Tag: Baranagar

Baranagar

  • Baranagar: তৃণমূল সাংসদের সামনে বেহাল রাস্তা নিয়ে ক্ষোভ জানালেন অনুদান পাওয়া একাধিক পুজো কমিটি

    Baranagar: তৃণমূল সাংসদের সামনে বেহাল রাস্তা নিয়ে ক্ষোভ জানালেন অনুদান পাওয়া একাধিক পুজো কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটি কোটি টাকা খরচ করে পথশ্রী প্রকল্পে  রাস্তা সংস্কার করার কথা বলা হলেও বাস্তবে কিছুই হয়নি। এমনকী রাজ্যে পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে। কিন্তু, রাস্তা সংস্কার করার বিষয়ে সরকারের কোনও হেলদোল নেই। এমনই অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। এবার সরকারি অনুদান পাওয়া পুজোকমিটিগুলিও বেহাল রাস্তা নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। শুক্রবার বরানগরের (Baranagar) পুজো উদ্যোক্তারা পুরসভার কর্মকর্তাদের সামনে বেহাল রাস্তা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। পুজোর আগে বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবি জানালেন তাঁরা। বরানগর ছাড়়াও বারাকপুর মহকুমার পানিহাটি সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রোড, আগরপাড়া, নীলগঞ্জ রোড, বেলঘরিয়া ব্রিজের ঠিক নীচে বেশ কিছুটা জায়গা খানাখন্দে ভরা। ডানলপ মোড়ে বিটি রোড দিয়ে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। পুজোর আগে এই সব রাস্তা সংস্কার না করা হলে দর্শনার্থীরা চরম নাকাল হবেন।

    পুজো কমিটিগুলিকে কী নির্দেশ দিল পুরসভা? (Baranagar)

    শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরসভার উদ্যোগে বরানগরে (Baranagar) পুজো নিয়ে বৈঠক ছিল। বৈঠকে বরানগর পুরসভার ছোট, বড়, মাঝারি সমস্ত পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের ডাকা হয়েছিল। পুরসভার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাংসদ সৌগত রায়, বিধায়ক তাপস রায়, পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা ছিলেন। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দিলীপ নারায়ন বসু বলেন, বেশিরভাগ পুজো কমিটিকেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান  দেওয়া হচ্ছে। তাই প্রত্যেককে মণ্ডপের সামনে ডেঙ্গি নিয়ে সচেতনতা, প্লাস্টিক বর্জন সহ একাধিক ইস্যুতে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া ফেস্টুন টাঙাতে হবে। অন্যথা আগামী বছর তাদের সরকারি অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশয় তৈরি হবে। নির্দেশ না মিললে আগামী বছর যে অনুদান মিলবে না বলে হুঁশিয়ারি দিলেন পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান।

    পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা কী বললেন?

    পুজো কমিটি বৈঠকে বিধি নিষেধ নিয়ে আলোচনা হয়। পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও তাদের মতামত নেওয়া হয়। পুজো কমিটির সদস্যরা বলেন, বরানগর (Baranagar) পুরসভা এলাকায় গোপাল লাল দাস ঠাকুর রোড, একে মুখার্জী রোড, টবিন রোড সহ পুরসভার একাধিক রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। পুজোর আগে এই রাস্তা মেরামতি না করা হলে দর্শনার্থীদের প্রতিমা দর্শন করতেই চরম নাকাল হতে হবে। তাই, পুজোর আগেই যাতে বেহাল রাস্তা সংস্কার করা হয় তার দাবি করেন পুজো উদ্যোক্তারা। পুজো কমিটি সদস্যদের আরও বক্তব্য, আমাদের রাজ্য সরকার অনুদান দিচ্ছে, খুব ভাল উদ্যোগ। কিন্তু,সরকারের রাস্তার দিকেও নজর দেওয়ার দরকার। না হলে পুজোর সময় সকলকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

    রাস্তা সমস্যা শুনে কী করলেন সাংসদ?

