Tag: Baranagar

Baranagar

  • Baranagar: পুলিশের কাছ থেকে অভিযুক্তদের ছিনতাইয়ের অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলার

    Baranagar: পুলিশের কাছ থেকে অভিযুক্তদের ছিনতাইয়ের অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার প্রতারণার অভিযোগে কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে নিয়ে যেতে যায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ। আর সেই অভিযুক্তদের পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় কয়েকজন যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে বরানগর (Baranagar) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আলমবাজার এলাকায়। পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্তরা সকলেই স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলারের ঘনিষ্ঠ।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    বরানগর (Baranagar) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার নীলু গুপ্তার আলমবাজারের বাড়িতে ভুয়ো কল সেন্টার চালাত। ওই কল সেন্টার থেকে অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করা হত বলে অভিযোগ। ওই কল সেন্টারের কর্মীদের বিরুদ্ধে পূর্ব মেদিনীপুরের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে বরানগরের আলমবাজারে আসে। কল সেন্টারে যুবকরা কাজ করছিল। পুলিশ হানা দিয়ে সকলকে ধরে ফেলে। অভিযুক্তদের ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন যুবক এসে পুলিশের কাছে থেকে অভিযুক্তদের ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্তরা সকলেই তৃণমূল কাউন্সিলারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। পুলিশের কাছে থেকে অভিযুক্তদের কেন ছিনতাই করা হল, কেউ তার উত্তর দিতে পারেনি। জানা গিয়েছে, ভুয়ো কল সেন্টারে যারা কাজ করত সকলেই এলাকারই ছেলে।

    পুলিশের কাছে থেকে অভিযুক্তদের ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কতজনকে পুলিশ গ্রেফতার করল?

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ বরানগরে (Baranagar) এসে ভুয়ো কল সেন্টারের কর্মীদের গ্রেফতার করতেই কাউন্সিলারের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ক্ষোভে ফেটে পড়ে। পুলিশের কাছ থেকে তারা ধৃতদের নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যদিও এই ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে। চার অভিযুক্তকে দেখতে কাউন্সিলার থানায় যান বলে অভিযোগ। তবে, বাড়িতে ভুয়ো কল সেন্টার কেন কাউন্সিলার চালাতে দিয়েছিল, আর পুলিশি পদক্ষেপকে কেন বাধা দেওয়া হল, তা নিয়ে কেউ কোনও কথা বলেনি। বিরোধীদের অভিযোগ, ওই কাউন্সিলারের মদতেই সেখানে ভুয়ো কল সেন্টার চলত। পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় কাউন্সিলার সেটা মেনে নিতে পারেনি। তাই, কাউন্সিলার নিজের ঘনিষ্ঠদের দিয়ে অভিযুক্তদের পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। যদিও এই বিষয়ে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার নীলু গুপ্তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tollywood Actress: শ্যুটিং সেরে ফেরার পথে বেপরোয়া লরি পিষে দিল জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রীকে

    Tollywood Actress: শ্যুটিং সেরে ফেরার পথে বেপরোয়া লরি পিষে দিল জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্যুটিং সেরে বাড়ি ফেরার সময় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক টেলি অভিনেত্রীর (Tollywood Actress) । শনিবার রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বরানগর থানার ঘোষপা়ড়া রোডে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই টেলি অভিনেত্রীর নাম সুচন্দ্রা দাশগুপ্ত (২৯)। তাঁর বাড়ি পানিহাটি রেলওয়ে পার্ক এলাকায় তাঁর বাপের বাড়ি। বাইকে করে বাপের বাড়িতে ফেরার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুচন্দ্রা টেলি (Tollywood Actress) জগতে পরিচিত মুখ। “গৌরী এলো” সহ একাধিক সিরিয়ালে তিনি সহ অভিনেত্রীর কাজ করতেন। অন্যদিনের মতো শনিবারও তাঁর শ্যুটিং ছিল। তিনি শ্যুটিং শেষ করে রাতে বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন। ডানলপের দিক থেকে তিনি বাইকে করে যাওয়ার সময় বরানগর ঘোষপাড়া রোডের কাছে একটি সাইকেল আচমকাই রাস্তা পার করে। সাইকেল আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে অভিনেত্রীর বাইকের চালক জোরে ব্রেক কষে। সেই সময় বাইকের পিছনে বসে থাকা অভিনেত্রী রাস্তায় ছিটকে পড়ে যায়। ঠিক ওই সময়ই পিছন দিক থেকে আসা একটি লরি তাঁকে পিষে দেয়। যদিও ঘটনার পর পরই লরিটিকে পুলিশ আটক করেছে। লরির চালককে গ্রেফতার করা হয়।

