Tag: Basanti Puja

Basanti Puja

  • Annapurna Puja 2025: আজ অন্নপূর্ণা পুজো, কতক্ষণ থাকছে তিথি? জানুন দেবীর পৌরাণিক আখ্যান

    Annapurna Puja 2025: আজ অন্নপূর্ণা পুজো, কতক্ষণ থাকছে তিথি? জানুন দেবীর পৌরাণিক আখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ অন্নপূর্ণা পুজো। চৈত্র মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথিতে পূজিতা হন দেবী অন্নপূর্ণা (Annapurna Puja 2025)। তবে এর পাশাপাশি গ্রাম বাংলাতে নবান্ন উৎসবের সময়ও অন্নপূর্ণা পুজোর রীতি দেখা যায়। সেটা অগ্রহায়ণ মাসে সম্পন্ন হয়। মনে করা হয় বাংলায় অন্নপূর্ণা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারিত হয়েছে কাশী থেকেই। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করতে গেলে পুজো দিতে হয় মা অন্নপূর্ণাকে। হিন্দুদের বিশ্বাস, বাবা বিশ্বনাথ কাশীধামের নির্মাণকর্তা এবং মা অন্নপূর্ণা সমগ্র কাশী ধামের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এবারের অন্নপূর্ণা পুজো অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ অর্থাৎ ৫ এপ্রিল। পঞ্জিকা মতে, শুক্রবার রাত ১টা ৩৯ মিনিট (ইংরেজি মতে শনিবার) পর্যন্ত সপ্তমী ছিল। তারপরেই শুরু হয়েছে অষ্টমী তিথি। আজ শনিবার রাত ১২টা ২৩ মিনিট (ইংরেজি মতে রবিবার) পর্যন্ত অষ্টমী তিথি থাকছে।

    পঞ্জিকা অনুযায়ী অন্নপূর্ণা পুজোর (Annapurna Puja) নির্ঘণ্ট:

    পূর্বাহ্ন ৯ টা ৩৭ মিনিটের মধ্যে শ্রীশ্রীবাসন্তীদুর্গাদেবীর অষ্টমী বিহিত পূজা।

    রাত্রি ১১ টা ১৭ মিনিট গতে ১২ টা ৫ মিনিটের মধ্যে দেবীর অর্দ্ধরাত্রবিহিত পূজা।

    রাত্রি ১১ টা ৫৯ মিনিট গতে সন্ধিপূজারম্ভ।

    রাত্রি ১২ টা ২৩ মিনিট গতে বলিদান। আর তারপর নবমী তিথি পড়ে যাবে।

    এদিন কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব

    অন্নপূর্ণা পুজোর দিনে কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব। আমিষ ভোজন, মাদক পান, ধূমপান প্রভৃতি থেকে দূরে থাকেন এই দিন ভক্তরা। কাউকে কোনওরকম কটু কথাও বলেন না ভক্তরা। যাতে তাদের ব্যবহারে কেউ অন্য কেউ কষ্ট পায়। এদিন ভক্তরা ব্রত পালন করেন এবং মিথ্যা কথা বলেন না। সাদা পোশাকে পুজোয় (Annapurna Puja 2025) দিতে দেখা যায় ভক্তদের। হিন্দুদের বিশ্বাস অন্নকূট উৎসবে কোনও ভিক্ষুককে পিতলের পাত্রে আতপ চাল দান করলে অত্যন্ত শুভ ফল পাওয়া যায়।

    ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন

    দেবী অন্নপূর্ণার (Annapurna Puja 2025) যে কোনও বিগ্রহ দেখলেই বোঝা যায়, তাঁর হাত থেকে অন্ন গ্রহণ করছেন দেবাদিদেব মহাদেব। বাংলাতে ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে মা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্যও বর্ণনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্ন শব্দের অর্থ হল ধান আর পূর্ণা শব্দের অর্থ পূর্ণ। প্রচলিত অনেক কাহিনী রয়েছে মা অন্নপূর্ণাকে নিয়ে। তার মধ্যে অন্যতম হলো কাশীর পৌরাণিক আখ্যান।

