Tag: Bay Of Bengal

Bay Of Bengal

  • India Bangladesh Relation: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    India Bangladesh Relation: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেদের দেশে (India Bangladesh Relation) ফিরলেন ভারতের ৯৫ জন (Indian Fishermen Released) এবং বাংলাদেশের ৯০ জন মৎস্যজীবী। রবিবার দুপুর ১২টা নাগাদ বঙ্গোপসাগরের উপর আন্তর্জাতিক জলসীমায় দুই দেশের মধ্যে বন্দি বিনিময় হয়। দুই দেশের মৎস্যজীবীরা আন্তর্জাতিক জলসীমানা টপকে ফেলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। প্রায় আড়াই মাস পর ছাড়া পেলেন তাঁরা। বন্দি ভারতীয় মৎস্যজীবীদের অধিকাংশই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ এবং নামখানার বাসিন্দা। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের সাগরদ্বীপে পৌঁছনোর কথা আজ, সোমবার। 

    ভারতীয় মৎস্যজীবীদের মুক্তি

    প্রায় আড়াই মাস আগে (India Bangladesh Relation) বাংলাদেশের জলসীমার ভিতর ঢুকে পড়ায় কাকদ্বীপের ছ’টি ট্রলার আটক করেছিল বাংলাদেশের উপকূলরক্ষী বাহিনী। ওই ট্রলারগুলিতে ছিলেন ৯৫ জন মৎস্যজীবী। তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও ঘরে ফেরা সম্ভব হয়নি। অবশেষে মুক্তি (Indian Fishermen Released)। সম্প্রতি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব লুৎফুন নাহার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান, ওই ৯৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আটক ছ’টি ট্রলারও ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা। 

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর তরফেও ট্যুইট করে গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছে যে,  ৯০ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে তুলে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের হাতে তার মধ্যে ডুবতে বসা জাহাজ কৌশিক থেকে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি মৎস্যজীবীরাও রয়েছেন।

    বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের মুক্তি

    অন্য দিকে, জলসীমা অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে পড়ায় আটক করা হয় ৯০ জন বাংলাদেশি (India Bangladesh Relation) মৎস্যজীবী এবং তাঁদের দু’টি ভেসেলকে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফের তাঁদেরও মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার সকালে কাকদ্বীপ থেকে ১২ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে হলদিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে, পারাদ্বীপ থেকে নিয়ে যাওয়া হয় ৭৮ জনকে। রবিবার তাঁদের বাংলাদেশ উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ফের নিম্নচাপ সাগরে! মেঘলা আকাশ, হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা, এখনই কমছে না তাপমাত্রা

    Weather Update: ফের নিম্নচাপ সাগরে! মেঘলা আকাশ, হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা, এখনই কমছে না তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালে-বিকেলে বইছে উত্তুরে হাওয়া (Weather Update)। কানে চাপা দিয়েই ভোরে স্কুলের পথে গাড়িতে উঠছে ছোটরা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবদের জেলাগুলিতে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার মাত্রাও নেমে আসছে। কিন্তু শীত এখনও বেশ কিছুটা দূরে। ঠান্ডার আমেজ থাকলেও তা দীর্ঘস্থায়ী নয়। ফের নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প ঢুকবে রাজ্যে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। হালকা বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে। সামান্য বৃষ্টি দক্ষিণের উপকূলের জেলায়। মেঘলা আকাশ দক্ষিণের কিছু জেলায়। বাকি রাজ্যে কোনও প্রভাব পড়বে না। দিন ও রাতের তাপমাত্রা খুব সামান্য পতনের সম্ভবনা। উল্লেখযোগ্য পারদ পতন এই সপ্তাহে হবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। 

    বাংলায় নিম্নচাপের প্রভাব

    আবহবিদরা (Weather Update) জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ফের বঙ্গোপাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এর অভিমুখ থাকবে শ্রীলঙ্কা এবং অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু উপকূল। এর জেরে উত্তর-মধ্য ও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ৩৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস হইবে। আজ ভোর থেকে উত্তর তামিলনাড়ু ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। গাঙ্গেয় বঙ্গের কোনও কোনও জেলায় বেলার দিকে কখনো আংশিক মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা। নতুন করে তাপমাত্রা খুব বেশি নামার সম্ভাবনা কম। আগামী চার-পাঁচ দিন তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্ভাবনা কার্যত নেই। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সামান্য বাড়বে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বাড়ার কারণে সকালের দিকে কিছু কিছু এলাকায় কুয়াশা বা ধোঁয়াশার পরিস্থিতি তৈরি হবে।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকদের জন্য সুখবর! অনির্দিষ্টকালের জন্য ভিসা ফ্রি হয়ে গেল তাইল্যান্ডে

