Tag: Bankura

Bankura

  • Purba Bardhaman: বাঁকুড়ার পর খণ্ডঘোষে মাটির দেওয়ালে চাপা পড়ে মৃত ১, পাকাবাড়ি কেন পাননি প্রশ্ন

    Purba Bardhaman: বাঁকুড়ার পর খণ্ডঘোষে মাটির দেওয়ালে চাপা পড়ে মৃত ১, পাকাবাড়ি কেন পাননি প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষে বাঁকুড়ার বাঁকদহতে মাটির বাড়ির দেওয়াল চাপা পড়ে তিন শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। প্রশ্ন উঠেছিল গ্রামে একটিও পাকা বাড়ি কেন হয়নি? রাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা কী করেছে? একই রকম ভাবে গতকাল, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) খণ্ডঘোষের গোপালবেড়া অঞ্চলের পূর্বচক গ্রামে একটি মাটির বাড়ির দেওয়াল ভেঙে তিনজন মহিলার চাপা পড়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের। সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঁচ বছর আগে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেও পাকা বাড়ি মেলেনি। এলাকার মানুষ প্রশ্ন তুলছেন যথার্থ প্রাপকদের পাকা বাড়ি দিতে কেন বঞ্চনা করছে রাজ্য সরকার।

    ঘটনায় নিহত ও আহতদর পরিচয় (Purba Bardhaman)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বচক গ্রামে প্রায় ঘন্টাখানেকের চেষ্টায় শেষমেষ তিনজন মহিলাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর তাঁদেরকে দ্রুততার সঙ্গে বর্ধমান মেডিক্যালে (Purba Bardhaman) পাঠানো হলে তাঁদের মধ্যে জুলেখা বেগম (৩৩) এর মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, বাড়ির মালিকের নাম শেখ হবিবর ইসলাম। ঘটনায় আহতরা হলেন প্রতিবেশী মধুরানী বেগম ( ৩৮ ) এবং সাবানা বেগম (২৮)। তাঁরা বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে চিৎকিসাধীন রয়েছেন। মৃত জুলেখা বেগমের স্বামী বলেন, “বাড়ি পাকা থাকলে আজ এই ভাবে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটত না।”

    জেসিবি মেশিন দিয়ে উদ্ধার হয়

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় খণ্ডঘোষ, রায়না ও সেহারাবাজার (Purba Bardhaman) ফাঁড়ির পুলিশ। এরপর জেসিবি মেশিন দিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন গোটা গ্রামের মানুষও। ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর বর্ধমান থেকে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ছিল। গ্রামবাসীদের সূত্রে জানা গেছে, মাটির দোতলা বাড়িটির মেরামতের কাজ চলছিল।

    ঠিক কীভাবে ভাঙল দেওয়াল?

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িতে মাটির মেঝে খুঁড়ে দেওয়ালে লোহার রড ঢোকানোর কাজ চলছিল। নিচ থেকে দোতলায় বেশ কিছু সামগ্রী, আসবাবপত্র উপরে তুলে দেওয়া হয়েছিল। বাড়ির বড় বৌ জুলেখা বেগম একটি আলমারি সরাতে যাওয়ার সময় আচমকা উপরের দেওয়াল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। আর আলমারির নিচে চাপা পড়ে যান তিনি। একই সময়ে আরও দুই প্রতিবেশী মহিলা সেখানে ছিলেন, তাঁরাও দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান। প্রতিবেশীরা বলেন, আজ যদি রাজ্য সরকারের দেওয়া একটি পাকা বাড়ি থাকত তাহলে এইরকম বিপত্তি ঘটত না। একটি প্রাণের মৃত্যু ঘটত না। 

    আবেদন করলেও পাকা বাড়ির মেলেনি

    পরিবার অত্যন্ত গরিব, কিন্তু রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেও পাওয়া যায়নি পাকা বাড়ি। মাটির জীর্ণ দুইতলা বাড়িতে বসবাস করছিলেন তাঁরা। হঠাৎ ভেঙে পড়ে বাড়ির দেওয়াল। আবার পূর্বচক গ্রামের তৃণমূল গ্রাম সভাপতি মুন্সি সাইদুল রহিম বলেন, “প্রায় পাঁচ বছর আগে আমি নিজে এই পরিবারের নাম আবাস তালিকার জন্য পাঠিয়েছিলাম। বাড়ির সার্ভে হয়েছিল। কিন্তু সফটওয়্যার আপলোডিংয়ের সমস্যার জন্য এই পরিবারের নাম বাদ গিয়েছে।” অন্যদিকে বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল বলেন, “এই মৃত্যুর দায় তৃণমূলকে নিতে হবে। কেন্দ্র সরকারের পাঠানো টাকা তৃণমূল চুরি করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: রাতে বিছানা-বালিশ নিয়ে ঢোকেন আয়কর প্রতিনিধিরা! ম্যারাথন তল্লাশি বিধায়কের রাইস মিলে