    পৌরাণিক কাহিনী জানুন

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, শিব পার্বতী বিবাহের পরে দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু শিবের আর্থিক অনটনের কারণে দাম্পত্য সমস্যা শুরু হয়। সে সময়ে ভোলেনাথের সঙ্গে মা পার্বতীর (Annapurna Puja 2025) মতবিরোধ শুরু হয় মাতা পার্বতী কৈলাস ত্যাগ করেন। মাতা পার্বতীর এই সিদ্ধান্তের পরেই দেখা যায় মহামারি এবং নানা সংকট ভক্তরা তখন আকুল হয়ে পড়েন। তাঁরা দেবাদিদেব মহাদেবকে ডাকতে থাকেন। সেই সময়ই ভিক্ষার ঝুলিকে কাঁধে তুলে নেন মহাদেব। কিন্তু দেবীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা জোটে না। মহাদেব তখন জানতে পারেন কাশীতে এক নারী সকলকে অন্ন দান করছেন। তখন ভোলেনাথ সেখানে উপস্থিত হন। চিনতে পারেন তিনি মাতা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2025)। মহাদেব মায়ের কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করেন এবং সেই ভিক্ষা গ্রহণ করেই মহামারি এবং খাদ্যাভাব থেকে ভক্তকুলকে রক্ষা করেন বলে মনে করা হয়। চৈত্র মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সেখানে মানে কাশী ধামে মায়ের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মানা হয়। তাই তখন থেকেই সেখানে মায়ের পুজো প্রচলন। অন্য আরেকটি পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। সেই পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে দেবী পার্বতীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা পাননি দেবাদিদেব মহাদেব। তবে তা বুঝতে পারেন শিব। কৈলাসে ফিরে পায়েস পিঠে খেয়ে তৃপ্ত হন দেবাদিদেব। তখন থেকেই নাকি অন্নপূর্ণা পুজোর প্রচলন।

    মায়ের প্রিয় ভোগ কী জানেন

    মা অন্নপূর্ণাকে মা দুর্গার আরেক রূপ মানা হয়। বাংলার অন্নদামঙ্গল কাব্যে প্রথম মেলে এই দেবীর (Annapurna Puja 2025) উল্লেখ। শক্তির অপর রূপ মানা হয় মা অন্নপূর্ণাকে তিনি সকলের অন্ন যোগান। মা অন্নপূর্ণার প্রিয় ভোগ হল- মুগের ডাল, ভাত, শাক, ভাজা, মোচার ঘন্ট, আর ছানার ডালনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এইভাবে সাজিয়ে মাকে ভোগ নিবেদন করলে তিনি খুশি হন এবং বছরভর সুখ ও শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে ভক্তের জীবন।

  • Basanti Puja: চৈত্র শুক্লপক্ষে দেবী মহামায়ার আরাধনা করেন রাজা সুরথ, জানুন বাসন্তী পুজোর ইতিহাস

    Basanti Puja: চৈত্র শুক্লপক্ষে দেবী মহামায়ার আরাধনা করেন রাজা সুরথ, জানুন বাসন্তী পুজোর ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুশাস্ত্রমতে বসন্তকালে চৈত্র শুক্লপক্ষে আয়োজিত হয় বাসন্তী পুজো। পুরাণ অনুযায়ী, সমাধি নামক বৈশ্যের সঙ্গে মিলে রাজা সুরথ বসন্তকালে ঋষি মেধসের আশ্রমে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। যা পরে বাসন্তী পুজো (Basanti Puja) নামে প্রসিদ্ধ হয়। দেবী দুর্গার প্রথম পুজারী হিসাবে চণ্ডীতে রাজা সুরথের উল্লেখ রয়েছে।

