Tag: Bankura

Bankura

  • Bankura: মুখ্যমন্ত্রী শিল্প আনতে স্পেনে, রাজ্যেই বাঁকুড়ার দ্বারিকা শিল্পতালুক যেন শ্মশানভূমি!

    Bankura: মুখ্যমন্ত্রী শিল্প আনতে স্পেনে, রাজ্যেই বাঁকুড়ার দ্বারিকা শিল্পতালুক যেন শ্মশানভূমি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী স্পেনে গিয়ে রাজ্যে বিনিয়োগ আনার চেষ্টা করছেন। অথচ রাজ্যে শিল্পের পরিকাঠামো রয়েছে, একাধিক কলকারখানা চালুও ছিল। স্রেফ সরকারের উদ্যোগের অভাবে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুরের দ্বারিকায়। সরকারের কোনও হেলদোল নেই। এমনই অভিযোগ বন্ধ কারখানার কাজ হারানো শ্রমিকদের। ২০১৪ সালের পর থেকে দ্বারিকায় বন্ধ হতে থাকে একের পর এক কলকারখানার দরজা। কাজ হারান এলাকার হাজার পাঁচেক শ্রমিক।

    দ্বারিকা শিল্পাঞ্চল কবে গড়ে উঠেছিল? (Bankura)

    আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন ‘বিষ্ণুপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ সেন্টার’ তৈরি করতে উদ্যোগী হয়। বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর শহরের কাছে দ্বারিকা-গোসাঁইপুর পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয় জমি অধিগ্রহণ। দ্বারিকা, শ্যামসুন্দরপুর, অবন্তিকা ও বিষ্ণুপুরের বাসিন্দারদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়। গত শতাব্দীর আটের দশকের প্রথম দিকে প্ৰায় ১৯৬ একর জায়গা জুড়ে এই শিল্পতালুকের পথচলা শুরু হয়। সরকারি ভর্তুকিতে চালু হয় ১০টি কারখানা। ২০১৪ সালের পর থেকে একে একে তা নিভতে থাকে। দ্বারিকা গ্রামই নয়, আশপাশের শ্যামসুন্দরপুর, দেউলি, সুভাষপল্লি, অবন্তিকা, বনমালিপুর, জয়কৃষ্ণপুর, জয়রামপুর থেকে তিন শিফটে হাজার-হাজার শ্রমিক এই শিল্পতালুকে কাজ করতেন। কিন্তু, এখন তা শ্মশানভূমিতে পরিণত হয়েছে।

    দ্বারিকা শিল্পাঞ্চলে আগে কেমন হত বিশ্বকর্মা পুজো?

    বছর কয়েক আগেও বিশ্বকর্মা পুজোয় শিল্পতালুক আলোয় সেজে উঠত। বড় বড় শামিয়ানা ও মণ্ডপ তৈরি হত। গান-বাজনা হত। এলাহি খাবারের আয়োজন থাকত। ছেলেমেয়ে, স্ত্রীকে নিয়ে কর্মীরা কারখানায় যেতেন বিশ্বকর্মা পুজো দেখতে। আর শিল্পাঞ্চলে কারখানাগুলোর গেটে ঝুলছে বড় বড় তালা। বিশ্বকৰ্মা পুজো হয় না, আলোর রশ্মিও দেখা যায় না। এহেন পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা দিন গুনছেন কবে এই শিল্পতালুকে ফের কারখানাগুলি চালু হবে। গমগম করে উঠবে এলাকা, হাতে সেই আগের মতো কাজ ফিরে পাবেন শ্রমিকরা।

    দ্বারিকা শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    অন্যদিকে, বাঁকুড়ার (Bankura) দ্বারিকা শিল্পাঞ্চল নিয়ে শাসক-বিরোধী একে অপরের দিকে কাদা ছোড়াছুড়িতেই ব্যস্ত। বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির মুখপাত্র দেবপ্রিয় বিশ্বাস বলেন, দ্বারিকা শিল্পাঞ্চল বন্ধ হয়েছে তৃণমূল সরকারের আমলে। দ্বারিকায় তৃণমূল কংগ্রেস নতুন শিল্প চালু করেছে, সেটা হল দ্বারিকা শিল্পাঞ্চলের যন্ত্রাংশ বিক্রি করার। অন্যদিকে, বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দ্বারিকায় যে শিল্পগুলি ছিল, সিপিএম-এর আমলে সেই কারখানাগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ওই জায়গায় নতুন করে  কারখানা তৈরির কথা তৃণমূল সরকার ভাবছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: স্কুলের পাশেই বারুদের স্তূপে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ! প্রশাসন কি এতটাই অপদার্থ?