    Bankura: রাতে বিছানা-বালিশ নিয়ে ঢোকেন আয়কর প্রতিনিধিরা! ম্যারাথন তল্লাশি বিধায়কের রাইস মিলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য জুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধায়ক তন্ময় ঘোষের বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুরের রাইস মিলে চলছে আয়কর তল্লাশি। টানা দুদিন ধরেই চলছে এই তল্লাশি। বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার সকালেও রাইস মিলে হাজির হন বিধায়ক তন্ময়। তলব করা হয় তাঁর হিসাবরক্ষক অরূপ সামন্তকেও। সূত্রের খবর, দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা।

    রাতে বিছানা-বালিশ নিয়ে ঢোকেন আয়কর প্রতিনিধিরা (Bankura)

    দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তন্ময় ঘোষ পেশায় ব্যবসায়ী। ২০১৫ সালে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর পুরসভার কাউন্সিলার হন তিনি। ২০২০ সালের মে মাসে বিষ্ণুপুর পুরসভার নির্বাচিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হলে তাঁকে প্রশাসকমণ্ডলীতে আনা হয়। পাশাপাশি, ওই বছরই তন্ময়কে বিষ্ণুপুর শহরের যুব তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হয়। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে বিষ্ণুপুর বিধানসভায় তিনি তৃণমূলের টিকিটের অন্যতম দাবিদার ছিলেন। কিন্তু দল তাঁকে টিকিট না দিয়ে বিষ্ণুপুর বিধানসভায় প্রার্থী করে অর্চিতা বিদকে। এর পরই বিজেপিতে যোগ দেন তন্ময়। গত বিধানসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে ওই কেন্দ্র থেকেই জয় পান তন্ময়। কিন্তু এ বছরের অগাস্টে তিনি আবার তৃণমূলে ফেরেন। বৃহস্পতিবার দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে এসেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির সেই মঞ্চ থেকেই বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময়কে খাদ্য দফতরের দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত বাকিবুরের সঙ্গে তুলনা টেনে শুভেন্দু বলেছিলেন, বাকিবুরের মতোই এই রাইস মিলকে কাজে লাগিয়ে দুর্নীতি করেছেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। অন্যদিক রাইস মিলে আয়কর দফতরের ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান শুরু হয় বুধবার। জানা গিয়েছে, ওইদিনই রাতে আয়কর প্রতিনিধিদের রাইস মিলে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল বিছানা, বালিশ নিয়ে। সেগুলিই ব্যবহার করেছেন আয়কর দফতরের প্রতিনিধিরা। তাঁদের জন্য খাবারও আসছে বাইরে থেকে।

    আয়কর হানা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের বড়জোড়ার বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, এই চালকলের ব্যবসা তন্ময়ের বাবার আমলের। তাই আয়কর দফতর যত চেষ্টাই করুক, আদপে তা টিকবে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ তা বুঝতে পারছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “পুলিশ আধিকারিক আমার গলা টিপে ধরেছিলেন”, বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের

    Bankura: “পুলিশ আধিকারিক আমার গলা টিপে ধরেছিলেন”, বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাটির নিধিরামপুর গ্রামে ফের নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিল। বুধবার স্থানীয় বিজেপি কর্মী শুভদীপ মিশ্র ওরফে দীপুর বটগাছে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উত্তাল হয় ওই গ্রাম। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামে যান কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায় ও শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি। পুলিশের সঙ্গে কথা বলার সময় পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে তুমুল বচসায় জড়িয়ে পড়েন ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। এমনকী সত্যনারায়ণবাবুর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠল এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। রীতিমতো বিজেপি বিধায়কের গায়ে হাত তুলে দাদাগিরি দেখানোর চেষ্টা করেন ওই পুলিশ আধিকারিক। কর্মীদের বিক্ষোভে পুলিশ আধিকারিক কিছুটা চুপসে যান। যদিও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিধায়কের গায়ে হাত তোলার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bankura)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাটি থানার নিধিরামপুর গ্রামে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় স্থানীয় বিজেপি কর্মী তথা গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পঞ্চায়েত প্রার্থী শুভদীপ মিশ্র ওরফে দীপুর। বাড়ির অদূরে নিধিরামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে বটগাছের ডালে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ওই বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে দাবি তুলে শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির নেতৃত্বে প্রবল ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। পরে ঘটনার সিবি আই তদন্তের দাবিতে বিজেপি কর্মীরা ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। বৃহস্পতিবার নিধিরামপুর গ্রামে যান কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার। সঙ্গে ছিলেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি ও ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। গ্রামে হাজির থাকা উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের কাছে ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিধায়করা। এক পুলিশ আধিকারিক উত্তেজিত হয়ে বিজেপি বিধায়কের গায়ে হাত দিয়ে হেনস্থা করার চেষ্টা করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সামনেই ওই পুলিশ আধিকারিক দাদাগিরি দেখাতে শুরু করেন। বিধায়কের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেন বলে কর্মীদের অভিযোগ। আর তাতেই ছাতনার ওই আক্রান্ত বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায় উত্তেজিত হয়ে পড়েন। শুরু হয় প্রবল বচসা। পরে, দুপক্ষের আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    পুলিশের হাত তোলা নিয়ে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ আধিকারিককে আমরা কিছু প্রশ্ন করি। ওই পুলিশ আধিকারিক ভয় দেখিয়ে আমার গলা টিপে ধরেছিলেন। তখনই আমি ক্ষোভ জানাই। ধমকে, চমকে আমাদের ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ নেই। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, পুলিশের তদন্ত নিয়ে গ্রামবাসীরা সন্দিহান। তাই, সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। পুলিশের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রকৃত তদন্ত করবে বলে তারা আশ্বাস দিয়েছে। আর বিধায়কের গায়ে পুলিশ আধিকারিকের হাত তোলা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিধায়ককে আঙুল তুলে কথা বলতে পারেন না পুলিশ। সেখানে বিধায়কের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বিজেপি কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে উত্তাল বাঁকুড়া, সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    Bankura: বিজেপি কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে উত্তাল বাঁকুড়া, সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বিজেপি কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠল বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাটি থানার নিধিরামপুর গ্রাম। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, মৃতের নাম শুভদীপ মিশ্র। তিনি গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন। স্থানীয় প্রাইমারি স্কুলের কাছে বুধবার সকালে বটগাছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন শুভদীপবাবু। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের লোকজনের অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bankura)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভদীপ পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হওয়ায় এলাকার মানুষের অনেকটাই কাছের হয়ে উঠেছিলেন। তিনি ভালো সংগঠক ছিলেন। মাঝে মধ্যেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হত বলে অভিযোগ। গত সাতদিন আগে তিনি উধাও হয়ে যান। মঙ্গলবারই বাড়ি ফেরেন। এরপরই এদিন সকালে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বাড়ির কাছে একটি বটগাছের ডালে নাইলন দড়িতে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়। দেহের সঙ্গে বাঁধা ছিল হাত। প্রকৃত তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। ঘটনাস্থলে বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাটি থানার পুলিশ গেলে তাদের ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন এলাকাবাসী। পুলিশ কুকুর এনে তদন্তের দাবি জানানো হয়। এভাবে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে দেহ আটকে রেখে চলে বিক্ষোভ। তার পর ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ দেহ নিতে গিলে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে ওঠে। দোষীদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করতে হবে, এই দাবি তুলে বিক্ষোভ শুরু করেন গ্রামের মানুষ। ভাঙচুর করা হয় প্রতিবেশী এক মহিলার বাড়িও। ওই মহিলা-সহ তাঁর পরিবারের তিনজনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে গ্রামবাসীরা প্রথমে বাধা দেন।খবর পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে যান শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরি যান। মৃতের গলা থেকে ফাঁস খুলে দেহ গাড়িতে চাপিয়ে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই শালতোড়ার বিধায়ক পুলিশের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন। বিক্ষোভে শামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ পাঁজাকোলা করে বিধায়ককে সরিয়ে দেয়।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি বলেন, পরিবারের দাবি, দীপুকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনা ধামাচাপা দিতে চাইছে। আমি তদন্তের দাবি জানালে আমাকেও হেনস্তা করেছে পুলিশ। রাজ্যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। আমরা তদন্তের দাবি থেকে নড়ছি না। এর পর আমরা গঙ্গাজলঘাটি থানা ঘেরাও করব। প্রয়োজনে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করব।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটিতে বিজেপি নেতাকে খুনের অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন তিনি ট্যুইট করে স্পষ্ট বলেছেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির প্রার্থী শুভদীপের জনপ্রিয়তা মানতে পারেনি তৃণমূল। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় খুন করা হয়েছে শুভদীপকে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের আড়াল করবে রাজ্য পুলিশ, সিবিআই তদন্ত চাই’।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের গঙ্গাজলঘাটি-২ নম্বর সাংগঠনিক ব্লকের সভাপতি নিমাই মাজি বলেন, ঘটনা আত্মহত্যা কি না তা তো তদন্তেই বোঝা যাবে। পারিবারিক কারণেই এই ঘটনা বলে আমার ধারণা। প্রতিবেশী এক মহিলার সঙ্গে ওই যুবকের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। তার জেরে এই ঘটনা। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: হাতির হামলা থেকে প্রাণে বাঁচতে অভিনব কৌশল বাঁকুড়ার গ্রামবাসীদের, কী তা জানেন?