    কবে থেকে পুজো, দেবীর আগমন কিসে

    চলতি বছরে বাসন্তীপুজো ৩ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে। এই পুজোর ষষ্ঠীই হল অশোক ষষ্ঠী। মূলত, সপ্তমী তিথি বাসন্তী পুজো, অষ্টমীতে অন্নপূর্ণার আরাধনা, নবমীই হল রাম নবমী। দেশের নানান জায়গায় যখন চৈত্র নবরাত্রির পার্বনে অনেকে উৎসবে মেতে রয়েছেন, তখন বাংলা এই চৈত্রের শুক্লপক্ষে দেবী বাসন্তীর আরাধনায় মেতে ওঠে। শাস্ত্রমতে বলা হচ্ছে, চলতি বছর দেবীর আগমন হবে গজে। আর দেবীর গমনও হতে চলেছে গজে। জ্যোতিষমতে বলা হচ্ছে, দেবীর বাহন যদি গজ বা হাতি হয়, তাহলে তার ফলাফল হয় শস্য শ্য়ামলা বসুন্ধরা। এতে মনে করা হয় বিশ্বে অর্থ, সমৃদ্ধি বাড়ে।

    রাজা সুরথের কাহিনী

    রাজা সুরথকে চিত্রগুপ্তবংশী রাজা (চিত্রগুপ্তের বংশধর) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দুর্গা সপ্তশতী দেবী মাহাত্ম্য এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণে। সুরথ সুশাসক ও যোদ্ধা হিসেবে বেশ খ্যাত ছিলেন। কোনও যুদ্ধে নাকি তিনি কখনও হারেননি। কিন্তু প্রতিবেশী রাজ্য একদিন তাঁকে আক্রমণ করে এবং সুরথ পরাজিত হন। এই সুযোগে তাঁর সভাসদরাও লুটপাট চালায়। কাছের মানুষের এমন আচরণে স্তম্ভিত হয়ে যান সুরথ। বনে ঘুরতে ঘুরতে তিনি মেধাসাশ্রমে পৌঁছোন। ঋষি তাঁকে সেখানেই থাকতে বলেন। কিন্তু রাজা শান্তি পান না।

    বাসন্তী পুজোর সূচনা

    এর মধ্যে একদিন তাঁর সমাধির সঙ্গে দেখা হয়। তিনি জানতে পারেন, সমাধিকেও তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তবুও তিনি স্ত্রী-ছেলের ভালোমন্দ এখনও ভেবে চলেছেন। তাঁরা দুজনেই তখন ভাবলেন, যাদের কারণে তাদের সব কিছু হারিয়েছে, তাদের ভালো আজও তাঁরা কামনা করছেন। ঋষিকে একথা বলায়, তিনি বলেন সবই মহামায়ার ইচ্ছা। এরপর ঋষি মহামায়ার কাহিনি বর্ণনা করেন। ঋষির উপদেশেই রাজা কঠিন তপস্যা শুরু করেন। পরে মহামায়ার আশীর্বাদ পেতেই বসন্ত কালের শুক্ল পক্ষে রাজা পুজো শুরু করেন। শুরু হয় বাসন্তী পুজো (Basanti Puja)। এই পুজো এখন কয়েকটি বাড়িতেই শুধু হয়।

