Tag: barrackpore

barrackpore

  • TMC: তৃণমূলের জেলা সভাপতির সামনে পদত্যাগের হুমকি দিলেন কাউন্সিলর, কেন জানেন?

    TMC: তৃণমূলের জেলা সভাপতির সামনে পদত্যাগের হুমকি দিলেন কাউন্সিলর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংগঠন মজবুত করার বার্তা দিতেই তৃণমূলের (TMC) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছিল। আর সেই বৈঠকেই তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। জেলা সভাপতির সামনেই জগদ্দলের বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর সত্যেন রায়। তাঁর বিক্ষোভের জেরে নড়েচড়ে বসে জেলা নেতৃত্ব। জেলা সভাপতি তাপস রায় জগদ্দল এর বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম এর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন। সেই বৈঠক উপস্থিত ছিলেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিকও। সত্যেনবাবুর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন জেলা সভাপতি।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি?

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নব জোয়ার কর্মসূচি সফল করে তুলতে টিটাগরের জেলা তৃণমূল (TMC) দফতরে মিটিং করলেন দমদম বারাকপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ। নব জোয়ারের মিটিং এর শেষে গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হল জেলা অফিসেই। পরে, তৃণমূলের বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। এইভাবে কথা বললে সমস্যা অনেক মিটে যায়। আমি কয়েক দিনের মধ্যে ভাটপাড়া পুরসভায় গিয়ে একটি মনিটরিং মিটিং করব। আলোচনা করেই সমস্যার সমাধান করা হবে।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) কাউন্সিলর?

    এদিন বৈঠক চলাকালীন প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ভাটপাড়া পুরসভা ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সত্যেন রায়। তিনি বলেন, প্রথমদিন থেকে আমি দল করছি। অথচ যারা কয়েকদিন আগে দল ঢুকল তারা এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুরসভায় ঢুকে আমার উপর চড়াও হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। জেলা নেতৃত্বের সামনে সমস্ত সমস্যার কথা বললাম। আশানুরূপ বিচার না পেলে আমি পদত্যাগ করব।

    কী বললেন জগদ্দল বিধায়ক?

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, কাউন্সিলররা তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে গিয়েছিলেন। কোনও মারধর করা হয়নি। এখন তিনি মারধরের কথা কেন বললেন জানি না। দলীয় নেতৃত্ব সমস্ত বিষয়টি দেখছে। তারা এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: “তৃণমূল নেতৃত্ব ব্যবস্থা না নিলে জগদ্দল, কাঁকিনাড়ায় যা হওয়ার তাই হবে,” কেন বললেন অর্জুন?

    TMC: “তৃণমূল নেতৃত্ব ব্যবস্থা না নিলে জগদ্দল, কাঁকিনাড়ায় যা হওয়ার তাই হবে,” কেন বললেন অর্জুন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার সত্যেন রায়ের উপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ সাংসদ অর্জুন সিং। বৃহস্পতিবার অর্জুন বলেন, “সিপিএমের বিরুদ্ধে সত্যেন লড়াই করে বার বার আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর পরিবারের লোকজনও বাদ যাননি। ভাঙচুর করা হয়েছে তাঁর বাড়ি। আর এখন তৎকাল তৃণমূলের কাউন্সিলারদের হাতে তাঁকে মার খেতে হল। আসলে এই সব কাউন্সিলাররা করোনা কালে তৃণমূলে এসেছে। টিকিট পেয়ে গিয়ে কাউন্সিলার হয়ে গেছে। এখনও তারা পুরসভায় ঠিকাদারি করে। বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে জানাব। সেখানে কাজ না হলে জগদ্দল, কাঁকিনাড়ায় যা হওয়ার তাই হবে।” মূলত হামলার পাল্টা হামলার তিনি হুমকি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বুধবার ভাটপাড়া পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার তরুণ সাউ ও ২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অভিমন্যু তেওয়ারির নেতৃত্বে ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সত্যেন রায়কে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুরসভায় ঢুকে এই হামলা চালানো হয়েছিল। এই ঘটনার পর আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দলগতভাবে অভিযুক্ত কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সত্যেন অর্জুন অনুগামী হিসেবে পরিচিত। আক্রান্ত কাউন্সিলার থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু অভিযুক্তদের ধরার বিষয়ে পুলিশও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ। আর এতেই অর্জুন ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন, দলের পক্ষ থেকে দেখার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    আজ, শুক্রবার তৃণমূলের (TMC) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার বৈঠক রয়েছে। সেখানে দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সংগঠনের জেলা সভাপতি তাপস রায় বলেন, দলে গোষ্ঠী কোন্দল বরদাস্ত করা হবে না। দলীয় কাউন্সিলারের উপর হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। কারও বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ, বিক্ষোভ থাকলে দলীয় নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি বলা যেতে পারে। কিন্তু, এভাবে প্রকাশ্যে পুরসভার ভিতরে ঢুকে হামলার ঘটনার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দলীয় বৈঠকে এই বিষয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: অধ্যাপিকা খুনে সাজাপ্রাপ্ত আসিফই বারাকপুর খুনকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড?

