Tag: basirhat

basirhat

  • Basirhat: দলীয় পতাকা লাগিয়ে জমি দখল, প্রতিবাদ করে খুন তৃণমূল কর্মী, অভিযুক্ত শাসক দল

    Basirhat: দলীয় পতাকা লাগিয়ে জমি দখল, প্রতিবাদ করে খুন তৃণমূল কর্মী, অভিযুক্ত শাসক দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ। তার জেরেই তৃণমূল কর্মীর ওপর হামলা করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। পরে, ওই তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার বসিরহাটের (Basirhat) ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিশপুর চরপাড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সিরাজুল মোল্লা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Basirhat)

    সিরাজুলসাহেবের বাড়ি বসিরহাটের (Basirhat) ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিশপুর চরপাড়া এলাকায়। তিনি আবাস যোজনার ঘর পেয়েছিলেন। জমিতে আবাস যোজনার ঘর করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। জমিতে বাড়ি করার জন্য ভিত খোঁড়া হয়। এর মধ্যেই সিরাজুল সাহেবের ব্যক্তিগত জমিতে পার্টি অফিস করার জন্য দলীয় পতাকা লাগিয়ে জমি দখলের চেষ্টার করে তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। অভিযোগ, চলতি মাসের ১৯ তারিখ সিরাজুল সাহেবের ওই জমি দখল করে তাতে পতাকা লাগাতে যায় তৃণমূলের অপর গোষ্ঠী। সেই নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। পতাকা লাগাতে বাধা দেন ওই তৃণমূল কর্মী। অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে সিরাজুলকে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হয়। পরে, সেখান থেকে ওই তৃণমূল কর্মীকে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। মঙ্গলবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। তবে, এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তরা গ্রেফতার হয়নি। যদিও, এই ঘটনায় এখনও তৃণমূলের পক্ষ থেকে কেউ মুখ খুলতে চাইনি।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    মৃত তৃণমূল কর্মীর মা নুরুন্নাহার খাতুন ঢালি বলেন, আমাদের নিজের  জমিতে জোর করে তৃণমূলের একটা গোষ্ঠী দখল করে পতাকা লাগিয়ে দেয়। ওই জমিতে পার্টি অফিস করার চেষ্টা করছিল তারা। আমার ছেলেও তৃণমূল করে। কিন্তু, জোর করে পার্টি অফিস করার প্রতিবাদ করলে ওকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মৃতের স্ত্রী শাহনাজ বিবি জানান, সরকারি ঘর পেয়েছি। কিন্তু, সেই ঘরে আমাদের আর থাকা হল না। আমার একটি সন্তান রয়েছে, তাঁকে নিয়ে আমি এবার কোথায় যাব? গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বসিরহাট (Basirhat) থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging: যাদবপুরের পর এবার বসিরহাটের স্কুল হস্টেলে র‍্যাগিং! পালিয়ে গেল তিন স্কুল পড়ুয়া

