Tag: basirhat

basirhat

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি জুড়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস, মিষ্টি বিতরণ, উঠল ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি জুড়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস, মিষ্টি বিতরণ, উঠল ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন প্রতীক্ষার অবসান। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অত্যাচারের মূলচক্রী দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান গ্রেফতার। এতদিন শুধুই চোখের জল দেখেছে সন্দেশখালি। এখন হাসছে সেখানকার মানুষজন। শাহজাহানের গ্রেফতারির খবর পেতেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। চলছে মিষ্টি বিতরণ। ফাটছে বাজি। উঠল জয় শ্রী রাম স্লোগান।

    বসিরহাট লকআপে শাহজাহান

    ইডি-র ওপর হামলার পর থেকে ফেরার ছিল শাহজাহান। তাঁর অন্যতম শাগরেদ উত্তম সর্দার, শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ার পরও মহিলারা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন। পুলিশ প্রশাসন থেকে রাজ্যের মন্ত্রীদের কাছে শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছিলেন। তারপরও পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও গা করেনি। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) জুড়়ে জনরোষ আছড়ে পড়েছিল। তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির ওপর হামলা চালানো হয়। তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে, পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ফেরার থাকার দেড় মাস পর অবশেষে শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করল। বসিরহাট লকআপে শেখ শাহজাহানকে রাখা হয়। সেখানে মোতায়েন রয়েছেন প্রচুর পুলিশ আধিকারিক। রয়েছেন মহিলা পুলিশও। গার্ডরেল বসানো হয়েছে। একাধিক পুলিশ কর্তা বসিরহাট মহকুমা আদালতে আসতে শুরু করেছেন। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বসিরহাট। আর গ্রেফতার হওয়ার পরই এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়। অনেক মহিলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। বয়স্ক মহিলাদের রাস্তায় নাচ করতে দেখা যায়।

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন? (Sandeshkhali)

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, পুলিশ ইচ্ছাকৃত শাহজাহানকে ধরেনি। আমরা এতদিন ধরে চিৎকার করছি, তারপরও পুলিশের টনক নড়েনি। আদালত নির্দেশ দিল। এরপর তাঁকে না ধরলে ভাবমূর্তি খারাপ হবে বুঝতে পেরে পুলিশ গ্রেফতার করল। এলাকার মানুষ বার বার বলেছিলেন সন্দেশখালিতেই লুকিয়ে রয়েছেন শাহজাহান। তাতে কোনও লাভ হয়নি। তবে তৃণমূলের তরফে গ্রেফতারির সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরই রাতারাতি পুলিশের জালে উঠে এল শাহজাহান। কীভাবে সম্ভব হল এটা? আর শাহজাহান যে সন্দেশখালির বাইরে যাননি তাও গ্রেফতারির মধ্যে প্রকাশিত হল। ও যে অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে আমরা ওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: জোর করে তোলা হল বিজেপি-র অবস্থান! সুকান্তসহ কর্মীদের আটকে রাখা হল স্টেডিয়ামে

    Sukanta Majumdar: জোর করে তোলা হল বিজেপি-র অবস্থান! সুকান্তসহ কর্মীদের আটকে রাখা হল স্টেডিয়ামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে বিজেপি-র এসপি অফিস ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল বসিরহাট। পুলিশের নির্বিচারে লাঠিচার্জ এবং দলীয় কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে পুলিশ সুপারের অফিসের কাছে অস্থায়ী মঞ্চ করে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। গভীর রাতে জোর করে অবস্থান তুলে দেয় মমতার পুলিশ। এমনই অভিযোগ অবস্থানে বসা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের।

    জোর করে অবস্থান তুলে দেয় পুলিশ

    অস্থায়ী মঞ্চ করে শতাধিক কর্মী-সমর্থক নিয়ে মঙ্গলবার বিকাল থেকে অবস্থান শুরু করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। সেখানে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন ছিল। রাত ১২ টা নাগাদ পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে অবস্থান তুলে নেওয়ার জন্য রীতিমতো হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীরা অবস্থানে অনড় থাকে। রাত ১টা নাগাদ বিশাল পুলিশ বাহিনী একরকম জোর করে অবস্থান তুলে দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের গভীর রাতে ধস্তাধস্তি হয়।  পরে, বসিরহাট স্টেডিয়ামের ভিতরে আনা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রাখার পর রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ বন্ডে সই করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হল সুকান্ত এবং বিজেপি কর্মীদের।