    Barrackpore: অধ্যাপিকা খুনে সাজাপ্রাপ্ত আসিফই বারাকপুর খুনকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরসন্ধ্যায় বারাকপুরের (Barrackpore) আনন্দপুরীতে সোনার দোকানে ঢুকে মালিকের ছেলেকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে। ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম আশিস কুমার ওরফে আসিফ নামে একজন পাটনায় এক অধ্যাপিকা সহ দুজনকে নৃশংসভাবে খুন করেছিল। সেই দুষ্কৃতী জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরই বারাকপুরে সোনার দোকানে খুনের ঘটনায় জড়িত রয়েছে বলে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে। ঘটনার পর তার নাগাল পায়নি পুলিশ।

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে?

    ২০০৬ সালের ৩ ডিসেম্বর পাটনার অভিজাত পাটলিপুত্র কলোনিতে এক আইএএস অফিসার টুকটুক ঘোষ এর বাংলোয় ডাকাতি করতে আসে আশিস কুমার সহ কয়েকজন দুষ্কৃতী। বাধা দিতে গিয়ে খুন হয়েছিলেন আইএএস অফিসারের বোন পাপিয়া ঘোষ। তিনি দিল্লি ও পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপিকা ছিলেন। সেই সঙ্গে খুন হন তাঁর বৃদ্ধা পরিচারিকা মালতি দেবী। ডাকাতিতে বাধা পেয়ে রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে ৩৪ বার নৃশংস ভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল ৫৩ বছরের পাপিয়াকে। তাঁর বাবা পাটনার আইএএস অফিসার উজ্জ্বল কুমার ঘোষও খুন হন ১৯৫৭ সালে। তার ঠিক ৫০ বছর পর নৃশংসতায় খুন হন তাঁর মেয়ে। বিহারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নীতীশ কুমার। তাঁর শিক্ষা দফতরের কাজে অন্যতম সহায়িকা ছিলেন পাপিয়া। তাঁর দিদি টুকটুক ঘোষ তখন ছিলেন লোকসভার তৎকালীন স্পিকার প্রয়াত সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ সচিব। দেশের শিক্ষামহলে শোরগোল ফেলে দেওয়া সেই খুনে ধরা পড়েছিল আশিস কুমার নামের এক দুষ্কৃতী। ২০০৮ সালে সেই খুনে সাজা হয় আশিসের। সাজা শেষ করে গত বছরই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল ওই কুখ্যাত দুষ্কৃতী। সেই আশিসই নাম পাল্টে আসিফ নাম নিয়ে অপরাধ জগতে পা দেয়। বারাকপুরের (Barrackpore) স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলে খুনের ঘটনায় এই আশিসের ওরফে আসিফের যোগ উঠে এসেছে তদন্তকারী গোয়েন্দাদের হাতে। আশিস ওরফে আসিফই বারাকপুরের (Barrackpore) ঘটনার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড এমনটাই উঠে এসেছে পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের হাতে।

    অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, ২৪ মে বারাকপুরের (Barrackpore) আনন্দপুরীর সোনার দোকানে যে চারজন দুষ্কৃতী ঢুকেছিল, তারমধ্যে শফি খান, জামশেদ আনসারিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে, এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত আসিফ সহ দুজন পলাতক। সূত্র অনুযায়ী, আসিফের মোবাইল টাওয়ারের শেষ লোকেশন ওড়িশায় পাওয়া গিয়েছে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, শফি ২২ লক্ষ টাকা ডাকাতির মামলায় জেল খেটেছিল। পরে, ছাড়া পেয়ে পরিবার নিয়ে সে ঝাড়খণ্ডে চলে যায়। কিন্তু সেখান থেকে চলতি বছরের প্রথম দিকে সে রহড়ার পাতুলিয়ার একটি অভিজাত আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করে। ঘটনায় আর এক ধৃত শফির মামা জামশেদ আনসারিও একটি অপহরণের ঘটনায় বিহারের ভাগলপুর জেলে বন্দি ছিল। সেখানে আসিফের সঙ্গে তার আলাপ। জেল  থেকে বেরিয়ে ফের অপরাধ জগতে পা রাখে তারা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বারাকপুরে বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার! পুলিশের লাঠিচার্জ, জখম ৫

    Barrackpore: বারাকপুরে বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার! পুলিশের লাঠিচার্জ, জখম ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনার দোকানে খুন সহ আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে বিজেপির ডেপুটেশন কর্মসূচি ছিল সোমবার বিকেলে। আর তাকে কেন্দ্র করে বারাকপুরে (Barrackpore) ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। তাতে পাঁচজন বিজেপি কর্মী জখম হন। যদিও এই ঘটনার পর বিজেপির জেলা নেতৃত্বের এক প্রতিনিধি দল কমিশনারেটের কর্তাদের কাছে গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    মূলত বারাকপুর (Barrackpore) এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে এদিন বিকেলে পুলিশ কমিশনারেটে বিজেপির ডেপুটেশন কর্মসূচি ছিল। আনন্দপুরীর ওল্ড ক্যালকাটা রোডে সেই সোনার দোকানের সামনে থেকে বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে ডেপুটেশন দিতে আসেন। পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে দুটি ব্যারিকেড করা হয়। কমিশনারেট অফিস থেকে ১০০ মিটার দূরে প্রথম ব্যারিকেড করা হয়। আর দ্বিতীয় ব্যারিকেড করা হয় কমিশনারেটের ঠিক সামনেই। বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে আসতেই ১০০ মিটার দূরে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপির কর্মীদের রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে কমিশনারেটের অফিসের সামনে চলে যান। সেই সময় তাঁদের পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। কমিশনারেট অফিসের সামনে তাঁরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এদিন বিজেপির রাজ্য নেত্রী ফাল্গুনি পাত্র বলেন, মিছিল আটকানোর জন্য কমিশনারেটের কোনও মহিলা পুলিশ কর্মী ছিলেন না। এটা মেনে নেওয়া যায় না। মহিলা কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়েছে। এই বিষয়ে রাজ্যপালের কাছে আমরা নালিশ জানাব। বিজেপির বারাকপুর (Barrackpore) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এত টাকা খরচ করে কমিশনারেট তৈরি করা হল, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হল না। এই কমিশনারেটের কাজ শুধু বিজেপিকে বাধা দেওয়া। এর আগে ব্যবসায়ীরা মিছিল করে ডেপুটেশন দিল। পুলিশের কোনও বাধা নেই। আর আমাদের জন্য ১০০ মিটার দূরে ব্যারিকেড। আমাদের কর্মীদের উপর যথেচ্ছ লাঠিচার্জ করা হল। এই ঘটনায় পাঁচ কর্মী জখম হয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ফতোয়া না মানায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা, আতঙ্কে ঘরছাড়া, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ফতোয়া না মানায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা, আতঙ্কে ঘরছাড়া, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রহড়া থানার রুইয়া এলাকায়। ইতিমধ্যেই আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মীদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য ওই বিজেপি কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। কিন্তু তাঁরা তা না করায় তৃণমূলীদের হুমকির ভয়ে গোটা পরিবার ঘরছাড়া। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্তও শুরু করা হয়েছে।

    কেন হামলা?