    Ragging: যাদবপুরের পর এবার বসিরহাটের স্কুল হস্টেলে র‍্যাগিং! পালিয়ে গেল তিন স্কুল পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। ফের র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় তোলপাড় শিক্ষামহল। এবার ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট। সিনিয়র দাদাদের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে স্কুলের হস্টেল থেকে পালিয়ে গেল তিন ছাত্র। মঙ্গলবার দেগঙ্গা থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হাতে তুলে দিয়েছে। এর আগেও এই জেলায় বনগাঁ মহকুমায় একটি হস্টেল থেকে সিনিয়রদের র‍্যাগিংয়ে এক স্কুল পড়ুয়া গভীর রাতে হস্টেলের পাঁচিল টপকে বাড়ি পালিয়ে যায়। ফের দেগঙ্গায় একই ঘটনা ঘটায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বেলা একটা নাগাদ দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা বাজারে স্কুলের পোশাকে তিন ছাত্রকে উদ্দেশ্যহীন  ঘোরাঘুরি করতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ছাত্রদের পড়নে যে স্কুলড্রেস ছিল, তা এলাকার কোনও স্কুলের নয়। তাই, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের একটি দোকানে বসিয়ে রাখেন। এরপরই তাঁরা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে দেগঙ্গা থানার পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, তারা তিনজন  মাটিয়া থানার বেলে ধান্যকুড়িয়া হাইস্কুলের ছাত্র। দুজন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। অন্যজন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। একজনের বাড়ি হাবড়া ও অন্য দুই ছাত্রের বাড়ি নদিয়া জেলার কল্যাণী ও শান্তিপুরে। তারা হস্টেলে থেকেই পড়াশোনা করত। তিন পড়ুয়ার অভিযোগ, হস্টেলের সিনিয়র দাদারা তাদের মারধর করে। নানা অত্যাচার করে। হস্টেলে থাকতে পাচ্ছিলাম না। তাই, তারা হস্টেল ছেড়ে পালিয়েছিল।

    পুলিশ প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল পর্যন্ত থানায় র‍্যাগিংয়ের কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। ওই তিন ছাত্রের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। আপাতত উদ্ধার হওয়া তিন ছাত্রকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিশনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। অভিভাবকরা আসার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যাদবপুরের ঘটনার পর ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ঘিরে বিভিন্ন মহলে উঠেছে। বিশেষ করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বসিরহাটে খেলতে গিয়েই বিপত্তি, বোমায় হাত উড়ে গেল শিশুর

    North 24 Parganas: বসিরহাটে খেলতে গিয়েই বিপত্তি, বোমায় হাত উড়ে গেল শিশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বল ভেবে খেলতে গিয়ে হাত উড়ে গেলে এক শিশুর। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট (North 24 Parganas) পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাবাগান এলাকায়। আহত শিশু চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। শিশুর নাম ইউসুফ মণ্ডল। রবিবার সকাল ৮ টা নাগাদ এই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

    কীভবে ঘটল ঘটনা (North 24 Parganas)?

    রবিবার সকালে বাড়ির (North 24 Parganas) কাছেই একটি মাঠের ফাঁকা জায়গায় বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গেলে আচমকাই বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দের বিস্ফোরণে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন এবং দ্রুত আহত শিশুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হলে শিশুকে কলকাতায় আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা প্রবল ছিল বলে জানা যায়। শিশুর হাতের মধ্যে বোমাটি বিস্ফোরণ হলে গুরুতর আঘাতে একটি হাত কেটে বাদ দিতে হয়েছে। শিশুর পরিবার অত্যন্ত উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছেন।

