Tag: bastar

bastar

  • Maoist Encounter in Bastar: ছত্তিসগড়়ে ফের মাওবাদী দমনে বড় সাফল্য যৌথবাহিনীর, ১ পুলিশ কর্মী সহ হত ২৩

    Maoist Encounter in Bastar: ছত্তিসগড়়ে ফের মাওবাদী দমনে বড় সাফল্য যৌথবাহিনীর, ১ পুলিশ কর্মী সহ হত ২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিসগড়়ে ফের মাওবাদী দমন (Maoist Encounter in Bastar) অভিযানে বড় সাফল্য পেল যৌথবাহিনী। বৃহস্পতিবার সকালে বিজাপুর এবং কাঁকের জেলায় দু’টি পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২২ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। ছত্তিসগড়় পুলিশ জানিয়েছে, পাল্টা হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর এক জন সদস্যেরও মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত আরও দুই। এখনও দু’পক্ষের গুলির লড়াই চলছে।

    কোথায় কোথায় অভিযান

    বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে বিজাপুর ও দান্তেওয়াড়া জেলার সীমানায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, ছত্তিসগড় (Chhattisgarh Encounter) পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এ দিন সকালে গঙ্গালুর থানা এলাকায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানে (Maoist Encounter in Bastar) নামেন। গঙ্গালুর থানা বিজাপুর জেলায়। প্রথম থেকে এলাকা ঘিরে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়। পুলিশ দেখেই এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা মাওবাদীরা। তাদের গুলিতে মারা যান ছত্তিসগড় ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের এক পুলিশ কর্মী। এখনও পর্যন্ত বীজাপুরের জঙ্গল থেকে সংঘর্ষে নিহত ১৮ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে মাওবাদীদের ব্যবহৃত রাইফেল ও বিস্ফোরক। এখনও গুলির লড়াই বন্ধ হয়নি। কাঙ্কেরের জঙ্গল থেকে পাওয়া গিয়েছে আরও চার মাওবাদীর দেহ। সূত্রের মতে, নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদীদের শীর্ষ নেতাদের একটি দলকে বনাঞ্চলে ঘিরে ফেলেছে এবং দিনের শেষে মৃতদেহের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখনও তল্লাশি অভিযান চলছে।

    মাওবাদী দমনে পরপর অভিযান

    বস্তার (Maoist Encounter in Bastar) ডিভিশনের অন্তর্গত বিজাপুর এবং কাঁকের জেলার অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলে গত কয়েক মাসে নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-এর সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ (পিপল্‌স লিবারেশন গেরিলা আর্মি)-র সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিজাপুরে সিআরপিএফ এবং ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩১ জন মাওবাদী গেরিলা নিহত হয়েছিলেন। গত ১৯ জানুয়ারি থেকে ছত্তিসগড়, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা আন্তঃরাজ্য অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। ইতিমধ্যেই সংঘর্ষে দুশোর বেশি মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে ওই তিন রাজ্যে। নিহতদের তালিকায় রয়েছেন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়রাম ওরফে চলপতি। আত্মসমর্পণ করেছেন নিহত মাওবাদী নেতা মাল্লোজুলা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির ভ্রাতৃবধূ বিমলা। তাঁর স্বামী মাল্লোজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি ওরফে বিবেক ওরফে সোনু নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

    মাওবাদী-মুক্ত দেশ গঠনের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই দেশ থেকে মাওবাদীদের (Maoist Encounter in Bastar) একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। চলতি বছরে ছত্তিসগড়ের বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানে বড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের ৩১ মার্চের আগেই আমরা দেশ থেকে নকশালবাদকে নির্মূল করব। যাতে তাঁদের জন্য দেশের কোনও নাগরিককে প্রাণ হারাতে না হয়। এই জন্য আমি আমার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ মতোই বিভিন্ন রাজ্যে মাওবাদী দমনে অভিযান চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী। এদিনের অভিযানও তারই অঙ্গ।