    এলাকায় থাকতে হলে বিজেপি (BJP) করা যাবে না। তৃণমূল কর্মীদের পক্ষ থেকে এমনই ফতোয়া জারি করা হয়েছিল বলে দাবি বিজেপি (BJP) কর্মীর। ফতোয়া না মানার কারণে বিজেপি কর্মীর প্রথমে শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে প্রথমে থানায় অভিযোগ করা হয়। তৃণমূল কর্মীরা অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেয়। অভিযোগ না তোলায়  বিজেপি কর্মী ও তাঁর স্বামীকে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী শ্রীদাম বিশ্বাস, রিনা বিশ্বাস, বিশ্বজিৎ বিশ্বাস ও মিতা বিশ্বাসরা ওই কর্মী ও তাঁর পরিবারকে বিজেপি করা যাবে না বলে ফতোয়া জারি করে। এমনটাই অভিযোগ বিজেপি কর্মীর। তিনি বলেন, “ফতোয়া না মানার কারণে কিছুদিন আগে এক তৃণমূল কর্মী আমার বাড়িতে ঢুকে শ্লীলতাহানি করে। এই বিষয়ে থানায় অভিযোগ করি। সেই অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকে। আমরা অভিযোগ তুলতে অস্বীকার করায় জামাইষষ্ঠীর দিন আমাদের উপর তারা চড়াও হয়। আমাকে এবং আমার স্বামীকে বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় ওরা। আতঙ্কে আমরা বাড়িছাড়া। তৃণমূলীদের ভয়ে আমরা বাড়ি ফিরতে পারছি না। পুলিশ-প্রশাসনকে সমস্ত বিষয়টি জানিয়েছি। তবে, এখনও বাড়িতে ঢুকতে পারিনি। আমরা চাই, অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। “

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    হামলার ঘটনা নিয়ে পাতুলিয়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা কিশোর বৈশ্য বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। এটা বিজেপির (BJP) দুই পরিবারের লড়াই। পারিবারিক গণ্ডগোলে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুটোই বিজেপি পরিবার বলে আমরা তাদের পুলিশ-প্রশাসনের কাছে যেতে বলেছি। আমরা তাদের পারিবারিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করিনি। তারপরও ওরা তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বারাকপুরে সোনার দোকানের আগে আর কোথায় ডাকাতির ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা?

    Barrackpore: বারাকপুরে সোনার দোকানের আগে আর কোথায় ডাকাতির ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে সোনার দোকানে ডাকাতি করার আগে হাওড়ার একটি সোনার দোকানে রেইকি করেছিল দুষ্কৃতীরা। তবে, নিরাপত্তা জোরদার থাকায় সেই পরিকল্পনা বানচাল হয়ে যায়। পরে, তারা বারাকপুরে (Barrackpore) আনন্দপুরী এলাকায় ওই সোনার দোকানে ডাকাতি করতে এসে বাধা পেয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলে নীলাদ্রি সিংহকে তারা গুলি করে খুন করে। পুলিশি জেরায় ধৃতরা সে কথা স্বীকার করেছে।

    পুলিশি জেরায় ধৃতরা কী জানাল?

