Tag: Barack obama

Barack obama

  • Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভুলত্রুটি তুলে ধরে জনসমর্থন আদায় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump)। প্রতিপক্ষের সামান্য ভুল বা বিতর্কিত মন্তব্যকেও তিনি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন বহুবার (Leon Musk)। অবশ্য সম্প্রতি উল্টে গিয়েছে পাশা! একের পর এক বক্তব্যে ট্রাম্প নিজেই একাধিক তথ্যগত বিভ্রান্তি ও মুখ ফসকে ভুল মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাঁর এই ধারাবাহিক ভুলই এখন রাজনৈতিক মহলে জন্ম দিয়েছে নয়া বিতর্কের।

    ভুল নিয়ে বিরোধীদের করতেন কটাক্ষ (Trump)

    নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ট্রাম্প জো বাইডেনের বিভিন্ন ভুলের একটি সংকলিত ভিডিও পর্যন্ত দেখিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে বাইডেন একবার ট্রাম্প ও কমলা হ্যারিসের নাম গুলিয়ে ফেললে ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, “দারুণ কাজ, জো!” আবার ওবামা একবার ভুল করে বলেছিলেন তিনি ৫৭টি অঙ্গরাজ্য সফর করেছেন। সেই সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, “আমি যদি এমন কথা বলতাম, সেটাই বছরের সবচেয়ে বড় খবর হয়ে যেত।”

    একাধিক ভুলের জন্য খবরে ট্রাম্প

    এবার সেই একই ধরনের একাধিক ভুলের জন্য আলোচনায় উঠে এসেছেন ট্রাম্প নিজেই। সম্প্রতি ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাশে বসে মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই তিনি তিনটি উল্লেখযোগ্য ভুল করেন। ইরানের প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে দেশটিকে “জাপানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র” বলে উল্লেখ করেন। এরপর ইরানের পরমাণু চুক্তির সংক্ষিপ্ত রূপও ভুল উচ্চারণ করেন। সবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্য কোনও প্রশ্ন আছে?” অথচ তাঁর পাশেই বসে ছিলেন জেলেনস্কি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালের ন্যাটো সম্মেলনে বাইডেনও জেলেনস্কি এবং পুতিনের নাম গুলিয়ে ফেলেছিলেন। সেই ঘটনায় তখন সব চেয়ে বেশি সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্পই।

    ট্রাম্পের ভুল

    এর আগেও একাধিক অনুষ্ঠানে একই ধরনের ভুল করতে দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে। জুনে সংস্কার হওয়া রাষ্ট্রপতির বিশেষ বিমান পরিদর্শনের সময় শিল্পপতি ইলন মাস্ককে ভুল করে “লিয়ন” বলে ফেলেছিলেন ট্রাম্প। যদিও কিছুক্ষণ পরেই ভুল শুধরে নেন। ন্যাটো সম্মেলনের কয়েক দিন আগে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের প্রধান কেলি লফলারকে পরিচয় করাতে গিয়ে দু’বার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিকি মিনাজের নাম উচ্চারণ করেন। একবার ভুলবশত এবং পরে আবার যেন ইচ্ছাকৃতভাবেই সেই নাম ব্যবহার করেন। মে মাসে ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানতে চান দলের প্রধান প্রশিক্ষক কার্ট সিগনেটি কোথায়। অথচ সিগনেটি তখন তাঁর একেবারে পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন (Trump)। ওই মাসে আফগানিস্তান থেকে ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং কাবুল বিমানবন্দরে ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর জন্য তিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে দায়ী করেন। যদিও ওবামা সরে গিয়েছিলেন ২০১৭ সালেই, সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছিল বাইডেনের আমলে (Leon Musk)।