    পুলিশের ভূমিকা

    এই ঘটনার সম্পর্কে খবর দিলে স্থানীয় (North 24 Parganas) থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়। এই ঘটনায় কে বা কারা মাঠে বোমা ফেলে রেখে গেছে, তা নিয়ে রীতিমতো তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গতকাল রাতেই এই বোমা এখানে ফেলা হয়েছে কিনা, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    বোমায় কতটা সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই জেলায় জেলায় প্রচুর বোমা-বারুদ উদ্ধারের কথা সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্য বোমা উদ্ধারের ঘটনার কথা উঠে আসে। ইতিমধ্যে বোমাচ-বারুদের বিস্ফোরণে প্রচুর মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন রাজ্যে। এই মাসের ১৫ই জুলাই মুর্শিদাবাদের সালারে বোমার আঘতে আহত হয়েছে দুই জন শিশু। সম্প্রতি নির্বাচন চলাকালীন কোচবিহারেও বোমার আঘাতে নিহত হয়েছে শিশু। কালিয়চক, জীবনতলা, ভাটপাড়া এলাকায় বোমার আঘাতে প্রাণ গেছে বেশ কিছু শিশুর। বসিরহাটে (North 24 Parganas) বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় তোপ দেগেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি প্রশ্ন করেন, “রাজ্যে এত বোমা-বারুদ কথা থেকে আসছে?”। পাশাপাশি পুলিশ, সিআইডি এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: ‘চুরিতে নোবেল পেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘চুরিতে নোবেল পেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের আক্রান্ত কর্মীকে দেখতে বসিরহাট হাসপাতালে এসে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পরে তিনি হাবড়ায় আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান। মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর বেঙ্গলুরুর বৈঠক নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    শনিবার বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার বেঙ্গালুরু সফর নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বেঙ্গালুরুতে গিয়েছেন। যেতেই পারেন। সেখানে গিয়ে দেখে আসুন কর্ণাটকের বিভিন্ন জায়গায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে কতজন পরিয়ায়ী শ্রমিক কাজ করছেন।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি দেশের সেরা চোর বলে আখ্যা দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘ভাইপোকে দাঁড় করাতে বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকে গিয়েছেন মমতা। আর প্রধানমন্ত্রী মোদিজি সেটা জানেন। ভারতবর্ষের চুরিতে যদি কেউ নোবেল পেতে পারেন, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যত রকমের চুরি আছে, রণে-বনে-জলে-জঙ্গলে. আকাশে চন্দ্রযান যাচ্ছে, চান্স পেলে ওটাও চুরি করে নিতে পারে, চান্স পায়নি তাই।’

    পঞ্চায়েতে বোমা-গুলি উদ্ধার নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এখন বোমা, গুলি, বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে। আমার তো মনে হয়, পঞ্চায়েত ভোটের আগেই তৃণমূলের এক জয়ী সদস্যের কাছে থেকে বিরাট পরিমাণ জিলেটিন স্টিক পাওয়া গিয়েছে। এর আগে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ২৭ হাজার কেজি ধরা পড়ল কলকাতার বুকে। এই নিয়ে বৃহত্তর একটি তদন্ত হোক। এনআইএ-র মাধ্যমে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তদন্ত হওয়া উচিত। এর সঙ্গে কী শুধু রাজনৈতিক কারণ রয়েছে, না দেশ বিরোধী যে সংগঠনগুলি কাজ করে তাদের যোগ রয়েছে তা তদন্ত হওয়া দরকার। না হলে আগামী দিনে এই রাজ্যের জন্য বিপদ অপেক্ষা করছে। এদিন বসিরহাটের বিস্তীর্ণ এলাকায় তৃণমূলের আক্রমণে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন সুকান্তবাবু। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: বসিরহাট স্টেশনের কাছে চলল গুলি, মৃত্যু এক দুষ্কৃতীর, গুলিবিদ্ধ এক যুবক