    বারাকপুরে (Barrackpore) সোনার দোকানে খুনের ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই শফি খান ওরফে সানি এবং জামশেদ আনসারিকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এর আগে সানি ঝাড়খণ্ডের একটি গ্যাংকে নিয়ে এসে কামারহাটি এলাকায় নাসির খান নামে একজনের বাড়িতে ডাকাতি করেছিল। পরিমাণ ছিল ২২ লক্ষ টাকা সোনা এবং নগদ দেড় লক্ষ টাকা। এই ঘটনায় সানির জেলও হয়েছিলস। জেল থেকে বেরিয়ে সে ফের ডাকাতির ছক কষে। এক্ষেত্রে ঝাড়খণ্ডের গ্যাংয়ের সে সাহায্য নেয়। তবে, আগের যে গ্যাংয়ের সঙ্গে সানি কাজ করেছিল, বারাকপুরে সেই গ্যাং ছিল, নতুন গ্যাং নিয়ে এসেছিল তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে,  বাইক করে দুষ্কৃতীরা বিভিন্ন সোনার দোকানে রেইকি করেছিল। প্রথমে তারা হাওড়ায় একটি সোনার দোকানে ডাকাতির করার ছক কষে। কিন্তু, কোনও কারণে সেই পরিকল্পনা বানচাল হয়ে যায়। এরপর সোদপুরের সোনার দোকানে টার্গট  করে। পরে, বারাকপুরে (Barrackpore)  আসে তারা।  বারাকপুরে স্টেশনের কাছে নামী একটি সোনার দোকানে তারা ডাকাতির পরিকল্পনা করে। তবে, নিরাপত্তা জোরদার থাকায় তারা আর ঝুঁকি নেয়নি। সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে। পরে, তারা ওল্ড ক্যালকাটা রোডের এই সোনার দোকানে তারা ঢুকে ডাকাতির ছক কষেছিল। বাধা পেয়ে তারা এলোপাথারি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তাতেই নীলাদ্রির মৃত্যু হয়।

    খুনের প্রতিবাদে বনধ, প্রতিবাদ মিছিল, সভা করলেন ব্যবসায়ীরা

    অন্যদিকে, এদিন সোনার দোকানের মালিকের ছেলেকে খুনের প্রতিবাদে পলতা, বারাকপুর (Barrackpore) জুড়ে সোনার দোকান বনধ করেছেন স্বর্ণ শিল্পীরা। এদিন আনন্দপুরীর হামলা হওয়া সেই সোনার দোকান থেকে স্বর্ণ শিল্পীরা পুলিশ কমিশনারের অফিস পর্যন্ত মিছিল করেন। বঙ্গীয় স্বর্ণশিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক টগর চন্দ্র পোদ্দার বলেন, অবিলম্বে এই ঘটনায় সব দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করতে হবে। না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। শুধু জেলা নয় রাজ্যজুড়ে আমরা আন্দোলন করব। অন্যদিকে, স্বর্ণশিল্পীদের পাশাপাশি আনন্দপুরী এলাকায় ব্যবসায়ীরা বনধ ডাকেন। হরহল এলাকায় এদিন বিকালে সমস্ত ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন। ব্যবসায়ী রূপম সেন বলেন, প্রকাশ্যে দোকানে ঢুকে খুনের ঘটনা সকলের কাছে আতঙ্কে। আমরা এর প্রতিবাদে সকলেই সামিল হয়েছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: সোনার দোকানে ঢুকে এলোপাথারি গুলি, মালিকের ছেলের মৃত্যু, জখম ২

    Barrackpore: সোনার দোকানে ঢুকে এলোপাথারি গুলি, মালিকের ছেলের মৃত্যু, জখম ২

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্য দিবালোকে শ্যুটআউট! পড়়ন্ত বিকেলে জনবহুল এলাকায় সোনার দোকানে ঢুকে ডাকাতিতে বাধা পেয়ে এলোপাথারি গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সোনার দোকানের মালিকের ছেলের। গুলিতে জখম হন দোকানের মালিক নীলরতন সিনহা ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষী শংকর। বুধবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর (Barrackpore) ১৪ নম্বর রেলগেট এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম নীলাদ্রি সিনহা (২৯)। দোকানের মালিকসহ দুজনকে স্থানীয় নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর পরই বারাকপুরের (Barrackpore) পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