    পুরসভা এলাকায় বেহাল  রাস্তার সমস্যার বিষয়টি জানতে পারার পরই তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় মঞ্চ থেকেই মন্ত্রী পুলক রায়কে ফোন করেন। বেহাল রাস্তা সংস্কার করার জন্য তাঁর কাছে তিনি অনুরোধ জানান। কবে, সেই রাস্তা হয় তারদিকে তাকিয়ে রয়েছেন পুরবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বরানগর পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে তলব সিবিআইয়ের

    CBI: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বরানগর পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বরানগর পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে তলব করল সিবিআই। ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের (CBI) পক্ষ থেকে এই পুরসভায় নোটিস ধরানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই এই পুরসভায় নোটিস পাঠানোয় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে বারাকপুর মহকুমার বরানগর ছাড়াও ৬টি পুরসভাকে সিবিআই নোটিস পাঠিয়েছিল। এমনকী কামারহাটি পুরসভার ৩৩জন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতির মূল পান্ডা অয়ন শীলের বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তী কামারহাটি পুরসভায় চাকরি করেন। অয়ন শীলের সংস্থার প্যানেলে তাঁর চাকরি হয়েছিল বলে সূত্রে খবর। এর আগে তাকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে এই পুরসভায় কী দুর্নীতি হয়েছে তা তদন্ত করছে সিবিআই। বরানগর পুরসভায় নতুন করে সিবিআই নোটিস দেওয়ায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    নোটিসে কী বলেছে সিবিআই? (CBI)

    বরানগর পুরসভায় ২০১৭ এবং ২০১৯ সালে দুদফায় অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছিল। মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলার বেশ কয়েকজনের নাম নিয়োগের তালিকায় ছিল। এর আগে সিবিআই (CBI) সরাসরি পুরসভার কাছে কাদের নিয়োগ করা হয়েছিল তার তালিকা চেয়েছিল। বরানগর পুরসভার পক্ষ থেকেও সেই তথ্য সিবিআইকে জমা দিয়েছিল। জানা গিয়েছে, এই পুরসভায় অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বীরভূমের এক তৃণমূল নেতার ছেলের চাকরি হয়। অয়ন শীলের সংস্থার হাত ধরেই তাঁর নিয়োগ হয়েছিল। তবে, এদিন সিবিআই যে নোটিস পাঠিয়েছে তাতে  মালদা, মুর্শিদাবাদের ৩২ জন কর্মীর নাম রয়েছে। পুরসভার পাশাপাশি ওই কর্মীদেরকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। নোটিসে বলা হয়েছে, ২১ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কর্মীদের হাজিরা দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবে সিবিআইয়ের নোটিস পেয়ে কর্মীদের রাতের ঘুম উধাও হয়ে গিয়েছে। পুরসভার কর্মকর্তারা কেউ এই নোটিস নিয়ে মুখ খুলতে চাননি।

    সিবিআই (CBI) নোটিস নিয়ে বিরোধীদের কী বক্তব্য?

    পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৎপর হয়েছে সিবিআই (CBI)। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া অয়ন শীলের থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পুরসভাগুলিতেও নিয়োগে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তোলে ইডি, সিবিআই। তার ভিত্তিতেই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ ছিল, পুর-দুর্নীতিরও তদন্ত হওয়া উচিত এবং তা করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত ২১ এপ্রিল পুরসভায় দুর্নীতির তদন্তভারও সিবিআইকে দেওয়ার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই তদন্ত করছে ইডিও। বিরোধীদের বক্তব্য, বরানগর পুরসভায় বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূলের নেতাদের আত্মীয়রা অয়ন শীলের সংস্থার হাত ধরে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। পাশাপাশি মোটা টাকার খেলা হয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, সিবিআই তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tapas Roy: ‘‘আমরা ধাপে ধাপে উঠেছি, এখন সব তিড়িং বিড়িং করে লাফিয়ে নেতা হয়ে যাচ্ছে’’! বিস্ফোরক তাপস