    শীতের আগমনী

    আলিপুর হাওয়া (Weather Update) অফিস জানাচ্ছে, মঙ্গলবারও কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নামেনি। তবে আপেক্ষিক আর্দ্রতা নেমে আসছে ৫৫ শতাংশে। সেই কারণেই নভেম্বরে শীতের যে আমেজ ‘স্বাভাবিক’ বলে মনে করা হয়। তবে, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের আগে দক্ষিণবঙ্গে তেমন ভাবে শীতের অনুভূতি পাওয়ার সম্ভাবনা কমই। নিম্নচাপের প্রভাব কাটিয়ে বৃহস্পতিবারের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় রাতের তাপমাত্রা অন্তত ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস নামার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও রাজ্যের পার্বত্য অঞ্চলে ইতিমধ্যেই শীতের কামড় ভালোই অনুভূত হতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার ভোরে দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা ১১.৯ ডিগ্রিতে নেমে এসেছিল বলে জানাচ্ছে আলিপুর হাওয়া অফিস। কালিম্পংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও নেমে আসে ১৭.৩ ডিগ্রিতে। পাল্লা দিচ্ছে পশ্চিমের জেলাগুলোও। পুরুলিয়াতে তাপমাত্রা মঙ্গলবার ১৬ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cyclone Remal: বঙ্গোসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’! কারা দিল নাম, অর্থই বা কী?

    Cyclone Remal: বঙ্গোসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’! কারা দিল নাম, অর্থই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমফানের পর আরও এক বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করছে রাজ্যবাসী। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সাগরে ঘূর্ণিঝড় (Cyclone in Bay of Bengal) তৈরির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মে মাসের শেষের দিকে বর্ষার আগে ঘূর্ণিঝড় অস্বাভাবিক নয়। তাই ভয় আরও বাড়ছে। এই ঘূর্ণিঝড় এলে তার নাম হবে ‘রেমাল’ (Cyclone Remal)। 

    কারা দিল নাম, মানেই বা কী

    বঙ্গোসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের অনুকূল পরিস্থিতি! যদি সাগরের উপরে থাকা ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বৃদ্ধি করে নিম্নচাপে পরিণত হয় এবং সেই নিম্নচাপ শক্তি আরও বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়, তা হলে তার নাম হবে ‘রেমাল’। এই নামটি ওমানের দেওয়া। আরবি এই শব্দের অর্থ বালি। তবে এখনও আবহাওয়া দফতরের তরফে এই নাম ঘোষণা করা হয়নি। ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Remal) পরিস্থিতি তৈরি হলে, তবেই সরকারিভাবে ঘোষণা হবে নাম।

    কীভাবে নামকরণ

    প্রথমে ঝড়ের নামকরণের কোন নিয়ম ছিল না। পরবর্তীতে বিজ্ঞানীরা এর জন্য একটি আদর্শ পদ্ধতি তৈরি করেন। ২০০৪ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করা হয়। বিশ্বকে পাঁচটি জোনে ভাগ করা হয়। মূলত, মহাসাগরীয় অঞ্চলকে মাথায় রেখে এই বিন্যাস করা হয়। যেমন, আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগর, অর্থাৎ উত্তর ভারত মহাসাগরকে নিয়ে একটি জোন তৈরি হয়েছে। এই অঞ্চলে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য একটি তালিকা প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত নেয় আন্তর্জাতিক আবহাওয়া দফতর ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএমও)।

    ভারতের অঞ্চলের সদস্য কারা

    পাঁচটি বিশেষ আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে এ কাজ করে থাকে ডব্লিউএমও। সদস্য দেশগুলির কাছ থেকে নামের তালিকা চাওয়া হয়। তালিকা পেলে দীর্ঘ সময় ঝাড়াই-বাছাই করে সংক্ষিপ্ত তালিকা করে ডব্লিউএমও-র কাছে পাঠানো হয়। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা অনুমোদন করে প্যানেল অন ট্রপিক্যাল সাইক্লোন্স। শুরুতে ভারতের অঞ্চলে যে ৮টি দেশ ছিল সেগুলি হল ভারত, বাংলাদেশ, মলদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং তাইল্যান্ড। ২০১৯ সালে ইরান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও ইয়েমেন যুক্ত হয়। যখন একটি ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখন এই ১৩টি দেশ তাদের ক্রম অনুসারে নাম নির্ধারণ করে। 