     বারাকপুর (Barrackpore) স্টেশন লাগোয়া ১৪ নম্বর রেলগেট থেকে আনন্দপুরী স্টেট ব্যাঙ্কের যাওয়ার রাস্তায় বাঁদিকে সোনার দোকানটি রয়েছে।  দোকানের নাম সিংহ জুয়েলার্স হাউস। দোকানটি ছোট্ট হলেও ভিতরটি অত্যন্ত সাজানো গোছানো রয়েছে। দোকানের ভিতরে ঢোকার জন্য কাচের দরজা রয়েছে। ফলে, ভিতরে কী হচ্ছে তা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই।  স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যদিনের মতো নীলরতনবাবুর সঙ্গে তাঁর ছেলে ও দুজন কর্মচারী দোকানে ছিলেন। সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ দুটি বাইকে করে চারজন দুষ্কৃতী আসে। ক্রেতা সেজেই তারা ভিতরে ঢোকে। তিনজনের মাথায় হেলমেট ছিল। একজনের মাথায় টুপি ছিল। ঘটনার সময় দোকানের ভিতরে অন্য ক্রেতা থাকার কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। চারজন ঢোকার পরই প্রথমে সোনার দরদাম করতে করতেই আচমকা একজন আগ্নেয়াস্ত্র বের করে সোনার গয়না সব বের করে দিয়ে বলে। কিন্তু, দোকানের মালিক তাতে রাজি ছিলেন না। এরমধ্যে একজন দুষ্কৃতী জোর করে সোনার গয়না বের করার চেষ্টা করে। সেই সময় দোকানের মালিকের ছেলে নীলাদ্রি তাকে বাধা দেন। পিছনে থাকা এক দুষ্কৃতী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। কাঁদের কাছে গুলি লাগে। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। চোখের সামনে ছেলেকে গুলি করা দেখে নীলরতনবাবু দুষ্কৃতীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাঁকেও দুষ্কৃতীরা গুলি করে। ততক্ষণে গুলির আওয়াজে বাইরে জটলা শুরু হয়ে যায়। দোকানের নিরাপত্তারক্ষী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও দুষ্কৃতীরা গুলি করে। তার পায়ে গুলি লাগে। বাইরে লোকজনের জমায়েত দেখে দুষ্কৃতীরা দোকানের বাইরে বেরিয়ে গুলি ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। ভয়ে কেউ সামনে আসতে চায়নি। এই সুযোগে বাইক নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। ঘটনার পর পরই বারাকপুর (Barrackpore) পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস যান। তিনি বলেন, এলাকায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Naihati: চড়া সুদের টোপ! দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে পালিয়ে গেল দম্পতি

    Naihati: চড়া সুদের টোপ! দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে পালিয়ে গেল দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ ৫০ হাজার টাকা, কেউ আবার এক লক্ষ টাকা বা তার বেশি জমা দিয়েছিলেন এক দম্পতির কাছে। এরকমভাবে সবমিলিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর মহকুমার নৈহাটির (Naihati) অরবিন্দপল্লি এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই সোমাশ্রী লাহিড়ী মজুমদার ও বিশ্বজিৎ মজুমদার নামে এই দম্পতির বিরুদ্ধে  প্রতারিতরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    কাউকে চাকরি দেওয়ার নামে, কাউকে আবার কম টাকায় বেশি সুদের টোপ দিয়ে তারা সাধারণ মানুষের থেকে টাকা তুলতেন। টাকা জমা দেওয়ার পর কয়েক মাস চড়া সুদও দিতেন। ফলে, অনেকে বিশ্বাস করে তাদের কাছে টাকাও দিয়েছেন। কিন্তু, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারার কারণে এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রতারিত হয়েছে বুঝতে পেরে এলাকার মানুষ রবিবার নৈহাটিতে (Naihati) ওই দম্পতির বাড়িতে চড়াও হন। ততক্ষণে বাড়িতে তালা মেরে তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। তাদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন প্রতারিতরা। কিন্তু, মোবাইল সুইচড অফ থাকায় তাদের নাগাল পাননি প্রতারিতরা। এরপরই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    কী বললেন প্রতারিতরা?