  • Basanti Puja 2024: আজ বাসন্তী পুজোর সপ্তমী, জেনে নিন এই উৎসবের ইতিহাস

    Basanti Puja 2024: আজ বাসন্তী পুজোর সপ্তমী, জেনে নিন এই উৎসবের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জিকা অনুসারে, এখন চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের তিথি চলছে। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্ল তিথিতে আয়োজিত হয় নবরাত্রি উৎসবের। অবাঙালি সম্প্রদায়ের কাছে এটি চৈত্র নবরাত্রি নামেও পরিচিত। নয় রাত ধরে দেবী দুর্গার নয় রূপের আরাধনা করা হয়। আর এই সময়ে মহা ধুমধামের সঙ্গে বাঙালি মেতে ওঠে বাসন্তী পুজোয় (Basanti Puja 2024)। বাসন্তী পুজোই হল বাঙালির আসল দুর্গাপুজো। পরে শরত্‍কালে শারদীয়া নবরাত্রির সময় রামচন্দ্রের অকাল বোধন মেনে দুর্গাপুজোর প্রচলন হয়। এই নবরাত্রির (Navratri 2024) সপ্তমী থেকে নবমী, তিন দিন ধরে চলে বাসন্তী পুজো। দুর্গাপুজোর মতোই সব নিয়ম আচার মেনে বাসন্তী পুজো করা হয়। বসন্ত কালে এই দুর্গা পুজো হয় বলে একে বাসন্তী পুজো বলা হয়ে থাকে।

    মঙ্গলবার অন্নপূর্ণা পুজো, বুধবার রামনবমী (Ram Navami)

    রবিবার, পয়লা বৈশাখের দিন থেকে শুরু হয়েছে বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। গতকাল ছিল ষষ্ঠী। আজ সোমবার, ১৫ এপ্রিল, বাসন্তী পুজোর সপ্তমী তিথি। সেই হিসেবে, ১৬ তারিখ অষ্টমী তথা অন্নপূর্ণা পুজো। পরের দিন, অর্থাৎ, ১৭ তারিখ পালিত হবে রামনবমী। পঞ্জিকা মতে, ১৬ এপ্রিল পড়ছে রামনবমীর তিথি। ওই দিন দুপুর ১টা ২৩ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে রামনবমীর তিথি। আর তিথি চলবে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত। ১৭ এপ্রিল দুপুর ৩টে ১৪ মিনিটে শেষ হচ্ছে রামনবমীর তিথি। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে, যেহেতু উদয়া তিথি ধার্য করা হয়, সেই নিয়মেই ১৭ এপ্রিল রামনবমীর (Ram Navami) তিথি পালিত হবে।

    এবছর দেবী এসেছেন ঘোটকে…

    শাস্ত্র মতে, দেবীর আসা ও যাওয়ার বাহনের উপর নির্ভর করে গোটা বছর কেমন কাটতে চলেছে। দেবী দুর্গা কোনও বছর ঘোড়া, কোনও বছর হাতি, আবার কোনও বছর নৌকায় আসেন। চলতি বছরে চৈত্র নবরাত্রিতে দেবীর আগমন (Basanti Puja 2024) হবে ঘোটক বা ঘোড়ায়। ঘোড়ায় চড়ে দেবীর মর্ত্যে আগমন জ্যোতিষ অনুসারে শুভ লক্ষণ হিসাবে মানা হয় না। এর ফলে ক্ষমতার পরিবর্তন ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

    রাজা সুরথ ও বাসন্তী পুজোর ইতিহাস

    পুরাণ অনুযায়ী, সমাধি নামক বৈশ্যের সঙ্গে মিলে রাজা সুরথ বসন্তকালে ঋষি মেধসের আশ্রমে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। যা পরে বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024) নামে প্রসিদ্ধ হয়। দেবী দুর্গার প্রথম পুজারী হিসাবে চণ্ডীতে রাজা সুরথের উল্লেখ রয়েছে। পরে রাবণ বধের উদ্দেশে শ্রীরামচন্দ্র অকাল বোধন করেন এবং তখন থেকে দূর্গাপুজো শরৎকালে শুরু হয়।