    নামকরণের কিছু নিয়ম

    নামকরণের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মেনে চলা হয়। যেমন রাজনীতি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ধর্মীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি বা লিঙ্গনিরপেক্ষ হতে হবে নামগুলোকে। মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করে এমন নাম দেওয়া যাবে না। নাম হতে হবে সংক্ষিপ্ত এবং সহজে উচ্চারণ করা যায় এমন। সর্বোচ্চ আটটি বর্ণ থাকতে হবে ওই নামে। নাম দেওয়ার পাশাপাশি সঠিক (স্থানীয়) উচ্চারণ এবং অর্থ উল্লেখ করে দিতে হবে। খেয়াল রাখা হয় যাতে এই নামগুলির পুনরাবৃত্তি না হয়। ২০২০ সালে মৌসম ভবনের তরফে ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের তালিকা দেওয়া হয়। সোমালিয়ায় যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে, তার নামকরণ করেছিল ভারত, যার নাম ছিল গতি। আবার, ২০২৩ সালের ঘুর্ণিঝড় বিপর্যয়-এর নামকরণ করেছিল বাংলাদেশ। এবার ২০২৪-এ ‘রেমালের’ নামকরণ করেছে ওমান। এর পরে ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেবে পাকিস্তান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chandipur: পূর্ণিমার রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি!

    Chandipur: পূর্ণিমার রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার এক অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র চাঁদিপুর (Chandipur)। ওড়িশার বালাসোর জেলার সৈকত পর্যটন কেন্দ্র এই চাঁদিপুর। অখণ্ড নির্জনতা, সুনীল আকাশ, বিস্তীর্ণ সোনালী বালুকাবেলা আর বঙ্গোপসাগরের নীল জল, এই হল চাঁদিপুরের সংসার। এই অনুপম সৌন্দর্যের মাঝেই ইতিউতি দেখা মেলে সাগরের বুকে ভেসে যাওয়া পাল তোলা নৌকা, মাছ ধরার ট্রলার, নাম না জানা বিভিন্ন প্রজাতির পাখির। আর পূর্ণিমার রাতে চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা কোনও ছবি। এখনও এখানে কিছুটা হলেও রয়ে গেছে গ্রাম্য জীবনের সহজ-সরল ছবি। দেখা মেলে জেলেদের বাড়ি-ঘরেরও। আর আছে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ঝাউগাছের সারি। চাঁদিপুর থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে বলরামগড়ি। এখানেই বুড়িবালাম নদী এসে মিশেছে সাগরের সঙ্গে।

    চাঁদিপুরের অন্যতম দিক (Chandipur)

    এখানকার বঙ্গোপসাগরের বুকের জোয়ার-ভাটার খেলা দেখার মতো। জোয়ারের সময় এখানে সাগরের জল যেন “চরণ ছুঁয়ে যায়”, আবার সেই সাগরের জলই ভাটার টানে সরে যায় প্রায় ৫ কিমি দূরে। সাধারণত এতখানি দূরে সমুদ্রের জল সরে যেতে অন্য কোথাও বড় একটা দেখা যায় না। সেই দিক থেকে দেখলে চাঁদিপুরের (Chandipur) সমুদ্রকে একটু ব্যতিক্রমী বলা যেতেই পারে। দেখে নেওয়া যায় এখানকার মৎস্য বন্দরটি, বিভিন্ন রকমের সামুদ্রিক মাছের পসরা নিয়ে মাছের আড়ত প্রভৃতি। হাতে সময় এবং ইচ্ছে থাকলে দেখে নেওয়া যায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পদধূলিধন্য রেমুনার ক্ষীরচোরা গোপীনাথ মন্দির অথবা চাঁদিপুর থেকে প্রায় ৫০ কিমি দূরে ওড়িশার আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পঞ্চ লিঙ্গেশ্বরও।

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Chandipur)

