেবেন। তো কী করতে পারবেন? আমায় বললেন, দাদা তোমার কাছ থেকে বেশি নেব না। এক কাজ করো আট লক্ষ টাকা আর দু’লক্ষ টাকা তোমার জন্য। মোট ১০ লক্ষ টাকা করে ১০০টা ক্যান্ডিডেট এনে দিতে পারো।”  এরপরই সৌমিত্র খাঁ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চোর দাবি করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা আসতেন আমি তাঁর প্যান্ট জামা খুলে নিতাম।” শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ আদালত যে করছে তা বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্যে আরও পরিষ্কার হয়ে গেল। এই নির্বাচনে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বড়জোড়ার (Bankura) তৃণমূল বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, “ওর হিম্মত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোশাক খুলে নেওয়ার? ও তো তিনটে-চারটে লোক আর পয়সার থলি নিয়ে ঘুরছে। আর এই ভোটে পাবলিক ওকে যোগ্য জবাব দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে ব্যাপক হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Bankura: “রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে ব্যাপক হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে তৃণমূলের ফতোয়ার বিরোধিতা করায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের শিবডাঙা গ্রামে। সোনামুখী থানার ওই গ্রামে দেওয়াল দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের হামলায় এক শিশু সহ সাতজন জখম হন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার বাঁকুডার (Bankura) সোনামুখী থানার শিবডাঙা গ্রামে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁর সমর্থনে দেওয়াল লিখনের প্রস্তুতি নেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। গ্রামের একাধিক দেওয়ালে চুনের প্রলেপ লাগানো হয়। অভিযোগ, সোমবার রাতে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয়ে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা ফতোয়া দেয় গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে কোনও দেওয়াল লিখন করা চলবে না। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, তৃণমূলের ফতোয়ার  প্রতিবাদ জানালে তৃণমূল কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে আমাদের ওপর চড়াও হয়ে ব্যাপক মারধর করে। অভিযোগ, পরিবারের মহিলা ও শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। পরে, আহত অবস্থায় ৭ জন বিজেপি কর্মীকে স্থানীয় সোনামুখী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এক বিজেপি কর্মীর আঘাত গুরুতর থাকায় রাতেই তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: “আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না”, চাকরি হারিয়ে আক্ষেপ চন্দননগরের কার্তিক ধারার

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, বিষ্ণুপুর লোকসভায় নিজেদের হার নিশ্চিত জেনে এখন তৃণমূল কর্মীরা মরিয়া হয়ে এই হামলা চালাচ্ছে। সন্ত্রাস করে ওরা বাজিমাত করতে চাইছে। এসব করে কোনও লাভ হবে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, বিজেপি কর্মীরাই তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে। যে সমস্ত এলাকায় পায়ের তলায় মাটি পাচ্ছে না, সেই জায়গায় লড়াই লাগিয়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করছেন বিজেপি কর্মীরা। কেউ আহত হয়ে থাকলে তা বিজেপির কোন্দলের জের। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নিবিড় অরণ্যের মাঝে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ! ইতিহাসের জ্বলন্ত সাক্ষী জয়পুর ফরেস্ট

    Bankura: নিবিড় অরণ্যের মাঝে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ! ইতিহাসের জ্বলন্ত সাক্ষী জয়পুর ফরেস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এবং অরণ্য ‘জয়পুর ফরেস্ট’। দুপাশে শাল, শিমূলের নিবিড় অরণ্যর বুক চিরে চলে গেছে রাজপথ। মাঝে মধ্যেই দেখা মেলে হাতিদের চলাচল করার জন্য “এলিফ্যান্ট করিডোর” (Bankura)। নিবিড় অরণ্যের মাঝে বাস করে হাতি সহ হরিণ, সজারু, ময়ূর আর নানান প্রজাতির পাখি। অরণ্যের শিহরণ, নিস্তব্ধতা প্রতিনিয়ত গ্রাস করে অরণ্যপ্রেমী পর্যটকের হৃদয়। এই অনাবিল আরণ্যক সৌন্দর্য তো মনপ্রাণ দিয়ে উপভোগ করবেনই। তার সঙ্গেই দেখে নিন ইতিহাসের এক অপূর্ব আর জ্বলন্ত সাক্ষী।

    মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ (Bankura)

    জয়পুর ফরেস্টের মধ্যেই রয়েছে মল্লরাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষ। এখানে এলে অবশ্যই দেখে নিন সুপ্রাচীন গোকুলচাঁদ মন্দিরটি। বাঁকুড়া জেলার বৃহত্তম এই মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল প্রথম রঘুনাথ সিংহের রাজত্বকালে, ১৬৪৩ সালে। আবার এও বলা হয়, মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয় বীর হাম্বীরের পূর্ববর্তী মল্লরাজা চন্দ্রমল্লের আমলে। ল্যাটেরাইট পাথরে নির্মিত মন্দিরটি দৈর্ঘ্য-প্রস্থে ৪৫ ফুট এবং উচ্চতায়ও ৪৫ ফুট। এর চুড়াগুলি লক্ষণীয়। মন্দিরটি পূর্বমুখী, পঞ্চরত্ন (Bankura)। এই মন্দিরের প্রধান বিগ্রহ গোকুলচাঁদ। প্রায় পরিত্যক্ত এই মন্দিরটি আজও বাংলার প্রাচীন শিল্প ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। এর কাছেই জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে এক বিশাল বাঁধ বা সরোবর, নাম  সমুদ্র বাঁধ। একই সঙ্গে অরণ্যর শিহরণ, ইতিহাসের আঘ্রাণ, আর অমলিন প্রকৃতিকে পেতে হলে জয়পুর ফরেস্ট হল অন্যতম সেরা ঠিকানা।

    কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১২৭ কিমি (Bankura)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে বিষ্ণুপুর বা বাঁকুড়াগামী সব বাসই যাচ্ছে জয়পুরের ওপর দিয়ে। সড়কপথে কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ১২৭ কিমি। বিষ্ণুপুর প্রায় ১৪ কিমি। আর ট্রেনে গেলে রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস, পুরুলিয়া এক্সপ্রেস, আরণ্যক এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেনে গিয়ে বিষ্ণুপুর নেমে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে জয়পুর (Bankura)।
    থাকা খাওয়া-এখানে রয়েছে জঙ্গলের অভ্যন্তরে আরণ্যক রিসর্ট ( ৮২৪০০৮৫২৪৩ ), বনলতা রিসর্ট ( ৯৭৩২১১১৭০৬ ) প্রভৃতি। দুটিতেই খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Subhas Sarkar: অম্বেডকরের জন্মদিনে বিজেপির শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ সুভাষের

    Subhas Sarkar: অম্বেডকরের জন্মদিনে বিজেপির শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ সুভাষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট (lok sabha vote 2024), হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই রবিবার বাংলা নববর্ষের দিনেও চুটিয়ে ভোট প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। জনসংযোগ বাড়াতে এবার ভোট প্রচারে বেরিয়ে জুতো পালিশ করতে দেখা গেল বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারকে (Subhas Sarkar )। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।

    জুতো পালিশ করে প্রচার (Subhas Sarkar)

    রবিবার ডক্টর বি.আর.অম্বেডকরের (B.R Ambedkar) জন্মদিন উপলক্ষে বাঁকুড়ার মাচানতলা থেকে লালবাজার পর্যন্ত বিশেষ পদযাত্রায় অংশ নেন বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar)। সেখানেই হুড খোলা গাড়িতে চড়ে নিজের জুতো পালিশ করলেন তিনি। মিছিলে প্রচার চালাতে চালাতে হঠাৎই তিনি নিজের হাতে তুলে নেন নিজের জুতো। গাড়িতে দাঁড়িয়েই ব্রাশ দিয়ে সেই জুতো পালিশ করতে শুরু করেন তিনি।