    ভুল, আরও ভুল

    মে মাসেই তাইওয়ানকে ঘিরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প সেটিকে ইরান সংক্রান্ত প্রশ্ন ভেবে উত্তর দেন এবং “তাদের (হরমুজ) প্রণালী” নিয়ে মন্তব্য করেন। এপ্রিলে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “ইউক্রেন সামরিকভাবে পরাজিত।” কিন্তু পরে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট থেকে স্পষ্ট হয়, তিনি আসলে ইরানের নৌবাহিনী ও যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা নিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলেন (Trump)। ওই মাসেই নারী ইতিহাস মাস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিটকে পরিচয় করাতে গিয়ে তাঁর পরিবর্তে কেলিয়ান কনওয়ের নাম বলেছিলেন ট্রাম্প। জানুয়ারিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের দাভোস বৈঠকে ট্রাম্প বারবার গ্রিনল্যান্ডের পরিবর্তে আইসল্যান্ডের নাম উচ্চারণ করেন। অথচ গ্রিনল্যান্ড নিয়েই তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের ভূ-রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। গত নভেম্বরে মায়ামিতে এক ভাষণে ট্রাম্প শহরটিকে “দক্ষিণ আফ্রিকা” থেকে পালিয়ে আসা মানুষের আশ্রয়স্থল বলে উল্লেখ করেছিলেন। পরে অবশ্য নিজেকে শুধরে নিয়ে “দক্ষিণ আমেরিকা” বললেও, আবারও ফিরে যান “দক্ষিণ আফ্রিকা” প্রসঙ্গে।

    প্রতিপক্ষকেই অস্ত্র তুলে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

    গত বছরই দু’বার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আজারবাইজান ও আলবেনিয়ার মধ্যে সংঘাত মেটানোর কৃতিত্ব তাঁর। যদিও ওই দুই দেশের মধ্যে এমন কোনও যুদ্ধই হয়নি। বাস্তবে তিনি যে সংঘাতের কথা বলতে চেয়েছিলেন, সেটি হয়েছিল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে (Trump)। এদিকে, এই অগাস্টেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্প দু’বার প্রকাশ্যে বলেন, তিনি রাশিয়ায় যাচ্ছেন। যদিও বৈঠকটি হওয়ার কথা আলাস্কায়, যা উনিশ শতকের ছয়ের দশক থেকে আর রাশিয়ার অংশ নয় (Leon Musk)। ট্রাম্প অতীতে প্রতিপক্ষদের একই ধরনের ভুল নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেও, সাম্প্রতিক ধারাবাহিক এই বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও নাম গুলিয়ে ফেলার ঘটনাগুলি এখন নতুন নতুন অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তাঁর রাজনৈতিক সমালোচকদের হাতেই (Trump)।

     

  • Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার (Barack Obama) স্ত্রী মিশেল ওবামাকে আবার হোয়াইট হাউসে (White House) দেখতে চাইলেন জাভেদ আখতার। একেবারেই মজা করে নয়। আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির টুইটার পোস্টের নীচে মন্তব্য বাক্সে যথেষ্ট দৃঢ় ভাবেই বলিউডের গীতিকার লিখলেন, ‘‘ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চাইছে।’’ কিন্তু ঠিক কী কারণে এ কথা বললেন জাভেদ, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তাঁর মন্তব্য দেখেও তা বোঝা সম্ভব হয়নি। কিছু দিনের মধ্যে মিশেলের লেখা বই ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’(The Light We Carry) প্রকাশিত হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ছেলেকে ‘ডিভোর্স’ দিতে চাওয়ায় নৃশংসভাবে পুত্রবধূকে খুন করলেন মার্কিন প্রবাসী ভারতীয়! 

    ওই বইয়ের প্রচারে আমেরিকার কয়েকটি শহরে সফর করবেন তিনি। টুইটারে মিশেলের ওই সফর সংক্রান্ত একটি পোস্টের নীচে জাভেদ লেখেন, ‘‘মাননীয়া মিশেল ওবামা (michelle obama), আমি আপনার কোনও অল্পবয়সি পাগল ভক্ত নই। আমি ৭৭ বছরের এক জন কবি-লেখক। আমার ধারণা, প্রত্যেক ভারতীয়ই আমায় চেনেন। ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব বিবেচনা করুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চায়। এই দায়িত্ব আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন না।’

    [tw]


    [/tw]

    জাভেদ আখতারের (javed akhtar) এই ট্যুইট আসার পর থেকেই সোস্যাল মিডিয়ায় হাস্যরসাত্মক মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, জাভেদ আখতার এটা আবার কে?