    Bankura: হাতির হামলা থেকে প্রাণে বাঁচতে অভিনব কৌশল বাঁকুড়ার গ্রামবাসীদের, কী তা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতির তাণ্ডব রুখতে রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই। এমনই অভিযোগ বাঁকুড়়ার (Bankura) সিমলাপালের দুবরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের। এই অবস্থায় রাতের অন্ধকারে গ্রামে ঢুকে পড়া হাতির উপস্থিতি টের পেতে অভিনব কৌশল নিয়েছেন সিমলাপালের নেকড়াতাপল গ্রামের বাসিন্দারা।

    কী কৌশল নিলেন গ্রামবাসীরা? (Bankura)

    মাস খানেক আগেই পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে বাঁকুড়ার (Bankura) গ্রামে ঢোকে ৪০টি হাতির দল। একটি বাচ্চা হাতির মৃত্যু হওয়ায় আক্রমণাত্মক ভাবে গ্রামে ঢোকে দলটি। জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে দুই পুলিশ কর্মীকে আহত করে হাতির দল। তাঁদেরকে বিষ্ণুপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ৪০টি হাতির দল একবারে বাঁকুড়া জেলায় ঢুকে পড়ায় চিন্তায় পড়ে যায় বন বিভাগ। বৈঠক করে জেলা প্রশাসন। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে, জঙ্গল লাগোয়া গ্রামবাসীদের পুজোর মধ্যেও হাতি আতঙ্ক রয়েছে। তাই, হাতির হামলার আগে সতর্ক হতে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে নিজেদের হাতে তৈরি ঘণ্টা দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছেন। স্থানীয়ভাবে ওই ঘণ্টা ‘ঠরকা’ নামেই পরিচিত। সেই ঘণ্টা ঝুলিয়ে রেখেছেন গ্রামবাসীরা। ওই ঠরকা বিশালাকার হাতির শরীরে লেগে বেজে উঠবে। ফলে, গ্রামের মানুষ সতর্ক হওয়ার সুযোগ পাবেন। এর ফলে হাতির হানায় বাড়ি বা সম্পত্তি হানির ঘটনা ঘটলেও প্রাণহানির আশঙ্কা অনেকখানি কমানো সম্ভব বলে ওই গ্রামের মানুষ জানিয়েছেন। এমনিতেই খাবারের খোঁজে হাতির দল গ্রামে হানা দেবে জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলিতে। পুজোর মধ্যেও হাতির আতঙ্কে আতঙ্কিত এলাকাবাসী। কারণ, হাতির দল এসে ঘর বাড়ি, চাষের জমি নষ্ট করে দেয়। ক্ষয়ক্ষতি হয় গ্রামবাসীদের। হাতির তাণ্ডবে অতিষ্ট গ্রামবাসী। তাই, হাতির হাত থেকে বাঁচতে এই অভিনব কৌশল নিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

    গ্রামবাসীরা কী বললেন?

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য, একটি আবাসিক হাতি বাঁকুড়ার (Bankura) এই এলাকায় রয়েছে। তবে, বিগত একমাস তার দেখা নেই। পুজোর দিন গুলোতে হাতির আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রাম জুড়ে আমরা ‘ঠরকা’ বেঁধে রেখেছি। হাতির হামলা হয়েছে জানতে পারলে আমরা সকলেই সতর্ক হয়ে যাব। এতে প্রাণে রক্ষা পাওয়া যাবে।

    বন দফতরের এক আধিকারিক কী বললেন?

    বন দফতরের দুবরাজপুর বিট অফিসার বৈদ্যনাথ টুডু বলেন, ইতিমধ্যে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারি নিয়মানুযায়ী ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। নতুন করে আবেদনকারীরাও ক্ষতিপূরণ পাবেন। তবে, পুজোর সময় হাতির আক্রমণ ঠেকাতে গ্রামবাসীরা নিজেদের মতো উদ্যোগ নিতে পারেন। আমরাও দফতরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: চাঁদপাল ঘাটের সঙ্গে বাঁকুড়ার সোমসারের মেলবন্ধন ঘটায় পালবাড়ির দুর্গাপুজো

    Durga Puja 2023: চাঁদপাল ঘাটের সঙ্গে বাঁকুড়ার সোমসারের মেলবন্ধন ঘটায় পালবাড়ির দুর্গাপুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর (Durga Puja 2023) কটা দিন জমিদার বাড়ি সেজে উঠত আলোর রোশনাইয়ে। নহবতের মূর্ছনা আর ঢাকের বাদ্যিতে মুখর হত ঠাকুর দালান। থাকত যাত্রাপালা, কবিগান, রামলীলা, পুতুল নাচের আসর। এখন সে সব অতীত। জমিদারির রমরমা আর নেই। নেই আগের মতো পুজোর জৌলুস। তবে পরম্পরা মেনে আজও পাল পরিবারের বর্তমান প্রজন্ম ফি বছর ব্রতী হন দেবী দুর্গার আরাধনায়। গত কয়েক বছর কোভিডের জেরে এই পুজোর ছন্দপতন ঘটেছিল। গত বছর থেকে পুরনো ছন্দে ফেরা শুরু। এবার স্বাভাবিক ভাবেই পুজোর আয়োজনে খানিক জৌলুস বাড়াতে চাইছেন পাল পরিবারের সদস্যরা।