    কী বললেন প্রত্যক্ষদর্শীরা?

    এই ঘটনায় অভিনেত্রীর (Tollywood Actress)  পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। টেলি জগতের অনেকেই এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকজ্ঞাপন করেছেন। জানা গিয়েছে, শ্যুটিং শেষ হওয়ার পর তিনি অনলাইনে একটি বাইক বুক করেন। সেই বাইকে চড়েই তিনি কলকাতা থেকে পানিহাটিতে বাপের বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তাতেই বেপরোয়া লরি তাঁকে পিষে দিয়ে চলে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বাইকে যথেষ্ট গতি ছিল। কিন্তু, আচমকা ব্রেক না করার জন্যই ওই মহিলা ছিটকে পড়েন। পিছনে লরিটি না থাকলে হয়তো তিনি বেঁচে যেতেন। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই লরিটি তাঁকে পিষে দিয়ে চলে যায়। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ওই অভিনেত্রীর ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rabindranath Tagore: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শশীভিলাকে হেরিটেজ ঘোষণার দাবি

    Rabindranath Tagore: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শশীভিলাকে হেরিটেজ ঘোষণার দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) স্মৃতি বিজড়িত বরানগরের শশীভিলা চরম অবহেলায় অনাদরে পড়ে রয়েছে। প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ এই বাড়িতে দীর্ঘদিন বসবাস করতেন। এখানেই ঘটা করে বিশ্বকবির দু-দুবার জন্মদিন পালন করা হয়েছিল। একসময়ের প্রচারের আলোয় ছিল এই বাড়ি। কিন্তু, জাতীয় সংগীতের স্রষ্টার স্মৃতি বিজড়িত এই বাড়িটি সংস্কার করার বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। ফলে, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বাড়িটি এখন ভেঙে ভেঙে পড়ছে। ২৫ বৈশাখ কবিগুরুর (Rabindranath Tagore) ১৬৩ তম জন্মদিবস। তার আগেই এই বাড়িটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করার দাবি জানিয়ে সোমবার হেরিটেজ কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন জানাল বরানগর নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চের সদস্যরা।

    বিশ্বকবির (Rabindranath Tagore) দুবার জন্মদিন পালিত হয়েছিল এই শশীভিলাতে

    বরানগরের গোপাললাল ঠাকুর রোডে এই বাড়িটি রয়েছে। বাড়িটির ভিতরে মূক ও বধিরদের একটি স্কুল রয়েছে। বাড়ির সংলগ্ন সুন্দর বাগানও ছিল। এই বাড়িতে ১৯৩১ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত এই বাড়িটি ভাড়া নিয়ে প্রশান্তচন্দ্র মহালানবীশ বসবাস করতেন। মহালানবীশের বিভিন্ন লেখাতেই এই বাড়ির বর্ণনা রয়েছে। বিশ্বকবির (Rabindranath Tagore) এই বাড়িতে থাকার কথাও তিনি তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন। প্রশান্তবাবু এক জায়গায় লিখেছেন, বরানগরের এই বাড়িতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) থাকতেন খুব ছোট একটি কোণের ঘরে। সামনে একটি বড় জানলা দিয়ে পূর্ব-দক্ষিণ কোণে দেখা যেত পুকুর ঘাট, আম, সুপুরির বাগান। ছোট কোণের ওই ঘরটার নাম দিয়েছিলেন নেত্রকোণা। এই ঘরে লেখার টেবিল রাখতেন জানলার কাছে থেকে সরিয়ে এক কোণে। দুপাশে দেওয়াল রয়েছে, সামনে কিছু দেখা যায় না, এমন জায়গায় টেবিলটি রাখা হত। কবি বলতেন, খোলা জানলার কাছে বসলে আমার আর লেখা হবে না। আমার মন ঘুরে বেড়াবে বাইরে দূরে। যখন কাজকর্ম শেষ হয়ে যেত, তখন জানলার সামনে ইজিচেয়ারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাইরের দিকে তিনি তাকিয়ে থাকতেন। এই বাড়িতেই বিশ্বকবি স্নান সমাপন, নীহারিকা, মাতা, দ্বৈত, শেষ প্রহরে সহ বেশ কিছু কবিতা লিখেছিলেন। কবির ৭০ তম এবং ৭৫ তম জন্মবার্ষিকী উত্সব এই বাড়িতেই পালিত হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানের প্রচুর অতিথি এই বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন।