    Basirhat: বসিরহাট স্টেশনের কাছে চলল গুলি, মৃত্যু এক দুষ্কৃতীর, গুলিবিদ্ধ এক যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের বেলায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট (Basirhat) স্টেশনের কাছে শ্যুটআউট। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক দুষ্কৃতীর। গুলিবিদ্ধ আরও একজন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও তিনি গ্যাংওয়ারের মাঝে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতর নাম শম্ভুনাথ গায়েন। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রের খবর, মৃত শম্ভুনাথ গায়েন এলাকায় কুখ্যাত দুষ্কৃতী হিসেবে পরিচিত। বসিরহাট (Basirhat) থানার গোটরা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজীব কলোনি এলাকা যথেষ্ট জনবহুল। পাশেই বসিরহাট স্টেশন। স্বাভাবিকভাবে ঘটনার সময় রাস্তায় লোকজন গমগম করছে। রবিবার রাত নটা নাগাদ স্থানীয় লোকজন আচমকা বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলার আওয়াজ শুনতে পান। তারপরেই অনেকে সেদিকে ছুটে যান। গিয়ে দেখেন, শম্ভুনাথ গায়েন নামে ওই দুষ্কৃতী মাটিতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ছটফট করছেন। কিন্তু, ঠিক কী কারণে দুষ্কৃতীরা ওই এলাকায় তাণ্ডব এবং গুলি চালাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শম্ভুনাথের বুকের নীচে গুলি লেগেছে বলে সূত্রের খবর। তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, এলাকা দখলের লড়াই থেকেই বিরোধী পক্ষের দুষ্কৃতী দলের কেউ এই গুলি চালাতে পারে। প্রাথমিক অনুমান, হামলাকারীরা শম্ভুনাথ গায়েনের পূর্ব পরিচিত। ব্যক্তিগত কোনও কারণেই তাকে গুলি করা হয়ে থাকতে পারে। অন্য কোনও ঘটনাও ঘটতে পারে। এই ঘটনার তদন্ত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি এই গ্যাংওয়ারের ঘটনায় আরও একজন যিনি জখম হয়েছেন, তাঁর বাড়ি দমদম লাগোয়া এলাকায়। সূত্রের খবর, কোনও একটি অনুষ্ঠানের জন্য তিনি বসিরহাট গিয়েছিলেন। ফেরার সময় গুলি চালনার মাঝে পড়ে যাওয়ায় তাঁর গায়ে গুলি লাগে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohammad Shami: লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাটে বিজেপির প্রার্থী মহম্মদ শামি? রাজ্য রাজনীতিতে নয়া জল্পনা

    Mohammad Shami: লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাটে বিজেপির প্রার্থী মহম্মদ শামি? রাজ্য রাজনীতিতে নয়া জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাইশ গজের সঙ্গেই কি এবার রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন মহম্মদ শামি (Mohammad Shami)।  কয়েক মাস আগে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য বোলিং করে সবার মন জেতেন শামি। সেই সময়ই শামিকে কাছে টেনে নেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে তাঁকে ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। গুঞ্জন, সেই প্রস্তাবে হয়তো সাড়া দেবেন ভারতের তারকা পেসার।

    শামিকে প্রস্তাব

    সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, শামি (Mohammad Shami) বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে পদ্ম প্রতীকে ভোটে দাঁড়াতে পারেন। এখানে তৃণমূলের গতবারের জয়ী প্রার্থী হলেন নুসরত জাহান। সেক্ষেত্রে তৃণমূল যদি আবার নুসরত জাহানকে প্রার্থী করে, আর বিজেপি-র সঙ্গে শামির কথা চূড়ান্ত হয়, তাহলে বসিরহাটে শামি বনাম নুসরত ম্যাচ দেখা যেতে পারে। শামি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও পর্যন্ত কোনও পার্টি জয়েন করেননি। উত্তরপ্রদেশে বাড়ি হলেও, রঞ্জি ট্রফিতে বাংলার হয়েই খেলেন মহম্মদ শামি। তাই ভারতীয় ক্রিকেটারকে পশ্চিমবঙ্গ থেকেই প্রার্থী করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, কয়েকমাস আগে মহম্মদ শামি উত্তরাখণ্ডে এক বিজেপি নেতার বাড়ির অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন। তখনই কথা হয় বলে অনুমান।

    আরও পড়ুন: পুতিন বিরোধী স্বর তোলাই ভুল! বিশ্বখ্যাত দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভকে ‘জঙ্গি’ তকমা রাশিয়ার

    অনেকে আবার এখনই শামির (Mohammad Shami) বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন। এর প্রধান দুটি কারণ ৩৩ বছরের শামি-র মধ্যে এখনও বেশ কিছুটা ক্রিকেট বাকি আছে। চোট সারিয়ে শামি-র এখনও অনেক দেশের জার্সিতে ও আইপিএলে ভাল স্পেল উপহার দেওয়ার আছে। এমন সময় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঝুঁকিটা হয়তো শামি নেবেন না। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেছেন, অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছেন। আগামী কয়েক দিন বেশ কয়েকটি বড় নাম তাদের দলে যোগ দিচ্ছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: টাকি পুরসভার পাঁচজন কাউন্সিলার একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন, কেন জানেন?