  • Maoist Surrender: মাথার দাম মোট ৩২ লক্ষ টাকা, ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণ চার মাওবাদী কমান্ডারের

    Maoist Surrender: মাথার দাম মোট ৩২ লক্ষ টাকা, ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণ চার মাওবাদী কমান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পরিকল্পনা মতোই দেশে ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে মাওবাদীরা। ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) কেন্দ্রীয় আধাসেনা ও রাজ্য পুলিশের যৌথ অভিযানে (Joint Mission) মাওবাদী (Maoists) কার্যকলাপ কমছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মাওবাদী নেতাদের আত্মসমর্পণের (Surrender) প্রবণতাও। সম্প্রতি ছত্তিশগড়ের বস্তার ডিভিশনের (Bastar) চার শীর্ষ মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পণ করেছেন, যাঁদের প্রত্যেকের মাথার দাম ছিল মোট ৮ লক্ষ টাকা করে।

    সমাজের মূল স্রোতে ফেরানোই লক্ষ্য

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বুধবার নারায়ণপুর জেলার পুলিশ সুপার প্রভাত কুমারের উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ করেন চার মাওবাদী কমান্ডার। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এক দম্পতিও। ওই চার জনের বিরুদ্ধে খুন, নাশকতা-সহ ৪০টিরও বেশি গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তবে যৌথবাহিনীর অভিযান নয়, এই সাফল্য ছত্তিশগড় ‘নিয়া নার নিয়া পুলিশ’ (আমাদের গ্রাম, আমাদের পুলিশ) প্রচার কর্মসূচির সাফল্য বলে জানিয়েছেন প্রভাত। তিনি বলেন, ‘‘নিষিদ্ধ সিপিআই (মাওবাদী)-র সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ (পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি)-র বস্তার ডিভিশনে সক্রিয় আরও কয়েক জন নেতা-নেত্রী ভবিষ্যতে আমাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরবেন।’’

    আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক হিংসায় হারিয়েছিল ভিটে, ৪৭ বছর পর তিন হিন্দু পরিবারকে জমি ফেরালেন যোগী

    যৌথ অভিযান, স্থানীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক সাফল্যের রসায়ন

    ধৃতদের মধ্যে গান্ধী তাঁতি ওরফে আরব ওরফে কমলেশ (৩৫) ২০১০ সালে দান্তেওয়াড়ায় যৌথবাহিনীর উপর ভয়ঙ্কর হামলায় ৭৬ জন জওয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। এদিকে মাইনু ওরফে হেমলাল কোররাম (৩৫) নিষিদ্ধ সিপিআই (মাও)-এর আমদাই এরিয়া কমিটির সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি রঞ্জিত লেকামি ওরফে অর্জুন (৩০) এবং তাঁর স্ত্রী কোসি ওরফে কাজলও আত্মসমর্পণ করেছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, গত বছর বস্তার ডিভিশনের সাতটি জেলায় মোট ৭৯২ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, যৌথবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের ফলে দেশে মাওবাদী গেরিলা বাহিনী ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর পাশাপাশি রাজ্য স্তরে স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করাই মাওবাদী প্রভাব কমানোর মূল চাবিকাঠি। এর ফলে মাওবাদী গেরিলারা অস্ত্র ছেড়ে সাধারণ জীবনে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: বস্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাওবাদী নেত্রী নীতি-সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত

    Chhattisgarh: বস্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাওবাদী নেত্রী নীতি-সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তারে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর এক বিশেষ অভিযানে ৩১ জন মাওবাদী খতম হয়েছিল। এই মৃতদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত কুখ্যাত মাওবাদী নেত্রী সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত করা গিয়েছে। বস্তারের আইজি পি সুন্দররাজ জানিয়েছেন, এই মাওবাদী নেতাদের সন্ধান পেতে মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে রয়েছে মাওবাদী নেত্রী নীতি ওরফে ঊর্মিলা। ওই নেত্রী মাওবাদী স্পেশাল জোনাল কমিটির সদস্যও ছিল। একা তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ২৫ লক্ষ টাকা।