    Tapas Roy: ‘‘আমরা ধাপে ধাপে উঠেছি, এখন সব তিড়িং বিড়িং করে লাফিয়ে নেতা হয়ে যাচ্ছে’’! বিস্ফোরক তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দলের ছাত্র সংগঠন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূলের ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় (Tapas Roy)। তবে, এর আগেও একাধিক ইস্যুতে তিনি সরব হয়েছেন। মন্ত্রিসভায় রদবদলের সময় তাঁর মতো পোড় খাওয়া নেতা ঠাঁই না পাওয়ায় তিনি প্রকাশ্যেই রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেওয়ার কথা বলেছিলেন। যদিও পরে জেলা সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে দল তাঁর ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করেছিল। কয়েকদিন আগেই বরানগরে একটি দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশে সমালোচনা করেছিলেন। মূলত, পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করলে এত প্রাণহানির ঘটনা ঘটত না বলে তিনি মন্তব্য করেছিলেন। এবার তৃণমূল ছাত্র সংগঠন নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন তিনি।

    দলীয় ছাত্র সংগঠন নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক? (Tapas Roy)

    বরানগরে একটি রক্তদান কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় (Tapas Roy) বলেন, আমরা ধাপে ধাপে উঠেছি। আর এখন সব তিড়িং বিড়িং করে লাফিয়ে জেলা, রাজ্যের নেতা হয়ে যাচ্ছে। এতে তাদেরও ক্ষতি, দলের ক্ষতি সবার ক্ষতি। শুধুমাত্র ২৮শে অগাস্ট জেগে উঠবেন আর ২৯ শে অগাস্ট থেকে ঘুমিয়ে পড়বেন এটা করবেন না। ৩৬৫দিন দিনরাত কাজ করতে হবে। ছাত্র পরিষদকে সকলে বলে রিক্রুটিং সেন্টার। শুধু রিক্রুটিং সেন্টার না ট্রেনিং সেন্টারও। এখান থেকে যদি ট্রেনআপ না হওয়া যায় তাহলে আগামী দিনে দেখবেন গোত্তা খাচ্ছেন আর ভালো কিছু করার থাকলেও করতে পারছেন না। মূলত, অনেকেই এখন দলে এসে অল্প সময়ের মধ্যে বড় বড় দায়িত্ব পেয়ে যাচ্ছেন, যা তাঁর মতো পোড় খাওয়া নেতার পছন্দ নয়। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে তাঁর মনোভাব পৌঁছে দিতে তিনি প্রকাশ্য সভায় এই ধরনের মন্তব্য করছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, আসলে তৃণমূলের নেতা তৈরির অর্থ টাকা কীভাবে রোজগার করতে হবে তা শেখানো। যত নেতা তৈরি হবে তত টাকা উঠবে। এই সব নেতাদের মাধ্যমে সমাজের কোনও কাজে আসবে না। তৃণমূল বিধায়কের (Tapas Roy) ওই সমালোচনায় কোনও কাজ হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বরানগরে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Barrackpore: বরানগরে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমার বরানগরের কুটিঘাট এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম শ্যামল দাস। তিনি কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন হামলা?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্যামলবাবু পেশায় গাড়ির চালক। শনিবার নিজের কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে পাড়াতেই বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলেন। সে সময়ই বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী তাকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে। তিনি প্রতিবাদ করতেই শ্যামলবাবুকে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের কাউন্সিলারের স্বামী ও তাঁর দলবল এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় রাতেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বরানগর রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কামারহাটি কলেজ সাগর দত্ত হাসপাতালে ভক্তি করা হয়। সেখানেই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপি কলকাতা উত্তর শহরতলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরিজিৎ বক্সি। তারপরেই ওই বিজেপি কর্মীর অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনায় বারাকপুর (Barrackpore) সাংগঠনিক জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জখম বিজেপি কর্মীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, ঘটনার তদন্তের আবেদন জানিয়ে বরানগর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের থানা চত্বরেই ঢুকতে দেয়নি পুলিশ কর্মীরা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কলকাতা উত্তর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অরিজিৎ বক্সি বলেন, শ্যামল দাস দীর্ঘদিন এলাকার অসামাজিক কাজকর্মের বাধা দিয়ে এসেছে। সে কারণে তার উপর এর আগেও তাঁকে হামলা চালানো হয়েছিল। আবারও হামলা হল। অসামাজিক কাজের পিছনে সক্রিয় মদত রয়েছে পুলিশের।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কাউন্সিলার নিবেদিতা বসাক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার যুব সমাজকে বিনে পয়সায় বিভিন্নরকম নেশায় আসক্ত করার কাজ করছিলেন এই বিজেপি কর্মী। শনিবার রাতে এমনই ঘটনার খবর পান স্থানীয় কিছু যুবক। তারই প্রতিবাদ করতে গেলে প্রতিবাদকারীদের উপর চড়াও হন শ্যামল দাস। এমনকী এক প্রতিবাদকারীর উপর তিনি হামলা চালান। তবে, ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: না জানিয়ে হানা দিলে সিবিআই, ইডিকে রাস্তায় আটকে রাখা হবে, হুমকি মদনের

