Tag: BCCI President Sourav Ganguly

BCCI President Sourav Ganguly

  • Jasprit Bumrah: বুমরাহকে নিয়ে আশার আলো দেখালেন বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

    Jasprit Bumrah: বুমরাহকে নিয়ে আশার আলো দেখালেন বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সত্যি কি চোট পেয়ে টি-২০ বিশ্বকাপ (T-20 World Cup) থেকে ছিটকে গিয়েছেন যশপ্রীত বুমরাহ (Jasprit Bumrah), নাকি তিনি সুস্থ হয়ে আইসিসি’র (ICC) মেগা ইভেন্টে মাঠে নামবেন? এই প্রশ্নটাই এখন উঁকি দিচ্ছে ভারতীয় সমর্থকদের মনে। কারণ, কয়েকদিন আগে বিসিসিআইয়ের (BCCI) এক কর্তা দাবি করেছিলেন, পিঠের পুরনো চোট মাথা চাড়া দেওয়ায় ছ’মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে বুমরাহকে। যার অর্থ আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে তাঁর খেলার কোনও সম্ভাবনা নেই। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় মুখ খুললেন বুমরাহকে নিয়ে। তিনি বলেছেন, ‘বুমরাহ এখনও টি-২০ বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রয়েছে। এখনও ছিটকে যায়নি। পিঠের চোট ওকে ভোগাচ্ছে। দলের চিকিৎসকরা নজর রেখেছে বুমরাহর উপর। বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনও কিছুটা সময় বাকি। তাই আমরা এখনই ওকে নিয়ে হাল ছাড়ছি না।’

    আরও পড়ুন: টি২০ বিশ্বকাপ খেলছেন না বুমরাহ, ‘খলনায়ক’ স্ট্রেস ফ্র্যাকচার

    বুমরাহর চোট নতুন নয়। গত চার বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন তিনি। দীর্ঘদিন দলের বাইরেও তাঁকে থাকতে হয়। সম্প্রতি ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধ টি-২০ সিরিজের শেষ দু’টি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচের আগে আচমকা তাঁর চোট-সমস্যা সামনে আসে। পরে জানা যায়, শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা সিরজ নয়, বুমরাহকে নাকি টি-২০ বিশ্বকাপেও পাবে না ভারতীয় দল। আর সেই বক্তব্য এক বিসিসিআই কর্তার হওয়ায় শোরগোল পড়ে যায়। কারণ, অস্ট্রলিয়ার মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় পেস আক্রমণের রিমোট থাকার কথা বুমরাহর হাতেই। কিন্তু তিনি না খেলতে পারলে সেই দায়িত্ব কে সামলাবেন?

    আরও পড়ুন: ১৪ বছর পর ভারত বনাম পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ! ইসিবি-র প্রস্তাবে কী জানাল বিসিসিআই?

    একেবারেই ফর্মে নেই ভুবনেশ্বর কুমার, আর এক সিনিয়র পেসার মহম্মদ সামিকে নিয়েও টিম ম্যানেজমেন্ট দোটানায়। সেখানে অর্শদীপ সিং, হার্শল প্যাটেল, দীপক চাহারদের মতো অনভিজ্ঞ পেসারদের কাঁধে চড়ে বিশ্বকাপ বৈতরণী পার করা সহজ হবে না ভারতের। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। তবে সৌরভের বক্তব্যে ভারতীয় সমর্থকরা আঁধারে আলো খোঁজার চেষ্টা করছেন। বিসিসিআই সভাপতি বলেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত বুমরাহ অস্ট্রেলিয়া যেতে পারবে কিনা সেটা হয়তো তিন-চার দিনেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। আশা করছি সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Women’s IPL: ফেব্রুয়ারি-মার্চেই দেশের মাটিতে মহিলাদের আইপিএল! ইঙ্গিত বিসিসিআই সভাপতির

    Women’s IPL: ফেব্রুয়ারি-মার্চেই দেশের মাটিতে মহিলাদের আইপিএল! ইঙ্গিত বিসিসিআই সভাপতির