    সন্দেশখালি যাওয়ার কথা ঘোষণা সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    ছাড়া পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমাদের দলীয় কর্মীদের আটক করতে পুলিশ যে তৎপরতা দেখালো, শাহজাহান ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গদের ধরতে এ রকম তৎপরতা দেখালে পুলিশকে আজ এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হত না।” তিনি আরও জানান, রাতটা তিনি জেলাতেই কাটাবেন। বুধবার সকালে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেবেন।

    এসপি অফিস ঘেরাও কর্মসূচি নিয়ে রণক্ষেত্র

    সড়ক পথে বাধা দিতে পারে আশঙ্কা করেই বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এদিন লোকাল ট্রেনে দাঁড়িয়ে বসিরহাটে যান। মূল রাস্তা ধরে গেলে বাধার মুখে পড়তে পারেন জেনে সুকান্ত বাইকে চড়ে অলি-গলি ধরে বসিরহাট এসপি অফিসের উদ্দেশে রওনা দেন। আগে থেকে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত ছিলেন। এমনিতেই বিজেপির কর্মসূচিকে বানচাল করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। মিছিল করে এসপি অফিসের দিকে রওনা দিতেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। এরপরই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। মহিলা কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এমনকী কাঁদানে গ্যাসের একাধিক সেল ফাটানো হয়। গোটা এলাকা কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পুলিশের নির্বিচারে লাঠিচার্জের প্রতিবাদে সুকান্তর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, দুহাজার কর্মী জমায়েত করে ওরা। পুলিশ কর্মীদের উদ্দেশে ইট, পাথর ছোড়া হয়। তাতে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হন। এরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পুলিশ শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হয়। বহু কর্মী জখম হয়েছেন। অনেকের পা ভেঙে গিয়েছে। মহিলারা জখম হয়েছে। মমতার পুলিশ এলাকায় সন্ত্রাস চালিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তর এসপি অফিস অভিযান ঘিরে অগ্নিগর্ভ বসিরহাট, লাঠিচার্জ-কাঁদানে গ্যাস

    Sukanta Majumdar: সুকান্তর এসপি অফিস অভিযান ঘিরে অগ্নিগর্ভ বসিরহাট, লাঠিচার্জ-কাঁদানে গ্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে বিজেপি-র এসপি অফিস ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল বসিরহাট। এমনিতেই বিজেপির কর্মসূচিকে বানচাল করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। পুলিশ মোতায়েন করা হয় এলাকায়। এসপি অফিস যাওয়ার অনেক আগে থেকেই ব্যারিকেড দিয়ে এলাকা ঘিরে দেওয়া হয়। এদিন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে দলীয় কর্মীরা এসপি অফিসের উদ্দেশে রওনা দিতেই পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়।

    ট্রেনে করে বসিরহাটে, বাইকে অলিতে-গলিতে এসপি অফিস (Sukanta Majumdar)