    সুভাষ সরকারের বক্তব্য (Subhas Sarkar )

    বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar ) বলেন, “নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে কোনও কাজই ছোটো নয়। ডক্টর বি.আর.অম্বেডকর দলিত ও অত্যন্ত নিম্নবর্গ থেকে উঠে এসে সংবিধান প্রণয়নের মতো মহান কাজ করেছিলেন। একই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নাম করে তিনি বলেন, “অম্বেডকরের স্বপ্ন আজ পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী। ডক্টর বি.আর.অম্বেডকরের সেই ভাবনা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই আজ জুতো পালিশ করলাম।”

    তৃণমূলের কটাক্ষ

    জুতো পালিশের বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এটা কি জনগণের জুতো পালিশ হচ্ছে। সেটা তো হয়নি। জনগণকে তো ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। এসব করে নাটক করছেন সুভাষবাবু (Subhas Sarkar )। এতে কি ভোট বাড়ে।”

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে তৃণমূলের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    নানা প্রচারের প্রার্থীরা

    যদিও এমন ঘটনা আশ্চর্যের নয়। ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ভোটের প্রচারে বেরিয়ে এর আগে বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডলকে কখনও চুল কাটতে দেখা গিয়েছে ,কখনও আবার দেখা গেছে চা, চপ, পাঁপড় ভেজে তা বিক্রি করতে। কোনও প্রার্থীকে আবার দেখা গেছে টোটো চালাতে, কাউকে আবার দেখা গেছে সবজি বিক্রি করতে। তাই এই কাজকে জনগনের হয়ে  অম্বেডকরের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ছাড়া আর কিছুই না বলে মনে করেন না সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar )।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Congress clash: অধীরের গড়ে কংগ্রেস দুষ্কৃতীদের দাদাগিরি! বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধর

    BJP Congress clash: অধীরের গড়ে কংগ্রেস দুষ্কৃতীদের দাদাগিরি! বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুরের (baharampore) স্কোয়ার ময়দানে একটি টিভি চ্যানেলের বিতর্ক (Debate) সভা চলাকালীন বিজেপির (BJP) যুব মোর্চার (youth morcha) সমর্থকদের ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ (BJP Congress clash) উঠল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। মূল অভিযোগের তীর কংগ্রেস নেতা শিলাদিত্য হালদারের দিকে। তাঁর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী মিলে হামলা করেছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের এক বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমের দ্বারা আয়োজিত এই বিতর্ক সভায় বিজেপির উদ্দ্যেশে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়ার পর উত্তর দিতেই মারমুখী হয়ে ওঠে কংগ্রেস (congress) কর্মীরা। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরির গড়ে এই ঘটনা ঘটায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য (BJP Congress clash)

    মুর্শিদবাদ জেলার বিজেপি সহ-সম্পাদিকা অনামিকা ঘোষ বলেন, “বিতর্ক করতে শিক্ষিত সমাজের লোকেরা আসে। সেখানে কী করে এখানকার পাঁচটি টার্মের সাংসদ এইরকম দুষ্কৃতীদের পাঠালেন। তিনি কি ভয় পেয়ে গিয়েছেন? প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুষ্কৃতীরা ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তাদের উপর হামলা (BJP Congress clash) করে। কংগ্রেসের মহিলা কর্মীরা বিজেপির যুব মোর্চাকর্মীদের ব্যাপক মারধর করছে। তবে বিজেপির যুবকর্মীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের মহিলা কর্মীদের লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও পাশে তৃণমূলের সমর্থকেরা ছিল কিন্তু তারা গোটা ঘটনাপর্ব চলাকালীন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।”