    রাজা সুরথকে চিত্রগুপ্তবংশী রাজা (চিত্রগুপ্তের বংশধর) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দূর্গা সপ্তশতী দেবী মাহাত্ম্য এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণে। সুরথ সুশাসক ও যোদ্ধা হিসেবে বেশ খ্যাত ছিলেন। কোনও যুদ্ধে নাকি তিনি কখনও হারেননি। কিন্তু প্রতিবেশী রাজ্য একদিন তাঁকে আক্রমণ করে এবং সুরথ পরাজিত হন। এই সুযোগে তাঁর সভাসদরাও লুটপাট চালায়। কাছের মানুষের এমন আচরণে স্তম্ভিত হয়ে যান সুরথ। বনে ঘুরতে ঘুরতে তিনি মেধাসের আশ্রমে পৌঁছান। ঋষি তাঁকে সেখানেই থাকতে বলেন। কিন্তু রাজা শান্তি পান না। এর মধ্যে একদিন তাঁর সমাধির সঙ্গে দেখা হয়। তিনি জানতে পারেন, সমাধিকেও তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তবুও তিনি স্ত্রী-ছেলের ভালোমন্দ এখনও ভেবে চলেছেন।

    তাঁরা দুজনেই তখন ভাবলেন, যাদের কারণে তাদের সব কিছু হারিয়েছে, তাদের ভালো আজও তারা কামনা করছেন। ঋষিকে একথা বলায়, তিনি বলেন সবই মহামায়ার ইচ্ছা। এরপর ঋষি মহামায়ার কাহিনি বর্ণনা করেন। ঋষির উপদেশেই রাজা কঠিন তপস্যা শুরু করেন। পরে মহামায়ার আশীর্বাদ পেতেই বসন্ত কালের শুক্ল পক্ষে রাজা পুজো শুরু করেন। শুরু হয় বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। এই পুজো এখন কয়েকটি বাড়িতেই শুধু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basanti Puja: বাসন্তী পুজোর ইতিহাস জানুন

    Basanti Puja: বাসন্তী পুজোর ইতিহাস জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরাণ অনুযায়ী, সমাধি নামক বৈশ্যের সঙ্গে মিলে রাজা সুরথ বসন্তকালে ঋষি মেধসের আশ্রমে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। যা পরে বাসন্তী পুজো (Basanti Puja) নামে প্রসিদ্ধ হয়। দেবী দুর্গার প্রথম পুজারী হিসাবে চণ্ডীতে রাজা সুরথের উল্লেখ রয়েছে। পরে রাবণ বধের উদ্দেশে শ্রীরামচন্দ্র অকাল বোধন করেন এবং তখন থেকে দূর্গাপুজো শরৎকালে শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: ‘এবছর নৌকায় আগমন দেবী দুর্গার! জেনে নিন বাসন্তী পুজোর তিথি, শুভক্ষণ

    রাজা সুরথের কাহিনী

    রাজা সুরথকে চিত্রগুপ্তবংশী রাজা (চিত্রগুপ্তের বংশধর) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দূর্গা সপ্তশতী দেবী মাহাত্ম্য এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণে। সুরথ সুশাসক ও যোদ্ধা হিসেবে বেশ খ্যাত ছিলেন। কোনও যুদ্ধে নাকি তিনি কখনও হারেননি। কিন্তু প্রতিবেশী রাজ্য একদিন তাঁকে আক্রমণ করে এবং সুরথ পরাজিত হন। এই সুযোগে তাঁর সভাসদরাও লুটপাট চালায়। কাছের মানুষের এমন আচরণে স্তম্ভিত হয়ে যান সুরথ। বনে ঘুরতে ঘুরতে তিনি মেধাসাশ্রমে পৌঁছোন। ঋষি তাঁকে সেখানেই থাকতে বলেন। কিন্তু রাজা শান্তি পান না। এর মধ্যে একদিন তাঁর সমাধির সঙ্গে দেখা হয়। তিনি জানতে পারেন, সমাধিকেও তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তবুও তিনি স্ত্রী-ছেলের ভালোমন্দ এখনও ভেবে চলেছেন।

    আরও পড়ুন: আজ থেকে শুরু নবরাত্রি, ন’দিনে নয় দেবীর আরাধনা, কোন দিন কী পুজো?