    প্রতারিতদের বক্তব্য, অল্প টাকায় বেশি সুদের লোভ দেখিয়ে ওরা টাকা তুলত। সমস্ত টাকা দেওয়ার নথি আমাদের কাছে রয়েছে। রয়েছে কাগজপত্র। ফলে, সহজেই আমরা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। সমস্ত নথি আমাদের কাছে রয়েছে। তবে, এভাবে আমরা প্রতারিত হব তা বুঝতে পারিনি। তনুশ্রী সরকার নামে এক প্রতারিত হওয়া এক মহিলা বলেন, ওই দম্পতি আমাকে বেসরকারি সংস্থা চাকরি করে দেবে বলে পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়েছিল। আমরা সকলেই নৈহাটি (Naihati) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

    কী বললেন তৃণমূলের চেয়ারম্যান পরিষদের সদস্য?

    নৈহাটি (Naihati) পুরসভার চেয়ারম্যান পরিষদের সদস্য সনত্ দে বলেন, এই শহরে বসে এভাবে গরিব মানুষদের টাকা নিয়ে কেউ পালাতে পারবে না। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বলেছি। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সকলকে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ১১ দিন ধরে টানা কর্মবিরতিতে বারাকপুর কোর্টের আইনজীবীরা, কেন জানেন?

    Barrackpore: ১১ দিন ধরে টানা কর্মবিরতিতে বারাকপুর কোর্টের আইনজীবীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমা আদালতের কর্মবিরতি ১১ দিনে পড়ল। আদালতের আইনজীবীদের কর্মবিরতির ফলে বিচার প্রার্থী এবং তাঁদের পরিবারের লোকদের যে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গেট বন্ধ রেখে আইনজীবীরা আন্দোলন করছেন। এর আগে একাধিকবার মিছিলও করেছেন তাঁরা। যে দাবিদাওয়ার ভিত্তিতে আইনজীবীরা কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন তার কোনও সদুত্তর কর্তৃপক্ষের থেকে এখনও না পাওয়ায় কর্মবিরতি জারি রেখেছে।

    কেন আন্দোলনে আইনজীবীরা?

    সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশন কোর্ট বারাসত আদালত থেকে বারাকপুর (Barrackpore) কোর্টে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া পকসো আদালতে স্পেশাল বিচারক, এনডিপিএস-এর জন্য পৃথক কোর্ট, ক্যান্টিন, বিচার প্রার্থীর বাড়ির লোকদের জন্য শৌচালয়, পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ, আদালত চত্বরে সিসি ক্যামেরা লাগানো সহ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে আইনজীবীরা এর আগেও একাধিকবার সরব হয়েছিলেন। কিন্তু, কোনও কাজ না হওয়ায় তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন। আইনজীবীদের সঙ্গে টাইপিস্ট, ল ক্লার্করাও আন্দোলনের সামিল হয়েছেন।

    হাইকোর্টের বিচারপতির সঙ্গে আইনজীবীদের বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হল?

    বারাকপুর (Barrackpore) আদালতের অবস্থা দেখতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তথা জোনাল জাজ অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় যান। তিনি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আইনজীবীদের দাবি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জোনাল জাজ জানিয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে আশ্বাস পেয়ে বার অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সভা ডেকে সকলকে অবহিত করেন।

    কী বললেন বারাকপুর (Barrackpore) বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি?

    বারাকপুর (Barrackpore) বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত রায় বলেন, আমরা যে দাবির ভিত্তিতে কর্মবিরতি শুরু করেছি তা লিখিত আকারে ইতিমধ্যে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে জানিয়েছি। এদিনের বৈঠকে আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, এখনও কোনও আশ্বাস পাইনি। তাই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে আমরা এখনই পিছু হটছি না। আমরা শনিবার পর্যন্ত কর্মবিরতি চালাব। ওইদিন আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loot: স্কুটি নিয়ে বান্টি অর বাবলির দৌরাত্ম্য! অভিনব কায়দায় লক্ষ লক্ষ টাকা লুঠ, চক্ষু চড়কগাছ পুলিশ কর্তাদের