    [tw]


    [/tw]

    আরেক জন লিখেছেন আপনি জ্ঞানী বলে এখন আমেরিকার প্রাক্তন ফাস্ট লেডিকেও জ্ঞান দিচ্ছেন।

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও কিন্তু মিশেল ওবামাকে ট্যাগ করে একটি পোস্ট করেছিলেন জাভেদ আখতার। সেই সময় তিনি মিশেলকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন।বরাবরই মিশেল ওবামাকে সুযোগ্য নেত্রী বলে মনে করেন জাভেদ আখতার। সে কথা নিজেই জানিয়েছেন অতীতে। বর্তমানে আমেরিকার শাসকের আসনে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরাই। জো বাইডেন (Joe Biden) এবং কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নেতৃত্বেই চলছে আমেরিকা।

    মিশেল ওবামা বরাবরই বাইডেনের উপর ভরসা রেখেছেন। ২০২০ সালে জো বাইডেন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন, তখন মিশেল ওবামা বলেন, যখনই নেতৃত্ব অথবা সান্ত্বনার আশায় আশায় আমরা হোয়াইট হাউসের দিকে তাকাই তখনই শুধু হতাশা, বিশৃঙ্খলা, ভেদাভেদ এবং সহানুভূতির অভাবই নজরে আসে। নিজের তৈরি এক অসম্ভব জগতে বাস করেন ট্রাম্প। আজ রাতে আমার কোনও একটি কথা যদি মনে রাখতে হয়, তাহলে একটাই বিষয়ে আবার বলতে চাইব।

    আপনাদের যদি মনে হয়, বর্তমান পরিস্থিতির থেকে আর খারাপ হওয়ার কিছু নেই, তাহলে বিশ্বাস করুন আরও খারাপ দিন দেখতে হতে পারে যদি না এবারের নির্বাচনে কোনও ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি। এই বিশৃঙ্খলা শেষ করার যদি কোনও উপায় এখনও থেকে থাকে, তাঁর নাম জো বাইডেন। বাইডেনকে ভোট দিন… এর উপরে আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৫ নভেম্বর মিশেলের ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’ বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তার আগে ওয়াশিংটন ডিসি, আটলান্টা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেসে সফর করবেন মিশেল। ওই সফরে আমেরিকার (America) প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির সঙ্গী হতে চলেছেন গেইল কিং, এলিজাবেথ আলেকজান্ডার, কোনান ও ব্রায়েনের মতো তারকারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
     
  • Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া ১৩টি সম্মানের মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ, দাবি নির্মলার

    Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া ১৩টি সম্মানের মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ, দাবি নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) যে ১৩টি বিশেষ নাগরিক সম্মান পেয়েছেন, তার মধ্য়ে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ। রবিবার, এক সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করলেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর মতে, শুধুমাত্র দেশের শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে ভারতে মুসলিমদের পরিস্থিতি নিয়ে অপপ্রচারের চালানো হচ্ছে, পরিকল্পিত প্রচারের অঙ্গ হিসেবে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিয়ে।

    বারাক ওবামার মন্তব্য নিয়ে নির্মলা

    ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে ওবামার (Barak Obama) দুশ্চিন্তা সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন বিষয় বলে দাবি করেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, ‘‘এটা পরিকল্পিত প্রচারের অঙ্গ। বিশেষ করে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় রয়েছেন, সে সময়ে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশের ঘটনা স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো।’’ নির্মলার কথায়, ‘‘যে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ভারত সম্পর্কে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁর শাসনকালে ছ’টি মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ২৬ হাজার বোমা বর্ষণ করেছিল আমেরিকা (America)। এই ধরনের লোকেদের অভিযোগকে কী ভাবে বিশ্বাস করবে আমজনতা?’’