    কী বললেন নাগরিক মঞ্চের সদস্য?

    এখন এই বাড়ির হাল অত্যন্ত বেহাল। বিল্ডিংয়ের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। এই বাড়ির ইতিহাস না জানলে এটা পৌরবাড়ি ছাড়া কিছু মনে হবে না। বরানগর নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চের পক্ষ থেকে এই বাড়িটিকে হেরিটেজ করার বিষয়ে উদ্যোগী হয়। নাগরিক মঞ্চের সদস্য তথা বরানগর রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তন শিক্ষক দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য বলেন, শশীভিলাকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। কোনও সরকারই এই বাড়িটিতে হেরিটেজ ঘোষণার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়নি। আমরা এর আগে বরানগরের সমস্ত স্তরের মানুষের কাছে গণস্বাক্ষর করেছিলাম। এবার হেরিটেজ কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জানালাম। শশীভিলাকে হেরিটেজ করার জন্য আমরা সবরকমের আন্দোলন করতে প্রস্তুত।

    কী বললেন হেরিটেজ কমিশনের সেক্রেটারি?

    হেরিটেজ কমিশনের সেক্রেটারি অম্লানজ্যোতি সাহা বলেন, এই প্রথম কেউ ওই বাড়িটি হেরিটেজ করার দাবি জানিয়ে আমাদের কাছে আবেদন করেছে। আমরা তাদের দাবির বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে কোন্দল প্রকাশ্যে! গরহাজির একাধিক কাউন্সিলার

    TMC: তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে কোন্দল প্রকাশ্যে! গরহাজির একাধিক কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ ছিল দক্ষিণ দমদম পুরসভায় তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারদের মধ্যে কোন্দল মেটাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে জেলা নেতৃত্ব বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেন। তবে, দক্ষিণ দমদম নয়, বরানগরে সেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। আর সেই বৈঠকে তৃণমূল কাউন্সিলারদের হাজিরার সংখ্যায় শাসক দলের গোষ্ঠীকোন্দলের চিত্র আরও একবার প্রমাণ করে দিল। জেলা নেতৃত্বের নির্দেশকে যে তারা আমল দিতে নারাজ তা প্রকাশ্যে চলে এল। যা নিয়ে বারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।

    জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে যাননি কতজন কাউন্সিলার?

    বৃহস্পতিবার জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার সব কাউন্সিলারকে ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে তৃণমূলের (TMC) দমদম বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়, সাংসদ সৌগত রায়, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, দলের যুব সভাপতি দেবরাজ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় মোট ওয়ার্ডের সংখ্যা ৩৫। তার মধ্যে একজন কাউন্সিলার মারা গিয়েছেন। দুজন কাউন্সিলার নির্দল। ৩২ জন তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারকে এদিন ডাকা হয়েছিল। এরমধ্যে একজন করোনা আক্রান্ত। আর একজন মহিলা কাউন্সিলার ব্যক্তিগত কারণে বৈঠকে আসতে পারেননি। বাকী ৩০ জন কাউন্সিলারের বৈঠকে থাকার কথা। কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল, ১৬ জন কাউন্সিলার বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন। ১৪ জন কাউন্সিলার বৈঠকে যাননি। তাদের বক্তব্য, দুই নির্দল কাউন্সিলার দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রীতা রায়চৌধুরীকে ডাকতে হবে। জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে একসঙ্গে এতজন কাউন্সিলারের গরহাজিরার ঘটনায় দলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যদিও পুরসভার চেয়ারপার্সন কস্তুরি চৌধুরী বলেন, আমরা সব ওয়ার্ডে কাজের সমবন্টন করি। কি কি কাজ হচ্ছে তাও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয় বৈঠকে। কাজের ক্ষেত্রে কাউকেই বৈষম্য করা হয় না।

    কাউন্সিলারদের গরহাজিরা নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি?