    Basirhat: টাকি পুরসভার পাঁচজন কাউন্সিলার একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের (Basirhat) টাকি পুরসভায় পাঁচজন কাউন্সিলার পদত্যাগ করলেন। মূলত, পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন তৃণমূলের ওই কাউন্সিলররা। বিধানসভায় গিয়ে তাঁরা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? (Basirhat)  

    বসিরহাটের টাকি পুরসভায় মোট ১৬ টি আসন রয়েছে। যাঁর মধ্যে ১৪ টি আসন তৃণমূলের দখলে ছিল। ২টি আসন পেয়ে বিরোধী আসনে রয়েছে বিজেপি। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের নাম ফারুক গাজি। তাঁর বিরুদ্ধে কাউন্সিলারদের মারধর করা এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, টাকি পুরসভা এলাকায় ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজি কাজ করতে বাধা সৃষ্টি করেন। এর প্রতিবাদ করলে ভয় দেখানো, এমনকী আমাদের মারধর করা হয়েছে। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজির বিরুদ্ধে সরব হয়েই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তাঁরা। জানা গিয়েছে, এদিন রাজ্য বিধানসভায় গিয়ে জেলার মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে পদত্যাগ পত্র পেশ করেন পাঁচজন কাউন্সিলর। পাশাপাশি, বসিরহাটের (Basirhat) মহকুমা শাসকের কাছেও তাঁরা পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এমত অবস্থায় টাকি পুরসভায় অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। কাউন্সিলররা সেচমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনার ভারপ্রাপ্ত নেতা পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে দেখা করেন। এসব অভিযোগ নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যানের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    কী বললেন পদত্যাগী কাউন্সিলার?

    এদিন পাঁচ কাউন্সিলারের তরফে প্রদ্যুৎ দাস বলেন, ওই ভাইস চেয়ারম্যানের জন্য আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা  নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি না। ফারুক গাজি আপাদমস্তক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এর আগে আমরা জেলা নেতৃত্বের কাজে বারবার অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু, কারও কাছ থেকে সুরাহা পাইনি। এমনকী ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা কাউন্সিলারদের গায়েও হাত তোলেন। সে ব্যাপারেও জেলার নেতাদের জানানো হয়েছে। দেওয়ালে পিঠ থেকে গিয়েছে বলে আমরা এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম। এদিন পাঁচজন একসঙ্গে পদত্যাগ করায় তৃণমূলের কাউন্সিলর সংখ্যা বর্তমানে ৯ জন হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: হেরিটেজের তকমা মিললেও চরম অবহেলায় পড়ে রয়েছে ধান্যকুড়িয়ার গাইন গার্ডেন

    Basirhat: হেরিটেজের তকমা মিললেও চরম অবহেলায় পড়ে রয়েছে ধান্যকুড়িয়ার গাইন গার্ডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ আমলে তৈরি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের (Basirhat) ধান্যকুড়িয়া গাইন গার্ডেন চরম অবহেলায়, অনাদরে পড়ে রয়েছে। বছরখানেক আগে হেরিটেজ-তকমা পেলেও এখনও কোনও শ্রী ফেরেনি। গার্ডেনের ভিতর অট্টালিকার পুকুর ঘাটে দু’টি বড় মার্বেলের সিংহ ছিল। নব্বইয়ের দশকে তা বিক্রি হয়ে যায়। তবে বাগান বাড়ির গেটে দু’জন ইংরেজ একটি সিংহকে বধ করছে—এ রকম একটি ভাস্কর্য এখনও রয়েছে। ‘কপালকুণ্ডলা’ সিনেমার শুটিংও হয়েছিল এই স্থানে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর জৌলুস কমতে শুরু করে।

    কে তৈরি করেছিলেন এই গাইন গার্ডেন?

    ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে জানা যায়, প্রায় দেড়শো বছর আগে বসিরহাট (Basirhat) -বেড়াচাঁপার টাকি রোডের ধারে ‘গাইন’ দুর্গের আদলে বিশাল এই স্থাপত্য গড়ে তোলেন ধান‍্যকুড়িয়ার পাট ব‍্যবসায়ী মহেন্দ্রনাথ গাইন। পরবর্তীকালে যা গাইন গার্ডেন নামে পরিচিতি পায়। ৩৩ বিঘা জমির ওপর অট্টালিকা ছাড়াও আমোদ প্রমোদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল বাগানবাড়ি। সেখানে জমিদার এবং তাঁদের ব‍্যবসায়িক সহযোগী ইংরেজদের বিনোদনের ব্যবস্থা ছিল। সেই সময় টাকি রোড বরাবর মার্টিন রেল চলত। যার স্টেশন ছিল ধান্যকুড়িয়ায়। ওই রেলে চড়ে ইংরেজরা আসতেন গাইন গার্ডেনে। এখন সেসব অতীত। তবে, সেই সমস্ত ইতিহাসের চিহ্ন এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে গাইন গার্ডেনের আনাচে কানাচে। যেগুলোর অধিকাংশই সংস্কারের অভাবে আজ ধ্বংস হতে বসেছে।

    এখন কী অবস্থায় রয়েছে গাইন গার্ডেন?

    বসিরহাটের (Basirhat) গাইন গার্ডেনের চারপাশ এখন ভরেছে ঘাস এবং আগাছায়। সীমানা পাঁচিলও যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে। সন্ধ্যার পর দুষ্কৃতীদের আনাগোনা সেখানে বাড়ছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন অংশে বেশ কিছু ফাটল ও ধরেতে দেখা গিয়েছে। নিত্যদিনই বাড়ছে বিপদের আশঙ্কা। বাগান চত্বরে বেড়েছে সাপের উপদ্রব। তারপরও রক্ষণাবেক্ষণের কোনও উদ্যোগ নেই প্রশাসনের। কার্যত অযত্নে পড়ে থেকে থেকে বিশাল এই স্থাপত্য আজ নষ্ট হওয়ার মুখে।

    কবে মিলল হেরিটেজের স্বীকৃতি?

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজকল্যাণ দফতরের পরিচালনায় এখানে দীর্ঘদিন পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত একটি সরকারি বালিকা হোম-সহ মেয়েদের স্কুল চলত। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরে ২০০৮ সালে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ গাইন পরিবারের কাছ থেকে এই সম্পত্তিটি কিনে নেয়। ২০১৯ সালে সংস্কারের কথা বলে মেয়েদের হোম ও স্কুল তুলে দেওয়া হয়। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হেরিটেজ কমিশনের সদস্যেরা বসিরহাটের (Basirhat) এই গাইন গার্ডেন পরিদর্শন করেন। ২০২২ সালে হেরিটেজ হিসাবে স্বীকৃতিও মেলে। চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল বিশ্ব ঐতিহ্য দিবসে পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশনের ব্রশিওরেও স্থান পেয়েছে ধান্যকুড়িয়া গাইন গার্ডেন।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, “খাতায়-কলমে শুধু ‘হেরিটেজ’ তকমাটুকুই মিলেছে। বাস্তবে ভবনের চিত্র এখনো বদলায়নি। এই বিষয়ে মহম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “হেরিটেজ ঘোষণার পরও প্রশাসনের সেই উদ্যোগ এখনো চোখে পড়েনি। আজও অবহেলায় পড়ে রয়েছে এই স্থানটি। এই স্থাপত্য বাঁচাতে প্রশাসনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া দরকার। পাশাপাশি পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা হলে কর্মসংস্থানও হবে এলাকায়।

    কী বললেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ?