    একটানা ৪৮ ঘণ্টা মাওবাদীদের সঙ্গে লড়াই হয় বাহিনীর (Chhattisgarh)

    শুক্রবারে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুর থেকে দান্তেওয়াড়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলে যৌথ অভিযান চালায় এসটিএফ এবং ডিআরজির বাহিনী। একটানা ৪৮ ঘণ্টা মাওবাদীদের সঙ্গে লড়াই হয় জওয়ানদের। ওরচা এবং বারসুর থানার অন্তর্গত নেনথুর-থুলথুলি জঙ্গলে দুপক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই হয়। এই অভিযানে সিপিআই (মাওবাদী) শাখার পিএলজিএ অর্থাৎ পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির মোট ৩১ জনকে খতম করা হয়। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র। তার মধ্যে রয়েছে একে-৪৭, ৭.৬২ এসএলআর, ইনসাস। একই ভাবে পাওয়া গিয়েছে প্রচুর বিস্ফোরক। উল্লেখ্য ছত্তিশগড় রাজ্য গঠন হওয়ার পর থেকে এই অভিযানে সব থেকে বড় সাফল্য এসেছে। অবশ্য এর আগে কাঙ্কের জেলায় এক অভিযানে ২৯ জন মাওবাদীকে নিকেশ করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ চেন্নাইয়ের মেরিনা বিচে এয়ার শো দেখতে ১২ লক্ষ মানুষের জমায়েত! প্রবল গরমে মৃত ৫

    জওয়ানদের এই সাফল্য প্রশংসনীয়

    সাম্প্রতিক সময়ে মাওবাদী দমন অভিযানে এটা অনেক বড় সাফল্য বলে জানিয়েছে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘জওয়ানদের এই সাফল্য প্রশংসনীয়। তাঁদের অদম্য সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই। ছত্তিশগড় থেকে নকশালবাদ শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। নকশালবাদ শেষ করেই আমাদের লড়াই থামবে। এর জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ অগাস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ হল মাওবাদীরা। ২০২৬ সালের মার্চের পর এদেশে মাওবাদী থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই এমন সাফল্য এল মাওবাদী দমনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: মাওবাদী দমনে সক্রিয় সরকার, ৪ হাজার সিআরপিএফ পৌঁছল ছত্তিশগড়ে

    Chhattisgarh: মাওবাদী দমনে সক্রিয় সরকার, ৪ হাজার সিআরপিএফ পৌঁছল ছত্তিশগড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী মুক্ত (Action against Maoist) দেশ গঠনের লক্ষ্যে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) দক্ষিণ বস্তারে ৪ হাজার বাড়তি জওয়ান মোতায়েন করল সিআরপিএফ (CRPF)। মাওবাদী ডেরা হিসাবে পরিচিত ছত্তিশগড়ের বস্তার (Bastar)। জানা গিয়েছে, ছত্তিশগড়ের বস্তারে তিন ব্যাটালিয়ান ফোর্স আনা হয়েছে ঝাড়খণ্ড থেকে। একটি ব্যাটালিয়ান ফোর্স যাচ্ছে বিহার থেকে। 