    বৈঠকে অনুপস্থিত কাউন্সিলারদের ওপরে অসন্তুষ্ট হয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়। তিনি বৈঠকে বলেন, কাউন্সিলারদের অভিযোগ নিয়েই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেখানে এসে তাদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি বলতে পারত। আমি সমস্ত বিষয়টি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানাবো।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অয়ন শীলের হাত ধরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার ছেলের চাকরি! জানেন কোন পুরসভায়?

    Anubrata Mondal: অয়ন শীলের হাত ধরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার ছেলের চাকরি! জানেন কোন পুরসভায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার নাম জড়াল গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। ওই নেতার বাড়ি বীরভূমে। তিনি তৃণমূলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতা। তাঁর ছেলের চাকরি হয়েছে বরানগর পুরসভায়। আর সেটা হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের হাত ধরে। এমনিতেই শাসক দলের নেতার পরিবার ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের চাকরি হয়েছে এই পুরসভায়। অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে এই পুরসভায় নিয়োগ হওয়ায় প্যানেল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এমনিতেই তৃণমূলের একটি অংশকে বাদ রেখে কয়েকজন মিলে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড গঠন করে নিয়োগ করা হয়েছিল। ফলে, দলীয় কর্মীদের একাংশ তাতে ক্ষুব্ধ ছিল। এবার অয়ন শীলের কোম্পানির হাত ধরে নিয়োগ হওয়া কর্মীদের তথ্য জানতে গিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। যদিও এই বিষয়ে বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, এই পুরসভায় নিয়ম মেনে নিয়োগ হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে সব কিছু হয়েছে। যারা এই পুরসভায় চাকরি পেয়েছেন নিজেদের যোগ্যতায় পেয়েছেন।

    বরানগর পুরসভায় নিয়মিত আসতেন অয়ন শীল! Anubrata Mondal

    এমনিতে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নিয়োগ হয়েছিল। তবে, তাঁর নিত্য যাতায়াত ছিল বরানগর পুরসভায়। এমনিতেই টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রির পাশাপাশি তাঁর পছন্দের লোকজনদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০১৭ সালে এই পুরসভায় কর্মী নিয়োগ হয়। অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে সমস্ত নিয়োগ হয়েছিল। প্রায় কয়েক হাজার চাকরি প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছিল। তারমধ্যে ১৭০ জনের চাকরি হয়। কিন্তু, চাকরি প্যানেলে দেখা যায়, বরানগর পুরসভার একাধিক কাউন্সিলারের পরিবারের লোকজন চাকরি পেয়েছেন। শুধু তাই নয় কামারহাটি পুরসভার দাপুটে তৃণমূল নেতার আত্মীয় বরানগর পুরসভায় চাকরি পান। আর তার বিনিময়ে বরানগর পুরসভার তৃণমূলের সামনের সারির এক নেতার পরিবারের লোকজন কামারহাটি পুরসভায় চাকরি পান। আর এসবই নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে হয়েছে। এমনকী তৃণমূলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতার ছেলের চাকরিও হয় বরানগর পুরসভায়। অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হিসেবেই তিনি বীরভূম জেলায় পরিচিত। তাই, ওই জেলায় চাকরি পাইয়ে দিলে দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠতে পারে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় তৃণমূলের ওই নেতা বারাকপুর মহকুমা জুড়ে একাধিক গেট মিটিং করেছিলেন। নিজের প্রভাব বুঝিয়ে দেওয়ার পর অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে তাঁর ছেলেকে বরানগর পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দেন। তাঁর ছেলে বরানগর পুরসভায় ইলেকট্রিক্যাল বিভাগে চাকরি করছেন বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। এখন বরানগরে ঘর ভাড়া করে পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন। ফলে, কলকাতা লাগোয়া পুরসভায় ছেলে চাকরি করায় এতদিন কেউ প্রশ্ন তোলেননি। নিয়োগ নিয়ে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির অভিযোগ আসায় বরানগর পুরসভায় তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। ইডি বা সিবিআই তদন্ত হতে পারে। তাই, পুরসভার পক্ষ থেকে আলাদা করে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrarta Mondal: পুরসভায় নিয়োগে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার যোগ! কোথায় জানেন?