    মাধম্য নিউজ ডেস্ক: দাবি অনেকদিনের। কিন্তু বার বার নানা কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। অবশেষে আশার আলো দেখা গেল। আগামী বছরের শুরুতে মহিলাদের আইপিএল (Women’s IPL)  আয়োজন করতে চেয়ে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলিকে চিঠি দিল বিসিসিআই (BCCI)। খুব সম্ভবত ফেব্রুয়ারি-মার্চে দেশের মাটিতেই বসবে মহিলাদের আইপিএলের প্রথম আসর। সেই ইঙ্গিত মিলেছিল কয়েকদিন আগে বিসিসিআই সভাপতি (BCCI President) সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sourav Ganguly) কথায়। শহরে এক অনুষ্ঠানে, তিনি ভারতীয় মহিলা দলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে ভারত ইংল্যান্ডের মাটিতে ওয়ান ডে সিরিজ জিতে নজির গড়েছে। তাই মেয়েদের প্রশংসা শোনা গেল বিসিসিআই সভাপতির মুখে।

    আরও পড়ুন: পুজোর পরেই ভারত-পাকিস্তান! মেয়েদের এশিয়া কাপে ৭ অক্টোবর হরমনপ্রীতদের মুখোমুখি মিসবারা

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে শুরু হয়েছিল ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগ (Indian Premeire legue)। আইপিএল ভারতীয় ক্রিকেটকে আমূল বদলে দিয়েছে। শুধু আথির্ক দিক থেকে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড শক্তিশালী হয়নি, একই সঙ্গে মজবুত হয়েছে ভারতীয় দলের সাপ্লাই লাইন। তাই বিসিসিআই কর্তারা মনে করছেন, আইপিএল শুরু হলে দেশের মহিলা ক্রিকেটেও জোয়ার আসবে।

    আরও পড়ুন: ঝুলন সকলের কাছে অনুপ্রেরণা! বঙ্গকন্যাকে নিয়ে আবেগে ভাসলেন সৌরভ

    অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ডের মতো দেশগুলিতে পুরুষদের মতো সম্মান পান মহিলা ক্রিকেটাররা। বেতনের ক্ষেত্রেও তেমন কোনও তারতম্য চোখে পড়ে না। তবে এক্ষেত্রে বিসিসিআই ব্যতিক্রমী। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা বোর্ডের সঙেগ চুক্তির ফলে যে অর্থ পান, তার থেকে অনেক কম পান স্মৃতি মান্ধানা, হরমনপ্রীত কৌররা। এই বৈষম্য দ্রুত মেটানোর দাবিও তুলেছেন মহিলা ক্রিকেটাররা। কিন্তু তাতে বিসিসিআই কর্তারা কর্ণপাত করেননি। তবে সময় বদলেছে। দেশের মহিলা ক্রিকেটের কাঠামোকে আরও উন্নত করার চেষ্টা শুরু করেছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, জয় শাহরা। এই মরশুম থেকেই শুরু হয়েছে অনুর্ধ্ব-১৫ মহিলা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। যেখান থেকে বহু ক্রিকেটার আগামী দিনে ভারতীয় মহিলা দলে সুযোগ পাবেন বলে মত প্রাক্তনদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • AIFF and BCCI: বাজিমাত বাংলার! ভারতীয় ফুটবল ও ক্রিকেটের মসনদে দুই বাঙালির দাপট

    AIFF and BCCI: বাজিমাত বাংলার! ভারতীয় ফুটবল ও ক্রিকেটের মসনদে দুই বাঙালির দাপট

    ঈষিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: ‘হোয়াট বেঙ্গল থিংক্স টুডে, ইন্ডিয়া উইল থিংক টুমরো’। গোপাল কৃষ্ণ গোকলের সেই বহু চর্চিত উক্তি আজ ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে ভীষণভাবে প্রযোজ্য। বহু বছর পর দেশের দুই জনপ্রিয় ক্রীড়া সংগঠনের শীর্ষপদে দুই বঙ্গসন্তান। ২০১৯ সালে বিসিসিআই (BCCI) সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। কয়েকদিন আগেই সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (AIFF) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaubey) । তাঁর কাছে পরাজিত হওয়ার পর ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া ফেডারেশনের নির্বাচনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছেন। যদিও তার কোনও সারবত্তা নেই বলে দাবি বিভিন্ন রাজ্য ফুটবল সংস্থার কর্তাদের। তাঁদের যুক্তি, যদি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হয়, তাহলে সহ-সভাপতি অন্য কেউ হতেন। আসলে কল্যাণ চৌবেকেই দিল্লির ফুটবল হাউসের মসনদে চেয়েছেন অধিকাংশ রাজ্য। তাই সভাপতি পদে তিনি ৩৩-১ ব্যবধানে বাইচুংকে হারিয়েছেন কল্যাণ।