    ইট, কাঠ, পাথরে জমিদারির সাক্ষ্য

    জেলার অন্যতম প্রাচীন এই জমিদার বাড়ির পুজোর (Durga Puja 2023) সঙ্গে রয়েছে কলকাতার চাঁদপাল ঘাটের যোগসূত্র। কথিত আছে, যার নামে চাঁদপাল ঘাট, তাঁর পোশাকি নাম চন্দ্রমোহন পাল। তিনিই সোমসারের এই দুর্গাপুজোর প্রচলন করেন৷ এই চন্দ্রমোহন পাল সেই সময় কলকাতায় বিলিতি কাপড়ের ব্যবসা করে ফুলে-ফেঁপে উঠেছিলেন। তিনিই কাপড়ের ব্যবসার জন্য গঙ্গায় গড়ে তুলেছিলেন ফেরি ঘাট, যা বর্তমানে চাঁদপাল ঘাট নামে পরিচিত। চন্দ্রমোহনবাবুই আজ থেকে প্রায় ২৫০ বছর আগে বর্ধমান রাজাদের কাছ থেকে ইন্দাসের ৬ টি মৌজা কিনে নিয়ে জমিদারির পত্তন করেন। সোমসারে গড়ে তোলেন সুবিশাল জমিদার বাড়ি। সেই বাড়ি আজও ইতিহাস বহন করে চলেছে। তবে সেই বাড়ি জুড়ে বয়সের ছাপ স্পষ্ট। ২৫০ বছরের পুরনো এই বাড়ির প্রতিটি ইট, কাঠ, পাথর জমিদারির সাক্ষ্য বয়ে চলেছে আজও। চন্দ্রমোহন পাল সেই সময় সোমসারের প্রজাদের জন্য দামোদর ঘাটে কলকাতা থেকে পুজো উপলক্ষ্যে বিলিতি কাপড় আনতেন এবং বিলি করতেন গ্রাম জুড়ে।

    অষ্টমী ও নবমীতে মাসকলাই বলি (Durga Puja 2023)

    চন্দ্রমোহনের আমল থেকে এখানে হিন্দু, মুসলিম সকলেই সমান ভাবে অংশ নেন পুজোর উৎসবে। ফলে পুজোর (Durga Puja 2023) চার দিন মিলন মেলায় পরিণত হয় সোমসারের পালবাড়ির ঠাকুর দালান। পালবাড়ির সকল সদস্য, আত্মীয়স্বজন সবাই পুজোর কটা দিন সোমসারে আসেন। এই পরম্পরা সমানে চলে আসছে। সোমসার পালবাড়ির অন্যতম সদস্য উদয়কুমার পাল তাঁর ছোটবেলার পুজোর স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে বলেন, ছোটবেলায় এই পুজোর যে জৌলুস ও জাঁকজমক ছিল, তা দিন দিন ফিকে হয়ে আসছে। তবে সেই পুজোর গোড়পত্তনের দিন থেকে একই নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে পুজো চলে আসছে। সেই রীতি মেনে এখনও অষ্টমী ও নবমীতে মাসকলাই বলি দেওয়া হয়। এখন পঞ্জিকা দেখে বলিদান হলেও আগে বর্ধমানের রাজবাড়ির সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরের তোপধ্বনি শুনে সন্ধিক্ষণ নির্ধারণ করা হত। এখন অবশ্য সেই প্রথার বিলুপ্তি ঘটেছে। তবে, পাল পরিবারের দেশে-বিদেশে যেখানে যাঁরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন, তাঁরা এই দুর্গাপুজোর সময় এসে মিলিত হন। ফলে কার্যত এই পুজো চাঁদপাল ঘাটের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটায় সোমসারের। জমিদারি নেই, নেই এই পুজোর আগের মতো আড়ম্বর। তবে জমিদারির ইতিহাসকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবার এখানে পুজোর বাদ্যি বেজে ওঠে। এবারও পাল বাড়িতে মা আসছেন। চলছে সাজ সাজ রব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukutmanipur: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দিয়েই হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারে বাঁকুড়া জেলার মুকুটমণিপুর

    Mukutmanipur: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দিয়েই হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারে বাঁকুড়া জেলার মুকুটমণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বুকে যদি এক টুকরো স্বর্গ বলে কোনও জায়গা থেকে থাকে, তবে নিঃসন্দেহে বলে দেওয়া যায় সেই জায়গাটির নাম “মুকুটমণিপুর” (Mukutmanipur)। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার এক ছোট্ট, নির্জন পর্যটন কেন্দ্র এই মুকুটমণিপুর। শুধুমাত্র আপন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দিয়েই এই মুকুটমণিপুর হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারে যে কোনও প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের। একদিকে কংসাবতী বা কাঁসাই নদী, অপর দিকে ছোট ছোট পাহাড়ের সারি, অগভীর বনানী, নীল আকাশ—। আর কী চাই সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকের? আর যদি হয় পূর্ণিমা রাত, তাহলে তো আর কথাই নেই। চাঁদের রুপোলি আলোয় স্নান করা মুকুটমণিপুর তখন “কল্প লোকের গল্প গাথা”।

    পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা অপূর্ব স্থান

    একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যায় কাঁসাই নদীর ওপর প্রায় ১১ কিমি দীর্ঘ ও ৩৮ মিটার উঁচু বাঁধটি, ৪ কিমি দূরে অম্বিকা নগরে দেবি অম্বিকার প্রাচীন মন্দির। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে ঘুরে আসুন প্রায় ৫৯ কিমি দূরে আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম “সুতান”, প্রায় ৪০ কিমি দূরে ঘন অরণ্য পরিবৃত “রানি বাঁধ”, প্রায় ৪৩ কিমি দূরে পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা এক অপূর্ব সুন্দর স্থান “ঝিলিমিলি” প্রভৃতিও (Mukutmanipur)।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    যাতায়াত–কলকাতার ধর্মতলার শহিদ মিনার বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি বাস যাচ্ছে মুকুটমণিপুর (Mukutmanipur)। কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ২৪৪ কিমি। বাসে সময় লাগে প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা। এছাড়া ট্রেনে বাঁকুড়া অথবা বিষ্ণুপুর এসে সেখান থেকে বাসে যাওয়া যায় মুকুটমণিপুর। দূরত্ব বাঁকুড়া ৫৬ এবং বিষ্ণুপুর ৮২ কিমি । প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি কলকাতা থেকে মুকুটমণিপুর গামী সব বাসই যাচ্ছে বাঁকুড়া জেলার দুটি অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র বিষ্ণুপুর এবং জয়পুর ফরেস্টের ওপর দিয়ে ।
    থাকা-খাওয়া–মুকুটমণিপুরে বেশ কিছু হোটেল, লজ রয়েছে থাকা এবং খাওয়ার জন্য। আবার প্রয়োজন মনে করলে বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরে থেকেও ঘুরে নেওয়া যায় মুকুটমণিপুর (Mukutmanipur)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  •  Bankura: মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু ৩ শিশুর, গ্রামে পাকা বাড়ি হয়নি কেন? প্রশ্ন বিজেপির

     Bankura: মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু ৩ শিশুর, গ্রামে পাকা বাড়ি হয়নি কেন? প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তৃণমূলের রাজত্বে উন্নয়নের জোয়ার চলছে দাবি করলেও, সেই দাবি কতটা কঙ্কাল সার শূন্য তার প্রকৃষ্টতম উদাহরণ হল, বাঁকুড়ার বাকাদহ বোড়ামারা গ্রামের চিত্রটা। উল্লেখ্য গ্রামে একটাও পাকা বাড়ি নেই। রাজ্য সরকারের ইন্দিরা আবাস যোজনার কোনও বাড়ি এখানে চোখে পড়ে না। গ্রামের বাড়িগুলি মাটি দিয়ে তৈরি, অধিকাংশ ভগ্নস্তূপের মতন দাঁড়িয়ে রয়েছে, যেকোনও সময়ে ভেঙে পড়তে পারে বাড়ি। নজর নেই প্রশাসনের। আর শনিবার এই মাটির ঘরের দেওয়াল ভেঙে চাপা পড়ে মৃত্যু হল তিন শিশুর।

    এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর থানার বাকাদহ বোড়ামারা গ্রামে। মৃত শিশুদের মধ্যে একই পরিবারের এক শিশু কন্যা ও দুই পুত্র সন্তান ছিল বলে জানা গেছে। এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় বিজেপি, শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেছে, গ্রামে পাকা বাড়ি হয়নি কেন? গরীব মানুষের আবাস যোজনার টাকা চুরি করে, পাকা বাড়ির অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে তৃণমূল। পাকা বাড়ি থাকলে হয়তো এই মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হতে হতো না।

    কিভাবে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু ঘটল (Bankura)?

    গত শুক্রবার বিকাল থেকে বাঁকুড়া (Bankura) জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিপাত। কিন্তু আজ শনিবার সকাল থেকেই নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টিতে মাটির ঘরের দেওয়াল ভেঙে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় মৃত শিশুদের নাম হল রোহন সর্দার (৫), নিশা সর্দার (৪), অঙ্কুশ সর্দার (৩)। জানা গেছে এই তিন শিশু খেলা করছিল বাড়ির মধ্যেই। হঠাৎ করে ঘরের একটি মাটির দেওয়াল ভেঙে, ওই তিন শিশুর গায়ের উপর পড়ে। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তিন শিশুকে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর চিকিৎসকরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। সমগ্র ঘটনায় এলাকায় তীব্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    গ্রামে নেই একটাও পাকা বাড়ি

    বিষ্ণুপুর (Bankura) ব্লকের বাঁকাদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের বোড়ামারা গ্রাম যেন একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। গ্রামে নেই একটিও আবাস যোজনার পাকা বাড়ি। সবকটি কাঁচা বাড়ি ভগ্নপ্রায় অবস্থা। যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। আজকে দেওয়াল চাপা পড়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় যে তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের ছিল না পাকা বাড়ি। গ্রামের মানুষের ভয় আগামী দিনেও ঘটতে পারে বড়সড়ক দুর্ঘটনা।