    তাঁরা দুজনেই তখন ভাবলেন, যাদের কারণে তাদের সব কিছু হারিয়েছে, তাদের ভালো আজও তারা কামনা করছেন। ঋষিকে একথা বলায়, তিনি বলেন সবই মহামায়ার ইচ্ছা। এরপর ঋষি মহামায়ার কাহিনি বর্ণনা করেন। ঋষির উপদেশেই রাজা কঠিন তপস্যা শুরু করেন। পরে মহামায়ার আশীর্বাদ পেতেই বসন্ত কালের শুক্ল পক্ষে রাজা পুজো শুরু করেন। শুরু হয় বাসন্তী পুজো (Basanti Puja)। এই পুজো এখন কয়েকটি বাড়িতেই শুধু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Basanti Puja 2024: চলতি বছরে বাসন্তী পুজো কবে? জেনে নিন পৌরাণিক আখ্যান

    Basanti Puja 2024: চলতি বছরে বাসন্তী পুজো কবে? জেনে নিন পৌরাণিক আখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের দুর্গা পুজো নামে পরিচিত বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। শ্রী শ্রী চণ্ডীতে দুর্গার প্রথম পুজারী হিসেবে রাজা সুরথের নাম পাওয়া যায়। চলতি বছরে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি পড়ছে ৮ এপ্রিল বেলা ২টো ১১ মিনিট থেকে। কিন্তু উদয়া তিথি মেনে নবরাত্রির ঘট স্থাপন হবে ৯ এপ্রিল। সেই হিসেবে ২০২৪ সালে ৯ এপ্রিল থেকেই শুরু হয়েছে চৈত্র নবরাত্রি। নবরাত্রির অবসান হবে ১৭ এপ্রিল। পুরো ৯ দিন ধরে চলবে চৈত্র নবরাত্রি পালন।

    দেবীর আগমন ঘোটকে

    শাস্ত্র মতে, দেবীর আসা ও যাওয়ার বাহনের উপর নির্ভর করে গোটা বছর কেমন কাটতে চলেছে মর্ত্যবাসীর। দেবী দুর্গা কোনও বছর ঘোড়া, কোনও বছর হাতি, আবার কোনও বছর নৌকায় আসেন। চলতি বছরে চৈত্র নবরাত্রিতে দেবীর আগমন (Basanti Puja 2024) হবে ঘোটক বা ঘোড়ায়। ঘোড়ায় চড়ে দেবীর মর্ত্যে আগমন জ্যোতিষ অনুসারে শুভ লক্ষণ হিসাবে মানা হয় না। এর ফলে ক্ষমতার পরিবর্তন ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

    রামনবমীর তিথি 

    ২০২৪ সালে ১৬ এপ্রিল পড়ছে রামনবমীর তিথি। ওই দিন দুপুর ১টা ২৩ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে রামনবমীর তিথি। আর তিথি চলবে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত। ১৭ এপ্রিল দুপুর ৩টে ১৪ মিনিটে শেষ হচ্ছে রামনবমীর তিথি। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে উদয়া তিথিতে এই উৎসব (Basanti Puja 2024) পালিত হয়। সেই নিয়মেই ১৭ এপ্রিল রামনবমীর তিথি পালিত হবে।