    সড়ক পথে বাধা দিতে পারে আশঙ্কা করেই বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এদিন লোকাল ট্রেনে দাঁড়িয়ে বসিরহাটে যান। মূল রাস্তা ধরে গেলে বাধার মুখে পড়তে পারেন জেনে সুকান্ত বাইকে চড়ে অলি-গলি ধরে বসিরহাট এসপি অফিসের উদ্দেশে রওনা দেন। আগে থেকে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত ছিলেন। মিছিল করে এসপি অফিসের দিকে রওনা দিতেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। এরপরই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। মহিলা কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এমনকী কাঁদানে গ্যাসের একাধিক সেল ফাটানো হয়। গোটা এলাকা কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পুলিশের নির্বিচারে লাঠিচার্জের প্রতিবাদে সুকান্তর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, দুহাজার কর্মী জমায়েত করে ওরা। পুলিশ কর্মীদের উদ্দেশে ইট, পাথর ছোড়া হয়। তাতে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হন। এরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পুলিশ শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হয়। বহু কর্মী জখম হয়েছেন। অনেকের পা ভেঙে গিয়েছে। মহিলারা জখম হয়েছে। মমতার পুলিশ এলাকায় সন্ত্রাস চালিয়েছে।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছে। শাহজাহানের কথায় পুলিশ এসব করছে। শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা চালায় মমতার পুলিশ। আমাদের কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে আমিও জখম হয়েছি। পুলিশের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করার পর বহু কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এসবের প্রতিবাদে আমরা অবস্থান বিক্ষোভে বসেছি। দলীয় কর্মীদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত অবস্থান চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ট্রেনে করে বসিরহাট, বাইকে চেপে অলি-গলি দিয়ে এসপি অফিসে সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ট্রেনে করে বসিরহাট, বাইকে চেপে অলি-গলি দিয়ে এসপি অফিসে সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাটের পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির। সেই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। যদিও কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সুপারের অফিসের আশপাশে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। বসিরহাট জেলা পুলিশের অফিস চত্বর অর্থাৎ সংগ্রামপুর এলাকার ৫০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে। সকাল থেকে এলাকায় মাইকিং করে অবৈধ জমায়েত করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। সড়কপথে গেলে পুলিশ আগেই আটকে দিতে পারে। তাই হৃদয়পুর স্টেশন থেকে লোকাল ট্রেনে চেপে বসিরহাটের উদ্দেশে তিনি রওনা দেন। মোট ৩০ জনের টিকিট কাটা হয়েছে। সুকান্ত বলেন, আইনভঙ্গ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু, পুলিশের হাত এড়িয়ে আমরা যে করে হোক বসিরহাট পৌঁছাব। তাই গাড়ির বদলে লোকাল ট্রেন। এদিন দুপুরে বসিরহাট স্টেশন পৌঁছান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। স্টেশন থেকে বাইক মিছিল করে এসপি অফিসের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সঙ্গে বিজেপি কর্মী, সমর্থকেরা। পুলিশের চোখ এড়াতে বড় রাস্তা নয়, বসিরহাট স্টেশন থেকে গলি দিয়ে এসপি অফিসের দিকে রওনা দেন সুকান্ত। 

    সন্দেশখালিতে জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বসিরহাট যাওয়ার পাশাপাশি এদিন সন্দেশখালিতে পৌঁছলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। সেখানে গ্রামে ঘুরে ঘুরে মহিলাদের সঙ্গে কথা বলছেন কমিশনের দুই প্রতিনিধি। মহিলারাও শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারের কথা কমিশনের সদস্যদের সামনে তুলে ধরেন।

    বসিরহাটে পুলিশের বিরুদ্ধে আইনজীবীদের মিছিল

    বসিরহাট মহকুমা আদালতের আইনজীবীদের পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল। সোমবার বিজেপি নেতা বিকাশ সিংহকে যখন পুলিশ আদালতের বাইরে থেকে গ্রেফতার করে তখন সেখানে উপস্থিত আইনজীবীদেরও ধাক্কাধাক্কি করা হয় এবং মহিলা আইনজীবীকে শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে মঙ্গলবার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন আইনজীবীরা। এখনও পর্যন্ত যা সিদ্ধান্ত যে, এই কর্মবিরতি লাগাতার চলবে।

    আটকানো হল কংগ্রেসকে

    উত্তর ২৪ পরগনার ধামাখালির রামপুরে যুব কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলকে আটকে  দেয় পুলিশ। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন যুব কংগ্রেস কর্মী, সমর্থকেরা। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে যুব কংগ্রেস কর্মীদের ধস্তাধস্তি বেধে যায়। তার পরে বিক্ষোভকারীদের বাসে তুলে নিয়ে চলে যায় পুলিশ।

    বসিরহাট আদালতে তোলা হল বিকাশ, উত্তমকে

    বিজেপি নেতা বিকাশ সিংহ এবং তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারকে বসিরহাট আদালতে তোলা হয়। আদালতে ঢোকার সময় বিজেপি নেতা বিকাশ বলেন, ‘‘সন্দেশখালিকে বাঁচান, সন্দেশখালির মহিলাদের বাঁচান, আমাকে আবার ফাঁসানো হয়েছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: জাল তফশিলি শংসাপত্র! বসিরহাটে সরকারি কর্মীর বাড়িতে সিবিআই হানা