    Anubrarta Mondal: পুরসভায় নিয়োগে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার যোগ! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বরানগর পুরসভায় কর্মী নিয়োগে গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ পুর কর্মচারী ইউনিয়নের এক রাজ্য নেতার সরাসরি ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, পুরসভায় কর্মী নিয়োগে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে। রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে যে সব পুর প্রতিনিধিরা ছিলেন, তাঁরা কেউ নিজেদের পরিবারের লোকজনকে বা তাঁদের ঘনিষ্ঠদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে এই সব নিয়োগ হয়েছে। ফলে, এই পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনিতে কামারহাটি পুরসভা ইডি নজরে রয়েছে। বরানগর পুরসভায় যে ভাবে নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে দলের অন্দরে এখন চর্চা শুরু হয়েছে।

    বিতর্কিত প্যানেলে কত জন কর্মী নিয়োগ হয়? Anubrata Mondal

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে এই পুরসভায় অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে, রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে ছিলেন চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক, তত্কালীন ভাইস চেয়ারম্যান জয়ন্ত রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার সুদীপ ভট্টাচার্য, কাউন্সিলর বিশ্বজিত্ বর্ধন এবং অনিন্দ্য রাউত। পুরসভার কর্মী পদে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারমধ্যে ১৭০ জনকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু, নিয়োগ হওয়ার পর যে তালিকা সামনে আসে তাতে রিক্রুটমেন্টের দায়িত্বে থাকা পদাধিকারীদের পরিবারের লোকজনের নাম সামনে আসে। এক সিআইসি সদস্যের পরিবারের লোকজনের নাম তালিকায় রয়েছে। এছাড়া একাধিক কাউন্সিলারদের ঘনিষ্ঠরা চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  ঘনিষ্ঠ শাসক দলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতার ওই নিয়োগে বড় ভূমিকা রয়েছে। ওই নেতার বাড়ি বীরভূম জেলায়। ওই নেতার হাত ধরে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক ছেলে এই পুরসভায় নিয়োগপত্র পেয়েছে। ওই নেতা অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ করতে কেউ আপত্তি জানানোর সাহস দেখায়নি। স্রেফ শাসক দলের বদান্যতায় তাঁদের চাকরি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এমনকী বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলায় যাদের নিয়োগ করা হয়েছে, তারা নিয়মিত পুরসভায় পর্যন্ত আসে না বলে অভিযোগ। কিন্তু, তাদের নিয়মিত প্রতিমাসে বেতন হয়ে যায়। এরকম ২৫-৩০ জন কর্মী রয়েছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। বোর্ড মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী বললেন পুরসভার চেয়ারপার্সন ? Anubrata Mondal

    বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, নিয়ম মেনে  পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তবে, কাউন্সিলর বা রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে তাঁর ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিতে পারবে না এমন কোনও নিয়ম নেই। পরীক্ষা দিতেই সকলেই চাকরি পেয়েছেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হয়েছে। আর কেউ পুরসভায় নিয়মিত না আসলে তাঁকে শো কজ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ferry Service: তিনমাস বন্ধ থাকার পর ফের চালু হল এই ফেরি ঘাট, জানেন কোথায়?