    দুর্গা পুজোর পৌরাণিক আখ্যান

    একবার রাজা সুরথ প্রতিবেশী রাজ্যের আক্রমণে পরাজিত হন, এই সুযোগে তাঁর সভাসদরা লুঠপাঠ চালায়। নিজের লোকেদের এমন আচরণে তিনি হতাশ হয়ে যান। এই সময় তিনি নিরাশ হয়ে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঋষি মেধসের আশ্রমে পৌঁছান। ঋষি তাঁকে সেখানেই থাকতে বলেন। কিন্তু রাজার মনে কোনও শান্তি ছিল না। এর মধ্যে একদিন তাঁর সঙ্গে সমাধি বলে একজন বৈশ্যর দেখা হয়। সুরথ জানতে পারেন সমাধিকেও তাঁর স্ত্রী ও ছেলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে, তবুও তিনি বউ ছেলের ভালো-মন্দ এখনও ভেবে চলেছেন। এমন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পেতে কী করণীয়? ঋষির কাছে তা জানতে চান দুজনেই। ঋষি মহামায়ার আরাধনা করতে বলেন। সেই মতো রাজা বসন্তকালের শুক্লপক্ষে দেবী দুর্গার পুজো শুরু করেন। সেই সময় থেকে শুরু হয়েছিল বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। এরপরেই রাজা সুরথ নিজের রাজ্য ফিরে পান। বৈশ্য সমাধি ফিরে পান নিজের পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Basanti Puja: এবছর নৌকায় আগমন দেবী দুর্গার! জেনে নিন বাসন্তী পুজোর তিথি, শুভক্ষণ

    Basanti Puja: এবছর নৌকায় আগমন দেবী দুর্গার! জেনে নিন বাসন্তী পুজোর তিথি, শুভক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরৎকালে হয় শারদীয়া দুর্গাপুজো, আর বসন্তকালে দেবী দুর্গার পুজো বাসন্তী পুজো (Basanti Puja) নামে পরিচিত। পুরাণ অনুযায়ী, অশুভ শক্তির বিনাশের উদ্দেশে শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেছিলেন, এই আখ্যানের সঙ্গে আমরা সকলেই কমবেশি পরিচিত। যা দেবীর অকাল বোধন হিসেবে প্রসিদ্ধ। আর চন্দ্রবংশীয় রাজা সুরথ বসন্ত কালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। তাই এই পুজো বাসন্তী পুজো নামে পরিচিত। চলতি বছর বাসন্তী পুজো পড়েছে ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। 

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, বাসন্তী পূজার (Basanti Puja) তিথি, শুভক্ষণ

    বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে

     পঞ্চমী তিথি আরম্ভ – ২৫ মার্চ, শনিবার। বাংলার ১০ চৈত্র। সময় – বিকেল ৪টে ২৫ মিনিট।
     পঞ্চমী তিথি শেষ – ২৬ মার্চ, রবিবার। বাংলার ১১ চৈত্র। সময় – বিকেল ৪টে ৩৩ মিনিট।
     
    ষষ্ঠী তিথি আরম্ভ – ২৬ মার্চ, রবিবার। বাংলার ১১ চৈত্র। সময় – বিকেল ৪টে ৩৪ মিনিট। 
    ষষ্ঠী তিথি শেষ – ২৭ মার্চ, সোমবার। বাংলার ১২ চৈত্র। সময় – বিকেল ৫টা ২৮ মিনিট। 

    সপ্তমী তিথি আরম্ভ – ২৭ মার্চ, সোমবার। বাংলার ১২ চৈত্র। সময় – বিকেল ৫টা ২৯ মিনিট। 
    সপ্তমী তিথি শেষ – ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। বাংলার ১৩ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ০৩ মিনিট।
     
    অষ্টমী তিথি আরম্ভ – ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। বাংলার ১৩ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ০৪ মিনিট।
     অষ্টমী তিথি শেষ – ২৯ মার্চ, বুধবার। বাংলার ১৪ চৈত্র। সময় – রাত ৯টা ০৮ মিনিট।
     
    সন্ধি পুজোর শুভক্ষণ – রাত ৮টা ৪৪ মিনিটে সন্ধি পুজো আরম্ভ। রাত ৯টা ৩২ মিনিটে সন্ধি পুজো সমাপ্ত

    নবমী তিথি আরম্ভ – ২৯ মার্চ, বুধবার। বাংলার ১৪ চৈত্র। সময় – রাত ৯টা ০৯ মিনিট । 
    নবমী তিথি শেষ – ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাংলার ১৫ চৈত্র। সময় – রাত ১১টা ৩১ মিনিট।