    CBI: জাল তফশিলি শংসাপত্র! বসিরহাটে সরকারি কর্মীর বাড়িতে সিবিআই হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে সিবিআই-ইডি হানার ঘটনা বার বার হচ্ছে। বিশেষ করে পুর-নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার বসিরহাটে সরকারি এক কর্মী রজত মণ্ডলের বাড়িতে সিবিআই (CBI) হানা দেয়। শনিবারই দিনভর তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    কেন সিবিআই হানা? (CBI)

    এমনিতেই  সরকারি এই কর্মীর বাড়িতে সিবিআই (CBI) হানা হতেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরকারি কর্মীর জড়িত থাকা নিয়ে চর্চা হয়। যদিও পরে জানা যায়, জাল শংসাপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তে সিবিআই হানা দিয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, এসসিএসটি-ওবিসি শংসাপত্র জাল করা- সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রজতের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। উল্লেখ্য, গত পুরসভা নির্বাচনের পরে বসিরহাট পুরসভার এক জনপ্রতিনিধির ভুয়ো পরিচয়পত্র নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে। শাসকদলের ওই জনপ্রতিনিধির পরিচয়পত্র – প্রভাব খাটিয়ে রজত মণ্ডল বের – করেন বলে অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হওয়ায় বসিরহাট থেকে বারাসত সদরে তাঁকে বদলি করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এদিন তাঁর বাড়িতে তদন্তে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা।

    সরকারি কর্মী কী সাফাই দিলেন?

    সিবিআই আধিকারিকরা চলে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রজত। সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা তদন্তের বিষয়ে তাঁকে কিছুই জানাননি বলে তিনি দাবি করেন। রজত বলেন, ‘আমার কাছে যা জানতে চেয়েছিল, আমি সে বিষয়ে আগেই উত্তর জানিয়ে দিয়েছি। এদিন কী বিষয়ে সিবিআই  তদন্তে এসেছিল, তা বলতে পারব না।’

    প্রসঙ্গত, তফসিলি জাতি উপজাতি শংসাপত্র জাল করার একাধিক অভিযোগ এর আগে উঠেছে। মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দেখিয়ে ছাত্র ভর্তির অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে রাজ্যে এখন চরম শোরগোল। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই মামলার দায়িত্ব সিবিআই-কে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ তা খারিজ করে দেন। তা নিয়ে দুই বিচারপতির দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছয়, তাতে হস্তক্ষেপ করে সুপ্রিম কোর্ট। বর্তমানে এই মামলা শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন। এর মধ্যেই ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র তৈরির অভিযোগে মহকুমা অফিসের এক কর্মীর বাড়িতে তল্লাশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Police: সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় এতদিনে টনক নড়ল, সরানো হল বসিরহাটের এসপি’কে

    West Bengal Police: সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় এতদিনে টনক নড়ল, সরানো হল বসিরহাটের এসপি’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিকস্তরে একাধিক রদবলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবান্ন থেকে রাজ্যে একাধিক আইএএস, আইপিএস এবং ডব্লুবিসিএস অফিসারদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের উপর দুষ্কৃতীদের আক্রমণের ঘটনায় বসিরহাটের এসপি জোবি থমাসকে বদলি করা হল এবার। উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির তদন্তকাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। শাহজাহানের অনুগামীরা ব্যাপক সংখ্যায় জমায়েত হয়ে হামলা করেছিল। ঘটনায় ইডির তিন জন অফিসারের মাথা ফেটেছিল। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু ঘটনার পর এতদিন কেটে গেলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। কমিশনের নজরদারি শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই কি আগেভাগে এসপি’কে বদলি করা হল? এমন প্রশ্ন স্বাভাবিক কারণেই উঠতে শুরু করেছে।

    একই ভাবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা অধিকর্তা হিসাবে নতুন দায়িত্ব পেলেন জাভেদ শামিম। সব মিলিয়ে বুধবার মোট ৪৫ জন আইপিএস অফিসারকে বদল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কোন কোন অফিসারের বদলি হল (West Bengal Police)?