    Bankura: স্কুলের পাশেই বারুদের স্তূপে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ! প্রশাসন কি এতটাই অপদার্থ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তার এ প্রান্তে সরকারি মডেল স্কুল, আর তার ৫০ ফুট দূরত্বে আরেক প্রান্তে ওয়েস্ট বেঙ্গল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড নামে সরকারি অধীনস্থ এক বেসরকারি সংস্থার কারখানা। যে কারখানায় (Bankura) রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংস্থার বর্জ্য পদার্থ নষ্ট করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়। কিন্তু সেই কারখানায় এবার বারুদ নিষ্ক্রিয় করার ঘটনায় উঠে এল একাধিক প্রশ্ন।

    গল গল করে বের হচ্ছে আগুন ও কালো ধোঁয়া (Bankura)

    উল্লেখ্য, উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী বেআইনি বাজি ও আতশবাজি রোধে রাজ্যের বিভিন্ন থানা বাজেয়াপ্ত করেছে একাধিক অবৈধ বাজি ও আতশবাজি। আর সেই সকল বাজি ও আতশবাজি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে এই বেসরকারি সংস্থায়। কিন্তু সেই আতশবাজি নিষ্ক্রিয় করার ঘটনায় ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী রইলেন সরকারি সেই মডেল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং গ্রামের মানুষজন। গত পরশুদিন অর্থাৎ বুধবার পশ্চিম বর্ধমানের হিরাপুর থানায় বাজেয়াপ্ত করা বেশ কিছু আতশবাজি নিষ্ক্রিয় করার জন্য লরিতে করে আনা হয় এই কারখানায় (Bankura)। নিষ্ক্রিয় প্রক্রিয়া চলাকালীন ঘাটে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের তীব্র আওয়াজে গোটা স্কুল জুড়ে শুরু হয় ছাত্রছাত্রীদের হুড়োহুড়ি। ক্লাস থেকে বেরিয়ে আছে ছাত্র-ছাত্রী থেকে শিক্ষক শিক্ষিকারা। ঘটনার তদন্তে স্কুলের শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীরা ছাদের উপরে গেলে দেখতে পান, স্কুলের পাশের কারখানা থেকে গল গল করে বের হচ্ছে আগুন ও কালো ধোঁয়া। গোটা আকাশ ঢাকা পড়ে কালো ধোঁয়ায়। বিকট আওয়াজ ও ধোঁয়া দেখে আতঙ্কে পড়ে যান কারখানার অদূরে থাকা গ্রামবাসীরাও।

    কারখানা (Bankura) বন্ধ করার দাবি

    গ্রামবাসীদের দাবি, ভয়ঙ্কর শব্দে গ্রামের কাঁচা বাড়ির দেওয়াল কেঁপে ওঠে। ঘটনার আতঙ্কের ছাপ এখনও গোটা এলাকা জুড়ে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, স্কুলের অদূরে কীভাবে গড়ে উঠতে পারে এমন একটি কারখানা? ২০১৬ সালে নির্মিত হয় শালতোড়া ব্লকের পাবয়া গ্রামে সরকারি এই মডেল স্কুল। ২০২১ সালে এই মডেল স্কুলের পাশেই নির্মিত হয় এই  বেসরকারি সংস্থা। তাহলে প্রশ্ন উঠছে সরকারি স্কুলের পাশেই কারখানা নির্মাণে কিভাবে ছাড়পত্র পেল এ সংস্থা? সংশ্লিষ্ট দপ্তর কি আদৌ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দিয়েছিলেন এই ছাড়পত্র? প্রশাসন কি এতটাই অপদার্থ? তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এমনকি গ্রামের মানুষের একটাই দাবি, এই কারখানায় (Bankura) অবিলম্বে বন্ধ করা হোক বাজি ও আতশবাজি নিষ্ক্রিয় করার কাজ। যদিও শালতোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নজর দেয়নি তৃণমূল, কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজ করলেন বিজেপি বিধায়ক