    Madan Mitra: না জানিয়ে হানা দিলে সিবিআই, ইডিকে রাস্তায় আটকে রাখা হবে, হুমকি মদনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েকের মধ্যে এ রাজ্যে কি কোনও বড়মাপের চমকপ্রদ ঘটনা ঘটতে চলেছে? সম্প্রতি দিল্লি থেকে আগত পদস্থ সরকারি কর্তাদের কলকাতায় আনাগোনা দেখে তেমনটাই মনে করছে রাজনৈতিকমহল। তাহলে কি এ রাজ্যে দুর্নীতির মাথার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে? এসব নিয়ে যখন রাজ্যজুড়ে চর্চা চলছে তখন ইডি, সিবিআইকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বুধবার রাজ্যজুড়ে একাধিক পুরসভায় সিবিআই হানা দেয়, আর সেদিনই বরানগরে দলীয় সভায় যোগ দিয়ে মদনের সিবিআই, ইডিকে কড়া বার্তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন কামারহাটির বিধায়ক (Madan Mitra)?

    পিজি হাসপাতালের ঘটনার পর মদনকে সেভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছিল না। এমনকী কয়েকদিন আগেই ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা অফিসের বৈঠকে অধিকাংশ বিধায়ক, মন্ত্রী হাজির থাকলেও মদন (Madan Mitra) গরহাজির ছিলেন। যা নিয়ে দলের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। কারণ, পিজি হাসপাতালের ঘটনার পর তিনি সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তাঁদের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। যা নিয়ে দলের অন্দরে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। দলের সঙ্গে মদনের দূরত্ব বাড়়ছে বলেও গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। যদিও সে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বরানগরে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন মদন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইডি, সিবিআইকে নিশানা করেন তিনি। তিনি বলেন, “কোথায় যাচ্ছেন, তৃণমূলকে আগে থেকে না জানালে রাস্তায় আটকে যেতে পারেন। এমন সভা হবে ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স পাবে না ইডি, সিবিআই। তাপসকে (বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়) বলব সিজিও কমপ্লেক্স, ইডি অফিসে একটি চিঠি দিয়ে দিতে। অভিষেকের বাড়িতে একটি অফিস রয়েছে।” সিবিআই, ইডি আধিকারিকদের উদ্দেশে বলেন,” কোথায় যাচ্ছেন তা চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেবেন। নাহলে এমন সভা করব যে যাওয়ার রাস্তা পাবেন না। কাকে ভয় দেখাচ্ছেন? আমাকে ২৩ মাস আটকে রেখেছিলেন। আমার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনলেন, বাহুবলী, প্রভাবশালী, ক্ষমতাশালী। এসব উপমা তো হনুমানকে দেওয়া হয়। এরপর অভিষেকের নবজোয়ারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, নবজোয়ার কার্যত জনজোয়ারে পরিণত হয়ে গিয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: “যোগ্যতায় আমার ধারে কাছে নেই, তাঁরাও সব মন্ত্রী হয়েছেন”, মদনের পর বিস্ফোরক তাপস রায়