    অতীতেও বিসিসিআই কিংবা এআইএফএফের সভাপতি পদে একই সময়ে পাওয়া গিয়েছে বাংলার দুই প্রতিনিধিকে। ১৯৮৯ সালে বিশ্বনাথ দত্ত হয়েছিলেন বোর্ড সভাপতি। সেই সময় ফেডারেশনের শীর্ষপদ অলঙ্কৃত করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সী। তিনি ১৯৮৮-২০০৮, একটানা দায়িত্ব সামলেছিলেন। সেই সময় কালেই সিএবি থেকে বিসিসিআই সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন জগমোহন ডালমিয়াও। একটানা না হলেও, ডালমিয়া কিন্তু ধাপে ধাপে বেশ কয়েকবার বোর্ড সভাপতি এবং আইসিসি প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভারতীয় ক্রিকেটে আর্থিক জোয়ার আনার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল ‘জগু’দার। একাধিক বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট আয়োজনের পাশাপাশি ক্রিকেটকে বানিজ্যিকরণের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির আমলেও ভারতীয় ফুটবল নানাভাবে উপকৃত হয়েছিল।

    ২০০৯ সালে প্রফুল্ল প্যাটেল দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই অর্থে ভারতীয় ফুটবল আর এগোয়নি। বরং কিছু সাগরেদদের নিয়ে ভারতীয় ফুটবলের মসনদ দখলে রেখেছিলেন তিনি। আর তার বিরুদ্ধই বার বার সোচ্চার হয়েছিলেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায় মামলা। এক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করতে হয় দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও (Narendra Modi)। ভারতীয় ফুটবলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ফিফা (FIFA)। প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্র সরকারের হস্তক্ষেপে বিষয়টির মীমাংসা হয়। এক্ষেত্রে কল্যাণ চৌবের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা ঠিক খেলা ছাড়ার পর তিনি প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে এসেছেন। বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়েছেন। কিন্তু কখনওই তিনি রাজনীতি ও ফুটবলকে এক করে ফেলার চেষ্টা করেননি।

    কল্যাণ ঘনিষ্ঠ এক প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলারের কথায়, ‘ও চাইলে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের বলে ফেডারেশনের সভাপতি পদ থেকে আগেই প্রফুল্ল প্যাটেলকে সরিয়ে দিতে পারত। কিন্তু সেটা করেনি। আইনি পথে লড়েছে। জয়ও পেয়েছে। বরং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট মন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানানো উচিত আমাদের। তাঁরা চাইলে, প্রফুল্ল প্যাটেলের মতো কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ফেডারেশনের সভাপতি করতে পারতেন। কিন্তু সেটা করেননি। বরং ফুটবলের প্রশাসনে কল্যাণের মতো প্রাক্তন ফুটবলারকেই তারা সমর্থন করেছেন। না হলে তো আমরা কোনও বঙ্গসন্তানকে এই পদে দেখতে পেতাম না।’

    অনেকে বলে বিজেপি বাংলা বিরোধী, কিন্তু সে কথাও মানতে নারাজ ক্রীড়ামহল। অধিকাংশের মতে, বিসিসিআই সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে জয় শাহ তো সচিব না হয়ে বোর্ড সভাপতি হতেই পারতেন, কিন্তু হননি। বাংলা তথা দেশের আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কেই সেদিন সমর্থন করেছিলেন অনুরাগ ঠাকুর, অমিত শাহরা। অনেকেই দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে গৈরীকরণের অভিযোগ করছেন। ভুল কিছুই নয়। কেন্দ্রে যে দল ক্ষমতায় থাকে, তারা সব সময়ই ক্ষমতার বলে সব ক্ষেত্রেই নিজেদের লোককে বসানোর চেষ্টা করে। তবে, মোদি-শাহ জমানায় বিসিসিআই কিংবা ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচনে কিন্তু কংগ্রসের পথে হাঁটেনি বেজিপি। দল নয় বরং খেলাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ফুটবল ও ক্রিকেট দুই ক্ষেত্রেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন ফুটবলার বা ক্রিকেটারের হাতে। 

LinkedIn
Share