    লোকসভা ভোটের আগে একাধিক পুলিশ আধিকারিকদের (West Bengal Police) রদবদল করা হল। আইবি দফতর থেকে মনোজ ভার্মাকে বদলি করা করা হয়েছে আইজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে। কলকাতা পুলিশ, বিধাননগর কমিশনারেটরের অনেক অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। আবার একই সঙ্গে বারাসত, বনগাঁ, কালিম্পং, বসিরহাটেও বেশ কিছু জেলা পুলিশ সুপারকে বদল করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের ডিসি উত্তর পদে থাকা তরুণ হালদারকে বদলি করা হয়েছে সিআইডির ডিআইজি দফতরে। ডিসি দক্ষিণ-পূর্ব শুভঙ্কর ভট্টাচার্যকে কলকাতার পুলিশের যুগ্ম কমিশনার করা হয়েছে। আবার বিধাননগর কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে পাঠানো হচ্ছে কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল পদে। একই সঙ্গে ডব্লুবিপিএস অফিসার সুমন্ত কবিরাজকে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার পদ থেকে সরিয়ে পাঠানো হল বনগাঁ পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার পদে।

    জেলাশাসক বদল

    রাজ্যের পুলিশ আধিকারিকের (West Bengal Police) সঙ্গে সরকারি আমলাদের ক্ষেত্রেও বদল করা হয়েছে। বীরভূম এবং পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে বদল করা হয়েছে। আগে বীরভূমের জেলাশাসক ছিলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এবার থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাজ সামলাবেন। অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝিকে বদল করা হয়েছে। এছাড়াও একাধিক অতরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসকদেরও এদিন বদল করা হয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে এই বদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন ভোট কৌশলীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছেন তৃণমূল নেতা শাহজাহান! কী পদক্ষেপ নিল ইডি?

    ED: বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছেন তৃণমূল নেতা শাহজাহান! কী পদক্ষেপ নিল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির অঘোষিত ‘নবাব’ শেখ শাহজাহান নিজেই অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশে তাঁর স্থায়ী আস্তানা রয়েছে। এমনই গুঞ্জন রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি এলাকায়। তাই, সন্দেশখালিতে বড় কোনও অপরাধ করলেই সীমান্তে পেরিয়ে তাঁর গোপন ডেরায় আত্মগোপন করে থাকেন তিনি। ইডি-র (ED) উপর হামলার ঘটনার পর সেই চেনা ছকেই তিনি এলাকা ছাড়া। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তিনি বাংলাদেশ পালিয়ে গিয়েছেন। তবে, বাম জমানা থেকে উঠে আসা তোলাবাজ এই তৃণমূল নেতার বাংলাদেশে গিয়ে আত্মগোপন করার নাটক নতুন নয়। এমনই বক্তব্য বিরোধীদের।

    বিজেপি-র তিন কর্মীকে খুন করে বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছিলেন

    ২০১৯ সালে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি লোকসভা ভোটের পর পরই তিন বিজেপি কর্মীকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। তার নেপথ্যের নায়ক ছিলেন তৃণমূলের এই ‘বেতাজ বাদশা’। পুলিশের একটা অংশের সঙ্গে যোগাযোগ আর মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মাথায় হাত থাকায় কেউ তাঁকে ‘টাচ’ সাহস দেখাত না। স্বাভাবিকভাবে তিন-তিনটে খুন করে এলাকায় বুক ফুলিয়ে শেখ শাহজাহান ও তাঁর বাহিনী ঘুরে বেড়াচ্ছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের চাপে পুলিশ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর নিতে বাধ্য হয়েছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শাহজাহান সীমান্তে পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছিল। পুলিশ তার টিকি ছুঁতে পারেনি। পরে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জামিন নিয়ে নেন।

    মুকুল রায়ও এর আগে শাহজাহান নিয়ে মুখ খুলেছিলেন

    তৃণমূলের এক সময়ের সেকেন্ড ইন কমান্ড মুকুল রায় দলীয় নেতা-কর্মীদের হাতের তালুর মতো চিনতেন। শাহজাহানের গতিবিধির সম্পর্কে তাঁর কাছে সমস্ত তথ্য ছিল। এখন তৃণমূলে নাম লেখালেও গত লোকসভা ভোটের সময় তিনি বিজেপিতে ছিলেন। সেই সময় সন্দেশখালিতে বিজেপির তিন কর্মী খুন হন। সেই ঘটনা প্রসঙ্গে মুকুল রায় বলেছিলেন, শাহজাহান সম্ভবত বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছে। ফলে, মুকুল রায়ের মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ তথ্য না জেনে এই ধরনের মন্তব্য করবেন না তা বলাবাহুল্য। ইডি কাণ্ডের পর ফের সেই শাহজাহানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ যোগ সামনে এল।