    TMC: “যোগ্যতায় আমার ধারে কাছে নেই, তাঁরাও সব মন্ত্রী হয়েছেন”, মদনের পর বিস্ফোরক তাপস রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদন মিত্রের পর এবার বেসুরো হলেন বরানগরের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তাপস রায়। মন্ত্রী, সাংসদ, চেয়ারম্যান যারা হয়েছেন তাদের অনেকের যোগ্যতা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুললেন। একদা মমতা ঘনিষ্ঠ বর্ষীয়ান এই তৃণমূল (TMC) নেতার এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন। যার এক ফোনেই পিজিতে রোগী ভর্তি হওয়া শুধু নয়, ভিভিআইপি ট্রিটমেন্ট হত তাঁর। সেই মদন নিজে খোদ পিজিতে সশরীরে হাজির হয়ে রোগী ভর্তি করতে পারেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর যতটা না বেশি ক্ষোভ, তার থেকে অনেক বেশি ক্ষোভ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি তাঁর সেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই তাপসবাবুর এই বেসুরো মন্তব্য তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।

    ঠিক কী বলেছেন বরানগরের বিধায়ক?

    বরানগরে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তাপস রায় বলেন, “যে নতুন প্রজন্ম উঠে এসেছেন, তাঁরা লোকসভা, রাজ্যসভার সাংসদ হচ্ছেন, মন্ত্রী, বিধায়ক, মেয়র, চেয়ারম্যান হয়েছেন, এঁদের সকলের যে যোগ্যতা আছে তা মনি করি না। দল সমস্ত দিকে নজর রাখছে, সকলে জায়গা পাবে না। আমারও মন্ত্রীসভায় জায়গা হয়নি। যোগ্যতায় আমার ধারেকাছে নেই, তাঁরাও সব মন্ত্রী হয়েছেন”। এমনিতেই তাপসবাবু মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই তাপসবাবুর এই বেসুরো মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কয়েক মাস আগে রাজ্য মন্ত্রীসভায় রদবদল হয়। সেখানে তাপস রায়ের ঠাঁই পাওয়া নিয়ে জল্পনা ছিল। কিন্তু, দল তার উপর আস্থা না রেখে বারাকপুর মহকুমার অন্য এক বিধায়কের উপর আস্থা রেখেছিল। শুধু বারাকপুর বলে নয় রদবদলে রাজ্যের একাধিক তরুণ বিধায়ক মন্ত্রী হয়েছিলেন। তারমধ্যে হুগলির এক বিধায়কও রয়েছেন। যারা মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন সকলেই অভিষেক ঘনিষ্ঠ। স্বাভাবিকভাবে অভিষেকের নির্দেশে নতুন মন্ত্রীসভায় নতুনরা ঠাঁই পেয়েছিলেন। কিন্তু, অভিষেক যাদের বিধায়ক থেকে মন্ত্রী করেছেন তাঁদের অনেকেই যে যোগ্য নন তা তাপসবাবুর মন্তব্যে স্পষ্ট। কার্যত তাপসবাবু তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে অভিষেকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CPM: দিনের বেলায় সিপিএমের কার্যালয়ে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    CPM: দিনের বেলায় সিপিএমের কার্যালয়ে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দুপুরে সিপিএমের (CPM) দলীয় কার্যালয়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। আগুন নেভানোর চেষ্টা হয়। পরে, দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিন দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বরানগরের বনরিণি এলাকায়। ইতিমধ্যেই দলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বনরিণি পার্টি অফিসে সিপিএম (CPM) কর্মীরা লেনিনের জন্মদিন পালন করেন। সেখানে একাধিক কর্মী, সমর্থক হাজির ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই কার্যালয়ে স্থানীয় লোকজন আগুন দেখতে পান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ওই পার্টি অফিসে জানলা খোলা ছিল। দরজা বাইরে থেকে লাগানো ছিল। আচমকাই পার্টি (CPM) অফিসের ভিতর থেকে আগুন দেখে আমরা ছুটে যাই। সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভানোর উদ্যোগ নিই। দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কী বললেন সিপিএম (CPM) নেতৃত্ব?