    Bankura: নজর দেয়নি তৃণমূল, কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজ করলেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) শালতোড়া বিধানসভা এলাকার বিজেপি বিধায়কের গঙ্গাজলঘাঁটি ব্লকের গ্রামের রাস্তা দীর্ঘদিন বেহাল। বারবার প্রশাসনে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। অভিযোগ, ওই গ্রামে বিজেপি বিধায়ক থাকায় রাস্তা মেরামতির সামান্যতম উদ্যোগ নেয়নি তৃণমূল পরিচালিত স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত। শেষ পর্যন্ত বিধায়ক নিজে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ঝুড়ি-কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজ করলেন। বিধায়কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এলাকাবাসী।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বেহাল রাস্তা নিয়ে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল। চন্দনা বাউড়ি বিজেপির বিধায়ক। নিজের বিধায়ক উন্নয়ন তহবিলের বরাদ্দ থেকে রাস্তা মেরামতির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু, অভিযোগ, শুধুমাত্র বিরোধী দলের বিধায়ক হওয়ায় তাঁকে সেই কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বর্ষার সময় দিনের পর দিন বেহাল রাস্তার কারণে এলাকার মানুষ খুব কষ্ট করে যাতায়াতে বাধ্য হচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত নিজের হাতেই রাস্তার হাল ফেরাতে মাঠে নামলেন চন্দনা। স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ঝুড়ি-কোদাল হাতে কোমর বেঁধে রাস্তা মেরামতির কাজে নেমে পড়লেন। হাত লাগালেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরাও।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বক্তব্য, বাঁকুড়া (Bankura) জেলা প্রশাসনের সব জায়গায় বার বার জানানো সত্ত্বেও শাসকদলের চাপে প্রশাসন ইচ্ছাকৃত ভাবে রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নেয়নি।’ তাই নিজের বেতনের টাকায় পাথর, মোরাম এবং মাটি আনিয়ে রাস্তার হাল ফেরানোর চেষ্টা করেছি। আসলে বিধায়ক হওয়ার আগে স্বামী শ্রবণ বাউড়ি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। আর আমি জোগাড়ের কাজ করতাম। পাশাপাশি, পেট চালাতে ১০০ দিনের কাজও করেছি দু’জনে মিলে। তাই ঝুড়ি-কোদাল হাতে রাস্তায় মাটি ফেলতে আমাদের কোনও অসুবিধাই হয়নি। দ্বিধা-সংকোচের প্রশ্নই নেই।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিধায়কের উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে। চন্দনার অভিযোগ উড়িয়ে ‘সবটাই নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল-পরিচালিত গঙ্গাজলঘাটি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি নিমাই মাজি বলেন, বাঁকুড়া (Bankura) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পথশ্রী প্রকল্পে ওই রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। তারপরেও বিধায়ক এসব করে মানুষের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার নাটক করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: বজ্রাঘাতে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলায় মৃত্যু হল ছয় জনের, জখম ৬

    Purulia: বজ্রাঘাতে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলায় মৃত্যু হল ছয় জনের, জখম ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া (Purulia) জেলায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাঁকুড়ার ছাতনা ও শালতোড়া-২ ব্লক মিলিয়ে এক কলেজ পড়ুয়া সহ মোট তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৬ জন। আর পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর এবং পারা ব্লকে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

    বাঁকুড়ায় বাজ পড়ে কতজন মারা গিয়েছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বাঁকুড়ার ছাতনা থানা এলাকায় পৃথক ৩টি জায়গায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। জখম হয়েছেন আরও ৩ জন। শালতোড়া থানা এলাকায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। সেখানে জখম হয়েছেন, আরও ৩ জন। মৃতরা হলেন সাগেন মুর্মু (২০), মীরা বাউড়ি (৬১) এবং সুকুরমণি হাঁসদা (২৭)।  ছাতনা থানা এলাকার ঘোষেরগ্রাম পঞ্চায়েতের ছাচনপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক গ্রাম সংলগ্ন দ্বারকেশ্বর নদে দুপুরে মাছ ধরতে বাজ পড়ে কলেজ পড়ুয়া সাগেনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, ছাতনা-১ নম্বর পঞ্চায়েতের বারবাকড়া গ্রামে একই দিনে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে মীরা বাউড়ি নামে এক প্রৌঢ়ার। জানা গিয়েছে, দুপুরে বাড়ির বাইরে গরু চড়াচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় বাজ পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। পাশাপাশি, শালতোড়া থানার ছাতিমবাইদ এলাকায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে সুকুরমণি হাঁসদা নামে এক যুবতীর। জখম হয়েছেন আরও ৩ জন। জানা গিয়েছে, ধান লাগিয়ে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। সেই সময় বাজ পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