    হাওড়া থেকে কটক, ভুবনেশ্বর, পুরীগামী সব ট্রেন যাচ্ছে বালাসোরের ওপর দিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে পুরী এক্সপ্রেস, জগন্নাথ এক্সপ্রেস, ধৌলি এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। এছাড়াও দক্ষিণ ভারতগামী প্রায় সব ট্রেনই যায় বালাসোরের ওপর দিয়ে। হাওড়া থেকে রেলপথে বালাসোরের দূরত্ব প্রায় ২৩৪ কিমি। বালাসোর থেকে প্রায় ১৫-১৬ কিমি দূরে চাঁদিপুর (Chandipur)। স্টেশন থেকে যেতে হবে অটো বা গাড়িতে।

    এখানে রয়েছে ওটিডিসি-র হোটেল “পান্থনিবাস”। ফোন-০৬৭৮২ ২৭০০৫১। এছাড়াও এখানে (Chandipur) থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন দামের ও বিভিন্ন মানের প্রচুর হোটেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Cyclone Michaung: শক্তিশালী সাইক্লোনের রূপ নেবে ‘মিগজাউম’! শনি-রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা

    Cyclone Michaung: শক্তিশালী সাইক্লোনের রূপ নেবে ‘মিগজাউম’! শনি-রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম (Cyclone Michaung)। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আমূল বদলে যাবে আবহাওয়া, পূর্বাভাস মৌসম ভবনের। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি আগামী শুক্রবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বৃহস্পতিবার থেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অধিকাংশ অঞ্চলে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ শুরু হবে। যদিও ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি তৈরি হলে এ রাজ্যে তার প্রভাব কতটা পড়বে বা কতটা ঝড়বৃষ্টি হবে, সে ব্যাপারে এখনই নিশ্চিত নন আবহবিদেরা। তবে নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মেঘলা থাকবে।

    ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ

    ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Michaung) রুট এবং সর্বোচ্চ গতি নিয়ে আবহাওয়াবিদদের মধ্যেই মতপার্থক্য রয়েছে। একদল বিজ্ঞানীদের অনুমান, তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে এই ঘূর্ণিঝড়টি।  ৫ ডিসেম্বর সম্ভাব্য ল্যান্ডফল হবে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওডিশার মধ্যবর্তী উপকূলে। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আছড়ে পড়তে পারে মিগজাউম। এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবার, অপর একটি আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মডেল অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল হতে পারে আগামী ৬ ডিসেম্বর। ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের ল্যান্ডফলের সময় হাওয়ার গতিবেগ থাকতে পারে সর্বোচ্চ ৬৫ থেকে ৭০ কিলোমিটার। 

    ওড়িশায় সতর্কতা

    ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Michaung) জেরে সম্ভাব্য দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে সাত জেলাকে সতর্ক করেছে ওড়িশা প্রশাসন। এই জেলাগুলি হল বালেশ্বর, ভদ্রক, কেন্দ্রাপাড়া, জগতসিংহপুর, পুরী, খুরদা এবং গঞ্জাম। রাজ্যের ত্রাণ এবং উদ্ধার সংক্রান্ত দফতরের বিশেষ কমিশনার সত্যব্রত সাহু ওই সাত জেলার জেলাশাসকদের সতর্ক করে জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিন সমুদ্র ভয়াল রূপ ধারণ করতে পারে। রাজ্যের বিস্তীর্ণ অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এই সময় মৎসজীবীদেরও গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দু’বছরেই বুলেট ট্রেন চলবে দেশে! সময় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, কবে চালু?

    বাংলায় প্রভাব

    নিম্নচাপের জেরে আজ, ফের কলকাতায় কুড়ি ডিগ্রির ওপরে উঠল পারদ। আপাতত রাতের তাপমাত্রা বাড়বে, কমবে দিনের তাপমাত্রা। সপ্তাহান্তে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উপকূলবর্তী জেলাতে। রাজ্যে পশ্চিমের জেলায় শীতের আমেজ একটু বেশি থাকবে। সাইক্লোনের (Cyclone Michaung) প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গেও বৃষ্টিপাত হবে। ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Cyclone Sitrang: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    Cyclone Sitrang: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নতুন ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে চলেছে আমাদের রাজ্যে, সিত্রাং নামক ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি বাড়িয়ে আন্দামান সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ থেকে। পোর্টব্লেয়ার থেকে ১১০ কিমি উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করেছে এই  নিম্নচাপ এবং সাগরদ্বীপ থেকে ১৪৬০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে আগামীকাল সোমবার দীপান্বিতা কালীপূজার দিন  পশ্চিমবঙ্গে এবং পরবর্তী দিন মঙ্গলবার বাংলাদেশের উপকূলের তিনকোনা দ্বীপের উপর আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়।