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ

    গ্রামবাসীদের (Bankura) অভিযোগ, তৃণমূলের শাসনে বিগত ১০ বছরে একটিও পাকা বাড়ি পাননি গ্রামের মানুষ। এমনকি গ্রামে নেই কোনও আইসিডিএস সেন্টার, নেই কোনও পানীয় জলের ব্যবস্থা। তাই মানুষের প্রশ্ন ইন্দিরা আবাস যোজনা এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি চুরি করেছে তৃণমূল।   

    বিজেপির বক্তব্য

    বিষ্ণুপুরের সাংসদ (Bankura) সৌমিত্র খান মৃত্যুর প্রতি শোক প্রকাশ করে বলেন, “এই গ্রামে একটাও পাকা বাড়ি নেই। মোদিজির দেওয়া বাড়ির টাকা তৃণমূলের নেতারা চুরি করেছে। আজ ওই পরিবারের পাকা বাড়ি থাকলে এই ভাবে শিশুদের মৃত্যুর শিকার হতে হতো না।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই এলাকার শাসক দলের বর্তমান বাঁকাদহ (Bankura) গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বাসন্তী লায়েক এই পাকা বাড়ির বিষয়ে কেন্দ্রকেই দোষারোপ করেছে। তিনি বলেন, “আবাস যোজনার নাম থাকা সত্ত্বেও বাড়ি মেলেনি শুধুমাত্র কেন্দ্রের টাকা না দেওয়ার জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jaundice: নলকূপের দূষিত জলে ব্যাপক হারে ছড়াচ্ছে জন্ডিস, এক গ্রামেই আক্রান্ত ২৫০!

    Jaundice: নলকূপের দূষিত জলে ব্যাপক হারে ছড়াচ্ছে জন্ডিস, এক গ্রামেই আক্রান্ত ২৫০!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আড়াই মাসে জন্ডিসে (Jaundice) আক্রান্ত আড়াইশো জন। বাড়ছে জন্ডিসের ভয়াবহতা। বাঁকুড়ার তালডারাংরার সাতমৌলি গ্রামে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বর্ষার এই মরশুমে যখন ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগে রাজ্যে মানুষ রোজ আক্রান্ত হচ্ছেন, অনেকে মারাও যাচ্ছেন, ঠিক সেই সময় জন্ডিসের দাপট হু হু করে বাড়ছে বাঁকুড়াতে। জানা গেছে, এক গ্রামেই জন্ডিসে আক্রান্ত ২৫০ জন। জেলা স্বাস্থ্য দফতর এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে।

    কীভাবে জন্ডিসের দাপট (Jaundice)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার প্রত্যেক ঘরেই জ্বর, পেটের গোলমাল, ব্যথা, বমি ইত্যাদি উপসর্গ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষায় জন্ডিস (Jaundice) ধরা পড়ছে। এরপর জেলার স্বাস্থ্য দফতর ওই বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। দেখা গেছে এলাকার বেশ কিছু নলকূপ রয়েছে, যেখানে পানীয় জলে জন্ডিসের জীবাণুর খোঁজ পাওয়া গেছে। এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে, এই নলকূপগুলির জলকে প্রাথমিক ভাবে জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর থেকে এলাকার মানুষকে গরম করে জল ফুটিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    জন্ডিস নিয়ে চিকিৎসকের মতামত

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই সময় ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো জন্ডিসকেও (Jaundice) গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এই অসুখ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লিভারের ক্ষতি করে। এই জন্ডিস দুই রকমের হয়। প্রথম হল-হেপাটাইটিস-এ এবং হেপাটাইটিস-ইআই। রোগের উপসর্গের দেখা মিললেই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

    জন্ডিসের (Jaundice)  লক্ষণ কী?

    রোগীর জন্ডিসের প্রধান লক্ষণগুলি হল-

    হলুদ প্রস্রাব

    চোখে হলদে রং হওয়া

    মাথা ঘোরা

    বমি হওয়া

    জ্বর থাকা

    শরীরে ক্লান্তি ভাব

    পেট ব্যথা হওয়া

    রক্তচাপ কম থাকা

    ওজন হ্রাস পাওয়া

    কীভাবে সাবধানতা অবলম্বন করবেন?

    এই জন্ডিস (Jaundice) মূলত জলবাহিত রোগ। তাই পানীয় জল অন্তত ১০ মিনিট ফুটিয়ে খেতে হবে।

    লিভারের ক্ষতি করে এমন ওষুধ খাওয়া যাবে না।

    পরিশোধিত পানীয় জল ছাড়া অন্য জল খাওয়া যাবে না।

    তেল-মশলা-ঝাল খাবার খাওয়া যাবে না।

    কড়া মাপের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না।

    রাস্তার কাটা ফল খাওয়া যাবে না।

    পুকুরের জলে বাসন না ধোয়া।

    পুরোপুরি বিশ্রাম করতে হবে।

    এই রোগের থেকে বাঁচতে জেলার স্বাস্থ্য দফতর বিশেষভাবে সতর্কতা জারি করেছে। কোনও রকম অসুবিধা হলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বিশ্বকর্মা পুজোয় ‘জাম্বো’ জিলিপি উৎসবে মাতে গোটা গ্রাম, কোথায় জানেন?