     বাংলাদেশে ফের আশ্রয় নিয়েছে শাহজাহান, দাবি ইডি-র (ED)

    সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ হয়তো বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। তৃণমূল নেতার খোঁজ করতে গিয়ে এমনটাই মনে করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। রেশন দুর্নীতি মামলায় শাহজাহানের খোঁজ করতে আইবি এবং বিএসএফের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলেও ইডির একটি সূত্রে খবর। এ-ও জানা যাচ্ছে যে, তৃণমূল নেতাকে ধরতে উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: তোলাবাজি থেকে মানব পাচার! কে এই সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শাহজাহান?

    Enforcement Directorate: তোলাবাজি থেকে মানব পাচার! কে এই সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শাহজাহান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পঞ্চায়েত প্রধান থাকার সময় একসঙ্গে তিনজন বিজেপি কর্মীকে খুন। ২০১৯ সালে বিজেপির ঝড়ের মধ্যে বসিরহাটে তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানকে সন্দেশখালি থেকে প্রচুর ভোটে লিড দিয়েছিলেন এই শাহজাহান। ইনাম পেয়েছিলেন দলের থেকে। মাথায় হাত ছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জুটেছিল জেলা পরিষদের টিকিট। ভোটে জিতে হয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। একইসঙ্গে তিনি আবার সন্দেশখালির ব্লক ১ এর সভাপতিও। ক্ষমতার দাপট বাড়তেই বাহিনীর দাপটও বাড়তে শুরু করে। পুলিশও তার বাহিনীকে স্পর্শ করার সাহস দেখায় না। আর রেশন দুর্নীতির অভিযোগে ইডি (Enforcement Directorate) হানা দিতে শাহজাহানের বাহিনীর দাপট দেখলেন রাজ্যবাসী। ইডি অফিসারদের রক্তাক্ত করতে পিছপা হল না।

    কে এই শেখ শাহজাহান? (Sandeshkhali)

    বামফ্রন্ট জমানার শেষের দিকে দাপুটে দুই নেতা মজিদ মাস্টার ও বাবু মাস্টারের হাত ধরে রাজনীতির ময়দানে নামে শেখ শাহজাহান। তবে, কোনও পদে ছিল বলে জানা যায়নি। অনুপ্রবেশকারী হিসেবে এলাকায় তাঁর নামে গুঞ্জন ছিল। সেই অনুপ্রবেশকারী বামফ্রন্ট জমানার শেষ দিকে অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিলেন স্থানীয় বিধায়ক অনন্ত রায়ের। বাম আমলে মূলত সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এলাকায় তোলাবাজির মুখ্য ভূমিকা ছিল শাহজাহান শেখের। মেছোভেরি থেকে ইটভাটা এমনকী মাটি বেচাকেনাতেও তোলা দিতে হত ওই শাজাহানকে। এলাকায় কোনও ভেড়ি থেকে বিঘা প্রতি তোলা আদায়ের রেট চার্ট তৈরি হত তারই তত্ত্বাবধানে।

    তৃণমূলের জমানায় এলাকার বেতাজ বাদশা হয়ে ওঠে

    ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদল হল। বাংলার মসনদে বসল নতুন শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। বাম জমানার ভিত নড়বড়ে হতেই তৃণমূলে যোগদান শেখ শাহজাহানের। বসিরহাটের তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ হাজী নুরুলের সঙ্গে বাড়ে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠতা। সূত্রের খবর, হাজী নুরুলের হাত ধরে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে পৌঁছে যান শাহজাহান। মন্ত্রীর আস্থাভাজন হতেই মেলে দলের সাংগঠনিক পদ। তৈরি করেন নিজস্ব বাহিনী। আগে জমির প্রতি বিঘায় তোলা আদায় করত শাহজাহান। তৃণমূলের পদ পেতেই- শুরু হল শাহজাহান বাহিনীর কাঠা প্রতি তোলা আদায়ের কারবার। নিজের বাহিনী তৈরি করে সরবেরিয়ায় তোলাবাজির বেতাজ বাদশা হয়ে ওঠেন শাহজাহান। আর বালুর ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়করা ও তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পেতেন না। মাছের ভেড়ি থেকে শুরু করে ইট ভাটা, এমনকী বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে এদেশে আসা জামাকাপড়ের কারবারও, এলাকায় সবই চলতে শুরু করল শাহজাহান শেখের নির্দেশে। এমনকী মানব পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রোহিঙ্গাদের সীমান্তে আশ্রয় দেওয়ার পিছনে তাঁর হাত রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: সন্দেশখালিতে তিন বিজেপি কর্মীকে নৃশংসভাবে খুনে অভিযুক্ত ছিল এই শাহজাহান