    যদিও এই ভবন নিয়ে উদাসীনতার অভিযোগ মানতে চাননি জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ এ কে এম ফারহাদ। তিনি বলেন, “যে কোনও উন্নয়নের কাজ করতে গেলে কিছু বিষয় থাকে। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই সেখানে সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে যাবে। উন্নয়নের বিষয়ে আমরা সব সময় একধাপ এগিয়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Didir Doot: ফের জন-বিক্ষোভের মুখে দিদির দূত, স্বামীকে নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন বিধায়ক

    Didir Doot: ফের জন-বিক্ষোভের মুখে দিদির দূত, স্বামীকে নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জন-বিক্ষোভের মুখে দিদির দূত (Didir Doot)। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে ঠায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে রইলেন দিদির দূত বিধায়ক তৃণমূলের ঊষারানি মণ্ডল ও তাঁরা স্বামী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) ব্লক সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল। তাঁদের সঙ্গে থাকায় আটকে পড়েন হাসনাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এসকেন্দার গাজিও। রবিবার ঘটনাটি ঘটে বসিরহাটের মিনাখাঁর আম্লানি গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিপুর এলাকায়।

    নেপথ্য কারণ…

    এই এলাকার প্রধান রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরেই বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। অথচ এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা ব্যবহার করেন রাস্তাটি। বারংবার প্রশাসনকে রাস্তার বেহাল দশার কথা জানিয়েও সমস্যা মেটেনি। রবিবার জনসংযোগ বাড়াতে ওই এলাকায় গিয়েছিলেন দিদির দূত (Didir Doot) ঊষারানি, মৃত্যুঞ্জয় এবং এসকেন্দার। গ্রামে ঢোকা মাত্রই স্থানীয়রা তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভের মুখে পড়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন ঊষারানি ও তাঁর স্বামী। নাগালে বিধায়ককে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বিক্ষোভকারীরা। এলাকার বেহাল রাস্তার পাশাপাশি বসিরহাট উত্তরের বিধায়ক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, ভোটের পর থেকে রফিকুল একবারও এলাকা পরিদর্শন করতে আসেননি। অভাব অভিযোগ জানাতে গেলেও কোনও সুরাহা হয় না। পরে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়। চলে যান ঊষারানিরা। 

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে দলবদলু ‘দিদির দূত’ জয়প্রকাশ, বিশ্বজিৎ, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা

    নানা কেলেঙ্কারির পাঁকে পড়ে গিয়ে কলঙ্কিত হয়েছে তৃণমূলের ভাবমূর্তি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে হারানো ভাবমূর্তি ফেরাতে জনসংযোগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। সেই মতো চালু হয় দিদির দূত (Didir Doot) কর্মসূচি। এই কর্মসূচি পালন করতে গিয়েই দিকে দিকে বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতানেত্রী। বস্তুত দিদির দূত (Didir Doot) কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে প্রথম থেকেই পদে পদে হোঁচট খেতে হয়েছে তৃণমূল নেতাদের। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অর্জুন সিং, রামপুরহাটের মাড়গ্রামে শতাব্দী রায়, বীরভূমের বালিজুড়ির কুখুটিয়া গ্রামে দেবাংশু ভট্টাচার্য, বাঁকুড়ায় সায়ন্তিকা ব্যানার্জি, মুর্শিদাবাদে সাংসদ আবু তাহের, ময়ূরেশ্বরে সাংসদ অসিত মাল ও বিধায়ক অভিজিৎ রায়, গলসিতে বিধায়ক নেপাল ঘোরুই, পটাশপুরে বিধায়ক জুন মাল্য। বিক্ষোভের জেরে পশ্চিম মেদিনীপুরে কর্মসূচি বাতিল করেন কুণাল ঘোষ। নদিয়ায় গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েন খোদ বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এমন অভিজ্ঞার সাক্ষী হয়েছেন তৃণমূলের আরও অনেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share