    Bankura: বিশ্বকর্মা পুজোয় ‘জাম্বো’ জিলিপি উৎসবে মাতে গোটা গ্রাম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকর্মা পুজোর দিন আজ বাঁকুড়ার (Bankura) কেঞ্জাকুড়ার গ্রাম মেতেছে জাম্বো জিলিপি পরবে। ফি বছর ভাদ্র মাসের সংক্রান্তির দিন ভাদু ও বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষ্যে কেঞ্জাকুড়ার ঘরে ঘরে জাম্বো জিলিপি খাওয়ার পরম্পরা চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। আর এমন পেল্লাই সাইজের জিলিপি তৈরির কারিগরদের মুন্সিয়ানা বাংলার মিষ্টান্ন শিল্পের গর্ব।

    জাম্বো জিলিপির দাম কত জানেন? (Bankura)

    বংশ পরম্পরায় এই কারিগররা জিলিপি তৈরি করে আসছেন। তবে ঠাকুরদা, বাবা, জ্যাঠাদের আমলে যে পেল্লাই সাইজের জিলিপি হত, তা দিন দিন কমতে বসেছে। আগে সাত-আট কেজি পর্যন্ত ওজনের জিলিপি বানানো হত। এখন তা অর্ধেকে এসে ঠেকেছে। এখন সবথেকে বেশি ৩ কেজি পর্যন্ত ওজনের জিলিপি ছাঁকা হচ্ছে। কেজি প্রতি জাম্বো জিলিপির দাম ১৫০ টাকা। কোভিড আবহে টানা দু’বছর এই জাম্বো জিলিপির বাজার মন্দা গিয়েছে। গত বছরও বাজার ভালো ছিল না। এবারও জাম্বো জিলিপির বরাতেও টান পড়েছে। কারণ, এক সময়ের বাঁকুড়ার (Bankura) কাঁসা, পিতলের শিল্প গ্রামের তকমা সাঁটা কেঞ্জাকুড়ায় কাঁসা-পিতল শিল্পতেও এখন ভাটার টান। এলাকার কাঁসা শিল্পীদের রুজিরুটিতে টান। পাশাপাশি, এখানকার তাঁত শিল্পও রুগ্নপ্রায়। সবমিলিয়ে কেঞ্জাকুড়ার গ্রামীণ অর্থনীতির মন্দার আঁচ লেগেছে জাম্বো জিলিপির সাইজে। এবার আর আকার নিয়ে মাথাব্যথা নেই। কেবল পরম্পরা রক্ষায় নাম মাত্র জিলিপির বেচা-কেনা হচ্ছে।

    কী বললেন মিষ্টি দোকানের মালিক ও কারিগররা?

    মন ভালো নেই জাম্বো জিলিপির দোকানদার নিতাই দত্তের। তিনি বলেন, আগে বড় সাইজের জিলিপি কেনার জন্যই দোকানে ক্রেতাদের ভিড় লেগে থাকত। আগে থেকে অর্ডারও থাকত অনেক। এখন সে সব আর কিছুই নেই। কারিগর ফটিক রায় জানান, এখন আর আগের মতো বিশাল মাপের জিলিপি হয় না। সেই বড় কড়াই, ঝাঝরাও নেই। এখন চাহিদা মতো সাড়ে সাতশো থেকে এক কেজি, দুই কেজি, আড়াই কেজি, সর্ব্বোচ্চ তিন কেজি ওজন পর্যন্ত জিলিপি ঝাঁকা হয়। এই জিলিপি তৈরিতে ব্যবহার করা হয় কলাইয়ের বেসন, চালগুঁড়ি ও রুল ময়দা। আর থাকে বেকিং সোডা। জিলিপি ঝেঁকে ফেলা হয় গরম রসে। তারপর তা শালপাতায় মুড়ে খবরের কাগজের আস্তরণ দিয়ে তুলে দেওয়া হয় ক্রেতার হাতে।

    প্রিয়জনদের এই জিলিপি উপহার দেওয়ার চল রয়েছে গ্রামে

    প্রদীপ মোদক নামে এক ক্রেতা বলেন, প্রতি বছরের মতো আমার মতো গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা এবারও জিলিপি কিনেছেন। নিজে কেনার পাশাপাশি, অন্যন্য আত্মীয়দেরও তিনি এই জিলিপি পাঠিয়েছেন। প্রিয়জনদের এই জিলিপি উপহার দেওয়ার চল রয়েছে এই গ্রামে। এক সময় এখানকার জমিদারদের মধ্যে কে কত বড় জিলিপি বাড়ি নিয়ে যেতে পারে তার প্রতিযোগিতা চলত। এমনকী ছেলে বা মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে বাড়িতে জাম্বো জিলিপি পাঠিয়ে নিজের প্রতিপত্তি জাহির করার চল ছিল। এখন সে সব অতীত। নতুন প্রজন্ম এখন ফাস্টফুড মুখী। তাই তারাও জাম্বো জিলিপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় এই শিল্প আর কত দিন টিকে থাকবে? তা নিয়ে আশঙ্কায় এই জিলিপির কারিগররা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share