    পুরুলিয়া (Purulia)  জেলায় বাজ পড়ে মৃত্যু হয় তিনজনের

    পুরুলিয়া (Purulia) জেলার পারা ব্লকের শাকড়ায় বাজ পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম দুই যুবক সোমনাথ বৈষ্ণব (২৩) ও অঞ্জন দাস (২১)। রবিবার তাঁরা পুকুরে স্নান করতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, স্নান সেরে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। হঠাৎই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। তাঁরা একটি তেঁতুল গাছের নীচে আশ্রয় নেন। সেখানেই বাজ পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে রঘুনাথপুর থানার সেনেড়া গ্রামে বাজে পড়়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম লক্ষ্মীনারায়ণ বাউরি (৫৬)। এদিন তিনি মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলেন। ক্ষেতের কাজ করার সময়ই বাজ পড়ে। রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heritage Building: বাঁকুড়ার হেরিটেজ ভবনে তৃণমূল-সিপিএমের জোড়া দখলদারি! সক্রিয় কলকাতা হাইকোর্ট

    Heritage Building: বাঁকুড়ার হেরিটেজ ভবনে তৃণমূল-সিপিএমের জোড়া দখলদারি! সক্রিয় কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার হেরিটেজ ভবন এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল (Heritage Building) হল থেকে বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তৃণমূলের এই পুরসভা এলাকায় সিপিএমের কো-অর্ডিনেশন কমিটি এই হেরিটেজ ভবনের এক অংশ দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দোকানঘর বানিয়েছে খোদ তৃণমূল পরিচালিত পুরসভাও।

    হাইকোর্টের কী নির্দেশ (Heritage Building)?

    বুধবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই হেরিটেজ বিল্ডিংকে (Heritage Building) রক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দেশে বলা হয়, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে হেরিটেজ ভবনের এলাকা চিহ্নিত করতে হবে এবং বিল্ডিং সংলগ্ন অবৈধ নির্মাণ দ্রুত ভেঙে ফেলতে হবে। এই বিষয়ে জেলাশাসককে হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করার জন্য বলা হয়েছে।

    কীভাবে জবরদখলে হেরিটেজ বিল্ডিং (Heritage Building)?

    রানি ভিক্টোরিয়ার বড় পুত্রের নাম অ্যাঁলবার্ট এডওয়ার্ড (Heritage Building)। ১৯০১ সাল থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের শাসক ছিলেন তিনি। তাঁর স্মরণেই বাঁকুড়া সদরে তৈরি হওয়া ভবনের নামকরণ করা হয়। ১৯১১ সালে এই ভবনটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু এই হেরিটেজ ভবনের একটি ভাগ দখল করে হয়েছে স্টাফ কোয়ার্টার এবং বেশ কিছু পাকা দোকানঘর তৈরি করছে বাঁকুড়া পুরসভা। অন্যদিকে এই হেরিটেজ বিল্ডিং-এর আরেকটি অংশ দখল করেছে বাম কর্মচারী সংগঠনের স্টেট কো-অর্ডিনেশন কমিটি।

    কেন আদালতে মামলা হয়েছিল?

    হেরিটেজ বিল্ডিংয়ে (Heritage Building) বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে এলাকা দখলমুক্ত করতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বাঁকুড়ার শাস্ত্রীয় সঙ্গীত সমাজ নামে এক সংগঠন। এই অভিযোগের আগেই হাইকোর্ট জেলার ভূমি এবং ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। উল্লেখ্য এই রিপোর্টে বেআইনি দখলদারির বিষয়ে বিস্তৃত তথ্য দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে গতকাল হাইকোর্টের নির্দেশে এলাকা দখলমুক্ত করার কথা বলা হয়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: উন্নয়ন সত্যিই রাস্তায় দাঁড়িয়ে! ৩২০ জন ছাত্রীর স্কুলে স্থায়ী শিক্ষিকা মাত্র একজন!