    আরও পড়ুন: ভোগের পদ আড়াইশো! ইসকনে মাসির বাড়িতে পরম আদরে প্রভু জগন্নাথ

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) আমেরিকান ‘স্টেট ভিজিট’ (PM Modi US Visist) চলা অবস্থাতেই গত বৃহস্পতিবার তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘ভারত যদি মুসলিম-সহ তার সংখ্যালঘু নাগরিকদের রক্ষা করতে না পারে, তা হলে সে দেশের টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ ভারতের এথনিক মাইনরিটিদের নিয়ে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এই মন্তব্য মেনে নিতে পারছেন না বহু ভারতীয়ই।

    মুসলিম দেশে মোদির জনপ্রিয়তা

    নির্মলা (Nirmala Sitharaman) দাবি করেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) হিসাবে মোদিকে যে ১৩টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৬টি দিয়েছে মুসলিম প্রধান দেশ। কোনও তথ্য ছাড়াই শুধু অপপ্রচারের জন্য নানা কথা বলা হচ্ছে। আসলে ভোটের মাধ্যমে মোদি ও বিজেপিকে হারাতে পারছে না কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। সে কারণে এখনও এ সব ভিত্তিহীন প্রচার করছে। গত কয়েকটি ভোটে কংগ্রেস এই ভূমিকা নিয়েছিল। বিজেপি সরকার সবকা সাথ, সবকা বিকাশের কথা বলে। কোনও সম্প্রদায়কে নিয়ে আলাদা করে কোনও বৈষম্য করে না।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barack Obama: ভরা প্রচার সভায় হেনস্থা ওবামাকে, কেন জানেন?

    Barack Obama: ভরা প্রচার সভায় হেনস্থা ওবামাকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অদূরেই মধ্যবর্তী নির্বাচন। শনিবার মিচিগানে দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচার করছিলেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা (Barack Obama)। তিনি প্রচার করছিলেন ডেমোক্রেটিক গভর্নর গ্রেটছেন হুইটমারের হয়ে। ওবামা যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ছিলেন, তখনও হুইটমার ডেমক্রেটিক পার্টিতে ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন। এহেন জনপ্রিয় দলীয় এক প্রার্থীর হয়েই ভোট চাইতে বেরিয়েছিলেন ওবামা। সেখানে তোলেন মার্কিন হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির (Nancy Pelosis) স্বামীর ওপর হামলার প্রসঙ্গ। অভিযোগ, ওই সময় আচমকাই হেনস্থা করা হয় প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ( Former US President)।

    জানা গিয়েছে, যিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে (Barack Obama) হেনস্থা করেছিলেন বলে অভিযোগ, তিনি একজন পুরুষ। বক্তৃতার মাঝে ন্যান্সির প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। পরে একবার থামেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওই সময় আচমকাই চিৎকার করতে থাকেন ওই ব্যক্তি। অভিযোগ, হেনস্থাও করা হয় ওবামাকে। তবে ওই ব্যক্তি ঠিক কী বলছিলেন, তা অবশ্য বোঝা যায়নি। ওবামা বলেন, আমি ঠিক এটাই বলছিলাম। যিনি তাঁকে হেনস্থা করেছিলেন, তাঁর উদ্দেশে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা একটি পদ্ধতি পেয়েছি, যেটা আমরা আমাদের গণতন্ত্রে প্রতিষ্ঠাও করেছি। ঠিক এখনই, আমি বলছি, পরে কোনও এক সময় আপনার বলার সুযোগ আসবে। কোনও কাজের জায়গায় আপনি এভাবে কাউকে হেনস্থা করতে পারেন না।

    ছ বছর আগে হোয়াইট হাউস ছেড়েছিলেন ওবামা (Barack Obama)। এতদিন পরেও তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েনি এতটুকুও। তার প্রমাণ এদিনের সমাবেশ। এদিন ওবামাকে এক ঝলক দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়েছিল। কেবল আম জনতা নয়, ডেমোক্রেটদের মধ্যেও ওবামা ভীষণ জনপ্রিয়। এদিন তিনি প্রচার সমাবেশে হাজির হতেই উদ্বেল হয়ে পড়ে জনতা। এই তুঙ্গ জনপ্রিয়তার কারণেই ওবামার (Barack Obama) ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভোট প্রচারের। কেবল মিচিগান নয়, আরও চারটি রাজ্যে দলের তরফে নির্বাচন পরিচালনা করবেন তিনিই। জানা গিয়েছে, মিচিগানের সভা সেরে ওবামা (Barack Obama) প্রচারে যোগ দেবেন জর্জিয়ায়। মঙ্গলবার যাবেন নাভেদার পার্পেল স্টেটে। নভেম্বরের পাঁচ তারিখে তিনি যাবেন পেনসিলভানিয়ায়।

     

     

LinkedIn
Share