    মাও দমনে পরিকল্পনা

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা সোমবার বস্তারে জানিয়েছেন যে, নকশালবাদের (Action against Maoist) বিরুদ্ধে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য যা যা করা দরকার তা তাঁরা করবেন। তিনি বলেন, “এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য যা যা প্রয়োজন, সবই করা হবে। আমরা বড় লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বানে এবং মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই-এর নির্দেশনায় এই সমস্ত করা হচ্ছে যাতে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকে।” উল্লেখ্য, মাওবাদী ডেরার আঁতুরঘরে গত কয়েক বছর ধরে গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক কাউন্টার অপারেশন চলছে। দক্ষিণ বস্তারে মাওবাদীদের ডেরায় হানা দিয়ে বড়সড় অভিযানে নামে ফোর্স। বস্তারের মাওবাদী দুর্গে আঘাত হানা হয়। আগে, এই এলাকাগুলিতে প্রবেশ করতে পারত না সরকার। সাধারণ মানুষ তো একেবারেই না। এখন, মাওবাদীদের ১০০টি ফরোয়ার্ড অপারেটিং বেসে সিআরপিএফ টিম রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডে এবার ইডির নজরে সন্দীপের ‘অতি পরিচিত’ নার্গিস, কে এই মহিলা?

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লক্ষ্য

    এর আগে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) রায়পুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে মাওবাদী (Action against Maoist) মুক্ত হবে দেশ। তিনি জানান, মাওবাদীদের জন্য নতুন আত্মসমর্পণ নীতি আনা হবে। তাই মাওবাদীরা যাতে আত্মসমর্পণ করেন, সেই আর্জি জানান তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মাওবাদীদের সন্ত্রাস দেশের গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। এখনও পর্যন্ত মাওবাদী হামলায় অন্তত ১৭,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই লক্ষ্য পূরণে সক্রিয় ছত্তিশগড় সরকার। উল্লেখ্য, মাওবাদী ডেরা চূর্ণ করতে, প্রথমেই সাধারণ মানুষকে নিজের পক্ষে নেওয়ার পথে এগোয় প্রশাসন। সেখানে উন্নতমানের রাস্তা, সামাজিক উন্নয়ন, সহ একাধিক পদক্ষেপ সরকার করেছে। এর হাত ধরে ধীরে ধীরে মাওবাদীদের প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে আনা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maoist Attack: ছত্তিশগড়ের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই, নিহত ৮ মাওবাদী, শহিদ ১ জওয়ান

    Maoist Attack: ছত্তিশগড়ের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই, নিহত ৮ মাওবাদী, শহিদ ১ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার ডিভিশনের নারায়ণপুর জেলায় গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআইএমএল (মাওবাদী)-র (Maoist Attack) অন্তত আট সদস্যের। নিহত হয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর এক জওয়ান। গুরুতর জখম দু’জন।

    দুই পক্ষের গুলির লড়াই

    ছত্তিশগড় পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে মাওবাদী গেরিলা বাহিনী পিএলজিএ-র ‘গতিবিধির’ খবর এসেছিল নারায়ণপুর, দান্তেওয়াড়া এবং বিজাপুর জেলার সীমানাবর্তী পাহাড়-জঙ্গলঘেরা এলাকা থেকে। তার পরই তল্লাশি অভিযানে নামে ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গ্রুপ (ডিআরজি), ছত্তিশগড় পুলিশের মাওবাদী দমনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘স্পেশাল টাস্ক ফোর্স’ এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনা আইটিবিপি-র যৌথবাহিনী। ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর জেলায় গত ২ দিন ধরে চলছে মাওবাদী ও নিরাপত্তা বাহিনীর লড়াই। এরই মাঝে শনিবার অবুঝমারহর পাহাড়ি জঙ্গলের মধ্যে দুই পক্ষের গুলির লড়াই শুরু হয়।