     সিপিএম (CPM) নেতা স্বপন মজুমদার বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। কয়েকদিন আগে আমাকে দেওয়াল লিখতে তারা বাধা দেয়। আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। আর দলীয় কার্যালয়ে যে বা যারা আগুন লাগিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর তথা পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নই। আসলে ওই পার্টি অফিসটির কিছু অংশ ভাঙা রয়েছে। দিনের বেলায় কী করে আগুন লাগল তা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলেন, ১২ বছর ধরে আমি বিধায়ক রয়েছি। এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আর ওই এলাকায় এদিন দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনেছি। তবে, দলের বা সিপিএমের কেউ কিছু জানাইনি। তবে, কোনও কিছু হলে সিপিএম (CPM) সবার পিছনে তৃণমূল রয়েছে অভিযোগ করে। এক্ষেত্রেও সেই অভিযোগ করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Municipality: অয়ন শীলের হাত ধরে আরও একটি পুরসভায় ২২০ জন নিয়োগ! জানেন কোন পুরসভা?

    Municipality: অয়ন শীলের হাত ধরে আরও একটি পুরসভায় ২২০ জন নিয়োগ! জানেন কোন পুরসভা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বরানগর, কামারহাটি, হালিশহর পুরসভার পর এবার টিটাগড় পুরসভা (Municipality)। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমেই এই পুরসভায় বিভিন্ন পদে বহু কর্মী নিয়োগ হয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতিতে অয়ন শীল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই এই পুরসভায় (Municipality) নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও বরানগর, কামারহাটি, হালিশহর পুরসভার নাম সামনে এলেও এতদিন টিটাগড় পুরসভার (Municipality) নাম তালিকায় ছিল না। চয়নিকা আ়ঢ্য নামে এক চাকরি প্রার্থী পাশ করেও অয়ন শীলকে তার দাবি মতো টাকা দিতে না পারার জন্য টিটাগড় পুরসভায় চাকরি পাননি। এমনই দাবি করেছেন ওই চাকরি প্রার্থী। আর এই বিষয়টি সামনে আসতেই এই পুরসভা (Municipality) নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপোষণ হয়েছে বলে কোনও অভিযোগ ওঠেনি। তবে, অয়নের সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় স্বচ্ছতা কতটা হয়েছে তা অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    অয়নের সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ নিয়ে কী বললেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান? Municipality