    Enforcement Directorate: সন্দেশখালিতে তিন বিজেপি কর্মীকে নৃশংসভাবে খুনে অভিযুক্ত ছিল এই শাহজাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাটের সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা। তাঁর ডেরায় ইডি (Enforcement Directorate) হানা দিতেই আক্রান্ত হন আধিকারিকরা। ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা হতেই রাজ্য জুড়ে খবরের শিরোনামে উঠে আসে এই তৃণমূল নেতা। এর আগেও নিজের দাপট দেখিয়েছে গুণধর এই তৃণমূল নেতা। পাঁচ বছর আগে তিন বিজেপি নেতা খুন হন সন্দেশখালির ন্যাজাটে। এই খুনের নেপথ্যের নায়ক ছিলেন এই শাহজাহান।

    রোহিঙ্গাদের দিয়ে বিজেপি নেতাদের নৃশংশভাবে খুন করা হয়েছিল! (Sandeshkhali)

    ২০১৯ সালে রাজ্যে ১৮টি আসনে জয়লাভ করে বিজেপি। সেই সময় রাজ্যজুড়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা চাঙা। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বহু এলাকার পাশাপাশি ন্যাজাটেও বিজেপি কর্মীরা প্রচুর দলীয় পতাকা লাগিয়ে রেখেছিলেন। ২০১৯ সালে ৮ জুন বিকেলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে শাহজানের নেতৃত্বে বৈঠক হয়। বৈঠকের পরই তৃণমূল ন্যাজাট এলাকায় মিছিল বের করে। তারপরই বিজেপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা চালানো হয়। দলীয় পতাকা খুলে ফেলা হয়। লোকসভা ভোটে এলাকায় সক্রিয়ভাবে যাঁরা বিজেপি-র হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাঁদের চিহ্নিত করে গুলি করে খুন করা হয়। মৃতদের নাম সুকান্ত মণ্ডল, তপন মণ্ডল এবং প্রদীপ মণ্ডল। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন বিজেপি স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি এবং অন্য দুজন ‘শক্তি প্রমুখ’। রোহিঙ্গাদের এই দেশে আশ্রয় দেওয়ার মূল কারিগর এই শাহজাহান। চোখ উপড়ে যে কায়দায় নৃশংসভাবে বিজেপি কর্মীদের খুন করা হয়েছিল, তার পিছনে রোহিঙ্গারা রয়েছে বলে অনেকে অভিযোগ করেছিলেন।

    পুলিশ অভিযোগ নিতে টালবাহানা করেছিল!

    তিন বিজেপি কর্মী খুন হওয়ার পর পরিবারের লোকজন শাহজাহানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি। এমনিতেই সেই সময় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান ছিলেন শাহজাহান। ফলে, পুলিশও তাঁকে ঘাঁটাতে সাহস পায়নি।  পরে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। বিজেপি প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এই বিষয় নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। অনেক টালবাহানার পর শাহজাহানের নামে থানায় এফআইআর হয়েছিল। এহেন পরিস্থিতিতে বেশ কিছুদিনের জন্য গা ঢাকা দিয়েছিলেন শেখ শাহজাহান। কিছুদিন পরই তাঁকে ফের রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে দেখা যায়। এর পরই আদালত জামিন নেন শাহজাহান। তৃণমূলের মন্ত্রী ও পুলিশের একাংশের সঙ্গে তাঁর সখ্যতা থাকায় বিজেপি কর্মীদের খুন করার পর এলাকায় দাপটের সঙ্গে তিনি ঘুরে বেড়াতেন। এবারও ইডি-র উপর তাঁর বাহিনী হামলা চালিয়ে নিজের দাপট যে একটুও হারিয়ে যায়নি তা আবারও বুঝিয়ে দিলেন তৃণমূলের এই কুখ্যাত নেতা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: লোকসভা ভোটে নুসরাতকে চাইছেন না বসিরহাটের তৃণমূল কর্মীরা, পোস্টার ঘিরে হইচই