    মাওবাদীদের পোক্ত ডেরার সন্ধান

    ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর জেলার আওতায় পড়ে অবুঝমারের জঙ্গল। পাহাড়ি উপত্যকার এই জঙ্গল সুবিশাল।  দাবি করা হয়, এই আবুঝমারহ জঙ্গল মাওবাদীদের পোক্ত ডেরা। আর সেই জেরা ভাঙতেই তৎপর নিরাপত্তাবাহিনী। শনিবার সকাল থেকেই জঙ্গলে দুই পক্ষের গুলির লড়াই শুরু হয়েছে।  নারায়ণপুর, কোন্দাগাঁও, কঙ্কর, দান্তেওয়ারার ডিআরজি, এসটিএফ, আইটিবিপির ৫৩ ব্যাটালিয়ান মিলিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সুবিশাল ফোর্স এই মাওবাদী (Maoist Attack) দমন অভিযানে নামে। শুরু হয় গুলির যুদ্ধ। ৪০০০ স্কোয়ার কিলোমিটার এলাকায় বিস্তীর্ণ এই জঙ্গলে দুই পক্ষের গুলির লড়াইতে এখনও পর্যন্ত নিহত হয়েছে ৮ মাওবাদী। শহিদ হয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর এক জওয়ান।

    আরও পড়ুন: উষ্ণ আলিঙ্গন বাইডেনকে, খালিস্তানি সমস্যার মধ্যেও ট্রুডোর হাতে হাত রেখে সৌজন্য মোদির

    মাওবাদী দমনে ধারাবাহিক অভিযান

    সকালে গুলির লড়াই শুরুর পরেই এলাকায় বাড়তি বাহিনী পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) পুলিশ। প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটপর্বের পর থেকে মাওবাদী (Maoist Attack) উপদ্রুত বাস্তার ডিভিশনে ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। চলতি সপ্তাহেই নারায়ণপুরে সংঘর্ষে পাঁচ মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছিল। ঘটনায় এলাকা তল্লাশির সময়, দুটি .৩০৩ রাইফেল, একটি .৩১৫ বোরের রাইফেল, ১০টি বিজিএল (ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার) শেল, একটি এসএলআর ম্যাগাজিন, একটি কুকার বোমা সহ আরও নানা বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছিল। মিলেছিল গুলির প্যাকেট, কার্তুজ, মাওবাদী ফেস্টুন ও নানা কাগজপত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bastar: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর এনকাউন্টারে খতম ৭ মাওবাদী

    Bastar: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর এনকাউন্টারে খতম ৭ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত রবিবার থেকে ছত্তিশগড়ের বস্তারে (Bastar) নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে খতম সাত মাওবাদী। রবিবার নিহত হন ৩ মাওবাদী নেতা, মঙ্গলবারের রাতের অভিযানে মারা যান ৪ মাওবাদী। বিজাপুরের জঙ্গলে গতকাল মঙ্গলবার রাতে এই অভিযান চালায় সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স, বস্তার ফাইটারস্ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।

    মঙ্গলরাতে মাওবাদীদের সঙ্গে জঙ্গলে গুলির লড়াই

    নিরাপত্তা বাহিনী গোপন সূত্রে খবর পায়, ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি মাওবাদীদের দল বিজাপুরের জঙ্গলে রয়েছে। সেই মতো হানা দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। জানা গিয়েছে জঙ্গলা পুলিশ স্টেশনের আওতায় থাকা ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী পৌঁছাতেই শুরু হয়ে যায় গুলির লড়াই। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে এও খবর ছিল, ওই অঞ্চলে (Bastar) গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন যতনা সরকার নামের শীর্ষ মাওবাদী নেতা। জানা গিয়েছে, কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে ওই গুলির লড়াই। যখন গুলির লড়াই শেষ হয় তখন চারজন মাওবাদী নেতার দেহ উদ্ধার হয়। মাওবাদী নেতাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র এবং বিস্ফোরক। দেশীয় পিস্তল, মাওবাদীদের প্রচার পুস্তিকা, ওয়াকি টকি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