    টিটাগড় পুরসভায় তত্কালীন চেয়ারম্যান ছিলেন প্রশান্ত চৌধুরী। ২০১৯ সালে এই পুরসভায় কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পুরসভার (Municipality) বিভিন্ন পদে ২২১ জন কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। প্রায় কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছিলেন। অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ পুর কর্মচারী ইউনিয়নের এক রাজ্য নেতা এই পুরসভায় আসতেন। তবে, তার কোনও অনুগামীর এই পুরসভায় চাকরি হয়েছে কি না তা জানা যায়নি। প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী বলেন, টেন্ডারে ওই সংস্থার রেট সব থেকে কম ছিল। তাই, আমরা ওই সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায়  কোনও দুর্নীতি হয়নি। কারণ, যাদের নিয়োগ করা হয়েছে যোগ্যতার মাপকাঠিতে নেওয়া হয়েছে। কোনও সুপারিশ মেনে কাউকে নিয়োগ করা হয়নি। এমনকী আমার পরিবারে কেউ চাকরি পাননি। ফলে,  আমি স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ করেছিলাম। কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়নি। ২২১ জনের নেওয়ার কথা বলা হলেও চুঁচুড়ার ওই চাকরি প্রার্থী কাজে যোগ দেননি। কারণ, সবাইকে নেওয়া হয়েছে, তিনি আসলে তাঁর চাকরিও হত। তাই, ওই প্যানেলে ২২০ জনের চাকরি হয়েছে। আসলে নির্দিষ্ট সময়ে ওই চাকরি প্রার্থী আসেনি বলেই তার চাকরি হয়নি।

    টিটাগড় পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান কমলেশ সাউ বলেন, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে এই পুরসভায় (Municipality) বহু কর্মী নিয়োগ হয়েছে শুনলাম। তবে, সেটা আগের বোর্ডে হয়েছে। ফলে, আমার কিছু জানা নেই। যদি কোনও অনিয়ম বা স্বজনপোষণ হয়ে থাকে তা আগের চেয়ারম্যান বলতে পারবেন। আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: নজরে নিয়োগ দুর্নীতির জাল! বরানগরে প্রয়াত শিক্ষকের বাড়িতে ইডি

    ED: নজরে নিয়োগ দুর্নীতির জাল! বরানগরে প্রয়াত শিক্ষকের বাড়িতে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে রয়েছেন। তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য এখনও জেলে। দুর্নীতির শিখড়ে পৌঁছাতেই ইডি সব জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের তৎপরতা দেখা গেল ইডির। বরানগরে বাসিন্দা শুভ্রাংশু মৈত্র নামে প্রয়াত এক শিক্ষকের ফ্ল্যাটে ইডি (ED) আধিকারিকরা অভিযান চালান। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের তল্লাশি অভিযান চলে। ওই শিক্ষক বছর খানেক আগেই প্রয়াত হয়েছেন। তিনি উত্তরবঙ্গের বালুরঘাটে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

    প্রয়াত শিক্ষকের বাড়িতে কেন ইডি? (ED)

    ইডির (ED) আধিকারিকরা তদন্তে নেমে জানতে পারেন, প্রয়াত ওই শিক্ষকের স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ১৫ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। একজন শিক্ষকের স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে এত টাকা কী করে এল তা জানতেই ইডির অফিসাররা হানা দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। জানা যাচ্ছে, প্রয়াত শিক্ষকের স্ত্রী অতীতে একটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। ভুয়ো পরিচয়পত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন নথি তৈরি করে বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্র মারফত এমনই জানা যাচ্ছে। ইডি সূত্রের দাবি, কীভাবে ওই বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেন হল, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান কেন্দ্রীয় এজেন্সির অফিসাররা। সেক্ষেত্রে, এই টাকার সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছেন ইডির গোয়েন্দারা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠে এসেছে। সেক্ষেত্রে ঘুরপথে একাধিক ব্যক্তি লাভবান হয়েছেন বলে সন্দেহ তদন্তকারী অফিসারদের। উত্তরবঙ্গেও নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির টাকা বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছে। তারমধ্যে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ রয়েছেন অনেকে। প্রয়াত ওই শিক্ষকের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের পিছনে কারা রয়েছে তা জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: বরানগরে কর্মী নিয়োগে তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠদের নিয়োগ, মোটা টাকার খেলা! আর কী পেল ইডি?