    পশ্চিমবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুর সহ হাওড়া, হুগলি, নদীয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত ও ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ ৬৫ কিমি আর মঙ্গলবার ৯০ কিমি বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।
    তবে দুই পরগণা আর দুই মেদিনীপুরে ১১০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা। 
     সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকার সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সুন্দরবন এলাকায় ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। 

    [tw]


    [/tw]

    সুন্দরবন কোস্টাল থানার তরফ থেকে মাইকে করে বিশেষ সতর্কতা মূলক প্রচার চালানো হয়েছে, মৎস্যজীবিদের মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সমুদ্র তীরবর্তী বাসিন্দাদের কয়েকটি দিন বিশেষ সতর্কতায় কাটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তেমন বুঝলে ফ্ল্যাড সেন্টারে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। 
    এই ঝড় পাশ্ববর্তী রাজ্য উড়িষ্যা হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে ভারতে যাবে। এই ঘুর্ণিঝড়ের কারণে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু রাজ্যে সারাদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, মাঝে মাঝে ঝড় বিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। 
    কালীপূজার দিন সকাল থেকে নবান্নে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিব সহ প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের।

    নবান্নের তরফ থেকে উপকূলীয় জেলার প্রশাসনকে যে কোনো পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।  সাইক্লোন সিত্রাং মোকাবিলায় এনডিআরএফের তরফ থেকে থাকবে পশ্চিমবঙ্গে ১৪টি পরিষেবা দল রাজ্যের উপকূল সহ বিভিন্ন স্থানে । ৪টি দল থাকবে দক্ষিন ২৪ পরগণায়, ২ দল থাকবে উত্তর ২৪ পরগণা ,৩ টি দল  পূর্ব মেদিনীপুর আর ১ টি দল পশ্চিম মেদিনীপুর,হুগলি ও নদীয়ায় থাকবে। এবং কলকাতা কর্পোরেশনে থাকছে দুটো দল।
    দক্ষিণ ২৪ পরগনার মধ্যে রয়েছে সাগর, কাকদ্বীপ, গোসাবা, কুলতলি, উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যে রয়েছে সন্দেশখালি এবং হাসনাবাদ। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুরের মধ্যে  দিঘাতে রয়েছে একটি টিম, রামনগরে দুটি টিম এবং হলদিয়াতে এনডিআরএফের টিম রয়েছে। হুগলির আরামবাগ, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, পশ্চিম মেদিনীপুরে হাসিমপুর, নদিয়া হরিণঘাটাতেও এনডিআরএফ টিম মোতায়েন রয়েছে। মূল কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে হরিণঘাটাতে সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের এনডিআরএফের কন্ট্রোল রুম। কন্ট্রোল রুমের নাম্বার-  ৮০১৭১৬৬৬৫৫ । ২৪ ঘণ্টা এই হরিণঘাটার মেইন কন্ট্রোল রুম থেকেই চলবে গোটা পরিস্থিতির উপর নজরদারি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Weather Update: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    Weather Update: দুয়ারে শীত! কলকাতায় ১৮-র ঘরে পারদ, ডিসেম্বরের শুরুতে ফের ঘূর্ণিঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণ, শহর থেকে জেলা সর্বত্র ঠান্ডার মেজাজ। সপ্তাহান্তে আরও নামবে পারদ। বিশেষ করে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট থাকবে। এরই মধ্য়ে ডিসেম্বরের শুরুতে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করছেন আবহবিদরা। আন্দামান সাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। 

    ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

    আলিপুর হাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ২৬-২৭ নভেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত অচিরেই পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে। এর পর যদি সেই নিম্নচাপ আরও শক্তি বৃদ্ধি করে, তা হলে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে অচিরেই পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়েও। ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে তা বঙ্গোপসাগর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। এই গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে মিগজাউম( ‘Michaung’ pronunciation – Migjaum)। মায়ানমারের দেওয়া এই নাম। ঘূর্ণিঝড় হলে চলতি বছরে বঙ্গোপসাগরে এটি চতুর্থ ঘূর্ণিঝড় হবে।

    দক্ষিণবঙ্গের জেলায় ঠান্ডার আমেজ

    উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই শীতের আমেজ বহাল রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঠান্ডার আমেজ আরও বেড়েছে। আগামী কয়েকদিনে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঠান্ডার আমেজ আরও তীব্র হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে তাপমাত্রা। আগামী কয়েকদিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূমে শীতের দাপট থাকবে বেশি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও আপাতত তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না।