    Basirhat: লোকসভা ভোটে নুসরাতকে চাইছেন না বসিরহাটের তৃণমূল কর্মীরা, পোস্টার ঘিরে হইচই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় তৃণমূলের কে প্রার্থী হবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি। এর মধ্যেই বসিরহাটে (Basirhat) অভিনেতা-অভিনেত্রীকে প্রার্থী করা চলবে না বলে পোস্টার পড়ল। তৃণমূলের একটা অংশের পক্ষ থেকে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বাদুড়িয়া, হাড়োয়া-সহ বিভিন্ন জায়গায় এমনই পোস্টার লাগানো হয়েছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    পোস্টারে ঠিক কী লেখা রয়েছে? (Basirhat)

    বসিরহাটের (Basirhat) হাড়োয়ার কুলটি, বাদুড়িয়া-সহ বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট সাদা কাগজে পোস্টার দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। সেই পোস্টারে পরিষ্কারভাবে লেখা রয়েছে, আগামী ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে কোনও বহিরাগত বা কোনও অভিনেতা-অভিনেত্রীকে প্রার্থী করা চলবে না। এলাকার ভূমিপুত্র, কাছের মানুষ ও কাজের মানুষকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী করতে হবে। একেবারে তৃণমূলের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে এই পোস্টার দেখা যায়। পোস্টারের নিচে ‘আমরা তৃণমূল কর্মীবৃন্দ’ বলে উল্লেখ রয়েছে।

    পোস্টার নিয়ে মুখ খুললেন হাড়োয়া পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ

    বসিরহাট (Basirhat) লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। তিনি সাংসদ হওয়ার পর এলাকায় তেমন কোনও উন্নয়ন হয়নি। সাংসদকে এলাকার সাধারণ মানুষ তো দূরে থাক, তৃণমূলের কর্মীরাও কাছে পাননি। তা নিয়ে যথেষ্ট ক্ষোভ রয়েছে এলাকার কর্মীদের মনে, এমনটাই দাবি দলের। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পাঁচ বছরে বড় কোনও সমাবেশ ছাড়া সাংসদকে এলাকায় দেখা যায়নি। কোনও সাংগঠনিক বৈঠকে তাঁকে ডেকে কাছে পাননি তৃণমূলের কর্মীরা। সাংসদ তহবিলে তেমন কোনও উন্নয়ন এলাকায় হয়নি। হাড়োয়া পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য ও প্রাণী কর্মাধ্যক্ষ বাহার আলি মোল্লা বলেন, ‘পোস্টারটা বড় কথা নয়। প্রতিটা লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আমাদের কেন্দ্রের প্রার্থী এলাকার কর্মীদের কাউকে করা দরকার। বর্তমানে যিনি সাংসদ আছেন, তাঁকে আমরা কোনও অনুষ্ঠানে ডেকে সেভাবে কাছে পাই না। এমন কোনও ব্যক্তিকে প্রার্থী করা দরকার, তিনি আমাদের সাংগঠনিক বুদ্ধি দেবেন। তিনি আমাদের তৃণমূলের পরিবারের অভিভাবক হবেন। যাকে ডাকলে বা কোনও সমস্যায় পড়লে কাছে পাই।’

    পোস্টার নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই প্রসঙ্গে মিনাখাঁ এরিয়া সিপিএম কমিটির সম্পাদক প্রদ্যুৎ রায় বলেন, ‘আমরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে দেখেছি, যিনি যত টাকা উপরের নেতাদের দিতে পেরেছেন, তিনিই টিকিট পেয়েছেন। এক্ষেত্রেও তাই হবে। কোথায় কোন তৃণমূলের কর্মীরা পোস্টার মারলেন, তা তৃণমূলের উঁচু স্তরের নেতারা দেখেন না। তাঁরা শুধু দেখেন টাকা। ‘মিনাখাঁর বিজেপি নেতা জয়ন্ত মণ্ডল বলেন, ‘এই চোরেদের দল নিয়ে আর কী বলব। যিনি প্রার্থী হবেন, তিনিই চুরি করবেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share