    দশমী তিথি আরম্ভ – ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাংলার ১৫ চৈত্র। সময় – রাত ১১টা ৩২ মিনিট। 
    দশমী তিথি শেষ – ৩১ মার্চ, শুক্রবার। বাংলার ১৬ চৈত্র।

    গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে

     পঞ্চমী তিথি আরম্ভ – ২৫ মার্চ, শনিবার। বাংলার ১০ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
     পঞ্চমী তিথি শেষ – ২৬ মার্চ, রবিবার। বাংলার ১১ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড। 

    ষষ্ঠী তিথি আরম্ভ – ২৬ মার্চ, রবিবার। বাংলার ১১ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড।
     ষষ্ঠী তিথি শেষ – ২৭ মার্চ, সোমবার। বাংলার ১২ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ৪১ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড।
     
    সপ্তমী তিথি আরম্ভ – ২৭ মার্চ, সোমবার। বাংলার ১২ চৈত্র। সময় – সন্ধ্যা ৭টা ৪১ মিনিটে ৪৬ সেকেন্ড। 
    সপ্তমী তিথি শেষ – ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। বাংলার ১৩ চৈত্র। সময় – রাত ৮টা ৪৭ মিনিট ২২ সেকেন্ড।
     
    অষ্টমী তিথি আরম্ভ – ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার। বাংলার ১৩ চৈত্র। সময় – রাত ৮টা ৪৭ মিনিট ২৩ সেকেন্ড।
     অষ্টমী তিথি শেষ – ২৯ মার্চ, বুধবার। বাংলার ১৪ চৈত্র। সময় – রাত ১০টা ১৭ মিনিট ৩২ সেকেন্ড । 

    সন্ধি পুজোর শুভক্ষণ – রাত ৯টা ৫৩ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে সন্ধি পুজো আরম্ভ। রাত ১০টা ৪১ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে সন্ধি পুজো সমাপ্ত। 

    নবমী তিথি আরম্ভ – ২৯ মার্চ, বুধবার। বাংলার ১৪ চৈত্র। সময় – রাত ১০ টা ১৭ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড। 
    নবমী তিথি শেষ – ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাংলার ১৫ চৈত্র। সময় – রাত ১২টা ৮ মিনিট ১৮ সেকেন্ড। 

    দশমী তিথি আরম্ভ – ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার। বাংলার ১৫ চৈত্র। সময় – রাত ১২টা ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
     দশমী তিথি শেষ – ৩১ মার্চ, শুক্রবার। বাংলার ১৬ চৈত্র।

    বাসন্তী পুজোর মাহাত্ম্য

    বাসন্তী পুজোর মাহাত্ম্য শাস্ত্র মতে, রাজ্য হারানো রাজা সুরথ বসন্তকালে সমাধি নামক বৈশ্যের সঙ্গে মিলে ঋষি মেধসের আশ্রমে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। দেবীর আশীর্বাদ পেতেই বসন্তকালের শুক্লপক্ষে রাজা দেবীর উপাসনা করেন। মা দুর্গা ভক্তের পুজোয় সন্তুষ্ট হয়ে রাজা সুরথকে তাঁর হারানো রাজ্য ফিরিয়ে দেন। এই পুজোই পরে বাসন্তী পুজো নামে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে

    এবছর নৌকায় আগমন হবে দেবী দুর্গার

    শারদীয় দুর্গা পুজোর মতো বাসন্তী পুজোতেও (Basanti Puja) মা দুর্গা প্রতি বছর আলাদা আলাদা বাহনে সওয়ার হয়ে আসেন। দেবীর এই সব বাহনের আলাদা আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। এই বছর বাসন্তী পুজোয় মা দুর্গা আসছেন নৌকায় সওয়ার হয়ে। দেবীর নৌকা বাহন অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে পৃথিবী সুজলা সুফলা হয়ে ওঠে ও মর্ত্যবাসীর মনে খুশিতে ভরে ওঠে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share