    Bankura: উন্নয়ন সত্যিই রাস্তায় দাঁড়িয়ে! ৩২০ জন ছাত্রীর স্কুলে স্থায়ী শিক্ষিকা মাত্র একজন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) একটি স্কুলে মাত্র একজন স্থায়ী ইংরেজির শিক্ষিকা এবং একজন আছেন অতিথি শিক্ষক। স্কুলের ছাত্রী সংখ্যা অথচ ৩২০! কীভাবে চলছে স্কুল? অভিভাবকরা স্বাভাবিক কারণেই একাধিক অভিযোগে সরব হয়েছেন। প্রশাসনের বিরুদ্ধে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকার মানুষও। কারণ ছাত্রীরা বিষয় ভিত্তিক শিক্ষিকা চাইছেন দীর্ঘদিন ধরে। কেউ তাতে কর্ণপাত করছে না। অবশেষে দ্রুত শিক্ষিকা নিয়োগের দাবিতে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    কোন স্কুলে এমন ঘটনা (Bankura)?

    বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দাস ব্লকের শান্তাশ্রম জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল নিয়েই এমন চরম অব্যবস্থার অভিযোগে সরব হয়েছেন ছাত্রীদের অভিভাবক এবং প্রতিবেশীরা। স্কুলের একজন মাত্র শিক্ষিকা, যিনি নিজে ক্লাস করাচ্ছেন আবার স্কুলের অন্যান্য কাজও করছেন। পড়াশুনা এবং মিড ডে মিল সবই দেখাশোনা করতে হচ্ছে তাঁকে। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সব ছাত্রীকে পড়াশুনায় ব্যাপক অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় একদিকে যেমন ক্লাস ঠিক মতো হচ্ছে না, তেমনি আবার সময়ে পাঠ্যক্রমও শেষ করা যাচ্ছে না। আর সমানেই পরীক্ষা, তাই সবথেকে বেশি অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে স্কুলের ছাত্রীদের। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না বলে অভিযোগ।

    স্কুলের ছাত্রীদের বক্তব্য

    এই স্কুলের (Bankura) এক ছাত্রী স্নেহা পাল বলে, প্রতিদিন মাত্র একটা কি দুটো করেই ক্লাস হয়। স্কুলে শুধু বসে থেকেই সময় কাটাতে হয়। এই ছাত্রী আরও বলে, আমাদের ক্লাস না হওয়ার জন্য ঠিক করে পাঠ্যক্রম এগোচ্ছে না। আমাদের বিষয়ের উপর পর্যাপ্ত শিক্ষিকা একান্ত প্রয়োজন।

    স্কুল শিক্ষিকার বক্তব্য

    স্কুলের (Bankura) একমাত্র শিক্ষিকা শতাব্দী রায় বলেন, যখন এই স্কুলে যোগদান করি, সেই সময় স্কুলে মাত্র তিনজন শিক্ষিকা ছিলেন। পরে ২০২১ সালে বদলি নিয়ে দু’জন শহরে চলে যান। বর্তমানে আমি একমাত্র স্থায়ী শিক্ষিকা। স্কুলের এই সমস্যা নিয়ে ডিআই অফিসেও জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের ব্লক সভাপতিকে তাড়া করে বেধড়ক মার, ধর্না মঞ্চে শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: তৃণমূলের ব্লক সভাপতিকে তাড়া করে বেধড়ক মার, ধর্না মঞ্চে শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের (TMC) ধর্না কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার খাতড়া এলাকায়। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সুব্রত মহাপাত্রসহ কয়েকজনকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। হামলার ঘটনায় তিনজন জখম হয়েছেন। আর এই হামলার ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের খাদ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডির ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে। প্রকাশ্যে ব্লক সভাপতির উপর হামলার ঘটনা সামনে আসতেই সাধারণ মানুষ রীতিমতো হাসাহাসি শুরু করেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদে সারা রাজ্যের পাশাপশি খাতড়া ব্লকেও ধর্না কর্মসূচির ডাক দেয় তৃণমূল (TMC)। খাতড়ার করালী মোড়ে রীতিমত মঞ্চ বেঁধে বেলা বারোটা নাগাদ শুরু হয় ধর্না। অভিযোগ, বেলা আড়াইটার আশপাশে মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডির ঘনিষ্ঠ কিছু তৃণমূল কর্মী আচমকাই ধর্না মঞ্চে চড়াও হয়। আক্রান্ত হতে পারেন বুঝতে পেরেই মঞ্চ ছেড়ে পাশের গলি দিয়ে ছুটে পালানোর চেষ্টা করেন তৃণমূলের খাতড়া ব্লকের সভাপতি সুব্রত মহাপাত্র। অভিযোগ, সেই অবস্থায় হামলাকারীরা ব্লক সভাপতিকে তাড়া করে গলির ভিতরে ঢুকে রাস্তায় ফেলে মারধর করতে শুরু করেন। আক্রান্ত হন সুব্রত মহাপাত্র ঘনিষ্ঠ আরও দুজন। পরে, ব্লক সভাপতি সহ আহতদের উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে তৃণমূলের ধর্না মঞ্চ নিমেষেই চেহারা নেয় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ স্থল হিসাবে। রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় ধর্না মঞ্চে অংশ নেওয়া দলেরই ব্লক সভাপতি সহ তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    জখম ব্লক তৃণমূলের (TMC) সভাপতি সুব্রতবাবু বলেন, সম্প্রতি খাতড়া ব্লকের অঞ্চল সভাপতিদের নাম ঘোষণা নিয়েই মন্ত্রী ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে আমার দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। তার জেরেই আমার উপর হামলা চালানো হয়েছে। গোটা ঘটনা নিয়ে মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি বা তাঁর ঘনিষ্ঠদের কোনও বক্তব্য মেলেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: এবার বন দফতর বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটাবে শুশুনিয়া পাহাড়ে