    ED: বরানগরে কর্মী নিয়োগে তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠদের নিয়োগ, মোটা টাকার খেলা! আর কী পেল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরানগর পুরসভায় কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। একইসঙ্গে স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে। পুর-নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অয়ন শীলকে গ্রেফতার করার পর তার কাছে পাওয়া তথ্য থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে এই পুরসভায় কর্মী নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED)। আর এই সব কর্মী নিয়োগে মোটা টাকার খেলা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা মনে করছেন।

    পুরসভায় কর্মী নিয়োগ প্যানেলে কারা ছিলেন? (ED)

    পুর-নিয়োগ প্যানেলে কারা ছিলেন তা ইডি আধিকারিকদের স্ক্যানারে রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে এই পুরসভায় অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে, রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে ছিলেন চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক, তত্কালীন ভাইস চেয়ারম্যান জয়ন্ত রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার সুদীপ ভট্টাচার্য, কাউন্সিলার বিশ্বজিত্ বর্ধন এবং অনিন্দ্য রাউত। পুরসভার কর্মী পদে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারমধ্যে ১৭০ জনকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু, নিয়োগ হওয়ার পর যে তালিকা সামনে আসে তাতে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়়। রিক্রুটমেন্টের দায়িত্বে থাকা পদাধিকারীদের পরিবারের লোকজনের নাম সামনে আসে। এক সিআইসি সদস্যের পরিবারের লোকজনের নাম তালিকায় রয়েছে। এছাড়া একাধিক কাউন্সিলারদের ঘনিষ্ঠরা চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। শাসক দলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতা আশিস দে-র ওই নিয়োগে বড় ভূমিকা রয়েছে। এমনিতেই এই নেতার বাড়ি বীরভূম। গরু পাচার কাণ্ডের ধৃত অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তিনি। তাঁর ছেলের চাকরিও বরানগর পুরসভায় হয়েছে। ওই নেতার হাত ধরে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক ছেলে এই পুরসভায় নিয়োগপত্র পেয়েছেন। স্রেফ শাসক দলের বদান্যতায় তাঁদের চাকরি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এমনকী বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার যাদের নিয়োগ করা হয়েছে, তারা নিয়মিত পুরসভায় পর্যন্ত আসে না বলে অভিযোগ। কিন্তু, তাদের নিয়মিত প্রতিমাসে বেতন হয়ে যায়। এরকম ২৫-৩০ জন কর্মী রয়েছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। বোর্ড মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

    চেয়ারপার্সনের কী বক্তব্য?

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে  পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, নিয়ম মেনে পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তবে, কাউন্সিলর বা রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে তাঁর ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিতে পারবে না এমন কোনও নিয়ম নেই। পরীক্ষা দিতেই সকলেই চাকরি পেয়েছেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হয়েছে। আর কেউ পুরসভায় নিয়মিত না আসলে তাঁকে শো কজ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    ৩২ কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই অনেক তথ্য জানতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা

    পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে ইডি সেপ্টেম্বর মাসে ডেকে পাঠায়। মূলত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ যাদের পুরসভায় চাকরি হয়েছে তারা ডাকা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নিয়োগে পুরসভার চেয়ারপার্সন এবং অনিন্দ্য রাউতদের ভূমিকা নিয়ে অনেক তথ্য জানতে পেরেছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। নিয়োগের পিছনে মোটা টাকা আর্থিক লেনদেন হয়েছে, সেই বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। এমনিতেই ইডি (ED), সিবিআইয়ের স্ক্যানারে আসার পর থেকেই চেয়ারপার্সন পুরসভায় আসা অনিয়মিত হয়ে পড়ে। কাউন্সিলারদের একাংশের সঙ্গে নিয়োগ ইস্যুতে দুরত্ব তৈরি হয়েছে। কয়েকজিন আগে ইডি আধিকারিকরা হানা দিয়ে চেয়ারপার্সনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেন। তৃণমূল নেতা অনিন্দ্য রাউতের কাছে অনেক তথ্য পান। আর চেয়ারপার্সন কার কার সঙ্গে যোগাযাগ রাখতেন তা বোঝার চেষ্টা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share