    আরও পড়ুন: আদালত অবমাননা! হাইকোর্টে হাজিরা দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা

    কলকাতায় ঠান্ডার ব্যাটিং 

    এক ধাক্কায় কলকাতায় ১৮-র ঘরে নেমেছে পারদ। ধীরে ধীরে কমছে রাতের তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার কলকাতার বেশ কিছু এলাকার তাপমাত্রা ছিল এই মরশুমে সবচেয়ে কম। বৃহস্পতিবার প্রথম কলকাতার তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। শুক্রবারও তা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচেই রয়েছে। শুক্রবার দমদম এবং আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৯ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে কম। এ ছাড়া বর্ধমান এবং বাঁকুড়াতে তাপমাত্রা নেমেছে ১৫ ডিগ্রির নীচে। নদিয়া-মুর্শিদাবাদেও ২০ ডিগ্রির নীচে ছিল তাপমাত্রা।

    উত্তরে ঠান্ডার দাপট

    দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে থাকা শীত শীত ভাব নভেম্বরের বাকি দিনগুলিতেও থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে হাওয়া অফিস।  আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আর দু’তিন দিনের মধ্যেই উত্তুরে হিমেল হাওয়া দক্ষিণবঙ্গে ঢুকতে শুরু করবে। ফলে আরও কমবে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গে আপাতত মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। আগামী তিন চার দিনে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকলেও শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে পার্বত্য এলাকায়। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: মোকা আতঙ্কে কাঁপছে বাংলাদেশ! শনিবার রাত থেকেই ভিজবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ

    Cyclone Mocha: মোকা আতঙ্কে কাঁপছে বাংলাদেশ! শনিবার রাত থেকেই ভিজবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুতগতিতে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোকা (Cyclone Mocha)। ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, শেষ ছয় ঘণ্টায় ১৯ কিমি বেগে এগিয়েছে মোকা। আপাতত পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। পোর্টব্লেয়ারের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে ৫৯০ কিমি, বাংলাদেশের কক্সবাজারের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে ৫৮০ কিমি এবং মায়ানমারের সিটওয়ের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে ৪৯০ কিমি দূরে অবস্থান করছে মোকা। আবহবিদরা জানিয়েছেন, মধ্য বঙ্গোপসাগরের থেকে ঘণ্টায় ১৪ কিলোমিটার বেগে উত্তরপূর্ব দিকে সরে যাচ্ছে মোকা। 

    শনিবার সন্ধ্যা থেকেই বৃষ্টি

    মোকার আতঙ্কে কাঁপছে বাংলাদেশ। আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে যে, ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Mocha) প্রভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট এবং বরিশালে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। আর সে কারণে কক্সবাজার, বান্দারবন, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং চট্টগ্রাম— এই পাঁচ জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকেই কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন এবং উপকূলীয় এলাকাগুলিতে মোকার প্রভাব পড়তে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। মোকা যতই উপকূলের দিকে এগোচ্ছে, ততই আবহাওয়ার পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। শনিবার সকাল থেকেই তাই কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।

    প্রস্তুত বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় মোকার (Cyclone Mocha) মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আছে বাংলাদেশ। যাবতীয় শেল্টার হোম তৈরি রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের কাজ বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার থেকে ৫ লক্ষ মানুষকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ত্রাণশিবিরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এক সপ্তাহের মতো খাবারও মজুত করে রাখা হয়েছে। দেড় হাজারেরও বেশি ত্রাণশিবির তৈরি করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: শক্তি বাড়িয়ে আসছে মোকা! চূড়ান্ত সতর্কতা বাংলাদেশে, কলকাতা-সহ রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    ভিজবে কলকাতা

    মোকা (Cyclone Mocha) আবহে শনিবার থেকে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গও। আবহবিদরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যা থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টিপাত শুরু হবে। যার রেশ চলবে আগামী দু’তিন দিন পর্যন্ত। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস শনিবার বিকাল থেকেই ঝড়বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত শুরু হবে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায়। বৃষ্টিতে ভিজবে দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাও। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি থাকছে সোমবারেও। মঙ্গল এবং বুধ থেকে তাপমাত্রা আবার বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি, রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! নিশানায় কি বাংলা? 