    রবিবার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে খতম ৩ মাওবাদী

    প্রসঙ্গত এর আগে গত রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি নিরাপত্তা বাহিনী অপারেশন চালায় কোয়ালিবেড়াতে (Bastar)। সেখানেও তিনজন মাওবাদী নিহত হয় এনকাউন্টারে। জানা গিয়েছে টেকালগুডা নামক জায়গাতে চলতি বছরের শুরুতেই হামলা চালায় মাওবাদীরা। তারপরেই পাল্টা প্রত্যাঘাতে নামে নিরাপত্তা বাহিনী। টেকালগুডাতে অবস্থিত নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্পেও হামলা চালায় মাওবাদীরা। এবং সেখানে বেশ কয়েকজন রক্ষী নিহত হন। এরপরেই সুকমা জেলায় স্থানীয় পুবেরতি গ্রামে একটি ক্যাম্প তৈরি করে জওয়ানরা। এখান থেকেই যাবতীয় অপারেশন চালাতে থাকে নিরাপত্তা বাহিনী। সুকমাতে যে জায়গায় নিরাপত্তারক্ষীরা ক্যাম্প তৈরি করেছে সেটি কুখ্যাত মাওবাদী নেতা মাধবী হিদমার বাসস্থান বলে পরিচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উড়ল ছত্তিশগড়ের আটটি গ্রামে

    Chhattisgarh: এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উড়ল ছত্তিশগড়ের আটটি গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পরে এই প্রথম ছত্তিশগড়ের বস্তারের আটটি মাওবাদী অধ্যুষিত গ্রামে তেরঙা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল মঙ্গলবার। গ্রামগুলি হল সিলগার, নালা, চিন্নাগেলুর, তিমেনার , মানহাকাল, হিরোলি, বেদ্রে, দুব্বামার্কা এবং টেন্ডামার্কা। গোটা দেশ যখন ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মশগুল, তখন প্রথম বার তেরঙা পতাকা উত্তোলন করল ছত্তিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত বলে পরিচিত বস্তার এলাকার এই গ্রামগুলি। কেন্দ্র সরকারের সক্রিয় চেষ্টায় ক্রমশ উন্নয়নের মুখ দেখছে পিছিয়ে পড়া এই গ্রামগুলি। স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনে এদিন সামিল হন সাধারণ মানুষও।

    উন্নয়নের পথে সামিল মানুষ

    পুলিশের দাবি, এই গ্রামগুলির আশপাশে নতুন ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। এতেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে মাওবাদীরা। ১৯৪৭-এর ১৫ অগাস্টের পর কেটে গিয়েছে প্রায় আট দশক। কিন্তু এত দিনে এক বারও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সুযোগ পাননি বিজাপুর জেলার চিন্নাগেলুর, তিমেনার এবং হিরোলি গ্রামের বাসিন্দারা। একই অবস্থা সুকমা জেলার বেদ্রে, দুব্বামার্কা এবং টোন্ডামার্কা গ্রামেরও। বস্তার রেঞ্জের আইজি সুন্দররাজ জানিয়েছেন, এই গ্রামের বাসিন্দারা এবার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম বার এমনটা হল। এছাড়া স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয় সুকমা জেলার পিডামেল, ডুব্বাকোনটা, সিলগের এবং কুন্দেদ গ্রামেও। 

    আরও পড়ুন: ১০০ শহরে ১০ হাজার বৈদ্যুতিন বাস! ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন ‘বিশ্বকর্মা’রা

    পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, গ্রামগুলির খুব কাছাকাছি পুলিশ ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি সুযোগসুবিধাও সরাসরি ওই অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে। তাতে বঞ্চনার অভিযোগকে শূন্যে নামিয়ে আনা যাবে। যা মাওবাদীদের পিছনে ঠেলতে সাহায্য করবে। এর ফলে স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে কালো পতাকা উত্তোলনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তাঁর কথায়, ‘‘এর আগে প্রতি বছরই এমন দিনগুলিতে কালো পতাকা উত্তোলন করত মাওবাদীরা।’’ প্রসঙ্গত, মাওবাদীরা মনে করেন, দেশের নিপীড়িত, শোষিত মানুষ এখনও পরাধীন। তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই বনেজঙ্গলে চলছে বলেও দাবি করে অধুনা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share