    Ferry Service: তিনমাস বন্ধ থাকার পর ফের চালু হল এই ফেরি ঘাট, জানেন কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  আগাম নোটিস দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছিল বরানগর কুটিঘাট ফেরি পরিষেবা (Ferry Service)। প্রায় তিন মাস ধরে জেটি ঘাটের সংস্কারের কাজ চলছিল। আর এই ফেরি সার্ভিস (Ferry Service) বন্ধ থাকার কারণে দুপারের হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে কলকাতা যাতায়াতের জন্য এই ফেরি পরিষেবা (Ferry Service) অত্যন্ত জনপ্রিয়। গত তিনমাস বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে ফের চালু হয়ে গেল বরানগরের কুটিঘাট ফেরি সার্ভিস। কলকাতা লাগোয়া এই জেটিঘাটের পরিষেবা ফের চালু হওয়ায় বরানগর সহ আশপাশের এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দাদের কাছে খুশির খবর। কারণ, খুব সহজেই বেলুড় মঠ যাওয়া কিংবা জলপথে কলকাতা যাওয়ার সুবিধা থেকে এই এলাকার মানুষ এতদিন বঞ্চিত ছিলেন। পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে,গঙ্গার ধারে কয়েকটি জেটির হাল খারাপ। এরমধ্যে রয়েছে, কামারহাটির চারমিনার ঘাট, খড়দহের জেটিঘাট। সবই মেরামতির কাজ চলছে। এতদিন এই জেটিঘাট সংস্কার হওয়ার পর এদিন থেকে তা চালু করে দেওয়া হল।  

    কুঠি ঘাট ফেরি সার্ভিসের কত ভাড়া জানেন? Ferry Service

    কুটিঘাট ফেরি সার্ভিস থেকে দুটি রুটের লঞ্চ পরিষেবা চলে। কুটিঘাটের উলটো দিকেই রয়েছে বেলুড় মঠ। ফলে, এই জেলার হাজার হাজার ভক্ত বেলুড় মঠ যাওয়ার জন্য এই ফেরি সার্ভিস (Ferry Service) ব্যবহার করেন। আর এখান থেকে কলকাতার ফেয়ারলি যাওয়া যায়। এমনিতেই বিটি রোডে যানজটের কারণে বহু নিত্যযাত্রী এই ফেরি সার্ভিস ব্যবহার করেন। আর সহজ পথে হাওড়া যাওয়ার জন্য এই ফেরি সার্ভিস এই এলাকার হাজার হাজার মানুষের ভরসা। পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ফেরি সার্ভিস (Ferry Service) পরিষেবা চালু থাকবে। আর কুটিঘাট থেকে ফেয়ারলির ভাড়া ১১ টাকা। কুটিঘাট-বেলুড় মঠের ভাড়া ৬ টাকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raids Arpita Properties: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    ED Raids Arpita Properties: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে মঙ্গলবার দিনভর শহরের মোট ৬টি জায়গায় ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মঙ্গলবার সকালেই ফের সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স (CGO complex) থেকে ইডি (ED) আধিকারিকদের চারটি দল অভিযানে বেরিয়ে পড়ে। একটি দল যায় গড়িয়াহাট (Gariahat) এলাকার পণ্ডিতিয়া রোডে (Panditia Road)। দ্বিতীয় দলটি মাদুরদহ (Madurdaha) এবং তৃতীয় দল বরানগরে (Baranagar) যায়। চতুর্থ দলটি যায় পাটুলিতে (Patuli)। 

    দক্ষিণ কলকাতার পণ্ডিতিয়া এলাকার ফোর্ট ওয়েসিস (Fort Oasis) নামের অভিজাত আবাসনে অভিযান চালায় ইডি-র একটি দল। ইডি সূত্রে খবর, ওই আবাসনের ছ’নম্বর ব্লকের ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটটি অর্পিতাকে ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও খাতায়কলমে ফ্ল্যাটটি অন্য এক ব্যক্তির নামে। ইডি সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটটি ওম ঝুনঝুনওয়ালা নামে এক ব্যক্তির নামে নথিভুক্ত করা আছে। 

    তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, কলকাতার কোনও এক নামজাদা শিল্পপতির কাছ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এই ফ্ল্যাটটি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন ২০১৫-১৬ সাল নাগাদ, যে সময়ে তিনি আসীন ছিলেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রীর পদে। দক্ষিণ কলকাতার এই বন্ধ ফ্ল্যাটটিতেও কোটি কোটি টাকা লুকিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-এর।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    দীর্ঘ চেষ্টা করেও ঝুনঝুনওয়ালা নামে সেই ব্যক্তির কোনও হদিস পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের খবর। স্বাভাবিকভাবেই ইডি এখন তাঁর খোঁজ শুরু করেছে। ওই ফ্ল্যাট বেনামে কেনা হয়েছিল বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। আবাসনের নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছে, কয়েকমাস ধরে তালাবন্ধ ওই ফ্ল্যাটের মালিক। যদিও ইডি সূত্রে দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সূত্রে পণ্ডিতিয়া রোডের এই ফ্ল্যাটটি ব্যবহার করতেন অর্পিতা। আপাতত, ফ্ল্যাটটি সিল করে দিয়েছে ইডি।

    এই আবাসনের পাশাপাশি, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা একাধিক নেল আর্টের (nail art) দোকানে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অর্পিতা ও পার্থর নামে থাকা বেলঘরিয়ার (Belghoria) ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এই সব নেইল আর্ট শপ সম্পর্কে জানতে পারেন ইডি আধিকারিকরা৷ সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এ দিন ৬টি জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা৷ 

    একটি দল আসে দক্ষিণ কলকাতার পাটুলিতে পালকি রেস্টুরেন্টের উল্টো দিকে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারে। এদিন পাটুলির ‘ম্যাজিক টাচ, দ্য নেল প্লেস’ দোকানটিতে অভিযান করেন ইডি আধিকারিকরা। এদিন সেই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ দাসকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের ধারণা, নেল আর্টের দোকান কিনতে বা ভাড়া নিতে সাহায্য নেওয়া হয়েছিল কাউন্সিলরের। যদিও প্রসেনজিতের দাবি, দোকান কেনা বা লিজের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। তবে কিছু নথিপত্র সম্ভবত পাওয়া গিয়েছে। প্রয়োজনে সেটি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যেতে পারেন তদন্তকারীরা। 

    আরও পড়ুন: মাথায় লাগলে শান্তি পেতাম, পার্থকে জুতো ছুড়ে বললেন মহিলা

    পাটুলির পাশাপাশি বরানগর, লেক গার্ডেন্স এবং লেক ভিউ রোডের নেল আর্ট স্টুডিওতেও তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, মাঝে মধ্যেই এই শপগুলিতে যেতেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়৷ বরানগর ও লেক ভিউ-র পার্লার থেকেও নথি সংগ্রহ করেন ইডি আধিকারিকরা। লেকভিউ পার্লারটি বেশ কয়েকদিন ধরে বন্ধ ছিল। দুপুরে ইডি আধিকারিকরা পৌঁছলেও পার্লার বন্ধ থাকায় তাঁরা অপেক্ষা করতে থাকেন। এরপর পার্লারের ম্যানেজার এসে পার্লারটি খুলে দেন। বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথির পাশাপাশি সিসিক্যামেরার হার্ডডিস্কও বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। 

    বরানগরে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারেও চলে তল্লাশি। সেখান থেকেও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করেন ইডি আধিকারিকরা। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে৷ যেগুলি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে৷ সেই সব কাগজগুলিকে কেন্দ্রীয় সংস্থা বাজেয়াপ্ত করেছে৷ তবে, নেইল আর্ট শপগুলিতে কোনও টাকা বা মূল্যবান সামগ্রী এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে৷ 

    অন্যদিকে, মাদুরদহের ওম ভিলা আবাসনেও তল্লাশি অভিযানে যান ইডি-র আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, এখানে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের একটি জমি ছিল। যেখানে কয়েকজন ফ্ল্যাটও কেনেন বলে খবর। সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতেই তল্লাশি অভিযান চালানো হয় মাদুরদহে। ফ্ল্যাটের পরিচারিকা এবং কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা। একইসঙ্গে কেন্দুয়া মেন রোড সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটেও হানা দেয় ইডি।

    আরও পড়ুন: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

LinkedIn
Share