    Bankura: এবার বন দফতর বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটাবে শুশুনিয়া পাহাড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ায় (Bankura) ব্যাগ ভর্তি রাশি রাশি বোমা। এই বোমা হল “বীজ বোমা”। এই “বীজ বোমা” ফাটাতে বন বিভাগের কর্মীরা শুশুনিয়া পাহাড়ের পথ বেয়ে উঠছেন দলবেঁধে। সেখানে বোমা ফাটাবেন তাঁরা। পাহাড়ের সেই অংশটা পাথুরে, ফলে গাছ গজায়নি। এই অংশটা পাহাড়ের ন্যাড়া অঞ্চল হিসেবেই পরিচিত। এই ন্যাড়া অঞ্চলেই বোমা ফাটিয়ে “সবুজ বিপ্লব” ঘটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছে বন দফতর।

    কীভাবে বীজ বোমা ফাটানো হবে (Bankura)?

    আসলে অনেকটা বোমের মতো দেখতে এই গোলাকার মন্ড “বীজ বোমা”। যাকে বন দফতরের কথায় “বীজ বোমা” বলা হয়। এই “বীজ বোমা” তৈরী করা হয় বীজ, গোবর সার, এবং জৈব সার দিয়ে। এই সব কিছুর মিশ্রণে গোলাকার আকৃতির বল বানানো হয়। যা হুবহু দেখতে বোমার মতোই। এই বোমা ফাটিয়ে দেওয়ার পর সুর্যের আলো, বৃষ্টির জল পেলে এই বোমা থেকেই ঘটবে বীজের অঙ্কুরোদগম। ধীরে, ধীরে চারা বড়ো হয়ে বৃক্ষে পরিণত হবে৷ ফলে শুশুনিয়া (Bankura) পাহাড়ের ন্যড়া অঞ্চল ন্যাড়ার তকমা ঘুচিয়ে সবুজের সমারোহে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। এমনই টাই মনে করছেন বন দফতরের আধিকারিকরা।

    বন দফতরের বক্তব্য

    বন দফতরের ছাতনা রেঞ্জের আধিকারিক এষা বোস জানান, শুশুনিয়া (Bankura) পাহাড়ে সবুজ ফেরাতেই বন দফতর এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। পাহাড়ের যে জায়গাতে গাছপালা নেই, সেই জায়গাটা দিন দিন ক্রমশ্য ক্ষয়িষ্ণু হয়ে যাচ্ছে। মূলত ক্ষয়রোধ করার জন্য এই বীজ বোমার ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্ষাকালকেই নির্বাচন করে নিয়েছেন বন দফতর। ফলে বীজগুলি বৃষ্টির জল পেয়ে নতুন গাছ জন্মাবে। এই “বীজ বোমা”র মাধ্যমে ওই ক্ষয়িষ্ণু অঞ্চলে আকাশমণি, বাবলা সহ তিনটি গাছের বীজ ছড়ানো হচ্ছে। এর ফলে পাহাড়ের ন্যাড়া অঞ্চল সবুজ গাছে ভরে যাবে বলে আশাবাদী বন দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭০ জনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তুলে ওন্দা (Bankura) তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে ধর্নাতে বসলেন বহুল চর্চিত তৃণমূল সমর্থক প্রতিবাদী মহিলা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক প্রতারিত চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের হাতে ছিল তৃণমূলের দলীয় পতাকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। মূল অভিযোগ হল ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে’র বিরুদ্ধে।

    মূল দাবি কী (Bankura)?