    প্রতিবাদে থানা ঘেরাও

    এই রাজনৈতিক আক্রমণের ঘটনায় অশান্তির পর্ব শেষে বিজেপি (BJP) বহরমপুর (baharampore) থানা ঘেরাও করে। একইসঙ্গে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অবিলম্বে হামলাকারীদের (BJP Congress clash) গ্রেফতার করতে হবে। এরকম সমাজবিরোধী ও দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য যদি চলতে থাকে, তাহলে মানুষ ভোট দিতে পারবে না। অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বড় আন্দোলন করা হবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ ওড়িশায় লাভ জিহাদের শিকার তরুণী! খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দিল যুবক 

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    বিজেপি কর্মীদের এই হামলার (BJP Congress clash) ঘটনায়, পাল্টা কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়, “জনসমক্ষে নিজেদের কথা তুলে ধরতে না পেরে রণভঙ্গ করে বিজেপি ময়দান ত্যাগ করেছে। কংগ্রেসের কর্মীরা চিৎকার চেঁচামেচি কিছুই করেনি। হামলার ঘটনার সঙ্গে কংগ্রেস কোনও ভাবেই জড়িত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Attacks On BJP: বাঁকুড়ায় বিজেপির প্রচার গাড়িতে আক্রমণ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    Attacks On BJP: বাঁকুড়ায় বিজেপির প্রচার গাড়িতে আক্রমণ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) প্রচার গাড়ির ওপর হামলার (Attacks On BJP) অভিযোগের আঙুল উঠল তৃণমূলের (TMC) দিকে। বুধবার রাতে বিজেপির একাধিক প্রচার গাড়িতে ব্যাপক হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। বাঁকুড়ার (bankura) ইন্দাস থানার খোসবাগ এলাকায় রাতের অন্ধকারে গাড়িগুলি ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটে। শুধুমাত্র গাড়ি ভাঙচুরই নয় পাশাপাশি গাড়িতে থাকা প্রচারের সব ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলে হামলাকারীরা। একই ভাবে কর্মীদের করা হয় ব্যাপক মারধর। তবে ঘটনায় অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

    বিজেপির অভিযোগ

    এই হামলার (Attacks On BJP) ঘটনায় স্থানীয় বিজেপির এক নেতা বক্তব্য দিয়ে বলেন, “এদিন রাতে নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিকশিত ভারতের প্রচার মূলক দুটি গাড়ি বর্ধমানের খণ্ডঘোষ এলাকা থেকে ইন্দাসের দিকে যাচ্ছিল। কারণ শুক্রবার ইন্দাস এলাকায় বিকশিত ভারতের একটি প্রদর্শনী হওয়ার কথা ছিল। তবে বৃহস্পতিবার রাতেই ইন্দাসের খোসবাগ এলাকায় আসতেই বিকশিত ভারতের ওই দুটি গাড়ির উপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। সেই সঙ্গে চলে ব্যাপক ভাংচুর এবং বিজেপি কর্মীদের উপর চলে ব্যাপক মারধর। তবে ভয় দেখিয়ে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। মানুষ ভোটে জবাব দেবেন।”

    অভিযোগ নিতে অস্বীকার পুলিশের (Attacks On BJP)

    ঘটনায় গাড়ির চালকেরা ইন্দাস থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে ইন্দাস থানার পুলিশ (police) সেই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন। এরপরে ই-মেলের মাধ্যমে পুলিশকে ও নির্বাচন কমিশনকে গোটা ঘটনাটি জানায় বিজেপি নেতৃত্ব। একই সঙ্গে এই ঘটনার কড়া নিন্দা করে রাজ্যের শাসক দলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি জেলা নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুনঃ “চেলা কাঠ কেন? গোটা কাঠও দেব”- তৃণমূলের হুমকির বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলীপের

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে গোটা ঘটনাটিকে বিজেপির সাজানো বলে দাবি করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, “এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বরং বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ (saumitra khan) নিজের দলের লোকেদের দিয়ে ভাঙচুর (Attacks On BJP) করিয়ে সমবেদনা আদায়ের চেষ্টা করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share