    Loot: স্কুটি নিয়ে বান্টি অর বাবলির দৌরাত্ম্য! অভিনব কায়দায় লক্ষ লক্ষ টাকা লুঠ, চক্ষু চড়কগাছ পুলিশ কর্তাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বলিউড সুপারহিট সিনেমা বান্টি অর বাবলির কথা মনে আছে। সেলুলয়েডের পর্দায় তাদের চুরি বা কেপমারির কৌশল দেখে হতবাক হয়েছিলেন আমজনতা। এবার বাস্তবের বান্টি অর বাবলি হদিশ পাওয়া গিয়েছে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায়। তবে, তারা সম্পর্কে বন্ধু নয়, তারা স্বামী-স্ত্রী। ইতিমধ্যেই নিউ বারাকপুর থানার পুলিশ এই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে। পরে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্ষু চড়কগাছ কমিশনারেটের কর্তাদের। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গত চার-পাঁচ বছরে উত্তর ২৪ পরগনা এবং হুগলি জেলার ১৫ টি থানা এলাকায় স্কুটি নিয়ে অভিনব কায়দায় কেপমারি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকার অধিকাংশ থানা এলাকায় বহু মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা হাতিয়ে পগার পার হয়ে যেত তারা। যদিও কমিশনারেটের কর্তাদের পাতা ফাঁদে পড়ে আপাতত তারা এখন শ্রীঘরে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম আকবর আলি এবং রাবিয়া বিবি। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, বিভিন্ন থানা এলাকা মিলে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার বেশি তারা হাতিয়েছে। আরও কত টাকা তারা হাতিয়েছে তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই স্কুটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই স্কুটি করেই তারা অপারেশন চালাত।

    কী ভাবে তারা অপারেশন চালাত? Loot

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আকবর আর রাবিয়া বিবির বাড়়ি খড়দহ থানা এলাকায়। স্বামী, স্ত্রী মিলে পরিকল্পিতভাবে টাকা লুঠ (Loot) করে চলেছে। কমিশনারেট এলাকার মধ্যে জেটিয়া, নৈহাটি, খড়দহ, নিউ ব্যারাকপুর থানা এলাকা এবং জেলা পুলিশ এলাকার মধ্যে মধ্যমগ্রাম, বারাসতসহ একাধিক থানা রয়েছে। এছাড়া হুগলি জেলায় চন্দননগর, চুঁচুড়াসহ পাঁচটি থানা এলাকায় হানা দিয়েছে। প্রথমে স্কুটি করে তারা একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হত। পাড়ার লোকজন জানতেন কাজের বের হচ্ছেন। কারণ, তাদের বাড়ি রহড়া থানায়। সেখানে তারা কোনও অপরাধ করেনি। ফলে, এলাকার মানুষ তাদের সন্দেহ পর্যন্ত করত না। তাদের পোশাক, পরিচ্ছদ ছিল দেখার মতো। কোনও থানা এলাকায় গিয়ে একটি ব্যাঙ্ককে তারা বেছে নিত। সেই ব্যাঙ্কের সামনে তারা অপেক্ষা করত। রাবিয়া বিবি স্কুটি থেকে নেমে কিছুটা দূরে থাকত। ব্যাঙ্ক থেকে বয়স্ক কোনও লোকজন বের হলেই তাকে তারা টার্গেট করত। তার পিছনে ধাওয়া করত। টোটো বা অটোতে করে সেই বয়স্ক লোকজন উঠলেই সেই গাড়িতেই যাত্রী সেজে রাবিয়া বিবি উঠে পড়ত। আর পিছনে পিছনে তার স্বামী স্কুটি নিয়ে তার গাড়ি লক্ষ্য করত। রাবিয়াবিবি সুযোগ বুঝে গাড়ির মধ্যে বয়স্ক মানুষের সঙ্গে আলাপ জমাত। এরপর সুযোগ বুঝে ব্যাগে ব্লেড চালিয়ে টাকা হাতিয়ে নিত ( Loot)।  বুঝে ওঠার আগেই স্বামীর স্কুটি করে সে পগার পরা হয়ে যেত। ধৃতরা এখন জেল হেফাজতে রয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share