    Cyclone: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! নিশানায় কি বাংলা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone) ভ্রুকুটি! হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণ আন্দামান সাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। এরই প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। নিম্নচাপটি পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রূপে অবস্থান করবে। তবে তা ভয়ঙ্কর রূপ নেবে কিনা, তা এখনও জানা যায়নি।

    বিদায় নিয়েছে বর্ষা। বর্ষা এবং নিম্নচাপের বৃষ্টি জোড়া ফলায় মাটি হয়েছে বাঙালির এবারের দুর্গোৎসব। পুজোর আগে তো বটেই, পুজোর দিনগুলিতেও কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্রই। দুর্গাপুজো বৃষ্টির জলে ভেসে যাওয়ার কালীপুজোর কথা ভেবে আশায় বুক বেঁধেছিলেন আম বাঙালি। তবে ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। এবং সেই বঙ্গোপসাগরে।

    মঙ্গলবার দুপুরে আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও লাগোয়া এলাকায় যে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে, মঙ্গলবার সেটি অবস্থান করছে উত্তর আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন এলাকায়। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এটাই পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে। দক্ষিণ-পূর্ব ও সংলগ্ন পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে সেই নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, সম্ভাব্য ওই নিম্নচাপ ক্রমশ আরও পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। শনিবার সকালে মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেটির। পরবর্তীকালে তা আরও শক্তিশালী হয়ে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone) জন্ম হতে পারে।

    আরও পড়ুন: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) সুপার সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে বলে ইতিমধ্যেই জল্পনা ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। তবে সেটি সুপার সাইক্লোন হবে না। সোমবার আলিপুরে আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, এই ঘূর্ণিঝড় থেকে সুপার সাইক্লোন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    সম্ভাব্য ওই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone) প্রভাব বাংলায় কতটা পড়বে কিংবা ওই ঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ কী হবে, তা এখনও জানানো হয়নি আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে। এখানকার এক আধিকারিক বলেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় কোন পথে এগোবে এবং তার তীব্রতা কত হবে, সেটা নিয়ে এখনও মন্তব্য করার সময় আসেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Weather Forecast: উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা দক্ষিণবঙ্গে

    Weather Forecast: উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা দক্ষিণবঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই কম-বেশি বৃষ্টিতেই কেটেছে দক্ষিণবঙ্গবাসীর (South Bengal)। শেষ দুদিন ফের সূর্যের মুখ দেখা গিয়েছে বটে। কিন্তু বর্ষা বিদায় নিচ্ছে না এখনই। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। রবিবার থেকেই ফের বদলাবে আবহাওয়া। নেপথ্যে নিম্নচাপ (Depression)। শনিবার বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কথা। এরফলেই রবিবার থেকে দুই বঙ্গে বাড়বে বৃষ্টিপাত। 

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! জঙ্গিদের গুলিতে খুন বিহারের পরিযায়ী শ্রমিক

    এবছর এখন অবধি সেভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের মুখ দেখেনি দক্ষিণবঙ্গ। ফলে বৃষ্টিপাতের ব্যাপক ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি মধ্য বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। সেই নিম্নচাপের কারণে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাত (Heavy Rain) হতে পারে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Department)। কিন্তু পরবর্তীতে সেই নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ফেলে। ফলে বৃষ্টিপাত থেকে বঞ্চিত হয় দক্ষিণবঙ্গ। তবে নতুন করে উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। শনিবার এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। এই নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর শক্তি আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের 
     
    প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, উপকূলের জেলা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। শনিবারও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপের কারণে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডেও বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। যদিও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার বিশেষ বদল হবে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় অস্বস্তি বাড়বে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। 

    সকাল থেকেই শহর কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা। এদিন শহরে ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। এদিন শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি এবং শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪.৫ মিলিমিটার। শনিবার দিনভর শহরের আকাশ থাকবে মেঘলাই। রবিবার ভারী বৃষ্টিপাত পেতে পারে কলকাতা। 

    সকাল থেকেই তিলোত্তমার আকাশ আংশিক মেঘলা। এদিন শহরে অল্প বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিন মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪.৫ মিলিমিটার। শনিবার দিনভর শহরের আকাশ মেঘলাই থাকবে। রবিবার ভারী বৃষ্টিপাত পেতে পারে শহর। 

LinkedIn
Share