    প্রতিবাদী তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই! আশিষ দে তৃণমূলের কলঙ্ক। ওন্দা (Bankura) ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তম কুমার বিটের সহযোগিতায় প্রতারিত প্রিয়ঙ্কা গোস্বামী, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আশিষ দে’র কাছ থেকে অর্ধেক টাকা ফেরত পেলেও বাকিরা এখনও পর্যন্ত ফেরত পাননি। তাই আজ তাঁরা ওন্দা তৃণমূল ব্লক পার্টি অফিসের সামনে টাকা ফেরত পেতে ধর্নাতে বসেছেন।

    পুলিশের কাছে আগেও অভিযোগ করেছিলেন

    প্রসঙ্গত রামসাগরের (Bankura) বাসিন্দা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামীর অভিযোগ ছিল, বর্তমানে ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে করোনা কালে ‘বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণা করেন’। এ বিষয়ে তিনি পুলিশেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে গত ১২ জুলাই রামসাগরে বাজারে তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী এবং তাঁর বন্ধুদের নিয়ে পিকনিক করছিলেন। আর সেই সময় আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দোলন পরামানিক সহ অন্যান্যরা তাঁদের উপর হামলা চালান। পরে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন। ওই ঘটনার পর গত ১৫ জুলাই ওন্দা ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দলীয় কর্মী দোলন পরামানিককে ওন্দা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক আশীষ দে ও দোলন পরামানিকের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য গত ১২ এপ্রিল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওন্দায় এলে আর্থিক প্রতারণার বিষয়টি তাঁর নজরেও এনেছিলেন এই প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নিম্নমানের খাবার, প্রতিবাদে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলালেন গ্রামবাসীরা

    Bankura: নিম্নমানের খাবার, প্রতিবাদে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলালেন গ্রামবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাটি ভুঁইভোড় গ্রামে। এলাকায় গ্রামবাসীরা প্রতিবাদ করলেন এবং এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল জেলায়। অবশেষে পুলিশ এসে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করল।

    কীভাবে ঘটল (Bankura)?

    নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার তৈরি করে পরিবেশনের অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীরা। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের ১৭৮ নং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ভুঁইফোড় উপরপাড়ায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে খাবার তৈরি করা হচ্ছিল। এই এরকম খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল অনেক বাচ্চা। একাধিকবার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জানানো হলেও তার কোনও সুরাহা হয়নি। তাই আজ গ্রামের মানুষ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা দিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন। উত্তেজিত গ্রামবাসীর এই প্রতিবাদে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নিম্নমানের খাবার এবং বিক্ষোভের ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় গঙ্গাজলঘাটি (Bankura) থানার পুলিশ। পরে পুলিশের আশ্বাসে গ্রামবাসীরা তালা খুলে দেন।

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য

    প্রতিবাদে এক গ্রামবাসী (Bankura) খোকন রায় বলেন, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বাচ্চাদের পড়াশুনা হয় না বললেই চলে। শুধু মাত্র খাবর দেওয়ার সময় আসে কর্মীরা। কিন্তু যে খাবার রান্না হয় তা খুব নিম্নমানের এবং বাচ্চাদের জন্য খাবারের যা পরিমাণ তাও খুব অল্প। সবজি নেই বললেই চলে। অনেক বাচ্চা মাঝে মাঝে খাবার খেয়েই অসুস্থ হয়ে যায়। তাই আজ আমরা তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ করলাম।

    অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য

    এই ঘটনায় অভিযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী শিপ্রা চ্যাটার্জি বলেন, গ্রামবাসীদের (Bankura) করা এই যাবতীয় অভিযোগ একদম মিথ্যা। এছাড়া তিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারণে সবজি বা অন্যান্য সামগ্রী আনতে না পারার কথাও স্বীকার করে নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share